এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  আলোচনা  রাজনীতি

  • লেফট রাইট লেফট রাইট লেফট রাইট

    বেবী সাউ
    আলোচনা | রাজনীতি | ০৯ জুলাই ২০২৪ | ১৭২১ বার পঠিত


  • যখন কাউকে হত্যা করা হয়, তখন তা স্বাভাবিক মৃত্যুর চেয়ে ভয়ংকর হয়ে ওঠে নিহতের কাছে। কারণ দুর্ঘটনা বা স্বাভাবিক মৃত্যুর সময় তার আত্মসম্মানবোধ বা জীবনের কাছে হেরে যাওয়ার চরম গ্লানি থাকে না। কিন্তু হত্যা করার সময় প্রথম প্রাণের চেয়েও বেশি নিহত হয় আত্মবিশ্বাস, আত্মসম্মান। আতঙ্ক তাকে মেরে ফেলে প্রথমে। আর হত্যাকারী চায় যাকে সে হত্যা করছে, তার মেরুদণ্ড অথবা আত্মসম্মানবোধকে আগে হত্যা করতে। প্রাণে তো সে এমনিই মরবে। তো, আমরা যাই বলি না কেন, সন্ত্রাস যখন কেউ বা যারা করে, তখন তাদের মূল চিন্তাই থাকে যাদের উপর তারা সন্ত্রাস চালাচ্ছে, তাদেরকে মানসিকভাবে মেরে ফেলা। ভয় দেখানো এবং ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করা। প্রতিটি আক্রমণই কম বেশি এই পদ্ধতি অবলম্বন করে।

    এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, সেই সন্ত্রাসবাদী কে?

    এ নিয়ে যদি আমরা ভাবতে বসি, তাহলে হয়তো আমরা চলে যাব সেই রাষ্ট্রকাঠামোর দিকেই। শাসননীতি এবং দমননীতি পদ্ধতিগুলোর কাছে। সেই যে এক হিন্দি সিনেমা ছিল, তার নাম পুলিশওয়ালা গুন্ডা। সেখানে হিরো সঞ্জয় দত্ত এক গুন্ডাকে প্রচুর মারার পর বলছেন— 'দেশকা সবসে বড়া গুন্ডা কৌন হ্যায়? পুলিশ।' তার এইসব ডায়লগে সিনেমা হলগুলোতে নিশ্চয় প্রচুর পয়সা পড়েছিল, কারণ সেখানে একজন পুলিশ ইন্সপেক্টর পুলিশ হিসেবে গর্বে ছাতি ফুলিয়ে এই কথা বলেছিল কিছু শারীরিক ক্ষমতায় দুর্বল গুন্ডাকে প্রচুর মারার পরে (জানি না, গডফাদার বা মাইকেল কী বলতেন এই শুনে কিংবা সরকারের বচ্চন)। পুলিশের ক্ষমতা সম্পর্কে জনগণকে জাহির করার জন্য এটা পারফেক্ট ছিল কি না জানি না, কিছু জনগণ এসব মুখে মুখে আউড়াত। পুলিশ দেখলেই বলত। হয়তো এ কারণেই সেন্সরে আটকায়নি, কারণ রাষ্ট্রও এ কথা কোনও না কোনও ভাবে জনগণকে বলতেই চায় যে আমাদের মতো গুণ্ডা আর কেউ নেই। সুতরাং সাবধান।

    কিছুদিন আগে অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের মুখেও সেই সিনেমার দ্বারা পর্দা ফাঁস (পড়ুন, হুমকি) শুনি। "পার্লামেন্টে সংবিধান হাতে নিয়ে যারা চেঁচামেচি করছে, তাদের সব অপকর্মের পর্দা ফাঁস হবে আমার নতুন ছবি 'ইমারজেন্সি'-তে।"

    তো হল কী, এতকাল এই গুণ্ডামিগুলো চলছিল আড়ালে। কেননা, এতদিন রাষ্ট্রের ভূমিকা ছিল অনেকটা ‘তোমাকে বকব, ভীষণ বকব আড়ালে’-র মতো। রাষ্ট্র বকছে, মারছে, জেলে পুরে দিচ্ছে, বিরোধীদের গলা কেটে দিচ্ছে কিন্তু সবার নজর এড়িয়ে, জনগণকে না জানিয়ে। যেন রাষ্ট্র হল সেই প্রেমিকা, যে লজ্জাবতী লতা, কিন্তু একমাত্র সীমান্তে শত্রু এলে ফোঁস করে উঠতে পারে। সেখানে এক তালপাতার সেপাইও বীর। অবশ্যই বীর। কিন্তু সেখানে সেই বীরের বীরত্ব মুছে যায় এবং রাষ্ট্রের আত্মবিজ্ঞাপন শুরু হয়।

