এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • are | 162.*.*.* | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১১:৪৬92441
  • কোটার ঘটনা দেখলেন তো। বিদেশীদের জন্য ব্যবস্থা হবে, কোটার ছাত্রছাত্রী কি তীর্থ করতে যাওয়া লোকজনের জন্যেও হবে। কিন্তু এসব গরীব মানুষ ভারতে মনুষ্যপদবাচ্যই নয়।

    এই লকডাউনের ফলে এত লোক না খেতে পাওয়া, আধপেটা খাওয়া, শখানেক মাইল হাঁটা, এসব আর কোন সভ্য দেশে হয়না। ব্যক্তিগত উদ্যোগে ত্রাণ টান দিয়ে কতটূকু বা কতদিন? খুব দরকারি লেখা, একদম ঠিক বলেছেন, সরকারের দায়, আদায়ও তাদের থেকেই করতে হবে। কেরালা তামিলনাড়ু দেখিয়েছে, করা যায়। কিন্তু এসব করার চেয়ে লোকে হয় অন্যের কথা ভাববে না, ভাবলেও ওই ব্যক্তিগত রিলিফ মোডটুকুই কেবল।

    ট্রাম্পের মত সরকার ও এতগুলো লোককে এত বেকার ভাতা দিয়ে দিল। নাহয় বার্নির কেরামতিতেই। ইন্ডিয়ায় তেমন চাপ দেওয়ার মত বিরোধীও তো নেই। এই সুযোগে বেকার নথিভুক্ত করা বাড়িয়ে বিপুল পরিমাণ বেকার ভাতাটুকু পিএমকেয়ার ফান্ড থেকে দেবার চাপও তো দেওয়া যেত।

    এমনিতেও অবশ্য ইন্ডিয়ায় অর্ধেক মানুষ পোকামাকড়ের মতই থাকে আর মরে। বস্তিগুলো কি এমনি সময়েই মানুষের থাকা বাঁচার যোগ্য? গ্রামে রোজগারের সুযোগ না কমলে অনেক মানুষের মত জীবন কাটাতেন গ্রামে। গ্রামে ফিরে গেলেন যাঁরা, আর ফিরতে না হলেই ভাল। গ্রামে রোজগারের বন্দোবস্ত বাড়ানোর চাপও কোন দল টল দেয়না।

    দুর্ভাগা দেশ।

  • শামীম আহমেদ | 172.*.*.* | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১৩:০৭92443
  • খুবই জরুরি লেখা।
    শুরুতেই সদিচ্ছে ছিল না কারুরই। আমরা ভাবিও নি লকডাউনে কী কী হতে পারে। করোনায় ভয় দেখানোয় মেনে নিয়েছিলাম সার্বিক লকডাউন। তীর্থযাত্রী থেকে শুরু করে ক্ষমতার পাশে থাকা লোকজন সুবিধে/ছাড় পেয়েছেন লকডাউনে। সর্বহারারা পিলপিল করে বাড়িমুখো হতেই চমক ভাঙল দেশের। পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে তেমন স্পষ্টা ডেটা কোথাও নেই, কারণ অনেক ক্ষেত্রেই কাগজে-কলমে এদের অস্তিত্ব নেই। এরা 'দিন আনি দিন খাই' ভুক্ত, তাই। এদের বাড়ি পাঠাতে তোড়জোড় নেই কারোর। কোটায় পড়তে যাওয়া ভবিষ্যতের প্রকৌশলীদের বাড়ি পাঠাতে ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার, এমনও শুনলাম। আরও শুনলাম সরকার নাকি এই সুযোগে শ্রমিকদের কারখানায় ১২ ঘন্টা এবং তারচেয়েও বেশী খাটানোর জন্য আইনে কর্পোরেট-বান্ধব পরিবর্তন আনছে! বাড়ি পাঠানোর কোনও গল্পই নেই! আমরা যেন সরকারের এইসব অপপ্রয়াস আটকে গণ-বান্ধব, মানবিক শ্রমনীতি প্রণয়ন এবং প্রতিষ্টায় চাপ সৃষ্টি করি।
    পুনশ্চ
    এসব মানুষদের কাগজ দেখতে চাইছিল সরকার, যা শতাব্দীর সবচেয়ে নির্মম জোক।

  • হখগ | 172.*.*.* | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১৩:২১92444
  • ,
  • Amod Boshtumi | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১৩:৫৮92446
  • খুব দরকারি লেখা।

