এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • জীবন তরঙ্গ - ৮    

    Sukdeb Chatterjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৭ মে ২০২৪ | ৫১৬ বার পঠিত
  • জীবন তরঙ্গ - পর্ব ৮

    ২৪ পরগণা সেই সময় একটাই ছিল, উত্তর আর দক্ষিণে ভাগ হয়নি। শেয়ালদা দক্ষিণ লাইনে বারুইপুর তখনো শহরের তকমা পায়নি। অঞ্চলটা একটা বর্ধিষ্ণু গ্রাম ছিল। দিগ্বিজয় মিত্র ছিলেন ওই গ্রামের একজন প্রভাবশালী লোক। দিগ্বিজয় আলীপুর কোর্টে ওকালতি করতেন। ভাল পসার ছিল, ফলে পয়সাও প্রচুর ছিল। অনেকটা জমি জায়গা সমেত বেশ বড় বাড়ি ছিল। দিগ্বিজয়্বর এক ছেলে এক মেয়ে। রজতের মা বাণী বড়, ছেলে রণজয় দিদির থেকে অনেকটা ছোট। ছোটবেলায় রজতের মামার বাড়িতে আসতে খুব ভাল লাগত। বাড়ি লাগোয়া বিশাল বাগান, আম, জাম কাঁঠাল, আরো কত কি। গাছ থেকে পেড়ে ফল খাওয়ার একটা আলাদা মজা আছে। বাগানেই কেটে যেত অনেকটা সময়। মামা কলেজ থেকে ফিরেই ভাগ্নেকে সাইকেলে চাপিয়ে ঘুরতে বেরিয়ে যেত। সে বড় আনন্দের দিন ছিল, কোন আবদার অপূর্ণ থাকত না। দাদুকে সকলে সমীহ করে চলত। দাদু যা বলতেন তার ওপর কোন কথা চলত না, একেবারে ডিক্টেটর। বাণীও নিজের বাবার সাথে একটু কিন্তু কিন্তু করেই কথা বলত। একে জামাই তায় আবার অধ্যাপক তাই একমাত্র বিকাশকে দিগ্বিজয় বেশ খাতির করতেন। তবে নাতি সামনে গেলে দাদু মানুষটাই পালটে যেত। অমন ঘমন্ডি মানুষ একেবারে শিশুর মত হয়ে যেতেন। বিত্তের কারণে এলাকায় দিগ্বিজয়ের প্রভাব প্রতিপত্তি ছিল বটে, কিন্তু মানুষ হিসাবে তাঁর মোটেই সুনাম ছিল না। উকিল হওয়ার সুবাদে নানা অছিলায় এলাকার কিছু লোককে কেসে ফাঁসিয়ে আত্মসাৎ করেছেন বেশ কিছু স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি। কিছু স্তাবক বাদ দিলে অন্যেরা তাঁর কাছে খুব একটা ঘেঁষত না। অবশ্য তিনিও বাচবিচার না করে যাকে তাকে তাঁর কাছে ঘেঁসতে দিতেন না। ছেলে রণজয় ছিল একেবারে বিপরীত চরিত্রের। দিলখোলা সিধে সরল মানুষ। অনেকটা ওর মায়ের মত। সকলের সাথে হেসে কথা বলত, প্রয়োজনে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করত। এমন মানুষকে তো সকলেই কাছে চায়। রণজয়কে তার আচরণের জন্য গ্রামের প্রায় সকলেই খুব পছন্দ করত। প্রায় সকলে বললাম কারণ, কিছু লোক তাকে অপছন্দও করত। দিগ্বিজয় তাঁর ছেলেকে কোন দিক থেকেই নিজের মত করে গড়ে তুলতে পারেননি। তাঁর ছেলে হয়ে রণজয় যার তার সাথে মিশছে, তাদের বাড়ি যাচ্ছে, বিপদে নিজের কাজকর্ম ফেলে তাদের পাশে থাকছে, এগুলো হজম করা তাঁর পক্ষে কঠিন। ছেলেকে নরমে গরমে অনেকভাবে বুঝিয়েছেন কিন্তু কোন কাজ হয়নি। লেখাপড়াটাও তাঁর পছন্দমত করল না। তাঁর একান্ত ইচ্ছে ছিল ছেলে আইন নিয়ে পড়ুক। হাতে কলমে কাজ শিখিয়ে একটা জায়গায় পৌঁছে দিতে পারবেন। অবাধ্য ছেলে তাও করল না, কলেজে ভর্তি হল অংকে অনার্স নিয়ে। এমন বেআদব ছেলেকে কোন বাবা পছন্দ করবে! চিরাচরিত প্রথা মেনে দিগ্বিজয়ের স্তাবকেরা নিজ স্বার্থে তার এই অপছন্দে ধুনো দিত। যদিও বাবার অনুপস্থিতিতে রনজয়ের সাথে দেখা হলে তাদের আচরণ সম্পূর্ণ ভিন্ন হত। ছোটবেলায় রজতের এসব ব্যাপার জানা বা বোঝার কথা নয়। তাই বড়দের সমস্যাগুলো ছিল একান্তই বড়দের, তার কোন ছায়া কখনো ওকে স্পর্শ করেনি। একটা সময় পর্যন্ত মামার বাড়ি মানেই ওর কাছে ছিল এক আনন্দ নিকেতন।

