এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  আলোচনা  রাজনীতি

  • দূরে কোথায় ১১ 

    হীরেন সিংহরায় লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | রাজনীতি | ০৪ এপ্রিল ২০২২ | ২১৩৫ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • বিপন্ন বালটিক

    পশ্চিমি ব্যাঙ্কগুলি ডলার এবং ইউরো ক্লিয়ারিং বন্ধ করে দেওয়ার পর থেকে শ্রী পুতিন প্রায়শ বলছেন রুবেলে দাম না দিলে তিনি রাশিয়ান গ্যাসবাহী পাইপলাইনের কলটি বন্ধ করে দিয়ে দুষ্টু দেশেদের শায়েস্তা করবেন। শুক্রবার পয়লা এপ্রিল সকালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রথম দেশ হিসেবে লিথুয়ানিয়া রাশিয়ান গ্যাসের কলটি নিজেরাই বন্ধ করে দিলো। ১৯৯১ সালের পরে এতদ্বারা রাশিয়ানদের সামনে তারা আপন স্বাধীনতা ঘোষণা করলো পুনর্বার। এক সময়ে তাদের প্রয়োজনের পুরোটাই আসতো রাশিয়া থেকে, বিগত পাঁচ বছরে আমদানির পরিমাণ চল্লিশ শতাংশ নেমে এসেছে। এবার নামলো শূন্যে। কাজটা সহজ নয়- রাশিয়ান পাইপলাইনের বিকল্প এল এন জি গ্যাস, তাতে খরচা বেশি। আমাদের পরিচিতা কাউনাসের এভেলিনা মনে করে গ্যাসের দাম অন্তত তিরিশ শতাংশ বাড়বে। একই দিনে লাটভিয়া ও এস্টোনিয়া তাদের খুড়োর কল বন্ধ করেছে। রাশিয়ানদের গ্যাসের মিটার বন্ধ।

    যুদ্ধ শুরু হবার আগে থেকেই পেট্রোল, ডিজেল ও গ্যাসের দাম বেড়েছে সারা বালটিকে। বন্ধুদের কাছ থেকে শুনি লিথুয়ানিয়া এস্টোনিয়াতে দাম বাড়ছে গত বছর থেকে। নভেম্বর মাসে এস্টোনিয়াতে এক লিটার পেট্রোলের দাম ছিল ১.৩০ ইউরো, এপ্রিলে ১.৯০ ইউরো। টালিনে আমার পরিচিত এক আই টি এঞ্জিনিয়ারের কাছে শুনলাম জানুয়ারি মাসেই হিটিং ও ইলেকট্রিসিটির দরুন মাসিক বিল হাজার ইউরোতে পৌঁছেছিল। তাদের দোতলা বাড়ি, দুটি ছোট ছেলেমেয়ে। দুজনের আয়ে সেটা কষ্টে সৃষ্টে চলে যায় কিন্তু এটা মনে রাখা ভালো এস্টোনিয়ানদের গড়পড়তা মাসিক আয় ৮০০ ইউরো। এল এন জি গ্যাসের দাম আরও বেশি পড়বে। সে দেশে শীতকালে দৈনিক তাপমান মাইনাস কুড়ি, এই মার্চ মাসেও মাইনাস পাঁচ ডিগ্রি।

    সাতশো বছর আগে মহামান্য পোপের আদেশে জার্মান নাইটরা এসেছিলেন বালটিকের দেশ গুলিতে খ্রিস্ট ধর্ম সংস্থাপন করার শুভ উদ্দেশ্যে। সে কর্মটি সম্পন্ন হলে (গোটা ইউরোপের মধ্যে সবশেষে যিশুকে আপন করেন লিথুয়ানিয়ানরা) এলেন জার্মান বনিক। কালক্রমে অনেকে হলেন জমিদার। রাজা কদাচ সেজেছেন। কিন্তু দেশের জমি এবং অর্থের মালিকানা ছিল তাঁদের কব্জায় এস্টোনিয়ান লাটভিয়ান ছিলেন ভূমিদাস। দুশো বছর রাশিয়ান জারেরা শাসন করলেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শেষ দিকে বালটিক জার্মানরা রাশিয়ানদের হয়ে লড়েছেন জার্মান কাইজারের বিরুদ্ধে। বালটিক যে তাঁদেরও দেশ!


