এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ব্লগ

  • হামপি

    %% লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ২৬ নভেম্বর ২০২৫ | ১৭২ বার পঠিত | রেটিং ৫ (২ জন)
  • ***
    কাকাবাবু বললেন, ও, তোরা তো সব ব্যাপারটা জানিস না। আমি সংক্ষেপে বলে দিচ্ছি। বিজয়নগর আর বাহমনি রাজ্যের কথা তো ইতিহাসে কিছুটা পড়েছিস। এই দুই রাজ্যে দারুণ শত্রুতা ছিল। প্রায় দুশো-আড়াইশো বছর ধরে ওদের মধ্যে লড়াই হয়েছে। কখনও বিজয়নগর জিতেছে, কখনও বাহমনি জিতেছে। তারপর হল কী এক সময় বাহমনি রাজ্য ভেঙে পাঁচ টুকরো হয়ে গেল। স্বাভাবিকভাবেই টুকরো-টুকরো হয়ে ওরা দুর্বল হয়ে পড়ল, আর বিজয়নগর হয়ে উঠল খুব শক্তিশালী! বিজয়নগরের রাজা তখন সদাশিব, তিনি ছিলেন অপদার্থ, আসল ক্ষমতা ছিল রাজারই এক আত্মীয়, রাম রায়ের হাতে। এই রাম রায় ছিলেন দারুণ বীরপুরুষ, তিনি অনেকগুলো যুদ্ধ জয় করে বিজয়নগর সাম্রাজ্যের সীমানা বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। ওদিকে বাহমনির সুলতানরা নিজেদের মধ্যে ঝগড়া করে মরছে।
     
    জোজো জিজ্ঞেস করল, তা হলে বিজয়নগর ধ্বংস হল কেন?
     
    কাকাবাবু বললেন, হল কী, কয়েকটা যুদ্ধ জয় করার পর ওই রাম রায়ের দারুণ অহঙ্কার হয়ে গেল। তিনি ভাবলেন, বিজয়নগরের সৈন্যদের আর কেউ হারাতে পারবে না। তিনি সুলতানদের খুব অপমান করতে লাগলেন। তখন। মরিয়া হয়ে সেই পাঁচজন সুলতান আবার জোট বাঁধল, তারা একসঙ্গে লড়াই করবে ঠিক করল। তাদের নেতা হলেন আলি আদিল শাহ। সেই পাঁচটি রাজ্যের ফৌজ একসঙ্গে আক্রমণ করতে এল বিজয়নগর রাজ্য। সেখানকার রাজা তো কোনও খবরই রাখতেন না। রাম রায় অহঙ্কার নিয়ে মত্ত ছিলেন। তিনি ভাবতেন, বাহমনির সুলতানরা এই রাজ্য আক্রমণ করতে সাহসই পাবে না। একদিন দুপুরে তিনি খেতে বসেছেন, এইসময় খবর পেলেন, শত্রুপক্ষ তাঁদের রাজ্যের অনেকখানি ভেতরে ঢুকে পড়েছে। খাওয়া ছেড়ে তক্ষুণি উঠে রাম রায় গেলেন যুদ্ধ করতে। তখন তাঁর বয়েস নব্বই-একানব্বই হবে! তবু সাহস ছিল খুব। বুড়ো প্রোফেসর ভগবতীপ্রসাদ শর্মা এই জন্যই রাম রায়ের পার্ট করতে চেয়েছিলেন, তাঁর বয়েসের সঙ্গে মানিয়ে যেত। যাই হোক, রাম রায় তো যুদ্ধ করতে গেলেন, সৈন্যদের বললেন, আলি আদিল আর অন্যান্য সুলতানদের প্রাণে মারবে না। জ্যান্ত ধরে আনবে, আমি তাঁদের খাঁচায় পুরে পুষব। কিন্তু ঘটনা ঘটল ঠিক উলটো। রাম রায় যুদ্ধে যেতে-না-যেতেই শত্রুপক্ষের একটা হাতি পাগলা হয়ে গিয়ে ঢুকে পড়ল এদিকে। সেই পাগলা হাতির তাণ্ডবে কাছাকাছির সৈন্যরা ভয়ে দৌড়তে লাগল। রাম রায় একটা চতুদোলা চেপে ছিলেন, সেটা থেকে তিনি পড়ে গেলেন। অমনি শত্রুপক্ষের কিছু সৈন্য তাঁকে দেখতে পেয়ে ধরে নিয়ে গেল সুলতানের কাছে। সুলতান একটুও দেরি না করে রাম রায়ের মুণ্ডুটা কেটে ফেলে একটা লম্বা বশীর ফলকে গেঁথে উঁচু করে দেখাতে লাগলেন বিজয়নগরের সৈন্যদের। রাম রায়ের কাটা মুণ্ডু দেখেই বিজয়নগরের সৈন্যরা ছত্রভঙ্গ হয়ে গেল। বিজয়নগরের সৈন্যবাহিনী ছিল বিশাল, ঠিকঠাক লড়াই হলে তারা জিততেও পারত, কিন্তু একজন ভাল সেনাপতির অভাবে তারা গো-হারান হেরে গেল, যে যেদিকে পারল পালাল। যুদ্ধে জয়ী হবার পর আলি আদিল ঠিক করলেন, বিজয়নগরের রাজধানীটাকেই একেবারে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেবেন, যাতে এরাজ্য আর কোনওদিন উঠে দাঁড়াতে না পারে। মাত্র কয়েকদিনের মধ্যেই বিজয়নগর একেবারে ধ্বংস হয়ে গেল।
    ***
    হরিহর আর বুক্ক রায় বলে দুই ভাই বানিয়েছিলেন এই বিজয়নগর সাম্রাজ্য। ~১৫০০ সালে কৃষ্ণদেবরায়ের আমলে সেটা শীর্ষে পৌঁছয়। তার কিছুদিন আগেই ভাস্কো দ্য গামা নেমেছেন কালিকুটে। ডমিংগো পেজের মত পর্তুগিজ, অন্যান্য ইতালিয়ান পর্যটকরা বিজয়নগরের কথা লিখে গেছেন। তাদের লেখায় বিজয়নগর রোমের চেয়েও বড় শহর ছিল। 
     
