এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  উপন্যাস

  • লা পত্নী ভ্যানতাড়াঃ অন্তিম পর্ব 

    রানা সরকার লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | উপন্যাস | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৬৯ বার পঠিত
  • 0 | | | | | | | | | | ১০ | ১১ | ১২ | ১৩ | ১৪ | ১৫ | ১৬ | ১৭ | ১৮ | ১৯ | ২০
     
    বৈদেহী পরদিন লক্ষ করল যে একজন শক্ত সমর্থ বয়স্ক মহিলা একটা অ্যাপ ক্যাব থেকে নেমে প্রণয়ের বাড়ি খুঁজছিল। বৈদেহীকে দেখেই কিছু না বলে সে ফুট করে আবার গাড়িতে উঠে চলে গেল। বৈদেহীর মনে পড়ল যে এই মহিলাকে সে যেন কোর্টে দেখেছে।

    প্রণয়কে ব্যাপারটা জানাতে সে বলল যে ওটা বৈদেহীর চোখের বা মনের ভুল।

    এর মধ্যে অবশ্য তেমন কোনও ঘটনা ঘটল না। পুলিশ পরিচালক আকাশকে নিজেদের হেফাজতে না নিয়ে জেল হাজতে পাঠাল।

    কেসের দিন দেখা গেল নিশান্ত ভুতোরিয়া আর তার সেই গার্ল ফ্রেন্ড এসে হাজির। তারা একটা অদ্ভুত কথা জানালো। জানালো যে সেদিন তারা সেই পার্কে ছিল ঠিকই কিন্তু ওই কথাবার্তা তাদের নয়। পাবলিক প্রসিকিউটার তাদেরকে খুলে বলতে বললেন। তারা জানালো যে সেদিন পার্কে তারা তাদের ফোনে ইউটিউব চ্যানেলে একটা সিরিয়াল দেখছিল যেখানে ওই ডায়লগগুলো ছিল।

    সাগ্নিকও ঠিক সেই কথাই দ্বিতীয় শুনানির পরে আলাদা করে জজ সাহেবকে জানিয়ে এসেছিলেন। শুনে উপস্থিত অনেকেই হাসতে শুরু করল। জজ সাহেব অর্ডার অর্ডার বলে ইউ টিউবের সেই সিরিয়ালের সেই অংশটা তাকে চালিয়ে শোনাতে বললেন। সাগ্নিক নিজের ফোনটা জজ সাহেবের দিকে এগিয়ে দিয়ে বললেন যে বছর দশ আগে এই সিরিয়ালটা নাকি তিনিই পরিচালনা করেছিলেন। তখন সেটা খুবই জনপ্রিয় হয়েছিল।

    জজ সাহেব খুব মন দিয়ে সেটা শুনলেন। তারপর তিনি প্রণয়ের দিকে ভর্তসনা করে বললেন, “আরে! আপনি কি তালকানা নাকি মশাই? কানে যেটা শুনলেন সেটাই বিশ্বাস করে নিলেন? ব্যাপারটা নিজের চোখে পরখ করে নেবেন না? তবে আপনার দোষ নেই। আপনিই বা বুঝবেন কী করে? আর, হুম, এবারে বোঝা যাচ্ছে যে কেন প্রণয়বাবু সেই একই কথাবার্তা লালবাজারেও শুনেছিল? কারণ সেখানে হয়ত কোনও কর্মরত পুলিশ বা অন্য কেউ ইউ টিউবে সেই সিরিয়ালের ঠিক সেই জায়গাটাই দেখছিলেন। মানে সমাপতন কাকে বলে! কিন্তু এখানে যদি ব্যাপারটা একটা মামুলি সিরিয়ালের ডায়লগ হয়, তবে সোহিনী আর মৈথিলী ম্যাডাম তাহলে গেলেন কোথায়? কে তাদের গুম করল?”

