এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  আলোচনা   সমাজ

  • সাধারণ মানুষের জীবন

    দীপ
    আলোচনা | সমাজ | ০৪ জানুয়ারি ২০২৬ | ১৯৮ বার পঠিত
  • একদিকে সাধারণ ঘরের ছেলেমেয়েরা সংসার চালানোর জন্য সকালসন্ধ্যা মুখে রক্ত তুলে পরিশ্রম করছে, অন্যদিকে নেতাদের সম্পত্তি ক্রমশ স্ফীততর হয়ে চলেছে!
     
    বছরের পর বছর কোনো পরীক্ষা নেই, কোনো যথাযথ নিয়োগপ্রক্রিয়া নেই!
     
    তৃতীয় বিশ্বের দেশে সাধারণ মানুষের জীবন!
    সংবাদপত্রের প্রতিবেদন।
    --------------------------------------------------------------------
     
    ইংরেজি, রাষ্ট্রবিজ্ঞানে মাস্টার্স ডিগ্রী ব্যাগে, হাতে টোটোর হ্যান্ডেল, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাজপথ টোটোর সিটে বসে স্বপ্নের মৃত্যু...
     
    কাগজে কলমে ওঁরা শিক্ষিত । স্নাতক, কেউ বা স্নাতকোত্তর । ক্লাস ঘরের বেঞ্চিতে বসে যারা একদিন রাষ্ট্র, সমাজ, সাহিত্য আর মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়ে স্বপ্ন দেখেছিলেন, আজ তাদের জীবনের চাকা ঘোরে টোটোর ব্যাটারিতে । রোজ সকালে সেই ব্যাটারি চার্জ দিতে দিতে যেন নিজের বুকের ভেতরের স্বপ্নগুলোকেও চার্জ দিয়ে তোলেন তাঁরা।
     
    প্রদীপ চৌধুরী রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অনার্স পাশ করেছিলেন । বইয়ের পাতায় লেখা সংবিধান, অধিকার, ন্যায়, সবই মুখস্থ ছিল তাঁর । কিন্তু বাস্তবের সংবিধানে তাঁর জন্য কোনও চাকরির ধারা ছিল না। ২০১৪ সালের সেই ডিগ্রি আজ আলমারির এক কোণে রাখা । রাস্তায় নামলে কেউ আর তাঁকে ‘রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ছাত্র’ বলে চেনে না, চেনে শুধু ‘টোটোওয়ালা’ ভাই হিসেবে । তবু প্রদীপ হার মানেননি । বুক চিতিয়ে বলছেন, এই টোটোই আজ তাঁর লড়াইয়ের অস্ত্র । কিন্তু যখন কোনও সওয়ারি তাচ্ছিল্যের হাসি হাসে, তখন বুকের ভেতর কোথাও একটা শব্দ করে ভেঙে যায় কিছু।
     
    রুমা সাহার গল্প আরও ভারী। বাংলায় অনার্স নিয়ে পড়াশোনা শেষ করেছিলেন । সংসার হয়েছিল, স্বপ্নও ছিল। কিন্তু হঠাৎ একদিন স্বামী চলে গেলেন চিরতরে। রেখে গেলেন তিন বছরের একটা ছেলে আর অসীম অন্ধকার। সেই অন্ধকারের ভেতর দাঁড়িয়ে রুমা ভাবলেন, কী করে বাঁচাবেন সন্তানকে ? কার কাছে হাত পাতবেন ? শেষমেশ ভাড়ার টোটো নিয়ে রাস্তায় নামলেন । দিনে পাঁচ-ছয়শো টাকা রোজগার । ওই টাকাতেই ছেলের স্কুল, দুধ, ওষুধ।
    কিন্তু রাস্তায় নামলেই সব যুদ্ধ শেষ হয় না। মেয়ে হয়ে টোটো চালানোর দাম দিতে হয় প্রতিদিন। কটূক্তি, কুদৃষ্টি, নোংরা প্রস্তাব, সবই সহ্য করতে হয়। রুমা বলেন, “একদিন একজন ইচ্ছে করেই পাশে বসতে চাইছিল । বুঝেছিলাম উদ্দেশ্য ভালো নয়। দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে নামতে বললাম। সেই মুহূর্তে মনে হচ্ছিল, আমি কি শুধু চালক, না মানুষও?”
     
    চন্দন চৌধুরী বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কলা বিভাগে মাস্টার্স করেছেন। কত পরীক্ষা দিলেন, কত ফর্ম ভরলেন সব ব্যর্থ। আজ তাঁর সংসার চলে টোটোর আয়েই। দিনে সাত-আটশো টাকা। ওই টাকাতেই ভাত, বিদ্যুৎ, বেঁচে থাকা। কিন্তু চন্দন সবচেয়ে বেশি কষ্ট পান তখনই, যখন অপমান আসে সেই সব মানুষের কাছ থেকে, যাঁদের সঙ্গে শিক্ষার কোনও সম্পর্কই নেই । তিনি বলেন, “চাকরি পাইনি বলে এই পেশা বেছেছি । কিন্তু আত্মসম্মান তো বন্ধক রাখিনি।"
     