    সঙ্গে থাকে এই চেতাবনি, যে দেশের মধ্যে কেউ ট্যাঁ ফোঁ করলে 'ভয় পেও না ভয় পেও না তোমায় আমি মারব না।' আমরা গণতান্ত্রিক দেশ। আমাদের আইপিসি আছে। কিন্তু মানবাধিকার কমিশনও আছে। আইটি সেল আছে। কাশ্মীরও আছে, আবার গণতান্ত্রিক ভাবে রক্ষিত নকশালদের ডেনও আছে। ফলে বিদ্রোহী এবং বিদ্রোহ দমনকারীর এক শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের নামই গণতন্ত্র।

    আশার কথা, এই মিছরির ছুরির থেকে এবার রাষ্ট্র বেরিয়ে পড়েছে। ন্যায়, অন্যায়, ধর্ম, খাদ্য নানান সংহিতা তৈরি হচ্ছে। রাষ্ট্র আর মুখ লুকিয়ে থাকতে রাজি নয়। দেশদ্রোহীদের কড়া হাতে শায়েস্তা করা হবে। পুলিশ চাইলেই যে কাউকে দেশবিরোধিতার জন্য টেনে নিয়ে চলে যেতে পারে। কারণ রাষ্ট্র মানেই লেফট রাইট লেফট রাইট লেফট রাইট। কিন্তু আগামীদিনের ভারতবর্ষ ঠিক কেমন হয়ে উঠতে পারে? ধরুন আমাদের বুকশেলফ ভরে উঠতে পারে বিভিন্ন সংহিতায়। কী খাব? তার জন্য খাদ্যসংহিতা। কী পরব? তার জন্য পোশাকসংহিতা। কী রকম চুল কাটব? তার জন্য কেশসংহিতা (পুরুষের জন্য একরকম, মেয়েদের জন্য আরেকরকম), কাকে বিয়ে করব? তার জন্য সংহিতা (বিবাহসংহিতা), কার সঙ্গে প্রেম করব? তার জন্য সংহিতা (প্রেমসংহিতা)। এর পর ধীরে ধীরে বেরোবে কাশিসংহিতা, হাঁচিসংহিতা, পাদসংহিতা, মিলনসংহিতা, কন্ডোমসংহিতা, ইত্যাদি প্রভৃতি।

    প্রসঙ্গত বলে রাখি উত্তর কোরিয়ার ছেলেমেয়েদের চুল কাটা থেকে শুরু করে পোশাক, কান্না (একটা বিশেষ দিন আছে, যেদিন সকলকে দাঁড়িয়ে লাইন দিয়ে কাঁদতে হয়), সন্তান ইত্যাদি নানা বিষয়ে এমন সংহিতা আছে।

    এবার কথা হল এত সব সংহিতা ভালো না খারাপ? খারাপ বলার শক্তি নেই। খারাপ বললেই বিপদ, ভালো হবে হয়ত। কেননা, আমাদের নির্বাচিত সরকার, আমাদেরই ভালো চায় বলে ভোট দিয়ে জিতিয়ে এনেছি। সংহিতা মানেই ভালো। সংহিতা মানেই তা সকলের হিতের জন্য। বিশেষ করে দেশের হিতের জন্য এ ধরনের সংহিতার খুবই প্রয়োজন। এই ধরুন মানবাধিকার কমিশনের মতো দেশবিরোধী সংগঠনকে প্রথমেই তো বাতিল করা উচিত। প্রতিবাদ, প্রতিরোধের তো কোনও অর্থ নেই। রাষ্ট্র আছে বলেই না দেশের জনগণ আছে। রাষ্ট্রকে বাদ দিয়ে কি আপনি বা আপনারা পারতেন জন্মগ্রহণ করতে? আধার কার্ড, পেন কার্ড পেতেন কোথা থেকে? কেমন ভাবেই বা বলতেন, মেরা দেশ মহান? তবে?

    তবে এসব প্রশ্ন তোলা যাবে না, আমাদের দেশ গণতান্ত্রিক দেশ। প্রশ্ন আপনারা করতেই পারেন, কিন্তু তার জন্য প্রশ্নসংহিতাকে মেনে চলতে হবে। অচিরেই বাড়িতে একটি নতুন বুকসেলফ করুন। সেখানে একের পর সংহিতা রাখবেন আর ছেলেমেয়ে জন্মালে জন্ম থেকেই মুখস্থ করাবেন। কারণ বিজ্ঞান না জানলেও সে বাঁচবে কিন্তু সংহিতা না জানলে সে বাঁচবে কীভাবে?

    এ প্রসঙ্গে জানিয়ে রাখি, খবরে প্রকাশ, বেবি সাউ নামে একজন মহিলা কলকাতায় প্রথম ন্যায়সংহিতার আওতায় এফআইআর করেছেন। এতদিন যে আমি আমার এই ইউনিক নাম এবং পদবী নিয়ে ছাপান্ন ইঞ্চির গর্ব এবং বাংলা বাজারে ভুলভাল নাম ছাপার জন্য বিদ্রোহ করতাম— সব বুদবুদের ন্যায় মিলায়ে যায়। কিন্তু এ গর্ব আমি লুকোই কীভাবে? শুধু চিরজন্মের জন্য ইতিহাস রচনাকারী একজনের নেমসেক হয়ে আমিও ঢুকে পড়লাম ইতিহাসে।

    বেরোতে গেলেও তো মুশকিলে পড়ব। কপাল আমার!






