এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাতা :
  • kk | 2607:fb91:89c:cac0:6172:3685:ad95:***:*** | ২৮ মার্চ ২০২৪ ০০:৪৬529883
  • "আর যারা মাখতে চায়নি সেই তাদের জন্য ও রঙ যন্ত্রণার, ঐ সকাল-দুপুর সরে থাকার, আড়ালে থাকার।" -- এই লাইনগুলো নিজের সাথে খুব মিলে গেলো। আমি দোল উৎসবটা একেবারেই ভালোবাসিনা। কিন্তু অন্যরা কে কীভাবে ভালোবাসেন তা দেখতে ভালোলাগে। তাই এই নিয়ে লেখাপত্র পড়তেও ভালো লাগে। ক্যালিডোস্কোপের প্রথম ছবি মন দিয়ে পড়লাম। বাকিগুলোর জন্য অপেক্ষা করছি। সঙ্গের ছবিটা দারুণ লেগেছে!
  • অমিতাভ চক্রবর্ত্তী | ২৮ মার্চ ২০২৪ ০১:০০529884
  • পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ কেকে! আশা রাখি পরের সংখ্যারা আসতে থাকবে।
  • Arindam Basu | ২৮ মার্চ ২০২৪ ০৭:৪৮529887
  • ভারি সুন্দর। 
  • অঞ্জনা ঘোষাল। | 2409:4060:211d:726b::23c3:***:*** | ২৮ মার্চ ২০২৪ ০৮:০৬529888
  • তোমার ক্যলিডোস্কোপ দিয়ে নিজের ছোটবেলা কে খুঁজে পেলাম। আমরা অবশ্য দুইবোন একসাথে রঙ খেলতে যেতাম। যে বছর যে বন্ধুর সঙ্গে ভাব থাকতো তাকেই সব রঙ মাখাতাম। শৈশবের স্মৃতিচারণ বড় মধুর। পরের সংখ্যা র আশায় রইলাম। 
  • অমিতাভ চক্রবর্ত্তী | ২৮ মার্চ ২০২৪ ০৮:৫২529891
  • অনেক ধন্যবাদ অরিন!
    অনেক ধন্যবাদ অঞ্জনা! তোমাদের রঙ খেলার এই গল্প ভালো লাগল খুব।
  • সমরেশ মুখার্জী | ২৮ মার্চ ২০২৪ ১৯:৫৩529910
  • ভালো লাগলো।

    "কিন্তু পুরনো দিনে আর ফেরা হয়না, আমারও হয়নি।"  
    হক কথা। কিছু জায়গায়, সময়ে, মানুষের কাছে ফিরে যেতে ইচ্ছে‌ করে বটে - কিন্তু তা মনে মনে জাবর কাটাই ভালো। ফিরতে পারলে হয়তো অনুভব করা যাবে ছন্দপতনের বেদনা - তখন মনে হবে - না ফিরলেই ভালো হোতো। আমি নিজে সেটা অনুভব করেছি। 

    তাই তো বলে - Never (physically) walk down the memory lane. 

    তাই তো শ‍্যামলদাও গেয়েছেন - “যাক যা গেছে তা যাক”

     
     
     
  • dc | 2402:e280:2141:1e8:b:f6cc:c2a2:***:*** | ২৮ মার্চ ২০২৪ ২১:১৪529915
  • ভীষন ভাল্লাগলো। আমার খুব ছোটবেলায় দাদু একটা পেতলের পিচকারি কিনে দিয়েছিল। সেটার মুখ দুরকম ছিলো, একটায় অনেক ছোট ছোট ফুটো আর অন্যটায় একটা বড়ো ফুটো। পাইপের সামনে প্যাঁচ ছিল, মুখগুলো প্যাঁচ ঘুরিয়ে একটা অন্যটার সাথে পাল্টানো যেতো। আর পাইপের ওপরে আরেকটা প্যাঁচ ওয়ালা জায়গা ছিল, সেখানে অন্য মুখটা লাগিয়ে রাখা যেত। সেই পিচকারির জল অনেক দূর অবধি যেত, তবে প্রতি বছর রাবার পাল্টাতে হতো। 
     
