এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  পর্যালোচনা (রিভিউ)  নাটক

  • বহুরূপী নাসির

    সৌম্য প্রতীক মুখোপাধ্যায়
    পর্যালোচনা (রিভিউ) | নাটক | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৩১ বার পঠিত
  • পাঁচ দশক অভিনয় জগতে সদর্পে উপস্থিতির পর নাসিরউদ্দিন শাহের অভিনয় ক্ষমতা নিয়ে তর্ক করার শক্তি কারোর আর অবশিষ্ট আছে কিনা জানা নেই। বাজার গরম করা তুলনামূলক আলোচনাকে উপেক্ষা করেও যেন বলা যেতে পারে তিনি “অতুলনীয়”, তা নিশ্চয়ই বলার অপেক্ষা রাখে না। স্বল্প দিনের মধ্যে তাঁর তিনটি ভিন্ন ভিন্ন আঙ্গিকের উপস্থাপনা, তিনটি সম্পূর্ণ ভিন্ন ভিন্ন মাধ্যমে- দেখার সৌভাগ্য হল। সাথে সাথে সেই প্রত্যয় দৃঢ় থেকে সুদৃঢ় হল। চরিত্র গুলির একজন মৃত্যু পথ যাত্রী শিখ বৃদ্ধ, একজন পারসী প্রথিতযশা ধনকুবের, যিনি তার জীবনকালেই কিংবদন্তিতে পরিণত। তৃতীয়জন বিশ্বখ্যাত ইহুদি বৈজ্ঞানিক, যিনি সাধারণের দুর্বোধ্য ও বিজ্ঞানের পরিভাষা বদলে দেওয়া  এক বৈপ্লবিক বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের জন্মদাতা। বয়সের মাপকাঠি ছাড়া তিনটি চরিত্র একটি অন্যদের থেকে সম্পূর্ণ ভিন্নতর। 

    কানাডিয়ান নাট্যকার মিলান গুসতাভোর “আইনস্টাইন” তার নিজেরই নির্দেশনায় ও একক অভিনয়ে উপস্থাপিত। সীমিত সংখ্যক মঞ্চাভিনয় আজকের দিনে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আয়োজিত হয়। দর্শকের কাছে দেখার বড় বেশি সুযোগ আসে না। ছিয়াত্তরতম জন্মদিন পালনের কয়েকদিন পরেই নাসিরউদ্দিন এক বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যায় আরব সাগরের সমুদ্রতট থেকে দুশো মিটার দূরের এক প্রেক্ষাগৃহে হাজির ছিয়াত্তর বছরের আমেরিকাবাসী আইনস্টাইনের ভূমিকায়। 
     


    থিয়েটার হলে ঢুকতেই আপনাকে আমন্ত্রণ জানাবে পর্দাহীন খোলা এক মঞ্চ,  মঞ্চ সাজানো আইনস্টাইনের বসার ঘরের আদলে।  নাটকের চলার সাথে সাথেই সংলাপের মায়াজালে এসে পড়ে অনেক চেনা চরিত্রের আনাগোনা। ওয়াইজম্যানের নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেন গুরিয়েনের রাষ্ট্রপতি হওয়ার প্রস্তাব, নিজের স্ত্রী পুত্রকে যথাযথ সময় না দিতে পারার আক্ষেপ, স্কুলের কথা, ছেলেবেলায় ভালো ছাত্র হিসাবে পরিচিতি না পাওয়ার কথা – একের পর এক বিষয়. সুচারুভাবে উঠে আসে স্বগতোক্তির মধ্যে দিয়ে। নিউটনের মুল্যায়ন করতে করতে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ও জেনারেল থিওরি অফ রিলেটিভিটির  কথা চলে আসে। দুটি বিষম আকৃতির বল এবং একটি বিশাল রুমাল নিয়ে স্টেজের উপরে এক্সপেরিমেন্ট-  তার জন্যে দুজন দর্শককে স্টেজে ডেকে নেওয়া বেশ চমকপ্রদ। আসে সেই অমোঘ বাণী, প্রশ্ন করতে কখনও পিছপা না হওয়ার কথা। অনেক রঙের উলের গোলা থেকে যেমন রঙিন সোয়েটার বোনা হয়,  তেমনি এক একটি মুহূর্তের কোলাজে গড়ে উঠেছে নাসিরউদ্দিনের “আইনস্টাইন”। 

