এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • দ | ২২ আগস্ট ২০২৬ ১২:১৪742341
  • এইবার আসবে সৃষ্টিখেউড়া এট আলরা সৈকতকে গালি দিতে। নিরাপদ টার্গেট দেখে গালিগালাজের সুবিধা অনেক।
     
    যাকগে লোকের আবাপর হেডিং দেখে উলুতপ্লুত হবার কারণ যেটা মনে হয় বাংলা সংবাদপত্রগুলো লাগাতার এমন অন্ধভক্তের ভূমিকা পালন করে চলেছে যে এক আধটা ওকে ওকে টাইপের খবর বা হেডলাইন দেখেও লোকে 'অহো কি সাহস' বলে গদগদ হয়ে পড়ছে।
  • কৌতূহলী | ২২ আগস্ট ২০২৬ ১৩:০৮742343
  • একদম। সত্যি কথা, রাজনৈতিক সমালোচনা এক জিনিস, আর এখানে বাম প্রগতিশীলরা শুধু মমতা নিন্দার আড়ালে যেভাবে বিজেপির পক্ষে কনসেন্ট ম্যানুফ্যাকচার করেছে যেটার জন্য কোন নিন্দাই যথেষ্ট নয়। এই নোংরামি শুরু হয়েছিল ২০১৯ এর পর থেকে। তারপর চরমে উঠল নো ভোট টু বিজেপিকে ম্যালাইন করে। হ্যাঁ, নো ভোট টু বিজেপির রাজনৈতিক সমালোচনা কেউ করতেই পারে, তাতে আপত্তির কিছু নেই। কিন্তু এই বাম প্রগতিশীলরা নো ভোট টু বিজেপিকে নিয়ে জা শুরু করেছিল, তা হল নিকৃষ্টমানের কলতলার খেউর। তারপর তো আর জি কর আছেই। মোট কথা, এখানের শিরদাঁড়াবান বাঙালি চেয়েছিল যে কোন মূল্যে বিজেপিকে আনতে। মমতাকে সরানোটা একটা এক্সকিউজ ছিল, এর বেশি কিছু না। প্রান্তিক মানুষদের দোষ দিই না, যারা সরাসরি তৃণমূলের হাতে আক্রান্ত, তাদেরও জাজ করার অধিকার নেই, কিন্তু এর বাইরের শিরদাঁড়ার ফেরিওয়ালাদের আজকের দিনের জন্য যথেষ্ট দায় আছে। দাবানল লেগে গেলে আগের অবস্থায় ফেরার সম্ভাবনা নেই, তেমন বিজেপি একবার এসে গেলে সরানো অত সহজ নয়। গুজরাট মধ্যপ্রদেশ দেখেও না বুঝলে কিছু করার নেই,।
  • অরিন | ২২ আগস্ট ২০২৬ ১৪:২৬742345
  • গত ১২ বছর ধরে ভারতে যা চলছে এবং হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের কদর্য আচার আচরণ দেখেও যারা শুধু তৃণমূল বিরোধিতার নাম করে খাল কেটে কুমীর ডেকে এনেছে, এই শ্রেণীর মানুষের কাছে যে ব‍্যবহারেপ কথা আপনি সৈকতবাবু দুঃখ করে লিখেছেন, তার বেশী কি কিছু আশা কর যায়? এরাই একসময় "পরিষেবা বেসরকারী হলা ভালা হবা" বলে ইংরেজী হরফে বাংলা লিখতেন।
     
    কাজেই আনন্দবাজার কি বলল নিয়ে আর ভেবে কি হবে, ওরা এখন alternative media, অনেকের কাছেই অপ্রাসঙ্গিক, এখন বাজারের প্রয়োজনে হয়ত দেখা যাবে হাওয়া বুঝে ফিট করার চেষ্টা করবে।
  • Ranjan Roy | ২৪ আগস্ট ২০২৬ ০৮:১৯742369
  • আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর সমস্ত প্রতিষ্ঠানে রাষ্ট্রগীত "বন্দে মাতরম" সবক'টি স্তবক গাওয়ার নির্দেশকে পূর্ণ সমর্থন জানাই। কিন্তু একটা কথা-- ঋষি বঙ্কিম আনন্দমঠে যেমন লিখেছেন তেমনটি গাইতে হবে। একটা শব্দও বদলানো চলবে না। যেমনঃ
    তৃতীয় স্তবকে মূলে আছেঃ
    "সপ্তকোটি কন্ঠ কলকল নিনাদ করালে।
    দ্বিসপ্তকোটি ভুজৈর্ধৃত খরকরবালে "।

    কিন্তু যে ভার্সন হিন্দি বলয়ে প্রচারিত হচ্ছে তাতে একটি মারাত্মক ভুল আছে। সপ্তকোটি কন্ঠকে বদলে লেখা হচ্ছে গাওয়া হচ্ছে--কোটি কোটি কন্ঠ!
    বঙ্কিমের লেখাতে কাটাকুটি ঠিক নয়। কারও অধিকার নেই। আমি তাই মূল ভার্সন গাইছি। সবাই তাই গাইবেন আশা করি। মানে যেমনটি আমরা স্কুলে শিখেছি, যেমনটি আনন্দমঠে লেখা আছে।

    ২ দেখুন, "জনগণমন"তে কি আমরা কলম চালাই? "পঞ্জাব-সিন্ধু-গুজরাট-মারাঠা"তে উল্লিখিত সিন্ধু আজ পাকিস্তানে। ভারতে ওই নামে কোন রাজ্য নেই। আরে নেই তো নেই। তার জন্যে কি আমরা সিন্ধু শব্দ কেটে বাদ দিয়েছি?
    তাহলে ঋষি বঙ্কিমের লেখায় কেন কাটাকুটি কেন কলম চালানো?
    আমার মনে হয় এতা অনিচ্ছাকৃত ভুল।
    তাই মাননীয় সমস্ত কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

    ৩ আর একই সংগে নিবেদনঃ জনগণমন রাষ্ট্রীয় স্তোত্রের সবকটি স্তবক গাওয়া হোক। বন্দে মাতরমের মত। কংগ্রেস ফালতু বাওয়াল করছে।
    অন্ততঃ বাঙালীরা এই অনিচ্ছাকৃত ভুল সংশোধনে সক্রিয় হবেন এই আশা।
    ভুললে চলবে না--নেতাজি সুভাষ জনগণমনের সরল হিন্দি অনুবাদ "সব সুখ চৈন" করিয়ে সুর অবিকৃত রেখে সেটিকে আজাদ হিন্দ ফৌজের রাষ্ট্রগীত করেছিলেন।
    আমরা যেন অবহেলা না করি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। মন শক্ত করে প্রতিক্রিয়া দিন।