
অ্যাডমিন,
আবার ছড়িয়েছি। এই কিস্তির নম্বর ৬ নয়, ৮ হবে।
প্লীজ, শুধরে দিন।
জার্মান | 2405:*:*:*:*:*:*:* | ১৬ জুন ২০২১ ০৮:৫২494972ইস্টবেংগল ক্লাবের কিট আর জার্মান পতাকার রঙ কখনো মিলিয়ে দেখেন নি?
থ্যাংক ইউ! আমার অনেক দিনের ধাঁধার সমাধান করে দিলেন!!
হীরেন সিংহরায় | ১৬ জুন ২০২১ ২৩:২০494986রঞ্জন বাবু
কি যে অসাধারণ লিখছেন!! নির্বাক বিস্ময়ে পড়ে যাচ্ছি। আমার ছেড়ে আসা কলকাতা জেগে উঠছে বার বার। এ এক অনবদ্য দলিল, হিউম্যান ডকুমেন্ট, যার তুল্য কিছু আমার চোখে এ যাবত পড়ে নি। ফাইল করে রাখছি।
চার দশক আগে দেশ ছেড়েছি কিন্তু বুক চিরলে মোহন বাগান লেখা দেখতে পাবেন। আমি ঘটিস্য ঘটি।
একটু বিতর্কে যেতে চাই। পতাকার কারণে আমরা উত্তর কলকাতার লাল হলুদ সমর্থকদের জার্মান পার্টি বলতাম বলে মনে হয় না। জার্মান পতাকার রঙ এবং চেহারা গত শতাব্দীতে বদলেছে অনেকবার। প্রাশিয়ানদের লাল শাদা কালো, ভাইমার রিপাবলিকের লাল কালো, নাৎসিদের লাল শাদা কালো প্লাস স্বস্তিকা। আজকের যে পতাকাটি আমরা দেখি সেটির অনুমোদন মেলে অক্টোবর ১৯৪৯ সালে, আমাদের দেশ ভাগের দু বছর বাদে। জার্মান পার্টি নাম কেন তা বোঝাতে পাড়ার কল্যাণ দা বলেছিলেন ওই যে বাঙ্গালরা উদ্বাস্তু হয়ে ঘটি বাটি শীতল পাটি নিয়ে শেয়ালদা স্টেশনে সংসার পেতেছেন ( ক্ষমা চেয়ে নিয়ে বলি কারণ দেশ ভাগের দুঃখ আমাদের বোধের অগম্য ) - জার্মানরা দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের পরে ঠিক সেই ভাবে ছিন্নমূল হয়ে পশ্চিমে আসে দলে দলে। এই যাত্রা পূব থেকে পশ্চিমে -পোল্যান্ড চেক হাঙ্গেরি থেকে খ্যাদানো জার্মানের সংখ্যা দেড় কোটির বেশি। ভারত পাকিস্তানের দু পক্ষ মিলিয়ে ছিন্নমূলের সংখ্যা এর চেয়ে কম। মোহন বাগানের ঘটিরা যে এতো পড়াশোনা করে বিপক্ষকে জার্মান পার্টি নাম দিয়েছে সেটা মেনে নেওয়া শক্ত হতে পারে, বিশেষ করে সেই সব ঘটি যারা স এর সঠিক উচ্চারণে অপারগ। তবু পতাকার তত্ত্ব মেনে নেওয়া শক্ত। এর অনেক পরে নুরেমবেরগের গোরা ঘোষ আমাদের উত্তর কলকাতার কল্যাণ দার থিওরির সমর্থন করেছিলেন।
ইউরোপের ফুটবল দলের ডাক নাম বিচিত্র হয়। সে তালিকা দীর্ঘ। লেসটারে একদা শেয়াল মারা হতো তা থেকে ফুটবলে দলের নামই হয়ে গেল শেয়াল।
আরেকটা অপ্রাসঙ্গিক তথ্য জানাতে হচ্ছে ( গুণীরা মার্জনা করবেন ): ত্রিনিদাদে বেগুণকে বাইগণ বলতে শুনেছি ! গায়ানাতেও সেই নাম চালু। অবশ্যই সেটা ভারত থেকে জাহাজে আসা আখ চাষিদের মুখে এখানে আবির্ভূত হয়েছে।
অপিনিহিতি, অভিশ্রুতি শুনলাম পাঁচ দশক বাদে ! স্বরভক্তি বিপ্রকর্ষ বাদ দিলেন কেন ?