    মহেশ্বর দেবনাথ ইংরেজিতে এমএ পাশ করে একদিন কলকাতায় চাকরি করতেন। করোনায় সব শেষ। শহরের চাকরি, সম্মান, সব হারিয়ে আজ টোটোই তাঁর ভরসা। সকালে কয়েকজন পড়ুয়াকে টিউশন, তারপর টোটো চালানো, সন্ধ্যায় আবার টিউশন। এইভাবেই দিন কাটে। ক্লান্ত শরীরে রাতে ঘুমোতে গেলে ভাবেন, এই কি ছিল জীবনের লক্ষ্য ?
    তবু ওঁরা কেউ হাল ছাড়েননি। প্রতিদিন রাস্তায় নেমে লড়ছেন । কেউ চোখে চোখ রেখে কথা বললে বুকটা একটু হালকা হয়। কোনও সাহিত্যিক, চিকিৎসক, শিল্পীর সহানুভূতির দুটো কথা পেলে মনে হয়, সব মানুষ এক রকম নয়।
     
    এই টোটোগুলোর শব্দের ভেতরে লুকিয়ে আছে এক একটা ভাঙা স্বপ্ন, এক একটা অসমাপ্ত গল্প। আমরা যারা সওয়ারি হয়ে বসি, হয়তো তাড়াহুড়োয় বুঝতেই পারি না, আমাদের সামনের সিটে বসে থাকা মানুষটা একদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন, স্বপ্ন দেখতেন, সমাজ বদলাতে চাইতেন। আজ শুধু বাঁচতে চান।
     
    টোটোর চাকা ঘোরে। সঙ্গে ঘোরে তাঁদের জীবন ।
    কিন্তু প্রশ্নটা থেকেই যায়, এত পড়াশোনা, এত মেধা, এত পরিশ্রম, এর শেষ ঠিকানাই কি টোটোর সিট ? অথচ ফোর পাসও নয়, মূর্খ নেতা-মন্ত্রী এবং তাদের ছেলেমেয়েদের ঘরে টাকার, সম্পদের পাহাড় জমে যাচ্ছে। আমাদের এ অরাজকতার অবস্থা, ব্যবস্থা কবে শেষ হবে, নাকি এর শেষ নেই ? আমরা কী নিরুপায় হয়ে যাচ্ছি? বেকারত্ব না ঘুচিয়ে প্রতিদিন মন্দির মসজিদ নির্মাণের ঘোষণা দিয়ে যাচ্ছি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • দীপ | 2402:3a80:1989:c778:578:5634:1232:***:*** | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১২:৪০746698
  • এবারে যখন শেওড়াফুলিতে ছিলাম, একজন ভদ্রলোক এসেছিলেন তার ছেলেকে নিয়ে। ছেলেটি ইতিহাসে অনার্স নিয়ে গ্রাজুয়েশান শেষ করেছে তিনবছর আগে। চাকরি পায় নি, এবং এখন কি করা উচিত ইত্যাদি প্রভৃতি। এরকম অপ্রস্তুত আমি জীবনে কমই হয়েছি। প্রথমতঃ ইতিহাসে অনার্স নিয়ে পড়লে বিসিএস এবং শিক্ষকতার পরীক্ষা দেওয়া ছাড়া কি কি করা যায় আমি সত্যি জানি না। 

    দয়া করে এরমধ্যে ইতিহাস অনার্সকে ছোট, বড়, মেজো, সেজো করছি ভাববেন না। আমি বাস্তবিকই জানি না। না জানলে, জানি না বলাটা বড় জরুরী। দ্বিতীয়তঃ এবং এটিই মুখ্যত, আমি এমন কিছু দুনিয়া দেখে শুনে বুঝে উল্টে গেছি বলে নিজে বিশ্বাস করি না যে আমি কাউকে ক্যারিয়ারে কি করতে হবে তার দিশা দেখাতে পারবো। 

    ছেলেটির বাবা অর্থাৎ কাকু পাশের ঘরে যাওয়াতে ছেলেটি আমাকে যা বললো তার সারমর্ম এরকম দাঁড়ায় যে সে জানে সে এইসব সরকারী চাকরি পাবে না। তার বাবা মা জানে না, কিন্তু সে জানে। ইনফ্যাক্ট সে নিশ্চিত। সে পড়াশোনায় অত ভালো ছিলোও না, আর ঘুষ দেওয়ার চ্যানেল আজকাল খুব শক্ত হয়ে গেছে। সে নিজে দালালের সাথে কথা বলে এসেছে। 

    দালাল কাকুটি ভালো, সে নিজেই বলেছে এক্ষুনি বাবাকে ফিক্সড ডিপোসিট ভাঙতে বারণ করো। পয়সা দিলেও এখন চাপ হচ্ছে। নিঃশব্দে শুনলাম। বললাম এ সত্যি ভারী দুঃখের কথা, টাকা দিলেও যদি চাকরী না হয় তাহলে মানুষ তো দিশেহারা হয়ে পড়বে।  

