এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • রানি ও কলতান - ১৮

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৯ মার্চ ২০২৫ | ১৬৪ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • ( ১৮ )

    সেদিনটা কেটে গেল। কুলচা সন্ধেবেলা কাঁধে ব্যাগ ঝুলিয়ে বেরিয়ে গেল। যাবার সময় বলে গেল, ' তানমামা আসলাম ... পরে আসব আবার। খবর দিও ... '
    --- ' হ্যাঁ রে ... কেস পাকলেই খবর দেব। হতাশ হোস না ... '
    --- ' ওকে ... বায় ... '

    কুলচা বেরিয়ে যাবার পর সুকমল পালধিকে ফোনে ধরল কলতান।
    --- ' কমলদা ডিসটার্ব করলাম না তো ? '
    --- ' নো ওয়ে... নো ওয়ে ... বল বল, কি খবর ? '
    --- ' খবর বলতে ... মালা গাঁথছি। সূতোটা বাঁধা বাকি আছে। বাঁধার সময় সূতোটা ধরতে হবে একটু ... লোক দিতে হবে আপনাকে কমলদা ... '
    --- ' ও আচ্ছা বুঝেছি। একেবারে ফাইনাল রাউন্ড তার মানে। খাঁচার ঝাঁপ নামানোর লোক চাই এবারে ... তাই তো ? '
    --- ' আপনাকে আর কি বোঝাব ? তবে এখনও ক'দিন সময় লাগবে হয়ত। ঠিক সময়ে জানাব আপনাকে ... '
    --- ' সাসপেক্ট লিস্ট রেডি ? '
    --- ' লিস্ট রেডি। সেমিফাইনাল পর্যন্ত। ফাইনালে কারা উঠবে দু তিনদিনের মধ্যেই জানা যাবে আশা করি ... '
    --- ' সব্যসাচী লিস্টে আছে নাকি ? '
    --- ' আছে কমলদা। তবে ফাইনালে উঠবে কিনা জানি না ... '
    --- ' আই সি ... আই সি। মান সম্মান বলে আর কিছু রইল না ... '
    কলতান চুপ করে রইল একটু। তারপর বলল, ' অত ডিসঅ্যাপয়েন্টেড হচ্ছেন কেন ? সে হয়ত কারো ইন্স্ট্রুমেন্ট হতে পারে ... সব কিছু নিজের হাতে থাকে না ... '
    --- ' সেটা তো ঠিকই ... এনিওয়ে ... একটু আগে জানিও তা'লে ... ঠিক জায়গাতে পুট করতে হবে তো ... জানই তো শর্ষের মধ্যেই ভূত ... '
    --- ' হ্যাঁ নিশ্চয়ই ... সময় থাকতেই জানাব ... '

    কলতান আর্মচেয়ারে হেলান দিয়ে সামনের দেয়ালের দিকে তাকিয়ে গভীর চিন্তায় ডুবে গেল।
    ভাবতে লাগল, মালা গাঁথার জন্য একটা সূতো চাই। সূতোয় বাঁধতে না পারলে পুঁথিগুলো এদিক ওদিক ছিটকে যেতে পারে। সেই সূতোটা কে হতে পারে সেটাই হল একটা চিন্তার বিষয়। তবে মালা গাঁথতে গিয়ে বেশি টানাটানি করলে সূতো ছিঁড়ে যেতে পারে। তাই ওভাবে টানা হ্যাঁচড়া করা যাবে না।
    তবে তার আগে তমালের রিপোর্টগুলো চাই। ওটা এবার হাতে পাওয়ার দরকার। পেলে বোঝা যাবে মিসিং লিংকটা ঠিক কোথায়।

    একজনের সঙ্গে এখনও একেবারেই আলাপ হয়নি। তিনি হলেন মনোজ এবং প্রকাশের বড়ভাই সুরেশ শ্রীবাস্তব। এই কাজটাই কালকের মধ্যে সেরে ফেলতে হবে একটা সারপ্রাইজ ভিজিট দিয়ে।

