এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ব্লগ

  • বাংলাদেশ সমাচার ১৬ 

    bikarna লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ | ৫০৪ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • দেশ প্রতি মুহূর্তে নষ্টের দিকে এগুচ্ছে। কখনও এর গতি থাকে তীব্র কখনও একটু মন্থর। দুইদিন ধরে প্রচণ্ড গতিতে অন্ধকারের দিকে এগুতে শুরু করল বাংলাদেশ। আমরা অবাক হতে পারে না আর। অবাক হওয়ার সীমা শেষ হয়ে গেছে আমাদের। এখন শুধুই পর্যবেক্ষণ করা। তাকায়া দেখা ছাড়া আর কিছুই করার নাই। 

    ওসমান হাদি নামের এক নতুন নেতাকে কে বা কারা গুলি করছে। সে ঢাকা ৮ নাম্বার আসনে নির্বাচন করার জন্য নিজেকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিয়েছিল। সেই আসনে বিএনপির বড় নেতা মির্জা আব্বাস আছে, জামাত শিবিরের নেতা সাদিক কায়েম আছে। এর মধ্যে গুলি। গুলির ঘটনার পরে হাদির লোকজন প্রথম প্রতিক্রিয়ায় মির্জা আব্বাসের নাম নেয়, বলে সেইই এই কাজ করিয়েছে। কিছু সময় যাওয়ার পরে এই গল্প বদলে যায়। সম্ভবত তাদেরকে বলা হয় এখন দেশে এগুলা বলা যাবে না, বলতে হবে লীগের নাম! এরপরে লীগই এইসবের জন্য দায়ী বলে নানা কথা ছড়ানো হয়। বিদেশ বসে যে সাংবাদিকেরা দেশ চালায় তাদের একজন কবে কোন মোটরসাইকেলে খুনি কই গেছে, কয়টা গুলি করার কথা ছিল, কেন করতে পারে নাই এমন সব বিস্তারিত জাতিকে জানাল। শুধু খুনি যে দেশ ছেড়ে পালাচ্ছে তা বল না। তাও বলল যখন তার মনে হয়েছে এখন বলা দরকার তখন। বললেন খুনি হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে ভারত চলে গেছে। এই অবৈধ পথে বহু মানুষ গেছে এর আগে। কেউ অবিশ্বাস্যও করছে না তার দাবিকে। কোন তথ্য প্রমাণ নাই। শুধু তিনি বলেছেন এই পথে গেছে ভারত, ব্যাস, আর কিছু দরকার নাই তাদের। অথচ ভারত চলে গেছে এই তথ্য যদি ভুল হয়, সে যদি দেশেই থেকে থাকে তাহলে এই তথ্য তাকে বাঁচায় দিবে না? পুলিশ তো তাকে খুঁজবেই না। বর্ডার গার্ড বলছে তারা সীমান্ত কঠিন করে দিয়েছে যখন শুনেছে খুনি পালাতে পারে। অন্য দিকে ঢাকার পুলিশ খুব তৎপর, যে মোটর সাইকেল সিসি টিভিতে দেখা গেছে তার মালিক কে না ধরে অন্য একজন ধরে রিমান্ডে নিয়ে বসে আছে! দুইদিন পরে জানা গেছে তার মোটর সাইকেলের সাথে তো মিলেই না খুনির মোটর সাইকেল! তবে আসামি না ধরে বসে থাকে না তারা, সাংবাদিক আনিস আলমগিরকে ধরে ফেলেছে। এমন দুর্ধর্ষ খুনি সাংবাদিকে আটকে সরকার জনমনে স্বস্তি এনে দিয়েছে! 

    গুলি খাওয়ার দিনই আমার পরিচিত এক ডাক্তার বলল ডাক্তারদের যে ফেসবুক গ্রুপ আছে সেখানে নাকি আলোচনা চলছে যে হাদির অবস্থা আসলে বেঁচে ফেরার মত না। কিন্তু সরকার বা হাদির পক্ষের লোকজন দেখি তাকে নিয়ে সিঙ্গাপুর চলে গেল। এর মধ্যে তার বোন সরাসরি এইটা ভারতের কাজ, লীগ আর র মিলে হাদিকে মেরেছে বলে দিল! 

