এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  আলোচনা  রাজনীতি

  • ভূতুড়ে ভোটপাখিদের ভরন্ত ভাঁড়ার

    The Margin Note লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | রাজনীতি | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২৫ বার পঠিত
  • আপনি যদি একটা ব্যবসা শুরু করেন, সরকার আপনার কাছে অনেক কিছু চাইবে, জিএসটি নথিভুক্তি, আয়কর রিটার্ন, অডিট রিপোর্ট, লাভের উপর কর। আপনি যদি একটা এনজিও খোলেন, তার হিসাব-নিকাশও প্রতি বছর জমা দিতে হবে। কিন্তু আপনি যদি একটা রাজনৈতিক দল নথিভুক্ত করেন, অথচ, নির্বাচন না লড়েন, প্রচার না চালান, দফতরে তালা ঝোলান, তবুও আপনার দলে যে টাকা আসবে, তার উপর এক পয়সাও কর দিতে হবে না। আর যিনি টাকা দিলেন, তিনিও তাঁর আয়কর থেকে সেই পুরো অঙ্কটা বাদ দিতে পারবেন।

    এটা ঢপ না, আবার কোনো তত্ত্বকথাও নয়। ২০২৬-এর ৫ সেপ্টেম্বর বিবিসি নিউজ হিন্দি যে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, সেটি ঠিক এই ছবিটাই তুলে ধরেছে, কাগজে-কলমে, নির্বাচন কমিশন এবং অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্র্যাটিক রিফর্মস (এডিআর)-এর তথ্য দিয়ে।

    সতেরোশো কোটি

    গুজরাতে নথিভুক্ত ছয়টি রাজনৈতিক দল। আম জনমত পার্টি, সত্যবাদী রক্ষক পার্টি, স্বতন্ত্রতা অভিব্যক্তি পার্টি, নিউ ইন্ডিয়া ইউনাইটেড পার্টি, ভারতীয় ন্যাশনাল জনতা দল এবং গরিব কল্যাণ পার্টি। নির্বাচন কমিশনের পরিভাষায় এরা "রেজিস্টার্ড আনরেকগনাইজড পলিটিক্যাল পার্টি" (RUPP), অর্থাৎ, নথিভুক্ত, কিন্তু স্বীকৃত নয়। অর্থাৎ এমন দল যারা হয় কখনো নির্বাচন লড়েনি, অথবা লড়লেও রাজ্য বা জাতীয় দলের স্বীকৃতি পাওয়ার মতো ভোট বা আসন পায়নি।

    ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে এই ছয়টি দল অনুদান পেয়েছে প্রায় ১,৭০০ কোটি টাকা!

    সংখ্যাটার মাপ বোঝার জন্য একটা তুলনা জরুরি। ওই একই অর্থবর্ষে সেই সময়ের পাঁচটি জাতীয় দল, যাঁদের আপনি নামধাম জানেন - কংগ্রেস, আম আদমি পার্টি, বহুজন সমাজ পার্টি, সিপিআই(এম) এবং ন্যাশনাল পিপলস পার্টি, এরা সবাই মিলে অনুদান পেয়েছিল ১,৪৮০ কোটি টাকা। অর্থাৎ গুজরাতের ঐ ছয়টি অখ্যাত দল একসাথে দেশের পাঁচটি জাতীয় দলের চেয়ে দুশো কোটিরও বেশি টাকা তুলেছে। এদের চেয়ে বেশি অনুদান পেয়েছে শুধু একটি দল, যার নাম গ্যেস করার জন্য কোনো প্রাইজ নেই। বিজেপির ঘোষিত অনুদান ছিল ২,৬০৪.৭৪ কোটি টাকা।
    ছয়টির মধ্যে সবচেয়ে বড় নাম আম জনমত পার্টির ভাঁড়ে একাই ৬২০ কোটি টাকা। আগের বছর, ২০২২-২৩-এ, এই দলটির অনুদান ছিল ২১৬ কোটি। এক বছরে প্রায় তিনগুণ। তুলনায় ভারতের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের ২০২৩-২৪-এর অনুদান ছিল ২৮১ কোটি টাকা। অর্থাৎ যে দলের নাম আপনি আজকের আগে শোনেননি, তার তহবিল কংগ্রেসের দ্বিগুণেরও বেশি।
    বাকিদের হিসাব: সত্যবাদী রক্ষক পার্টি ৩৩০.৫৫ কোটি, স্বতন্ত্রতা অভিব্যক্তি পার্টি ২১৯.৬৯ কোটি, নিউ ইন্ডিয়া ইউনাইটেড পার্টি ২০০.৬৯ কোটি, ভারতীয় ন্যাশনাল জনতা দল ১৯১.৬১ কোটি, গরিব কল্যাণ পার্টি ১৩৮ কোটি।
     


