

সেই সেকালের গল্প - নলের জল
অনেকদিন আগের কথা। পাড়ায় পাড়ায় রাস্তা খুঁড়ে বড় বড় পাইপ বসানোর কাজ শুরু হয়েছে স্থানীয় মিউনিসিপ্যালিটির উদ্যোগে। তখন তো আর জেসিবি মেশিনের বালাই ছিলনা। গাইতি আর শাবল দিয়ে রীতিমতো শরীরের ঘাম ঝড়িয়ে মাটি কেটে গর্ত খোঁড়ার কাজ করতে হতো। যাইহোক সেই মাটি খোঁড়া আর পাইপ বসানোর কাজ দেখতে দেখতেই আমাদের সময় কেটে যেত। গোটা ব্যাপারটাকেই বেশ রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা বলে মনে হতো আমাদের। একসময় নলপথে এলো জল। সকাল - দুপুর - সন্ধ্যায় আসা জলের জোগানে আমাদের পাড়ার তখন একরকম জলভাসি অবস্থা। ঘড়ির কাটার নড়নচড়নের সাথে আম আদমির জলজীবন কেমন আশ্চর্যভাবে যুক্ত হয়ে গেল। আশেপাশের এলাকার লোকজন এই জল মহোৎসবে সামিল হয়ে রীতিমতো উত্তেজিত। দাবি উঠলো – আমাদেরও এমন পরিষেবার আওতায় আনা হোক। মানা হলো সেই দাবি। কিছুদিনের মধ্যেই ও পাড়াতেও এল নলের জল। আমাদের মতো তেনারাও তখন হৈচৈ বাঁধিয়ে উৎসবের মেজাজে। বেশ চলছিল। গোল তৈরি হলো দুই পাড়ার পাইপ জুড়ে দেবার পরে। ভাগিদার বাড়লে মাথাপিছু বখরায় টান পড়ে। আমাদের হলো তেমন দশা ! জলের গণতান্ত্রিক ভাগাভাগি নিয়ে শুরু হলো আকচাআকচি। দিন দিন আমাদের জলের ভাগে টান পড়তে শুরু করায় বাড়লো উদ্বেগ উৎকন্ঠা। পরের কাহিনি অনেক দূরে গড়িয়ে যাবে তাই আপাতত এই আলোচনা থেকে সরে গিয়ে আমরা যাব মন্দির শহর খাজুরাহোতে।
যতো খবর খাজুরাহোতে……
খাজুরাহো,মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের এক মন্দিরশহর তথা বিখ্যাত পর্যটনকেন্দ্র। ফি বছর দেশ বিদেশের অগণিত মানুষ ভিড় করেন ইউনেস্কো স্বীকৃত এই ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটে। তবে আজ আপনাদের এখানে নিয়ে এসেছি সম্পূর্ণ আলাদা এক উদ্দেশ্য নিয়ে। এই মুহূর্তে মধ্যপ্রদেশের খাজুরাহোর দিকে সকলের নজর, কেননা এখানেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী মাননীয় শ্রী নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদী ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন “কেন - বেতোয়া নদী সংযোগ প্রকল্পের”। ২০২১ সালের ২২ মার্চ, নতুন দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে উত্তরপ্রদেশ ও মধ্যপ্রদেশ সরকারের মধ্যে এই দুই নদীকে খালের সাহায্যে যুক্ত করার এক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এর মুখ্য উদ্দেশ্যেই হলো প্রবল খরা পীড়িত বুন্দেলখণ্ড অঞ্চলে সেচের জল সরবরাহ করা। পশ্চিমঘাট পর্বতের পূর্ব ঢালের বৃষ্টিচ্ছায়া অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় এই এলাকায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ নগণ্য যা কৃষির সম্প্রসারণে কেবলমাত্র প্রবল বাধা সৃষ্টি করেনি, মানুষের জীবনযাপনের ন্যূনতম সুযোগকেও প্রবল ভাবে সীমায়িত করেছে। এইসব সমস্যার কথা মাথায় রেখেই এমন প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা ভাবা হয়। আজ পাঁচ বছর পর লাল ফিতের জট কাটিয়ে তা রূপায়ণের জন্য কাজ শুরু হলো বলা যায়।
যমুনার দুই সখী– কেন এবং বেতোয়া
