এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  অপর বাংলা

  • বাংলাদেশে কাউন্টার প্রক্সি ওয়্যার শুরু?

    বিপ্লব রহমান লেখকের গ্রাহক হোন
    অপর বাংলা | ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫ | ৭৫২ বার পঠিত



  • বাংলাদেশে গত বছর জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার গণ অভ্যুত্থান বেহাত, তথা জামায়াত, হেফাজত, হিজবুতের দখলে চলে যাওয়ার পর থেকেই আশংকা ছিল সিআইএর প্রক্সি ওয়্যারের বিরুদ্ধে আরেকটি কাউন্টার প্রক্সি ওয়্যারের। বর্ষা বিদ্রোহে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিল্লিতে পালিয়ে গিয়ে প্রচীন দল আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করে গিয়েছেন। 

    গণ অভ্যুত্থানের মুখে ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার নেতার দেশ থেকে পলায়নের ঘটনা বিশ্বে খুব নতুন নয়, কিন্তু মন্ত্রী পরিষদের সদস্য থেকে কেন্দ্রীয় নেতা তো বটেই, এমনকি তৃণমূল পর্যায়ের পাতি নেতাসহ স্ব দলবলে ভারতসহ অন্যান্য দেশে পলায়নের ঘটনা নজিরবিহীন। 

    তবে যারা 'দুর্ভাগ্যক্রমে' পালাতে পারেননি, এমন কিছু নেতা ও তাদের সহযোগিরা (ফ্যাসিবাদের দোসর হিসেবে সাংবাদিকরাও আছেন) জুলাই হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন মামলায় কারাবন্দি রয়েছেন। 

    শেখ হাসিনাসহ শীর্ষ নেতাদের অনুপস্থিতিতেই জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নির্বিচারে গুলি চালানোর নির্দেশদাতা হিসেবে, তথা মানবতার বিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার শুরু হয়। 
    বলা ভাল, এই ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনা সরকারই শুরু করেছিল, এতে ১৯৭১ এ গণহত্যাসহ যুদ্ধাপরাধসহ বিভিন্ন অপরাধে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতা গোলাম আজম, মতিউর রহমান নিজামী, কাদের মোল্লা, দেলোয়ার হোসেন সাঈদী, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীসহ বেশ কয়েকজনের ফাঁসি ও কারাদণ্ড কার্যকর হয়। তবে ক্ষমতার পট পরিবর্তনে এই বিচার বন্ধ রয়েছে। পুরনো ট্রাইব্যুনাল ভেঙে গঠন করা হয়েছে নতুন ট্রাইব্যুনাল। 



    খবরে প্রকাশ, গত বছরের জুলাই-অগাস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গত ১৮ নভেম্বর  আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে।
    অপর দুই আসামি শেখ হাসিনার মন্ত্রিসভার সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকে মৃত্যুদণ্ড এবং পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

    জুলাইয়ের গণ অভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গত ১০ জুলাই তিন জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয় পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে। অর্থাৎ মাত্র চার মাস সাতদিনের দিন এই মামলায় রায় হলো।

    রায়ের পরে তা প্রত্যাখ্যান করেছে আওয়ামী লীগ। শেখ হাসিনা রায়টিকে "পক্ষপাতদুষ্ট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত" বলে অভিহিত করেছেন।
    রায়টি নিয়ে মানবাধিকার প্রসঙ্গে জাতিসংঘ, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ উদ্বেগও প্রকাশ করেছে।

    বিশ্লেষকদের কেউ কেউ তখনই বলেছেন, শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায় বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ তৈরি হবে।

    এদিকে রায় ঘোষণার দিনই কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ 'কমপ্লিট শাটডাউন' কর্মসূচি দেয়, যা মূলত নেতাকর্মীর অনুপস্থিতিতে ভেস্তে গিয়ে দু-একটি ঝটিকা মিছিল ও বিচ্ছিন্ন বোমাবাজিতে সীমাবদ্ধ ছিল। ইউনূস জামানায় দৃশ্যতঃ আওয়ামী লীগের দল হিসেবে উঠে দাঁড়ানোর মত কোনও শক্তি নাই, চোরাগোপ্তা হামলা চালানো ছাড়া। 



    এদিকে, নানা জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ইউনূস সরকার ঘোষণা করেছে জাতীয় নির্বাচন। 

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্নভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

    ১১ ডিসেম্বর  জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এ তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। 

    নির্বাচনকে ঘিরে শুরু হয় নতুন মেরুকরণ। আওয়ামী লীগের রাজনীতি মূলত ফেসবুক ও এআই নির্ভরতা কাটিয়ে বিচ্ছিন্ন চোরাগোপ্তা হামলা নির্ভর হয়ে পড়ে। তাদের আশ্রয়-প্রশয়দাতা আন্তর্জাতিক পরিশক্তির এতে মদদ নেই, তা-ই বা বলি কি করে? 

