এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • অন্তরালে

    Manali Moulik লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৬৫ বার পঠিত
  • পর্ব ১ | পর্ব ২
    ডার্ক গ্রিন ভেলভেটে মোড়া সোফায় আধশোয়া হয়ে অত্রি রোমিলা থাপারের একটা মৌর্য ইতিহাস সংক্রান্ত বই পড়ছে। কলিংবেলের শব্দে রাধামাসি দরজা খুলেই হইহই করে উঠলো, "ওমা, শ্রাবণদাদা যে !! আজ কার মুখ দেকে উঠিচি গো!"
    -- "কার আবার ? আন্টি কলেজে বেরিয়ে গেলে তোমাকে রোজ যেটার মুখ দেখতে হয় গো মাসি ! " শান্তিনিকেতনী ব‍্যাগটা সামনের টেবিলে রেখে শ্রাবণ হাত ধোয় বেসিনে। আজ সকালে তার পরণে একটি সাধারণ বাসন্তী - রঙা পাঞ্জাবী, সাদা ট্রাউজার। একটা শরৎকালের দ্বিপ্রহরের মতো আবহ তার উপস্থিতি ঘিরে। রাধামাসি অত্রিকে ছোটোবেলা থেকে সামলাচ্ছে। মা বাবা উভয়েই অধ‍্যাপক। বাবা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে একটি কলেজের ইকোনমিক্সের বিভাগীয় প্রধান, মা জিওলজির। সুতরাং সকাল থেকে দিনের অধিকাংশ সময়টা অত্রি ছেলেবেলা থেকে রাধামাসির তদারকিতেই মানুষ। সেইসূত্রে শ্রাবণ তার বিশেষ পরিচিত। রাধামাসি আদর করে বলতো, "রাম-লক্ষ্মণ।" শ্রাবণ সতর্ক করে বলেছে, "তুমি স্নেহের বশে ভুল করলে মাসি ! লক্ষ্মণ হওয়ার মতো কোনো লক্ষণ ওর মধ‍্যে নেই ! অ‍্যাবসোলিউটলি নট! বড়োজোর রাম - হনুমান বলতে পারো!"
    -- "তা অবশ‍্যি ঠিক ! দ‍্যাখো না, বৌদি বেরিয়ে গেলে অ‍্যাতবড়ো ছেলে ঘরের কুটোটি নেড়ে দুটোটি করবেনি ! পড়ে পড়ে বেলা অব্দি ঘুমোচ্ছে !" ঝংকার দিয়ে রাধামাসি শ্রাবণের ব‍্যাগ সযত্নে তুলে রাখে। সোফার কুশনগুলো সাজায়। শ্রাবণ অত্রির মুখোমুখি একটা বেতের মোড়া টেনে নিয়ে বসে,
    -- "ঘুমোচ্ছে মানে? মোটেও ঘুমোয়নি ও, এই দ‍্যাখো মাসি। প‍্যাটপ‍্যাট করে তাকিয়ে আছে আর ল‍্যাদ খাচ্ছে সোফায়! যুবশক্তির কী অপচয় ! "
    অত্রির আর সহ‍্য হলো না। বইটা টেবিলে রেখে আড়মোড়া ভাঙে, দু-বার ডনবৈঠক দিয়ে লাফিয়ে উঠে দাঁড়ায়। একটা হাত সোজা সামনে বাড়িয়ে দিয়ে বলে, "বিপ্লব আসবে!"
    শ্রাবণের হতভম্ব মুখের সামনেই রাধামাসি ঝামটে ওঠে,
    "এসে বসবে কোথা?"
    অত্রি মুখটা বাংলার পাঁচের মতো করে বলে, "মানে?"
    -- "তকন থেকে তো শুনচি কে বিপ্লববাবু আসবেন, আসবেন! তা একটা মান‍্যিগণ‍্যি লোক এসে বসবে কোথায়? ঘরদোরের ছিরি কী করে রেকেচো ? এইনিয়ে তিনবার কুশন, বালিশ আর কার্পেট ঝেড়েঝুড়ে গুছিয়ে দিয়ে গেলুম আবার ঘেঁটেছো ! ধেড়ে ছেলে খাবারের পাত্তরগুলোও কিচেনে দিয়ে আসবেননি। লোকে দেকে বলেই বা কী?"