    ট্রেনে করে যেতে হয় হোসপেট। সেখান থেকে সরকারি লোকাল বাসে হাম্পি। জায়গাটা অনেকটা পাহাড়ের ওপর , একদিকে তুঙ্গভদ্রা। আবার তুঙ্গভদ্রার ওদিকে পাহাড়। পাহাড়ের ওপর বাসস্টপে, গাড়ি পার্কিয়েঙের বাইরে কাঁটাতেলে চলা অটোর দৌরাত্ব। তারা একটা ছাপানো ম্যাপ নিয়ে ঘোরে। সেখানে কোন কোন জায়গা দ্রষ্টব্য সেসব দেখানো। তেলুগু ভাষা বেশি চলে কারণ কাছেই অন্ধ্রপ্রদেশ সীমান্ত। 
     
    মূল চারমাথা থেকে বাঁদিকে গেলে ১৩০০ বছরের (?) পুরোনো বিরূপাক্ষ মন্দির। সে মন্দিরের ভেতরে ঢুকতে গেলে টাকা দিতে হয় দেখেই ঢুকলাম না। দর্শন পাঁচ টাকা , নারকেল দশ টাকা বাইরে একটা বোর্ডে এসব বিশদে লেখা থাকে। জুতো রাখতে গেলে দুটাকা। মন্দির চত্ত্বরে প্রচুর বাঁদরের উৎপাত। নদীর দিকে মন্দিরের পোষা একটা হাতিকে ঘিরে ভিড়। সে শুঁড় দিয়ে ভক্তদের মাথা ছুঁয়ে দিচ্ছে। ডিসেম্বরে পম্পাদেবী আর বিরূপাক্ষ [শিব]র বিয়ের উদযাপন হয় মন্দিরে। 
     