    ছোটবেলায় আবির দিয়ে রং খেলতাম, আরেকটু বড়ো হয়ে বাঁদুরে রং, সোনালি রং ইত্যাদিতে হাত পাকিয়েছিলাম। তবে ক্লাস নাইনে যখন পড়ি তখন আমাদের বাড়িতে দোলের দিন একটা বড়ো দুর্ঘটনা ঘটেছিল, তারপর থেকে রং খেলা ছেড়ে দিয়েছিলাম। 
     
    অমিতাভদাকে অনেক ধন্যবাদ পুরনো কথা মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য। যদিও জীবন এগিয়ে যাওয়ার জন্য, তাও ছোটবেলার কিছু কথা মনে পড়লে ভালোই লাগে :-)
  • অনুপম | 2405:201:800a:4116:85c8:20d9:9009:***:*** | ২৮ মার্চ ২০২৪ ২২:১১529918
  • অনেকের জীবনেই দোলের বিভিন্ন স্মৃতি থাকে। 
    কৈশোর থেকে যৌবনের মুখে প্রতিদিনের যাওয়া-আসার পথে এক দোতলা বাড়ির উপরের বারান্দায় বয়সে বড় এক রূপসীকে দেখতাম। যোজন দূরত্ব অনুভব করতাম। দোলের দিন দল বেঁধে হৈ চৈ করতে করতে ঐ রাস্তা দিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ঐ বাড়ির সামনে এসে আমাদের দলটা একতলায় ঢুকে পড়ল। একতলায় নাকি কোন বন্ধুর পরিবার ভাড়া থাকে। সেখানে রঙ খেলা নিয়ে এমন দাপাদাপি হল মে আমার বাঁ গালটা কেটে রক্ত ঝড়তে লাগলো। আমি যেন খানিক কৃষ্ণের জন্য বেঁহুশ মত হয়ে গেলাম। হুঁশ ফিরতে দেখি সেই রূপসী আমার থুতনি ধরে খুব যত্ন করে মুখের সামনে মুখ এনে আমার সুশ্রুষা করে যাচ্ছে। এমন দোলের অভিজ্ঞতা কি ভোলা যায়?
  • অনুপম | 2405:201:800a:4116:85c8:20d9:9009:***:*** | ২৮ মার্চ ২০২৪ ২২:৫৪529920
  • মে নয় যে
    কৃষ্ণের নয় ক্ষণের 
  • kk | 2607:fb91:89c:cac0:f81e:3179:9020:***:*** | ২৮ মার্চ ২০২৪ ২২:৫৬529921
  • তাই বলুন! আমি অনেকক্ষণ ধরে বোঝার চেষ্টা করছিলাম কৃষ্ণ আবার কখন বেহুঁশ হয়েছিলেন! অন্যরাই তো তাঁকে দেখে বেহুঁশ মতো হয়ে যেতো :-)
  • অমিতাভ চক্রবর্ত্তী | ২৮ মার্চ ২০২৪ ২৩:৫৬529923
  • ওঃ ডিসি, অমন একটি পিচকারি থাকা মানে ত ঐ দিন এই দুনিয়ার সেরা ঐশ্বর্য তোমার হাতে!  
    দুর্ঘটনা থেকে রঙ খেলাই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল যখন, বড় রকমই ঘটনা ঘটেছিল। sad
  • অমিতাভ চক্রবর্ত্তী | ২৯ মার্চ ২০২৪ ০০:০১529924
  • @অনুপম
    ভোলা যে যায়নি এবং এখনও যে তার শিহরণ কিছু হলেও রয়েছে, সেটা বোঝা যাচ্ছে। wink 
    পড়া এবং মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
  • Arindam Basu | ২৯ মার্চ ২০২৪ ০০:২৩529925
  • @অনুপম, আবার বেহুঁশ হয়ে পড়লেন? 
  • Arindam Basu | ২৯ মার্চ ২০২৪ ০০:২৫529926
  • Pubali | 2a09:bac3:700e:13e1::1fb:***:*** | ২৯ মার্চ ২০২৪ ০৭:৩৬529931
  • ভীষণ ভালো লাগলো। নিজের শৈশবও মনে পড়লো। আমাদের সময়টা অনেকটা আলাদা হলেও অনুভূতিগুলোতে খুব মিল পেলাম।  
  • অভিজিৎ চক্রবর্তী। | 103.24.***.*** | ২৯ মার্চ ২০২৪ ১২:১৫529946
  • লেখা টি পড়ার পর অনুভূতি হয়-এ যেন সেই পাতাঝড়া গাছের পাতা ঝড়ার মত স্মৃতিঝরার পাতা গুলিকে একস্থানে এনে মানসলোকে দৃশ্যমান করে তুলেছেন শিল্পী-লেখক তাঁর অপূর্ব মুন্সিয়ানা তে। পড়ে র সৃষ্টি র অপেক্ষায় থাকলাম। 
  • পাপাঙ্গুল | ২৯ মার্চ ২০২৪ ১৮:১৩529954
  • নেটে খুঁজে ক্যালিডোস্কোপের আগের লেখাগুলো পড়ে ফেললাম।

