এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • কলতান ও ইলিনা - ৩১

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৭ নভেম্বর ২০২৫ | ৫০ বার পঠিত
  • ( ৩১)

    গৌতমবাবু হাত বাড়িয়ে বললেন, ' হ্যাল্লো মিস্টার গুপ্ত... ইটস এ বিগ সারপ্রাইজ। আপনাকে একেবারেই এক্সপেক্ট করিনি এখানে এই সময়ে.... '
    কলতান হাত মেলাল। বলল, ' কী করব বলুন... কর্তব্যের টান... কাটাতে পারি না যে। ভাবলাম, আপনাদের পাশে যদি থাকতে পারি এই ক্রুশিয়াল সময়ে। যা করার তো আপনারাই করবেন। আমার শুধু একটাই কৌতূহল, বিল্বদল ঘটক এ ফ্ল্যাটে আছে কিনা। বাকিটা মনে হয় আমার জানা আছে... প্রপার টাইম অ্যান্ড প্লেসে ডিসক্লোজ করব। আমি কিন্তু আপনাদের কাজে ইন্টারভেন করছি না। তা হয় না... '
    --- ' আরে... কলতানবাবু, এসব কী বলছেন... আমি খুব ভালভাবে জানি আপনার দেওয়া ক্লু পেয়েই পুলিশ এতটা এগোতে পেরেছে অ্যান্ড ইউ রেস্ট অ্যাসিওরড মিস্টার গুপ্ত যে আমরা এর শেষ দেখে ছাড়ব... কাম হোয়াট মে... '
    কলতান বলল, ' সেটা জানি। আপনাদের ইন্টিগ্রিটি নিয়ে আমার কোন সংশয় নেই। কিছু ব্ল্যাকশিপ তো সব ক্ষেত্রেই থাকে। যাক, আপনারা আপনাদের কাজ করুন। অথরিটি নিশ্চয়ই ফ্রি হ্যান্ড দিয়েছে আপনাদের। তা না হলে তো ফিলহাল যা হচ্ছে সেটাই রেপ্লিকেটেড হবে। কি বলতে চাইছি বুঝতে পারছেন নিশ্চয়ই... '
    কৃষ্ণেন্দুবাবু বললেন, ' পুরোপুরি ... '
    গৌতমবাবু ইঙ্গিতপূর্ণভাবে মৃদু হেসে ঘাড় নাড়লেন।
    কলতান এল টেন বাই ফোর -এর বন্ধ দরজার দিকে তাকিয়ে রইল কিছুক্ষণ।
    তারপর গৌতম রায়ের দিকে তাকিয়ে বলল, ' সময় নষ্ট করে কোন লাভ নেই। আপনারা আপনাদের মতো অপারেট করুন। আমি বরং দু একটা ফোন করি। খুব ভালবাসি তো এদের তাই মাঝে মাঝে কথা না বললে মনটা যেন কেমন লাগে। আপনাদেরও হয়ত একটু সুবিধে হতে পারে... দেখি... '

    গৌতম রায় তীক্ষ্ণ বুদ্ধি ধরেন। তিনি সরু চোখে কলতানের দিকে তাকিয়ে গম্ভীরভাবে বললেন, ' আচ্ছা আচ্ছা.... খুব ক্লোজ বোধহয়। তারা কি কাছেপিঠেই আছে ? '
    --- ' সেটাই জানার দরকার। বুঝতে পারছি না। দেখি... '
    কলতান তার মোবাইলে একটা নম্বর ডায়াল করে ফোনের স্পীকার অন করে দিল।
    পরিপার্শ্বের নিস্তব্ধতা ভেঙে বছর পঁচিশ আগের একটা বাজার চলতি হিন্দী গানের রিংটোন বাজতে লাগল... বাজিগর... ও বাজিগর ... তু হ্যায় বড়া যাদুগর... '
    অজিতাভ, স্বরূপরা খানিকটা অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল কলতানের দিকে। গৌতমবাবু মাথা নীচু করে কী ভাবতে লাগলেন।
    নয়ন পাল বলল, ' কী করব স্যার ? '
    গৌতমবাবু বললেন, ' বলছি, দাঁড়াও... '

