এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ব্লগ

  • বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা... 

    কিংবদন্তি লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ০২ ডিসেম্বর ২০২৪ | ৭৮১ বার পঠিত | রেটিং ৪.৫ (২ জন)
  • অনেক কিছুই আছে যা আমরা জানি অবধারিত কিন্তু সেই অবধারিত বিষয়টাই যখন সামনে এসে হাজির হয়, তা যদি দুঃখের হয়, কষ্টের হয় তখন তা মানতে ইচ্ছা করে না। মনে হয় মাথা ঝাঁকিয়ে ফেলে দেই চোখের সামনে হতে যাওয়া এই দুর্ঘটনা। যেমন স্বাভাবিক নিয়মেই আমাদের বাবা মা আমাদের আগেই চলে যাবে পৃথিবী ছেড়ে এইটা আমরা জানি। কিন্তু যখন ওই দিনটা এসে হাজির হয় তখন কোন যুক্তিই মাথায় থাকে না। হাহাকার তৈরি হয় মনে। বাংলাদেশে তেমনই অবস্থা এখন। খারাপ হবে সব কিছু জানতাম, কিন্তু সেই খারাপটা যখন চোখের সামনে ঘটতে থাকল, ঘটে চলল তখন বারবার মনে হচ্ছে এগুলা সব ভ্রম, চোখ কচলে ভালো করে তাকালেই দেখব সব ঠিক আছে, সব স্বাভাবিক আছে। 

    কিন্তু তা হওয়ার নয়। আম গাছে তপস্যা করলেও কলা ফোলানো সম্ভব না। ইউনুস সরকারের কাছেও সুষ্ঠু বিচার ব্যবস্থা চাওয়া অনেকটা তেমনই। আইনের শাসন, স্বচ্ছ নিরপেক্ষ বিচার বিভাগের গল্পই শুনি আমরা। তার অবস্থা আসলে কেমন তার নজির স্থাপন হয়ে গেল গতকাল। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট শেখ হাসিনার ওপরে গ্রেনেড হামলার আপিল বিভাগের রায় প্রকাশ হয়েছে গতকাল। বিচারপতি সবাইকে বেকসুর খালাস করে দিয়েছে। আগের রায়কে অবৈধ বলে রায় দিয়েছেন! ১৯ জন মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত, ১৯ জন যাবজ্জীবন সাজা পাওয়া সবাই মুক্ত! সবাই সাধু পুরুষ, আওয়ামীলীগ সরকার ষড়যন্ত্র করে এদেরকে এমন রায়ে অপরাধী করে রেখেছিল। 

    বিএনপি আমলে ঘটনা। সংসদে দাঁড়িয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া বলেছিলেন শেখ হাসিনা নিজেই ভ্যানেটি ব্যাগে করে গ্রেনেড নিয়ে গেছিলেন! এরপরে জজ মিয়া কাণ্ড করে জজ মিয়াকে ফাঁসানো হল। গতকালের রায়ে যা বুঝা যাচ্ছে তাদের এই ফর্মুলার কোন একটাই হয়ত ঘটেছে বলে ভাবছে আদালত! আকাশ থেকে তো আর গ্রেনেড এসে পড়েনি, তাই না? তাই হব হয়ত, এইটাও অনেকটা যুক্তি সংগত মনে হচ্ছে এখন! 

    বর্তমান আইন উপদেষ্টার নানা স্ক্রিনশট এখন খুব ছড়িয়ে গেছে। ফারুকি উপদেষ্টা হওয়ার পরে অবশ্য উনি একটু রেহাই পেয়েছেন, ঝড় যাচ্ছে ফারুকির ওপর দিয়ে। কিন্তু আইন মন্ত্রী আবার সবার সামনে নাঙ্গা বাবা! খালেদ মহিউদ্দিনের এক অনুষ্ঠানে তিনি জোর দিয়ে বলছেন ২১ আগস্টে তৎকালীন সরকারের উপরের সারির লোকজন জড়িত ছিল, তৎকালীন সরকার এইটাকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছে, এমন একটা ভিডিও এখন সবার কাছে পৌঁছে গেছে! 