    রিগা

    প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শেষে ১৯২০ সালের তারতু চুক্তি অনুযায়ী তিনটে দেশ স্বাধীন হলো। ঝাড়ে বংশে জার্মানরা বিতাড়িত হলেন, এক বস্ত্রে। রেখে এলেন অজস্র স্মৃতি, কেবল বিশ্ববিদ্যালয় বা বন্দর নয়, শুধু এস্টোনিয়াতেই আছে চারশো জার্মান জমিদার বাড়ি যাদের আদি নাম বদলে এখন ম্যানর বলা হয়। লাটভিয়াতে আছে অসংখ্য প্রাসাদ। প্রাশিয়ান মেমেল আজকের লিথুয়ানিয়ায়, যেমন কাউনাস। এই অংশ টুকু সাতশ বছর প্রাশিয়ান দখলে ছিল। অদূরে তাঁদের রাজধানী কোয়েনিগসবুরগ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে লিথুয়ানিয়ার অধিকারে আসে প্রথম বার। টমাস মান গ্রীষ্মকুটির বানান সে দেশে। রিগার নাম কখনো পরিবর্তিত হয় নি। এ ছাড়া প্রতিটি শহরের জার্মান নাম ছিল। রেভাল (টালিন) দরপাত (তারতু) ভিনদাউ (ভেন্তসপিলস) ইত্যাদি ডজন দেড়েক শহর তখন হানসা লিগের সদস্য বন্দর। তারা পাল্লা দেয় হামবুর্গ ব্রেমেনের সঙ্গে।


    টমাস মানের গ্রীষ্মকুটির

    এঁদের সুখ ও স্বাধীনতা টিকল মাত্র বিশ বছর।

    ১৯৩৯ সালের তেইশে আগস্ট বুধবার মস্কোর একটি নিভৃত কক্ষে সর্বশ্রী মলোটভ এবং রিব্বেনট্রপ বালটিকের নিয়তি নির্ধারণ করলেন। জার্মানরা পশ্চিম ইউরোপে অশ্বমেধের ট্যাঙ্কে সওয়ার হয়ে জয়যাত্রায় যাবেন। রাশিয়ানরাও যাবেন পশ্চিম পানে - পূর্ব পোল্যান্ড সহ সম্পূর্ণ বালটিক তাঁদের ভাগে পড়লো। এককালে জারের শাসন ছিল এবারে সোভিয়েত ইউনিয়ন তাদের পুরনো জাতীয় সম্পত্তির অধিকার বুঝে নিলো। নাৎসি জার্মানির স্বস্তিকার পাশে শোভিত হলো কাস্তে হাতুড়ি তারা এক বৃন্তে দুটি ফুল।

    এলো মেলো করো দাও যিশু, লুটে পুটে খাই।

    ১৯৪১ সালের ২১শে জুন জার্মান বন্দুকের নল ঘুরলো পুব দিকে। তাঁরা বালটিকে এলেন তাঁদের বাপুত্তি সম্পত্তির খোঁজে। ফলে পরের তিন বছর বালটিক আবার জার্মান। পালটা মার শুরু ১৯৪৪ সালে। এবার লাল ফৌজের অধিগ্রহণের পালা। তাঁদের সঙ্গে মৈত্রী চুক্তি স্বাক্ষর করে এস্টোনিয়া লাটভিয়া লিথুয়ানিয়া সোভিয়েত ইউনিয়নের উপনিবেশ মতান্তরে শ্রমিক কৃষকের স্বর্গরাজ্যে পরিনত হলো।