    দশ বারোবার রিং হবার পর ওদিক থেকে সাড়া মিলল।
    --- ' হাঁ... হ্যালো স্যার... '
    --- ' আরে অশ্বিনী, তুমি কোথায় ? তোমাকে খুব দরকার। আমি সল্ট লেকে উকিলবাবুর বাড়ি গিয়ে তোমাকে পেলাম না। শ্যামবাজারে সি ই এস সি অফিসের কাছে খোঁজাখুঁজি করে তোমার বাড়িতেও গিয়েছিলাম। ওখানে দেখলাম উকিলবাবু মানে বিক্রমজিত নিয়োগী তোমার বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। বাড়ির থেকে তোমার সেই দেশওয়ালি ভাই হরিশঙ্কর যে তোমাকে বিক্রম নিয়োগীর ওখানে কাজে ঢুকিয়েছিল সে বেরিয়ে এল। সে বলল, ' তেওয়ারি তো এখানে নেই। তাকে আপনারা গড়িয়ায় পাবেন... ম্যাগনোলিয়া রেসিডেন্সিতে। শুনে উকিলবাবু বললেন, তাই নাকি ? তাহলে তো ওখানেই যেতে হচ্ছে। ব্যাটা নাকি নারকোটিকস মামলায় জড়িয়ে পড়েছে। ফরেন মডিউলের হ্যান্ডলারের কাজ করছে। ধরা পড়লে কেউ বাঁচাতে পারবে না। লাইফ টার্ম একদম শিয়োর। খুব চিন্তায় আছি ওকে নিয়ে, আমি আবার জড়িয়ে না যাই, খুব চিন্তায় আছি... কদিন ধরে আমার ওখানেও কাজে যাচ্ছে না। এখন শুনছি ম্যাগনোলিয়া না কোথায় আছে। বিক্রমবাবু বললেন, পুলিশ আমাকে ডাকলে আমি হাত তুলে দেব। ওকে কাস্টডিতে নিলে নেবে। ওকে বাঁচাতে গিয়ে আমি ফাঁসতে রাজি নয়... '
    ওদিক থেকে কোন সাড়াশব্দ নেই। কিন্তু ওদিকে শ্রোতা উপস্থিত আছে।
    --- ' হ্যালো হ্যালো... অশ্বিনী... '
    অশ্বিনী এবার বলল, ' আপনি কি ঘুমিয়ে আছেন না জেগে আছেন ? জেগে জেগে স্বপ্ন দেখছেন কি ? '
    --- ' হাঃ হাঃ হাঃ... ভাল বললে কিন্তু। তা তোমার কী মনে হচ্ছে... আমি জেগে আছি না ঘুমিয়ে আছি ? '
    --- ' ঠিক আছে ফোন রাখুন। কাল সল্ট লেকে আসুন... কথা হবে... '
    --- ' না না... ফোন রাখলে হবে না। আমি খুব চিন্তায় আছি তোমাকে নিয়ে। তোমার উকিলবাবু যে কথাগুলো বললেন সেগুলো কি সত্যি ? যদি সত্যি হয় তাহলে তো... '
    --- ' আপনি এত রাত্তিরে এখন কি করতে চাইছেন ? ঘুমিয়ে পড়ুন এখন... '
    --- ' কিছু না। তোমার বসের সঙ্গে একটু কথা বলতে চাই। সারাদিন তো উনি ব্যস্ত থাকেন। রাত্তিরেই ভাল সময়... '
    --- ' এ কী শুরু করলেন আপনি ! মাথা খারাপ হয়ে গেল নাকি ? উকিলবাবু এখন ওপরে, ঘুমোচ্ছেন... '
    --- ' আরে না না... আমি ওই বসের কথা বলছি না। আমি তোমার আসল বসের কথা বলছি... '
    --- ' মানে ? সেটা কে ? '
    --- ' কেন, বিল্বদল ঘটক ... '
    --- ' কী... কে ? কী সব উল্টোপাল্টা বলছেন ? আপনি এত বাজে বকেন তা তো জানতাম না... আমি কি পার্টি করি নাকি ? '
    --- ' কী আশ্চর্য... পার্টি না করলে কি পার্টি হওয়া যায় না ? কী আর বলব... এতদিন উকিলবাবুর সঙ্গে থেকে এই শিখলে ? তোমার জন্য আমার চিন্তার শেষ নেই। আর হ্যাঁ... তোমার বুদ্ধিও বটে। অমৃতাংশুবাবু যেতে না যেতে তার বৌকে নিয়ে সিনেমা দেখতে গেলে আইনক্সে... '
    অশ্বিনীর গলার আওয়াজ শুনেই কলতান বুঝতে পারল সে চমকে উঠেছে।
    --- ' কেয়া বোলে... দিমাগ তো ঠিক হ্যায় না ? ইলিনা ম্যাডামের কথা বলছেন কি ? কেয়া মতলব... উনহিসে কেয়া নাতা মেরা ! আপ ইতনা রাতমে কেয়া পাগলপন করনে লাগা ? '
    --- ' আরে না না... আমি ওসব একদম বিশ্বাস করিনা। কিন্তু ছবি দেখলাম যে... ছবিটা আমার মোবাইলেও এসে গেছে... দেখাব তোমাকে। সেই জন্যই তোমাকে খুঁজছি। কী ব্যাপার কিছু বুঝতে পারছি না। তোমার সঙ্গে কথা বলতে না পারলে একদম শান্তি পাচ্ছি না। মোবাইলে যে ডেট এবং টাইম দেখাচ্ছে সেদিন তো তুমি বললে বিক্রমবাবুর বাড়িতেই ছিলে ইভনিং-এ সারাক্ষণ। উকিলবাবুরা সেদিন কোথায় বিয়েবাড়িতে গিয়েছিলেন। তাই তো ? মানে ওই ছাব্বিশে আগস্ট... বিক্রমবাবুর শালার বিয়ের বৌভাত ছিল সেদিন, তাই তো ? তাই তো বলেছিলে... '
    এর উত্তরে অশ্বিনী বলল, ' আমি আবার এসব কথা কবে বললাম ? বিক্রমবাবুর শালা ! সে আবার কে ? '
    --- ' কিন্তু তোমার কথাগুলো যে সব রেকর্ড হয়ে আছে। ওটাই আমার খুব বাজে স্বভাব, সবকিছু রেকর্ড করে রাখা... '
    --- ' আচ্ছা... মিস্টার গুপ্ত, আপনি যে বললেন আপনি শ্যামবাজারে আমার বাড়িতে গিয়েছিলেন, ওখানে আমার গাঁওওয়ালা হরিশঙ্কর ছিল... এসব সত্যি কথা, না স্রেফ ভুলভাল বাকবাস ? '
    --- ' আরে না না... তুমি উকিলবাবুকেই জিজ্ঞেস করে দেখ না আমি সত্যি বলছি কিনা। আর তা যদি না পার দরজাটা খুলে দেখ না, বাইরেই হরিশঙ্কর দাঁড়িয়ে আছে... '
    ফোনের অপর প্রান্ত সহসা চুপচাপ হয়ে গেল। চাপা স্বরের আবছা অস্পষ্ট দু একটা শব্দ কানে ভেসে এল। মনে হচ্ছে ঘরের লোকগুলো কিছু সিদ্ধান্ত নিল হল দু চার কথায়।
    পুলিশ অফিসাররা পরম কৌতূহলে তাকিয়ে মধ্যরাতের নাটক দেখছে।
    নয়ন কী একটা বলতে যাচ্ছিল। স্বরূপবাবু ঠোঁটে তর্জনী ঠেকিয়ে ইশারায় বললেন, ' চুপ চুপ... '

