এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • দুনিয়াদারীর টুকিটাকি ৩২ : অন্য এক ইস্রাঈলের গল্প (পর্ব ১৬ )

    Debanjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৪০ বার পঠিত
  • আগের পর্বগুলো জানতে এখানে পড়ুন। পর্ব ১ , পর্ব ২, পর্ব ৩, পর্ব ৪, পর্ব ৫, পর্ব ৬, পর্ব ৭, পর্ব ৮ , পর্ব ৯
    , পর্ব ১০, পর্ব ১১ , পর্ব ১২, পর্ব ১৩ , পর্ব ১৪, পর্ব ১৫ |
    .
    সালোমে আলেক্সান্ড্রিয়ার সময়ে জুডিয়ার মানচিত্র (আনুমানিক ৭৬ - ৬৭ BCE) (সূত্র : চ্যাটজিপিটি ).

    মারিসা, ইদুমিয়া , জুডিয়া রাজ্য ৭২ BCE
    (ইদুমিয়ার শাসক অ্যান্টিপেটার এর ​​​​​​প্রাসাদ বাসিলেইয়া আন্টিপা থেকে )
     
    সম্রাজ্ঞী সালোমের জুডিয়ার সিংহাসনে বসবার পরে তিন বছর হয়ে গেছে | সালোমে এখন একছত্র সম্রাজ্ঞী জুডিয়ার | প্রত্যাশা মতোই তিনি সানহেদ্রিনের প্রায় সবকটি পদ ই তুলে দিয়েছেন ফারিসীদের হাতে | যিহোবার মন্দিরের কতৃত্বও সাদুসিদের হাত থেকে নিয়ে তুলে দিয়েছেন ফারিসীদের হাতে | বিনিময়ে সালোমের শর্তানুযায়ী সমস্ত নগরবধূদের রাজকীয় খরচে বিবাহ মেনে নিতে হয়েছে ফারিসীদের | সালোমের ভ্রাতা সাইমন এখন প্রত্যাশা মতোই সানহেদ্রিনের নাসি (প্রেসিডেন্ট) | তবে সাদুসিদের হাত থেকে সানহেদ্রিন ও যিহোবার মন্দিরের ক্ষমতা ছিনিয়ে নিলেও গ্যালিলি, সামারিয়া ও ইদুমিয়াতে সাদুসিদের ইয়ানাইয়ের আমলে প্রাপ্ত মনসবগুলো কিন্তু তাদের কাছ থেকে ছেড়ে নেননি সম্রাজ্ঞী সালোমে | ফলে অ্যান্টিপেটার ইয়ানাইয়ের আমলের সবরকম ক্ষমতা হারিয়ে এখন শুধু ইদুমিয়ার আঞ্চলিক শাসক মাত্র | নিজের প্রাসাদ বাসিলেইয়া আন্টিপাতে বসে মাঝেমাঝেই নিজের এই ভাগ্য বিপর্যয়ে খুবই দুঃখ করেন অ্যান্টিপেটার | ইয়ানাইয়ের আমলে তার যে একছত্র ক্ষমতা ছিলো জেরুসালেমের সৈন্যবাহিনীর আর জেরুসালেমের গ্রীক বণিকদের সঙ্গে ব্যবসার মধ্যস্থ হবার, সেসব আর কিছুই নেই তার | এখন তার কাজ বলতে ইদুমিয়ার মরুভূমির কয়েকটা ডাকাত তাড়ানো আর সীমান্তে নাবাতিয়ার আরব বণিক আর মিশরের টলেমী রাষ্ট্র এর সৈন্যদের সঙ্গে মাঝে মাঝে অলিভ ওয়াইনের গ্লাসে চুমুক দিতে দিতে সুখ দুঃখের গল্প করা | কোথায় তার পিতৃসম সামারিয় পুরোহিত আরণের সঙ্গে রোম গ্রীস মিশর ঘোরা বা সম্রাট ইয়ানাইয়ের সঙ্গে যুদ্ধযাত্রা করা বা দিনের শেষে নগরবধূদের সৌন্দর্যের মধ্যে ডুবে যাওয়া আর কোথায় এখনকার মারিসা প্রাসাদের এসব অলস দিনগুলো | তার নিজের ক্ষমতা হারানোর সেই দিনটা মনে পড়ে যায় বারেবারে নিজের প্রাসাদ অ্যান্টিপেটার এর ​​​​​​প্রাসাদ বাসিলেইয়া আন্টিপাতে বসে বসে | জেরুসালেমের ইয়ানাইয়ের মৃত্যুর পরে সেদিন ইয়ানাইয়ের সমস্ত বিশ্বস্ত সঙ্গী আর পার্ষদদের সানহেদ্রিনের বৈঠকে ডেকেছিলেন সম্রাজ্ঞী সালোমে | বেশ ভয়ে ভয়েই সেই সভাতে গেছিলেন অ্যান্টিপেটার | তার মনে হয়েছিলো এবং এরকম মনে করবার বেশ সঙ্গত কারণও ছিলো যে ফারিসীরা তাকে অর্থাৎ ওই ইদুমিয়ার গোয়িম শয়তানকে সবচেয়ে বেশি ঘৃণা করে ইয়ানাইয়ের পরেই | ওই জেরুসালেমের শয়ে শয়ে ফারিসীদের ইয়ানাইয়ের ত্রুসবিদ্ধ করে হত্যা করবার পিছনের আসল মাথা তো তিনিই ছিলেন | কাজেই ফারিসীরা যদি এখন তাকে হত্যা করতে চায় সেই ঘটনার প্রতিশোধে | তার কিছু অনুগত আরব সৈনিক ও গ্রীক বণিকদের সঙ্গেও যোগাযোগ রেখেছিলেন অ্যান্টিপেটার | মৃত্যুদন্ড হলেই সানহেদ্রিনের সভাতে গোলযোগ করে তারা তাকে পালাতে সুযোগ করে দেবে | একবার পালাতে পারলেই গ্রীক বণিকদের সাহায্য নিয়ে সোজা রোম চলে যাবেন তিনি | তবে সবাইকে অবাক করে দিয়ে সম্রাজ্ঞী সালোমে কিন্তু মৃত্যুদণ্ডের কোনো কথাই বললেননা | ইয়ানাইয়ের অন্য সব পার্ষদ সাদুসিদের তাদের পূর্ব পদ থেকে পদচ্যুত করলেও তাদের মনসবগুলো না কেড়ে তাদের সেখানেই ফিরে যাবার হুকুম দিলেন |
     