    শ্রাবণ দুহাত দিয়ে রাধামাসির খরস্রোতের মধ‍্যে বাঁধ দেয়, "ওহ্ মাসি, না না সে বিপ্লব নয়। আরে, চাপ নিও না গো, কেউ আসবে না। আপাতত আমিই এসেছি। তুমি দু কাপ কফি দিয়ে যাও শুধু।"
    অত্রি কাঁদো-কাঁদো গলায় বলে, "আর দুটো কুকিজ্।"
    কিচেনের দিকে যেতে যেতে রাধামাসি গজগজ করে, "চকোলেট আর ক্রিম বিস্কুটের কৌটোগুলো বৌদি আনতে না আনতে খালি! দেকি খুঁজে,তোমাদের বাড়িবগ্গে কী আচে!"

    অত্রি এতোক্ষণে ফর্মে ফিরে এসে গুছিয়ে বসে।
    -- "তারপর বলুন ম‍্যাজিশিয়ান সাহেব, ধ্রুবজীর কেসে কীকরে ওই চমকটা লাগালেন?"
    শ্রাবণের হলুদ পাঞ্জাবীর কোলের উপর পড়েছে সকালের রোদ। একটা বেশ পুজো-পুজো ভাব। বললো, "না রে, ম‍্যাজিশিয়ান-টিয়ান কিছু না। আমি ছাপোষা কলমচি।তোর বার্থডের পর শুনলাম ধ্রুববাবু ওনাদের ওই রিলেটিভের বাড়িতেই আছেন। মাকে নিয়ে ফিরবেন আরো দিনকতক পরে। আমি ঠিকানাটাও জোগাড় করেছি। দেখা করার টাইমও নির্দিষ্ট, কারণ ওনার মায়ের আজ সন্ধ‍্যেতেই একবার চেক-আপ আছে। আমার আগমন সেজন‍্যই। "
    রাধামাসি কফি আর কুকিজ্ রেখে যায়।
    শ্রাবণ নিঃশব্দে একটা কাপ তুলে চুমুক দিয়ে বলে, "ধ্রুববাবুর কাছে থেকে সেদিন ওইগুলো শুনে আমি কীকরে বলতে পারলাম অন‍্য বস্তুর কথা, তাই ভাবছিস তো?"
    -- "ভাবছি মানে ? " অত্রি চেঁচিয়ে ওঠে -"রীতিমতো অবাক হয়ে যাচ্ছি! ভাই, তুই কী ওনার কাকাকে চিনতিস নাকি?"
    শ্রাবণ তার মনোমুগ্ধকর স্মিতহাসিটা হাসলো।
    -- "না না। চেনাশোনার কোন্ বাইরে থেকেই জানা যায়।ধ্রুব যা যা বললো, তার থেকে আমি যেটা বুঝলাম তা হলো, ওর কাকা যে বিষয়টার চর্চা করতেন তা হলো ডিমনোলজি। তাতে ওর বর্ণিত ওই জ‍্যামিতিক চিত্র আঁকা তামার প্লেট ছাড়াও কিছু জিনিস দরকার হয়। ওই কালো স্কার্ফ, সুগন্ধী মোম, কিছু ধাতব জিনিস ইত‍্যাদি। প্রি-মর্ডান ইউরোপে, মানে খ্রিষ্টধর্ম ও ক‍্যাথোলিক চার্চের আধিপত‍্য প্রতিষ্ঠার আগে পর্যন্ত এই ডিমনোলজির চর্চা ছিলো। আর এরসঙ্গে প্রাচীন অ‍্যালকেমির একটা শাখাও জড়িত।"
    একনাগাড়ে কথা বলে শ্রাবণ একটু থামে। অত্রি আগ্রহে ঝুঁকে আসে, "অ‍্যালকেমি তো পাগলামির আরেক নাম ! মানে সেই পরশপাথর, তামাকে সোনার করার পদ্ধতি খুঁজে বেড়ানো তো?"
