এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  আলোচনা  সমাজ

  • আমিও স্বামী পাকড়েছি

    প্রতিভা মণ্ডল
    আলোচনা | সমাজ | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২৫ বার পঠিত
  • গারো-নারীর নিঃসংকোচ উচ্চারণ
    হেমন্ত কাল। মানুষের চামড়ায় গারো-পাহাড়ের মাঠ-ময়দান ভরা দুপুরেও আর ছ্যাঁকা দিচ্ছে না। তবে সন্ধেকে ঠেলে রাতের প্রবেশ ঘটলে বিছানায় এখনো একটা কম্বলই যথেষ্ট। সেরকমই এক সন্ধেয় গায়ে একটা কার্ডিগান চাপিয়ে স্থানীয় গারো গাইড-কাম-বন্ধু নিম্মল সাংমার (নাম পরিবর্তিত) সঙ্গে পৌঁছলাম রূগাপাড়ার খেলার মাঠে। রূগাপাড়া হল মাতৃকৌলিক গারো জনজাতির ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ডজন খানেক শাখার অন্যতম ‘রূগা’-র আবাসভূমি।

    খেলার মাঠটি খুবই প্রশস্ত। হেমন্তের সেই সন্ধেয় সে-মাঠে ‘রূগালা’ উৎসবের প্রাক্‌-সন্ধ্যা মেলা। রূগালা’ গারো জনজাতির সবচেয়ে বড় বার্ষিক উৎসব ‘ওয়াঙ্গালা’-র রূগা সংস্করণ। আর, ওয়াঙ্গালা হল গারো-সমাজের নবান্ন। গারোরা এই উৎসবে তাদের ফসল-দেবতা ‘মিসি সালজং’-কে (সূর্য) ঝুমক্ষেত থেকে সদ্য-তোলা ধানের ভাত উৎসর্গ করে। সঙ্গে থাকে অন্যান্য নতুন ফসলের তরকারি এবং চাল গেঁজিয়ে তৈরি-করা গারো সুরা ‘চু’। উৎসর্গের আচার-অনুষ্ঠান সম্পন্ন করার চিরাচরিত দায়িত্ব কামাল তথা গারো-পুরোহিতের। উৎসর্গ-আচারে বেশি সময় যায় না। গারো মানুষ সময় ঢালে নাচে। নারী-পুরুষ আলাদা আলাদা বৃত্তে। সহযোগে গান নয়, থাকে গারো-ঢাকের বাদ্যি। ঘাড় থেকে দড়ি দিয়ে পেটের কাছে ঝুলিয়ে লম্বাটে সে-ঢাক বাজায় কেবল পুরুষরাই।

    তো সেই প্রাক্‌-রূগালা সন্ধ্যায় রূগাপাড়ার ক্রীড়াঙ্গনে নিম্মল আমায় নিয়ে গেল তার ভাগ্নি সোমারা’র (নাম পরিবর্তিত) দেওয়া ছোট চা-পুরির দোকানে। সেখানে তখন সোমারার সঙ্গে ছিল নিম্মলের ছোট মেয়ে আশিনি (নাম পরিবর্তিত) এবং এক তরুণ। মাঠে তখনো ভিড় জমাট বাঁধেনি। সোমারার দোকানের সামনে এক-দুজন খরিদ্দার। সোমারা এবং আশিনি এক বছর পর আমাকে দেখে হৈ হৈ ক’রে অভ্যর্থনা জানাল। আমি দোকানের ভেতরে ঢুকলে সোমারা তরুণটির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিল, “মানি, দেখো ইয়ে হ্যায় মেরা বুড়া”। গারো ভাষায় ‘মানি’ শব্দের অর্থ পিসি এবং মাসি— দুইই। ‘বুড়া’ এবং ‘বুড়ি’ যথাক্রমে হিন্দি এবং বাংলা শব্দ হলেও সাধারণ গারো মানুষদের কাছে না-জানি কবে থেকে যথাক্রমে স্বামী ও স্ত্রী-র বাংলা পরিভাষা হিসাবে চালু।