    কিন্তু এগুলার কোন মানে নেই। বাংলাদেশের বিলো এভারেজ আইকিউ সমৃদ্ধ মানুষের এগুলা দিয়ে কিচ্ছু আসে যায় না। মানুষ একটু জটিল চিন্তা মাথায় ঢুকে না। ক্রিটিক্যাল থিংকিং বলে কোন বস্তু এই দুনিয়ায় আছে বলে এরা জানে না। ভেড়ার পালের মতো চলছে খাদের দিকে, কোন হুশ জ্ঞান নাই কারো। এই জন্যই এইখানে ন্যায় বিচার হবে এমন আশা করাও বোকামি। এই জন্যই আম গাছে কলা আশা করার মতোই এইটা আশা করা যে এই সরকার ২১ আগস্টের সমস্ত তথ্য উপাত্তকে হিসাব করে একটা রায় দিবে। 

    এইটা নিয়ে এত কথা, এত লেখালেখি করা হয়েছে যে এইটা আজকে আবার যদি লেখতে বসি যে কোন কোন দিক থেকে তারেক রহমান সহ বিএনপির প্রথম সারির অনেক নেতা এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত তাহলে তা দুঃখজনক। হরকাতুল জিহাদের নেতা মুফতি হান্নান ২১ আগস্টের আগে তারেক রহমানের সাথে দেখা করে গ্রিন সিগনাল নিয়ে আসে। তারেক রহমান ওকে করে এই অপারেশন। মুফতি হান্নান সাক্ষী দিয়ে গেছে এইটা। উইকিলিকসেও পাওয়া গেছে এই তথ্য। কিন্তু নোবেল ম্যানের আদালতের মনে হয়েছে এগুলা সব ভুয়া। প্রথম আলো ডেইলি স্টার তাদের অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় জজ মিয়া কাণ্ডকে সবার সামনে আনে। তখন তারা সিরিজ আকারে লিখে গেছিল ২১ আগস্ট নিয়ে। এখন সব চুপ! সব মিথ্যা। 

    এমন রায় হওয়া খুব অস্বাভাবিক না। গতকাল ১ ডিসেম্বর, রোববার হাইকোর্টের বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত একটি বেঞ্চ যে কুৎসিত রায় দিল তার অনেক কারণের মধ্যে একটা শুধু বলি, বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান নিয়োগ পান ২০০৩ সালে, বিএনপি আমলে। বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনকে এই সরকার নিয়োগ দিয়েছে। তিনি কোন তরিকার লোক তা সহজেই বুঝা যায়। তো এদের কাছ থেকে কী আশা করি আমি? ১ ডিসেম্বর বিচার বিভাগের জন্য কালোদিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে এখন থেকে।  

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কেমন হবে বুঝা যায়? এই ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনাসহ সবার বিচার করা হবে। যে ট্রাইব্যুনালের প্রধান কসুলি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এই ট্রাইব্যুনালেই যিনি জামাত নেতাদের পক্ষে আইনই লড়াই করেছে, যিনি যুদ্ধাপরাধীদেরকে এই ট্রাইব্যুনালেই বাঁচানোর জন্য আইনই লড়াই চালিয়ে গেছেন, এই নিয়োগ পাওয়ার সময়ও যার কাছে জামাত নেতাদের কেস ছিল তিনি এখন রাষ্ট্র পক্ষের প্রধান আইনজীবী! শুধু তিনিই না, টবি ক্যাডম্যানকে এই ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পরামর্শক নিয়োগ দেওয়া হইছে। টবি ক্যাডম্যান কে? ওই, একই রসুনের… তিনিও এর আগে জামাতের পক্ষে কাজ করে গেছেন এই আদালতেই! 
    এই জন্যই বলছি যে আশা করাটাই ভুল এখানে। এরা বসেই আছে এমন কাজ করার জন্য। কিচ্ছু করার নাই! আমি-যে দেখেছি প্রতিকারহীন শক্তের অপরাধে বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে! বিচারের বানী আরও কতদিন নিভৃতে কাঁদবে এইটাই এখন এখন দেখার বিষয়। এরা এখন আইন নিয়ে ফুটবল খেলবে, ইতিহাস নিয়ে ফুটবল খেলবে। সলিল চৌধুরীর একটা গান আছে, বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা… না আজ জাগে নাই সেই জনতা। জনতা নিরেট মাথা নিয়ে বসে ভাবছে কী চাইলাম কী হইল এইটা! মাথা চুলকাচ্ছে আর ভাবছে এমন হইল কেন! 
     