    সিঙ্গাপুর গিয়েও যা হওয়ার তাই হল। হাদি মারা গেল। এই খবর দেশে আসা মাত্র শুধু হল আরেক সিনেমা। মানুষ প্রথম আলো আর ডেইলি স্টারের সামনে জমায়েত হল। 
    জমায়েত পর্যন্ত একবার দেখলাম। এরপরেই দেখি না, মানুষ ঝাঁপিয়ে পড়েছে। আগুন, ভাংচুর চলে। ডেইলি স্টারের সাংবাদিকেরা বাঁচার জন্য ছাদে চলে যায়। আমরা ভিডিও ক্লিপ দেখি যেখানে সেনাবাহিনীর এক সদস্য ক্ষুব্ধ জনতার কাছে বিশ মিনিট সময় চাচ্ছে, এই বিশ মিনিটে তারা সাংবাদিকদের উদ্ধার করে নিয়ে আসবে! মানুষ বিশ মিনিট সময় দিল। সাংবাদিকেরা উদ্ধার হল। এরপরে শুরু হল লুটপাট! আমার কখনও ডেইলি স্টারের ভবনে যাওয়ার সুযোগ হয় নাই। কিন্তু অনেকের কাছেই শুনেছি যে অতান্ত দারুণ একটা অফিস। আধুনিক নানা সুযোগ সুবিধায় পূর্ণ অফিস। পুরো ভবনে আগুন আর লুটের ছাপ এখন দৃশ্যমান। প্রথম আলো অফিসেও একই অবস্থা। 

    মজার বিষয় হচ্ছে একই সাথে এই মব ছায়ানটেও হামলা করেছে! সেখানে বাদ্যযন্ত্র ভাংচুর করেছে, কত কত ছবি ছিল সব নষ্ট করেছে। এগুণ দিয়েছে। কেন? এই কেনর মধ্যেই পাবেন সব উত্তর। কেন প্রথম আলো ডেইলি স্টারকে লক্ষ করা হল? 

    কারণ বিদেশ বসে যারা ফেসবুক ইউটিউব দিয়ে জনতাকে নিয়ন্ত্রণ করে তারা বলেছে এগুলাকে তছনছ করে দিতে হবে। এদের পোষা ছাগলেরা তারা যা বলে তাই করে। এবারও ব্যতিক্রম হয়নি। তারা এদেরকে বুঝাতে সক্ষম হয়েছে যে এগুলা ভারতের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে! ছায়ানট? ছায়ানট তো আরও আগে আগুন দেওয়ার কথা ছিল। এইটা যে এতদিনেও টিকে রইল এইটাই সবচেয়ে বড় কপাল। ছায়ানটে গান হয়, সংস্কৃতি চর্চা হয়। এগুলা চলতে দেওয়া যাবে না এই দেশে। তাই এখানে আগুন লাগবেই। একই কাজ করেছে আজকে, উদীচীতে এগুণ দিয়েছে এরাই। 

    দিনের বেলা প্রচুর প্রতিবাদ দেখা গেছে। সুশীল সমাজ মানব বন্ধন করেছে। এবং হাস্যকর ভাবে প্রথম আলো এর দায় দিয়েছে দুষ্কৃতিকারীদের! সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য ষড়যন্ত্র করে তাদের সাথে এমন কাজ করেছে! মানে সরকার ঠিকই আছে, ষড়যন্ত্র করলে কী করার আছে বলুন তো? তাই আর্মি পুলিশ থাকতেও এমন কাণ্ড হল। আর দোষ দেওয়া হল ষড়যন্ত্রকারীদের যারা সরকারের যে আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা আছে তা নষ্ট করতে এমন কাণ্ড করেছে। 

    সরকারের ভাবমূর্তি ভালুকায় দিপু নামের এক যুবককে পিটিয়ে আধমরা করে পরে দড়ি দিয়ে ঝুলিয়ে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার সময় নষ্ট হয় নাই। ষড়যন্ত্র করে ডেইলি স্টারে আগুন দিতে হয়েছে। ভাবমূর্তির ভাব বুঝাও মুশকিল। 