    নয়নের মামার বাড়ি বাগবাজারে। শরিকি আঁচড়ে টুকরো টুকরো হওয়া বাড়ির একটা টুকরো ওর মামাদের ভাগে পড়েছিল। মামাদের অংশে একতলায় আর দোতলায় দেড়খানা করে ঘর আর টয়লেট ছিল। এছাড়া ছিল কিছুটা দালান, যেটা বসার এবং খাওয়ার ঘর হিসাবে ব্যবহার করা হত। ব্যবহারে মিল থাকলেও ওই একটুকরো জায়গাকে ড্রইং কাম ডাইনিং বলাটা একটু বাড়াবাড়ি হয়ে যাবে। ওপরে ওঠার সিঁড়িটা ছিল কমন। দোতলায় রাস্তার দিকে একটা ঝুল বারান্দা ছিল। ওটাই ছিল ওই বাড়ির একমাত্র খোলা জায়গা। নয়নের দুই মামা, দুজনেই মায়ের দাদা। বড়জন চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট, নামী কোম্পানিতে আছে। এছাড়া নিজেও আলাদা ভাবে অনেক প্রতিষ্ঠানের হিসেবপত্র পরীক্ষা করে। বড় মামা মায়ের থেকে অনেকটা বড় হলেও বিয়ে হয়েছে মায়ের পরে। বড় মামার একটাই মেয়ে, নয়নের থেকে বছর তিনেকের ছোট। দাদু আর দিদা অনেক আগেই গত হয়েছেন। ছোটবেলায় নয়নের এই একটাই মামার বাড়ি ছিল, পরে তা বেড়ে দুটো হয়েছে। মেয়েটার যখন বছর পাঁচেক বয়স, বড়মামা প্রলয় ধর ওরফে ঝন্টু দমদমে ফ্ল্যাট কিনে চলে যায়। বড়মামা নিরুপায় হয়েই বাড়ি ছেড়েছিল। বড় পদে কাজ করে, নানা প্রয়োজনে বাড়িতে লোকজন আসত। প্রফেশনাল পরামর্শ নিতেও লোকজন আসে। এইটুকু জায়গায় খুব সমস্যা হত, কয়েকজন লোক একসাথে এলে বসতে দেওয়ার মত জায়গা হত না। ছোটভাই নন্দদুলাল বিয়ে করেনি বলে কোন রকমে হয়ে যাচ্ছিল। মেয়েটা বড় হওয়ার পর ওর পড়াশোনার জন্য একটা ঘর দরকার, তাই বাধ্য হয়ে যেতেই হল। দমদমে প্রলয়ের ফ্ল্যাটটা বেশ বড়। দুহাজার স্কয়ার ফিটের তিন কামরার বিশাল ফ্ল্যাট। অর্থ আছে তাই আয়েশ কিনতে কোন অসুবিধে হয়নি।