শেষে বলি, আমার কানে আজো লেগে আছে ইস্যা করে পরানডারে গামসা দিয়া বাণধি ( ইচ্ছা করে নয়, ইস্যা ! গামছা নয় গামসা )।
অলমিতি বিস্তরেন
হীরেনবাবু
খুদা কী কসম, মজা আ গয়া।
হীরেনবাবু
মজার ব্যাপার হোল আমি আজও মোহনবাগানের, চূণী গোস্বামীর পায়ের কাজের ফ্যান। একটু বড় হয়ে জেনেছি চূনী আমাদের মতই ময়মনসিঙ্ঘের বাঙাল। তাতে আমি আরও বেশি করে মোহনবাগানী হলাম। চূণী যদি মোহনবাগানে খেলতে পারেন, আমি কেন সাপোর্টার হতে পারিনা?
হীরেন সিংহরায় | ১৭ জুন ২০২১ ০০:৫৬494994পুনশ্চ:পতাকা সম্পর্কিত
জার্মানি ও বেলজিয়ামের পতাকায় ওই একই লাল হলুদ কালো রঙ আছে। তার ক্রমটা আলাদা বিন্যাসটাও। বেলজিয়ান পতাকায়ে প্রায় দুশো বছরের ( ১৮৩০) পুরনো। পতাকার হিসেবে লাল হলুদের দলকে বেলজিয়ান বলতেও বাধা নেই !

Amit | 203.*.*.* | ১৭ জুন ২০২১ ০২:৫৯494995জব্বর রঞ্জনদা। এটা তো পুরো তপন রায়চৌধুরী র "বাঙালনামা" র লেভেল হয়ে দাঁড়াচ্ছে। জাস্ট টপ ক্লাস। যত এগোচ্ছে তত খুলছে। এইটা বই হয়ে বেরোনোর অগ্রিম শুভেচ্ছা আর লাইন পাতা রইলো।
আমার ঠাকুরদা সপরিবারে এসেছিলেন চট্টগ্রাম থেকে ১৯৪৭ এর পরে। মাস্টারদা সূর্য সেন র সাথে ছিলেন চট্টগ্রাম বিপ্লবের সময়, অনেক বছর জেলে কাটিয়েছিলেন। অবশ্য ওনার স্মৃতি কিছুই নেই আমার। আমার দু বছর বয়েসে উনি মারা যান। কিন্তু সেই ঘোর বাঙাল রক্ত আমরা সবাই পেয়েছি। কোনো সময় ফ্যামিলির সবাই কোনো উপলক্ষে এক সাথে হলে পুরো পাড়ায় কাক চিল পালিয়ে যায়।
সেই চট্টগ্রামের ভাষা ও যে বাংলার একটা চলিত ফর্ম হতে পারে সে না শুনলে বোঝা যাবেনা। সে যে কি মধুর - আহা। সবথেকে দুঃখ হলো কলকাতায় আমি বা আমার জেনারেশন এর কেও কেও সেটা বুঝতে পারলেও বলতে একদম পারিনা। ওটা বলতে গেলে সুপুরি মুখে নিয়ে বহু বছর প্রাকটিস করতে হবে।
রঙ | 2405:*:*:*:*:*:*:* | ১৭ জুন ২০২১ ০৬:৩৭494996German Reich Deutsches Reich | |
|---|---|
| 1918–1933 | |
Flag (1919–1933) Coat of arms (1919–1928) | |
Motto: Einigkeit und Recht und Freiheit ("Unity and Justice and Freedom") | |
হীরেন সিংহরায় | ১৭ জুন ২০২১ ০৯:৩৩495000অনেক ধন্যবাদ ! আরেকটি ঘটি থিওরি মাঠে মারা গেল ( নো পান ইনটেনডেড !)। আমাদের বুদ্ধি সম্বন্ধে নিজেরই সন্দেহ প্রভূত তাই আমি লিখেছিলাম ঘটিরা যে এতো পড়াশোনা করে বিপক্ষের নাম দিয়েছে আর সেটা লাল হলুদের মেনে নিয়েছে সেটা মেনে নেওয়া শক্ত হতে পারে! কয়েক যুগের ভ্রম সংশোধিত হল।
একটা প্রশ্ন থেকে যায় - জার্মান নামটা কি ১৯৩৩-১৯৪৯ মুলতুবি ছিল ?