    -- "নো, নো মাই ডিয়ার, " শ্রাবণ গভীর কন্ঠে বলে,
    -- "আজকের যুগের বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে হয়তো আমরা তাদের কাজগুলোকে উদ্ভট বলতে পারি, কিন্তু জানবি এটাই প্রোটো-সায়েন্স। তারা এমন কোনো সর্বরোগহরা ওষুধ খুঁজে বেড়াতো যার মাধ‍্যমে পৃথিবীর সব রোগ দূর করা যায়, যেমন প‍্যানাসিয়া। আবার সোনা তৈরী করার ফর্মুলা ইত‍্যাদি। কিন্তু অনেক জিনিস ওনাদের থেকেই আমাদের আজকের কেমিষ্ট্রি লাভ করেছে। অ‍্যালকেমি শব্দটা এসেছে মিশরীয় 'আল-খিমিয়া' থেকে। এই বিদ‍্যা মিশর থেকে ইউরোপে আসে আরব বণিকদের মাধ‍্যমে। সায়েন্স বলতে আমরা যা বুঝি, তার ধারণা তখন মানুষের মধ‍্যে সঠিকভাবে ছিলো না। তাই রোগ সারানো, মানুষকে নতুন জ্ঞানদান ইত‍্যাদি বিভিন্ন আধিভৌতিক সত্ত্বা করে বলে ওনারা বিশ্বাস করতেন। সেইসব অর্ধমানবদের বসবাস নরকে, শয়তানের সভায়। তাদেরকেই 'ডিমন (Demon) ' বলা হয়। এর কোনো বাংলা প্রতিশব্দ ঠিকঠাক নেই। অপদেবতা, আধিভৌতিক সত্ত্বা এসব বলতে পারিস। "
    শ্রাবণ উঠে দাঁড়িয়ে কফির কাপ হাতে পায়চারি শুরু করে,
    -- "তো এইসব ডিমনদের মধ‍্যেই নানা শ্রেণীবিভাগ আছে বুঝলি ? কিং, মার্কুইস, ডিউক, ব‍্যারন ইত‍্যাদি। টোটাল ৭২ টি স্পিরিট বা ডিমনের উল্লেখ পাওয়া যায় আর্সে গোয়েটিয়া (Ars Goetia) তে। যা লেমিগটোনের একটা প্রাথমিক অংশ। এই Goetia শব্দটা এসেছে গ্রিক শব্দ Goetiea থেকে, যার অর্থ শয়তানের বিবরণ বা নরকের খবর। "

    --- "উরেব্বাস!" অত্রির চোখ গোল রাজভোগের মতো, "এইটুকু টাইমে এতো ইনফরমেশন জোটালি কী করে মাইরি! "
    -- "আমি সাংবাদিক বাছাধন। ইনফরমেশন আর ইনভেস্টিগেশন আমার দুটি হাত, সেদুটো সব‍্যসাচীর মতো কাজ না করলে আমার রথের চাকা গড়িয়াহাটে বসে যাবে।" শ্রাবণ অত্রির গাল টিপে দেয়। শূন‍্য কফির কাপ রেখে বলে,
    -- "না, আর বক্তিমে না। চলো বেরিয়ে পড়ি। ধ্রুবদের ওখান থেকে একচক্কর দিয়ে এসে আমাকে প্রেসে চলে যেতে হবে। ওবেলা ইরার সঙ্গে আমাদের রুদ্ধদ্বার বৈঠক। বেচারীর ফিল্ড ওয়ার্ক থাকায় আমার সঙ্গে এই কেসটায় আসতে পারেনি। বাদ দিলে কষ্ট পাবে।"
    -- "সিওর সিওর। রমণীর মন......ইয়ে, হ‍্যাঁ মানে ঝপাৎ করে রেডি হয়ে আসছি।" শ্রাবণের বক্র কটাক্ষ থেকে বাঁচতে অত্রি একলাফে পাশের ঘরে চলে যায়। মিনিট দশেকের মধ‍্যে তৈরী হয়ে রাধামাসিকে বাড়ির চার্জ বুঝিয়ে শ্রাবণের গাড়িতে গিয়ে দুজনেই বসে পড়ে। ষ্টিয়ারিং ধরে শ্রাবণ গুনগুন করে আশাবরী রাগ।
    --- "আচ্ছা একটা কথা বল, " অত্রি জানালার দিক থেকে মুখ ফেরায়। "তুই ওদের রিলেটিভের বাড়ি, ওর মায়ের সামনে যেতে চাইছিস কেন? ধ্রুবকে সময় মতো একটা ক‍্যাফেতে ডেকে বাকিটা জেনে নিলেই তো হতো!"