    আগামী দিনের ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এরই মধ্যে ঘোষণা করেছেন আসছে ২৫ ডিসেম্বর বড়দিনে তিনি দেশে ফিরবেন ও নির্বাচনে অংশ নেবেন। তার নির্বচনী প্রচারণার জন্য এরই মধ্যে দলের পক্ষ থেকে কেনা হয়েছে প্রায় পৌনে তিন কোটি টাকার বুলেট প্রুফ গাড়ি। সরকারের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে সর্বাত্মক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। 

    দৃশ্যত, বিএনপি, জামায়াতসহ ইসলামী দল, নব্য এনসিপি এবং বাম দলগুলো আগেভাগেই জোর নির্বচনী প্রচারণা চালিয়ে আসলেও ইলেকশন ট্রেন থেকে ছিটকে পড়েছে আওয়ামী লীগ। তাদের সমর্থক ভোটারদের ভোট বিএনপি না জামায়াতের বাক্সে পড়ে  এ নিয়ে জল্পনা কল্পনা কম নেই। 

    ৪ 

    এরই মধ্যে ঘটে যায় মর্মান্তিক ঘটনা। 

    দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি ১৮ ফেব্রুয়ারি রাতে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

    খবরে প্রকাশ, এ দিন রাতে ওসমান হাদির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ ও ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    ওই পোস্টে বলা হয়, ‘ভারতীয় আধিপত্যবাদের মোকাবিলায় মহান বিপ্লবী ওসমান হাদিকে আল্লাহ শহীদ হিসেবে কবুল করেছেন।’
     
    ওসমান হাদি সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
     
    গত ১২ ডিসেম্বর গণসংযোগের জন্য রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় গেলে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে হাদিকে গুলি করা হয়। গুলিটি তার মাথায় লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের পর ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। 

    জানা গেছে, হাদির শ্যুটাররা ওই হামলার পর পরই দেশত্যাগ করেছে। এ হামলার ঘটনায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের প্রচ্ছন্ন উল্লাস করতেও দেখা গেছে। 

    হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর আওয়ামী লীগের তাত্ত্বিক নেতা, লন্ডন প্রবাসী ব্যরিস্টার নিঝুম মজুমদার সরাসরি ফেসবুক পোস্টে লিখছেন, "এক জুলাই স*ন্ত্রা*সী*র করুণ পরিণতি"। 

    তিনি আরেক পোস্টে বলেন, "যে এম্বুলেন্সে করে ছেলেটা এরোপ্লেনে উঠলো তা ভারতের উপহার দেয়া এম্বুলেন্স। যে চিকিতসক সিঙ্গাপুরে তাকে দেখভাল করছে সেই চিকিতসক ভারতীয়। নাম প্রেমবিল্লাই। সিঙ্গাপুরের যে মন্ত্রী ছেলেটির খোঁজ খবর নিচ্ছে তিনিও ভারতীয় বংশদ্ভুত (বাবা ভারতীয় তামিল)। ভিভিয়ান বালা কৃষ্ণান। ছেলেটার সমস্ত ঘৃণা ছিলো ভারতের প্রতি অথচ মৃত্যুকালে ভারতই তাকে জড়িয়ে ধরে থাকলো... নিয়তির কি অদ্ভুত পরিহাস!" 

    সবশেষ পোস্টে তিনি ওই হামলার দায় জামায়াতের ওপর চাপিয়ে আওয়ামী লীগ ও ভারতকে দায়মুক্ত করেছেন। 



    জুলাই যোদ্ধা হাদির মৃত্যু নতুন করে ভাবাচ্ছে বাংলাদেশকে। খোদ অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান মুহাম্মদ ইউনূস জাতির উদ্দেশে তাৎক্ষণিক বক্তৃতা দিয়ে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। ঘোষণা করা হয়েছে রাষ্ট্রীয় শোক। 

    এদিকে, হাদি হত্যার প্রতিবাদে ১৯ ডিসেম্বর রাত থেকে শাহবাগ মোড় অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে ছাত্র-জনতা।