@হীরেন সিংহরায়,
দেশভাগের প্রত্যক্ষ বলি চল্লিশ মিলিয়ন ধরা হয় অর্থাৎ চার কোটি। এটা ৪৭ এর জুন জুলাই থেকে ৪৮ এর গান্ধীহত্যার পরবর্তী কিছুদিন পর্যন্ত। এর মধ্যে খুন আর মাইগ্রেশান দুইই আছে, এর পরেও ১৯৫০ এ আরো মাইগ্রেশান হয়েছে। এই পুরিয়ডে পূর্ববঙ্গ থেকে বেশী।
যাই হোক ঠিক সংখ্যা কোথাও নেই। প্রচুর মৃত্যু বা মাইগ্রেশান সম্ভবত আনডকুমেন্টেড থেকে গেছে।
কাজেই আপনার বক্তব্য যে দেশভাগে দেড়কোটির কম সংখ্যক উদবাস্তু হয়েছেন বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন সেটি ঠিক নয়।
:) | 2405:*:*:*:*:*:*:* | ১৭ জুন ২০২১ ১০:১১495003রঞ্জনবাবুর লেখা ডিরেইল্ড হইতেছে :) কিন্তু জার্মান নাম মুলতুবি হইবে ক্যান? ছিল তো, সাংঘাতিক রকমেই ছিল। ফ্ল্যাগ, সিল আলাদা ছিল।
German Reich (1933–1943) Deutsches Reich Greater German Reich (1943–1945) Großdeutsches Reich | |
|---|---|
| 1933–1945 | |
Anthems: Das Lied der Deutschen ("The Song of the Germans") Horst-Wessel-Lied [a] ("The Horst Wessel Song") | |
Germany's territorial control at its greatest extent during World War II (late 1942): |
হীরেন সিংহরায় | ১৭ জুন ২০২১ ১২:০৬495004শ্রী দ
সামগ্রিক ভাবে আপনি সম্পূর্ণ সঠিক। ভারত ভাগের ফলে ছিন্নমূলের সংখ্যা দেড় কোটির অনেক অনেক বেশি। আমার তুলনাটা ছিল একটি সময় সীমার- ১৯৪৫-১৯৪৮। এই সময়ে পূব থেকে জার্মান বহিষ্কার সম্পন্ন হয় সাত কোটী লোকের দেশ দেড় কোটি উদ্বাস্তু গ্রহণ করে। মৃতের সংখ্যা অজ্ঞাত। জন ধন বা সম্পত্তি বিনিময় হয় নি। এক মুখো অভিযান। তবে এই ধারাটি থেমে যায় সরকারি ভাবে জার্মানি ভাগ হবার সঙ্গে সঙ্গে ( কিছু পলাতক আসতেই থাকেন !)। ভারত ভাগের পরে ছিন্নমূলের যাত্রা থামে নি। তাই শেষ সংখ্যাটা অনেক বেশি।
অমিত,
আমি লইট্যা মাছের শুঁটকির ভক্ত, যদিও ইলিশ, মুড়িঘন্ট ও মাছের তেলের চালবাটা দিয়ে বড়া খাইনে, গন্ধ লাগে।ঃ)) চট্টগ্রামের কর্নফুলির মোহানার লইট্যার স্বাদ নাকি দারুণ!
