এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • স্বপনের স্বপ্নভঙ্গ : (ছোটগল্প)

    Anindya Rakshit লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ | ৫০ বার পঠিত
  • (parental advisory - explicit content)
     
    বটাদার চায়ের দোকানে পিলু এসে বসল সকাল এগারোটা নাগাদ। স্কুলে আজ প্রজাতন্ত্র দিবসের ছুটি। সকালে তাই ব্রেকফাস্ট করেই ঠেকে চলে এসেছে। এই সময়টাতে সাধারণতঃ ওদের ঠেকের কেউ না কেউ থাকে এখানে, কিন্তু আজ এখনও কারোর পাত্তা নেই। অগত্যা পিলু একাই চায়ের অর্ডার দিল। বটাদার হাঁটুর ব্যথার খোঁজ নিল। ওর ছেলের পরীক্ষার রেজাল্ট কেমন হলো, সেই খোঁজও নিল। আরও  কয়েকজন স্থানীয় মানুষ বসে গল্প করছিলেন। তাদের সঙ্গেও আলাপচারিতা চালাল কিছুক্ষণ।
     
    বেশ কিছুক্ষণ কেটে যাওয়ার পর, পিলু বটাদাকে দ্বিতীয়বার চা দেওয়ার কথা বলেছে , আর ঠিক সেই সময়ে স্বপন ঢুকল। সলিড ব্যাজার মুখ। পিলুর পাশে ধপ্ করে বসে পড়ে, নাক দিয়ে প্রভূত পরিমাণ বাতাস বেশ জোরালো শব্দে আর বেশ কিছুটা সময় নিয়ে রিলিজ করে একটা রিমার্কেব্ল্ শ্বাস ছাড়ল যেটা প্রকৃতই ‘দীর্ঘ’ ছিল।   
     
    বটাদা, স্বপন আর পিলুর দিকে দু’ ভাঁড় চা এগিয়ে দিল। স্বপন চুপচাপ সেটা নিয়ে পাশে রেখে দিল।  মুখের তেতো ভাব যেমন কে তেমনই রইল। 
     
    ওর ভাবগতিক দেখে পিলু আর চুপ করে থাকতে পারল না। বলল – কী হয়েছে টা কী তোর ? এরকম ব্যাজার মুখ করে, গুম মেরে আছিস কেন ? বউয়ের সাথে ঝগড়া করে এলি নাকি ?
     
    পিলু জানে যে এটা স্বপনের প্রায়ই হয়ে থাকে।
     
    স্বপন চুপ।  
     
    কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে পিলু ফের বলল – বুঝেছি , নিশ্চই কোনও পার্টির থেকে মাল সাপ্লাইয়ের  পেমেন্ট পাস নি, মটকা তাই গরম হয়ে আছে।
     
    তবুও ওদিক থেকে কোনও উত্তর নেই। ইতিমধ্যে চায়ের ভাঁড়টি কিন্তু চুক চুক করে অনেকটা খালি করে ফেলেছে। সেই দেখে পিলু আর কথা বাড়াল না। ঠেকের আর কোনও সদস্য় আসে কি না, তার প্রতীক্ষা করতে লাগল বিরক্ত হয়ে।
     
    এমন সময়ে  স্বপন পিলুর দিকে ডান হাতটা বাড়িয়ে দিয়ে বলল – অ্যাকখান্ সিগারেট দে।
     
    পিলুও রাগ দেখিয়ে বলল – কী হয়েছে সেটা না বলতে পারলে নিজে কিনে খা গে। 
     
    স্বপন স্বর নামিয়ে বলল – এহানে  কওন যাইব না। অন্য কুথাও চল।
     
    পিলুকে বাইকের পিলিয়নে বসিয়ে, বিধান কলোনির শিব মন্দির ছাড়িয়ে, নবীন সঙ্ঘের খেলার মাঠে এসে উপস্থিত হলো স্বপন। কিন্তু সেখানেই না থেমে মাঠের অপর প্রান্তে, নটবর গোঁসাইয়ের ঝোপঝাড়ে ভরা, পরিত্যক্ত আর ভেঙ্গে পড়া আখড়ার সামনে এসে বাইক থামাল। পিলু আঁচ করল, ব্যাপার কিঞ্চিৎ জটিল আর গোপনীয়। না হলে, নিজেদের পাড়া থেকে দূরে, এই ঝোপঝাড়ে ভরা  জনহীন জায়গায় স্বপন ওকে নিয়ে আসবে কেন ? আখড়ার সামনে বাইক রেখে, আরও কয়েক পা হেঁটে গিয়ে মাঠের শেষ সীমা, কাঁচা নর্দমার ধারে এসে থামল দুজনে।
     
    পিলু বলল – এবারে বলতো, কেস টা কী ?
     
