এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • অন্তরালে

    Manali Moulik লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২৭ বার পঠিত
  • পর্ব ১
    "হ‍্যাপি বার্থডে জুডো চ‍্যাম্পিয়ন !! "
    দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে উচ্চহাস‍্যে মুখরিত হয়ে শ্রাবণের আলিঙ্গনে ধরা দিলো অত্রি। ঢাকুরিয়ার ফ্ল‍্যাটটা আজ সেজে উঠেছে বিভিন্ন রঙের বেলুনে। সবুজ, সোনালী, বেগুনি আর নীল। ক‍্যান্ডেলগুলো জ্বলছে এখনো টেবিলে, রেড ভেলভেট বার্থডে কেকটা যদিও সময় পেরিয়ে যাওয়ার বেশ কিছুটা পরেও অক্ষত রয়ে গেছে। ডিসেম্বরের কলকাতায় জানালার স্লাইডিংগুলো বন্ধ রেখে এসি চালালেও অনেক মানুষের কলরব আর উপস্থিতি একটা আলাদা উত্তাপের সৃষ্টি করে। অত্রির বন্ধুদের মধ‍্যে অনেকেই এতোক্ষণে বাড়িমুখো হলো। আটত্রিশ বছরের এই বার্থডে সেলিব্রেশন মোটামুটি সন্ধ‍্যে ছ'টার দিকে শুরু হলেও পূর্ণতা পেতে যে মোটামুটি রাত সাড়ে ন'টা - দশটা বাজবে এটা অনেকেই জানতো। ঘরটিতে ছড়িয়ৃ ছিটিয়ে থাকা তরুণ-তরুণীদের মধ‍্যে থেকে একজন আলাদা করে নজর কাড়ে। যুবকটির বয়স পঁচিশের আশপাশে হবে, সুদীর্ঘ উচ্চতা, গৌরবর্ণ, শালপ্রাংশু শব্দটা বোধহয় এর ক্ষেত্রেই প্রয়োগ করা যায়। চেহারায় স্পষ্ট অবাঙালী ছাপ, মুখে একটা লাজুক সারল‍্য আছে। সোফার একপাশে বসেছে হাতের গ্লাসে ক্র‍্যানব্রেরি ব্রিজার নিয়ে। অপরিচিত, বিস্মিত চোখ মেলে একবার লক্ষ‍্য করলো অত্রির এগিয়ে যাওয়া আর নতুন এক ব‍্যক্তির আগমন। তারপর আবার চোখ নামিয়ে গিটার-জ‍্যাজের তাল-সম্বলিত মিউজিকের সঙ্গে তাল দিতে লাগলো নিজের মনে। অত্রি প্রায় আলিঙ্গনবদ্ধ অবস্থাতেই শ্রাবণকে নিয়ে এলো একেবারে তার সামনে।
    -- "শ্রাবণ, মিট ধ্রুব, হি ইজ মাই কলিগ ফ্রম চন্ডীগড়। তোকে যার কথা বলেছিলাম। তোর সঙ্গে মিট করার জন‍্যই ও বহুবার প্রেস ক্লাব পর্যন্ত দন্ডী কাটতে গেছে। অ‍্যান্ড ধ্রুব, হিয়ার ইজ ইয়োর হিরো, মিট হিম।"

    অত্রির পরিচয়পর্বের শেষেই দীর্ঘদেহী যুবকটি বলিষ্ঠ হাত বাড়িয়ে দিলো শ্রাবণের দিকে, "হ‍্যালো, ইউ আর মিষ্টার শ‍্যারাভান চ‍‍্যাটের্জী?"
    উচ্চারণ অবাঙালী-অ‍্যাংলিসাইস্ড মেশানো। প্রথম শুনলে মনে হয়, দীর্ঘদিন বাংলায় কথা বলার অভ‍্যেস নেই বা উচ্চারণশৈলী প্রথম থেকে এভাবেই তৈরী।
    শ্রাবণ করমর্দন করে প্রশ্ন করে, "হ‍্যালো, হাউ ডু ইউ নো মি?"
    দীর্ঘদেহী নিজের স্থির দৃষ্টি তার মুখের উপর স্থাপন করে বললো, "আই নো শ‍্যারাভান চ‍্যাটের্জী, দ‍্য ম‍্যান হু নেভার সারেন্ডার।"
    একটা মনভোলানো স্মিত হাসি বিনিময় করে অত্রির বাহু ধরে একটু সরে আসে শ্রাবণ, "বাবা অত্রি, এই স‍্যাম্পেলটি কোথা থেকে আমদানি? না মানে, প্রশংসা করছে অলরাইট, কিন্তু পিতৃদত্ত নামটা, একটা পদাবলীর ছোঁয়া ছিলো যাতে, সেটা কীরকম ক‍্যারাভানমার্কা করে দিলো ! ইহার নিবাস কোথায়? তিব্বত, মঙ্গোলিয়া, আসাম....?"