    কলতান ডানকুনি গিয়ে হাজির হল বাইক নিয়ে বেলা এগারোটা নাগাদ কোন আগাম খবর না দিয়ে। মাহিরের গেটে একজন সিকিউরিটি গার্ড মোতায়েন আছে। ক'দিনের যাতায়াতে সে বোধহয় কলতানের কর্তৃত্ব সম্পর্কে একটা ধারণা পেয়েছে। তাকে মনে হয় 'পুলিশের লোক ' ভেবেছে। কলতান সহদেবকে জিজ্ঞেস করে আগেই জেনে নিয়েছে তার ডিউটি সকাল আটটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত। মানে, সন্ধের পর সে আর এখানে থাকে না। তার নাম যদুনাথ। বোধহয় উড়িষ্যার লোক। সে যাই হোক, মাহিরে ঢোকার মুখে যদুনাথ কলতানকে একটা সম্ভ্রমপূর্ণ সেলাম নিবেদন করল। কয়েক মুহুর্তের জন্য কলতানের সঙ্গে চোখাচোখি হয়ে গেল। বছর পঁয়ত্রিশের যদুনাথ মুখে একটা বশংবদ গোছের হাসি ফুটিয়ে কলতানের মুখের দিকে তাকিয়ে আছে। কলতানও যেতে যেতে স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়াবশত মাথায় হাত ঠেকাল।
    কয়েক পা এগোবার পর তার মাথায় আচমকা একটা চিন্তা খেলে গেল। মালার একটা পুঁথি সে ছেড়ে গেছে। যদুনাথের সঙ্গে কোন পরিচয়ই করা হয়নি।
    কলতান আবার ঘুরে যদুনাথের কাছে ফিরে এল।
    যদুনাথ অবাক হয়ে কলতানের দিকে তাকিয়ে আছে।
    বলল, ' আরে, কি আশ্চর্য... তোমার সঙ্গে আমার আলাপই হয়নি ... একদম খেয়াল ছিল না ... '
    যদুনাথ বিড়ম্বিত কন্ঠে অস্ফূটে বলল, ' ইয়ে মানে ... আমি আর কি এমন ... হ্যাঁ স্যার ... '
    --- ' না না ... তা বললে হবে না, সবারই দাম আছে পৃথিবীতে। সবার সঙ্গেই কথা বলা দরকার ... '
    --- ' কি যে বলেন স্যার ... আমি একজন দারোয়ান ... '
    --- ' তাতে কি হল ... এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
    তোমার নাম কি ? '
    --- ' যদুনাথ দাস স্যার ... '
    বেশ কুন্ঠিত ভঙ্গীতে বলল যদুনাথ।
    --- ' তুমি এখানে কতদিন কাজ করছ ? '
    ---‐- ' প্রায় দু বছর '
    --- ' ও আচ্ছা ... তোমাকে এখানে কে চাকরি দিয়েছিল, প্রকাশজি ? '
    --- ' না না ... বড়বাবু, সুরেশজি ... '
    --- ' সুরেশজি তোমাকে কোথায় পেলেন ? '
    --- ' ও ... ওনাদের বড়বাজারে গদিতে কাজ করে আমার দেশের একজন ... সেই সুরেশজির কাছে নিয়ে আসে আমাকে ... '
    --- ' যদুনাথ তুমি সহদেবের মেয়ের ঘটনাটা জান তো ? '
    --- ' হ্যাঁ স্যার ... খুব খারাপ ব্যাপার ... কি আর বলব ...'
    --- ' ঘটনার দিন তুমি ডিউটিতে ছিলে তো ? '
    --- ' না স্যার ... সেদিন আমি আসতে পারিনি ডিউটিতে ... পড়ে গিয়ে আমার ছেলের চোট লেগেছিল। হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়েছিল। সারাদিন সেখানে গেল। বউও ছিল সঙ্গে। বাড়িতে রান্নাবান্না কিছু হয়নি সেদিন। শুধু মুড়ি খেয়ে ছিলাম। রাত্রে এসে একটু ভাতে ভাত ... পরের দিনও আসতে পারিনি। ছেলেটার খুব ব্যথা করছিল। কাঁদছিল থেকে থেকে ... '