    হাদি হত্যার প্রতিবাদে এ দিন সকাল ৭টায় শাহবাগ মোড়ে নানা পেশার মানুষকে অবস্থান করতে দেখা গেছে। ভোরে শাহবাগ মোড়ে মাইকে আজান দিয়ে ফজরের নামাজ আদায় করেছেন আন্দোলনকারীরা।

    এর আগে ১৮ ডিসেম্বর রাতে হাদির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে শাহবাগে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন জুলাই মঞ্চের কর্মী-সমর্থকরা। বিক্ষোভ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরাও।
     
    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য চত্বর ও রাজু ভাস্কর্যে জড়ো হন শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শাহবাগে গিয়ে শেষ হয়। শাহবাগের বিক্ষোভে বুয়েটের শিক্ষার্থীরাও যোগ দেন। 
     
    জাতীয় ছাত্রশক্তির সঙ্গে একে একে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং সাবেক দুই উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ও মাহফুজ আলম যোগ দেন। পরে অন্যান্য এনসিপি নেতারাও বিক্ষোভে অংশ নেন। 
     
    এদিকে, রাত সাড়ে ১১টার দিকে দৈনিক প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার ভবনে ভাঙচুর ও আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষুব্ধ একটি দল। হামলার কারণে এই পত্রিকা দু'টি এই প্রথমবারের মতো মুদ্রিত সংখ্যা বের করতে পারেনি। 
     
    এছাড়া হাদির মৃত্যুর খবরে দেশের নানা প্রান্তে ভাঙচুর, অগ্নি সংযোগ ও বোমাবাজির খবর আসছে। পরিস্থিতি ক্রমেই উদ্বেগজনক হচ্ছে।...
     
    সবশেষ, সাংবাদিক ও পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ পরিস্থিতির বিশ্লেষণ করে ফেসবুক পোস্টে লিখছেন, "প্রথম আলো পোড়ানো, আপসহীন সম্পাদক (দ্য নিউ এজ)  নুরুল কবীরকে হেনস্থাসহ যা যা করা হলো, তা হাদির ঘাতকদের হাতকে শক্তিশালী করলো। হাদীর শহীদানকে ব্যর্থ করে দিতে চাইলো। এরা জুলাইয়ের কেউ না, এরা জুলাইকে ধ্বংস করতে নেমেছে।" 
     
    রাজনৈতিক বিশ্লেষক কল্লোল মোস্তফা বলেন, "ওসমান হাদিকে হত্যা আর প্রথম আলো --ডেইলি স্টার -- ছায়ানটে হামলা-- --ভাঙচুর--অগ্নিসংযোগ একই মাস্টারপ্ল্যানের অংশ। হাদীর হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে যারা এই হামলা--ভাঙচুর--অগ্নিসংযোগে উস্কানি দিয়েছেন, অংশ নিয়েছেন, সমর্থন যুগিয়েছেন তারা সবাই এই প্ল্যানের অংশ। সরকারের দিক থেকে সময় মতো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না নিয়ে সরকারও তাতে সহযোগীতা করেছে।"

    তিনি বলেন,  "এই ঘটনার মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশে ক্লাসিকাল ফ্যাসিজমের উত্থানের সমস্ত লক্ষণ ফুটে উঠল। সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনামূলক অবস্থানের কারণে হাসিনা আমলেও প্রথম আলো--ডেইলিস্টার একদিন বন্ধ থাকে নাই, নুরুল কবিরের উপরে হামলা হয় নাই। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে যা ঘটতে পারল। দেশে উগ্র ডানপন্থি গোষ্ঠীর উত্থান ও অন্তর্বর্তী সরকারের পৃষ্ঠপোষকতার কারণেই এ রকম ঘটনা সম্ভব হলো।"
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • অপর বাংলা | ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫ | ৭৫২ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    মাংস - অরিন
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • মায়া শালিক | ২২ ডিসেম্বর ২০২৫ ০৪:১৯736942
  • আপনার লেখা পড়ে অনেক কিছু জানলাম, লিখতে থাকুন দেখি দেশটা কোনদিকে যায়......
  • বিপ্লব রহমান | ২২ ডিসেম্বর ২০২৫ ০৬:৪৬736946
  • @মায়া শালিক, 
     
    গণতন্ত্রে ফেরার তাগিদেই অনেক ভাঙচুরের পর দেশ সঠিক পথে যাত্রা করবে নিশ্চিত। 
     
    আপনাকে ধন্যবাদ। 
  • দ্রি | 2409:4070:4282:79d1:9941:978:8465:***:*** | ২২ ডিসেম্বর ২০২৫ ১০:২২736955
  • @বিপ্লব রহমান 
     
    হাসিনা বলেছিলেন সেন্ট মার্টিন আইল্যান্ড ইউএসকে দিতে চাননি বলে তাকে সরানো হয়েছে। এ ব্যাপারে আপনার কি মত? 
     
