এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  আলোচনা   পরিবেশ

  • ভবিষ্যতে ব্যবসা কোন দিকে?

    বই পুরুষ লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | পরিবেশ | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৫১ বার পঠিত
  • প্রথম অধ্যায়
     
    পৃথিবীতে সম্পদের অপ্রতুলতা এবং পরিবেশ দূষণের কারণে কনজিউমারিজম বা ভোগবাদ ধাক্কা খাচ্ছে, এ কথা আগেই বলেছি। কিন্তু বিষয়টা এতই গুরুত্বপূর্ণ যে বিভিন্ন দিক থেকে বিষয়টিকে ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন আছে। কারণ ভবিষ্যৎ অর্থব্যবস্থা ও সমাজব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে এর ওপর দাঁড়িয়ে আছে। এখানে আমি ভারত ও বিশ্বের প্রেক্ষাপটে কয়েকটি বিষয়কে তুলে ধরব, যেখানে ইঙ্গিত পাওয়া যাবে যে ভবিষ্যৎ দেশ ও বিশ্বের বাণিজ্য কোন দিকে এগিয়ে চলেছে?

    এই বিষয়টি বিশ্লেষণের আগে আমার একটি বক্তব্যের উল্লেখ করে নেওয়া দরকার। যেটা আগেও কয়েকবার উল্লেখ করেছি। কিন্তু আলোচনার সুবিধার জন্য আরও একবার উল্লেখ করা হলো,

    "বিশ্বে পুঁজিবাদকে টিকে থাকতে গেলে যে পরিমাণ উৎপাদন ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রয়োজন, সেই পরিমাণ সম্পদ পৃথিবীতে নেই এবং পুঁজিবাদের ভার দীর্ঘ দিন ধরে সহ্য করার ক্ষমতা পৃথিবীর বা প্রকৃতির নেই। সেজন্য বিজ্ঞান থাকবে। কিন্তু পুঁজিবাদ থাকবে না। কারণ একটা ছোট ল্যাবে কিছু পদার্থ নিয়ে গবেষণা করার মতো সম্পদ পৃথিবীতে থাকবে। এবং এর ভার প্রকৃতি সহ্য করতে পারবে। কিন্তু বিপুল পরিমাণ পণ্য উৎপাদন করার মতো অবস্থা থাকবে না। যা ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। ..... সুতরাং মানুষ আস্তে আস্তে minimalist জীবন যাপন করতে আরম্ভ করবে। .... পুঁজির সাথে রাষ্ট্রের একটা গভীর সম্পর্ক আছে। কিন্তু পুঁজির অবসানের সাথে সাথে রাষ্ট্রের অবসান ঘটবে না। কারণ বিশ্বে পুঁজিবাদ ও রাষ্ট্র বা জাতীয়তাবাদের ভিত্তি আলাদা আলাদা। সেজন্য পুঁজিবাদের পর সমাজতন্ত্র আসবে। কারণ সমাজতন্ত্র রাষ্ট্রের ধারণা বহন করে। ..... এক সময় রাষ্ট্রের উপযোগিতাও কমবে। কারণ পুঁজিবাদ বা কনজিউমারিজম ধ্বংস হলেও বিজ্ঞান ধ্বংস হবে না। বিজ্ঞানের অগ্রগতি হতে থাকবে। এবং এই বিজ্ঞানই এক সময় রাষ্ট্রকে অপ্রয়োজনীয় করে তুলবে। তখন বিশ্ব সাম্যবাদে প্রবেশ করবে। ..... কিন্তু এই পরিবর্তনের সময় ধর্মীয় শক্তি/সামন্ততন্ত্র/ফ্যাসিবাদ ও বৈজ্ঞানিক শক্তির এক প্রবল বিরোধ বাধবে। কারণ বিজ্ঞান পণ্য উৎপাদন না করলে, একটা অংশের মানুষের কাছে বিজ্ঞান অপ্রয়োজনীয় হয়ে উঠবে। সুতরাং তারা ধর্মের দ্বারা আকৃষ্ট হবে। কিন্তু, যেহেতু রাষ্ট্র ব্যবস্থা থাকবে। এবং রাষ্ট্রের একটা নির্দিষ্ট কাঠামো থাকার কারণে একটা শোষক ও শোষিত শ্রেণি তৈরি হবে। এই শোষিত শ্রেণিই এক সময়ে বিজ্ঞানকে ব্যবহার করবে রাষ্ট্রের হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করার জন্য। এই ভাবে বিজ্ঞানের হাত ধরে বিশ্ব সাম্যবাদের দিকে এগিয়ে যাবে। ..... সেজন্য আমার হিসাবে বিশ্ব যত সাম্যবাদের দিকে এগিয়ে যাবে সমাজে বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও জ্ঞান চর্চা বাড়বে। এবং পণ্যের ব্যবহার কমবে। পণ্যের ব্যবহার কমার ফলে সেই স্থান পূরণ করবে বিজ্ঞান, গবেষণা, ধর্ম, রাজনীতি, সামন্ততন্ত্র, সমাজতন্ত্র। কিন্তু সবশেষে বিজ্ঞানের জয় হবে। কারণ এগুলির মধ্যে বিজ্ঞান উন্নততর এবং শক্তিশালী।"