    অত্রি হাতে একটা বেলুন নিয়ে তেড়ে ওঠে, "আসামী ও নয়, তুই। একে তো এসেছিস একঘন্টা লেট করে, আবার আমাকে উইশ না করে প্রশ্নের সাইক্লোন ছোটাচ্ছিস?"

    এতোক্ষণ গিটারের সুরে ডুবে থাকা বন্ধুদের মধ‍্যে থেকে একটি সুবেশা, সুরূপা তরণী এগিয়ে আসে। ব্লু-ডেনিম জিন্সের সঙ্গে ক‍্যাজুয়াল ইয়েলো অর্গ‍্যাঞ্জা রঙের টপ, অবিন‍্যাস্ত চুল, চশমার আড়ালে তীক্ষ্ণ চোখদুটিতে বুদ্ধিদীপ্ত হাসি। অত্রি আর শ্রাবণের মাঝে একটা হাত রেফারির ভঙ্গীতে এগিয়ে দিয়ে বলে,

    -- "এনাফ ইজ এনাফ, দাদা তুমি এবার দায়িত্ব নাও। এখনো কেক মার্ডার হলো না, ডিনার হবে-টবে না নাকি?"
    শ্রাবণ শান্তিনিকেতনী চিত্রিত উত্তরীয় সামলে নিয়ে তার দিকে তাকালো, "ইরা, আমাকে কেন ব্লেম করছিস? এই মাঙ্কিটাকে শাসন - টাসন কিস‍্যু না করে বিগড়ে দিয়েছিস তোরাই.....এখন..."
    ইরা দ্রুতহাতে দুজনের হাত ধরে টেবিলের সামনে নিয়ে যায়।
    --- "ওক্কে বাবা, আজ বার্থডেতে নো ঝামেলা ! অত্রি, ঝটপট কেক কাট। আর ওয়েট করা পসিবল নয়। ফাইনালি শ্রাবণদা ইজ হিয়ার, সেলিব্রেশন পূর্ণতা পেলো। চিয়ার্স!!"
    অনুষ্ঠানের ব‍্যস্ততার সাময়িক বিরতিতে আপনাদের একবার পরিচয় করিয়ে দিই শ্রাবণের সঙ্গে। 'যখন সময় থমকে দাঁড়ায়' -এর প্রেক্ষাপটে একবার তাকে আনতে চেয়েছিলাম লেখায়। কিন্তু সে নেহাৎই অতি সামান‍্য সময়ের জন‍্য। সুতরাং নতুন করে পরিচয় দিলে তা দ্বিরুক্তিদোষে দুষ্ট হবে না।
    শ্রাবণ চট্টোপাধ্যায়। সাংবাদিকতা পেশার সূত্রেই রহস‍্যের সঙ্গে যার আলাপ - পরিচয়। পরিচিত লেখক, প্রাবন্ধিক এবং ড়সম্পাদকের বাইরে যার পরিচয় একজন ইতিহাস-গবেষক এবং অনুসন্ধানী হিসাবে। এখনো পর্যন্ত সরাসরি নিজে কোনো তদন্তের সঙ্গে সংযুক্ত না হলেও নিজস্ব পদ্ধতিতে অনেককে সহায়তা করার রেকর্ড তার অস্বীকার করা যায় না। অত্রির জন্মদিনের যে হুল্লোড়ের দৃশ‍্য আমরা দেখলাম তা ফটোগ্রাফার অত্রি আর সাংবাদিক শ্রাবণের রসায়নের জন‍্য, অথবা পূর্বতন বন্ধুত্বের জন‍্য তা বলা মুশকিল। অন্তত ঃ এখনো পর্যন্ত ন‍্যাশানাল-লেভেল জুডো চ‍্যাম্পিয়ন অত্রি রায় শ্রাবণের কোনো অভিযানের সঙ্গী হয়নি। সেদিক থেকে ইরাবতীর মানে ইরার ট্র‍্যাকরেকর্ড বেশ উজ্জ্বল। শুধু তার রিসার্চ গাইড শ্রাবণের পরিচিত বন্ধু বলে নয়, বা অ‍্যাকাডেমিক্সে শ্রাবণের সাহায‍্য পাওয়া নয়, ইতিমধ‍্যে দু-একবার শ্রাবণের বেপরোয়া সিদ্ধান্তেও ইরার ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। আজকের জন্মদিনের উদযাপন শেষ হলে অত্রি, ইরাবতী, শ্রাবণ আর সেই দীর্ঘদেহী যুবক ধ্রুব এক হলো অত্রির ড্রয়িংরুমে। বার্থডে বয় ক‍্যাজুয়াল ব্ল‍্যাক ডেনিম আর টি-শার্টে উজ্জ্বল। শ্রাবণের পরণে সবুজ-সোনালীর কারুকার্যময় স্নিগ্ধ পাঞ্জাবী, মনখারাপের বর্ষাসবুজ রঙের উত্তরীয়। ব্রোচে দুটি নীল-সবুজ পাথর বসানো। ইরাবতী প্রথম কথা বললো,
    " আজ কিন্তু বার্থডে বয় কে, সেটা বোঝা গেলো না। শ্রাবণদাকে দেখে শেখা উচিত ড্রেস-আপ কী জিনিস !"
    কোল্ড বিয়ারে চুমুক দিয়ে শ্রাবণ সমর্থন জানায়, "অ‍্যাকচুয়ালি বিষয়টা কী জানিস তো ইরা, যাদের বিবর্তন এখনো সম্পন্ন হয়নি তারা ঠিকঠাক ড্রেস-আপের মর্ম বোঝে না। "
    --- "এই তুই থাম! " অত্রি ইরাকে ধমক লাগায়। " চব্বিশ ঘন্টা ওরকম মৌর্য রাজপুত্র লুক নিয়ে থাকার দরকার নেই আমার। না মানে, কেন ভাই? দু হাজার ছাব্বিশে যথেষ্ট ভালো আছি, কী করতে ফোর্থ সেঞ্চুরি বিসিইতে যাবো?"
    শ্রাবণ অপূর্বভঙ্গীতে নিজেকে সোফায় এলিয়ে দেয়, বলে, "এই যে মাঝে মাঝে একেকটা কমেন্ট করে, শুনলে পা থেকে মাথা পর্যন্ত জ্বলে যায়। ফোর্থ সেঞ্চুরি বিসিই ! মৌর্য রাজপুত্র!! হুঁহ! তখন এই ফ‍্যাশন ষ্টেটমেন্ট ছিলো না রে গাধা ! উত্তরীয় জিনিসটা এসেছেই......"
    -- "ধুত্তেরী তোমাদের উত্তরীয় ! ধ্রুবজীকে তখন থেকে বসিয়ে রেখে নিজেরা ক‍্যাচাল করছো কেন?" ইরার চোখমুখ রাগে লাল হয়ে উঠেছে। সোফার অপর প্রান্তে বসে থাকা ধ্রুব নামক যুবক লাজুক হেসে তার দিকে তাকালো। অত্রিকে দেখে মনে হলো, হঠাৎ সিরিয়াস মোডে ফিরে এসেছে।