    টাকার গাছে ফল ধরে না

    এবার কথা হচ্ছে যে এত টাকা দিয়ে এরা করেটা কী? স্বাভাবিক অনুমান হওয়া উচিত, যে নিশ্চয়ই বিশাল নির্বাচনী প্রচার, সারা দেশে সংগঠন, হাজার হাজার প্রার্থী। বাস্তব ঠিক উল্টো।
    ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষের মধ্যেই পড়ে ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের প্রস্তুতিপর্ব। সেই নির্বাচনে ওই পাঁচটি জাতীয় দল মিলিয়ে প্রার্থী দিয়েছিল ৮৯৩ জন। আর গুজরাতের এই ছয়টি দল মিলিয়ে প্রার্থী দিয়েছিল পনেরো জন। ৬২০ কোটি টাকার আম জনমত পার্টি প্রার্থী দিয়েছিল একজন। ৩৩০ কোটির সত্যবাদী রক্ষক পার্টিও একজন।

    সত্যবাদী রক্ষক পার্টির অডিট রিপোর্ট বলছে, লোকসভা প্রচারে তারা খরচ করেছে ৮.৪৮ কোটি টাকা, আর "সমাজকল্যাণমূলক কাজে" ৩১৬ কোটি। অর্থাৎ একটি রাজনৈতিক দলের মোট খরচের প্রায় সাড়ে সাতানব্বই শতাংশ গেছে রাজনীতির বাইরে।

    বিবিসির সাংবাদিকরা নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া ঠিকানাগুলোয় গিয়েছিলেন। ছয়টি দলের মধ্যে চারটির ঠিকানা আহমেদাবাদের একটি এলাকায় – নারদা। বেশ কয়েকটি দফতর তালাবন্ধ পাওয়া গেছে। দলের কর্মকর্তাদের হয় পাওয়া যায়নি, অথবা তাঁরা কথা বলতে অস্বীকার করেছেন।

    একটা কথা এখানে স্পষ্ট করে বলা দরকার। বিবিসি নিজেই জানিয়েছে যে তাদের প্রতিবেদন এই ছয়টি দলের বিরুদ্ধে কোনো আর্থিক অপরাধের অভিযোগ করছে না। তারা শুধু প্রশ্ন তুলেছে, ঘোষিত অনুদান আর প্রকৃত রাজনৈতিক কার্যকলাপের মধ্যে এই বিরাট ফাঁকটা কেন।

    নতুন খবর নয়

    এই ছয়টি দলের নাম প্রথম উঠে আসছে না। ২০২৫-এর জুলাইয়ে এডিআর তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, গুজরাতের পাঁচটি নথিভুক্ত-অস্বীকৃত দল ২০১৯ থেকে ২০২৪-এর মধ্যে মোট ২,৩১৬ কোটি টাকা আয় করেছে। দেশের শীর্ষ দশটি এমন দলের তালিকায় সবার উপরে ছিল ভারতীয় ন্যাশনাল জনতা দল। পাঁচ অর্থবর্ষে ৯৫৭.৪৪ কোটি; তারপর নিউ ইন্ডিয়া ইউনাইটেড পার্টি ৬০৮.১৩ কোটি এবং সত্যবাদী রক্ষক পার্টি ৪১৬.২৩ কোটি। তিনটিই গুজরাতের।

    ২০২৫-এর আগস্টে দৈনিক ভাস্করের একটি প্রতিবেদন আরও চওড়া ছবি দিয়েছিল। গুজরাতের দশটি "অজ্ঞাত" দল ২০১৯-২০ থেকে ২০২৩-২৪ পর্যন্ত অনুদান পেয়েছে ৪,৩০০ কোটি টাকা। এই পাঁচ বছরে তিনটি নির্বাচন হয়েছে। ২০১৯ ও ২০২৪-এর লোকসভা, ২০২২-এর গুজরাত বিধানসভা। এই তিন নির্বাচনে দশটি দল মিলিয়ে প্রার্থী দিয়েছে ৪৩ জন, যাঁরা সব মিলিয়ে ভোট পেয়েছেন ৫৪,০৬৯টি। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া নির্বাচনী খরচের হিসাব: ৩৯.০২ লক্ষ টাকা। অথচ এদেরই অডিট রিপোর্টে মোট খরচ দেখানো হয়েছে ৩,৫০০ কোটি। বিবিসি যে ছয়টি দলের কথা বলছে, তার পাঁচটিই এই দশের মধ্যে ছিল।

