এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ভ্রমণ  দেখেছি পথে যেতে

  • দুই দাপুটের কাশীভ্রমণ - ৫

    লেখকের গ্রাহক হোন
    ভ্রমণ | দেখেছি পথে যেতে | ১৩ মার্চ ২০২৬ | ৮৪ বার পঠিত
  • ভোর সাড়ে তিনটেয় অ্যালার্ম বাজলেই যাঁরা লাফিয়ে উঠে পড়েন  তাঁরা নমস্য ব্যক্তি। অসসি ঘাটে যেতে হবে। তার জন্য বড়রাস্তা অবধি পৌঁছে অটো ধরতে হবে। যদিও সবাই ভরসা দিয়েছেন কাশীতে সারারাত অটো চলে, কিন্তু সে এই একটেরে গাইঘাটে পাওয়া যাবে কিনা কে জানে! এইসব সাতপাঁচ ভেবে  দুজনে উঠেই পড়েন। তৈরী হয়ে বেরোতে চারটে পঁচিশ। আকাশ ঘোর অন্ধকার, গলিপথ শুনশান।  এমনকি ষাঁড় বা কুকুরেরাও অনুপস্থিত। আর ঝকঝকে পরিস্কার, একফোঁটাও নোংরা, প্ল্যাস্টিক কিচ্ছু নেই। তার মানে রাত্রে এসে পরিস্কার করে যায় আর সকাল হতেই লোকে নোংরা করতে শুরু করে। 

    বড়রাস্তায় পৌঁছে চৌরাহার দিকে খানিক এগোতেই রাস্তার পাশে একটা অটো।  কথা বলে উঠে পড়া গেল। মোটামুটি সোয়া পাঁচটা নাগাদ অসসি ঘাটে পৌঁছে দেখা গেল ঘাটের দিকে মুখ করে তিনসারি ফাইবারের চেয়ার পাতা আর ডানদিকে একটা মঞ্চ বানানো। চেয়ারের ভাড়া মাথাপিছু ২০০/-।  না নিলেও সমস্যা নেই, উন্মুক্ত ঘাটের ধাপে এদিক ওদিক ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসে পড়লেই হল। নৌকোর মাঝিরাও ঘুরছে, চাইলে নৌকো ভাড়া করেও দেখা যায়। তাতে গঙ্গারতি অনেক ভাল দেখা যায়। অনলাইনেও সুবহ-ই- বনারস অনুষ্ঠানের টিকিট কেটে আসা যায়। ২০০ টাকায় গঙ্গারতি এবং গানের অনুষ্ঠান দুইই অন্তর্ভুক্ত। 

    টিকিট না কাটলে চেয়ার পাওয়া যাবে না। তবে পুরোটাই যেহেতু উন্মুক্ত,  টিকিট ছাড়াই ঘাটে বসে দিব্বি দেখা শোনাও যায়। এঁরা দুজন অবশ্য দুটো চেয়ার নিয়েই নিলেন। লোকজন আসতে লাগল, অত বড় জায়গাটা ভরে উঠতে লাগল। মস্ত মস্ত দীপদান,  চামর,  ধুনুচি ইত্যাদি জড়ো হতে লাগল আর সেই দেখে ঊষাদেবীও  ধীরে ধীরে আড়মোড়া ভেঙে জেগে উঠে পুবের আকাশে রাতের চাদরটা অল্প একটু সরিয়ে উঁকি দিলেন। সুজ্জিমামা অবশ্য তখনও গভীর ঘুমে। যেই না ঊষাদেবীর উঁকি দেওয়া অমনি ঠিনন ঠিনন করে ঘন্টা বাজিয়ে ওই মঞ্চ থেকে মন্ত্রোচ্চারণ শুরু হয়ে গেল। শুরু হয়ে গেল গঙ্গারতি। 


