এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  উপন্যাস

  • লা পত্নী ভ্যানতাড়াঃ পর্ব ১৮

    রানা সরকার লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | উপন্যাস | ০৯ জানুয়ারি ২০২৬ | ২৯ বার পঠিত
  • 0 | | | | | | | | | | ১০ | ১১ | ১২ | ১৩ | ১৪ | ১৫ | ১৬ | ১৭ | ১৮
    ওদিকে ডাক্তার আকাশ আর ফটোগ্রাফার আকাশ দুজনে মিলে চলে এল স্টুডিওতে। রুক্মিণী থেকে গেল সিঞ্জিনির ওখানে। স্টুডিওর সিসিটিভি ফূটেজ থেকে তৎক্ষণাৎ ওদেরকে চিনতে পারল ডাক্তার আকাশ। সে বলে উঠল, “এটা তো কোনও প্র্যাকটিকাল জোক মনে হচ্ছে না! সত্যি সত্যি…”

    “আপনি গতকাল আপনার আরও দুজন পরিচিত আকাশকে ফোন করবেন বলেছিলেন?”, ফটোগ্রাফার আকাশ জিজ্ঞাসা করল।

    “ওহ, হ্যাঁ হ্যাঁ। ভুলেই গেছিলাম। কিন্তু…”

    “কিন্তু?”

    “আকাশ রায়চৌধুরি কি খালি আমরা চারজনই আছি, নাকি এই কলকাতায়?”

    “তাও তো বটে?”

    “সেই তো ভাবছি…., কিন্তু এটা আবার ওদের দুজনের কোনও প্ল্যান নয়তো?”

    “কেন একথা বলছেন?”

    “ধরুন, ওরা আমাদের মধ্যে একজনের ওয়াইফকে সত্যি সত্যি খুন করতে চায়। আর তারপর দোষ ফেলতে চায় আমাদেরই কারুর ঘাড়ে…”

    “এইটা তো ভেবে দেখিনি!”

    “মনে হচ্ছে দুটোই খুব সেয়ানা”।

    “তবুও আগে আপনার পরিচিত সেই দুজন আকাশকে ফোন করে দেখুন না?”

    ডাক্তার আকাশ পরিচালক আর প্রোফেসরকে ফোন করে জানতে পারল যে সকাল থেকে তাদের বউদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। সে ফটোগ্রাফার আকাশকে বলল, “নাহ্‌, ব্যাপারটা সিরিয়াস দেখছি। লালবাজারে যেতেই হবে”।

    পরদিন একটা সময় বের করে চারজন আকাশ এসে পৌঁছালো লালবাজারে।   

    মিসিং পার্সন স্কোয়াডের অফিসার তাদের সমস্ত বক্তব্য শুনলেন। তারপর পরিচালক আকাশের থেকে প্রণয়ের নম্বর নিয়ে বৈদেহী সমেত ওদেরকে দেখা করতে বললেন।

    বৈদেহী তার মামা মিঃ দাসকে ফোন করে সব জানালো। মামা বললেন, “তুই ভাবিস না। একবার এসে দেখা করে যা। আমি কথা বলে রাখছি”।

    পরদিন অফিসারের সময় মতো ওরা হাজির হল বেলা প্রায় ১২টা নাগাদ। এসেই প্রণয়ের পেয়ে গেল পটি। আর আজব ব্যাপার আজও ভিসিটর’স ওয়াসরুমে পটি করতে করতে সেই পার্কে শোনা কথাগুলো মনে হল যেন শুনতে পেল। পটি করে বেরোতে দেরী হয়ে যাওয়ায় কে যে বাইরে ছিল আজও সে ধরতে পারল না। তাহলে কি আকাশ কোনও পুলিশের ছদ্মনাম? আর এখন যেহেতু প্রচুর মহিলা পুলিশ একসঙ্গে কাজ করে ফলে প্রেম বা পরকীয়া হতে বাধা কোথায়? রসের ধারা কখন যে কার দিকে ধায় কেইবা বলতে পারে?

    দেরী হওয়াতে বৈদেহীর কাছে বকা খেল প্রণয়। তারপর অফিসারের কাছে গিয়ে আগাগোড়া ব্যাপারগুলো বলল খুলে। যদিও বৈদেহীর ওই মামা অফিসারকে আগে থাকতেই বলে রেখেছিলেন, তবুও অফিসার নিজের মতো করে জেরা করলেন। শেষে ওদের দুজনের ঠিকানা নিয়ে বললেন যে ওকে না জানিয়ে ওরা দুজন যেন কলকাতার বাইরে বা কোনও আকাশের বাড়ি না যায়।

