এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • দীপ | ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ১২:৫৩742963
  • গত কাল দিল্লিতে I N D I A জোট ভুক্ত দলগুলোর একটা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেই বৈঠকে মাত্র তিন জন বক্তব্য রাখার সুযোগ পেয়েছিলেন, মল্লিকার্জুন খড়গে রাহুল গান্ধী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন বিজেপিকে আক্রমণ করে বক্তব্য রাখছিলেন তখন সভায় উপস্থিত সোনিয়া গান্ধী বারবার টেবিল চাপড়ে মমতার বক্তব্যকে সমর্থন করছিলেন এবং বক্তব্য শেষ হওয়ার পর সোনিয়া গান্ধী মমতার কাঁধে হাতও রাখেন।
    এই পর্যন্ত পড়ে এটা ভাবা স্বাভাবিক যে জাতীয় কংগ্রেস নেতৃত্ব এখন পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই দূঃসময়ে তার এবং তার দল তৃণমূল কংগ্রেসের সাথেই রয়েছে। জাতীয় কংগ্রেসের সোনিয়া গান্ধী রাহুল গান্ধী মল্লিকার্জুন খড়গেরা রাজনীতি সম্পর্কে অজ্ঞ অথবা তারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বর্তমান কর্মপদ্ধতি ও ধূর্ততাকে বুঝতে পারছেন না এমনটা ভাবা কখনোই সঙ্গত নয়। তারা সবাই রাজনীতিতে দীর্ঘ দিনের পোড় খাওয়া নেতৃত্ব। তাদের এই অবস্থানের পিছনে নিশ্চয়ই কোন যুক্তিসঙ্গত কারণ আছে। তা সত্ত্বেও আমার এই ব্যাপারে কিছু বলার আছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই যে হঠাৎ করে ইন্ডিয়া জোট সম্পর্কে অতিমাত্রায় আগ্রহী হয়ে উঠেছে তার একমাত্র কারণ মমতা এখন ইন্ডিয়া জোটকে ধরে রাজনীতিতে ভেসে থাকতে চাইছে। এছাড়া মমতার সামনে বর্তমানে আর কোন বিকল্প পথ খোলা নেই। কিন্তু সত্যিই কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির কাছ থেকে একেবারে নিজেকে এবং তার দলকে দূরে সরিয়ে নিয়ে এসেছে। আমি অন্তত তা মনে করি না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে কোনদিনই বিজেপির সাথে সমস্ত সম্পর্ক চুকিয়ে ফেলা সম্ভব নয়, অন্তত বিজেপি যতোদিন কেন্দ্রে ও রাজ্যে ক্ষমতায় রয়েছে। যে মুহূর্তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সত্যিকার অর্থে বিজেপির সঙ্গ ত্যাগ করবে তৎক্ষণাৎ ইডি সিবিআইয়ের খপ্পরে তাকে এবং তার ভাইপোকে পড়তে হবে। এই সহজ সরল সত্যিটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেমন জানেন তার ভাইপোও তা জানে। আবার বিজেপিও মুখে যতই তৃণমূল বিরোধীতা করুক না কেন তারাও কোন দিন অল আউট মমতার বা অভিষেকের বিরোধিতা করবে না। যদি বিজেপি সত্যি সত্যি মমতার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে চায়তো তাহলে এতদিন মমতা ও অভিষেকের জায়গা হতো তিহার জেলে। তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপির মধ্যে যে গোপন বোঝাপড়া আছে তা সম্ভবত বিজেপির রাজ্য নেতারাও পুরোপুরি জানেন না।
    অতি সম্প্রতি কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে আদালতে তৃণমূলের যুবনেতা দেবরাজ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে দেড় হাজার পাতার চার্জশীট দাখিল করা হয়েছে। এই চার্জশীটে অভিযোগ করা হয়েছে যে বাগুইহাটি ও কেষ্টপুর এলাকার ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে ভয় দেখিয়ে দশ কোটি টাকা তোলা আদায় করা হয়েছিল।প্রথমে ওই টাকা তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা করা হয়।পরবর্তীতে দেবরাজের ব্যক্তিগত স্বাক্ষরের মাধ্যমে সেই বিপুল পরিমাণ টাকা স্থানান্তরিত করা হয় লিপস্ অ্যান্ড বাউন্স কোম্পানির অ্যাকাউন্টে। এই লিপস্ অ্যান্ড বাউন্স কোম্পানি সম্পর্কে যারা খবর রাখেন তারা সবাই জানেন যে এই ভুয়ো কোম্পানিটি হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পারিবারিক কোম্পানি, কালো টাকা সাদা করার একটি মিডল পয়েন্ট। এই কোম্পানির দুই জন ডিরেক্টর হচ্ছে মমতার দাদা অজিত বন্দ্যোপাধ্যায়ের এবং তার স্ত্রী লতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোম্পানির ম্যানেজিং ডাইরেক্টর হচ্ছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। যে কোম্পানিতে বিপুল পরিমাণ Extortion (জুলুমবাজীর)করে আদায়কৃত টাকা ঢূকলো সেই কোম্পানির ম্যানেজিং ডাইরেক্টর গায়ে হাওয়া লাগিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এর পরেও আমাদের বিশ্বাস করতে হবে যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিজেপি বিরোধিতার মধ্যে কোন খাদ নেই এবং তিনি আন্তরিকভাবেই চান ফ্যাসিবাদী বিজেপির পতন হোক।
     