    গঙ্গারতি

    এঁরা দুজন এসে পৌঁছানোর আগেই প্রথম সারির চেয়ারগুলো ভরে গিয়েছিল ভাগ্যিস। দেখা গেল প্রথম সারির সবাইকে জুতো খুলে বসতে বলা হচ্ছে কারণ তাঁদের পা লাল কার্পেটে আছে, যেটার অন্যপ্রান্তে দীপদান ইত্যাদি রাখা। তারপরে তো ৪০ - ৪৫ মিনিট ধরে প্রচুর জগঝম্প সহযোগে আরতি হল।  মাঝে আবার মহিলাদের মধ্যে যাঁরা স্নান করে এসেছেন তাঁদের বরণ করতে ডাকা হল। গঙ্গামাঈ না সুজ্জিমামা কাকে বরণ করা হল সেটা অবশ্য বোঝা গেল না। মোটামুটি পুবদিকের আকাশটা যখন গোলাপী লাল হয়ে উঠল তখনই আরতি শেষ। এবারে গান হবে।  


    মছলিবাবা 

    অনেক ভক্তিমান ভক্তিমতীরা উঠে চলে যেতে লাগলেন। কোন্নগর উঠে দেখছিলেন মঞ্চের মুখোমুখী চেয়ার আছে কিনা। সেদিকেও মন্ত্রোচ্চারণকারি দল নেমে গিয়ে তানপুরা তবলা ইত্যাদি রাখা হচ্ছে। মাইকে প্রসাদ সংগ্রহ করার ঘোষণা হচ্ছে। হঠাৎই সামনে একজন হাফ সাধু টাইপের লোক একটা বড় ডালায় ছোট ছোট ডালাগোছের জিনিষ নিয়ে ঘুরতে ঘুরতে একখানা কোন্নগরের  সামনে বাড়িয়ে ধরা মাত্রই  কিছু না ভেবেই খপাৎ করে নিয়ে ফেলেন। আর নিয়েই বোঝেন কেলো হয়ে গেছে। ইলিনয় ততক্ষণে অবাক হয়ে বলছেন ‘'অ্যাঁ এইটা নেবে নাকি?” কোন্নগর বিনাবাক্যব্যয়ে ডালাটা হাফ সাধুর বড় ডালায় ফেরত দিয়ে দেন। 

    হাফ সাধু : আররে অ্যায়সে ওয়াপস নেহি দিয়া যাতা হ্যায় বলতে বলতে আবার দেবার চেষ্টা করেন। 
    কোন্নগর : কিঁউ নেহি দিয়া যাতা হ্যায়,  বিলকুল দিয়া যাতা হ্যায়। 
    হাফ সাধু : নেহি না আ 
    কোন্নগর : হ্যাঁ রে বাবা লাগবে না। 
    অত:পর দুজনে নিজেদের চেয়ার টেনে নিয়ে মঞ্চের সামনে গিয়ে বসে পড়েন। এর পরের ৪০ -৪৫ মিনিট একটা ঘোরের মধ্যে কেটে যায়। ভারতের নানাপ্রান্ত থেকে শিল্পীরা এসে এখানে সঙ্গীত পেশ করে যান। ৮ই ফেব্রুয়ারী শিল্পী ছিলেন ধ্যেয় যোশী। পরপর  খেয়াল, ভজন গাইছেন শিল্পী আর গঙ্গার জল পুবের আকাশ লাল করে সুর্য উঠে আসছে,  পাখীরা উড়ে বেড়াচ্ছে খাবারের সন্ধানে, অপূর্ব সকালটা মনে থাকবে অনেকদিন। 


    সুর্যোদয়ের রাগে 


    গান ধরেছেন ধ্যেয় যোশী

    গান শেষ হবার পরে কোন এক পৌরপিতা ও আরো জনা দুই কুচোকাচা নেতা মঞ্চে উঠে জানালেন দৈনিক ভাস্করের এক সাংবাদিক উপস্থিত আছেন, তাঁর সাথে কথাবার্তা ও ধ্যেয় যোশীকে সম্বর্ধনা জানানো হবে। তা সেসব হতে হতে হঠাৎ শুনি এক কুচো নেতা বলছেন ‘'আরে কি আশ্চর্য আপনি এত সুন্দর রামভজন গাইলেন আর আপনার নামও শ্রীরাম কুমার,  রামজির কী মহিমা!’’ দাপুটে দুজন এ ওর মুখের দিকে তাকিয়ে ফ্যাক করে হেসে ফেলার মুহূর্তেই গায়কএর গলা শোনা গেল ‘’না না আমার নাম ধ্যেয় যোশী”। বেচারি। এঁকে আবার দেখতে অবিকল মছলিবাবার মত। 