    বেরোনোর পর বৈদেহীর মামার কথা মতো ওর পরিচিত হাইকোর্টের একজন আইনজীবীর সঙ্গে ওরা কথা বলে রাখল। তিনি অবশ্য ফীস নিলেন আর ওদের আশ্বস্ত করলেন যে এখানে প্রণয় বা বৈদেহীর কোনও সমস্যা হলে উনি থাকবেন। সোহিনী আর মৈথেলী কোথায় থাকতে পারে সেটা একবার ওদের জিজ্ঞসা করেছিলেন উকীল সাহেব কিন্তু ওরা কোনও সদুত্তর বা হদিশ দিতে পারল না।

    কিন্তু সমস্যা শুরু হল পরদিন। পরিচালক আকাশ প্রণয়ের নামে তার বউকে অপহরণ ও খুনের অভিযোগ করল লোকাল থানায়। এদিকে মৈথিলীকেও এখনও খুঁজে পাওয়া যায় নি।

    গলফগ্রীণ থানার পুলিশ এসে প্রণয়কে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে গেল জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। পাড়ার লোকজন তো অবাক। প্রণয় আর খুন! কোথাও নিশ্চয়ই একটা ভুল হচ্ছে। কিন্তু পুলিশ নাছোড়। তারা জানালো যে থানায় FIR করা হয়েছে। দিদি প্রমিতা বৈদেহীকে শাপশাপান্ত করছিল। বলছিল যে এই মেয়েটার পাল্লায় পড়েই এইসব হয়েছে।        
     
    বৈদেহী সেই হাইকোর্টের উকিল সাহেবকে ফোন করল। উকীল জানালেন যে হঠাৎ একটা গুরুত্বপূর্ণ কেসে তাকে আউট অফ ষ্টেশন যেতে হয়েছে। উনি তার অ্যাসিস্টেন্টকে পাঠিয়ে দিচ্ছেন।

    থানায় গিয়ে বৈদেহী দেখল যে প্রণয় কাঁচুমাচু হয়ে বসে আছে। ঘেমে যাচ্ছে। বারকয়েক এখানেও পটি গেছে। তবুও আইনজীবীর সঙ্গে বৈদেহীকে দেখে ধড়ে প্রাণ যেন পেল ফিরে। অ্যাসিস্টেন্ট আইনজীবীর বয়স প্রায় চল্লিশের কাছাকাছি। তিনি সেখানে এমন সওয়াল করলেন যে পুলিশ থতমত গেল খেয়ে। ডিউটি অফিসার বোঝালেন যে যতই উকিলবাবু তাদেরকে বোঝান না কেন, আইন আইনের পথেই চলবে। আজ প্রণয়কে থানায় আটকে রেখে আগামীকাল কোর্টে চালান করা হবে। আর সেখানে বিচারক যা রায় দেবেন তাই হবে। ভয়ে প্রণয়ের আবার পটি গেল পেয়ে। উকিল আর বৈদেহী ডিউটি অফিসারকে জানালো যে প্রণয়ের শরীর অসুস্থ। তাকে যেন যথাযথ মেডিক্যাল অ্যাটেনশন দেওয়া হয়। আসবার সময় প্রণয়ের হাত ধরে বৈদেহী বলে এল, “কোনও চিন্তা করো না। মা বলেছে যা দরকার লাগে করবে আর এই ডায়পারগুলো রাখো”। লকআপে আরও চার-পাঁচবার পটি হল প্রণয়ের।

    বৈদেহীর মামা ফোন করে বৈদেহীকে জানালো যে প্রণয় যেন তার আইনজীবী মারফত চিত্র পরিচালকের বিরুদ্ধে হাজরা থানার পাল্টা একটা এফ আই আর করে।
                
    পরদিন প্রণয়ের ছবি দিয়ে কাগজে খবর বেরোল। ফেসবুকেও তাকে নিয়ে হতে শুরু করল ট্রোল।

    আদালতে কেস উঠল। প্রণয়ের প্রবীন আইনজীবী গোটা ঘটনাটা জজ সাহেবের সামনে পয়েন্ট টু পয়েন্ট বললেন। তার আগে অবশ্য আইনজীবীর অ্যাসিস্টেন্ট হাজরা থানায় পরিচালক আকাশের নামে এফআইআর করে কোর্টে এসে বসেছেন।