    কয়েকদিনের মধ্যেই নন্দীগ্রাম ও মুর্শিদাবাদ জেলার রেজিনগরে উপনির্বাচন হতে চলেছে | এখানেও লক্ষ্য করলে দেখবেন দুই দলের কতো ঘনিষ্ঠ বোঝাপড়া রয়েছে | নন্দীগ্রামে হিন্দু ভোটারের সংখ্যা বেশি | তৃণমূল প্রার্থী দিলে হিন্দু ভোটের একটা বড় অংশ যেহেতু তাদের দিকে চলে যেতো তাই বিজেপির সুবিধা করে দেবার জন্যে তৃণমূল নাটক করে প্রার্থী তুলে নিল | আবার রেজিনগরে মুসলিম ভোটার বেশি | মুসলিম ভোটাররা অনেকগুলো দলের মধ্যে ভাগ হয়ে গেলে বিজেপির সুবিধা | তাই রেজিনগরে তৃণমূলের প্রার্থী থেকে গেল |
     
    আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি বিজেপির উত্থান তৃণমূলের পতন পরবর্তীতে তৃণমূলের টুকরো টুকরো হয়ে যাওয়া এই সব কিছুই হয়েছে এক আগে থেকে ঠিক করে রাখা এক নাটকের প্লট অনুযায়ী |
     
    কালিদাস ঘোষ
    জলপাইগুড়ি
    ০২ ১০ ২০২৬
  • সত্যেন্দু সান্যাল | ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ১৪:১৯742967
  • সৈকত বাবুর মতে, "এই জন্যই বাংলায় চাই সর্বাত্মক ঐক্য। কে লাভ করে ফেলল পরে ভাবা যাবে। আগে অ্যাজেন্ডায় একমত হতে হবে, যে, যা চলছে, সেটা গণতন্ত্র না।"
     
    এই বিষয়ে আরো এক ভিন্ন মতামত ও নীচে পেশ হইলো।
    জ্ঞানেশ মডেল ভার্সাস ডায়মণ্ড হার্বার মডেল বিষয়ে বাংলার জনগনের ঐক্য তো গুহায় নিহিত।
    অবশ্য সৈকত বাবু নির্দেশিত "কে লাভ করে ফেলল পরে ভাবা যাবে" পথ ধরে সন্দেশখালির শাহজাহান বা ভাঙড়ের পুষ্পা ইত্যাদির পক্ষে নিঃশর্ত মুক্তির জন্য আন্দোলন বিবেচ্য।
     
     
     
  • Ranjan Roy | ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ১৬:২৭742969
  • ওরে বাবা! কী করুণ চেষ্টা!
     
    ইতিহাসের পিন্ডদান।
     
    ১ প্যাটেল মারা যান ১৯৪৮ সালে। প্রথম সাধারণ নির্বাচন ১৯৫২ সালে।
    ২ প্যাটেল ব্যান করেছিলেন আর এস এস কে।
    ৩ যে তিরিশ লক্ষ লোক ভোটার লিস্টের বাইরে সব বাংলাদেশি?
    ৪ সুপ্রীম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি এবং প্রাক্তন চিফ ইলেকশন কমিশনার, প্রাক্তন আইন মন্ত্রী, বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের প্রাক্তন মন্ত্রী সিং--সবাই আঙুল তুলেছেন। কোথায় আইন ভাঙা হয়েছে সেটা বলছেন।
    ৫ সুভাষ চন্দ্র বসু আই এন এ গঠন করে গান্ধীজির আশীর্বাদ চেয়েছিলেন। গান্ধী ব্রিগ্রেড, নেহেরু ব্রিগ্রেড, আজাদ ব্রিগ্রেড বানিয়েছিলেন-- সাভারকর ব্রিগ্রেড নয়।
    ৬ গান্ধীজিকে 'জাতির জনক' আখ্যা দিয়েছিলেন সুভাষ চন্দ্র বসু এবং আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন করার পর।
    ৬ সাভারকর জেল থেকে ছাড়া পাবার আগে লিখিত প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে ছাড়া পেলে কখনও ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে কোন সশস্ত্র বিপ্লবের চেষ্টা করবেন না। সেটা বাকি জীবন নিষ্ঠার সংগে পালন করেছেন।
    ৭ শ্যামাপ্রসাদ সর্বভারতীয় সম্মেলনে হিন্দু মহাসভাকে একটা পর্যায়ে কুইট ইন্ডিয়া আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়তে প্রস্তাব রাখলেন। বললেন-- সিপাহী বিদ্রোহের পর ব্রিটিশের বিরুদ্ধে এত বড় গণ আন্দোলন এদেশে হয় নি।
    সাভারকর ও মুঞ্জের বিরোধিতায় প্রস্তাব খারিজ হোল।
    ৮ সুভাষ চন্দ্র তাঁর লেখায় ও জার্মানি থেকে বেতার ভাষণে বললেন-- দেশের ভেতর থেকে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের জন্যে তাঁ দেয়া প্রস্তাব নাকচ করেছেন দু'জন--জিন্না ও সাভারকর।
    ৯ সাভারকর বড়লাটের সংগে পত্র লিখে, টেলিগ্রাম পাঠিয়ে এবং প্রতিইধি পাঠিয়ে কথা দিলেন যে মহাযুদ্ধে হিন্দু মহাসভা সরকারকে পূর্ণ সহযোগিতা করবে।
  • Ranjan Roy | ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ১৬:৩০742970
  • উপরের বক্তব্যটি সত্যেন্দু বাবুর পাঠানো অন্যমতের ভিডিও দেখে।
     
    ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস কোথাও বলেনি যে রিতিকা চোপড়ার রিপোর্ট ভুল এবং তার জন্যে পত্রিকা ক্ষমাপ্রার্থী। উলটে ওই বিষয়ে পত্রিকাটি ওই রিতিকা চোপড়ারই আরও রিপোর্ট পাবলিশ করেছে।
  • দীপ | ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ১৬:৩৪742971
  • এবার কোয়েল মল্লিক ভালো তৃণমূল হয়েছেন!
    বাবা ও মেয়ে অভিনয়ের মাধ্যমে যথেষ্ট খ্যাতি ও সম্মান পেয়েছেন; এখন এসব না করলেই পারতেন!
    একেবারেই ভালো লাগছেনা!
     
    তবে মুকুল রায় যে সাক্ষাৎ সত্যদ্রষ্টা মহর্ষি; এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই!
  • সত্যেন্দু সান্যাল | ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ২০:৪০742975
  • আদার ব্যাপারী হিসেবে তো এই সব জটিল বিষয় ~ সবই গুলিয়ে যায়।
    তবে প্রবন্ধটির মূল বক্তব্য "বাঙালি ঐক্য" প্রসঙ্গে দ্বিধার কারন সাম্প্রতিক ঘটনাবলী।
    কদিন আগেই R.G. Kar কাণ্ডে "রাত দখল" অভিযান বেশ কিছু মানুষের সমর্থন পেয়েছিলো। আবার ভিন্নমতে ঐটি অযথা তৃনমূল গর্মেন্ট-কে কালিমা-লিপ্ত করার চেষ্টা। সত্যিটা কি আমি নিঃশংসয়ে বুঝিনা। এইটি ও ইতিহাসের পিণ্ডদান।
    ২৯৪৭ সালে Dominion ৃStatus পাওয়া ভারতে নেহরু কিন্তু Interim Government এর প্রধানমন্ত্রী হিসেবেই ছিলেন।
    এবং ওঁর এই প্রধানমন্ত্রীত্বের পেছনে ওঁর ১৯৪৬ সালে কংগ্রেস Working Commitee-র President হওয়া। এই বিষয়ে গান্ধির কলকাঠি নাড়ার বিষয় সর্বজনবিদিত।
     
    ১৯৪৬ সালে জওহরলাল নেহরু যাতে ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন, তা নিশ্চিত করেছিলেন মহাত্মা গান্ধী; প্রাদেশিক দলীয় কমিটিগুলোর কাছ থেকে বিপুল সমর্থন থাকা সত্ত্বেও তিনি তাঁর নৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলকে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে রাজি করিয়েছিলেন।
     
    গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: ~ ১৯৪৬ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেতৃত্ব দেবেন; এর ফলে তিনিই হবেন স্বাধীন ভারতের কার্যত প্রথম প্রধানমন্ত্রী।
     
    কমিটির সমর্থন: ~ ১৫টি প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির (পিসিসি) মধ্যে ১২টি সভাপতি পদের জন্য সর্দার প্যাটেলের নাম প্রস্তাব করেছিল এবং কোনোটিই আনুষ্ঠানিকভাবে নেহরুর নাম প্রস্তাব করেনি।
    ইতিহাসবিদ রাজমোহন গান্ধী যেমনটি উল্লেখ করেছেন, মহাত্মা গান্ধী ১৯৪৬ সালের এপ্রিলে স্পষ্ট করেছিলেন যে নেতৃত্বের ভূমিকার জন্য তিনি নেহরুকে পছন্দ করেন।
    মনোনয়ন লাভ: যেহেতু কোনো আঞ্চলিক কমিটি নেহরুর নাম প্রস্তাব করেনি, তাই গান্ধী জে.বি. কৃপালানিকে বলেছিলেন যেন ‘ওয়ার্কিং কমিটি’র মাধ্যমে নেহরুর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাব করা হয়।
    প্যাটেলকে রাজি করানো: ~ দলের ঐক্যের স্বার্থে গান্ধী সর্দার প্যাটেলকে সরে দাঁড়াতে ও তাঁর প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে অনুরোধ করেন। প্যাটেল কোনো প্রকাশ্য দ্বিমত ছাড়াই গান্ধীর অনুরোধ মেনে নেন।
    অর্থাৎ জন্মলগ্ন থেকেই ভারতীয় গনতন্ত্রের সূচনা favouritism-দুষ্ট।
     
