
রঞ্জনবাবু, টাকা আনা সের এইসব নিয়ে একটা প্রশ্ন ছিল আপনার কাছে, এর সিম্বল গুলো একটু লিখে বুঝিয়ে দেবেন? মায়ের একটা ৬৩ সালের ডায়েরি তেদেখেছি তিনি। ।., \. ধরণের নানার রকমের চিহ্ন এঁকে রাখতেন সংখ্যাগুলোর পাশে। ডায়রিটা হাতের কাছে আমার এই বাড়িতে নেই, কিন্তু চিহ্নগুলো কতকটা মনে আছে।
Abhyu | 47.*.*.* | ১১ মে ২০২১ ০৬:১৭105848অরিনদা, এই রকম? :)

Amit | 203.*.*.* | ১১ মে ২০২১ ০৮:৩০105849এটা পড়তে পড়তে অনেকটা যেন তপন রায়চৌধুরী র বাঙালনামার ফ্লেভার পাচ্ছি। জব্বর হচ্ছে।
Abhyu, ছবিটা দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না, আরেকটি বার তুলে দেয়া যাবে?
Abhyu | 47.*.*.* | ১১ মে ২০২১ ০৮:৫৫105851https://www.banglabooks.in/children-books-2/sukumar-samagra-rachanabali-part-1-and-2-ebooks-pdf/
ভল্যুম ১, পৃষ্ঠা ১২৮। দেখুন তো হল কি না?
Abhyu | 47.*.*.* | ১১ মে ২০২১ ০৯:২৪105852অরিনদা, এই লিঙ্কটা খুলতে পারছেন? https://drive.google.com/file/d/10ORsWP1LMBl2NnnMMdDoIjcInZWswjtJ/view?usp=sharing
অভ্যুর ছবিটা আমি মোবাইল থেকে পরিস্কার দেখতে পাচ্ছি।
অভ্যু,একেবারেই এই জিনিস।
আমি "দানের হিসেব" গল্পটায় এইগুলো ছিল, ভুলে গেলাম কি করে?
আমার আর বেশিদিন নেই।
অরিন
দু'এক ঘন্টার মধ্যে পেরে যাব আশা করি। আসলে এত বছরের পর। টাকা, আনা ছাড়া সব সিম্বল ভুলে গেছি। আমার ছোটকার থেকে জেনে হোয়াতে পাঠাতে রিকোয়েস্ট করেছি ওনার ছোট ছেলেকে। গুরুর প্রাক্তন সপা চিন্টুবাবুর ছোটভাই।
বেচারা পায়ের সার্জারির ফলে ঘরে বন্দী। তবে এতদিনে ওয়াকার নিয়ে ঘরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ও রাজি হয়েছে।
সমরেন্দ্র বিশ্বাস | 2405:*:*:*:*:*:*:* | ১১ মে ২০২১ ১৩:৩১105861পোয়া, সের, গন্ডা, আনা, ধারাপাত এসব টেনে নিয়ে গেল পুরোণো জামানায়। যেহেতু আমার জন্মও পশ্চিমবঙ্গের এক বাঙাল পরিবারে, লেখার ভাষা, ডায়ালগ এগুলো যেন নিজস্ব পরিবারেরই পুরোণো সংস্কৃতি বলে মনে হয়। সুন্দর রসগ্রাহী লেখা। লেখাটির অন্তিমে আছে লাউয়া মিঞার চিঠি। তারই পরিপ্রেক্ষিতে অন্তঃপুরচারিনী সরজূবালার মন্তব্য এক মানবিক আবেদনে মনকে মোচড় দিয়ে যায়!
অপূর্ব !অদ্ভুত !অনেক পুরোনো কথা মনে পড়ে যায় !!সিকি আধুলি, নয়া পয়সা। ..এগুলো, তারপর দুধ বিক্রি করতে এসে গোয়ালা একগোছা লাউ শাক বা কুমড়ো ডাটা বা কোনো সবজি। ..এক্কেবারে ফ্রী, বিনিময় বাবার পুরোনো একটা ধুতি বা তিন পকেট ওয়ালা শার্ট চাওয়া, আমাদের বাড়িতে এইরকম ""লাউয়া মিঞা ""একজন ছিল, নাম লক্ষণ !!খড়ি ফারতো সারাদিন, একদিন কুড়ুলে পা কেটে যাওয়া, মা সেখানে গেঁদা ফুলের পাতার রস দিয়ে কাপড় বেঁধে দেন !!লক্ষণ ওই দিন আমাদের বাড়িতে থেকে খাওয়া দাওয়া করে বাইরের বারান্দায় শুয়ে পরে। ।..না কোনো পেন কিলার না টিটেনাস পরের দিন দিব্বি চাঙ্গা, ইমমুনিটির প্রাচুর্য্য !!! কোথায় গেলো ওসব দিন ???
Abhyu | 198.*.*.* | ১২ মে ২০২১ ২২:০৫105903রঞ্জনদার হয়ে এখানে তুলে দিলাম। আরো ভালো হয় উনি যদি নিজের লেখার মধ্যেই এটা ইনকর্পোরেট করে নেন।

থ্যাংকু অভ্যু।
আমার নিজের ফাইলে যুক্ত করলাম।