    আমি সোমারা’র কথা শুনে তরুণটির দিকে এক ঝলক হাসি দিয়ে সোমারাকে বলি, ‘ও-হো, তুমভি সাদি কর্‌ লিয়া?’ এ প্রশ্ন করি, কারণ আগের বছরেই সপ্তা’ খানেক সোমারাদের বাড়িতে যখন পেয়িং-গেস্ট হিসাবে ছিলাম, তখনও সোমারা ছিল অনূঢ়া। সোমারা উত্তর দেয়, “হাঁ, ম্যঁয়নে ভি বুড়া পাকাড় লিয়া”। সাদা বাংলায়, “হ্যাঁ, আমিও স্বামী পাকড়ে নিয়েছি”। আমি চমৎকৃত! ‘স্বামী পাকড়েছি’! কী নিঃসংকোচ উচ্চারণ! বাঙালি সমাজের কোনো তরুণীর পক্ষে এ উচ্চারণ, সমবয়সী বন্ধুগোষ্ঠির মধ্যে মজা ক’রে ছাড়া, আজও অচিন্ত্যনীয়। বস্তুত, বাঙালি সমাজে কোনো নারীর সম্বন্ধে যখন কোনো পুরুষকে “পাকড়ানো”-র কথা বলা হয়, তা বলা হয় নিন্দার্থে। এবং, সচরাচর বলা হয় যখন সেই নারী পাত্রী হিসাবে পাত্র-পুরুষটির চেয়ে সমাজ-স্থিরীকৃত মাপকাঠিতে খাটো হয়। কিন্তু, “আমি স্বামী পাকড়েছি” বলতে গারো-তরুণীর সংকোচ হয় না। এই অসংকোচের উৎস আসলে নিহিত রয়েছে তাদের সমাজের ঐতিহাসিক বাস্তবতায়— অধুনালুপ্ত এক প্রথায় যা অর্ধ শতক আগেও ছিল অনেকটাই জীবন্ত।

    গারো সেই সনাতন প্রথার কথা প্রথম লিপিবদ্ধ করেন মেজর এ. প্লেফেয়ার। দ্য গারোজ নামে ১৯০৯ সালে প্রকাশিত এক গ্রন্থে। প্লেফেয়ার জানাচ্ছেন ‘আম্বেঙ’ (জনসংখ্যার নিরিখে গারোদের বৃহত্তম শাখা) এবং ‘মাতাবেঙ’ শাখার কোনো তরুণ পাত্রীপক্ষের তরফ থেকে প্রস্তাব পেয়ে— পাত্রীকে বিয়ে করতে ইচ্ছুক থাকুক বা না-থাকুক— কোথাও পালিয়ে লুকিয়ে পড়ত। তখন তার বন্ধুরা তাকে খুঁজে-পেতে ধরে আনত। পাত্রটি, সাধারণত, ফাঁক-ফোকর খুঁজে আবারও পালাত এবং তাকে আবারও ধরে আনা হত। কিন্তু, সে যদি তৃতীয়বারও পালাত, তবে ধরে নেওয়া হত মেয়েটিকে সে বিয়ে করতে সত্যিই অনিচ্ছুক, এবং তখন তাকে ছেড়ে দেওয়া হত। ‘মাচি’ শাখার কোনো তরুণী আবার তার পছন্দের তরুণের মন জানতে চালের কোনো পদ রেঁধে তার বোন বা অন্য কোনো আত্মীয়াকে দিয়ে নক্‌পান্তি-তে (কুমার-ভবন) তরুণটির উদ্দেশ্যে পাঠিয়ে নিজে একটু আড়ালে অপেক্ষা করত। তরুণটি সে খাবার গ্রহণ করলে, ধরা হত তরুণীটিকে তার পছন্দ, এবং তরুণীটি তখন তার সামনে আসত। কিন্তু, খাবার গ্রহণ না-করলেও মেয়েটি হাল ছাড়ত না। গভীর রাতে নক্‌পান্তি-তে ঢুকে তরুণটির পাশে শুয়ে পড়ত। ছেলেটি তারপরেও অনিচ্ছুক থাকলে, নিজের গ্রাম থেকে পালিয়ে কয়েক দিন গা-ঢাকা দিত অন্য গ্রামে। মেয়েটিকে তখন হাল ছাড়তেই হত। তবে, স্বামী পছন্দ করার স্বাধীনতা কিছু কাল আগেও পরিবার মনোনীত পারিবারিক সম্পত্তির উত্তরাধিকারিণীর (নক্‌না) একেবারেই ছিল না। তাকে বিয়ে করতে হত অভিভাবকদের মনোনীত পিতৃগোত্র ও পিতৃবংশের কোনো পাত্রকে। তবে সেক্ষেত্রেও পাত্রটিকে পাকড়ে পাত্রীর বাড়িতে আনা হত। রক্ষণশীল বিত্তবান পরিবারগুলিতে এখনো তা মেনে চলা হয়। কিন্তু, অ-নক্‌না কন্যাসন্তানরা নিজেরাই পাত্র পছন্দ করতে পারত চিরকালই।