    সবার শেষে সম্রাজ্ঞী সালোমে ফিরলেন অ্যান্টিপেটার এর দিকে |
    "মাননীয় অ্যান্টিপেটার, সানহেদ্রিনের অন্যান্য সদস্যেরা বিশেষ করে ফারিসীরা আপনার মৃত্যুদন্ড চেয়েছিলেন যেহেতু এখনো তারা কেউই বিগত প্রধান পুরোহিত ইয়ানাইয়ের শাসনকালে আপনার আচরণকে ভুলে যাননি | কিন্তু আমি ভেবে দেখলাম যে অনেক রক্তপাত জুডিয়া দেখেছে ইয়ানাইয়ের শাসনে | কিন্তু আর এসবের প্রয়োজন নেই | তবে আপনার ভাড়াটে আরব গ্রীক রোমান গোয়িম সৈনিকদের জেরুসালেমের আর প্রয়োজন নেই | জুডিয়া তার সন্তানদের নিয়েই নতুন বাহিনী গঠন করবে | তবে বিগত শাসনে আপনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন তাছাড়া ইদুমিয়ার মরুভুমি সীমান্তেও এখন যোগ্য প্রাদেশিক শাসন প্রয়োজন | তাই আমি সিদ্ধান্ত নিলাম আপনাকে এই মুহূর্তে ইদুমিয়ার প্রাদেশিক শাসক নিযুক্ত করা হলো | আজকেই আপনাকে অনুরোধ করা হচ্ছে ইদুমিয়ার শাসনভার গ্রহন করতে | "
     
    এখনো মাঝে মাঝেই এই দৃশ্যটা মনে পড়ে যায় অ্যান্টিপেটারের | সিদ্ধান্ত শোনবার পর কিছুক্ষন তিনি নিজের কানকেও বিশ্বাস করতে পারেননি | তবে সম্রাজ্ঞী সালোমের ক্ষুরধার বুদ্ধির প্রশংসা করেন তিনি মনেমনে | এতো কূটকৌশল মাথায় আসে এই রমণীর ! তার প্রাণদণ্ড না দিয়ে তার সমস্ত ক্ষমতা কেড়ে নিয়ে তাকে এই ইদুমিয়ার মরুভূমির শাসনকর্তা করে পাঠানো যে তাকে রাজনৈতিক মৃত্যুদন্ড দেওয়া এটা বুঝতে পেরেছেন অ্যান্টিপেটার | সাপ মরলো লাঠিও ভাঙলোনা ! সারাজীবন কি এখন এই মরুভূমিতেই কাটবে তার ! এসব ভাবতে ভাবতেই ছটফট করে উঠলেন অ্যান্টিপেটার | সেসময়ে এক প্রহরী এসে খবর দিলো তাকে যে সিরিয়ার গ্রীক বণিক ফিলিপ এসেছেন তার সঙ্গে দেখা করতে | কিছুটা অবাকই হলেন এখবরে অ্যান্টিপেটার | ইয়ানাইয়ের শাসনের সময়ে জেরুসালেমে যেসব গ্রীক বণিকেরা বেশ ভালোভাবে রেশম ও মার্বেলের বাণিজ্য করতেন তার মধ্যে প্রধান এই ফিলিপ | তবে তখন অ্যান্টিপেটারের হাতে ছিলো অনেক ক্ষমতা | কিন্তু এখন তো ক্ষমতা কিছুই নেই তার | তাহলে তিনি এখানে কেন ?
     