    কলতান বলল, ' তোমার কাছে একটা রিকোয়েস্ট আছে। বিল্বদল ঘটকের সঙ্গে আমাকে একটু কথা বলিয়ে দাও না। অনেকদিনের ইচ্ছে তার সঙ্গে আলাপ করার। তুমি তো তার খুব কাছের লোক... ওই হুন্ডাই গাড়িটা নেবার খুব ইচ্ছে ছিল... যদি আমার সঙ্গে একবার দেখা করেন। শুনলাম উনি মুম্বাইয়ের ফ্লাইট মিস করেছেন... '
    এবারও অশ্বিনীর কোন আওয়াজ এল না। ফোনের লাইনে সড়সড় করে আওয়াজ হচ্ছে।
    হঠাৎ কে যেন খরখরে গলায় বলে উঠল, ' বিল্বদল ঘটক কি তোর বাবার চাকর নাকি যে তোর সঙ্গে তার দেখা করতে হবে ? '
    --- ' ও ঘটকদা... আপনি এখানে ? দয়া করে দর্শন দিন। ক'টা দরকারি কথা বলা যাবে। আপনাকে কোন কষ্ট করতে হবে না। আপনি শুধু দরজাটা খুলুন। আমি বাইরেই আছি। অশ্বিনীর দোস্ত হরিশঙ্করও আছে ... '
    ওদিক থেকে আওয়াজ বর্শার মতো ঠিকরে এল, ' চুপ কর বান...ত। আমাকে চিনিস না শালা... গোটা বংশ লোপাট করে দেব... '
    কলতান অমায়িকভাবে বলল, ' যদি পারেন তা দিন। তার আগে আপনার দোকানের মিষ্টি একটু চাখতে দেবেন না ? এই ঘরেই তো স্টক আছে নিশ্চয়ই ... দাম কিছু কম দেব না। সব এভিডেন্স আছে। চিন্তা করবেন না। আপনার কালীঘাটের বাড়িতে তো আজ আমার অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছিল। কিম্তু আমার কপাল মন্দ। আপনি কথা রাখলেন না। এখন প্লিজ দরজাটা খুলুন। আপনি মাননীয় ব্যক্তি। দরজা ভাঙাভাঙি করে আপনার অসম্মান করতে চাই না। আমার নাম কলতান গুপ্ত। ঠিক করেছি খেলাটা আজ রাত পোহাবার আগেই শেষ করব... '
    --- ' যদি দরজা না খুলি... সকাল হতে দে, তারপর বুঝতে পারবি আমার হাত কতটা লম্বা... '
    --- ' আর হাতটা যদি কেটে দেওয়া হয় ? '
    --- ' দেখবি দেখবি ... শুয়োরের বাচ্চা। এতবড় সাহস! যা ভেগে যা... যা পারিস কর... দরজা খুলব না... '
    কলতান ধীর স্থির ভাবে বলল, ' বেশ থাক,