    থাম্বনেল -
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক।
  • আলোচনা | ০৯ জুলাই ২০২৪ | ১৭২১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Prativa Sarker | ০৯ জুলাই ২০২৪ ০৯:২৩534413
  • আরে এ তো আশ্চর্য নেমসেকের ঘটনা!  লেখাটা চমৎকার! 
  • নরেশ জানা | 2401:4900:744c:18bf:64be:3046:4153:***:*** | ০৯ জুলাই ২০২৪ ০৯:৪৭534415
  • একদম হক কথা।
  • অসিতবরণ বিশ্বাস | 2409:4061:2bb3:217a::d3c9:***:*** | ০৯ জুলাই ২০২৪ ১০:০১534416
  • আজ থেকে প্রায় পঞ্চাশ বছর আগে এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি এ.এন.মোল্লা পুলিশকে বলেছিলেন organised gang of daciits. দেশ পত্রিকায় পড়েছিলাম।
             একদা প্রবল পরাক্রান্ত কলকাতা পুলিশ ও রাজ্য পুলিশ এখনো পরাক্রান্ত।শাসকের একনিষ্ঠ সেবক।
  • Kishore Ghosal | ০৯ জুলাই ২০২৪ ১৪:৪৯534425
  • খুব ধারালো - যুক্তিযুক্ত কথা।
  • যদুবাবু | ০৯ জুলাই ২০২৪ ১৭:৪১534431
  • লেখাটা ভালো লেগেছে। আর সত্যিই আশ্চর্য ব্যাপার। আপনাকে যা বলছিলাম, সেই নেমসেকের গোগোল মনে পড়ল। :) 
  • অমিতাভ চক্রবর্ত্তী | ০৯ জুলাই ২০২৪ ১৯:৫৫534432
  • "... আমাদের দেশ গণতান্ত্রিক দেশ। প্রশ্ন আপনারা করতেই পারেন, কিন্তু তার জন্য প্রশ্নসংহিতাকে মেনে চলতে হবে।"
    -  এইটি হয়ে গেলে নিশ্চিন্ত। 
  • রমিত চট্টোপাধ্যায় | ০৯ জুলাই ২০২৪ ১৯:৫৬534433
  • ভালো লাগল লেখাটা।
    প্রথম দিনই খবরে নামটা চোখে পড়েছিল। :-)
  • মোহাম্মদ কাজী মামুন | ০৯ জুলাই ২০২৪ ২২:৫০534440
  • "ফলে বিদ্রোহী এবং বিদ্রোহ দমনকারীর এক শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের নামই গণতন্ত্র।"
    হয়ত ভারতের কথা লিখেছেন কিন্তু পাশ্বরর্তী একটি দেশের সাথে হুবুহু মিলে যাচ্ছে কী করে!!  আরো তলিয়ে দেখলে বর্তমান দুনিয়াটার সাথেই তো মিলে যাচ্ছে! 
    "ধরুন আমাদের বুকশেলফ ভরে উঠতে পারে বিভিন্ন সংহিতায়।" /"প্রশ্ন আপনারা করতেই পারেন, কিন্তু তার জন্য প্রশ্নসংহিতাকে মেনে চলতে হবে।" 
    শেষ কবে এমন তীক্ষ্ম ছুরির মত হিউমারে ভরা লেখা পড়েছি মনে পড়ছে না। 
  • বনানী রায় | 59.9.***.*** | ১০ জুলাই ২০২৪ ১৮:৩৪534478
  • মতামতসংহিতা  কি  নাগালের মধ্যে আছে ? 
  • Suvasri Roy | ১১ জুলাই ২০২৪ ০০:১০534484
  • সর্বগ্রাসী, প্রভুত্ববাদের দিকে যাচ্ছে। 
    সমনামী'র ব্যাপারটা অদ্ভুত!
  • নক্ষত্র রাহা | 223.19.***.*** | ১২ জুলাই ২০২৪ ০৯:৪১534528
  • কিন্তু যাদের পুকুর জলশূন্য ফুটিফাটা তাদের সংহিতা কেনো  আপনার সুশোভিত বইয়ের তাকে ততধিক সজ্জায় যে বইগুলো থারে থরে আলো ছড়াচ্ছে তার একটা বই কেনারও সাধ্য নেই, তাইতো আপনার কাছ থেকে আপনার লেখা একটা বই বিনা পয়সায় চেছিলাম। রাষ্ট্রের রূপ যে সর্বত্রই এক এবং অভিন্ন। সুস্থ থাকবেন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল প্রতিক্রিয়া দিন