    একবার এখন চিন্তা করে দেখা যেতে পারে যদি রাজাকারদের ফাঁসি না হত, এরা যদি জেলেও থাকত তাহলে এই বিচার বিভাগ তাদেরকে আজকে কী উপহার দিত? ডিসেম্বর মাসে হাসতে হাসতে সব ষড়যন্ত্র বলে বের হয়ে আসত জেল থেকে। আলী আহসান মুজাহিদ আবার হুঙ্কার দিত, আমাদেরকে বিচার করবে? এত্ত সোজা? বলে আস্ফালন করত। এক ভি চিহ্ন দেখানোতে শাহবাগে গণ জাগরণ মঞ্চ তৈরি হয়েছিল এক সময়। দশ এগার বছর পরে এই পরিস্থিতি নাই, এখন ফুলের মালা নিয়ে জেলের সামনে ছাগলদের জ্যাম বেঁধে যেত। ভাগ্যিস, ভাগ্যিস বিচারকার্য শেষ করতে পেরেছিল শেখ হাসিনা। না হলে এগুলাও দেখতে হত এই দেশে। 

    ডিসেম্বর মাস এসে গেল। কী অদ্ভুত একটা সময়। ডিসেম্বর মাস, বিজয়ের মাস। বিজয়ের আনন্দ মাসের শুরু থেকে পাওয়া শুরু হত এতদিন। একটা করে দিন যেত পত্রিকায় আসত আজকে অমুক অমুক জেলা মুক্ত দিবস। আগ্রহ নিয়ে পড়তাম, কোন জেলা কীভাবে মুক্ত হল, বুঝতে চাইতাম ঢাকা মুক্ত করার জন্য কত পরিকল্পনা কাজ করেছে সে সময়। যৌথ বাহিনীর পরিকল্পনা, পাকিস্তানিদের তখনও অহামিকায় বাস করা এগুলা এত এত পড়ছি তবুও আবার পড়তে বসে যেতাম। মাসের এক তারিখেই বিজয়ের মাস বলে পত্রিকায় কলাম শুরু হয়ে যেত। এবার তো মনে হচ্ছে গোপনেই পালন করতে হবে বিজয় দিবস। এরা তো জানিয়েই দিয়েছে রাম ছাড়াই রামায়ণ লিখবে! মুক্তিযুদ্ধ, বিজয় দিবস অস্বীকার করতে পারবে না এখনই, তাই হয়ত স্মৃতিসৌধে যাবে ইউনুস সাহেব। কিন্তু সেই ফুল দেওয়া, সেই বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকবে শেখ মুজিব! একটা লাইনও যদি বলতে হয় বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে তাহলেও তা বলার আগে ৩২ নাম্বার সংস্কার করে তারপরে বলতে হবে। তবে চিন্তা নাই, রাম ছাড়া রামায়ণে এইসবের কোন দরকার নাই।  ৩২ নাম্বার বুলডজার দিয়ে গুড়িয়ে দিলেই কী?

    আমরা গরিব মানুষ, বুদ্ধিসুদ্ধি করে বাঁচতে হব, এইটাই হচ্ছে কথা! বেশি বুদ্ধিমান একজনের সাথে দেখা হয়েছে। তিনি জামাতের একাউন্টে টাকা দেওয়া শুরু করেছেন, দুই হাজার টাকা করে দেন, টাকা দেওয়ার রসিদ পকেটে রাখেন। কেউ কিছু বললেই বের করে দেখায় দেন! আমাকে তিনি একটু ঘুরিয়েই বললেন যেন এই কাজ করি! বললেন বুদ্ধি করে চলতে হব, বুঝেন নাই? বুঝছি। 