    সুতরাং এই পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে পুঁজিকে নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে যে সিদ্ধান্তগুলি গ্রহণ করা প্রয়োজন, সেগুলি হলো,

    ক. নুন্যতম প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার করে বাণিজ্য।
    খ. বাণিজ্যিক বিক্রয়কে অব্যাহত রাখা।

    যদি নুন্যতম প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার করে বাণিজ্য করতে হয়, তাহলে সব থেকে কম প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার করে যে বাণিজ্য করা সম্ভব— সেটি হলো তথ্য প্রযুক্তি বা Information Technology. কারণ কোনো দ্রব্যকে বাস্তবে ভোগ করলে তার Cost বা প্রাকৃতিক সম্পদের অবক্ষয় অনেক বেশি হয়। কিন্তু তার বদলে যদি সেই দ্রব্যের একটা ধারণা দেওয়া যায়। যেমন, যদি আমি কোনো জায়গায় ঘুরতে যাই, তাহলে সেই জায়গায় পৌঁছানোর জন্য জ্বালানি তেলের খরচ, সেই জায়গায় থাকার জন্য গড়ে ওঠা হোটেল এবং সেই হোটেল গড়ে তোলার জন্য ব্যবহৃত প্রাকৃতিক সম্পদ, পাহাড় কেটে রাস্তা বানানোর ফলে ঘটে যাওয়া প্রাকৃতিক ক্ষতি; অথবা, যদি আমি অটোমোবাইল শিল্পের কথা বলি, তাহলে উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত জ্বালানি বা শক্তি থেকে শুরু করে খনিজ সম্পদের অবক্ষয় এবং একইসাথে হতে থাকা পরিবেশ দূষণ— এই কর্মকান্ডের ফল, যা পৃথিবী তথা প্রকৃতির উপর প্রভূত নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। কিন্তু এর পরিবর্তে একজন ব্যক্তি পাহাড় থেকে ঘুরে এসে অন্য নিরানব্বই জনকে ব্যাখ্যা করে বা বুঝিয়ে বলে যে পাহাড় কেমন হয়, আবার একশো জন ব্যক্তি অটোমোবাইল ব্যবহার করার পরিবর্তে যদি কেউ তাদের বুঝিয়ে বলে যে অটোমোবাইল প্রযুক্তি কেমনভাবে কাজ করে, তাহলে প্রাকৃতিক সম্পদের অবক্ষয়, পরিবেশ দূষণ বা Environmental Cost ছাড়াই সেই প্রযুক্তি বা পণ্য ব্যক্তি ভোগ করতে পারবে। পার্থক্য হলো সেক্ষেত্রে ব্যক্তি ভৌতিকভাবে (Physically) সেই দ্রব্যকে ভোগ করতে পারবে না, বরং তথ্যের মাধ্যমে বৌদ্ধিকভাবে (Intellectually) সেই দ্রব্যকে ভোগ করবে। এই বিষয়টি যে যে পদ্ধতির মাধ্যমে হতে পারে, সেগুলি হলো:

    Computer Science - Computing (Information Technology)
    সাংবাদিকতা - Mass Communication
    শিক্ষা: যেমন স্কুল, কলেজ শিক্ষা