     
    হঠাৎ করে ইউনুস আসনে  বসলেন কিভাবে? যারা বিপ্লব করেছিল তারা কি ইউনুসকে সামনে রেখে লড়ছিল? ইউনুস কি আমেরিকার এজেন্ট? সেন্ট মার্টিন দিয়ে দিতে পারে? 
     
    আর যারা এই নব্য বিপ্লবী মানে ধরা যাক হাদির মত মানুষের ফলোয়ার তাদের সেন্ট মার্টিন আইল্যান্ড নিয়ে কি পজিশন? 
  • বিপ্লব রহমান | ২২ ডিসেম্বর ২০২৫ ১০:৪১736956
  • @দ্রি 
     
    "হাসিনা বলেছিলেন সেন্ট মার্টিন আইল্যান্ড ইউএসকে দিতে চাননি বলে তাকে সরানো হয়েছে। এ ব্যাপারে আপনার কি মত? "
     
    এর কোনও সত্যতা নাই। হাসিনার কথা সত্যি হলে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ অনেক আগেই মার্কিন জিম্মায় চলে যেত। 
     
    তবে আওয়ামী ফ্যাসিবাদ চরম আকার নিলে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে গণ অভ্যুত্থান বেহাত হয়ে মার্কিন প্রক্সি ওয়্যারে হাসিনা জামানার পতন এবং ইউনূস জামানার উত্থান হয়েছে,  এ সংশ্লিষ্ট নানা বিশ্লেষণ এর আগের লেখাগুলোতে করেছি। 
     
    আগ্রহের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। 
  • দ্রি | 2409:4070:4282:79d1:9941:978:8465:***:*** | ২২ ডিসেম্বর ২০২৫ ১১:০৩736957
  • এর আগের লেখা মানে এই লেখার ওপরে এক দুই তিন করে যে লিংকগুলো দেওয়া আছে তো? পড়ে দেখব। 
     