    – আগে মা শেত্লার দিব্যি কইরা ক যে কাউরে ক’বি না ব্যাপারটা – দ্যাখ পিলু , তর লগে অন্যরকম সম্পর্ক, ইয়েল্লিগা তরে কইতেআছি।   
     
    – ঠিক আছে। কাউকে বলব না। কী হয়েছে সেটা বলবি তো আগে…  
     
    দুজনে দুটো সিগারেট ধরাল। স্বপন হুশ হুশ করে তিনটে বড় বড় টান দিয়ে, নাক দিয়ে গলগল করে ধোঁয়া ছেড়ে বলল – খুব ঠইক্য়া গেছি I অহন্ হালায় পছ্তাইতেআছি।
     
    পিলু চুপ।
     
    সিগারেটে  আর একটা টান মেরে, স্বপন আবার মুখ খুলল – আরে বাঁ.. রুজ রুজ বিজ্ঞাপন দ্যাখতে দ্যাখতে ভাবলাম, একবার হালায় কিন্যাই দেহি। তুই তো জানছ্ , ঐ ব্যাপারে আমার স্যাটিসফ্যাকশনের একটু অভাব আছে। নিজেরটারে সবসময় হালায় ছুটো ছুটো মনে হয়। অন্য সবারটারে বড় লাগে। তাই ভাবলাম, একখান্ কিন্যা ইউজ কইরা দেহি না কুন্অ কাম অয় কি না…  অ্যাত বিজ্ঞাপন যহন্ দিতেআছে দিনে-রাইতে… তার উপরে জাপানি ম্যাশিন্ বইল্যা কথা…    অ্য়াক্কেরে ফালতু মাল কি হইব ?
     
    পিলু বলল – তো ?
     
    স্বপন ব্যাজার মুখ করে, ওর ক্যানক্যানে কন্ঠস্বরে নিদারুণ হতাশা মাখিয়ে বলল – কুন্অ কাম অয় নাই হালায় ! একচুলও বাড়েনাই ! আমি মাইপ্যা দ্যাখ্ছি। মাঝের থিক্যা অ্য়াকগাদা টাকা হালায় মিছামিছি জলে গেল।
     
    স্বপনের করুণ উপাখ্যান শুনতে শুনতে আর সিগারেট টানতে টানতে পিলু হাত বাড়িয়ে স্বপনের ঘাড়ে বসে রক্ত চুষে পেট ফুলিয়ে ফেলা একটা মশাকে সশব্দ চাপড়ে উপরে পাঠিয়ে দিল। স্বপনের তাতে কোনও ভাবান্তর লক্ষ করা গেল না।
     
    হাতটা স্বপনের প্যান্টের পিছনে মুছে ফেলে পিলু বলল – যদ্দূর জানি, এসব কোম্পানির বিফলে মূল্য ফেরতের গ্যারান্টি থাকে আর, একটা ফোন নম্বরও দেওয়া থাকে প্যাকেটে বা বিজ্ঞাপনে I তুই ঐ নম্বরে ফোন করে টাকা ফেরত চাইছিস না কেন ?
     
    – হেই কথাডাই তো ভাবতেআছি কাল থিইক্যা। অগো নম্বরও স্যাভ্ করছি , কিন্তু হালায় সাহস   পাইতেআছিনা I কেমুন য্যান্ সঙ্কোচ হইতেআছে I
     
    – সঙ্কোচের কী আছে ? তুই ঝানু ব্যবসায়ী। তোকে ঠকিয়ে তোর কষ্টের রোজগার কেউ মেরে দেবে, আর তুই সেটা হতে দিবি ? এখনই ফোন লাগা। স্পিকারে রাখ। প্রয়োজনে আমিও কথা বলব। টাকা ফেরত না দিলে দুজনে মিলে চুটিয়ে খিস্তি করব শালাদের। এখানে আর কেউ নেই তাই স্পিকারে রেখে কথা বললে কোনো চাপ নেই I তুই নম্বর লাগা।  
     