    ছোটবেলায় নয়ন বেশিরভাগ সময় মায়ের সাথেই মামার বাড়িতে আসত। বাবা এলেও রাতে খুব কমই থাকত। বাবা এখানে এলে মায়ের ছোট কাকাদের ঘরে থাকত। আহেলিকে তাঁরা নিজের মেয়ের মত ভালবাসতেন। তাঁদের আদর যত্নে রমেন নিজের শ্বশুর শাশুড়ির অভাব কখনো বুঝতে পারেনি। কাকা-কাকিমার কথায় পরে আসছি। নয়নের যতদূর মনে পড়ে দুই মামা যখন এই বাড়িতে একসাথে ছিল তখন দুর্গা পুজোর সময় বাবা দুবার থেকেছে। নয়নের বেশ মনে আছে সকলে মিলে হৈ হৈ করে ঠাকুর দেখতে বেরোন হত। সে কি মজা, কি আনন্দ! প্রথমবার তো বোন ঝিমলি একেবারে পুচকে বাচ্চা। ঝিমলিও নেহার মত নয়নকে নিজের দাদার মতই ভালোবাসে, একটু মান খাতিরও করে। বড়মামা দমদমে চলে যাওয়ার পর প্রথম প্রথম নয়নের খুব খারাপ লাগত। মায়ের সাথে দুই মামার বাড়িতেই মাঝে মাঝে যেত, কিন্তু আগের সেই আনন্দটা আর পেত না। মায়ের মত নয়নেরও একা থাকে বলে ছোট মামাটার জন্য কষ্ট হত। নন্দদুলালকে যদিও এ নিয়ে কোনদিন হতাশা প্রকাশ করতে কেউ শোনেনি। মনের ভেতরটা অবশ্য উঁকি দিয়ে দেখা সম্ভব নয়। তবে ও নিজের মত করে ভালই থাকত।দমদমে বড় মামার বাড়ি অনেক বড় আর ঝাঁ চকচকে হলেও নয়নের পছন্দের জায়গা ছিল বাগবাজারের বাড়িটা। এখানে ওর ছোটবেলার অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। বড়মামার ভালবাসায় কোন খামতি ছিল না, কিন্তু পেশার ব্যস্ততার কারণে বাড়িতে পর্যাপ্ত সময় দিতে পারত না। সেই অভাব পুষিয়ে দিত ছোটমামা। মামার বাড়িতে সকলে আদর করে নয়নকে ভন্টে বলে ডাকত। ছোটমামা ইতিহাসের শিক্ষক, ভবানীপুরে একটা স্কুলে পড়াত। নয়নরা যখন থাকত তখন স্কুলের সময়টুকু ছাড়া সারাক্ষণই ওদের সঙ্গে কাটাত। ছোটমামা গল্পের মত করে কি সুন্দর পুরনো কোলকাতার কাহিনী শোনাত। একটু বড় হওয়ার পর নয়ন মুগ্ধ হয়ে শুনত মহানগরের সেকালের গল্প। নিজেদের এলাকা বাগবাজার নিয়ে মামার খুব গর্ব ছিল।

    মামা মাঝে মাঝেই বলত, “বাগবাজার হল আদি কোলকাতা।”

    একদিন ঐ কথা শোনার পর নয়ন বলেই ফেলল—ছোটমামা,তুমি বারে বারে বল যে বাগবাজার হল আদি কোলকাতা। তার মানে অনেক আগে কোলকাতা বলতে শুধু এই বাগবাজারকেই বোঝাত?

    -- দূর বোকা, আমি কি তাই বলেছি নাকি? আজ যে বিশাল শহরটাকে দেখছিস তার বেশিটাই ছিল তোদের রহড়ার মত মফঃস্বল। যত সময় গড়িয়েছে এগুলো এক এক করে শহরের সাথে জুড়ে গেছে। শোন তবে শহরের একটু গোড়ার দিকের কথা বলি। আজ থেকে প্রায় আড়াইশ বছর আগের কথা। দিল্লীর বাদশাহকে তুষ্ট করে সাহেবরা তখন ধীরে ধীরে আমাদের এই শহরে গুছিয়ে বসতে শুরু করেছে। কোলকাতা তাদের বড়ই পছন্দের শহর। কিন্তু একটা উৎপাত তাদের কিছুতেই শান্তিতে থাকতে দিচ্ছে না। শুধু সাহেবরাই নয়, কোলকাতার যারা বড়লোক মানুষ, তাদেরও চিন্তার শেষ নেই। যদিও সেই উৎপাত তখনো শহরে আসেনি, কিন্তু আসতে কতক্ষণ! বাংলার মানুষের তখন খুব খারাপ সময় চলছে। সব সময়েই ভয়ে ভয়ে দিন কাটে, এই বুঝি তারা এল। কাদের জন্য এই ভয় জানিস?”

    নয়ন নেতিবাচক মাথা নাড়ে। নয়ন ফিরে দেখে পুরনো কোলকাতার গল্প শোনার জন্য ওর মাও পাশে এসে বসেছে।

    -- টিনা বলতে পারবি, কাদের ভয়ে তখন বাংলা কাঁপছে?

    -- বর্গি?

    -- ঠিক ধরেছিস। এই না হলে আমার বোন। ওদের নিয়ে এই ছড়াটা এখনো লোকের মুখে মুখে ঘোরে- “খোকা ঘুমালো পাড়া জুড়ালো বর্গি এল দেশে,

    বুলবুলিতে ধান খেয়েছে খাজনা দেব কিসে।

    ধান ফুরোলো পান ফুরোলো খাজনার উপায় কি?

    আর কটা দিন সবুর কর রসুন বুনেছি।”

    হানাদারদের গল্প শুরুর আগে টিনা একটু কড়া করে চা বানিয়ে আন।

    চলবে
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লাজুক না হয়ে প্রতিক্রিয়া দিন