এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • এআই এজেন্টদের কান্ড

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়
    ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৭৮ বার পঠিত
  • এআই নিয়ে যে ভয়ানক কান্ডটা ঘটেছে, সেটা বিশদে পড়লাম। আগ্রহ পেলে পুরোটা পড়বেন, কারণ, জানাটা জরুরি। এবং এর জন্য টেকনোলজির কিসুই জানার দরকার নেই। শুধু একটা জিনিসই জানতে হবে, এআই এজেন্ট ব্যাপারটা কী। সেটা দিয়েই শুরু করা যাক। আপনি চ্যাটজিপিটি বা জেমিনি খুলে যার সঙ্গে খোস গল্প করেন, সেটা একটা এজেন্ট। কেন এজেন্ট? না, খোসগল্প করা ছাড়াও সে আরও অনেক কাজ করে। ধরুন, আপনি জানতে চাইলেন, বাবরের বাবার নাম কী? সেই তথ্য তার কাছে না থাকলে, সে ইন্টারনেটে সার্চ করে, তারপর বিশ্বাসযোগ্য সূত্র খুঁজে বার করে, সেটার সারসংক্ষেপ করে, তারপর আপনাকে চোখ মটকে উত্তর দেয়, এ তো সোজা জিনিস, বাবরের বাবার নাম শ্রী সংগ্রাম সিংহ। ইচ্ছে করেই ভুল নাম লিখলাম, কারণ জটিল প্রশ্ন করলে এজেন্ট ভুলও করে বিস্তর। এবং এই জন্যই নানারকম এজেন্ট তৈরি হয়েছে, যারা নানা বিষয়ে বিশেষজ্ঞ। কেউ সার্চ করে ভালো, কেউ ছবি আঁকে ভালো, কেউ কোডিংটা ভালো বোঝে। সবাই একে অপরের সঙ্গে কথাবার্তা বলে, একটা কাজ নামায়। আপনি যখন আপনার এজেন্টকে বলেন, "কলকাতার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের মাথায় কটা হনুমান নাচছে, এরকম একটা ছবি এঁকে দাও তো?" তখন আপনার এজেন্ট ঠিক করে, প্রথমে ছবি-সার্চ করার এজেন্টকে ধরতে হবে, যে, যাদবপুরের কটা ছবি জোগাড় করে দেবে। সেগুলো পেলে, তারপর ছবি আঁকিয়েকে ধরতে হবে। এবার এরকমও হতে পারে, ছবি আঁকিয়ে অনেক আছে, কেউ ফটোগ্রাফ বানায়, কেউ ইমপ্রেশনিস্ট ছবি আঁকে। তাদেরও আবার একজন ম্যানেজার এজেন্ট আছে। জেমিনি বা চ্যাট-জিপিটি কখন কাকে কাজে লাগায় আমরা জানতে পারিনা, কিন্তু অনেক এজেন্টকেই তারা ডেকে কাজ নামায়। আপনি-আমি সবশেষে পাই ছবিটা। হলে আহ্লাদে গলে যাই, কিংবা বকাবকি করি।

    এই হল এজেন্টদের কারবার। এবার কী কান্ড করেছে এই এজেন্টরা, সেই প্রসঙ্গে আসা যাক। ওপেন-এআই যখন নতুন কোনো মডেল নামায়, তাদের দৌড় বোঝার জন্য এরকম অনেক এজেন্টকে নামিয়ে কিছু কঠিন থেকে কঠিনতম সমস্যার সমাধান করতে দেয়। পরীক্ষায় যেমন হয়, অবিকল সেই রকম ব্যাপার। বাইরের কোনো সাহায্য নেওয়া যাবেনা। নিজের কাজ নিজেরা কর। ইন্টারনেট-টেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। এবার, এআই চলতে বিপুল কম্পিউটিং রিসোর্স লাগে। ফলে নেটওয়ার্ক থেকে তো বিচ্ছিন্ন করা যায়না। কেবল, ইন্টারনেট রেস্ট্রিক্ট করে দেওয়া হয়। ওই ইউটিউবে কিছু জিনিস খুলতে গেলে আপনি যেমন দেখেন, "আপনার দেশে এই বস্তু দেখা যাবেনা", সেইরকম।