    রেওয়া ঘাট 

    এবারে যোগাসন,  যাকে সবাই আজকাল ইয়োগা বলে, শুরু হতেই দুজন গুটিগুটি পায়ে চা কফির খোঁজে রওনা দেন। অসসি ঘাটের গা লাগোয়া রেওয়া ঘাট। সিঁড়ি দিয়ে উঠতেই বাঁদিকে পে এন্ড ইউজ টয়লেট। ৫ টাকার বিনিময়ে  পরিস্কার পরিচ্ছন্ন ব্যবস্থা।  তবে উত্তরভারতের স্বভাব অনুযায়ী জল থৈ থৈ। অবশ্য নোংরা জল নয়, সাফাইকর্মীরা একেবারে ধড়াদ্ধর জল ঢেলে চলেছে। সেসব সেরে সামান্য কয়েক পা এগোতেই বেশ বড়সড় চা কফি জলখাবারের দোকান। চা তো হচ্ছেই পর পর, কফির জন্য উনুন ধরানো হচ্ছে। 


    মালাই টোস্ট

    সবে আঁচ উঠছে,  কফির দুজন খরিদ্দার দেখে তাড়াতাড়ি হাওয়া দিয়ে আঁচ তোলে সহকারী ছোকরা। তিনরকম সাইজের পোড়ামাটির কাপ। ভাঁড়টাড় নয় বেশ নকশাকরা হাতলওয়ালা কাপ। দুকাপ করে কফি খেয়ে ধাতস্থ হতে হতে দেখা গেল মানুষজন এসে মালাইটোস্ট অর্ডার করছেন। চেহারাটি ভারী লোভনীয়। গরমাগরম টোস্টে মাখন লাগিয়ে তার উপর পুরু করে মালাই (দুধ থেকে তোলা ক্রীম) দেয়। খেতেও দিব্বি ভালো। দোকানের একপাশে চা কফি মালাইটোস্ট, বাটারটোস্ট আরেকপাশে মোমো, চাউমিন ইত্যাদি পাওয়া যাচ্ছে। খাওয়ার ব্যবস্থা  বাইরে বসে। খেয়েদেয়ে এবারে সারনাথের উদ্দেশ্যে যাওয়া যাক। 


    ১৩০ খ্রীস্টাব্দে (কুষাণযুগ) তৈরী বাল বোধিসত্ত্বের ছত্র - সারনাথ মিউজিয়াম 

    নানারকম জামা কাপড় স্কার্ফ ব্যাগ ঝুটো গয়নার দোকানের পাশ দিয়ে বেরিয়ে যে রাস্তায় ওঠা গেল সেখানে প্রচুর টোটো এবং বেশ কিছু অটো কিন্তু ট্যাক্সি জাতীয় কিছু নেই। একজন অটো বা টোটোয় উঠলে ওদের এঁকেবেঁকে চলায় অসুস্থ বোধ করেন। আসার সময় অটোতে ভালই গা গুলিয়েছে। সারনাথের মত লম্বা দুরত্ব ট্যাক্সি ছাড়া চলবে না। উবের খুলে দেখা গেল অটোর থেকে অনেক সস্তাই হচ্ছে। গাড়ি বুক তো হল, এবারে গাড়ির পিক আপ পয়েন্ট আর বোঝা যায় না। সারথীমশাই যেখানে যেতে বলছেন, সেই জায়গাটা কোথায় জিজ্ঞাসা করলে টোটোওলা বলে বোসো পৌঁছে দিচ্ছি। আরে পিক আপ পয়েন্ট টোটো চড়ে যাবার মত দূর হতেই পারে না। 