    ফিলিপ এবার অভিবাদন করলেন মাথা নুইয়ে | অ্যান্টিপেটার সঙ্গে সঙ্গে বুকে জড়িয়ে ধরলেন তাকে |
    ফিলিপ : "মাননীয় অ্যান্টিপেটার, আপনাকে অনেক অভিনন্দন আজকে দ্বিতীয়বার সন্তানের পিতা হবার জন্যে |" বেশ অবাকই হলেন অ্যান্টিপেটার | দুই বছর আগেই তার একটি পুত্রসন্তান হয়েছিলো, তার নাম রেখেছিলেন ফাসায়েল | এটিও সঠিক যে এখন তার স্ত্রী গর্ভিনী | খুব শিগগিরই সন্তানের মুখ দেখতে চলেছেন অ্যান্টিপেটার | কিন্তু সেখবর ফিলিপ পেলেন কি করে ? আর এখন তো তার আগের মত সেই ক্ষমতাও নেই তাহলে তাকে এতো সম্মান প্রদর্শনের কারণ কি ?
    অ্যান্টিপেটার : "অনেক ধন্যবাদ বণিক ফিলিপ | কিন্তু আমি এখন জেরুসালেমের সম্রাটের প্রধান পরামর্শদাতা নই, ইদুমিয়ার এই মরুভূমির সামান্য সীমান্ত কোতোয়াল মাত্র | কাজেই আমার ক্ষেত্রে আপনার অত সম্মান প্রদর্শনের প্রয়োজন নেই | তাছাড়া বলুন আপনার ব্যবসা কেমন চলছে এখন ?"
    ফিলিপ : (তার মুখ একটু যেন ম্লান হলো এবারে মনে হলো অ্যান্টিপেটারের) "ভালো নয় একেবারেই | বর্তমান মাননীয়া সম্রাজ্ঞীর শাসনে এখন ফারিসীদের রমরমা | তারা আমাদের মত গ্রীক ব্যবসায়ীদের গোয়িম মনে করে প্রবল ঘৃণা করে | রেশম পথের আমার একসময়ের রমরমা বাণিজ্য এখন প্রায় উৎসন্নে যেতে বসেছে ! "
    তখনই ধাত্রী এসে খবর দিলো | বেশ উত্তেজিত সে | অ্যান্টিপেটারের দ্বিতীয় সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়েছে সবে | প্রথমটির মত এটিও পুত্র | তবে ধাত্রীর উত্তেজনার কারণ কি সেটি ভূমিষ্ঠ শিশুর মুঠো করা ছোট্ট কচি কচি হাত দুটো খুলতেই বুঝতে পারলেন অ্যান্টিপেটার | শিশুটির বাম হাতে মুঠোয় ধরা একটা ছোট্ট পাথর আর তার ডান হাতের মুঠোয় ধরা একদলা রক্ত | শিশুর এইসব লক্ষণ দেখেই উপস্থিত এক ইহুদী পুরোহিত অনুরোধ করলেন যেন অ্যান্টিপেটার এই সন্তানকে অশুভ জ্ঞানে পরিত্যাগ করেন | যে শিশু রক্ত হাতে নিয়ে জন্মায় সে বড় হলে যে কত প্রাণ হত্যা করবে কে জানে ! কিন্তু এবারে বাধা দিলেন গ্রিক বণিক ফিলিপ | তিনি বললেন, "এই শিশুটির হাতে রক্ত মানে এর হাতেই প্রচলিত কোনো ব্যবস্থার শেষ হবে | রক্ত সেটারই ইঙ্গিত | আর এই শিশুটির হাতের ছোট্ট পাথরটা বলছে এই শিশু নতুন কিছু সুমহান কিছু গড়ে তুলবে | আমি বলছি জেরুসালেমের ইতিহাসে এই শিশুর নাম চিরকাল লেখা থাকবে | আমি এর নাম দিলাম হেরোড | যার অর্থ মহান |"
     

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে মতামত দিন।