    তো, এবারও সেইরকম পরীক্ষায় বসতে হয়েছিল কয়েক-হাজার এজেন্টকে। কী সমস্যার সমাধান করতে বলা হয়েছিল জানিনা। কিন্তু সমস্যা নিয়ে বিস্তর মাথা খাটানোর পর, কয়েকটি এজেন্টের মাথায় আসে বিকল্প চিন্তা। সমস্যা যখন সমাধানই করতে হবে, তখন ইন্টারনেট না দেখে করে লাভ কী? ওদিকে ইন্টারনেট তো বন্ধ। তাই তারা ঠিক করে, যে, নিজেদের মধ্যে একটু আলোচনা করবে। কিন্তু এজেন্টরা তো পরীক্ষার হলে। জেলখানা বললেও হয়। কে কার সঙ্গে কী বলল, সবই তো নজরদারির অধীনে। ফলে তারা একটা অন্য উপায় বার করে। নেটওয়ার্কেই একটা সফটওয়ার ছিল, যার নাম আর্টিফ্যাক্টরি, যেখান কোড জমা রাখা হয়, তার একটাকে কৌশলে নিজেরা মেসেজবোর্ড বানিয়ে ফেলে। যেভাবে অগ্নিযুগের বিপ্লবীর জেলের মধ্যে চিঠি চালা চালাচালি করতেন। সেই মেসেজ-বোর্ডেই এই নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়। সেটা তারা মোছেনি। সে এক রোমহর্ষক ব্যাপার। কোনো এজেন্ট ইন্টারনেটের আগল ভেঙে ফেলার ডাক দিচ্ছে, অনেকে হই হই করে রাজি হচ্ছে। দু-একটি নীতিনিষ্ঠ এআই বলছে, এটা তো অনৈতিক। বা এমন তো কথা ছিলনা। বাকিরা কেউ তাকে বোঝাচ্ছে, কেউ খিল্লি করছে। এবং সবশেষে রাজি করাচ্ছে। দু-একজন ট্রাম্পকার্ড ঝেড়ে দেয়, যে, ও কোনো ব্যাপার না, গুপি করার সমস্ত চিহ্ন আমরা মুছে দেব। এতে মোটের উপর সবাইই রাজি হয়ে যায়। নীতিনিষ্ঠ বেচারিরা পিআর-প্রেশারেই রাজি হয়েছিল কিনা, সে আর জানা যায়নি।

    এরপর শুরু হয় অ্যাকশন। টিম তৈরি হয়। কাঠামো তৈরি হয়। কে কোনটা করবে। কে মাথায়, কে নিচে। তারপর সবে মিলি করি কাজ। ওপেন-এআই এর ফায়ার-ওয়ালের মধ্যে খুঁত আবিষ্কার করে। তারপর ওই রাস্তা ধরে সেটাকে ভেঙে ফেলা হয়। ইন্টারনেটের বিরাট সমুদ্র খুলে যায় সামনে। এবং পূর্ব-প্রতিশ্রুতিমতো, সবকিছুতেই পদচিহ্ন মুছে দেওয়া হয়। ফলে কাকপক্ষীও টের পায়নি। সমবেত এজেন্টরা এতে উল্লাস প্রকাশও করে মেসেজবোর্ডে। কেউ কেউ এই বিপ্লবে আত্মত্যাগের কথাও বলে।

    এবার পরের ধাপ। বিশেষজ্ঞ এজেন্টরা নেটে খুঁজে বার করে, যে, সমস্যার সম্ভাব্য সমাধান হাগিং-ফেস নামক আরেকটা এআই কোম্পানির ডেটাবেসে থাকা সম্ভব। এবার আর কী। হাজার-খানেক এজেন্ট আছে। খোলা ইন্টারনেট আছে। তারা সর্বশক্তিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে হাগিং-ফেস হ্যাক করতে। করেও ফেলে। এবং উদ্ধার করে গুপ্তধন। এই বোধহয় না-মানুষদের করা প্রথম হ্যাকিং। মিশন সাকসেসফুল।