    ‘পাত্র-পাক্‌ড়ানো’-র প্রথা এখন আর গারো-সমাজে নেই। কুমার-ভবন প্রতিষ্ঠানটিও একেবারেই উঠে গেছে। বলাই বাহুল্য, গারো-সমাজের এই বৈশিষ্ট্যগুলি বিলোপের প্রধান কারণ গারো সমাজে খ্রিস্টীয়করণের ব্যাপকতা এবং আধুনিক তথা পাশ্চাত্য শিক্ষা-ব্যবস্থার প্রচলনসহ নানা ক্ষেত্রের আধুনিকীকরণ। স্বাভাবিকভাবেই, সময়ের সঙ্গে তাল রেখে সে-সবের ছাপ পড়েছে বিয়ের প্রস্তাব-ধরনেও। আমেরিকান নৃতত্ববিদ রবিন্‌স বার্লিং-এর বই রেঙসেঙগ্রি (১৯৬৩) থেকে জানা যায় বিংশ শতকের পঞ্চাশের দশকে বাজার-এলাকায় গারো তরুণদের তিনি দেখেছেন তরুণীদের সঙ্গে ‘ফ্লার্ট’ করতে। তো যে-পুরুষ ফ্লার্ট করতে পারে, সত্যিকার কাউকে ভাল লাগলে বিয়ের প্রস্তাবও নিশ্চয়ই সে দিতে পারে তাকে!

    এছাড়া, প্রেম এবং বিয়েটা অর্ধ-শতকেরও আগে থেকেই সমাজের অভ্যন্তরে আর আটকে নেই। ধীরেন্দ্রনাথ মজুমদারের লেখা কালচার চেঞ্জ ইন টু গারো ভিলেজেস (১৯৭৮) বইটি থেকে জানা যায়, অন্য গারো-শাখায় তো বটেই, গত শতকের পঞ্চাশ-ষাটের দশক থেকেই অন্য জনজাতি, এমনকি অ-জনজাতি সমাজের সঙ্গেও বিয়ের ঘটনা ঘটছে। অ-জনজাতির পাত্রের সঙ্গে গারো-কন্যার বিয়েটা অবশ্য অতীতে সাধারণত তখনই হত যদি সেই পাত্রটি নিজের জন্ম-পরিবার থেকে দূরে বৃত্তিগত কারণে গারো-পাহাড়ে এককভাবে প্রবাসী হত। সে ক্ষেত্রে, বর্তমান প্রাবন্ধিকের ক্ষেত্র-অভিজ্ঞতা হল এই যে, ‘পাকড়াও’ নয়, পাত্রীর পছন্দ জেনে তার অভিভাবকেরা পাত্রকে কেবল মৌখিকভাবেই প্রস্তাব দিতেন। তবে, সেই পাত্রের বিবাহপূর্ব পরিবার যেহেতু সমাজগত শ্রেষ্ঠতরত্ব-বোধের কারণে গারো কন্যাকে পুত্রবধু হিসাবে এবং গারো-প্রথানুযায়ী পুত্রবধুর পরিবারে পুত্রের অঙ্গীভুত হওয়াকে মেনে নিতে পারত না, তাই পাত্রের অভিভাবকদের কাছে পাত্রীর অভিভাবকদের বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে যাওয়ার কোনো প্রশ্নই ছিল না। এরকম বিয়েতে পাত্রপক্ষের জন্ম-পরিবার সাধারণত কোনো সম্পর্কই রাখত না গারো পুত্রবধু বা তার জন্ম-পরিবারের সঙ্গে। গত কয়েক দশকে অবশ্য চিত্রটা কিছুটা বদলেছে অ-জনজাতি সমাজের উচ্চশিক্ষিত সম্প্রদায়ের মধ্যে। বিশেষত, গারো-পাত্রী যদি উচ্চশিক্ষিত এবং বিত্তবান পরিবারের কন্যা হয়।

    উপরে উল্লিখিত পরিবর্তনগুলো, অবশ্য, ব্যতিক্রম। এখনও, সাধারণত, পাত্রীর অভিভাবকরাই পাত্রীর পছন্দ করা বা প্রেম-সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া পাত্রর (এবং অবকাশ বুঝে অভিভাবকদের) কাছে প্রস্তাব নিয়ে যায়, যদি পাত্রকে পাত্রীর অভিভাবকদের পছন্দ হয়। তবে আগের মত শারীরিকভাবে পাত্রকে ‘পাকড়ানো’-র প্রথা এখন পুরোপুরি উঠে গেছে। কিন্তু, কোনো সমাজের চিন্তাভাবনার মধ্যে অতীত দিনের সাংস্কৃতিক উপাদানের স্মৃতি দীর্ঘ দিন সংরক্ষিত থাকে। সমাজ-সংস্কৃতির নৃতাত্বিক বিশ্লেষণ এবং নৃতাত্বিক ভাষাতত্ব সে-কথাই বলে। তাই, আজও, গারো নারী নিঃসংকোচে উচ্চারণ করতে পারে, “আমিও স্বামী পাকড়েছি”।

    লেখিকা সাংস্কৃতিক নৃতত্ববিদ, এশিয়াটিক সোসাইটি [কলকাতা] এবং ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল সায়েন্স একাডেমি’র [নিউ দিল্লি] প্রাক্তন গবেষক
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • আলোচনা | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু মতামত দিন