    এইটি ও ঘটনা যে তিনজন CEC নিয়োগ এর ফর্ম্যুলা T.N.Seshan কে জব্দ করার জন্য কংগ্রেস সরকারই এনেছিলো। তবে Indian Express যে রিতিকা চোপড়ার প্রতিবেদনটি প্রত্যহার করেছে অদ্বিতীয়া-র এই খবরটি ভুয়ো।
    আবার এইটি ও ঘটনা যে সংবেদনশীল রাহুল গান্ধি "ভোট চুরি" প্রসঙ্গে নিজের "Feelings" এর বিষয়ে প্রত্যয়ী। ওঁর নিজের দেওয়া মন্তব্য ও শোনা হউক।
     
    শেষমেষ এই আদার ব্যাপারীর suggestion অবশ্য সৈকত বাবু নির্দেশিত "কে লাভ করে ফেলল পরে ভাবা যাবে" পথ ধরে সন্দেশখালির শাহজাহান বা ভাঙড়ের পুষ্পা ইত্যাদির পক্ষে নিঃশর্ত মুক্তির জন্য আন্দোলন বিবেচ্য।
    বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ বাঙালি কি ভাবছে জানার আগ্রহ রইলো।
    ১৯৭৫ সালের Emergency-র সময় কোলকাতার ডাবল ডেকার বাসে লেখা থাকতো নেতাজির বানী ~
    অকিঞ্চিৎকর কলহ বিবাদে লিপ্ত না হয়ে দেশের ঐক্যের জন্য কাজ করে যাও"
    তখনো গনতন্ত্র খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটছিলো, আজও সেই খোঁড়াচ্ছে। ঐক্য দূর অস্ত্।
  • Ranjan | ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ২২:০৭742980
  • অনেকta সহমত
  • Sambuddha Bisi | ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ২৩:১২742985
  • অংশগ্রহণ ভিত্তিক গণতন্ত্র থেকে কলকাতার বাবুসমাজ অনেকদিন ধরেই নিজেকে সরিয়ে রেখেছে। অতএব পাঁচ বছর বাদে দেখে নেবো /পাল্টে দেবো গোছের কথা ভাবা ছাড়া সে কিছু পারে না। রোজগার সামলে বাচ্চা স্কুলে দিয়ে উইকেন্ডে সে যায় ক্যাফে বা সিনেমায়। তাকে আপাত ভাবে দোষ দেওয়াও যায় না। ইতোমধ্যে লেট সিপিয়েম পেরিয়ে তৃণমূল হয়ে গোটা রাজনৈতিক ব্যবস্থা টা পান্ডা গুণ্ডা দের দখলে চলে গেছে, সেথায় গড় নাগরিক ব্রাত্য।
     
    তাই তৃণমূলের সিন্ডিকেটবাজি দেখে সে তার বিরুদ্ধে সেভাবে পথে নেমে প্রতিরোধ গড়ে না। সে সাহস সে এতদিনে হারিয়ে ফেলেছে। সে ইঁদুর তাড়াতে নিজের ঘরে কেউটে সাপ ছেড়ে দেয়। এবং চেয়ারে পা তুলে উবু হয়ে বসে ভাবে বেশ হলো।
  • সত্যেন্দু সান্যাল | ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ২৩:৩০742990
  • @ Ranjan | ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ২২:০৭
     