    এবার হাদির কথা কই। সে গণজাগরণ মঞ্চের বিপরীতে ইনকিলাব মঞ্চ বানিয়েছে। শাহবাগে দাঁড়িয়ে খুব অশ্লীল ভাষায় বক্তব্য দিয়ে জনপ্রিয় হয়েছে। কুৎসিত গালিগালাজ করে সে তার বক্তব্যে। সে মনে করে মুক্তিযুদ্ধ ভারতের চাল, সে মনে করে লীগ আর ভারত মিলে ষড়যন্ত্র করে পাকিস্তান থেকে আলাদা করেছে দেশ। সে মনে করে ভারত তার সীমান্ত সুরক্ষিত করতেই দুই পাকিস্তান ভাঙে। সে নিজেই তার এক সাক্ষাৎকারে বলেছে কাদের মোল্লার ফাঁসির পরে সে মেঝেতে গড়াগড়ি খেয়ে কান্না করেছে। কাদের মোল্লার মত নিষ্পাপ একজনকে ফাঁসি দেওয়ায় সে খুব কষ্ট পেয়েছিল! এই হল হাদি! যার জন্য রাষ্ট্র শোক দিবস ঘোষণা করেছে। যার জন্য বিক্ষুব্ধ জনতা ভারতের দালাল বলে প্রথম আলো ডেইলি স্টারে আগুন দিয়েছে! এই মহান নেতার নামে শাহবাগের নামকরণ করা হবে, কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে তাকে কবর দেওয়া হবে। আরেক আবরার কেস! ছাতামাতা লিখে লীগের পুলাপানের হাতে জীবন যায় আবরারের। ফলে এখন তার নামে রাস্তার নামকরণ করা হয়েছে! হাদির জানাজার জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটান পুলিশ দিক নির্দেশনা দিয়েছে। বুঝা যাচ্ছে বিশাল বড় জানাজা হবে। এগুলা দেখতে হবে বেঁচে থাকতে হলে! 

    হাদির মৃত্যুতে সবচেয়ে লাভবান হচ্ছে সেই আসনের জামাত প্রার্থী সাদিক কায়েম। অথচ এখন সবাই উঠেপড়ে লেগেছে লীগের পিছনে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ঘোষণা দিয়েছে লীগের লোকজনকে ধরতে মামলা লাগবে না। পাইলেই ধরবে! এই হল আইনের কথা, তাই না? 

    যে রাতে প্রথম আলো আর ডেইলি স্টার আক্রান্ত হল সে রাতে চট্টগ্রামে ভারতের হাই কমিশনেও আক্রমণ হয়। ইন্দিরা গান্ধী কালচারার সেন্টারেও হয়েছে বলে তখন শোনা গেলেও পরে কোথাও তা নিয়ে কোন খবর দেখলাম না। সত্য মিথ্যা এখন বুঝা কঠিন কাজ। তবে চট্টগ্রামের খবরটা পরে জানা গেছে। পুলিশ কমিশনার বলেছে কিছু মানুষ ইট পাটকেল ছুড়েছে, কোন ক্ষয়ক্ষতি হয় নাই! যাক রক্ষা! 

    হাদির মৃত্যু নিশ্চয়ই আমার কাম্য ছিল না। কিন্তু অনেকেরই যে কাম্য ছিল তা তো অস্বীকার করার উপায় নাই। লীগ এই মুহূর্তে যদি টার্গেট কিলিং করতেই চায়, যা লীগের স্বভাবের সাথে যায় না, তাহলে হাদিকে কেন? এরচেয়ে বড় টার্গেট নাই? তীব্র ঘৃণা নিয়ে অনেকেই বসে আছে, যারা উল্লাস করছে হাদির মৃত্যুতে। এই উল্লাস করাটাও হাদিই শুরু করেছে। গোপালগঞ্জে যখন আর্মির গুলিতে মানুষ মারা যায় তখন হাদি বলছে আরও করতে হবে, গোপালগঞ্জকে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে!  এখন তার মৃত্যুতে যদি লীগের সমর্থকেরা উল্লাস করে খুব একটা দোষ দেওয়া যাবে? শুধু হাদি কেন এমন আরও অনেকেই আছে যাদের মৃত্যুতে উল্লাস করবে তারা। কিন্তু তা ভিন্ন প্রসঙ্গ। উল্লাস করা আর হত্যা করা দুইটা নিশ্চয়ই এক না। 