নদীমাতৃক ভারতবর্ষের মধ্যভাগের দুই প্রতিনিধি হলো কেন ( Ken ) এবং বেতোয়া। কেন নদী সম্ভবত ভারতের একমাত্র নদী যাকে এখনও পর্যন্ত বাঁধের বাঁধনে বেঁধে ফেলা হয় নি। যমুনার সখী হয়েই সে আজ পর্যন্ত স্বচ্ছন্দ গতিতে বয়ে চলেছে আপনছন্দে। ৪২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এই নদীর উৎস মধ্যপ্রদেশের কাটনি জেলার বার্ণের শৈলশ্রেণির উত্তর পশ্চিম ঢালে অবস্থিত আহিরগাঁওন গ্রামের কাছে। কেন নদী তার গতিপথের প্রথম ২৯২ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়েছে মধ্যপ্রদেশের মধ্য দিয়ে, পরবর্তী ৮৪ কিলোমিটার দূরত্ব উত্তর প্রদেশের মধ্য দিয়ে এবং অন্তিম ৫১ কিলোমিটার পথ দুই রাজ্যের সীমান্ত বরাবর বয়ে গিয়ে উত্তর প্রদেশের বান্দা জেলার চিল্লা ঘাটে যমুনার সঙ্গে মিশে গেছে। এই নদী প্রবাহের মাধ্যমে রেওয়া এবং সাতনা মালভূমি বিভাজিত হয়েছে দুটি আলাদা অংশে। মালভূমির গঠনগত বৈচিত্র্যের ফলে সৃষ্টি হয়েছে অনেকগুলো জলপ্রপাতের। পাথুরে মালভূমির ওপর দিয়ে বয়ে যাবার সময় তৈরি করেছে দীর্ঘ, সুগভীর গিরিখাত।
অন্যদিকে সুপ্রাচীন বেত্রবতী বা হাল আমলের বেতোয়া নদীর উৎপত্তি সাবেক হোসাঙ্গাবাদ বা বর্তমানের নর্মদাপুরমের উত্তরে বিন্ধ্য পর্বতে। এখান থেকে মধ্যপ্রদেশের মধ্য দিয়ে উত্তর পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে ওরছার কাছে উত্তরপ্রদেশে প্রবেশ করেছে। পরিশেষে উত্তরপ্রদেশের হামিরপুর জেলায় যমুনার সঙ্গে মিশে গেছে। মালব মালভূমির ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া এই নদীটির অনেকটাই অনাব্য। সহযোগী কেন নদীর তুলনায় বেশ খানিকটা লম্বা এই নদীর দৈর্ঘ্য ৫৯০ কিলোমিটার। এর মধ্যে ২৩২ কিলোমিটার মধ্যপ্রদেশের মধ্য দিয়ে এবং বাকি ৩৫৮ কিলোমিটার দূরত্ব প্রতিবেশী উত্তরপ্রদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এই দুই রাজ্যের লোকজীবনের সঙ্গে বেত্রবতী তথা বেতোয়ার গভীর সম্পর্ক
রয়েছে। প্রাচীন চেদী রাজবংশের রাজধানী একদা এই নদীর তীরেই অবস্থিত ছিল। যমুনার দুই সখী হিসেবে গণ্য এই দুই নদীকে ঘিরেই এই মুহূর্তে নতুন স্বপ্নের বীজ বপন করতে চাইছে দুই সরকার, সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে বিরোধ, বিতর্ক। সেই আলোচনায় যাবার আগে আমরা নদী জোড়ো প্রকল্পের বাস্তবতা নিয়ে খানিকটা আলোচনা করবো।
নদী জোড়ো প্রকল্পের ভালো - মন্দ
এই আলোচনার একদম গোড়াতে যে কাহিনির কথা বলেছিলাম সেই প্রসঙ্গেই ফিরবো, তবে এক্ষেত্রে নল বাহিত জলের পরিবর্তে নদী জলের কথা আসবে। উদ্বৃত্ত অঞ্চল থেকে ঘাটতি এলাকায় কিছু সরবরাহ করার মধ্যে তো কোনো অন্যায় বা অসঙ্গতি নেই। বরং বলা যায় যে এমনটিই একটি কাম্য বন্টন ব্যবস্থার আদর্শ ও লক্ষ্য হওয়া উচিত। এ ধরনের উন্নয়নমুখী কর্মসূচিকে স্বাগত জানাতে বাধা কোথায়? এই ভাবনাকে মাথায় রেখেই কেন নদীর বাড়তি জল খাল পথের মাধ্যমে বেতোয়া নদীতে পাঠানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। আশা করা হচ্ছে যে এই বাড়তি জলে বেতোয়া অববাহিকায় বসবাসরত মানুষজনের জলের ঘাটতি যথাযথ ভাবে মেটানো সম্ভব হবে।