    এডিআর আরও একটি সংখ্যা দিয়েছে যেটা মনে রাখার মতো: দেশে এমন নথিভুক্ত-অস্বীকৃত দল আছে প্রায় ২,৮০০টি, এবং তাদের প্রায় ৭৩ শতাংশ নিজেদের আর্থিক হিসাব প্রকাশই করে না।

    আইনের ফাঁক

    ভারতের আয়কর আইনে রাজনৈতিক অনুদান নিয়ে তিনটি ধারা আছে। ধারা ৮০জিজিবি অনুযায়ী কোনো কোম্পানি নথিভুক্ত রাজনৈতিক দলকে (নগদ ছাড়া অন্য মাধ্যমে) অনুদান দিলে সেই পুরো অঙ্কটা করযোগ্য আয় থেকে বাদ যায়। ধারা ৮০জিজিসি একই সুবিধা দেয় ব্যক্তিকে। আর ধারা ১৩এ অনুযায়ী রাজনৈতিক দলের অনুদান-আয় নিজেই করমুক্ত। অর্থাৎ টাকা দেওয়ার দিকেও কর নেই, নেওয়ার দিকেও কর নেই। ব্যাপারটা বুঝচেন?

    মনে রাখার বিষয় যে এই সুবিধা যে-কোনো নথিভুক্ত দলের জন্য। স্বীকৃত হওয়ার দরকার নেই, নির্বাচন লড়ার দরকার নেই, দফতরে কেউ থাকার দরকার নেই। শুধু রেজিস্ট্রেশনটা কষ্ট করে একদিন করে এলেই হবে।

    এই ফাঁক কীভাবে ব্যবহৃত হয়, সেটা কোনো বিরোধী দলের অভিযোগ নয়, ভারত সরকারের নিজের কর দফতরের বিবৃতি। ২০২৫-এর ১৩ ডিসেম্বর অর্থ মন্ত্রক জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় প্রত্যক্ষ কর পর্ষদ (সিবিডিটি) তথ্য-বিশ্লেষণে দেখেছে যে নথিভুক্ত-অস্বীকৃত রাজনৈতিক দল এবং দাতব্য সংস্থায় অনুদানের নামে "বিপুল পরিমাণ ভুয়ো দাবি" করা হয়েছে, কর কমানো হয়েছে, এমনকি ভুয়ো রিফান্ডও নেওয়া হয়েছে। তদন্তে পাওয়া গেছে, এই দলগুলোর অনেকগুলো রিটার্ন দাখিল করে না, নথিভুক্ত ঠিকানায় অস্তিত্বহীন, কোনো রাজনৈতিক কাজ করে না, এবং মানি লণ্ডারিং, হাওয়ালা লেনদেন, সীমান্ত-পার করে টাকা পাঠানো ও ভুয়ো অনুদান-রসিদ দেওয়ার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। সন্দেহ হয় যে মধ্যস্থতাকারীদের একটি সর্বভারতীয় চক্র, একটি নেক্সাস, কমিশনের বিনিময়ে এই কাজ করছে।

    পদ্ধতিটা ট্যাক্স এক্সপার্টরা সরলভাবে ব্যাখ্যা করেছেন: দাতা ব্যাংকের মাধ্যমে দলকে টাকা দেন, রসিদ পান, শতভাগ কর ছাড় নেন। তারপর দল কমিশন কেটে বাকি টাকা নগদে ফিরিয়ে দেয়। কাগজে অনুদান, বাস্তবে সাদা টাকা কালো করে ফেরত, অর্থাৎ মানি লণ্ডারিং আর সরকারের কোষাগারের ক্ষতি।

    মাত্রাটা কত বড়? ২০২৫-এর নভেম্বরে সিবিডিটি-সূত্রে সংবাদমাধ্যমে জানা যায়, ২০২২-২৩ এবং ২০২৩-২৪ মূল্যায়নবর্ষে রাজনৈতিক অনুদানের নামে ৯,১৬৯ কোটি টাকার অতিরিক্ত কর-ছাড় দাবি করা হয়েছে, যে অঙ্কটা দলগুলোর ঘোষিত প্রাপ্তির চেয়ে বেশি। নির্বাচন কমিশনও ২০২৫-এর আগস্ট-সেপ্টেম্বরে ৮০৮টি নথিভুক্ত-অস্বীকৃত দলকে তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে, ছয় বছর কোনো নির্বাচন না লড়ার কারণে।