    মার্চ মাসের এস্টোনিয়া

    ইতিহাসের কি অনন্য উপহাস! শেষ দিন গুলিতে হিটলার বলেছিলেন আমাদের কোন কলোনি নেই, জায়গা জমি কম। তাই আমি তো কেবলমাত্র জার্মানদের বসবাসের জমি চেয়েছিলাম (লেবেনসরাউম)! তাই বলেছি পুব পানে যাও (দ্রাং নাখ অসটেন)! ১৯৪৫ সালের পরে মহামতি স্টালিন বললেন আমাদের দেশে বসবাসের জায়গার অভাব, চলো পশ্চিমে। ইউক্রেন নয়, বেলারুশ নয়, বেছে নিলেন তিনটি বালটিক দেশকে। অধিকন্তু ন দোষায় বিধে পূর্ব পোল্যান্ড থেকে জার্মানদের খেদিয়ে সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত করা গেলো।

    ১৯৪১ সালে তিনটি দেশ মিলিয়ে এথনিক রাশিয়ানের সংখ্যা ছিল ছ শতাংশ। তাঁরা বহু পুরুষের বাসিন্দা, জারের আমল থেকে। স্টালিনের রাশিয়ান সাপ্লাই প্রোগ্রামের ফলে আজ এখানে রাশিয়ানের সংখ্যা ২৮ শতাংশ। অন্তত বারো লক্ষ রাশিয়ান বসবাস করেন। এঁরা স্থানীয় ভাষা শেখার চেষ্টা করেন না। রাশিয়ান পাসপোর্ট বুক পকেটে রাখেন। রিগায় লারিসা (রাশিয়ান) আমাকে বলেছিল কি আপদ, আমাদের লাটভিয়ান শিখতে বলছে কেন? এঁরা রাশিয়ান স্টেট টেলিভিশন দেখেন, রাশিয়ান মুদীর কাছে সবজি কেনেন, রাশিয়ান ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা করান। একদা বালটিক জার্মানরা বাস করতেন শহরে তেমনি রাশিয়ানরা বাস করেন টালিন (৪৫%), রিগা (৪৭%) ভিলনিউস (১৮%)।

    বার্লিন দেওয়ালের পতনের পরে পূর্ব ইউরোপে আরও অনেক বাড়ি ঘর ভেঙ্গে পড়ে। রাশিয়ান ট্যাঙ্কের সামনে দাঁড়িয়ে বালটিকের তিনটি দেশ পেলো স্বাধীনতা। প্রথম দফায় স্বাধীনতা স্থায়ী হয়েছিল বিশ বছর, এবারে তিরিশ!

    তিনটি দেশ আকারে ও জনসংখ্যার হিসেবে অতি ক্ষুদ্র। প্রায় ষাট লক্ষ মানুষ সেখানে বাস করেন (এস্টোনিয়া তেরো, লাটভিয়া কুড়ি , লিথুয়ানিয়া ছাব্বিশ লক্ষ)। সবচেয়ে বড়ো শহর লাটভিয়ার রাজধানী রিগা। সেখানে বাস করেন কুল্লে ছ লক্ষ মানুষ, যাদের প্যারিসের সাক্র ক্রয়া আর প্লাস পিগাল অথবা লন্ডনের নটিং হিল ও মারবেল আর্চের মাঝে বসিয়ে দেওয়া যায়।

    স্বাধীনতার দু বছর বাদে আমার প্রথম এস্টোনিয়া সফরে সুযোগ হয়েছিল তৎকালীন রাষ্ট্রপতি লেনারট মেরির বাস ভবনে যাবার এবং বাক্যালাপ করার। নতুন এস্টোনিয়াতে তখন "এস্টোনিয়া আমার দেশ " নামক একটি রাশিয়ান সমর্থিত রাজনৈতিক দলের আবির্ভাব হয়েছে এই রাশিয়ানদের স্থান কি হবে এইরূপ একটি প্রোটোকল বহির্ভূত প্রশ্ন করি। তিনি বললেন "সঙ্গত ভাবে যারা এদেশে আছেন বা আসবেন এস্টোনিয়া তাঁদের সবার দেশ " - যথার্থ কূটনীতিক উত্তর।