    পিলুর আশ্বাসে ভরসা পেয়ে স্বপন পকেট থেকে ফোন বের করে, কাঁপা কাঁপা হাতে নম্বরের  বোতামগুলোতে আঙ্গুল ছোঁয়াতে লাগল। দু দফা প্লিজ ট্রাই এগেইন লেটার শোনবার পর, তৃতীয় দফায়, ওদিকে রিং হচ্ছে শুনতে পেল দুজনে। তারপর এক মিষ্টি নারী কন্ঠ – নমস্কার, হোয়াইট  বেলুন মার্কেটিং-এ আপনাকে স্বাগত ; বলুন, আপনাকে কী ভাবে সাহায্য করতে পারি ? স্বপন সঙ্গে  সঙ্গে ফোনটা কেটে দিল।
     
    – কী হলো ?  
     
    – শুনলি না, মাইয়া মাইন্ষের গলা !
     
    – তো ?
     
    – তর হালায় মাথাখান্ গ্যাছে ! মাইয়া মাইন্ষেরে হেইসব কথা কওন্ যায় নাকি ?
     
    পিলু বলল – এই ধরণের কল গুলো কল সেন্টার থেকে রিসিভ করে I তুই আবার ফোন লাগা I এবারে হয়তো কোনও ছেলেও রিসিভ করতে পারে।
     
    স্বপন নিমরাজি গোছের মুখ করে, প্রায় শেষ হয়ে আসা সিগারেটে দুটো রাম টান মেরে সেটাকে ফেলে দিয়ে আবার ফোনের বোতাম টিপতে শুরু করল I
     
    এবারে, মেয়েলি ভঙ্গিতে কথা বলা এক পুরুষ কন্ঠ – নমস্কার, হোয়াইট বেলুন মার্কেটিং-এ আপনাকে স্বাগত ; বলুন, আপনাকে কী ভাবে সাহায্য করতে পারি ?
     
    স্বপন পিলুর দিকে তাকায় I
     
    পিলু ফিসফিসিয়ে বলল – আমার দিকে দেখছিস কি ? কথা বল, কথা বল…
     
    স্বপন একটু ভরসা পেয়ে কথা শুরু করল। এরপর যে কথোপকথন হলো, তা নিম্নরূপ :-
     
    স্বপন: আইজ্ঞা আমি তড়াগখালি থিক্যা কইতেআছি –                                                                                            
     
    অপর প্রান্তের পুরুষ কন্ঠ: বলুন স্যার, কী ভাবে আমি আপনাকে সাহায্য করতে পারি ?                             
     
    স্বপন: মানে – ব্যাপারখান্ হইছে কি – আমি – আপনাগো একখান্ পডাক্ট কিন্ছিলাম বিজ্ঞাপন দেইখ্যা, কিন্তু কুন্অ কাম অয় নাই। আমি আপনেগো কথামতন পোনারো দিন ইউজ কইরা দ্যাখছি I                              
     
    পুরুষ কন্ঠ: আপনি কোন্ প্রোডাক্ট-এর কথা বলছেন, স্যার ? আমাদের তো অনেক প্রোডাক্ট।                    
     
    স্বপন:(একটু ইতস্তত করে) আইজ্ঞা, আমি আপনাগো ঐ, জাপানি শিশ্ন-বর্ধক যন্ত্রের কথা কইতেআছি আর কিই … অ্যাত্গুলান টাকা দিয়া কিনলাম, কিন্তু কুন্অ কামই তো হয় না হালায় !
     
    পুরুষ কন্ঠ: কী কাজ হয় নি, স্যার ?                                                                                                       
     
    স্বপন: (চারপাশে একবার নজর চালিয়ে, কাছাকাছি পিলু ছাড়া আর কেউ নেই সেটা নিশ্চিত হয়ে নিয়ে) মানে – বাড়েই নাই তো – একচুলও বাড়ে নাই গত পোনারো দিনে। I                                                                                                              
    পুরুষ কন্ঠ: কী বাড়ে নি, স্যার ?                                                                                                            
     
    স্বপন:(পিলুর দিকে চেয়ে, দাঁতে দাঁত ঘষে) – ন্যাকামিখান্ দ্য়াখ্ছৎ ! (তারপর ফোনে) ঐ –  আপনেগো যন্ত্রে যেইডা বাড়নের কথা আছিল, হেইডা বাড়ে নাই I                                                                                                                      
    পুরুষ কন্ঠ: কোন্ যন্ত্রের কথা বলছেন স্যার ? আমরা তো অনেক রকমের যন্ত্র বিক্রি করি I                                                                                     
     