    -- "না সোনা, হতো না।" শ্রাবণ মিষ্টি হেসে ঘাড় ফেরায়।
    -- "ধ্রুবর সঙ্গে কথা বলার পর থেকেই, একটা অ‍্যাগ্রেসিভ কৌতুহল আমি ওর মধ‍্যে লক্ষ‍্য করছি ওর কাকার জীবনযাত্রা, কাজকর্ম নিয়ে। অথচ লোকটা যখন বেঁচে ছিলেন, ওদের সঙ্গে থাকতেন, তাকে বিশেষ কেউ পাত্তাই দেয়নি। রোজগার করেন না, পাগলাটে বলে প্রায় একঘরে করে রেখেছিলো। কিন্তু তার মৃত‍্যুর কয়েকবছর পরেই এমন কী হলো যে এতো উৎসাহ? বন্ধ ঘরে 'কাকা কী করিতেন?" "কাকা কী করিবেন?" বলিয়া ভাইপো এতো ক্ষেপচুরিয়াস? আমাকে কেসটা দেবে বলে প্রেসক্লাস পর্যন্ত ধর্ণা দিলো ছেলে?" শ্রাবণ স্থিরচোখে গাড়ি চালাতে থাকে।
    -- "মানে তুই বলছিস কেসটা সিম্পল কৌতুহল নয়?" অত্রি প্রশ্ন করে।
    শ্রাবণ সাবধানে একটা টার্ণ কাটিয়ে বলে, "না। কারণ খবর এও নিয়েছি ধ্রুবর বাবার মৃত‍্যু হয়েছে দুবছর আগে। ব‍্যবসা তার আগেই ছিলো পড়তির দিকে। অথচ ওদের বিলাসিতার কম নেই কিছু। মাকে ডাক্তার দেখাতে এনেই ছিলো একটি প্রায় সেভেন ষ্টার হোটেলে। পকেট ফাঁকা হলে লজ্জা বাঁচাতে এই কলকাতার আত্মীয়ের বাড়ি। চন্ডীগড়ের এই জমিদারপুত্রের হাত দরাজ, কিন্তু জলস্তর নামতে নামতে ভাঁটার দিকে। এমতাবস্থায় পাগলাটে কাকার অ‍্যালকেমির কাজ নিয়ে প্রচন্ড কৌতুহল ! উঁহু, গন্ধটা খুব সন্দেহজনক।"
    অত্রি উশখুশ করে, "বেশ, বুঝলুম। কিন্তু আজকে ওর আর আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা করে কী বলবি ভেবেছিস?"
    -- "প্রায় এসেই গেলাম। " শ্রাবণ একটি পুরোনো ধাঁচের অভিজাত বাড়ির সামনে গাড়ি থামায়। "আমি বিশেষ কিছুই বলবো না। বলবে ওরাই। শুধু পদ্ধতিটা আমার। চলে আয়।"
    গাড়ি লক করে শ্রাবণ এগিয়ে যায়। পিছনে যেতে যেতে অত্রি বলে, "ফেরার সময়ে আমাকে একটা আইসক্রিম কিনে দিবি,"
    -- "সিওর। এখন আয় বাবা।"
    অত্রির হাত ধরে শ্রাবণ এগিয়ে চলে ধ্রুবর কলকাতার বাসস্থানের দিকে।

     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
    পর্ব ১ | পর্ব ২
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Bratin Das | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৩:২২742822
  • জমে গেছে মানালি
    বেশ টানটান হচ্ছে
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। না ঘাবড়ে মতামত দিন।