    বিরূপাক্ষ মন্দিরের চূড়া 
     

    মন্দিরের উঠোনের থাম 
     

    বিরূপাক্ষ মন্দিরের পেছন দিকে তুঙ্গভদ্রা ঘাট
     

    মন্দিরের অন্য দিকে এই হেমকূট পাহাড়। ডানদিকের উঁচু চূড়াটি গোপুরমের [মন্দির চত্বরে ঢোকার দরজা] , মূল মন্দিরের না। 
     

    হেমকূট পাহাড়ের ওপর অন্যান্য বাড়িঘর 
     

    দোতলা বাড়ি 
     

    পাহাড়ের ওপর শশীবেকালু গণেশ
     

    আরেকটি মন্দির। কোদালেকালু গণেশ। 
     

    পাহাড় থেকে এদিকে নামলে শ্রীকৃষ্ণ [কৃষ্ণদেবরায়ের নামে] মন্দির
     

    মন্দিরের উল্টোদিকে কৃষ্ণ বাজার 
     

    শ্রীকৃষ্ণ মন্দিরের দরজায় 
     

    মন্দির চত্ত্বর 
     

    মন্দির চত্ত্বরের পিছন দিক 
     

    গোপুরমের মাথায় কৃষ্ণদেবরায়ের উড়িষ্যা আক্রমণের ছবিপত্র 
     

    বিরূপাক্ষ মন্দিরের উল্টোদিকে হাম্পি বাজার। শেষে মাতুঙ্গা পাহাড়ে ওঠার ধাপ। 
     

    হাম্পি বাজারের শেষে দোতলা বাড়িতে বিরূপাক্ষ মন্দিরের দিকে মুখ করে নন্দী 
     

    সিঁড়ি ভেঙে মাতুঙ্গা পাহাড়ের ওপরে। 
     

    মাতুঙ্গা পাহাড় টপকে ওদিকে নামলে অচ্যুৎরায় বিষ্ণু মন্দির। 
     

    খিলান 
     

    গোপুরম ১ 
     

    গোপুরম ২ 
     

    অচ্যুৎস্বামী মন্দির থেকে বেরিয়ে তুঙ্গভদ্রার দিকে চলে গেছে এই কোর্টেশানস স্ট্রীট। [দুদিকের ঘরগুলি দেবদাসীদের] পুরাকালের মোচ্ছবের জায়গা।
     

    পাথরের ওপর দিয়ে এই রাস্তা চলে গেছে বিটঠল মন্দিরের দিকে। ডানদিকে গন্ধমাদন পাহাড়ের ওপর বাড়িগুলি। 
     

    গন্ধমাদন পাহাড়ের ওপর থেকে দূরে তুঙ্গভদ্রা 
     

    রাস্তার মাঝে এই স্থাপত্যের নাম রাজার ব্যালেন্স। তখনকার দিনে তুলাপুরুষ দান [নিজের ওজনের সমান সোনারূপো দান করা] অনুযায়ী বানানো তোরণ। 
     

    ছাদ নেই
     

    শ্রী নাম্মালবার [ভক্তি আন্দোলনের বৈষ্ণব কবি , দক্ষিণ ভারতে কবীরের সমতুল্য] মন্দির 
     
    এই রাস্তার শেষে আছে বিটঠল মন্দির চত্ত্বর। অর্থাৎ সন্ধ্যেবেলা বিরূপাক্ষ মন্দির থেকে বেরিয়ে রাজারা মাতঙ্গ পাহাড় টপকে এরাস্তায় হেঁটে হেঁটে বিটঠল মন্দিরে আসতেন। বিটঠল মন্দিরে ঢুকতে এএসআইয়ের টিকিট কাটতে হয়। এই মন্দির চত্ত্বরের উল্টোদিকে আছে বিটঠল বাজারের অবশেষ [কৃষ্ণ বাজার এবং হাম্পি বাজারের অনুরূপ সারি সারি খিলান]। বিটঠল -  বিষ্ণুর কৃষ্ণ অবতার। 
     

    এই মন্দিরেরই এক একটি থামে টোকা দিলে এক একরকম আওয়াজ বেরোয়। পুজোর সময় এভাবেই গানবাজনা করা হত। 
     