    ফুয়াদ নামে এক লোক সরাসরি টেলিভিশনে এসে বলছে সে ১৬ ডিসেম্বরকে বিজয় দিবস মানে না! আরেক জামাতের ব্যারিস্টার বলছে বঙ্গবন্ধু হচ্ছে প্রতারক, পালিয়ে জীবন বাঁচিয়েছে! এই লোকই জামাতের জনসভায় জান্নাতের টিকিট বিক্রি করতে দেখা গেছে। তিনি প্রকাশ্যেই বলতেছেন জামাত করা হচ্ছে নৈতিক দায়িত্ব আমাদের। জান্নাত পাইতে চাইলে জামাত করতে হবে, জান্নাতে না যাইতে চাইলে ভিন্ন কথা। 
    এই দুইজনের কথা বললাম, সরকার এই দুইজনের ব্যাপারে কী পদক্ষেপ নিয়েছে? উল্টা তাদেরকে নিয়েই নানা অনুষ্ঠান করছে। এখন বলেন আমি কেন এই সরকারকে বিশ্বাস করব মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে? আমার কেন মনে হবে না সরকার ইচ্ছা করেই এই সব করছে, সরকার নিজেই চাচ্ছে এমন বিকৃত ইতিহাস? আমি যদি মুক্তিযুদ্ধকে আমার শেকড় হিসেবে ঠিক করে থাকি তাহলে আমি যেমন এইসব কাজকে সমর্থন দিতে পারব না। তেমনই ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জানাজা নামাজ হলেও, বহু মানুষ হাদিকে বিশাল বড় নেতা মনে করলেও আমি তার বিরুদ্ধেই থাকব। হাদির মত লোকজন আর আমাদের অবস্থান বিপরীত মুখি। আমি বরং দিপুর কথা বেশি করে বলতে চাই। একজন কত বড় ধর্মদ্রোহী হলে তাকে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া যায়? তার জন্য রাষ্ট্র কী করেছে? কেন একজনকে আগুনে পুড়ে মরতে হবে? দিপুর পরিবারের মানুষের তীব্র চিৎকার যমুনা পর্যন্ত পৌঁছায় না কেন? 

    পৌঁছায় না। কারণ রাষ্ট্র ব্যস্ত রাজাকার প্রতিষ্ঠা করায়। ক্ষমতায় বসেই মহাজন রিসেট বাটন টিপে দিয়েছে বলেছিল। বাটনের কার্যক্রম দেখছি এক বছর ধরে। পুরোপুরি রিসেট না করে থামবে না এই জিনিস। 
     

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ব্লগ | ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ | ৫০৪ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    পত্তাদকাল - %%
    আরও পড়ুন
    বাদামি - %%
    আরও পড়ুন
    বিজাপুর - %%
    আরও পড়ুন
    হামপি - %%
    আরও পড়ুন
    মাংস - অরিন
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • . | ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ ০৩:৫৩736802
  • আমার নিজস্ব অনুভূতি বলছে — এই দেশ আবার গড়ে তুলতে অনেক সময় লাগবে। পুরো ধসে গেছে।
  • দ্রি | 2409:408c:2d90:1732:b069:8ce9:4444:***:*** | ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ ১০:১৪736803
  • এই টইতে বাংলদেশের মানুষেরা আরো লিখুন। ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোকে ​​​​​​​কে ​​​​​​​কেমনভাবে দেখেন। 
     
    "সে মনে করে মুক্তিযুদ্ধ ভারতের চাল, সে মনে করে লীগ আর ভারত মিলে ষড়যন্ত্র করে পাকিস্তান থেকে আলাদা করেছে দেশ। সে মনে করে ভারত তার সীমান্ত সুরক্ষিত করতেই দুই পাকিস্তান ভাঙে।"
     
    এর মধ্যে কি একটুও সত্যতা নেই? 
     
    ইউটিউবে টুকরোটাকরা হাদির স্পিচ শুনে বুঝলাম ১৯৭১ ই গ্রথিত সংবিধানই যে একেবারে খুশি নয়। আর বলেছে ১৯৭২-৭৫ এ আওয়ামী লীগ মুসলিমদের ওপর অত্যাচার করছে। 
     
    কোন প্রতিক্রিয়া? 
  • দ্রি | 2409:408c:2d90:1732:b069:8ce9:4444:***:*** | ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ ১১:৪৯736806
  • আরো একটা কথা শুনছি। হাদি নাকি বলেছিল ভারতের সেভেন সিস্টার্স ভারত থেকে আলাদা করে গ্রেটার বাংলাদেশ বানাবে। এটা কি সত্যি?  ইউটিউব ভিডিও পেলাম না। 
     