    প্রবীণ আইনজীবী বললেন, “মাই লর্ড, যে অ্যালিগেশন আমার ক্লায়েন্টের ওপর আরোপ করা হয়েছে তার কোনও ভিত্তি নেই। আমরা জানিনা যে ম্যাডাম সোহিনী এখন কোথায় আর কার প্ররোচনায়ই বা তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেছেন। আমরা এও জানিনা যে মিঃ আকাশ তার বউকে গুম খুন করেছেন কীনা? যেহেতু আমার ক্লায়েন্টের আগের কোনও অপরাধ করার রেকর্ড নেই, যেহেতু উনি কেবলমাত্র একজনের প্রাণ বাঁচানোর জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছিলেন এবং যেহেতু এমন কোনও প্রমাণ পাবলিক প্রসিকিউটার দেখাতে পারেন নি যেখান থেকে এই সিদ্ধান্তে আমরা উপনীত হতে পারি যে আমার ক্লায়েন্টই দোষী, সেহেতু আমি আমার ক্লায়েন্টের জামিনের আবেদন করছি। এছাড়া উনি অসুস্থ। নিজের অসুস্থতা নিয়েও যেভাবে উনি দিনের পর দিন সম্ভাব্য খুনিকে ধরবার জন্য নিজের কাজ ছেড়ে দিয়ে পড়েছিলেন, সেখানে কোথায় তার পুরস্কার ও প্রশংসা প্রাপ্য আর কোথায় তাকে জেলের ঘানি টানতে হচ্ছে! মহামান্য আদালতের কাছে আমি প্রণয়ের জামিন চাইছি। আদালতের কাছে ন্যায় বিচার চাইছি”।

    প্রবীণ উকিলের অ্যাসিস্টেন্ট প্রণয়ের মেডিকেলের কাগজ মুহুরির দিকে বাড়িয়ে দিলেন যাতে সেটা জজ সাহেব দেখতে পারেন।

    এরপর জজ সাহেব চারজন আকাশ, বৈদেহী এবং বৈদেহীর সেই মামাকে এক প্রস্থ ডিফেন্স কাউন্সিল এবং পাবলিক প্রসিকিউটারকে জেরা করতে বললেন।

    সব শুনে জজ সাহেব বললেন, “Since Mrs. Sohini is still at large, and Police didn’t able to trace her, I will not allow bail to Mr. Pranay, But keeping his health condition in mind, I am instructing police to admit him in a government hospital for his proper treatment and during that time you can interrogate him to go properly into the bottom of the matter and bring here some pertinent evidence and whereabouts of Mrs. Sohini RoyChowdhury. After 21 odd days the court will discuss and reconsider your bail plea Mr. Pronoy. Thanks”

    শুনানির বেশ কয়েক ঘন্টা পর বৈদেহী আর ওর মামা এসএসকেএম হাসপাতালে প্রণয়ের সঙ্গে দেখা করতে গেল। সঙ্গে অ্যাসিস্টেন্ট উকিলও ছিল। প্রণয় চুপি চুপি বৈদেহীকে জানালো যে তার মোবাইল ফোনে পরিচালক আকাশ আর তার কথাবার্তা রেকর্ড করা আছে। বলল যে সেই রেকর্ডিংটার বেশ কয়েকটা কপি করে উকিল সাহেবকে দিতে। বৈদেহীর মামা ওকে আশ্বস্ত করল। বলল, “কোনও সমস্যা মনে করলে নির্দিধায় জানাবে। আমার এখানে বলা আছে। ক’টা মাত্র দিন, ও দেখতে দেখতে কেটে যাবে”।

    প্রণয় খেয়াল করল তার দিদি প্রমিতা কিন্তু না কোর্ট না হাসপাতাল - কোথাও আসেনি।

    দিন তিনেক পর বৈদেহীর মা এলেন দেখা করতে। বললেন, “কিছু ভেবো না প্রণয়, সব ঠিক হয়ে যাবে। আর কালপ্রিট ধরা পড়বেই”।

    প্রণয় একবার বৈদেহীকে বলল যে উকিল সাহেব যেন একবার তার সঙ্গে দেখা করে। দিন দুই পর উকিল আসতেই প্রণয় তার প্রথম সেই পার্কে শোনা কথার পরে দুজনকে ফলো করতে গিয়ে যে সার্জেন্টের সঙ্গে দেখা হয়েছিল তার নামটা বলে একবার খোঁজ নিতে বলল। সার্জেন্টের নাম রক্তিম শিট। উকিল সাহেব মাথা নেড়ে চলে গেলেন।

    এদিকে ২১ দিন কেটে গেছে। যদিও এর মধ্যে না সোহিনী না মৈথিলী কারুরই কোনও খোঁজ পাওয়া যায় নি। কাগজে এই দুজনকে নিয়ে জোর লেখালেখি চলছে। আলোচনাও চলছে কলকাতায়। অনেকের মতে স্বামীরাই কান্ডটা ঘটিয়েছে। পরিচালক আকাশের বিরুদ্ধে হাজরা থানায় করা এফআইআরের অবশ্য এখনও শুনানির দিন ধার্য হয় নি। তবে উকিল জানিয়েছে যে খুব শীগগিরই হয়ে যাবে। হাসপাতালে প্রথম দিকে কয়েকদিন বার বার ল্যাট্রিন গেলেও পরের দিকে ওষুধ দেওয়াতে প্রণয়ের পটির সমস্যা অনেকটা গেছে কেটে।  