    বললাম তাহলে গত তিনবছর কি করেছো? বুঝলাম প্রথম বছর সে মূলত প্রেম করেছে তার কলেজের সহপাঠিনীর সাথে। একই কলেজ, ইতিহাসে অনার্স। মেয়েটি কলেজ শেষ করেই ডমিনোজে কাজ শুরু করেছিলো। ৯২০০ থেকে শুরু করে এখন উন্নতি করে হাতে ১১৬০০ টাকা পায়। ছেলেটি দ্বিতীয় বছরে জোমাটোতে ডেলিভারি শুরু করে, কিন্তু শেওড়াফুলি শ্রীরামপুরের দিকে না। কোলকাতায়। 

    বললাম কেনো? ছেলেটি হেসে বললো, 'তাহলে বাবার প্রেস্টিজে লাগতো, দাদা, বুঝলে না?' আমি বুঝলাম। না বোঝার কিই বা আছে। ডেলিভারির সাথে সাথে ছেলেটি ফেসবুকে মানিটাইজেশান পেয়ে গেছে, আমাকে প্রোফাইল খুলে দেখালো। এখন প্রতি মাসে দেড়-দুহাজার টাকা করে পেতে শুরু করেছে। 

    যা দেখলাম, সেই ফেসবুক আমার কাছে অপরিচিত। আপনারা যারা আমার লেখা পড়েন তারাও সেই ফেসবুক হয়তো চেনেন না। ছেলেটি প্রতিদিন অন্তত দুটি পোস্ট করে ফেসবুকে। কোন ব্যতিক্রম নেই, করবেই করবে। চাকরি করার মতো। যা খুশী ছবি, ভিডিয়ো, হাবিজাবি লেখা হোক, পোস্ট করতেই হবে। উইকলি চ্যালেঞ্জ বলে কিছু একটা হয় ফেসবুকে, আগে জানতাম না, ছেলেটি জানালো। প্রতি সপ্তাহে সে উইকলি চ্যালেঞ্জ পুরো করে। তার প্রতিটি পোষ্টের নীচে সারি সারি কমেন্ট, ... 'আমি আপনার পরিবার থেকে ঘুরে এলাম, আপনিও আমার পরিবার থেকে ঘুরে আসুন'। আরো কয়েকটা কমেন্ট যেগুলো অজস্র, ... "লাইক ফর লাইক".. "back to back in 10 " .. 

    এগুলোর মানে হচ্ছে ছেলেটি তার প্রতি ফেসবুক ফ্রেন্ডের পোস্টে লাইক দেয়, তারাও লাইক দেয়। সেও কমেন্ট করে, তারাও কমেন্ট করে। একজন অন্যজনকে ফলো করলে, অন্যজন প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে দশ মিনিটে তাকে ফলোব্যাক করে ফলোয়ার বাড়িয়ে দেবে। ছেলেটি ভিডিয়ো, রীলস করতে সময় কম পায়, তাও করে অল্পবিস্তর। 

    দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়েতে রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে একটা রীলস বানিয়েছিলো, একদম কানের পাশ দিয়ে একটা স্করপিয়ো চলে যাচ্ছে, সেটায় সবথেকে বেশী মানিটাইজেশান হয়েছিলো। একটামাত্র ভিডিয়োতে ৯ ডলার, প্রায় ৮২০ টাকা। বছর চব্বিশের ছেলেটির মুখটি খুশীতে ডগমগ করে। 

    বলি, এরপর কি করবে? যখন তোমার বয়স ৩৪ হবে, কিম্বা ৪৪, বা ৫৪? ছেলেটি বলে, জোমাটো তো আছেই, এবং ততোদিনে সে ফেসবুকে আরো অনেক, অনেক বেশী মানিটাইজেশান পাবে। ইনফ্যাক্ট সে নিশ্চিত। কি বলবো জানি না, হয়তো সে ঠিক, হয়তো এটাই আগামী পৃথিবী, এটাই সেই LinkedIn এ সেলিব্রেটেড গিগ ইকোনমি মডেল। বললাম, 'হাইওয়ের মাঝখানে দাঁড়িয়ে ঐরকম ভিডিয়ো বানিয়ো না, সব স্করপিয়ো যদি সাবধানে না যায়!' 

    ছেলেটি হাসলো, বছর চব্বিশের একটা অমলিন হাসি। 
    বললো, 'ভেবো না দাদা,.. গাড়িওলারা সাবধানে না চালাক আমি তো সাবধানেই থাকি...'

    প্রত্যক্ষদর্শীর বাস্তব অভিজ্ঞতা!
  • দীপ | 2402:3a80:1979:5864:778:5634:1232:***:*** | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২০:৪৮746802
  • পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ ঘরের ছেলেমেয়েদের বর্তমান অবস্থা! 
    যথাযথ কর্মসংস্থানের পরিবর্তে ১৫০০/- ভাতা! 
    মহাপণ্ডিতকুল নিশ্চুপ!
     
  • কামাল পাশা | 219.***.*** | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২০:৫৩746803
  • আরে তুই এখেনে কিকর্চিস র‌্যা দিফেছাগল? যাযা বাড়ি যা আজ রাতে বাপশা তোকে ইস্পেশাল গাদন দেবে বলেচে 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু মতামত দিন