    আপাত 'আউলা-ঝাউলা ভুলো-মন' নিয়েই লেখক লিখে ফেলেছেন কোচবিহারের বর্ষায় জানলার পাশে ভিজতে থাকা কলাবতী ফুলগাছ, সাপ আর বন্যার স্মৃতি। অরণ্য ষষ্ঠীর সকালে তোর্সাতীর আর অগ্রহায়ণ মাস জুড়ে পালিত নাটাই ব্রত। চৈত্র সংক্রান্তির দিনে ছাতুর পুটুলি ছুঁড়ে দেবার লোকাচার। নান রঙের মঠ আর সাদা গোল কদমা। পনেরোই অগস্টের স্কুলের প্রভাতফেরির জিলিপি।

    ঘর্ঘরিয়া নদীর পাশে ঘর্ঘরিয়া গ্রাম। লাল পরীর দিঘীদের কাঁচকি মাছের ঝাঁকের মত সেই স্মৃতির ভূগোল গুগল ম্যাপে মিলবে না। সেখানে রান্নাঘরের দেওয়ালের পাশে একটুকরো বীজতলা। শখের সবুজ জমিতে হাওয়ায় দোলা হলুদ সর্ষেঢেউ।ঠাকুমার মুখের গল্পর পাশাপাশি মায়ের সেলাইকল আর বয়স্ক বিদ্যালয়ে পড়াশুনো চলতে থাকে। বিকেলবেলা শুরু হয় পাড়ায় কাগজ দিয়ে বানানো চরকি আর ঢিলের সঙ্গে প্লাস্টিকের টুকরো বেঁধে ওপরে ছুঁড়ে প্যারাসুট হিসেবে ফুলে নেমে আসার খেলা। সন্ধে নামার আগে কাদায় ডোবা মাঠ একা পেরিয়ে সেই ঘরে ফিরে আসার নিয়ম। যাত্রা থেকে ফেরার পথে শিলাবৃষ্টিতে হারিয়ে যাওয়ার মত অজয় মুখার্জীর জনসভা, মহরমের মিছিল, কীর্তন এমন আরও অনেক কিছু দেখে সেই ঘরে ফিরে আসা। ফিরে ছাগল ঢোকার ভয়ে উঠোনের দরজা বন্ধ করে দেওয়া। সন্ধ্যাবেলায় চৌকিতে মার কোলে মাথা রেখে শোনা 'প্রণাম তোমায় ঘনশ্যাম'। রাত হলে জ্বলে ওঠে দিনের বেলা বাবার কেটে সমান করা সেজবাতি কি হ্যারিকেনের সলতের প্রান্তভাগ।