    কতদিন ওর ভিতরে থাকবে থাক ... প্র্যাকটিস কর। এরপরে তো আর জেলের বাইরে বেরোতে পারবে না।
    তবে এখান থেকে তোমাদের বেরোতেই হবে। কতদিন ভিতরে থাকবে ? ইঁদুরের গর্ত বুজিয়ে দিলে ভিতরে ইঁদুরগুলো পচে গলে মরে জান তো। কিংবা সাপের গর্তে কার্বলিক অ্যাসিড ঢাললে সব কিলবিল করে বেরিয়ে আসে। কতদিন ভিতরে থাকতে পার দেখি... থাক... বেরতে তোমাদের হবেই ... '
    এবার কিন্তু ফোনের লাইন কেটে গেল। সব চুপচাপ।
    স্কোয়াড লিডার গৌতম রায় এগিয়ে এসে বললেন, ' মার্ভেলাস... হ্যাটস অফ মিস্টার গুপ্ত। নাও লেটস সি হোয়াট রিয়েলি ফলোস নেক্সট... '
    কলতান হেসে বলল, ' ঠিক ঠিক। আজকের বিভাবরী জাগরণেই যাবে মনে হচ্ছে... '
    ঘড়িতে এখন রাত বারোটা তেত্রিশ।

    ( ক্রমশ )

    ************
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক মতামত দিন