    মার্কিন প্রক্সি ওয়ারের কথা বললেন? মার্কিন ইন্টারেস্টটা ঠিক কি সেটা কি ক্লিয়ার? 
  • বোদাগু | 2405:201:8008:c019:8bea:f771:7b96:***:*** | ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ ২৩:২৯737095
  • @বিপ্লব
    আ ওয়ামী লিগের কোনো ক্রেডিবিলিটি অবশিষ্ট থাকার কথা না। মুশকিল হল ইউনুস, এন সি পি বা ছাত্র আন্দোলনের অন্যান্য আসপিরান্ট নেতৃত্ব কারোর কি কোনো ক্রেডিবিলিটি অবশিষ্ট থাকবে ? 
    - দুটো থিওরী , ফেব্রুয়ারিতে বি এন পি জিতে যেতে পারে এইটা যারা আটকাতে চায় , অর্থাৎ ইউনুস-এন সিপি ও জামাত সহ কনজারভেটিভ রা নতুন করে ভায়োলেন্স করছে
    , আর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বের তত্ব যে ইউক্রেনের  কিছু অস্ত্র বর্মা হয়ে 2024 এর জুলা ই এর আ বাংলাদেশে ঢুকেছিল , এই সব ভাসানো কথা গুলির কো ক্রেডিবিলিটি আছে? 
    - এমিগ্রে দের প্রভাব আদৌ কমার চান্স আছে, অদূর ভবিষ্যতে?  
    - বি এন পি কে তো ছাত্ররা পাত্তা দেয় না , ফজা এসব বলে সিনিয়র নেতাদের, তাদের ছাত্র সংগঠন কি উঠে গেছে? 
    - বি এন পি বিজেপি সম্পর্ক এক সময় ভালো ছিল , সেটা কি এখনো আছে না গেছে? 
    - সেকুলার রাষ্ট্রের ধারণা যে ছাত্র দের হাতে ই চ্যালেঞ্জড হবে সেটা র প্রেডিকশন কি ট্রাফিক বিপদ বিরোধী আন্দোলনের সময় থেকে ই ছিল? 
    - বাংলাদেশের সাংবাদিক রা কি সরাসরি যুদ্ধ কে উ প্রেডিক্ট করছে , নাকি প্রক্সি ওয়ার ই সিভিল ওয়ার হবে আগে , নাকি কিছু ই হবেনা , এগুলি প্রি উলেকশন ভায়োলেন্স মাত্র, আপনার রিডিং কি?
  • বোদাগু (আদি) | 2405:201:8008:c019:a5d7:c0b1:9c5f:***:*** | ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ০৬:৪০737098
  • @বিপ্লব , কন্টিনিউড, 
    -- ছাত্র দের আর্টিকুলেশন এ জব্স বা ওয়েজেস ইসু একেবারেই উবে গেলো এবং ডাকসুর নির্বাচনের পর দেখা গেল , অল্মোস্ট নিও লিবেরাল এজেন্ডা করে চত্বর সৌন্দর্য্যায়ন চলছে , এটা কি সাসটেনেবল , মানে আমার কথা হল, মানুষ অনেক সময়ে বহু আজগুবি এজেন্ডা কে সমর্থন করে , তাদের নিজেদের দেশে তারা কাকে কখন সমর্থন করবে তাদের ব্যাপার কিন্তু এটা জব্স আর ওয়েজেস এর ন্যুনতম আলোচনা থেকে এতো আলাদা যে আমার প্রশ্ন ছিল, এটার পেছনে সমর্থন কতটা। 
    -- আর যেটা মূল প্রশ্ন, কনজারভেটিভ দের শাহবাগী+এলিট+ বাম দের বিরুদ্ধে কালচার ওয়ারে , বড় অস্ত্র ছিলো তার ক্লাস বেসিস , শ্রেণী সমর্থন, যেটা বামেদের শ্রমিক ইউনিয়ন গুলো কিছুটা কাউন্টার করত। কিন্তু কনজারভেটিভ দের যেটা মূল সামাজিক এজেন্ডা বা  প্রতিষ্ঠান থেকে লীগ সমর্থক তাড়ানোর এজেন্ডা সেটার নির্দিষ্ট কোনো ইকোনোমিক ভিসন না থাকা (এটা অবশ্যই বাংলাদেশে সীমাবদ্ধ না) , এটা কি তার ক্লাস সাপোর্ট বেস এর ক্ষতি করবে, নাকি ওসব ভাবার সময় এখনো আসে নি, ইন ফ্যাক্ট আমার মতে এখনো আসে নি। যদিও বাজারে গিয়ে দাম কমানোর জন্য ভারতীয় লাইসেন্স রাজ গোছের ইনস্পেকটর রাখা টা ফ্রাংকলি আমার একটু হাস্যকর লাগছিলো, কারন , সুদূর ভবিষ্যতে এই মনিটরিং সাসটেনেবল না  । 
    -- আর তাত্বিক দিক থেকে, নতুন ছাত্র নেতাদের এত হেগেল প্রীতির কারণ কি ? মানে কোনো আর্টিকল পাওয়া যাবে ? সোজা ও গোদা উত্তর তো মেটেরিয়ালিজম ই শেষ কথা না , এটা বলার একটা প্রচেষ্টা। কিন্তু সেসব তো ঊনবিংশ শতকের  কথা, বাংলাদেশে তো নিজের ক্রিটিকাল থিয়োরেটিশিয়ান অনেক আছেন বা থাকার কথা, আমরা যাদের নাম জানি তাদের বাইরেও, কিসু পোবোন্দো পাওয়া যাবে ? 
     
  • Prabhas Sen | ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ১০:৩৪737105
  • নিঃসন্দেহে ভারত দায়ী!  কেষ্টা ব্যাটাই চোর!! 
  • বোদাগু(আদি) | 2402:3a80:1cd2:ca48:378:5634:1232:***:*** | ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৩:০৮737110
  • ভারতীয় বড় অধিকাংশ. ক্ষেত্রে কোনো ক্রেডিবিলিটি নেই , তবে বাংলাদেশী মেডিয়া টা বা ইরের দেশের কম জানী লোকের পক্ষে অদ্ভুত, বুক অফ রেকর্ডস যারা, তাদের আভ্যন্তরীন বিশ্বাসযোগ্যতা কম, আবার ইন্টারনেট আউটলেট তো কেবলি ঝগড়া আর প্রোপাগান্ডা , সবাই সবা ইকে ভারতের দালাল অথবা শাহবাগী অথবা মুর্খ জামাতি ভাবে। একটা ইন্ডিভিজুয়াল নিউজ জাঙ্কির.পক্ষে,  রেটোরিক আর বিদেশনীতির ডিপ্লোমাটিক  তর্জার বা ইরে একটা ভদ্র সভ্য নিউজ আউটলেট দুটো ভাঙা দেশে প্রায় নাই। সেই শালা বিবিসি বাঙলা। 
     
    @বিপ্লব , এই নিউজ কি ক্রেডিবল? 
     