    এরমধ্যে computing এর একটা প্রাকৃতিক অবক্ষয় বা environmental cost আছে। যখন personal computer এর থেকে সরে এসে cloud computing বা artificial intelligence এর ধারণা আসে, তখন এই environmental cost আরও বৃদ্ধি পায়।

    সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে environmental cost কিছুটা কম। কারণ সেখানে সাংবাদিক নিজে সশরীরে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করে নিয়ে আসে। ফলে বিপুল শক্তি সম্পদ খরচ করে এক জায়গা থেকে পুরো বিশ্বে তথ্যকে পৌঁছে দেওয়ার বিপুল খরচ এবং তার ফলে ঘটতে থাকা প্রাকৃতিক অবক্ষয় কমে আসে। যেহেতু এক্ষেত্রে বিকেন্দ্রীভূত হয়ে কিছু মানুষ সশরীরে তথ্য সংগ্রহ করে। যেমন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে কোনো একটি তথ্যকে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে দেওয়া যায় ঠিকই, কিন্তু তার ফলে বিপুল পরিমাণে প্রাকৃতিক অবক্ষয় হতে থাকে। তার বদলে যদি কোনো সাংবাদিক সশরীরে তথ্য ক্যামেরা ও অভিজ্ঞতা বন্দি করে নিয়ে আসে এবং সেটি কাগজ বা PC বা USB এর মাধ্যমে সমাজে ছড়িয়ে দেয়, তাহলে সে ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক অবক্ষয় কিছুটা কম হবে।

    সেই সাংবাদিক যে তথ্য জোগাড় করে নিয়ে এল, সেটি PC বা USB এর মাধ্যমে না ছড়িয়ে দিয়ে, যদি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে প্রাকৃতিক অবক্ষয় আরও কম হবে।

    আর্থিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে মূলত দুইভাবে বিপুল পুঁজি তৈরি করা যায়। এক হলো প্রচুর পরিমাণ সামাজিক ভোগ বা বিক্রি করে, যাকে বলা হয় ভোগবাদ বা consumerism; নতুবা সমাজে সংকট বা crisis তৈরি করে। এছাড়া ব্যাপক পুঁজি তৈরির অন্য কৌশল আছে, কিন্তু সেগুলি আর্থিক কৌশল নয়— যেমন যুদ্ধ।

    যদি বর্তমানে ভারতের দিকে তাকাই, তাহলে বিগত কয়েক বছর ধরে দেশজুড়ে বিপুল পরিমাণ বেসরকারি স্কুল কলেজ গড়ে উঠেছে এবং অন্যদিকে সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে দুর্বল করা হয়েছে। এর ফলে সেইসব পুঁজিপতিরা শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে ভোগবাদ (consumerism) এবং সংকট (বাড়তে থাকা শিক্ষার দাম, বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ করে বেসরকারি শিক্ষা গ্রহণ করেও কর্মসংস্থানের অপ্রতুলতা এবং সরকারি শিক্ষাব্যবস্থাকে ক্রমে দুর্বল করতে থাকার ফলে গড়ে ওঠা সংকট)— দুটিকেই একসাথে প্রয়োগ করতে পেরেছে। এছাড়া আমি আগেই উল্লেখ করেছি যে ভবিষ্যৎ বিশ্বে consumerism কমলেও বিজ্ঞান থেমে থাকবে না, বিজ্ঞানের অগ্রগতি হতে থাকবে (কারণ একটা ছোট ল্যাবে কিছু পদার্থ নিয়ে গবেষণা করার মতো সম্পদ পৃথিবীতে থাকবে এবং এর ভার প্রকৃতি সহ্য করতে পারবে, কিন্তু বিপুল পরিমাণ পণ্য উৎপাদন করার মতো অবস্থা থাকবে না, যা ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে)। সুতরাং এই গবেষণা কার্য চালানোর জন্য বিগত কয়েক বছর ধরে ভারতে বেসরকারি স্কুল, কলেজের পাশাপাশি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ও গড়ে উঠছে। আর এই কর্মকান্ডের মাধ্যমে পুঁজিপতিরা ভোগবাদ বা consumerism-উত্তরকালেও তাদের পুঁজির নিয়ন্ত্রণকে সুনিশ্চিত করতে চাইছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • বই পুরুষ | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০১:০৩748504
  • চলতে থাকবে
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভেবেচিন্তে মতামত দিন।