    ক্যালিডোস্কোপ আরও ঘুরতে থাকুক। 'কাল যতি হীন, তবুও।'
  • অমিতাভ চক্রবর্ত্তী | ২৯ মার্চ ২০২৪ ২১:২৬529958
  • পাপাঙ্গুল শুধু পড়ে ফেলেছেন নয়, কি চমৎকার করে গুছিয়ে সেই পড়াকে এখানে তুলেও আনলেন! অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। ক্যালিডোস্কোপে ছবির উপাদান - কাঁচের টুকরোগুলি না বদলালেও ছবি বদলে যায়। পুরনো লেখাদেরও এখানে ঘোরালে কাছাকাছি কিন্তু একটু অন্য ছবি ফুটে উঠবে এই আকাঙ্খাতেই ক্যালিডোস্কোপকে এখানে ঘোরাবার কথা ভেবেছি। দেখা যাক কি হয়। অনেকদিন তাকে কুলুঙ্গিতে তুলে রেখেছিলাম। পাঠকের ভাল না লাগলে আবার সে ঐখানেই ফিরে যাবে।  
  • r2h | 165.***.*** | ২৯ মার্চ ২০২৪ ২২:২৮529959
  • ভালো লাগলো।

    কিঞ্চিৎ একাকী ও ইন্ট্রোভার্ট বালকের বয়সন্ধির রং খেলা, মধুর স্মৃতি, মনে হওয়া যেন এই দিনটির জন্য আজীবন অপেক্ষা করা যায় এবং প্রতি এক বছরের মধ্যে অনেক কিছু বদলে যাওয়া ও নতুন রকম ভাবনা চিন্তা -এই সব বিষয়ে কিছু লিখে ফেলা যায়, সেরকম ভাবি, কিন্তু আসলে লিখে ফেলা খুব কঠিন।

    এই সিরিজটা চলুক!
  • r2h | 165.***.*** | ২৯ মার্চ ২০২৪ ২২:৩৪529960
  • পাপাঙ্গুলের পোস্টও ভালো লাগলো। ছবির মত।
  • kk | 172.58.***.*** | ২৯ মার্চ ২০২৪ ২২:৪৭529962
  • পাপাঙ্গুলের পোস্টটা আমারও খুব ভালো লাগলো।

    অমিতাভদাকে, আমার মনে হয়না কুলুঙ্গিতে কেউই ফিরে যাবে। দেখা যাক প্রেডিকশন মেলে কিনা।
  • অমিতাভ চক্রবর্ত্তী | ২৯ মার্চ ২০২৪ ২৩:৫২529963
  • হুতো, উৎসাহ দেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। একসময় একটানা লিখে গিয়েছি। পরে সেই ঝোঁকটা চলে গিয়েছে। এখন পুরনো লেখাগুলোকেই কাঠামো করে আরও কয়েকবার খেলনাটা ঘোরাবার ইচ্ছে আছে।  মুস্কিল এই, লম্বা সময়ের অনভ্যাসে জড়তা চলে এসেছে, স্মৃতিরা আরও ঝাপসা হয়েছে। দেখা যাক।
     
    কেকে, তোমার প্রেডিকশন মিললে বড়ই খুশি হব। smiley
  • নাহার তৃণা | 73.75.***.*** | ০৪ এপ্রিল ২০২৪ ০৯:৩৮530235
  • আজকের বেড টাইম স্টোরিতে তোমার ক্যালিডোস্কোপে চোখে রেখে পড়ে নিলাম রংমাখা শৈশবের গল্প। নতুন করে বলবার অপেক্ষা রাখে না তোমার মতোই তোমার লেখা বড়ই মায়াময়। মাঝপথে থামলে চলিবেক নাই কিন্তু দাদাই। সময় সময় এসে যেন নতুন গল্পের হদিশ পাই। মাভৈ! 
     
     
  • অমিতাভ চক্রবর্ত্তী | ০৪ এপ্রিল ২০২৪ ১০:০৩530237
  • নাহার তৃণা | 73.75.130.224 | ০৪ এপ্রিল ২০২৪ ০৯:৩৮
    অনেকগুলা ধইন‍্যাপাতা, আয়নাদিদি! চেষ্টা জারি আছে। পরের পর্ব শনিবারে আসছে।
  • lcm | ০৪ এপ্রিল ২০২৪ ১০:১৬530238
  • খাসা হইসে। বাঁশের পিচকারি বানাইছিলাম এককালে। 
  • পাতা :
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। সুচিন্তিত প্রতিক্রিয়া দিন