    কোনো থামে জলতরঙ্গের সুর , কোথাও সারেগামা এইসব এএসআই রেকর্ড করে কিউআর কোড রেখে দিয়েছে। স্ক্যান করলে শোনা যায়। অতি উৎসাহী জনতা যাতে মন্দিরে ঢুকে গানবাজনা না করতে পারে সেজন্য এই ব্যবস্থা। মন্দিরের ভেতর ঢোকা বারণ। 
     

    ওই চত্ত্বরেই থাকা কল্যাণ মণ্ডপের থামগুলি যেরকম সাধারণ। গানবাজনার জন্য নয়। 
     

    এই রথের সঙ্গে ছবি তুলতে জনতার ভিড়। 
     

     

    বিটঠল মন্দিরের পেছন দিক 
     

    তুঙ্গভদ্রার তীরে 
     
    বিটঠল মন্দির থেকে বেরিয়ে তুঙ্গভদ্রা ধরে গেলেও আবার বিরূপাক্ষ মন্দিরে ফেরত যাওয়া যায়। ওখানে একজায়গায় নৌকাবিহার হতেছে। হসপেটের কাছে বাঁধ থাকায় এখানে তুঙ্গভদ্রা হালকা। বিরূপাক্ষ মন্দিরের সামনের চৌমাথায় , গাড়ি পার্কিং বাসস্ট্যান্ডে ফিরে কৃষ্ণবাজারের পাশ দিয়ে পাহাড় থেকে হেঁটে নামতে শুরু করলে পুরোনো রাজপ্রাসাদের দিকের রাস্তা। দুপাশে জঙ্গল। রাজপ্রাসাদের ধ্বংসাবশেষ বিপুল এলাকা জুড়ে ছড়ানো। 
     

    এক মাঠের মধ্যে ভাঙ্গা দেউলে এই বাবু হয়ে বসা নরসিংহ মূর্তি। 
     

    মাটির তলায় প্রসন্ন বিরূপাক্ষ [পাতাল শিব] মন্দির। মূল মন্দিরের উঠোন কিছুটা জলে ডুবে থাকে বলে এরকম নাম। 
     

    ওই রাস্তাতেই পড়ে কোনো এক রাণীর অনুগ্রহে তৈরী হাজার রামচন্দ্র মন্দির। এটা তার বাইরের দেওয়ালে করা কাজ। 
     

    হাজার রামচন্দ্র মন্দির। 
     

    মন্দিরের গায়ে হাজারখানা রিলিফে এরকম রামায়ণের কাহিনী বর্ণনা করা আছে। গুণে দেখিনি। 
     

    মারীচ?
     

     
     

    শূর্পণখা ?
     

    ওই মণ্ডপের নাম মহানবমী ডিব্বা। দশেরার সময় এর ওপরে মোচ্ছব হত।
     

    রাজদরবার 
     

    রাজপ্রাসাদের পুষ্করিণী 
     

    কালো গ্রানাইট আর schist র বানানো মহানবমী ডিব্বা। 
     

    পাথরের কাজ 
     

    ধাপে ধাপে 
     

    লম্বা একুইডাক্ট 
     

    মহানবমী ডিব্বার ওপর থেকে প্রাসাদের অবশেষ
     

     
    ওই রাস্তা দিয়ে আরো নেমে যেতে থাকলে কমলপুর বলে এক ছোট জনপদ। সেখানে এএসআইয়ের জাদুঘর। বিটঠল মন্দিরের টিকিট দেখালে এখানে বিনামূল্যে ঢোকা যায়। 
     

    প্লাস্টার অফ প্যারিসে হাম্পির লেআউট 
     

    সেকালের পাথরের ডাম্ববেল 
     

    গরুড় 
     
    কমলপুর থেকে শেয়ার অটো /বাসে আবার হসপেট ট্রেন স্টেশন। এই সময় বাঁদিকে বিরাট বড় কমলপুর হ্রদ পড়ে। 
     