    কিন্তু হাদি মারা যাওয়ার পর হাসনাত আবদুল্লা কিন্তু এই কথা বলছে। 
     
  • %% | 2406:7400:10c:a293:4d46:a71f:f56d:***:*** | ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ ১২:৫৭736810
  • একটা রাষ্ট্র দাঁড়িয়ে থাকে অর্থনীতির ওপর। আর অর্থনীতির জন্য স্থায়ী সরকার থাকা প্রয়োজন নাহলে রাষ্ট্র মৌলবাদীদের হাতে চলে যায়। বাংলাদেশের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভোটে যাওয়া উচিত ছিল।
  • দ্রি | 2409:408c:2d90:1732:b069:8ce9:4444:***:*** | ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৪:০১736812
  • কিন্তু এবার তো ভোটে আওয়ামী লীগকে বেআইনী ঘোষনা করেছে। লীগের সমর্থকরা কাকে ভোট দিচ্ছেন এবার? 
  • bikarna | ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ ২৩:২৩736857
  • ভারত নিজের স্বার্থে পাকিস্তান ভেঙে দুই টুকরো করেছে এইটা বহুল প্রচারিত মিথ্যা কথা। জামাত এইটা আগে মিনমিন করে বলত এখন জোর গলায় বলে। এমন কি কয়েকদিন আগে মীর কাসেমের ছেলে বলেছে তার বাবা নাকি তাকে বলেছ বাংলাদেশ এমন করে টিকে যাবে জানলে নাকি তিনি মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করতেন না। তিনি ভেবেছিলেন এইটা ভারত নিয়ে নিবে! এমন নানা কথা সব সময়ই জামাত বলে আসছে। কিন্তু তথ্য প্রমাণ তেমন কিছু বলে না। ২০০৫ সালে আমেরিকা আমাদের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে সেই সময়ের তাদের গোপন দলিল প্রকাশ করে। নানা তথ্য তখন আমাদের চোখের সামনে আসে। প্রখ্যাত সাংবাদিক মিজানুর রহমান খান এই সমস্ত গোপন দলিল নিয়ে একটা বই প্রকাশ করেন। বইয়ের নাম, '১৯৭১ আমেরিকার গোপন দলিল'। এই বইয়ের শুরুতেই তিনি লিখেছেন অনেকে ধারনা করে যে ভারত নিজেদের স্বার্থে অখণ্ড পাকিস্তানকে খণ্ডিত করার চেষ্টা করেছে। কেউ কেউ মনে করেন ১৯৪৭ সাল থেকেই, কেউ মনে করেন ষাটের দশকে ভারত পাকিস্তানের অখণ্ডতাকে টুকরো করার জন্য চেষ্টা করেছে। কিন্তু আমেরিকার এই সব গোপন দলিলে এমন কোন আলামত পাওয়া যায়নি। বরং ১৯৬৯ থেকে ১৯৭১ সালের মার্চ পর্যন্ত সিআইএ - র রিপোর্টে বা কিসিঞ্জারের নানা বক্তব্যে জানা যায় ভারত পাকিস্তানের অখণ্ডতার পক্ষেই ছিল! 
    আমি ফ্যাক্ট দিলাম। আবেগে অনুমান নির্ভর কিছু না। হাদি এবং তার মতাদর্শীরা এগুলা বুঝতে চায় না বা জানতে চায় না। কেউ কেউ আছে জেনে বুঝেই বলে এই সব। বাংলাদেশে ভারত বিরোধী রাজনীতি অনেক আগে থেকেই জনপ্রিয়। এখন তার জোয়ার এসেছে। 
  • দ্রি | 2409:408c:1bba:9fbf:9c3b:5a32:8e69:***:*** | ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ ২৩:৩৬736858
  • আরও কতগুলো কথা হাদি বলেছে। 
     
    ১৯৭১ এর সংবিধান একটা ফ্যাসিস্ট সংবিধান। আওয়ামী লীগ ফ্যাসিস্ট। বিরোধীদের ওপর অত্যাচার করেছে। খুন করেছে। গণহত্যা করেছে। 
     