সভ্যতার একেবারে আদি পর্ব থেকেই মানুষ নদীর সঙ্গে এক নিগূঢ় সম্পর্কের বন্ধনে আবদ্ধ। নদীর জলে মিটেছে তার তৃষ্ণা, কৃষির প্রসার সুনিশ্চিত হয়েছে নদী জলের মাধ্যমে, জীববৈচিত্রের সরক্ষণ ও প্রবর্ধনে নদীর ভূমিকা অপরিসীম, নদীর পলি সমৃদ্ধ করেছে কৃষি জমিকে, গড়ে তুলতে সাহায্য করেছে জল চক্রের এক আশ্চর্য তন্ত্র। মানুষের আর্থ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনে নদীর গুরুত্ব বলে শেষ করা যাবে না।
এই গুরুত্বের কথা মাথায় রেখেই ১৯৮০ সালে ভারতে নদীগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপনের জন্য খসড়া পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। মনে করা হয়েছিল দেশের যেসব নদী অতিরিক্ত জল বহন করে সেই সব নদীর জলের একাংশ স্বল্প জলবাহী নদীতে নিয়ে আসা যায় তাহলে দেশজুড়ে একটা সুষম জলবন্টন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে। পর্যাপ্ত জলের জোগানের অভাবে পিছিয়ে থাকা অঞ্চলগুলোও সমস্ত প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে জাতীয় উন্নয়নে সামিল হতে পারবে।
নদী সংযোগ প্রকল্প প্রকৃতপক্ষে ছিল নদী অববাহিকাগুলোর মধ্যে এক কার্যকর সংযোগ সাধনের প্রয়াস যার আওতায় প্রাথমিক ভাবে ৩০ টি প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা ভাবা হয়েছিল। এই লক্ষ্য পূরণের জন্য ৩০০০ স্টোরেজ ব্যবস্থা স্থাপনের মাধ্যমে উত্তর ভারত ও উপদ্বীপীয় মালভূমির মোট ৩৭ টি নদীকে জুড়ে দেবার ইচ্ছে প্রকাশ করা হয়।
নদীতে বাঁধ দিয়ে,বহতা নদীর জল ধরে রেখে তা দিয়ে মানুষের বহুমুখী কল্যাণ সাধনের যে পরিকল্পনার কথা বলা হয় এক্ষেত্রে আবার সেগুলোকে পেশ করা হলো– ৩৩ হাজার গিগাওয়াট জলবিদ্যুৎ উৎপাদন, ৩৫ মিলিয়ন হেক্টর জমিতে সেচের সুযোগ সম্প্রসারণ, জলপথ পরিবহনের সুযোগ সৃষ্টি, মৎস্য পালনের সুযোগ সম্প্রসারণ ইত্যাদি ইত্যাদি। এমন গালভরা প্রতিশ্রুতির কথা শুনতে শুনতে আমরা সবাই ক্লান্ত হয়ে পড়েছি। আমরা সবাই একথা বুঝে গিয়েছি যে এই সব আলোকিত প্রতিশ্রুতির আড়ালেই আছে অন্য এক গভীর শূন্যতা,এক অপূরণীয় ক্ষতির হিসেব নিকেষ – জীববৈচিত্রের বিনাশ, বনভূমির ব্যাপক বিনষ্টি, বিপুল সংখ্যক মানুষের বাসভূমি লোপাট হয়ে যাওয়া, জীবন ও জীবিকার টানাপোড়েন। একথাগুলো বলা হয় না,বললেও কখনোই উচ্চকিত কন্ঠে নয়।
আমাদের দেশের একটা বড়ো সমস্যা হলো যে সরকার সবসময়ই কিছু চটকদার প্রকল্পের রূপায়ণের বিষয়ে যতটা আগ্রহী, একেবারে মাটির কাছাকাছি থাকা মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অর্থবহ রূপান্তরে ততটা তাগিদ দেখিনা। এরফলে সাধারণ মানুষের জীবন ও জীবিকার লড়াই বাড়ে, পরিবেশ পরিমন্ডলের ভারসাম্য টালমাটাল হয়ে যায়। ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে ভারতীয় বন বিভাগের পক্ষ থেকে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য চূড়ান্ত ছাড়পত্র দেওয়া হলো। এ নিয়ে কোর্ট কাছাড়ি, আইনি লড়াই বিস্তর হয়েছে। পরিবেশবিদরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় তাঁদের আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। তবে ‘কাকস্য পরিবেদনা’ ! জাতীয় স্বার্থের দোহাই দিয়ে প্রকল্পটি দ্রুত গতিতে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সপক্ষে স্পষ্ট রায় দিয়েছে উচ্চতম বিচারালয়। ফলে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে কেন – বেতোয়া নদী সংযোগ প্রকল্প।