    পাবলিক প্রসিকিউটার আর প্রণয়ের উকিলও জজ সাহেবকে সমর্থন করলেন। তখন উপস্থিত সবাইকে অবাক করে দিয়ে বৈদেহীর দেখা সেই বৃদ্ধা উঠে দাঁড়ালেন। বললেন, “আমি কিছু বলতে চাই”।

    জজ সাহেব অনুমতি দিলেন। তারপর সেই বৃদ্ধা কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে নিজের পরচুলা আর চশমা খুলতেই বাকিরা বুঝতে পারল যে সে আর কেউ নয়, সে হল সোহিনী। কোর্টে একটা গুঞ্জন উঠল। জজ সাহেব বললেন, “অর্ডার, অর্ডার”।

    মুহুরী ওকে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে শপথ বাক্য পাঠ করালো।

    সোহিনী কাঁদতে কাঁদতে বলল, “জজ সাহেব, কীভাবে যে সমস্ত কথা বলবো, জানি না। কিন্তু মিঃ প্রণয়ের ফোন পাওয়ার অনেক আগে থেকেই দেখছিলাম যে আমার প্রতি আকাশের ব্যাবহার ক্রমশ কেমন যেন পাল্টে যাচ্ছে। হ্যাঁ। ও আমাকে আর সহ্য করতে পারছে না। কিন্তু আমার কাছে তেমন কোনও প্রমাণ ছিল না যে আমি আকাশকে দোষী সাব্যস্ত করতে পারি। প্রণয়বাবুকে ধন্যবাদ। ভগবান মনে হয় ওকে পাঠিয়ে দিয়েছেন। এটা আজ বুঝতে পারলাম যে সেদিন পার্কে উনি যে কথাবার্তাগুলো শুনেছিলেন সেগুলো একটা সিরিয়ালের ডায়লগ আর সেদিন সেই পার্কে উপস্থিত ছিলেন ওরাও”।

    সোহিনী একটু দম নিল। আবার বলতে শুরু করল, “কিন্তু সেদিন যদি প্রণয়বাবু সেই কথাগুলো না শুনতেন, তাহলে উনি আমাকে অন্য সবার মতো সাবধান করতে পারতেন না। আর ওর কথা শুনেই আমি সাগ্নিকের সঙ্গে প্ল্যান করে একজন গোয়েন্দা দিয়ে ঘর সার্চ করিয়ে যে যে জিনিসগুলো পাই সেটা তো আপনি সবই জানেন মাই লর্ড। আর এই ক’দিন ছদ্মবেশে থেকে আমি জানতে পেরেছি যে আকাশ এখন কার সঙ্গে মেলামেশা করছে…”

    “কে?”, প্রণয়ের উকিল জিজ্ঞাসা করলেন।

    “তার নাম রশ্মিকা। ও একজন উঠতি মডেল। দুজনের মোবাইল সার্চ করলেই আপনি বুঝতে পারবেন”।        

    রশ্মিকার নাম শুনে পরিচালক আকাশ খানিকটা কেঁপে উঠল।

    “তারপর সেদিনই আমাকে বিষ দিয়ে ও মারতে চেয়েছিল। আর মিঃ প্রণয়ের রেকর্ডিং থেকে এটা তো স্পষ্ট হয়ে গেছে মাই লর্ড”।

    “কিন্তু মৈথিলী ম্যাডাম কোথায়?”, পিপি জিজ্ঞাসা করলেন।

    “ও আমার সঙ্গেই আছে। আমরা কোনও মতে ছদ্মবেশ ধরে আমার এক বন্ধুর বাড়িতে লুকিয়ে ছিলাম। টাকাও প্রায় ফুরিয়ে আসছিল আমাদের। মাই লর্ড আমি চাই আমাকে মারবার ষড়যন্ত্রের জন্য আকাশের যেন শাস্তি হয়”।

    জজ সাহেব সব শুনে প্রণয়কে মুক্ত করে দিলেন আর সঙ্গে পুলিশকে বললেন যে আকাশের বিরুদ্ধে যেন নতুন করে মামলা রুজু করে আবার তদন্ত শুরু করা হয়।

    এক পরিচালক আকাশ ছাড়া সবার মুখেই হাসি। আকাশ চিৎকার করে বলতে থাকল, “আমি নির্দোষ জজ সাহেব। আমার বউ, সাগ্নিক আর ওই প্রণয় মিলে আমাকে ফাঁসিয়েছে”।