    আওয়ামী লীগ ইসলামোফোবিক। 
     
    এটি সত্যে পার্সেন্টিজ কত? 
  • দ্রি | 2409:408c:1bba:9fbf:9c3b:5a32:8e69:***:*** | ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ ২৩:৪১736859
  • এতে সত্যের পার্সেন্টেজ কত?  (বলতে চেয়েছি )
  • | ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ ২৩:৫১736861
  • ফ্যাসিস্ট শব্দটা খুব লুজলি ব্যবহার হয় দেখি এখন। শেখ হাসিনাকে নার্সিসিস্ট বলে মনে হয়েছে আমার ফ্যাসিস্ট নয়।  
     আওয়ামি লীগ ইসলামোফোবিক হলে হেফাজতকে লালন পালন করত না।  ৭০টা ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলের ৬৩টা আওয়ামির লীগের সঙ্গে জোটে ছিল আগের নির্বাচনে।  ওই ভারতে কংগ্রেস যেমন 'হিন্দুবিরোধী' বলে ট্যাগড বাই বিজেপী,  আওয়ামিও সেরকম 'ইসলামোফোবিক' বলে ট্যাগড বাই জামাত। 
  • | ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ ২৩:৫৮736862
  • আওয়ামির অত্যাচারের ইতিহাস অবশ্য বেশ লম্বা। 
    বিভিন্ন ইসলামিস্ট জেহাদী গ্রুপের হাতে নাস্তিক, ধর্মনিরপেক্ষ  মানুষজনের হত্যা চলে পরপর। রাজীব হায়দারকে খুন করা হয় ২০১৩ সালে।  বাউল ফলোয়ার শফিউল আলমকে খুন করা হয় ২০১৪ সালে। অভিজিত রায় খুন হন ২০১৫ সালে। অল্প কদিন পরেই খুন হন নিলয় নীল,  অনন্ত বিজয় দাস আর জাগৃতি প্রকাশনীর ফয়সাল আরেফীন দীপন। তনয়  আর জুলহাজ খুন হন ২০১৬ সালে। এইগুলোর অনেককটারই  ঠিকঠাক বিচার ও শাস্তির বিধান শেখ হাসিনা তথা আওয়ামি লীগ করে নি। 

    খবরে দেখেছিলাম ২০০৯ আর ২০২৩ সালের মাঝে বিচার  বহির্ভূত হত্যার শিকার হন ২৬০০ জন আর গুম হন ৬৭৭ জন। কাস্টডিতে মারা যান ১০৪৮ জন। আদিবাসি জনজাতির উপর নির্যাতনেরও দীর্ঘ ইতিহাস আছে। 
  • . | ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ ০৪:৪৭736872
  • গুম ব‍্যাপারটা কী?
    প্রায়ই এটা শুনি/পড়ি - গুমখুন বা গুম, এটা কি বাংলা না ইংরেজি শব্দ? এর অর্থ কী?
    আয়নাঘর বলেও একটা শব্দ জেনেছি। যার অর্থ সম্ভবত solitary confinement.
  • :|: | 2607:fb90:bd31:d465:b5ad:31c1:82ca:***:*** | ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ ০৬:০৩736873
  • . | ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ ০৭:২৪736874
  • বুঝলাম। থ‍্যাংকস।
  • দ্রি | 2409:408c:1bba:9fbf:584:cf0f:642:***:*** | ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ ১২:৩২736887
  • এইসবের সূত্রপাত যে ঘটনা দিয়ে সেটা নিয়ে লোকজনের (বিশেষ করে বাংলাদেশের ) কী মত ? আন্দোলন করে হাসিনাকে দেশ থেকে তাড়ানো? তারপর কোত্থেকে টুক করে ইউনুসের বসে যাওয়া? এটা কি পুরোপুরি হোমগ্রোন আন্দোলন? নাকি বিদেশী মদত ছিল বলে মনে হয়? 
  • | ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৪:২৪736891
  • দ্রি, 
    এই বিষয়ে গুরুর দুই দুইখান বই আছে। বাংলাদেশের দুজনের লেখা। 
    ১) স্বাধীন বাংলাদেশ  অন্ধকারের দিনলিপি - স্বাধীন 
    ২) বাংলাদেশ ২.০ - দীপু আহকাম 
     দুটোই ছদ্মনামে দুজন লিখেছেন,  ২৪ এর বইমেলায় প্রকাশিত। একেবারেই সেই সময়কার দিনলিপি ও খবরাখবর
  • aranya | 2601:84:4600:5410:14b8:11e0:1a60:***:*** | ২২ ডিসেম্বর ২০২৫ ০২:২৯736924
  • দীপু দাস - এর খুনের ব্যাপারে - বাংলাদেশে ব্ল্যাসফেমি আইন আছে। কেউ সত্যিই নবী-কে অপমান করলে আদালতে বিচার করে শাস্তি দেওয়া যায়। অথচ পিটিয়ে মেরে ফেলা হচ্ছে 
     