    প্রশ্ন থেকে যায়

    সিবিডিটি ভুয়ো দলের ধরন চিহ্নিত করেছে। নির্বাচন কমিশন শ' শ' দল বাদ দিয়েছে। তাহলে গুজরাতের এই ছয়টি দল, যাদের অনুদান বছরে সতেরোশো কোটি, প্রার্থী পনেরো, দফতর তালাবন্ধ, তারা কীভাবে এখনও তালিকায়? তাদের অডিট রিপোর্টে যে "সমাজকল্যাণ"-এ শত শত কোটি খরচ দেখানো হয়েছে, সেই খরচ কোথায় হলো, কে দেখেছে?
    আরও মৌলিক প্রশ্ন: যে আইন বলে একটি দল নির্বাচন না লড়েও করমুক্ত থাকতে পারে, সেই আইনের ফাঁক বন্ধ করা কার দায়িত্ব? সংসদের। এবং সংসদে যাঁরা বসেন, তাঁদের দলগুলোও এই একই ধারা ১৩এ-র সুবিধাভোগী।

    তাহলে কী দাঁড়ালো? কালোটাকা জমাতে বা ট্যাক্স বাঁচাতে এখন আর সুইজারল্যান্ড দৌড়তে হবে না। শুধু নির্বাচন কমিশনের খাতায় একটা ভুতুড়ে দলের নাম তুলুন, আর ১০০% আইনিপথে কোটি কোটি টাকা করমুক্ত করুন! তাই এইবছর আপনার সিএ (CA)-র কাছে গিয়ে ট্যাক্স ছাড়ের বুদ্ধি না চেয়ে, একখানা ইউনিক পার্টির নাম ভেবে ফেলুন!

    আর হ্যাঁ, উদাহরণে ব্যবহৃত রাজ্যের নামটি নেহাতই কাকতলীয় কিন্তু!

    তথ্যসূত্র

    ১. BBC News Hindi, "गुजरात की छह अनजान पार्टियों को मिला 1700 करोड़ का चंदा" (ভিডিও প্রতিবেদন), ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬:

    ২. The Wire, "Six Gujarat-Based Parties Got More Money Than All National Parties Combined Except BJP in 2023-24: Report", ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬: https://thewire.in/politics/six-gujarat-based-parties-got-more-money-than-all-national-parties-combined-except-bjp-in-2023-24-report
    ৩. Scroll.in, "Donations to six Gujarat-based parties exceeded those to national parties except BJP, reports BBC", ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬: https://scroll.in/latest/1095520/donations-to-six-gujarat-based-outfits-exceeded-those-to-national-parties-except-bjp-report
    ৪. News Karnataka, "Six Gujarat parties raise Rs 1,700 crore despite limited poll presence", ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬: https://newskarnataka.com/india/six-gujarat-parties-raise-rs-1700-crore-despite-limited-poll-presence/07092026/
    ৫. Deccan Herald, "Rahul cites media report on huge donations to anonymous parties in Gujarat, asks will EC probe" (দৈনিক ভাস্করের প্রতিবেদন উদ্ধৃত), আগস্ট ২০২৫: https://www.deccanherald.com/india/rahul-cites-media-report-on-huge-donations-to-anonymous-parties-in-gujarat-asks-will-ec-probe-3699152
    ৬. Deccan Herald, "Bharatiya National Janata Dal tops income chart among registered unrecognised parties: ADR", জুলাই ২০২৫: https://www.deccanherald.com/elections/india/bharatiya-national-janata-dal-tops-income-chart-among-registered-unrecognised-parties-adr-3637003
    ৭. Deccan Herald, "BJP topped list with over Rs 2,600 crore in donations for 2023-24": https://www.deccanherald.com/amp/story/india%2Fbjp-topped-list-with-over-rs-2600-crore-in-donations-for-2023-24-3332745
    ৮. Business Standard, "Taxpayers warned to recheck donation claims as govt flags bogus receipts" (অর্থ মন্ত্রকের বিবৃতি, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫): https://www.business-standard.com/finance/personal-finance/taxpayers-warned-to-recheck-donation-claims-as-govt-flags-bogus-receipts-125121500176_1.html
    ৯. Business Standard, "Retain transfer proof, receipts in political donations for future scrutiny", ১১ নভেম্বর ২০২৫: https://www.business-standard.com/finance/personal-finance/retain-transfer-proof-receipts-in-political-donations-for-future-scrutiny-125111101555_1.html
    ১০. News on AIR, "EC delists 474 Registered Unrecognised Political Parties for failing to contest any election over past 6 years", ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫: https://www.newsonair.gov.in/ec-de-lists-474-unrecognised-political-parties-for-violating-norms/
     

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • আলোচনা | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২৫ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    উনুন - upal mukhopadhyay
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ranjan | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৩:৩৬742543
  • সত্য সেলুকাস, কী বিচিত্র এই দেশ!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঠিক অথবা ভুল মতামত দিন