চাটগাঁর বন্ধুদের কথা শুনে বুঝতে পারিনি। চন্দ্রবিন্দু ও ণ বেশি বলে মনে হোল। যেমন 'আঁরারে"।
শুনেছি ওই উপভাষায় নাকি আরাকানি বা সীমান্তের বার্মিজ ভাষার প্রভাব আছে। এসব আমার সিলেবাসের বাইরে। ভাষাতাত্ত্বিকরা ভাল বলতে পারবেন।
হীরেন সিংহরায় | ১৭ জুন ২০২১ ১৫:১২495007রঞ্জন বাবু
আমার প্রথম কর্মস্থল জলপাইগুড়ি। ক্যানটিন ম্যানেজার ছিলেন আরেক হীরেন। তাঁর কাছেই আত অক্কল টেখা অউ এই সব জরুরি শব্দ শিখেছি কথা চালানো গেছে। উত্তর কলকাতার ইংরেজি উসচারন জনিত সকল শঙ্কা অপনীত হল যেদিন জন হেরন নামক একজন গ্লাসগো বাসীর সঙ্গে প্রথম বাক্যালাপ হয়। সেটা যদি ইংরেজি হয় তবে আমি কিছু খারাপ বলছিনা। আরেক শিক্ষা হল ছেলেকে নিয়ে লিভারপুলে খেলা দেখতে গিয়ে। হোটেল ট্যাক্সিওলা দোকানী যে যাই বলে আমি ছেলেকে জিগ্যেস করি, হ্যাঁরে কি বলল ? সুইস জার্মান আরেক বিপজ্জনক বস্তু। শুধু উচ্চারণ নয় সেটাও ওই হক্কল টেখা য় ভর্তি।
ভিভ ল্য দিফরাঁস
হীরেন সিংহরায় | ১৭ জুন ২০২১ ১৫:২৪495008অন্য হীরেন খাস চট্টগ্রামের লোক ছিলেন। রান্না অনবদ্য।
জার্মান নিয়ে আরেকটা থিওরিঃ
কেউ জানিয়েছেন যে বাঙালেরা যে এনামেল ও অ্যালুমিনিয়ামের বাসনকোসন নিয়ে শ্যালদায় নামত, সেগুলোকে নাকি জার্মান সিলভার বলা হত। এখন এই জার্মান সিলভার বস্তুটি কী? কেউ জানেন?
জার্মান সিল্ভারে জার্মানও নেই সিলভারও নেই। এটা হল নিকেল সিলভার। ৬০% তামা, ২০% নিকেল আর ২০% দস্তার সংকর ধাতু। কার একটা নামে যেন নামকরণ হয়েছে জার্মান সিলভার।
দ,
অনেক ধন্যবাদ সঠিক তথ্য দেয়ার জন্যে।
হীরেন সিংহরায় | ১৮ জুন ২০২১ ০৪:০৮495033শ্রী দ সঠিক বলেছেন। এতে না আছে সিলভার না আছে জার্মান। তা হলে নামটা এলো কোথা হতে?চীনেরা প্রথম ওই ৬০:২০:২০ হিসেবে নিকেল বানিয়ে বাজার ধরে। ১৭৫০ নাগাদ জারমানীর সুল শহরে একটি এ্যালয় বানানো হয় যা চৈনিক আমদানীর সংগে পাল্লা দেয়। পরে একটি প্রতিযোগিতায় বারলিনের হেনিংগার ভাইয়েরা একটি মোক্ষম পেটেন্ট দখল করেন। এ্যালয়টির চীনে নাম পাকটং। একে ইউরোপ নিকেল সিলভার বলত। পরে জার্মান কারিগরের সমমানে এটি জার্মান সিলভার আখ্যাত হয়।
এদের এই বাতিক আছে। এক্স রেকে জারমানীতে
রয়েনটগেন বলে। তিনি যেটা আবিষ্কার করলেন সে নাম নয় আপন নামেই ধন্য হয়ে রইলেন তিনি
শেখরনাথ মুখোপাধ্যায় | 117.*.*.* | ২০ জুন ২০২১ ১৮:৩৩495131রঞ্জনবাবু,
আমি হাওড়ার 'গোটি'। সেই হাওড়া, যেখানকার গঙ্গার যে কোন ঘাট থেকে কলকাতার যে কোন ঘাটে যাতায়াতের লঞ্চ বন্ধ থাকতো মোহনবাগানের খেলা থাকলে, পাছে মোহনবাগানের সাপোর্টারদের গঙ্গাপ্রাপ্তি হয়। ইশকুলের বন্ধুদের মধ্যে অনেক বাঙাল ছিল৷ তাদের কেউ জার্মান নামের ব্যুতপত্তি (ধুত্তোর, খণ্ড ত লিখতে পারিনা!) জানতো না। এমনকি, আমাদের ক্লাশের বাঙাল ফার্স্টবয়ও নয়।
একটু বড় হয়ে আমাদের এক দাদার মুখে ব্যুতপত্তিটা জেনে নিলুম। ইনি আবার টুটুবাবুর কোন তুতো দাদা। মোহনবাগানের সেই বিখ্যাত টুটুবাবু, যিনি ঈস্টবেঙ্গল-মোহনবাগানের খেলার দিন শাউড়ির হাতে জল খেতেন না!