     
  • বোদাগু(আদি) | 49.37.***.*** | ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৪:০৪737112
  • **ভারতীয় বড় মেডিয়া 
  • বিপ্লব রহমান | ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ০০:০৮737139
  • @বোদাগু (আদি), 

    আপনার আগ্রহের জন্য ধন্যবাদ। 
    অতি সংক্ষেপে: 


    বিশ্লেষণ বলছে, কাউন্টার প্রক্সি ওয়্যারে উগ্র মৌলবাদী উত্থান, আসন্ন নির্বাচন ও গণতন্ত্রে যাত্রার জন্য হুমকি। শেষ বিচারে পশ্চিমা বিশ্ব তো বটেই, প্রতিবেশি দেশগুলো নিজ নিজ স্বার্থেই চাইবে, বাংলাদেশ শান্তি ও স্থিতিশীলতায় ফিরুক। 


    ছোট্ট একটি দেশ বাংলাদেশ কখনোই চাইবে না ভারতের সঙ্গে দীর্ঘ শত্রুতা করে যাত্রা ভঙ্গ করতে।  
     
    সেক্ষেত্রে বিএনপি সরকার গঠন করলে (এর সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি) উভয়ের স্বার্থ রক্ষার সুযোগ সর্বোচ্চ থাকছে, মৌলবাদী জামায়াতে ইসলামীর ক্ষেত্রে হবে ঠিক তার বিপরীত। আবার বিএনপির সাথে জামায়াতের বৈরি সম্পর্কও দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে সহায়ক। 

    চীন, রাশিয়া ও পাকিস্তানের ক্ষেত্রেও তাই।  
    এক্ষেত্রে মার্কিন প্রক্সি ওয়্যার কিছুটা ব্যাকফুটে খেলবে। কাউন্টার প্রক্সি ওয়্যার সামাল দেওয়াও সহজ হবে। 



    বিএনপি ও অপরাপর বাম শক্তিগুলোর রাজনৈতিক দক্ষতা ও প্রজ্ঞার ওপরে নির্ভর করবে কাউন্টার প্রক্সি ওয়্যার কত দ্রুত সামাল দেওয়া সম্ভব হয়। আবার এর অভাবে ভবিষ্যত বিএনপি সরকারের অগ্রযাত্রাই পড়বে প্রশ্নের মুখে। 



    এদিক থেকে দেখলে বলতে হয়, বাঘের পিঠে চড়ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান; যিনি দেড় দশকের নির্বাসন শেষে বড়দিনে দেশে ফিরছেন, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে হবেন আগামী বিএনপি সরকারের প্রধানমন্ত্রী!

    আর কে না জানে, বাঘের পিঠে চড়ার বিপদ হচ্ছে, পিঠ থেকে পড়ে গেলেই বাঘ সওয়ারীর ঘাড় কামড়ে ধরে! অতএব বিএনপির পিছু হটার কোনো পথ থাকছে না। এটিই যা আশার কথা। 

    আবারও আপনাকে ধন্যবাদ 
     
  • aranya | 2601:84:4600:5410:e4e0:59ca:2be7:***:*** | ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ০০:৩৪737140
  • @বিপ্লব, বাংলাদেশে মার্কিন স্বার্থ টা ঠিক কি - শুধুই সেন্ট মার্টিন দ্বীপে বেস তৈরী করা? 
  • বোদাগু(আদি) | 2405:201:8008:c019:1955:e73f:358e:***:*** | ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ০৮:৪৪737148
  • @বিপ্লব, ধন্যবাদ, তবে তাড়াহুড়োর মধ্যে ছিলেন বোধহয়। কোচ্চেন গুলো দেখতে পারেন নি। -))  আমার একটু বিশ্লেষণে আগ্রহ ছিল। 
     