    Thank you, রঞ্জন বাবু।
    I also recollect your very balanced assessment on Savarkar, when you had detailed the positive sides of his persona. Unfortunately, BJP has very few historical icons in their cupboard, hence this frenzy.
    Mind you, the points raised by Abhijit Dipke are truly valid ones, but I think his motives are suspect.
    আমার মতে দেশের বর্ত্তমান সমস্যা "ভোট চুরি" নয়, it is Talent Chori and Kaam Chori.
    What I mean by "Talent Chori" is this ~ আমাদের দেশে প্রতিভার অভাব নেই, the tragedy is that we have been unable to harness it and encourage it. It is a systemic failure. Why should our best and brightest find India inhospitable and attempt to flee the country.
    And the "Kaam Chori" part is that we have not encouraged "Efficiency" in our assessments.
    It is no use throwing money on Government Schools, as Dipke demands, if the teachers just sign the register and leave. And this extends to other sections of our Systemic Apparatus ~ food inspectors, road supervisors etc etc. etc. not doing their job, but just doing useless paperwork rather than dedicated inspection.
    I wonder what Saikat Babu, who is very categorical in saying যা চলছে, সেটা গণতন্ত্র না thinks about these two "Choris". As someone who had witnessed and endured the শিক্ষা সংক্রান্ত দুর্নীতি of তৃনমূল, or the অনিলায়ন days of Left Rule, does he believe that this is বাংলার সংস্কৃতি?
    I am just curious, hence my barbed question "কে লাভ করে ফেলল পরে ভাবা যাবে" পথ ধরে সন্দেশখালির শাহজাহান বা ভাঙড়ের পুষ্পা ইত্যাদির পক্ষে নিঃশর্ত মুক্তির জন্য আন্দোলন বিবেচ্য।
    আমি তো জয়পুরে থাকি, সম্প্রতি এক পরিচিতের ছেলে Civil Engg পাশ করে সরকারি চাকরিতে ঢুকেছে। মনে উদ্দীপনা ও উতসাহ, ভালো কাজ করে দেখাবে, সৎপথে থেকে। His colleagues are up in arms against him.
    Is this our "National Character"?
    Can a যা চলছে, সেটা গণতন্ত্র না change if most of our Ministers or M.P-s or Legislators are corrupt?
    Is all this হাল্লাবোল a genuine attempt to bring back গনতন্ত্র or just wrest power through নৈরাজ্য so that those bereft of the গর্মেন্ট spoils can satiate themselves.
    আদার ব্যাপারী হিসেবে "রাত কতো হইলো, উত্তর মিলে না"।
    Blessed are the sanguine Commentators, who think they have the answers.
    ইরানের নিশাপুরে জন্মানো ওমর খৈয়াম লিখেছিলেন ~
    The Moving Finger writes; and, having writ,
    Moves on: nor all thy Piety nor Wit
    Shall lure it back to cancel half a Line,
    Nor all thy Tears wash out a Word of it.
    ওমর খৈয়াম নিজের জীবনে First Crusades দেখেছিলেন।
    আমরা ক্রমাগত নিত্য নতুন Crusades দেখছি। কার কান্না কি কলরোল তুলছে সেটি ও মৌজ করে দেখছি।
    জর্জ বার্নার্ড শ লিখিত ১৯১৯ সালের নাটক Heartbreak House এর জনৈক চরিত্রের উক্তি ~
    "Alas, Hegel was right when he said that we learn from history that men never learn anything from history."
    আমি জীবনে হেগেল পড়িনি, সংস্কৃতিমনস্ক আমাদের বিদগ্ধ বঙ্গীয় Commentators হয়তো পড়ে থাকবেন।
    ভালো থাকবেন। Facts are sacred, Opinion is free.
  • সত্যেন্দু সান্যাল | ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ০৭:২৩742998
  •  
    লিখেছিলাম Facts are sacred, Opinion is free.
    নিম্নসংলগ্ন ভিডিও-টি তে অনেক তথ্য আছে।
    গুরুচণ্ডাঌ-র পাঠকেবৃন্দ এই অখ্যাত YouTuber এর মতামত কিসের পিণ্ডদান করছে বিচার করে দেখতে পারেন।
    সাথে পূর্বলিঙ্কিত রাহুল গান্ধির "I have a feeling" ভিডিওটি ও স্মর্ত্তব্য।
     