    -- "হ‍্যাঁ শ্রাবণ। তোকে যেটা বলার, ইনি ধ্রুব ওবেরয়। আমার জেএনইউয়ের বন্ধু সামাইরার এক আত্মীয়। বাড়ি চন্ডীগড়। ওদের পূর্বপুরুষ ওখানে জমিদার ছিলেন, এখন পরিবার বলতে ধ্রুব আর ওর মা। সামাইরা আর আমার থেকেই তোর কেসগুলোর ব‍্যাপারে শুনেছিলো। রিসেন্টলি সাউথ থেকে মাকে ডক্টর দেখিয়ে কলকাতায় এসেছে এক রিলেটিভের বাড়ি। থাকবে কিছুদিন ওখানে। আমাকে বারবার বলেছিলো তোর সঙ্গে দেখা করিয়ে দিতে। ভরসা রাখতে না পেরে বারবার তোর অফিস, প্রেস ক্লাব সবেতেই গেছে। তোর হেল্প পেলে নাকি ও বেঁচে যায়.... দ‍্যাখ কী বলে।"
    অত্রির গৌরচন্দ্রিকা শেষ হলে শ্রাবণ অত‍্যন্ত স্নিগ্ধভাবে বললো, "কেয়া হামলোগ বেঙ্গলি মে বাত কর সাকতে হ‍্যায়, ধ্রুব ভাইয়া?"
    --"জী হাঁ। আপনাকে বলা হয়নি, আমার মামাবাড়ি কলকাতায়। বা বলা ভালো আমার মা বাঙালী এবং কলকাতারই মেয়ে। আমার বাংলা বলতে বা বুঝতে কোনো অসুবিধা নেই। " ধ্রুব অনেকটা সহজ হয়ে আসে শ্রাবণের আন্তরিক ব‍্যবহারে।
    -- "আসলে আমি আপনার থেকে একটা সাহায‍্য চাই। যেটা আমাদের পরিবার আর একটা অজানা দরজা দুটোর জন‍্যই খুব ইম্পর্ট‍্যান্ট।" ধ্রুব বলতে শুরু করে,
    --- "আমার বাবারা ছিলেন দুইভাই। জমিদারি অতীতের পতনের পর আমার বাবা ব‍্যবসা শুরু করেন ও সংসারী হন। মোটামুটি আর্থিক প্রাচুর্যের মধ‍্যেই আমার বড়ো হওয়া। আমার কাকা সংসারী হননি, অসম্ভব মেধাবী মানুষ ছিলেন। তবে সেভাবে কোনো কাজকর্মও করতেন না। কখনো কম্পোজিটার, কখনো সেলসম‍্যান তো কখনো টিউশ‍্যনি, মানে মনে যেটা চায় সেটাই আর কী।"