    মিতুলকে দিন দুই হল নার্সিংহোম থেকে ছেড়ে দিয়েছে। সে এখন বাড়িতেই আছে আর আকাশের সঙ্গে সহজ ব্যাবহার করছে। যদিও অবশ্য সে জানে না যে আকাশ আর রুক্মিণী মাঝেসাঝেই বাইরে মিট করছে।

    দ্বিতীয় বারের শুনানির আগের দিন ডাক্তার আর ফটোগ্রাফার আকাশ তাদের দুই বউ অর্থাৎ মিতুল আর সিঞ্জিনি, সঙ্গে পাকড়াশি একসঙ্গে বসে লাঞ্চ করছিল মিতুলের বাড়িতে। সঙ্গে ছিল প্রোফেসর আকাশ আর তানিয়া। ডাক্তার আকাশই ওদের আসতে বলেছিল। কারণটা অবশ্য মিতুলের সুস্থ হওয়াকে সেলিব্রেট করা। রুক্মিণী আসেনি। ডাক্তার আকাশই ওকে বারণ করেছিল আসতে।

    খাবার টেবিলে ওরা পার্কে শোনা প্রণয়ের কথা, বি এম ডবলু গাড়ি এবং তার পরের ঘটনাগুলো নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল।

    সিঞ্জিনি সবাইকে ওর বিবাহবার্ষিকীতে ওদের দুজন মানে প্রণয় আর বৈদেহীর সাহায্যের কথা বলে বলল, “আমি একদম নিশ্চিত। প্রণয়বাবু দোষী হতে পারেন না। যেভাবে সেদিন রাতে আমাকে মানসিক ও শারীরিকভাবে সামলালেন তাতে …, মানে আমি তো …”।

    “হ্যাঁ। ঘটনার পরে অবশ্য আমি ওর মুখ থেকেই সব শুনতে পাই”। ফটোগ্রাফার আকাশ সিঞ্জিনিকে সমর্থন করল। “কিন্তু একটা কথা ভাবছি যে ওরা আমাদের সবার কাছে এসে বউকে খুন করার জন্য একদিকে উৎসাহই বা দিল কেন আর অন্যদিকে বউদের রক্ষাই বা করল কেন?”

    “আমার মনে হয়…”, তানিয়া সবার অনুমতি নিয়ে কথা বলতে শুরু করল, “ওরা এটা দেখতে চাইছিল যে চারজন আকাশের মধ্যে ঠিক কোন আকাশ তার বউকে মেরে ফেলতে চাইছে বা ওদের প্ল্যান অনুযায়ী চলতে চাইছে”। সবাইকে একবার দেখে নিয়ে তানিয়া আবার বলতে থাকল, “আর যেহেতু ওরা প্রফেশনাল ইনভেস্টিগেটর না, তাই এইরকম ভুলচুক হয়তো করে ফেলেছে। সঙ্গে ছেলেটার আরও কীসব শারীরিক সমস্যাও ছিল বলছে…”।

    “কিন্তু আমার মনে হয় যে ব্যাপারটা ওই ছেলেটা মানে প্রণয়ের হ্যালুসিনেশন। কারণ শুধু পার্কে নয়, লালবাজারেও পর্যন্ত সে দু’বার সেই একই কথাবার্তা শুনেছে। এখন লালবাজারে তো সেই সেই দিন আমরা কেউই যাই নি। জানি না পরিচালক আকাশ আবার…”

    “না মনে হয়। গেলে আমরা জানতে পারতাম”। প্রোফেসর আকাশ বলে উঠল। “কিন্তু সোহিনীর কথা না হয় বুঝতে পারলাম, মৈথিলীও যে কোথায় গিয়ে বসে আছে কে জানে! আমি তো বাবা কিছুই করিনি। তবে এই ফোন আসা নিয়ে আর যারা ফোন করেছে তারা যে হাজরায় থাকে এইটা জানতে পেরে আমার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়েছিল মাত্র”।

    “হ্যাঁ। কারণ আমি যে হাজরায় থাকি সেটা মৈথিলী জানত। আমার বাড়ি বয়ে গিয়ে থ্রেট করে এসেছিল সে”। তানিয়া সংযোজন করল। “ভেবেছে যে এইসবের মধ্যে বুঝি আমিও আছি”।  

    (ক্রমশ)
     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
    0 | | | | | | | | | | ১০ | ১১ | ১২ | ১৩ | ১৪ | ১৫ | ১৬ | ১৭ | ১৮
  • ধারাবাহিক | ০৯ জানুয়ারি ২০২৬ | ২৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভ্যাবাচ্যাকা না খেয়ে মতামত দিন