দাদাটি প্রথমেই জিজ্ঞেস করলেন, তোদের ক্লাশে ফার্স্ট যে হয় সে ঘটি না বাঙাল? উত্তর দিলুম। বললেন, জানাই ছিল। ঘটিরা যে লেখাপড়ায় মূর্তিমন্ত, তা তোকে দেখলেই বোঝা যায়। ইশকুলের পড়ার বই যে পড়িস না সে তো আগেই জানতুম। অন্য কিছুও পড়িস না? মুজতবা আলিও পড়িসনি? না কি আলি সাহেবকেও বাঙাল বলে বয়কট করেছিস?
রহস্যের প্রকাশ ধীরে ধীরে হতে জানতে পারলুম আলি সাহেব নাকি ডক্টরেট উপাধি পেয়েছিলেন জার্মানিতে। আর সেই কথা পাঠককে জানাতে লিখেছিলেন, সেই ডক্টরেট ডিগ্রী জাপানি মালের মত সদাভঙ্গুর ছিল না, ছিল পোক্ত জর্মন মাল!
পোক্ত! এটাই ছিল মূল কথা। তাই বেডিংটুকু সম্বল বাঙালের পোলাপানরা ইষ্টিশানের প্ল্যাটফর্মে থাকুক আর উদ্বাস্তু কলোনিতেই থাকুক, ওরা পোক্ত। ক্লাশে ঠিক ফার্স্ট হয়। চাকরির পরীক্ষাতেও তাই। ওরা পোক্ত। তাই ওরা জার্মান। তাই ঈস্টবেঙ্গল মানেই জার্মান। বুঝলে খোকা?
Nirmalya Nag | 202.*.*.* | ২১ জুন ২০২১ ০১:৩৪495144'জার্মান' যে বাঙালের প্রতিশব্দ সেটা ছোটবেলায় (মানে ৮০-এর দশকের শুরুতে) বাবার কাছে শুনেছি। তবে নামকরনের কারণ উনি বলতে পারেননি। আমরা মধ্য বীরভূমের লোক (আমাদের গ্রাম ছিল সেকালে ময়ূরেশ্বর থানার অন্তর্ভুক্ত)। অপিনিহিতি অভিশ্রুতির কথায় সেখানকার একটা ঘটনা মনে পড়ল। আমার এক কাকার সাথে কোনও দরকারে এক বাড়িতে গেছি। আমার কাকা বাইরে থেকে হাঁক পাড়লেন, "ভক্ত্যা, মুক্ত্যা"। পরে জানলাম তাঁদের নাম ভক্তিনাথ ও মুক্তিনাথ। ভক্তি ও মুক্তির 'ই-কার' হয়ে গেছে 'অ্যা-কার'।
ফির মজা আ গয়া। শেখরনাথ ও নির্মাল্য দুই 'গোটি' এসে আরও জমিয়ে দিলেন।
তবে নির্মাল্যকে বলি-- আমার প্রপিতামহের হাতে লেখা আত্মকথা থেকে জেনেছি আমাদের পূর্বপুরুষেরা বীরভূমের 'গোটি' ছিলেন। সেই কোম্পানির আমলের মন্বন্তরের সময় গ্রাম ছেড়ে কী করে যেন ময়মনসিংহের এক গ্রামে এসে জঙ্গল সাফ করে নতুন বসতি স্থাপন করেন।
তাতে আমি আর আমার ভাই দাদুকে বললাম যে রাঢ় বাংলায় ভূস্বামীরা কায়স্থ কোথায় ? হয় ব্রাহ্মণ নয় উগ্রক্ষত্রিয় বা পৌণ্ড্রক্ষত্রিয়, মানে আগুরি বা সেই হারাধন পোঁদ। আমরা কোনটা? দাদু ঘৃণায় সাতদিন কথা বলেননি।ঃ))
Abhyu | 47.*.*.* | ২৪ জুন ২০২১ ০৫:০৫495250"বড় হয়ে জেনেছি, উনি আমার ঠাকুমার কোন তুতো ভাই।" - শেষের গল্পটা খেরোর খাতায় যাবার মতো।
wow Amazing Article i বৌল্ড লোভে তো Read More from this site
a | 202.*.*.* | ০৪ জুলাই ২০২১ ০৬:০৪495587আমার কেন যেন ধারণা ছিল হাল না ছেড়ে শেষ অবধি লড়ে যাবার মানসিকতার জন্যেই জারমান নাম