  • তরমুজ | ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ০৯:০৬742999
  • আচ্ছা পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি আসার কারন (ভোট চুরি বাদ দিয়ে) তো ছিল মূলত রাজ্যের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান। কিন্তু বিজেপি আসার পর বিষয়টা আস্তে আস্তে পাল্টে যাচ্ছে কেন? বাঙালি এতদিন যে সব রাজ্যগুলোর দিকে তাকিয়ে বঙ্গের শিল্প ভাবনা ভাবত। এবং ডবল ইঞ্জিন সরকারের প্রভাবে রাজ্যে শিল্প গড়ে ওঠার স্বপ্ন দেখত। তারা আবার কেন বাকি ভারতের থেকে আলাদা হয়ে যাচ্ছে। বাঙালি কি এখন ব্যবসাটা ওদের চেয়ে ভালো বুঝতে আরম্ভ করেছে? টাটা, আম্বানির থেকেও বড় শিল্পপতি বাংলায় গড়ে উঠতে শুরু করেছে? ..... এখন তথাকথিত শিল্পন্নত রাজ্যগুলিতে পুরোদমে বিজেপি বিরোধী হাওয়া চলছে। এখন নয়। বহুদিন ধরেই। এতদিন চেপে রাখতে পেরেছিল। এখন পারছে না। এমত অবস্থায় বাঙালির ইস্যুগুলি কিন্তু পাল্টে গেছে। কিন্তু ঐসব রাজ্যগুলিতে দাবি একই রয়ে গেছে। তাহলে এখন বাঙালি শাইনিংরা কি শিল্প অর্থনীতি নিয়ে ভাবিত নয়। সেই 34 বছরের গৌরবময় দিনগুলিতে ফিরে যেতে চাইছে? বামপন্থার বলদে হিন্দুত্ববাদকে সঙ্গে নিয়ে?
  • তরমুজ | ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ০৯:৫৬743001
  • আচ্ছা সভারকর কোথায় খেত, কোথায় ঘুরেবেড়াত? পুজো করত কি করত না? এটা কি আদৌ রাজনীতি চর্চার কোন অংশ হতে পারে? নিউটনের কাজ আমাদের কাছে প্রাসঙ্গিক? না নিউটনের খাদ্যতালিকা আমাদের কাছে প্রাসঙ্গিক? সভারকরের রাজনৈতিক আদর্শ ও কর্মকান্ড কারো অজানা নয়। গান্ধির রাজনৈতিক আদর্শ ও কর্মকান্ডও কারো অজানা নয়। সেই জায়গায় আধুনিক ভারতের স্বার্থে (ভারতের সমাজ, শিক্ষা, অর্থনীতি, রাজনীতির স্বার্থে) কি গান্ধিকে অধিক প্রাসঙ্গিক বলে মনে হয় না? শুধু জেনজি আন্দোলন নয়। গান্ধিজীর সমাজচিন্তা থেকে শুরু করে ভারতীয় সমাজতন্ত্র ও ক্ষুদ্র শিল্পের প্রতি বিশেষ অনুরাগ ও তার সাথে বৃহৎ পুঁজির একটা ন্যায় সঙ্গত সংমিশ্রণ কি অধিক প্রগ্রেসিভ ও বৈজ্ঞানিক বলে মনে হয় না?
  • তরমুজ | ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ১০:১৬743003
  • গান্ধির দর্শন, অর্থনৈতিক চিন্তা, অহিংসা বিষয়গুলি অত্যন্ত আধুনিক, বৈজ্ঞানিক এবং স্টাইলিশ।
  • ক | ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ১০:৫৫743004
  • No amount of whataboutery can justify disenfranchising millions: SC judge on SIR

    আর প্রাজ্ঞ, জ্যেষ্ঠ, আইআইটিয়ান সত্যেন্দু সান্যাল ঠিক সেটাই করছেন।
  • দ | ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ১১:৩৫743007
  • মাইরি!
    এক পিটি যায় আরেক পিটি জোটে।
  • Ranjan Roy | ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ১৩:৪২743009
  • সত্যেন বাবু
    কিছু কথাঃ
     
    ১ প্রধানমন্ত্রী কে হবেন? যাঁর মাস অ্যাপিল বেশি নাকি সাংগঠনিক সাপোর্ট? সিপিএম এর উদাহরণ নিলে প্রমোদ বাবু নাকি জ্যোতিবাবু?
    বিজেপির উদাহরণ নিলে বাজপেয়ী নাকি আড়বানী? যদিও রামজন্মভূমি আন্দোলনে আড়বাণীর রথযাত্রা এবং অন্যান্য ভূমিকা প্রবল, কিন্তু গোটা দেশের কাছে বাজপেয়ীর আপাত মডারেট স্ট্যান্স এবং অন্য বিরোধী দলের মধ্যে গ্রহণযোগ্যতা তাঁর দিকে পাল্লা ঝুঁকিয়ে দিয়েছিল।
     
    ২ নিঃসন্দেহে তৎকালীন কংগ্রেসের সংগঠনে সবচেয়ে বেশি সাপোর্ট ছিল প্যাটেলের জন্যে, কিন্তু প্রশ্নটা কী? কংগ্রেসের নেতা চয়ন নাকি গোটা দেশের? প্যাটেলের জনসমর্থন তৎকালীন বোম্বাই প্রদেশে সীমাবদ্ধ। কিন্তু তাঁর কিছুটা গোঁড়া চিন্তাধারা কংগ্রেসের বাইরে এবং আশপাশে সমাজবাদী ও বামপন্থীদের কাছে গ্রহণযোগ্য ছিল না।
    তাই প্রচারে দেখুন--নেহরু আসাম থেকে কন্যাকুমারী সর্বত্র জনসভা করেছেন, কিন্তু প্যাটেল?
     
    তিনি নিজেও জানতেন। তাই বিদেশির প্রশ্নের উত্তরে বলেছিলেন-- ওরা আমার জন্যে নয়, জওয়াহরের জন্যে আসে।
    খেয়াল করুন, কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে যাওয়া সুভাষচন্দ্র পর্যন্ত আজাদ হিন্দ ব্রিগ্রেডে নেহেরু ব্রিগ্রেড গঠন করেছেন, প্যাটেল ব্রিগ্রেড নয়। কারণ রাষ্ট্রচিন্তার দিক থেকে সুভাষ প্যাটেল থেকে দূরে, অথচ নেহেরু থেকে কাছে ছিলেন।
     
     
    ৩ গান্ধীজির নেপোটিজম?
    কী যে বলেন! তাহলে তো গাধীজির প্যাটেলকে সমর্থন দেয়া উচিত ছিল।
    প্যাটেলকে সমর্থন দেওয়া উচিত ছিল।
     
    একে গুজরাতি, দুইয়ে বরদলৈ থেকে ডান্ডি মার্চ সর্বত্র গান্ধীজির সহযোগী, নেহেরু কোথায়? তিনে হিন্দুধর্মের অনুগামী। কিন্তু নেহেরু পাশ্চাত্য ঘেঁষা, চিন্তায় অজ্ঞেয়বাদী।
    তাহলে নেহেরুকে নিয়ে গান্ধীজির বিশেষ কী ইল্লি থাকতে পারে?
     