    স্বপন: কি মুশকিল – একটু আগেই কইলাম না ? (স্বর নামিয়ে) আপনাগো ঐ, জাপানি শিশ্ন-বর্ধক যন্ত্র I                             
     
    পুরুষ কন্ঠ: রাইট, স্যার I এবারে আপনাকে একটা প্রশ্ন করতে পারি ?                                                         
     
    স্বপন: করেন I                                                                                                                                    
     
    পুরুষ কন্ঠ: স্যার, আপনি কি জাপানি ?                                                                                                
     
    স্বপন:(ঝাঁঝালো ক্যানক্যানে স্বরে) আমি হালায় জাপানি হইতে যামু কুন্ আক্কেলে ! কথা শুইন্যা বুঝেন না আমি বাঙালী ?                                                                                                                                              
    পুরুষ কন্ঠ: রাইট, স্যার I এইজন্যই আপনার কোনও কাজ হয় নি আমাদের প্রোডাক্টে।                          
     
    স্বপন: মানে ??                                                                                                                                  
     
    পুরুষ কন্ঠ: মানে স্যার, আমাদের প্রোডাক্টের নাম, জাপানি-শিশ্ন বর্ধক যন্ত্র। আপনি তো স্যার  বাঙালী, তাই আপনার এতে কোনও কাজ হবে না। জাপানি হলে কাজ হতো। এইটাই তো স্বাভাবিক, স্যার। আশাকরি আপনি আমার পয়েন্টটা ধরতে পেরেছেন আর আমাদের পরিষেবায় আপনি সন্তুষ্ট হয়েছেন। হোয়াইট বেলুন মার্কেটিং-এ ফোন করবার জন্য় আপনাকে ধন্যবাদ।                                                                             
    স্বপন:(এবারে ওর ক্যানক্যানে স্বর সপ্তমে তুলে) তাইলে বিজ্ঞাপনে ল্যাখ্বার সময় জাপানি আর শিশ্নের মাঝে হাইফ্যান্ দ্যাছ্ না ক্যান্ রে হালার পো হালা !    
     
    কিন্তু ততক্ষণে ওদিক থেকে ফোন কেটে দেওয়া হয়েছে।
     
    প্রায় তিরিশ সেকেন্ড, যাকে বলে, কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে ছত্রিশ বছর বয়সী, কাঠ ও রট্ আয়রন ফার্নিচারের দু-দুটো বড় বড় দোকানের মালিক, বারো বছরের অভিজ্ঞ ব্যবসায়ী স্বপন সেই ঝোপঝাড়ে ভরা অস্থানে, মাটির দিকে চেয়ে দাঁড়িয়ে রইল আর গাদাখানেক মশার কামড় খেল।  আর তার ছেলেবেলার দোস্ত ও প্রতিবেশী, প্রায় তারই সমবয়স্ক, গিরীন্দ্রনন্দিনী-স্মৃতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক পিলু , যথাসাধ্য গম্ভীর মুখ করে দুহাতে নিজের চারপাশে উড়তে থাকা মশা তাড়াল।
     
    তারপর, স্বপন আর একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে, পিলুর দিকে ফিরে, ডান হাতটা বাড়িয়ে দিয়ে বলল – দে দেহি অ্য়াকখান্ সিগারেট…   
     
    দুজনে দুটো সিগারেট ধরিয়ে নীরবে হাঁটা শুরু করল যদিও বিধিসম্মত সতর্কীকরণ অনুসারে ধূমপান স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর।
     
    বি.দ্র. অথবা ডিসক্লেইমার :- এই রচনায় বর্ণিত ঘটনা, চরিত্রসকল, স্থান ও নামগুলি সম্পূর্ণ কাল্পনিক I কোনও বিশেষ জাতি, ধর্ম, ব্যক্তি, পেশা, ভাষা অথবা ভাষা-উচ্চারণের বৈশিষ্ট্যকে অসম্মান অথবা ব্যঙ্গ করা এই রচনার উদ্দেশ্য নয় I বাস্তবের সঙ্গে কোনও রকম সাদৃশ্য় এই রচনার কোনও অংশে দেখা গেলে সেইটি সম্পূর্ণ সমাপতন বলে ধরে নিতে হবে এবং এইজন্য রচনাকারকে দায়ী করা যাবে না I
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে মতামত দিন