    ওদিকে বি এন পি তো জামাতের সঙ্গে জোট পাকা করছে। বড় নেতা রুমীন ফারাহানা নিজের এলাকায় টিকিট না পেয়ে ইন্ডি দাঁড়াবেন বলছেন । সত্যি বলতে কি জামাত কে ছাড়া আজ বাংলাদেশে সরকার হবে না , কারণ সামাজিক ক্ষেত্রে তাদের প্রভাব সর্বোচ্চ। তবে ডাকসুর হলে ওয়াটার কুলার ছাড়া পলিসি দেখিনি :, আর চাকমা নামক ছেলেটির হঠাৎ বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশ থেকে হকার তাড়ানো -)) 
    আমার মতে বি এন পি যেমন জামাতের সঙ্গে অ্যাসোসিয়েশনের জন্য প্যাঁক খাবে ভবিষ্যতে তেমন ই জামাতের বড় চ্যালেঞ্জ হবে জেনট্রিফিকেশনের জন্য পুশ এড়ানো। অথচ ওটা ছাড়া তাদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানো কঠিন, সঙ্গী হবে নিও লিবেরালিজম। এই সমস্যা এ পারে বিজেপি মিটিয়েছে মেডিয়া আনুগত্য কিনে আর ক্রোনি ক্যাপিটালিজম করে, কিছু ফুটোফাটা আছে। 
     
    আমরা আবার দুপারে ই সেইসব বিষয়ের পোবোন্দে আগ্রহ:-))) আই ফা ইন্ড ডিপ্লোমাসি অর স্পেকুলেশন অন জিও পলিটিক্স রিয়েলি বোরিং:--))))
     
  • বিপ্লব রহমান | ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৮:৪৫737172
  • @অরণ্য, 
     
    মার্কিন স্বার্থ -- দক্ষিণ এশিয়ায় খবরদারি, বাংলাদেশে পছন্দের শাসক বসানো। 
     
    সেন্ট মার্টিন ইস্যু নিছক শেখ হাসিনার ঢপ, ওপরে মন্তব্যে বলেছি ভাই। অনেক ধন্যবাদ। 
  • বিপ্লব রহমান | ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৮:৫৬737173
  • @বোদাগু(আদি), 

     "বি এন পি তো জামাতের সঙ্গে জোট পাকা করছে।" 

    এ কে বা রে ই ন য়। বিএনপির সঙ্গে জামায়াত এই প্রথম বারের মতো প্রকাশ্যে চরম বিরোধে জড়িয়েছে, যা শাপে বর হবে। 

    মৌলবাদ জামায়াতের সাথে বিএনপি জোট গড়লে কাউন্টার প্রক্সি ওয়্যার মোকাবেলা হলো কী ভাবে? 

    বিএনপি সরকার গঠনে 'একলা চল' নীতি নিয়েছে। বড়জোর দু-একটি বাম দলের সাথে তাদের নির্বাচনী সমঝোতা হতে পারে। 

    ওদিকে জামায়াত চরম ভারত বিদ্বেষী মনোভাব থেকে নির্বাচনে ইসলামি দলগুলোর সাথে জোট গড়েছে।  

    সদ্য খবরে প্রকাশ, এনসিপি নির্বাচনে জামায়াতের সাথে জোট গড়বে বলে ঘোষণা দিয়েছে। 

    তো, মোটা দাগে সরকারি দল ও বিরোধী দলের আভাস এখনই মিলছে, নাকি? 

    আবারও আপনাকে ধন্যবাদ 

     
  • বোদাগু | 2402:3a80:42e8:3204:378:5634:1232:***:*** | ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ২০:১৫737177
  • আচ্ছা , থ্যাঙ্ক ইউ।
    তাহলে আমি যে নি উজ টা এই বিষয়ে দেখেছি সেটা ভেরিফা ই করতে হবে।  আর সোশাল এজেন্সী বিষয়ের কোচ্চেন গুলি?
     
  • বিপ্লব রহমান | ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ২০:৩০737178
  • বোদাগু, 
     
    বাংলাদেশের শীর্ষ নিউজগুলো ফলো করা ভাল। ৩৬ জুলাইয়ের পর থেকে মোদি মিডিয়া বাংলাদেশের প্রশ্নে অতিরঞ্জিত খবর প্রকাশ করে চলছে। 
     
    সদ্য নতুন লেখা লিখেছি ভাই। পড়ে দেখতে পারেন।  শুভ 
  • বোদাগু(আদি) | 2402:3a80:42e8:3204:378:5634:1232:***:*** | ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ২১:৪৭737180
  • আমি আমাদের দেশের কোনো বড় মেডিয়া রেফার ই করিনি, আমাদের দেশের খবর ই বেশিটী সেখানে দেখিনা তো আপনাদের দেশের খবর-:))))
     