  • dc | 172.*.*.* | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১৩:৫৯92447
  • লেখাটার সাথে বেশীর ভাগ জায়গাতেই একমত, তবে কিনা এখানটা পড়ে মনে হলো একটু লিখে দেওয়া ভালোঃ "মোদ্দা কথা হচ্ছে কেরল শিখিয়ে দিল যে দুর্যোগের সময় স্থানীয় স্বায়ত্ত্বশাসন ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে হয় ও সেই ব্যবস্থার ওপর ভরসা রাখতে হয়।"

    মানে শুধু কেরল না, বিপর্যয় মোকাবিলায় সাউথের চারটে রাজ্যরই প্রশাসন বেশ দক্ষ। বেশ কয়েকটা বিপর্যয়ে দেখলাম, প্রথমে হয়্তো প্রশাসনের নড়ে বসতে সময় লাগে, কিন্তু তারপর মোটামুটি এফিসিয়েন্টলি অফিসিয়াল নেটওয়ার্ক কাজ করতে শুরু করে। চেন্নাইয়ের বন্যার সময়ে আর কেরলের বন্যার সময়েও দেখেছি। এখনও, শুধু কেরল না, তামিল নাড়ুতেও বেশীর ভাগ রাজ্যবাসী বিনামূল্যে রেশন পাচ্ছেন আর মাসে হাজার টাকা পাচ্ছেন (পার ফ্যামিলি)। আম্মা ক্যান্টিনেও খুব কম দামে খাবার দেওয়া হচ্ছে। মাইগ্র‌্যান্টদের জন্যও অনেকগুলো স্কুলে টেম্পোরারি ব্যবস্থা করা হয়েছে, তাঁদের সেসব শেল্টারে পৌঁছে দেবারও ব্যবস্থা হয়েছে।

    কেরলের মতো তামিল নাড়ুতেও কোভিড পরিস্থিতি বোধায় কিছুটা নিয়ন্ত্রনে এসেছে।

    মানে আমি তামিল নাড়ুর সরকারের হয়ে কাজ করিনা। তবে লেখাটায় শুধু কেরলের উল্লেখ আছে, তাই লিখলাম। কর্ণাটক, তামিল নাড়ু, আর অন্ধ্রও মোটামুটি কেরলের মতোই সাধারন মানুষের কাছে ত্রান পৌঁছে দিচ্ছে।
  • dc | 172.*.*.* | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১৪:০৬92448
  • আরেকটু ডিসক্লেমার দিয়ে দিঃ গুরুতে সব লেখাতেই দেখছি শুধু কেরলের কথা উল্লেখ হচ্ছে।

    কেরালা খুব ভালো জায়গায়, কেরল নিয়ে আমার কোনই অভিযোগ নেই ঃ-) তবে কিনা সাউথের অন্য রাজ্যগুলোতেও রেশন ব্যবস্থা প্রায় একই রকম এফিসিয়েন্টলি কাজ করছে, সেটা বলতে চাইছিলাম।
  • শিবাংশু | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১৪:২৮92449
  • শ্রমসাধ্য গবেষণা আর স্পষ্ট বিশ্লেষণ থেকে উঠে আসে রূঢ় বাস্তবের হাল-হকিকৎ। যে মানুষগুলি সরকারের হিসেবের মধ্যেই থাকেনা তাঁদের কথা এভাবেই মানুষের কাছে পৌঁছে দেবে লেখাটি। নেই হয়ে থাকা মানুষগুলি আমাদের বুঝিয়ে দিচ্ছে আমাদের সাজানো মোটরগাড়ি আর শপিং মলের পিছনে লোভ- রিরংসার জগতটা কতোটা নিষ্ঠুর, ক্লেদাক্ত।
  • Prativa Sarker | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১৫:১৫92451
  • হ্যাঁ,তামিলনাড়ুতেও খুব ভালো কাজ হচ্ছে। ঠিকই, বন্যার পরও হয়েছিল। আসলে মনে হয় করোনা যুদ্ধে পথ প্রদর্শক হিসেবে কেরলের একটা আলাদা গুরুত্ব রয়ে যাবে। সংক্রমণেও ফার্স্ট, রোগমুক্তিতেও ফার্সট।

    আর আমি টুপি খুলি লাগাতার দুর্যোগের মুখে শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে এই লড়াইয়ের জন্য। বিধ্বংসী বন্যা, ভূমিক্ষয়, নীপা ভাইরাস, করোনা, কেরলকে একের পর এক লড়তে হচ্ছে। সবেতে বিজয়ী। অজান্তেই কোথায় যেন তাই কেরলকে একটু এগিয়ে রাখতেই হয়।