    “পুলিশ তদন্ত করছে। আদালতে শুনানিও হবে। তখন আপনার কথা আমরা নিশ্চয়ই শুনব যে আপনি যা বলছেন সেটা beyond reasonable doubt কীনা?”। একটু থামলেন জজ সাহেব। তারপর বললেন, “একটা কথা আমি মিঃ প্রণয়বাবুকে বলেছি, কিন্তু কথাটা সবার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। আবারও বলছি প্লিজ কেউ কান দিয়ে দেখবেন না। চোখ দিয়ে দেখবার চেষ্টা করুন। কেউ যখন আপনাকে কোনও ইনফর্মেশন দেবেন, সেটাকে যাচাই করে নিতে না পারলে বিশ্বাসও করবেন না, আবার অবিশ্বাসও করবেন না। ইনফর্মেশনটাকে একটা স্টেটমেন্ট হিসেবে দেখবেন। আর যে ইনফর্মেশন নিজেরা কখনো যাচাই করতে পারবেন না, সেই ইনফর্মেশন প্লিজ ছড়াবেন না। কারণ এইভাবেই কিন্তু ফেক নিউজ ছড়িয়ে দিয়ে কালপ্রিটরা সমাজের ক্ষতি করছে। ফেক নিউজ ধরবার অনেক সাইট আছে। বিশেসজ্ঞদের কাছে জেনে নিন। পাকামো মারবেন না, কারণ দেখছেন তো AI দিয়ে কীসব বানিয়ে বানিয়ে সোশ্যাল সাইটে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাহলে? যদিও সার্কামস্ট্যান্সিয়াল এভিডেন্স বলে একটা ব্যাপার আছে, কিন্তু সেটা বোঝাবার ক্ষমতা সাধারণ বুদ্ধির মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। কেবলমাত্র বিশেষজ্ঞরাই সেটা বুঝতে পারেন। আর হ্যাঁ, আপনারা সতর্ক থাকবেন বইকি কিন্তু কানে কিছু শুনেই সেটা যাচাই না করে একদম বিশ্বাস করবেন না”।

    উপস্থিত সবাই মাথা নাড়লেন।

    জজ সাহেব গলা পরিষ্কার করে আবার বললেন, “আরও একটা কথা। মজাদার আর অটুট দাম্পত্যের চাবিকাঠি হল নিজের বউকে পরস্ত্রী ভাবা আর নিজের বরকে পরপুরুষ। সঙ্গে একটা দূরত্ব রাখতে হবে, যাতে বেশিদিন কাছাকাছি থাকলেও একটা একঘেয়েমি না আসে। এছাড়াও দুজনকে দুজনের হবি বা ভালোলাগার বিষয় নিয়ে একসঙ্গে চর্চা করতে হবে।একে অপরের দায়িত্ব নিতে হবে। একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা থাকতে হবে। টুকটাক কাছেধারে বেড়াতে যেতে হবে। সিনেমা, নাটক। বই পড়তে হবে। লাইব্রেরির মেম্বার হয়ে যান। সারপ্রাইজ দিতে হবে। নতুন রান্না। অধিকার বোধ একটা থাকতেই পারে, তবে কেউ কারুর ওপর খবরদারি করবেন না। কেউ কারুর সম্পত্তি না। মোট কথা দাম্পত্যকে প্রতিদিন আবিষ্কার করতে হবে। কাজটা যেমন কঠিন আর সহজও। যারা পারবেন তারাই হবেন সুখী দম্পতি।কেমন?”।

    শুনে পরিচালক আকাশ ছাড়া সবাই হাসতে থাকল।

    (শেষ)
     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
    0 | | | | | | | | | | ১০ | ১১ | ১২ | ১৩ | ১৪ | ১৫ | ১৬ | ১৭ | ১৮ | ১৯ | ২০
  • ধারাবাহিক | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৬৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • :|: | 2607:fb90:bd03:141a:5408:6780:4447:***:*** | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২২:০১738289
  • ডাক্তার আকাশে পরোকীয়াটারও একটি বিহিত হলে ভালো হতো। বেচারী অসুস্থ বলে অসহায় হয়ে আছে এমনকি জন্মদাতা পিতাও সাপোর্ট করছেন না -- খুবই কষ্টের জীবন।
  • :|: | 2607:fb90:bd03:141a:5408:6780:4447:***:*** | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২২:০১738290
  • আকাশে পরোকীয়াটারও আকাশের পরকীয়াটারও
     
  • রানা সরকার | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২২:০২738293
  • হা হা হা। আপনি এটা নিয়ে একটা লেখা লিখুন। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভ্যাবাচ্যাকা না খেয়ে মতামত দিন