    ক্ষুদ্র মস্তিষ্ক যেন একসাথে তার সংলাপ বলার ভঙ্গি  আর সংলাপের মধ্যে দিয়ে কি বার্তা দেওয়া হচ্ছে, দুটোকে একসাথে অনুসরণ করতে পারে না। নাকি আবার কখনো মনে হয় খালি দুই চোখ ভরে দেখি তার শারীরিক সঞ্চালনা মঞ্চের ওই পরিসরে। পরের চমকটি কখন কিভাবে আসবে তা নিয়ে টানটান হয়ে চেয়ারে বসে থাকতে হয়। দেখতে দেখতে সাধারণ দর্শক হিসাবে সংশয় জাগে কোনো একটিতে অভিভূত হয়ে অন্য কিছু চোখ- কান ফাঁকি দিয়ে চলে গেল না তো! যথাযথ মেক-আপ, ইংরাজি উচ্চারণে জার্মান টান, চলাফেরায় বয়সজনিত অসুবিধা- এত নিপুণ ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, যে বুঝতে পারলাম নাটকটি কেন একটি মাস্টারপিস।

    মন্ত্র মুগ্ধ হয়ে কখন যে সোয়া এক ঘণ্টা কেটে যায় তার হদিশ মেলে না। প্রেক্ষাগৃহের বাইরে এসে হুঁশ ফিরে আসে, এই ভীষণ বৃষ্টি মাথায় বাড়ি ফিরতে হবে। এই উপস্থাপনার রেশ থেকে যাবে দিন পেরিয়ে মাসে, মাস পেরিয়ে বছরে, বছর পেরিয়ে দশকে। অন্তত পরিচিতজনদের সেই অনুভূতি।

    ছয় পর্বের OTT-“Made In India: The Titan Story” সিরিজে অতি যত্নসহকারে টাটা গ্রুপের এই টাইটান কোম্পানীর গোড়ার সংঘর্ষের দিনগুলোর কথা তুলে ধরা হয়েছে এক টানটান চিত্রনাট্যর মাধ্যমে, সাথে প্রশংসনীয় পারফরম্যান্স এই সিরিজের অভিনেতাদের। পার্শ্বচরিত্রে নাসিরউদ্দিন এখানে উপস্থিত জে আর ডি টাটার ভূমিকায়! তার এই চরিত্রায়নের পরে ভবিষ্যতে অন্য কাউকে এই ভূমিকায় অভিনয় করতে হলে অন্তত দুবার ভাবতে হবে। নাসিরউদ্দিনের উপস্থিতি খুব বেশী হলে প্রতি পর্বে গড়ে দশ মিনিট। তবুও পর্দায় তাঁর উপস্থিতি মাত্র যেন অনান্য অভিনেতাদের ছবি গুলো ঝাপসা হয়ে যায়; সমস্ত আকর্ষণের  কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেন জে আর ডি। আর সেটাই তো চরিত্রের দাবি; টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান বলে কথা!

    মজার কথা এই সিরিজটি মুক্তি পাওয়ার সময় সমাজ মাধ্যমে একটি “মিম” ছড়িয়ে পরে- জে আর ডি এবং নাসির উদ্দিনের পাশাপাশি এক ফটো। বুঝতে পারা মুশকিল কোনটি জে আর ডির আসল ছবি। বাহবা দিতে হয় সেই মেক-আপ আর্টিস্টকে আর পরিচালক বা তার কোনো সহকর্মীকে যিনি অকল্পনীয় ভাবে এই দুই অতি পরিচিত চেহারাকে মিলিয়েছিলেন। 

    গোলমাল বাধে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তখনই যখন এই ধরনের "লার্জার দ্যান লাইফ" চরিত্রে অভিনয় করতে গিয়ে অভিনেতাও নিজেকে "লার্জার দ্যান লাইফ" ভাবতে শুরু করেন। ভাবতে শুরু করেন, কোনো পাবলিক ফিগারের ভূমিকায় উত্তীর্ণ হতে হলে সেই চরিত্রের ম্যানারিজম কে নকল করতে পারলেই কেল্লা ফতে। অবশ্যই দর্শকের কাছে পৌঁছুতে গেলে ম্যানারিজম এবং শারীরিক সাদৃশ্য সাহায্য করে,  সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু অভিনয় যে অধিকাংশই মনন আর মস্তিষ্কের খেলা সে ভুলে গেলে চলবে কি করে। তাই যখন নাসির উদ্দিনের মাপের অভিনেতা এইরকম চরিত্রের জুতোয় পা গলান, তখন সেটি অন্য মাত্রায় চলে যায়। একজন উচ্চ শিক্ষিত, সফল এবং বহু অনান্য গুণের অধিকারী এক কর্পোরেট ব্যক্তিত্বকে কিভাবে ফুটিয়ে তুলতে হয় সেটি এখানে নাসির শিখিয়েছেন। 