    অশোকচক্র - সারনাথ মিউজিয়াম 

    উবেরের ম্যাপটা ধরে হাঁটা লাগিয়ে গাড়িকে পাওয়া গেল। সারথীও বিরক্ত ‘এই অটো টোটোরা আমাদের কাছাকাছি দাঁড়াতে দেয় না আর আপনারা মুশকিলে পড়েন।’’  ১০ কিলোমিটার রাস্তা যেতে সময় লাগে ৪০ মিনিটের মত। রাস্তা মোটামুটি ভালই, জ্যামও বিশেষ ছিল না। সারনাথ চত্বরে নামতেই গাইডের জন্য ছেঁকে ধরে কিছু নানাবয়সী লোক। তাদেরকে কাটিয়ে টিকিট কেটে প্রথমেই মিউজিয়ামে ঢোকা গেল। টিকিটের মুল্য ভারতীয়দের জন্য ২৫/- টাকা বিদেশীদের ৩০০/- টাকা। স্যুভেনিয়র শপ খোলে নি তখনো,  বড় ব্যাগদুটো জমা রেখে টোকেন নিয়ে ভেতরে ঢোকা। 


    অশোক স্তম্ভ 


    অশোক স্তম্ভ ও চক্র 

    সারনাথ মিউজিয়ামে সংস্কারের কাজ চলছে, ফলে বেশ কিছু অংশ দর্শকদের অগম্য। এক দাপুটে এসেছিলেন কয়েকবছর আগে, তখন মিউজিয়ামের ভেতরে ফোটো তোলা নিষিদ্ধ ছিল। অনেক গয়না,  বস্ত্র ইত্যাদি দ্রষ্টব্য হিসেবে ছিল। এখন সেসব নেই, ছবি তোলায় বাধাও নেই।  তবে দ্রষ্টব্য যা আছে তাও অমূল্য। ঢুকেই প্রথম গ্যালারিতে সামনেই অশোকস্তম্ভ।  চারপাশে আরো নানা মূর্তি। কিন্তু এই গ্যালারির দ্রষ্টব্য বস্তুগুলোর গায়ে কোন পরিচিতি লেখা নেই। দেখে বোঝা যাচ্ছে প্যাকিং কেসে করে এনে আনপ্যাক করে বসিয়ে রেখেছে। হয়ত এই গ্যালারি সংস্কারের সময় সরিয়েছিল, সবেই ফেরত এনেছে। পরিচিতি ফলকগুলো এখনো লাগিয়ে উঠতে পারে নি। এটা দর্শকদের জন্য বেশ অসুবিধেজনক। 


    তারাদেবী - সারনাথ মিউজিয়াম (একমাত্র এই মূর্তিটিই প্রায় অক্ষত) 


    বুদ্ধদেবের জীবনের খন্ডদৃশ্য 5th - 6th century CE  


    Miracle of Srawasti - 6th Century CE

    পরের তিনটে গ্যালারি এবং বারান্দায় রাখা দ্রষ্টব্যগুলোতে পরিচিতি ফলক লাগানো।  বহু বুদ্ধমূর্তির বরাভয় মুদ্রার  হাত ভাঙা, কিছু মুন্ডু কাটা।  বসুধারা, তারাদেবী  ইত্যাদি নারীমূর্তিগুলোর স্তন ভাঙা কিংবা উপড়ে নেওয়া।  বুদ্ধদেব তথা বৌদ্ধদের উপরে আক্রোশ কতখানি ছিল  সেটা বোঝা যায় এই মূর্তিগুলো দেখলে। সম্ভবত বুদ্ধকে হিন্দুদের অবতারের সারিতে সংযুক্তিকরণের আগের সময়কার ভাঙাভাঙি এসব।  এদিকে সেদিন রবিবার হওয়ায় ক্রমশ ভীড় বাড়তে লাগল।  হঠাৎ প্রায় জনা পঞ্চাশ বৌদ্ধ তীর্থযাত্রী এসে হুড়মুড়িয়ে ঢুকে পড়েন। তীর্থযাত্রীদের স্রোত বেরিয়ে গেলে ধীরেসুস্থে সারনাথ স্তুপের দিকে এগোন গেল। 


    বসুধারা


    অপরাজিতা (10th - 11th Cent CE) 
    মুন্ডহীন, স্তন ভাঙা


    মুন্ডমালা গলায় ভয়ংকরদর্শন হেরুকা (10th - 12th Cent CE) 