    হাম্পিতে তোলা মিউজিক ভিডিও।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ব্লগ | ২৬ নভেম্বর ২০২৫ | ১৭২ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    বিজাপুর - %%
    আরও পড়ুন
    বেলুর - %%
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ২৬ নভেম্বর ২০২৫ ২২:৫৭736176
  • হাম্পি যেতে হবে। শীতকাল ছাড়া যাওয়া মুশকিল,  এত্ত গরম। 
    ছবিগুলো অপূর্ব
    হাম্পি বললেই বা বিজয়নগর বাহমনি বললেই এখন আমার  রুশদির ভিক্টরি সিটি আর পম্পা কম্পনা  মনে পড়ে। 
  • %% | ২৭ নভেম্বর ২০২৫ ০০:১৩736178
  • হ্যাঁ বৃষ্টি হলেও চিটচিটে গরম ছিল। অনেকগুলো ছবি ছাতার তলা থেকে তোলা। 
  • dc | 2402:e280:2141:1e8:905e:ce67:c40:***:*** | ২৭ নভেম্বর ২০২৫ ০৭:৪৭736193
  • ছবিগুলো খুব ভালো লাগলো। আমরা তিন বন্ধু মিলে কোভিডের আগে হাম্পি ঘুরতে গেছিলাম। এই ধরনের প্রাচীন জায়গাগুলো দেখলে একটা জিনিস মনে হয়, আগেকার দিনের আর্কিটেকচার, অস্ত্রশস্ত্র ইত্যাদি এখনকার থেকে কিছুটা লার্জার স্কেলে হতো। মানে ছবিতে হয়তো অতোটা বোঝা যায় না, কিন্তু পাথরের বাড়িগুলোর কাছে গিয়ে দাঁড়ালে মনে হয় কি বিশাল বিশাল সব দরজা, সিঁড়ি, ইত্যাদি। আবার উল্টোটাও দেখেছি, অনেক জায়গায় সেসব যুগের মানুষদের থাকার বাড়ি প্রিজার্ভ করে রাখা আছে, সেগুলো আবার ছোট স্কেলে। এখনকার মতো স্কেলের স্ট্যানডারডাইজেশান ছিলো না বোধায়। 
  • %% | ২৭ নভেম্বর ২০২৫ ১০:১১736195
  • হ্যাঁ ঠিক। সেইজন্য সিনেমায় স্পেশ্যাল এফেক্টে ছোট ছোট সেট ব্যবহার করে। কিন্তু ক্যামেরায় বড় দেখায়। 
  • রমিত চট্টোপাধ্যায় | ২৭ নভেম্বর ২০২৫ ১১:৫০736197
  • আমিও কোভিদের আগে হাম্পি গেছিলাম। দুর্দান্ত জায়গা। Asi এর ম্যাপবই নিয়ে গেলে সবকটা জায়গা খুব ভালোমত বুঝে বুঝে ঘোরা যায়। যখন গেছিলাম তখন আবার হাম্পী ফেস্টিভ্যাল চলছিল, সরকারি বাসেই হসপেট থেকে হাম্পি পৌঁছে দিচ্ছিল দিব্যি বিনে পয়সায়। সবাইকে রেকমেন্ড করব ঘুরে আসার জন্য। অযুতাংশের ছবিগুলো খুব ভালো লাগল।
  • Aditi Dasgupta | ২৭ নভেম্বর ২০২৫ ১৩:০৫736202
  • হাম্পি স্বপ্নের মোটলেগেছিলো, তুঙ্গভদ্রার তীরে পড়ার কিছুটা ফল হয়তো। তবে পাহাড়ের  গা বেয়ে সেই সরু পথ দিয়ে গোল গোল নৌকো ভাসা নীল তুঙ্গভদ্রার তীরে সুলা বাজার গিয়ে মনটা খুব খারাপ হয়ে গিয়েছিলো। মেয়ে বিক্রির বাজার ছিল নাকি ওটা।
  • %% | ২৭ নভেম্বর ২০২৫ ২০:০৩736224
  • @রমিত :D
     
    অদিতি , হ্যাঁ দেবদাসীদের মনে হয়।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঠিক অথবা ভুল মতামত দিন