    ৪ আড়বানীকে সুযোগ না দিয়ে মোদীজিকে প্রধানমন্ত্রী পদ দেওয়া? একে কীভাবে ব্যাখ্যা করবেন?
     
    ৫ আপনি বলছেন-- অভিজিত দিপকের তোলা প্রশ্নগুলো ভ্যালিড-- বর্তমানে এই যথেষ্ট নয় কি? তায় জোর দিচ্ছে অহিংস নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের উপর। কোন বিপ্লব করতে যাচ্ছে না। ওকে ভাল করে চিনিই না। মোটিভ ক্রমশঃ জানা যাবে।
    একই ইস্যুতে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন লোকজন বা দল তাদের নিজস্ব অ্যাজেন্ডা বা স্বার্থ নিয়ে এক ছাতার তলায় আসে। আমাদের মত ম্যংগো পাবলিকের কাছে প্রাসংগিক হোল ইস্যু বা প্রশ্নগুলো ভ্যালিড কিনা-- তা সে যেই তুলুক।
    ওরা একটা কাজ করেছে যে জনপ্রতিনিধিকে তার কাজের ফলাফলের জন্যে দায়িত্ব স্বীকার করতে হবে; জবাবদিহি করতে হবে।
    এটা এদ্দিন ঝাপসা হয়ে গেছল।
  • সত্যেন্দু সান্যাল | ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ১৩:৫৫743012
  • নানান বিদগ্ধ ব্যক্তির মতামত পড়ে সমৃদ্ধ হ'লাম।
    But I object to ক | ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ১০:৫৫ calling me প্রাজ্ঞ।
    এমন দাবি আমি কোথাও রাখিনি, বরঞ্চ বৈষ্নবোচিত বিনয়ের সাথে নিজেকে confused আদার ব্যাপারী বলে চিহ্নিত করেছি।
    সমস্যাটা আসলে "ভোট চুরি", না মৎনির্দেশিত Talent Chori এবং Kaam Chori পুনর্বিবেচনার আবেদন রইলো।
    SIR প্রক্রিয়া রদ করে, জ্ঞানেশ কুমারকে তাড়িয়ে, বহু মৃত এবং বোগাস ভোটার শামিল করে নির্বাচন করালেই এক অলৌকিক জাদুমন্ত্রে গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হ'বে এবং Systemic Inefficiency ও দুর্নীতি মুছে যাবে এমনটি আমার মনে হয়না।
    এই বিষয়ে যাঁরা আশাবাদী তাঁদের ভিন্ন মূল্যায়ন থাকতেই পারে।কিন্তু আমার মূল প্রশ্নটির উত্তর অধরা রয়ে গেল।
    Repeating it again ~
    "শেষমেষ এই আদার ব্যাপারীর suggestion অবশ্য সৈকত বাবু নির্দেশিত "কে লাভ করে ফেলল পরে ভাবা যাবে" পথ ধরে সন্দেশখালির শাহজাহান বা ভাঙড়ের পুষ্পা ইত্যাদির পক্ষে নিঃশর্ত মুক্তির জন্য আন্দোলন বিবেচ্য।
    এই বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ বাঙালি কি ভাবছে জানার আগ্রহ রইলো।"
    জ্যেষ্ঠ আইআইটিয়ান অবশ্য ঐ "পিটি" শব্দের মর্মোদ্ধার করতে পারেননি।
  • ক | ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ১৪:৩৫743016
  • পাইওনিয়ার দ্বারকানাথের নাতি যদিও আধমরাদের ঘা দিয়ে বাঁচাবার জন্য নবীন আর কাঁচাদেরই ডেকেছিলেন এবং সেই ডাক এখনও তারা শুনে চলেছে কিন্তু গত বারো বছরে এত পরিমাণে আধমরা আর মৃতপ্রায় এবং নিরেট কিছু শিক্সিত ও সফল মনুষ্যস্পেসিমেন তৈরী হয়েছে যে এরা বাঁচবে কিনা সন্দেহ আছে। অবশ্য যায় আসে না কিছু, কালের নিয়মে এরা ভেসে যাবেই। তো ভেসে যাওয়ার আগে আর একবারঃ

    No amount of whataboutery can justify disenfranchising millions: SC judge on SIR

    আর প্রাজ্ঞ, জ্যেষ্ঠ, আইআইটিয়ান সত্যেন্দু সান্যাল ঠিক সেটাই করছেন।
  • সত্যেন্দু সান্যাল | ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ১৫:২৮743018
  • @ Ranjan Roy | ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ১৩:৪২
     