    শ্রাবণ সোজা হয়ে বসে, "ইন্টারেস্টিং মানুষ তো ! তারপর?"

    ধ্রুব বলে চলে, "ওনার জন‍্য বরাদ্দ আমাদের চন্ডীগড়ের বাড়ির ওপরতলার একটা ঘরে উনি সন্ধ‍্যার পর প্রায়ই একা থাকতেন। গভীর রাত পর্যন্ত ওইঘর থেকে একটা আশ্চর্য শব্দ পাওয়া যেতো। আমাদের বাড়ির ছোটোরা, কাজের লোকজন কেউ ভয়ে ওদিকে যেতো না। তাদের বিশ্বাস, কাকাবাবু কোনো গুপ্তসাধনা করেন। কিছু অপরিচিত শব্দের মন্ত্র, ধাতব শব্দ কানে আসতো। অথচ সেখানে কোনো ট্র‍্যাডিশনাল ঠাকুর দেবতার মূর্তি ছিলো না। ধূপ-ধুনো কিছু জ্বলতো না। একটা তামার চিত্রিত প্লেট --মানে বলতে গেলে ওনার আরাধ‍্য ছিলো ওটাই। আর কাঠ, জল, পারদপূর্ণ পাত্র। "

    -- "হুম। সেই তামার চৌকো প্লেটে আঁকা ছবিটা কেমন?" শ্রাবণ চিবুকে অনির্বচনীয় দুটি আঙুল রেখে প্রশ্ন করে।
    -- "আপনাকে আমি সঠিক বোঝাতে পারবো না, স‍্যার। একটা সপ্তমুখী নক্ষত্র।তার চারদিকে একটা বৃত্ত, চারকোণে ত্রিভুজ, তাদের ঘিরে বৃত্ত। আবার নানারকম গাছপালা আর পশুর ছবি যার অনেকগুলোই আমরা চিনি না বা বাস্তবে সেসব জীব নেই। এখন আমি জানতে চাই, কাকাবাবু এগুলো কী করতেন? " ধ্রুবর দিকে কিছুক্ষণ স্থির তাকিয়ে থেকে শ্রাবণ আবার কোল্ড বিয়ারের ক‍্যান হাতে তুলে নেয়। বলে, "কিন্তু আপনার কাকাবাবুর ঘরে ওই চিত্রিত প্লেট ছাড়া আর কিছুই ছিলো না, আপনি সিওর?"
    ধ্রুবকে একটু অন‍্যমনস্ক দেখায়। যেন কিছু মনে করার চেষ্টা করে, "হুম...না...নাহ্। আমার তেমন মনে পড়ছে না কিছু আর ছিলো বলে।"
    শ্রাবণ স্মিত হেসে তাকায়। চশমার কাঁচ আর ব্রোচের পাথরদুটি ঝিলমিল করে ওঠে।
    "ঠিক বলছেন? একটা লম্বা লোহার ষ্টিক, একটা তামার কড়াই, একটা কালো হাতলওয়ালা ছুরি, একটা কালোরঙের স্কার্ফ। ছিলো না এসব? নেই?"
    অত্রি আর ইরাবতীকে অবাক করে দিয়ে ধ্রুব চাবুক খাওয়া ব‍্যক্তির মতো লাফিয়ে উঠে দাঁড়ায় সোফা ছেড়ে,
    --- "শ্রাবণ স‍্যার, আপনি কি ম‍্যাজিশিয়ান?"

    (ক্রমশ)
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
    পর্ব ১
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভেবেচিন্তে মতামত দিন