    আজ আঠাশ বছর বাদে সে প্রশ্ন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।

    বালটিকের রাশিয়ানরা বলছেন শ্রী পুতিন পুরনো সোভিয়েত ইউনিয়নকে ফিরিয়ে আনতে চান। সেটি আমরা সমর্থন করি। বালটিক দেশগুলির ন্যাটোতে যোগ দেওয়া একটা গর্হিত কাজ হয়েছে - এ রাশিয়ানদের ভয় দেখানোর অনাবশ্যক চক্রান্ত। ইউক্রেনের পরে শ্রী পুতিন নিশ্চয় বালটিকের দিকে নজর দেবেন। প্রয়োজনে আণবিক বোমার ব্যবহার বাঞ্ছনীয়।

    সারা বালটিকের রাশিয়ানরা তাঁদের সমস্ত সংবাদ পান রাশিয়ান ভাষী চ্যানেল থেকে। তাঁদের মতে সকল দোষ ইউক্রেনিয়ানদের। তাঁরা পশ্চিমের পক্ষ নিয়ে রাশিয়াকে ভয় দেখাচ্ছেন। কিয়েভের বুচাতে যে সব হাত পা বাঁধা মৃতদেহ পাওয়া গেছে সেগুলি ইউক্রেনিয়ানদের আপন দুষ্কৃতির সাক্ষাৎ প্রমাণ। রাশিয়ান এমবাসি তাঁদের জানাচ্ছেন – সতর্ক থাকুন! আপনাদের লাটভিয়ান লিথুয়ানিয়ান এস্টোনিয়ান প্রতিবেশিরা আপনাদের শত্রু। বচকে রহিয়ে। ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তুলুন!

    যুদ্ধ ক্রমশ কাছে আসে। ইউক্রেন থেকে পঞ্চাশ হাজার শরণার্থী এসেছেন লাটভিয়া এবং এস্টোনিয়াতে। প্রথম একমাস সরকারি খরচায় থাকতে পারবেন হোটেলে তারপরে সরকার সর্বথা সাহায্য করবেন মায়েদের কাজ খুঁজে নিতে, ছেলে মেয়েদের ব্যবস্থা করতে ভাষা শেখানোর ব্যবস্থা হয়েছে। এস্টোনিয়ায় যারা দীর্ঘদিন বসবাস করেছেন তাঁরা কোনদিন এস্টোনিয়ান শেখার বিন্দুমাত্র প্রয়াস করেন নি! এথনিক রাশিয়ানরা এই প্রকারের সহায়তার বিরোধী। সব সমস্যার মূলে এই বদমায়েশ ইউক্রেনিয়ানরা -তাঁদের সাহায্য করা হবে কেন ? ক্রিসটাকে এক ইউক্রেনিয়ান শরণার্থী জানিয়েছেন তাঁর রাশিয়া বাসী আত্মীয় স্বজন কোন কথা বিশ্বাস করেন না। তাঁরা মনে করেন এই পুরো যুদ্ধের ব্যপারটা ইউক্রেনিয়ানদের সাজানো – তাঁরা পশ্চিমে ভালো কাজ পেতে চান বলেই এই চক্রান্ত করেছেন।

    গতকাল হাঙ্গেরিতে ভিকতর অরবান এবং সার্বিয়াতে আলেকজান্দার ভুচিচ যথাক্রমে প্রধান মন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হলেন। এই সেই অরবান যিনি ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সকল আইনকে কলা দেখিয়ে আপন রাজনীতি করেন। আলেকজান্দার ভুচিচ রাশিয়ার বিরুদ্ধে কোন স্যাঙ্কশনের বিরোধী, যদিও তিনি ইতিমধ্যে ই উ তে ভর্তি হবার দরখাস্ত করেছেন। তাঁর মতে এ দুটি স্বতন্ত্র ব্যাপার। এঁরা শ্রী পুতিনের প্রিয়জন - তিনি দুজনকেই আজ সকালে আশীর্বাদ জানিয়েছেন।

    তারতুর ক্রিসটা, কাউনাসের এভেলিনার কাছে শুনি আগামী মে মাসের ন তারিখে একটি সংঘর্ষের বিপুল সম্ভাবনা। সোভিয়েত আমল থেকে প্রতিবছর সেই দিনটি পালিত হয় মহান দেশপ্রেমিক জনযুদ্ধের বিজয় দিবস রূপে। ইউক্রেনের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বালটিক দেশগুলির সরকার এই দিবসটিকে পূর্ণ সমারোহে উদযাপন করার অনুমতি নাও দিতে পারেন। তখন কি হবে? রাশিয়ানরা প্রবল বিক্রমে পথে নামবেন ইউক্রেনে যুদ্ধের সমর্থনে। এই জল তরঙ্গকে রুধিবে কে?