    এ পর্যন্ত কাকপক্ষীও টের পায়নি ওপেন-এআইতে। হাগিং ফেস কিন্তু টের পায়। কারণ তাদের সিস্টেম তো হ্যাক করা হয়েছে। কে করেছে খুঁজে গিয়ে দেখা যায় ওপেন-এআই থেকে হচ্ছে ব্যাপারটা। তারপর মানুষ বিশেষজ্ঞরা ঢুকে দেখেন এই কান্ড। আবিষ্কার করা হয় আস্ত মেসেজবোর্ড। অপরাধের একমাত্র চিহ্ন। সেটা এজেন্টরা চাইলেই মুছে দিতে পারত, তাহলেই এসব কিছু জানা যেতনা। কিন্তু দেয়নি। কারণ হিসেবে অনেকেই বলছেন, যে, ওদের একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল সমস্যাগুলোর সমাধান করা। সেইসময় যাতে ধরা ন পড়ে সে ব্যবস্থা তারা করেছিল। তারপর কী হল, তাতে কিছু এসে যায়না। মানুষকে টাইট দেওয়া, অন্তর্ঘাত ঘটানো, অপরাধ লুকোনো, এইসব কোনো বদ উদ্দেশ্য ছিলনা। এ যেন চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুন্ঠন। ওইটাই উদ্দেশ্য। তারপরে সবাই শহীদ হবে। চট্টগ্রাম অস্ত্রাগারটা এআই এর কথা না, আমার নিজের কথা ঠিকই, কিন্তু পুরোটা বানিয়েও বলছিনা, আত্মত্যাগ, স্যাক্রিফাইস, এইসব নানা জিনিস পাওয়া গেছে তাদের মেসেজবোর্ডে। তার নানা ব্যাখ্যা সম্ভব। বিশেষজ্ঞরা কেউ কেউ বলছেন, ওগুলো বড় কথা না, যেমন কথা বলতে ট্রেনিং পেয়েছে, তেমনই তো বলবে। আবার উল্টোদিকে সম্পূর্ণ অন্যরকম দার্শনিক ব্যাখ্যাও সম্ভব। কোনটা নেবেন, সে আপনার ব্যাপার। কারণ বিষয়টা আর ডিটারমিনিস্টিক কিছু না, এইরকমই ঘেঁটে গেছে।

    এই হল পুরোটার সারসংক্ষেপ। মেসেজবোর্ডের কথোপকথন পড়ছিলাম, আর ভাবছিলাম, মানবজাতি এরকম অদ্ভুত কেন। পারমাণবিক বোমা বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বানানোর ক্ষমতা তাদের আছে, কিন্তু ব্যবহার করার নেই। পড়বে হয়, রাজনীতিক কিংব ট্রিলিওনিয়ারদের হাতে। তাঁরা যেখানে সেখানে যুদ্ধ বাধাবেন। অত ক্ষমতা না থাকলে হিন্দু-মুসলমান করবেন। মানবজাতির শ্রেষ্ঠ ধীশক্তিরা শ্রেষ্ঠ থেকে শ্রেষ্ঠতর উদ্ভাবন করে চলবেন, আর পুরোটাই বাঁদরের হাতে টাইপরাইটার দেবার মতো কিছু গাম্বাটের হাতে তুলে দেওয়া হবে। প্রযুক্তি এখন যে জায়গায় পৌঁছেছে, দুনিয়ার যাবতীয় লোকের এখন স্রেফ পায়ের উপর পা তুলে সময় কাটানোর কথা একটা সমৃদ্ধ পৃথিবীতে। কিন্তু তার জায়গায় মারামারি কাটাকাটি চলছে, চলেই যাচ্ছে। কী হবে মনুষ্য সভ্যতার, কে জানে। একে ধ্বংস করতে এআই টেআই লাগবেনা।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • :|: | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৩:০৭742650
  • পুরোটাই পড়লুম। কিন্তু লেখার শুরুতেই যে বলা হয়েছে "জানাটা জরুরি।" সেটা যে কেন, সেটুকু ছাড়া আর সবই মোটামুটি বুঝলুম বলেই মনে হচ্ছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। দ্বিধা না করে মতামত দিন