     আপনি আমার নিউজ জাঙ্কি সত্ত্বাকে  ভারত সরকারের বা ভারতীয় মেনস্ট্রীম এর প্রতিনিধি ভাবলে ভুল করবেন, কমেন্ট গুলো  একটু খূঁটিয়ে দেখলে ই বুঝবেন-:))) খবর গুলো কোথায় ধেখেছি বলছি খুঁজে পেলে, আপনাদের দেশের পোর্টালে ই দেখেছি।
     
    আপনার কথা শুনে মনে হচ্ছে , বামপন্থীরা বি এন পির সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা অর্থাৎ কিনা সেকুলার স্টেট চাইছেন, কিন্তু লীগ নেই বলে বি এন পি যদি একমাত্র বড় দল হয় , অ্যান্ড যাকে দলে বিকামস টু বিগ আ চার্চ, তাহলে তাদের দক্ষিনপক্ষ বা এন সিপি জামাতের দিকে ঢলবে না বলছেন? নাকি সেটা ঠেকানো ই বামেদের প্রধান এজেন্ডা বলছেন?  এন সিপি তো আপাতত পার্সোনাল অ্যাম্বিশন এর জায়গা হয়ে আছে খানিকটা বা ইরে থেকে যা মনে হচ্ছে।
     
    যা ই হোক সিপিবি বা অন্য কয়েকটি দলের পজিশনোর সঙ্গে আমি পরিচিত। বরিশালের বিদিশা চক্রবর্তী বা মেঘমল্লার বলে ছাত্রটি। আমার বক্তব্য হল বাংলাদেশী বামেরা ট্রাডিশনালি ভারতীয় আধিপত্যবাদ বিরোধী , তারা কি পজিশন বদলাবে? 
     
    আমার বাংলা কথা ছিল বাংলাদেশ যাকে ই যে কম্বো তে নির্বাচন করুক না কেন, তার সঙ্গে ই ভারত কে ডিপ্লোমাসি করতে হবে, একটা আস্ত দেশের লোক তো আর ভারত সরকার কে জিজ্ঞেস করে ভোট দেবে না।
    আমাদের সহনাগরিকেরা যে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ভোট বা রাজনৈতিক পরিসর বাড়াচ্ছি , তো আমরা তো আপনাদের  দেশের কোনো সরকার রে জিগায়া ভোট দে ই নি, মন করছে দিছি:-))))
     
    যাক ভোট খুব ই বোরিং ব্যাপার, এগন আপনাদের ওখানের খুনোখুনি গুলি হয়তো জাস্ট শো অফ স্ট্রেঙ্থ:-)))) 
     
    আমার কতগুলি সোশাল এজেন্সি সংক্রান্ত পোস্নো ছিল, একটু রেফারেন্স দেন না।
     
  • বিপ্লব রহমান | ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ২২:১৩737182
  • @বোদাগু(আদি), 
     
    "তাহলে তাদের দক্ষিনপক্ষ বা এন সিপি জামাতের দিকে ঢলবে না বলছেন?" 
     
    মাফ করবেন।  ঠিক উল্টো কথা বলছি।
     
    এনসিপি বরাবরই জামায়াতের বি টিম।  আর এখন জামায়াতের সাথে এনসিপি নির্বচনি জোট ঘোষণা করেছে। 
     
    ওপরের মন্তব্যে আগেও বলেছিলাম। 
     
    আপনাকে আবারও ধন্যবাদ। 
  • বোদাগু | 2405:201:8008:c019:7dda:fa0e:f621:***:*** | ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ২২:৩৮737186
  • থ্যাংক ইউ বিপ্লব , আর বিরক্ত করব না। রেফারেন্স গুলি 
    ১ 
    ৩ 
    5- আব্দুল কাদের এর ​​​​​​​ক্ষোভ ​​​​​​​, 
    (সবুজ ​​​​​​​আলো, ​​​​​​​নিউজ ​​​​​​​ডেস্ক ​​​​​​​, ​​​​​​​ইত্তেফাক) 
    ৬ - 
    7- এতে বলা হচ্ছে বি এন পি r সঙ্গে এন সি পি র জোটের ?ণজন থাকলেও শেষ পর্যন্ত হচ্চে না, অর্থাৎ কাল আমি গুঞ্জন শুনেছি মাত্র, তবে গুণ্জন ছিল :-)
     
    ৮ - https://www.youtube.com/shorts/9hNHpbC7T7g - রুমীন ফারহানা , 
    10-  
     তারেক রহমন বলছেন, আধিপত্যবাদী শক্তির গুপ্তচর দের কথা
     
    বোদাগু
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লুকিয়ে না থেকে মতামত দিন