  • dc | 108.*.*.* | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১৫:২৫92452
  • কেরলের মানুষের ব্যবহার অসাধারন। এতো ভদ্র আর এতো হেল্পফুল, ভাবা যায়না।
  • বিপ্লব রহমান | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১৭:২৫92465
  • শ্রমিকদের নিয়ে, নিরন্ন মানুষ নিয়ে এই বিশৃঙ্খলা এপারেও ব্যপক। লকডাউন উপেক্ষা করে বেতনের দাবিতে গার্মেন্টস শ্রমিক বিক্ষোভ হচ্ছে, শহর থেকে গ্রামাঞ্চলে হচ্ছে খাদ্যের দাবিতে ভুখা মিছিল।

    আর বেতের বাড়িতে সরকারের করোনা নাশ কর্মসূচি চলছেই। " ঘরে ঘরে খাদ্য সাহায্য পৌঁছে দেওয়ার" সুখচিত্র শুধু টিভির পর্দায়।

    আর লাখ লাখ ঘরহীন মানুষের জন্য ঘরে থাকার নিদর্শনা কি প্রহসন!

    "যাদের ঘর নাই, তাদের ঘরে ফেরার কোন
    তাড়া নাই। তবু না ফেরারাও আজ ফিরে
    যাবে ফের, না থাকা গ্রামের ঘরে। যার না
    থাকা উঠোনে প্রতীক্ষায় আছেন, না থাকা
    এক মা। খুবই সাধাসিধে। না জ্বলা চুলায়
    সেমাই রাঁধবেন তিনি, না ফেরাদের ঈদে।"
    (ইমতিয়াজ)

  • তনয় রায় | 162.*.*.* | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ২১:২৭92478
  • এই লেখাটি করোনা নিয়ে হাজার খানেক লেখার মধ্যে একটি ব্যতিক্রমী, কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেছ। এখানে সমাজের নীচের তলার মানুষরা, যারা পিলসুজের মতো ঘাড়ে করে ভারতের যা কিছু উন্নতি এবং অগ্রগতি তা বয়ে বেড়ায়, তাদের দুর্দশার কথা তুলে ধরেছে। তাদের ত্রাণ নিয়ে যে অসংবেদনশীলতা কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকার উভয়েই প্রদর্শন করছেন তার এক জ্বলন্ত আখ্যান।শুধু একটি অনুযোগ - ঘোষণাসর্বস্ব আমাদের মুখ্যমন্ত্রীকে চিনতে লেখকের এখনো কিছু বাকি আছে মনে হয়। করোনা সংক্রমণ, লক ডাউন এবং ত্রাণ বিষয়ে তার যাবতীয় ঘোষণাই ঘোষণামাত্রই থেকে গেছে। রাজ্যের মানুষের কপাল এখনো পর্যন্ত ভালো বলতে হবে যে আমরা এখনো স্পেন ইতালি অথবা আমেরিকার মতো অবস্থায় পড়িনি। কিন্তু আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যুহারে দেশের মধ্যে আমরাই সম্ভবত প্রথম।

  • দেবদূত বাসু | 172.*.*.* | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ২১:৩০92480
  • অত্যন্ত জরুরী প্রসঙ্গ। সবকিছুর থেকে রাজনীতি দূরে সরিয়ে রাখতে পারলে একটু হলেও সুরাহা হয়।

  • Somraj Sur | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ২১:৪৯92481
  • আমার ভুল হতে পারে তবে আমার মনে হয় এদেশের সবচেয়ে বেশী বাইরের রাজ্যের মানুষের ভিড় যেই রাজ্যে তার নাম দিল্লি।

    বলছিনা সরকার করছে না, যথেষ্ট করছে কিন্তু রেশন সিস্টেম বা টেম্পোরারি যে কার্ড ইস্যু করার কথা সেই ওয়েবসাইট টি 24এপ্রিল থেকে ডাউন।

    70% ভিন রাজ্যের মানুষের 50% এর কাছে দিল্লি র রেশন কার্ড নেই, তাদের লোকাল স্কুলের লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে শুধু ডাল আর ভাত এর জন্য, কয়েকশো মানুষের লাইনে কয়েক ঘন্টা ধরে দিনে 2 বার।