    --- ' হ্যাঁ বুঝেছি ... ছেলে এখন কেমন আছে ? '
    --- ' একটু ভাল ... ব্যথা আছে এখনও। ওষুধ দিয়েছে। এক্সরে রিপোর্টে দোষ পায়নি ... বড়বাবুকে বলেছি সব ... বাবু দু'শ টাকা দিল ... '
    --- ' বাঃ, খুব ভাল। ছেলে ভাল হয়ে যাবে, চিন্তা ক'র না ... সুরেশজি খুব ভাল লোক, না ? '
    --- ' হ্যাঁ স্যার ... ওরকম লোক হয় না। এদের মধ্যে সবচেয়ে ভাল লোক ... '
    --- ' এদের মধ্যে মানে, প্রকাশ আর মনোজের থেকে ভাল ? '
    এই প্রশ্নে যদুনাথ বেশ আতান্তরে পড়ে গেল। আসলে সকলেই তো তার মালিক।
    সে সলজ্জ ভঙ্গীতে বলল, ' না না ... মানে, তা বলছি না ... সকলেই ভাল ... কিন্তু ... কিছু মনে করবেন না স্যার ... '
    --- ' কি বল তো ... '
    --- ' কিছু না ... সুরেশজি অন্যরকম ... '
    --- ' ও বুঝেছি ... ঠিক আছে ... '
    --- ' যদুনাথ, তোমার কি ভিতরেও ডিউটি থাকে, না শুধু গেটে ? '
    --- ' ডিউটি শুধু গেটে। তবে কোন কাজের দরকার থাকলে ডাকে ... '
    --- ' কি ধরণের কাজে ডাকে ? '
    --- ' তেমন কিছু না। ওই লরিতে কিছু মাল টাল তুলতে হলে ডাকে। গাড়ি থেকে মালও নামাতে হয় মাঝে মাঝে ... '
    --- ' মাল কোথা থেকে তুলতে হয় ? গাড়ি থেকে নামিয়ে রাখতে হয়ই বা কোথায় ? '
    --- ' গোডাউনে গোডাউনে ... '
    কলতান যদুনাথের চোখের দৃষ্টি দেখে বুঝল সে একবর্ণ মিথ্যে কথা বলছে না।
    কলতান এবার বলল, ' কি ধরনের জিনিস ওঠানো নামানো করতে হয় বলতে পারবে ? '
    --- ' নাঃ ... ওসব বলতে পারব না। সব কাঠের পেটিতে প্যাক করা। ভিতরে কি আছে কিছু বোঝা যায় না।
    এবারও সাদা চোখে কলতানের মনে হল না যদুনাথ মিথ্যে বলছে বলে।
    সে এবার বলল, ' তোমাদের মেজবাবুর বউকে তুমি দেখেছ কোনদিন ? '
    --- ' না, আমি কোনদিন দেখিনি। শুনেছি তার বাবা খুব অসুস্থ, তাই সে বাপের বাড়িতে থাকে ... কানপুরে ... '
    --- ' কথাটা কার কাছে শুনেছ ? '
    ---' কার কাছে, মানে ... লোকে বলে তাই ... '
    --- ' লোকের মুখে আর কি ... ' কলতান বলে।
    --- ' হ্যাঁ স্যার ... ওই আর কি ... আমার ওসব দরকার কি ... ' যদুনাথ ঘাড় নাড়ে।
    --- ' হ্যাঁ, তা তো বটেই। যদুনাথ তুমি ওই খারাপ ঘটনাটা ঘটার আগের দিন ডিউটিতে এসেছিলে ? '
    --- ' হ্যাঁ স্যার এসেছিলাম। সুরেশজি জানে ... '
    --- ' আর কেউ জানে না ? না, মানে ... তুমি যে ডিউটিতে এসেছিলে সেটা তো সবারই জানা থাকা উচিত ... '
    --- ' না স্যার ... আমি মিথ্যা কথা বলছি না, বড়বাবুকে জিজ্ঞাসা করে দেখবেন ... '
    --- ' না না ... যদুনাথ, আমি সে কথা বলছি না। আমি বলছি যে, সেদিন কি বাবুদের মধ্যে আর কেউ বাড়িতে ছিল ? '