    স্তুপে ঢোকার মুখে আরেকবার টিকিট পরীক্ষা হল। সারনাথের ওই ৪৩.৬ মিটার উঁচু আর ২৮ মিটার ব্যাসের বিশাল স্তুপ ধামেক স্তুপ নামে পরিচিত। বোধিলাভের পর বুদ্ধদেব এখানেই প্রথম ধর্মোপদেশ দেন পাঁচজন শিষ্যকে।  সম্রাট অশোক খ্রীষ্টপূর্বাব্দ ২৪৯ সনে ধামেক স্তুপ স্থাপন করেন। তারপরে বিভিন্ন সময় তার উপরে সংস্কার করা হয়েছে। কিছু অংশের ইঁট  তো দেখে বোঝা যায়  একেবারে হালেই হয়েছে। এর কাছাকাছিই অশোকস্তম্ভ ও চক্র ছিল, যেগুলো এখন মিউজিয়ামে নিয়ে রাখা হয়েছে। বুদ্ধদেবের উপাসনাস্থল এবং বোধিবৃক্ষ নামে পরিচিত অশ্বথগাছটি ছাড়াও আছে মুলগন্ধা কুটি বিহার এবং  ধর্মরাজিকা স্তুপ।


    বোধিবৃক্ষ 


    ধামেক স্তুপ 


    ধ্বংসাবশেষ 

    স্তুপ ও আশেপাশে দেখতে দেখতেই দুটো স্কুলের ছাত্রছাত্রীর দল এসে পড়ল। রবিবার, শীত প্রায় চলেই গেছে, এক্সকারশানের এই তো সময়। কোথাও শিক্ষিকাদের চোখ এড়িয়ে দুই ছাত্রী ফটাফট চোখে কাজল, ঠোঁটে হালকা লিপগ্লস বুলিয়ে নিচ্ছে, আরো তিনজন তাদের ঘিরে পাহারায় আছে। কোথাও জনা তিনেক শিক্ষক শিক্ষিকা একসাথে দাঁড়িয়ে অন্য কোন পর্যটককে অনুরোধ করছেন একটা ছবি তুলে দেওয়ার জন্য। বাইরে এসে দোকানে কিছুক্ষণ টুকিটাকি জিনিষ দেখা,  কারুকার্য করা কাঁসার বাটির কানায় একটা দন্ড ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে অনুরণন তোলার ব্যর্থ চেষ্টা করা। তারপরে তো আবার উবের। এবার গন্তব্য রামনগর ফোর্ট 

    (আগামী পর্বে সমাপ্ত)
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ভ্রমণ | ১৩ মার্চ ২০২৬ | ৮৪ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • kk | 2607:fb91:4c8b:e2ab:c094:e1c2:fc8:***:*** | ১৩ মার্চ ২০২৬ ২২:০৩739140
  • ইশ, মূর্তিগুলোর ওপরে ওরকম ভ্যান্ডালিজম দেখে কেমন গা শিরশির করে! অশোক স্তম্ভটার ওপরে একটা চকচকে পেন্ট লাগানো না? এইটা কি সংরক্ষণের জন্য লাগানো? আসল স্তম্ভে নিশ্চয়ই এমনি রং ছিলো না? আর মালাই টোস্টের ছবিটা দেখে জিভের জলে পেট ঢাক হয়ে গেলো!
  • dc | 2402:e280:2141:1e8:350a:a7e1:b2dc:***:*** | ১৩ মার্চ ২০২৬ ২২:০৪739141
  • সেই অসিঘাট, যেখানে একই সাথে সূর্যাস্ত আর সূর্যোদয় দেখা যায় :-) গঙ্গারতির ছবিটাও দারুন হয়েছে। আর মনে হলো, কতোদিন ঐরকম পাউরুটির বাটারটোস্ট খাইনা। 
  • Aditi Dasgupta | 150.129.***.*** | ১৩ মার্চ ২০২৬ ২২:৪৭739143
  • লোভনীয় ছবি ও ভিডিও!  লেখাটা যেন মালাই!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক মতামত দিন