    দিল্লি পশ্চিম এ ইসকন ও দিনে একবার গাড়ি করে দিয়ে যাচ্ছে জনা 300 লোক কে খাবার কিন্তু এর কোন শেষ নেই।

    আমার বাড়ির পিছনের অঞ্চল টা মূলত গ্রাম আর ফ্যাক্টরি যেগুলো সব বন্ধ।

    আর মূলত সরকারি স্কুল আর কমিউনিটি সেন্টার গুলো থেকে দিল্লির গ্রাম গুলো পিছিয়ে।

    এবার এরা কিভাবে রোজ এক কিমি দূরে সাড়ে 9 টায় লাইনে দাঁড়িয়ে দুপুর 2 টায় খেতে পাবে আবার বিকেলে সেই একই অবস্থা।

    এদের কি হবে, ব্যক্তিগত ভাবে কতজন কে খাওয়ানো সম্ভব ?

    এর সদুত্তর কে দেবে ?

  • | ১৯ এপ্রিল ২০২০ ১৮:৩৮92538
  • পরিশ্রমসাধ্য দরকারি লেখা।
    বান্দ্রার কেসটা, এবিপি মাঝা(মারাঠী) তে বেশ কিচুক্ষণ ধরে দেখিয়ে গেছে বিশেষ ট্রেন চলবে পরিযায়ীদের নিজ নিজ রাজ্যে পৌঁছে দিতে। তারিখ যদিও বলা ছিল না। সেই খবর সত্যিই হোয়াতে প্রচার হয়েছে হু হু করে। পরে যখন অত লোক জড়ো হয়েছে তখন এবিপি হিন্দি সোমানে মুসলিম অ্যাঙ্গল খুঁজে বের করার চেষ্টা করে গেছে।
    সেই মারাঠী খবরের সাংবাদিক পরে অবশ্য গ্রেপ্তার হয়েছে। তাতে আবার ঘন্টা সুমন খুব দুস্কু পেয়েছে।
  • প্রতিভা | 108.*.*.* | ১৯ এপ্রিল ২০২০ ২৩:১৩92546
  • ঘন্টা সুমন!!

  • | 162.*.*.* | ২১ এপ্রিল ২০২০ ০৯:৪২92583
  • এই দাবিগুলো কেউ তুলছেনা কেন,সরকারি রেশন যদি পায়ও, চাল, ডাল বা শুধু চাল কি চিনিতে লোকের খাওয়া হয়? একদিকে মোদীজি বলছেন সুষম খাদ্য খেয়ে ইম্যুনিটি বাড়াতে, অন্যদিকে শুধু চাল ডাল!

    যাদের কোন আয় নেই, তাঁরা এসব কীকরে কিনবেন?

    আর এই লকডাউনের চোটে কোন সব্জি ফল না খেয়েও তো লোকের স্বাস্থ্য খারাপ হবে, সেসবের হিসেব কে রাখে!

  • সোমরাজ | ২১ এপ্রিল ২০২০ ০৯:৪৩92584
  • আমায় ঈপ্সিতা দি জিজ্ঞেস করলো দিল্লি পুলিশের কি ভূমিকা তারা কেন দিচ্ছে না খাবার বা রেশন কুপন।

    আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা খুব ভালো, দিল্লি পুলিশ আমায় খুব হেল্প করছে কিন্তু যখন আমি রেশন পাস এর কথা বলছি ওরা কনফিউজড হয়ে যাচ্চে।

    আসলে হয়েছে কি দিল্লি মিউনিসিপ্যাল ভোটে জিতেছে বিজেপি আর লোকসভা তেও, কিন্তু বিধানসভা আপ এর, এবার এখানকার লোকাল পকেট গুলোয় বিজেপির ভলান্টিয়ার বেশি।

    রেশন পাসের কথা বললে তারা বলছে আপ দিচ্ছে না এদিকে আপ ও সেন্ট্রাল এর বিরোধিতা করছে, মাঝখানে ফেঁসে গেছে মূলত পরিযায়ী অন্য রাজ্যের শ্রমিক রা।

    আমার নিজের কাছে এই মুহূর্তে 97 টি বাঙালি পরিবারের লিষ্ট আছে যাদের খাবারের দরকার, আমাদের রান্নাঘরে তারা খাচ্ছেন তোবুও...

  • | 162.*.*.* | ২১ এপ্রিল ২০২০ ১০:০০92585
  • দিল্লি পুলিশ তো সেন্ট্রালের
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লুকিয়ে না থেকে প্রতিক্রিয়া দিন