    JRD’ র ভূমিকায় আশানুরূপভাবে সংলাপ অতি সংযত, অথচ হিউমার বর্জিত নয় ; মানবিক কিন্তু সমালোচনা বা উপদেশ যে একেবারে অনুপস্থিত তা নয়। কঠিন চোয়ালে অপমান হজম করা- আর যথাযথ সময়ে সেই অপমান নিজস্ব স্টাইলে ফিরিয়ে দেওয়া, সবেতেই কামাল করে দিয়েছেন।  চলা ফেরায় আভিজাত্য, উপযুক্ত পোশাক আশাকে ধোপদুরস্ত, তাঁর দৃঢ় অথচ উচ্চকিত নয় সংলাপ, পরির্মাজিত অথচ আত্মবিশ্বাসী চরিত্রের  চিত্রায়ন দেখতে দেখতে ভাবছিলাম এই অভিনেতাই তার ভরা যৌবনে এক পাল শুয়োর নিয়ে গঙ্গা পারাপার করার দৃশ্যে আমাদের চমকে দিয়েছিলেন। 

    দেশভাগের পটভূমিতে অবিভক্ত পাঞ্জাবের উপর তুলে ধরা একটি পিরিয়ড ফিল্ম“ম্যাঁয় ওয়াপস আউঙ্গা”। কিন্তু উপস্থাপনা অভিনব। ফ্ল্যাশব্যাকে এসেছে দেশভাগের সময়ের নরসংহারের আঁতকে ওঠা দৃশ্য, কখনো বা সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়ানো সংলাপ আর তার সাথে জড়িয়ে মিষ্টি প্রেমের বাতাস- এই জাতীয় প্রেক্ষাপটের অবতারণা হিন্দি সিনেমার ইতিহাসে বিরল নয়। তফাত গড়ে দিয়েছে ঈশ্বর সিং গ্রেওয়াল নামের এক পঁচানব্বই বছরের এক পুরোদস্তুর পাঞ্জাবী শিখ বৃদ্ধের চরিত্র; সেটি পর্দায় ফুটিয়ে তোলার বাহাদুরি নাসিরউদ্দিন শাহের। স্বাভাবিক মানসিক স্থিতাবস্থা হারিয়ে বলা যেতে পারে তার মতিভ্রম ঘটেছে। তিনি “চলে যেতে চাইছেন” বারবার পাকিস্তানের সরগুজায়। ফিরে যেতে চাইছেন তার পুরোনো প্রেমিকার কাছে। ভুলে গেছেন সরগুজা আজকে অন্যদেশে।

    ধীর লয়ে কথা, অসঙ্গতিপূর্ন, অসংলগ্ন এবং অস্পষ্ট;  চোখ অসহায়- ভাসা ভাসা, চেনা অচেনার ভিড়ের মাঝে  কিছু যেন খুঁজে বেড়িয়ে চলেছে; ইশারা কাঁপা কাঁপা হাতে; এক অব্যক্ত অন্তহীন বেদনার আভাস মুখমণ্ডলে - এই সব মিলিয়ে মিশিয়ে সৃষ্টি হয় এমন এক আবহাওয়ার যা দর্শকদের চোখের কোণ অন্তত ভিজিয়ে দেয়। অভিব্যক্তি এতটাই মন ছুঁয়ে যায়, যে ভাষায় প্রকাশ করা কি ভীষণ কঠিন। লিখতে গেলে মনে হয় কি যে লিখি! এর আকর্ষণেই দর্শক পার করে দেন পৌনে তিন ঘণ্টার র্জানি। “ম্যাঁয় ওয়াপস আউঙ্গা”তে নাসিরউদ্দিন দেখিয়ে দিয়েছেন প্রায় এক কাল্পনিক চরিত্রকে কিভাবে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে হয়। 

    ইদানিং সংবাদ মাধ্যমে খবর আসছিল অনেকেই নাসিরউদ্দিনকে “ লাইফ টাইম অ্যাচিভমেনট” এর জন্যে পুরস্কার দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।  “লাইফ টাইম অ্যাচিভমেনট” পুরস্কারের অন্তর্নিহিত অর্থ তোমার অভিনয় জীবন পরিপূর্ণ , যেন আর কিছু দেওয়ার নেই, তাই একটা সান্ত্বনা পুরস্কারের মতোন কিছু একটা দেওয়া হল,  সামগ্রিক অবদানের কথা মনে রেখে।  নাসির অবশ্যই তা মানতে রাজি নন  এবং তিনি এইসব পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেছেন। সেটি আপামর সংস্কৃতি প্রেমী মানুষের কাছে এ খুবই আশার কথা।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • পর্যালোচনা (রিভিউ) | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৩১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • NKBAJ | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৫:১৭742594
  • চমৎকার লাগলো!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। সুচিন্তিত মতামত দিন