    আপনার মতামত অবশ্যই মূল্যবান এবং গান্ধির নেহরু প্রীতি যে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে ও হতে পারে এবং কেবল Nepotism বলে দেগে দেওয়া ঠিক নয় এই কথা আমি মানি।
    তবে এই বিষয়ে মন খুঁতখুঁত করে অন্য একটি nuance এর জন্য।
    সেটি হ'লো যে পদ্ধিতে উনি প্রদেশীয় মতামত অগ্রাহ্য করে Wrking Commitee-তে প্রস্তাব আনান।
    স্মরত্তব্য যে ত্রিপুরী কংগ্রেস পরবর্ত্তী সুভাষ বসু-কে উতখাত করার জন্য ও গান্ধি ওঁর পেটোয়াদের দিয়ে ফন্দি-ফিকির করেছিলেন। এই সব কি একটি Dictatorial মনোভাবের লক্ষন নয়? ভেবে দেথবেন।
    অভিজিত দীপকে-র তোলা issue-গুলি আমি valid মনে করি এখনো।
    তবে ওর সমাধান-গুলি মোটেও practical মনে করিনা। কেন করিনা, তা ও লিখেছি।
    এই বিষয়ে আমাদের মতানৈক্য থাকবে।
    আপনি আশাবাদী যে ঝাপসা হয়ে যাওয়া Accountability ফেরত আসবে, আমি নই।
    সব দল কোন issue-তে ঐক্যবদ্ধ হ'লেও এদের Internal Contradictions, Poll Calculus, Caste Issues ইত্যাদির বিভাজন ছাপিয়ে Accountability শোভিত গনতন্ত্র গড়ে তুলবে কি?
    If that does happen, it would truly be a Real Revolution.
     
    প্রসঙ্গতঃ, অহিংসা লঙ্ঘিত হওয়ার দায় স্বীকার করে গান্ধি চৌরিচুরা হল্ট করিয়েছিলেন, এবং নিন্দিত হয়েছিলেন।
    জন্তর মন্তর অভিযানে হিংসার দায় বা Accountability কি কেউ নিয়েছে?
    Please keep commenting, I value your opinion as a confused আদার ব্যাপারী।
  • Ranjan | ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ১৭:৪৮743020
  • Supreme Court এ দু দিকের argument ও video proof দেখুন l
     
    1আন্দোলন পুরোপুরি অহিংস ছিল l লাঠিতে মাথা ফেটে গেলেও পাল্টা না মেরে বলেছে আরো মার! ছাত্রদের চোখ গেছে পেলেট গান থেকে l
    2 দুদিন আগে থেকেই পাথর भरा এক অচল ট্রাক আন্দোলন স্থানের পাশের গলিতে দাঁড়িয়ে l
    আয়োজন কর্তারা ফটো তুলে পুলিশকে দিয়ে বলেন-- এটা সিকিউরিটি জোন এ কী করে ঢুকেছে? সরানো হোক l
     
    পুলিশ বললেন-- ও কিছু না, অচল গাড়ি, বিল্ডিং সামগ্রী নিয়ে এসে থাকবে l
    আসল সময় সেখান থেকেই পাথর তুলে কিছু লোককে ছুঁড়ে ফেলতে দেখা গেল l
    পরে বেরোয় ওই ট্রাক কয়েক সপ্তাহ আগেই পুলিশ कब्जा করে থানায় রেখেছিল l
    3 volunteers হাতে হাত ধরে চেন বানিয়ে সংঘর্ষ আটকানোর चेष्टा করে গেছে l
    বরং প্রতিবাদ সভার মধ্যে কয়েকবার বাইরের লোক এসে dipke কে থাপ্পড় মেরেছে l এক মহিলা ওর গায়ে কালী ঢেলে দিয়েছে l ওরা পাল্টা মারতে দেয় নি l
    আর পুলিশের সঙ্গে দাঁড়িয়ে একজন সাদা পোশাকে হাতে পুলিশের লাঠি একটি কিশোরী ও তার বাবাকে আক্রমন করল l ও বাবার মাথা ফাটিয়ে দিল l হাসপাতালে সেলাই করতে হল l
     
    ছেলেটি रील বানিয়ে বলল -- বেশ করেছি l মেরেvl ফেলতে চেয়েছিলাম l
    এগুলো দেখার পর सुप्रीम कोर्ट আদেশ দেয় আন্দোলন নিয়ে সমস্ত FIR খারিজ করতে হবে l দুজন केंद्रीय मंत्री ও মেনে নিলেন l
    বুঝতেই পারছেন হিংসার responsibility কে स्वीकार করল l
     
    4 এবার দ্বিতীয় পর্যায়ের আন্দোলনে একটাও হিংসার ঘটনা ঘটেনি l বরং একজন মহিলা সাংবাদিকের বুকে জনৈক পুলিশ অফিসার হাত দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে l
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভেবেচিন্তে প্রতিক্রিয়া দিন।