    যদুনাথ গ্রাম্য সরলতামাখা ভাষ্যে খবর দিল যে, ' ও ... তাই বলুন। হ্যাঁ ... সেদিন মেজবাবুও বাড়ি ছিল ... কলকাতায় যায়নি ... '
    ---' আচ্ছা আচ্ছা ... প্রকাশবাবু কি প্রায়ই এরকম বাড়িতে থাকে ? '
    --- ' সেটা বলতে পারব না। অত খেয়াল রাখিনা আমি। তবে সেদিন উনি বেরোয়নি পরিষ্কার মনে আছে। ওনাকে জিজ্ঞেস করবেন ... '
    ---' হ্যাঁ নিশ্চয়ই জিজ্ঞেস করব, তুমি বলছ যখন ... '
    যদুনাথ সলজ্জভাবে বলল, ' এ কি বলছেন স্যার ... হেঃ হেঃ ... আমার কথার আবার কি দাম ... '
    --- ' হয়ত প্রচুর দাম ... কে বলতে পারে ... '
    যদুনাথ বিভ্রান্ত দৃষ্টিতে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে রইল।
    কলতান বলতে থাকল, ' আচ্ছা যদুনাথ, আর একটা কথা তোমার মনে আছে ... মনে না থাকলে বলতে হবে না ... '
    --- ' কি স্যার ? '
    --- ' সহদেবের বউ মানু আর বড় মেয়ে রানি সেদিন, মানে ঘটনার আগের দিন দুপুরবেলায় কোথায় ছিল ? '
    --- ' এই এখানেই ছিল ... '
    --- ' এখানে মানে, কোথায় ? '
    যদুনাথ অকপট সরলতায় বলল, ' ওই তো ... মেজবাবুর বাড়ি থেকে বেরোল তিনটে নাগাদ ...বোধহয় রান্না করতে গিয়েছিল। মাঝেমাঝে রান্না করে ওখানে ... '
    --- ' ঢুকেছিল কটায় ? '
    --- ' এই ... প্রায় বারোটা হবে মনে হচ্ছে ... '
    --- ' আর রানি ... সে তো ঘরে ঘুমোচ্ছিল .... ' কলতান ভাসিয়ে দিল।
    --- ' না না ... আমি তো দেখলাম ওকে ...'
    --- ' কোথায় ? '
    --- ' আড়াইটে নাগাদ ওপরে গেল ... '
    ---' তারপর তিনটে নাগাদ মা আর মেয়ে দুজনে একসঙ্গে নেমে এল .... তাই তো ? '
    --- ' হ্যাঁ হ্যাঁ .... ঠিক বলেছেন স্যার ... কি করে জানলেন ? '
    --- ' না ... এমনি ... মনে হল তাই বললাম আর কি ... ঠিক আছে যদুনাথ, তোমার সঙ্গে কথা বলে খুব ভাল লাগল। পরে আবার কথা হবে। এখন যাই তোমার প্রিয় বড়বাবু সুরেশজির সঙ্গেও একটু আলাপ পরিচয় করতে হবে ...'
    --- ' হ্যাঁ স্যার যান ... খুব ভাল লাগবে ... মেজবাবু তো আজ বাড়ি নেই। কলকাতায় গেছে ... সহদেবকে বলুন। ও নিয়ে যাবে ... '
    --- ' ঠিক আছে, তাই বলি গিয়ে ... '

    ( ক্রমশ )

    ****
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • :|: | 2607:fb90:bd19:a5bb:f966:3867:72b0:***:*** | ১০ মার্চ ২০২৫ ০৯:৫২541579
  • তারপর? জাল গোটানো মিটিংয়ের অপেক্ষায় ...
  • Anjan Banerjee | ১০ মার্চ ২০২৫ ১২:১২541583
  • হুঁ 
  • স্বাতী রায় | ১১ মার্চ ২০২৫ ১৪:৪৩541615
  • পরের পার্ট আসুক তাড়াতাড়ি। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। সুচিন্তিত প্রতিক্রিয়া দিন