    এ নিয়ে কি দেশে কোন প্রতিবাদ হচ্ছে? নাকি মানুষ শুধু হাদি-র খুন নিয়েই চিন্তিত ? 
    @বিকর্ণ 
  • Prabhas Sen | ২২ ডিসেম্বর ২০২৫ ১১:১০736958
  • এই বার  বাংলা ভাষাকে কুলোর বাতাস দিয়ে আরব সাগরে বিসর্জন দিয়ে আরবি কে বুকে জড়ালে ই বিপ্লব  সম্পূর্ণ হবে।
  • bikarna | ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ ০০:১০737028
  • aranya, হাদির খুনটা এখন আর অত সহজ সরল বিষয় মনে হচ্ছে না। একদম গত বছর আবু সাইদ, মুগ্ধের মত ব্যাপার। মারা যাওয়ার পরে এদেরকে হুট করেই এমন কাল্ট বানানো হল যে এখনও অবিশ্বাস্য মনে হয়। এবারও তাই হল। যখন হাদি মারা গেল তখন তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে বিএনপিকে গালি দিচ্ছে এরা, বিএনপি জামাতকে গালি দিচ্ছে। দুই একদিন পরে এক যোগে সবার বক্তব্য পরিবর্তন হয়ে গেল। এইটা লীগের কাজ, ভারতের কাজ! তখন সবার সুর এক হয়ে গেল। কই থেকে ভারতের দালাল ট্যাগ দিয়ে ডেইলি স্টার প্রথম আলো, ছায়ানট উদীচী পুড়ে দিল! হাদির বিশাল জানাজার আয়োজন হল। কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে তাকে কবর দেওয়া হল! সব এখন একটু ভাবলে অবিশ্বাস্য লাগে। হাদি কে? চিল্লায়া গালিগালাজ করে যে ছেলেটা, ওই তো? যে কাদের মোল্লার ফাঁসির পরে মেঝেতে গড়াগড়ি খেয়ে কাঁদছে বলে নিজেই বলেছে এক সাক্ষাৎকারে? সেই তো? যে মুক্তিযুদ্ধে লীগ আর ভারত মিলে ষড়যন্ত্র করে লাখ লাখ মানুষ মেরেছে বলে বিশ্বাস করত, সেই তো? সে কীভাবে কাল্ট হয়ে উঠল? মনে হয় না এইটা স্বাভাবিক না? রেডিমেড সব কিছু মনে হয় এখন। অন্যায় ভাবে খুন করা হয়েছে বলে এমন প্রতিক্রিয়া? তাহলেই প্রশ্ন আসে দিপুকে তো এরচেয়েও জঘন্য ভাবে মারা হয়েছে, তখন কোথায় মানুষের এই আবেগ? না দাদা, মানুষের দিপুকে নিয়া তেমন কোন ভাবনা চিন্তা নাই। তারা নিজেরা চিন্তা করলে হয়ত চিন্তা করত। কিন্তু বেশির ভাগই তো নিজেদের মগজ ভাড়া দিয়ে রাখছে। অন্যরা যা চিন্তা করে দিচ্ছে তারা শুধু অন্ধের মত তাই অনুসরণ করছে। ঠিক এক বছর আগের মতই। সমস্ত শিল্পী সমাজ, সাধারণ মানুষ এই খেলায় নেমে গেল, আবার। 
  • aranya | 2601:84:4600:5410:d1cf:d7ed:1f68:***:*** | ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ ০০:৪১737032
  • 'যে মুক্তিযুদ্ধে লীগ আর ভারত মিলে ষড়যন্ত্র করে লাখ লাখ মানুষ মেরেছে বলে বিশ্বাস করত, সেই তো?'
    - আচ্ছা, এটা জানতাম না। পাক সেনা, রাজাকার, আলবদর এরা মারে নি, ১৯৭১ এ ৩০ লাখ মানুষ মেরেছে লীগ আর ভারত!! 
     
    ' হাদির খুনটা এখন আর অত সহজ সরল বিষয় মনে হচ্ছে না'- ঠিকই লিখেছ। অদ্ভুত এক সময়ের ভিতর দিয়ে যাচ্ছি আমরা 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লুকিয়ে না থেকে মতামত দিন