প্রকল্পের ঘোষিত রূপরেখা
২০২৫ সালের ৮ ডিসেম্বর কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেট কেন - বেতোয়া নদী সংযোগ প্রকল্পের রূপায়ণের জন্য সবুজ সংকেত দেয়। আগেই বলেছি যে এই প্রকল্পটির প্রাথমিক লক্ষ্য হলো খরা পীড়িত বুন্দেলখণ্ড অঞ্চলে সেচের সুযোগ সম্প্রসারণ। সমগ্র প্রকল্পের রূপায়ণের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৪,৬০৫ কোটি টাকা। এই প্রকল্প ৮ বছরের মধ্যে সম্পূর্ণ করার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের ছাত্তারপুর জেলার পান্না ব্যঘ্র প্রকল্পের অন্তর্গত অংশে কেন নদীর ওপর দাউধন বাঁধ নির্মাণ করে কেন নদীর বাড়তি জল ধরে রেখে তাকে খালপথে পাঠিয়ে দেওয়া হবে বেতোয়া নদীতে। এরফলে বেতোয়া অববাহিকায় ১০.৬২ লক্ষ হেক্টর জমিতে সেচের প্রসার ঘটবে।উপকৃত হবে ৬৩ লক্ষেরও বেশি মানুষ।
এই স্বপ্ন চিত্রকে সামনে ঝুলিয়ে রেখেই নতুন করে শুরু হতে চলেছে আধুনিক ভারতের প্রথম নদী সংযোগ প্রকল্পের কাজ।
মুখরিত প্রতিবাদ
গত কয়েকদিন ধরেই ছাত্তারপুর জেলার কুপী গ্রামের মানুষেরা যাদের মধ্যে গ্রামের সাধারণ আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মহিলারা এক অভিনব প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছেন কেন - বেতোয়া নদী সংযোগ প্রকল্পের বিরুদ্ধে। বারানা নদীর ওপর চিতার মতো করে কাঠ পেতে শুয়ে শুয়ে চলছে তাঁদের এই প্রতিবাদী আন্দোলন। এই প্রকল্প রূপায়িত হলে এতদিনের ভিটেমাটি ছেড়ে বিবাগী হতে হবে তাঁদের কেননা কেন নদীর ওপর জলাধার তৈরি করে জল ধরে রাখার ফলে বানভাসি হতে হবে মানুষগুলোকে। এই প্রকল্প রুখে দেবার সামর্থ্য যে তাঁদের নেই সেই কথা খুব ভালো ভাবেই জানেন তাঁরা,তাই সরকারের কাছে তাঁদের দাবি পুনর্বাসনের উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের এবং সম্মানজনক ক্ষতিপূরণ দেবার। বেশ কয়েকবার প্রশাসনের সঙ্গে এই বিষয়ে আন্দোলনকারীদের কথাবার্তা হলেও সমস্যা মিটে যাবার সম্ভাবনা এখনও সুদূরপরাহত।
আন্দোলনে সামিল হওয়া মহিলারা ক্রমশই আত্মপীড়নের পথে হাঁটছেন। কখনও গলায় দড়ির ফাঁস বেঁধে, আবার কখনও প্রতীকী চিতা সাজিয়ে মৃত মানুষের বেশে মানুষ আজ প্রতিবাদে মুখর হয়েছেন। মধ্যপ্রদেশের ছাত্তারপুর এবং পান্না জেলার মহিলা পুরুষ নির্বিশেষে সকলেই আজ মুখরিত প্রতিবাদে। এসব বিষয়ে প্রশাসন কখনোই খুব সংবেদনশীল হয়না, এক্ষেত্রেও তাঁদের আচরণ অনেকটাই তেমন নিস্পৃহ গোছের। আন্দোলনে সামিল মানুষদের দাবি, সম্ভাব্য ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামগুলোর সমস্ত মানুষকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন
দিতে হবে, বাড়াতে হবে পুনর্বাসনের আনুষঙ্গিক সুযোগ সুবিধা।



অরিন | ০৮ আগস্ট ২০২৬ ১৬:১৩742142
সৌমেন রায় | ০৮ আগস্ট ২০২৬ ১৮:৫৯742146
পৌলমী | ০৮ আগস্ট ২০২৬ ২২:৪৬742150
অরিন | ০৯ আগস্ট ২০২৬ ০২:৪১742153
Subrata Kumar Pal | ০৯ আগস্ট ২০২৬ ১০:৩৮742159
#+: | ০৯ আগস্ট ২০২৬ ১০:৩৯742160
অরিন | ১০ আগস্ট ২০২৬ ০২:১১742172
অরিন | ১০ আগস্ট ২০২৬ ১৫:১৯742181