    আমাদের দেশের একটি বিশেষ সম্প্রদায়কে বলা হয়ে থাকে পছন্দ না হলে পাশের দেশে চলে যাও।
    এখানে রাশিয়ানদের সেটা বলা যাবে কি?

    এই আশঙ্কায় স্তব্ধ হয়ে আছে বালটিক।

    ৩ এপ্রিল, ২০২২

    পুঃ আগ্রহী পাঠকদের জানাই –এ বছরের বইমেলায় র প্রকাশিত "উত্তরের আলোয় অচেনা ইউরোপ” নামক গ্রন্থে বালটিক দেশগুলির অতীত ও বর্তমানের বিস্তৃত বিবরণ লিখেছি। তার কিছুটা এ লেখায় উদ্ধৃত।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • আলোচনা | ০৪ এপ্রিল ২০২২ | ২১৩৫ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    নো  - albert banerjee
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Amit | 121.*.*.* | ০৫ এপ্রিল ২০২২ ০৩:৪০506005
  • লিথুয়ানিয়া র খুব ভালো খবর। আশা করি আরো বেশি দেশ রাশিয়ান গ্যাসের ওপর তাদের ডিপেন্ডেন্সি কমাবে আর পুতিনের ব্ল্যাকমেলিং কে বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ দেখাবে।
     
    হয়তো এই সুযোগে রিনিয়েবলস এনার্জি ও একটা মেজর পুশ পাবে ওয়ার্ল্ডওয়াইড আর সেগুলোর স্কেল অফ ইকোনমি অয়েল & গ্যাস এর লেভেলে বা কাছাকাছি নেমে আসবে।
  • Joshita Ghoshal | ০৫ এপ্রিল ২০২২ ০৩:৫৯506006
  • বুৎশা না বুচা?
  • dc | 122.*.*.* | ০৫ এপ্রিল ২০২২ ০৯:০৮506012
  • রিগার ছবিটা খুব ইন্টারেস্টিং লাগলো, কারন এখানেই সোভিয়েত ইউনিয়ন আটজন জার্মান অফিসার এর ওয়ার ক্রাইম ট্রায়াল করেছিল আর সাতজনকে ফাঁসি দিয়েছিল। এদিকে রাশিয়ান আর্মি ইউক্রেনে যে ওয়ার ক্রাইম করছে তার বিরুদ্ধে বোধায় য়ুরোপ আবার স্যাংশান বসাতে চলেছে। মহামতি ম্যাক্রন বলেছেন রাশিয়ান কয়লা আর তেল য়ুরোপে পুরোপুরি ব্যান করার চেষ্টা করবেন। মিডিয়াম টু লং টার্মে পুটিন য়ুরোপের গ্যাস আর তেলের মার্কেট বেশ খানিকটা হাতছাড়া করলো।
  • হীরেন সিংহরায় | ০৫ এপ্রিল ২০২২ ১০:০২506013
  • তিনটি সংস্কার !
     
    ইউক্রেনিয়ান উচচারন বুচা ( বুৎশা বা বুশা কোনটাই নয় তবে খবর কাগজ, টিভি বুশা লিখছে)
     
    পয়লা এপ্রিল শুক্রবার ছিলো শনিবার নয়
     
    লাটভিয়া এস্টোনিয়াতে ৫০ হাজার শরনারথী এসেছেন ( পনচাশ নয়)!
     
    অনিচ্ছাকৃত ত্রুটির জন্য দু:খিত!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খেলতে খেলতে মতামত দিন