    চিন্তা করলাম পলটি নিতে পারলে এখনই নেওয়া উচিত। টুকটাক লিখতে পারি। যদি এখন দুঃস্বপ্নের ১৭ বছর নামে একটা বই লিখে ফেলতে পারি কিংবা সাত বীর শ্রেষ্ঠের কথা নামে একটা বই, যেটাতে থাকবে আলী আহসান মুজাহিদ, নিজামি, কামরুজ্জামান, কাদের মোল্লা, সাকা চৌধুরীর, সাইদি, গোলাম আজম নিয়ে হুদাই একটু প্যাঁচাল! ভিতরে কী আছে কেউ দেখবেও না, মুড়ির মতো কিনে নিয়ে চলে যাবে! বন্ধু তুমি শত্রু তুমি নামে ভারত বিদ্বেষী একটা বই লিখতে পারলে সুপার হিট হয়ে যাবে এখন। ছাগলেরা বুয়েটের গেটে ভারতের পতাকা আঁকছে। তার উপর দিয়ে হেঁটে যায় দেশের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠে। এই ছাগলদেরই টার্গেট করতে হবে। বই ছাপিয়ে ওইখানে ফুটপাথে চটের ছালা বিছিয়ে বসে থাকলেও সব বিক্রি হয়ে যাবে। ছাগল সব খায়! ছাগলদের মধ্যে বড় ছাগল, অরিজিনাল ছাগল হচ্ছে কাঠমোল্লারা। তাদের জন্য লিখতে হবে গাজয়াতুল হিন্দ! আল্লা গো! দশম মুদ্রণ হাতে নিয়ে নামতে হবে না হলে গণপিটুনি খেতে হতে হবে বই নাই কেন এই প্রশ্নে! আমি এখানে এগুলা নিয়ে হাসিঠাট্টা করে ঘুমিয়ে যাব। কিন্তু নিশ্চিত থাকতে পারেন সামনে এইসবের সবই দেখতে পাবেন। বিশ্বাস হল না? আমার খুব পছন্দের প্রকাশনী হচ্ছে ঐতিহ্য, বাংলাদেশের প্রথম সারির প্রকাশনী, তারা সরকার পতনের কয়েকদিন পরেই বিজ্ঞাপন দিয়েছিল রচনাবলী বিক্রি করবে, কার? পিনাকী ভট্টাচার্যের! সব সম্ভবের দেশ বাংলাদেশ!   

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ব্লগ | ০২ ডিসেম্বর ২০২৪ | ৭৮১ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    কবিতা - Suvankar Gain
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • . | ০২ ডিসেম্বর ২০২৪ ০৩:৩৫539844
  • পিনাকী ভট্টাচার্য কে?
  • কিংবদন্তি | ০২ ডিসেম্বর ২০২৪ ০৯:৩৭539849
  • দিদি, পিনাকী এক আশ্চর্য জিনিস! দেশের বর্তমান ছাগলদের নতুন পীর। একজন আপাদমস্তক ভণ্ড। তিনি এক সময় শাহবাগ আন্দোলনকে সমর্থন করেছেন, হেফাজতকে গালিগালাজ করেছেন, ত্রিশ লক্ষ শহীদের পক্ষে কথা বলেছেন। তিনিই ১৮০ ডিগ্রি পলটি মেরে এগুলা সব অস্বীকার করে দেশের ছাগল সমাজ যা শুনতে চায় তিনি তাই বলে যাচ্ছেন। বর্তমানে অ্যাসাইলাম নিয়ে ফ্রান্সে আছেন। 
    মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বই লিখেছেন, তাতে যুক্তি দিয়ে বুঝিয়েছেন আমেরিকা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষেই ছিল, রাজাকাররা হিন্দু বিদ্বেষ ছিল না, মুক্তিযোদ্ধারা জয় বাংলা বলত না মাঝে মধ্যে নারায়ে তাকবীরও বলত! অবিশ্বাস্য রকম জনপ্রিয় মানুষ। যখন ফেসবুকে একটিভ ছিলাম তখন গুরুর ফেসবুক গ্রুপে ভারত থেকে অনেকেই আমাকে জিজ্ঞাস করত পিনাকীর বই কই পাওয়া যাবে! কোন প্রকাশনী থেকে বের হয়েছে ইত্যাদি! তবে ভারতীয়দের মোহ সম্ভবত ভাঙছে, কারণ পিনাকী এখন দিনে রাতে যে পরিমাণ ভারত বিদ্বেষ ছড়ায় তাতে এই মোহ থাকার কথা না। পিনাকীর লেটেস্ট আকামটা হচ্ছে প্রথম আলো ডেইলি স্টারের সামনে ছাগলদের জড়ো করে আন্দোলন করা। এইটা আজব জিনিস। 
  • মনমাঝি | ০২ ডিসেম্বর ২০২৪ ২২:৪৫539869
  • যাহ্ না স্যার,আপনার প্রার্থনায় সাড়া দিয়ে শান্তিরক্ষী বাহিনি ইতিমধ্যে এসে পড়েছে! তিন দিকের তিন বর্ডারেঃ পশ্চিমবঙ্গ আসাম (সিলেট) আর ত্রিপুরা (শেষেরটা এখনো বোধহয় এখনো বর্ডারের কাছে আসেনি)। আপনাকে অনুরোধ করছি যাহ-টাহ বলে খুনসুটি না করে এবার একটু কাজ দেখান স্যার। স্থানীয় শান্তি কমিটির  কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে ওনাদের ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নিন যাতে চারিদিকে চিরশান্তি বিরাজ করে। ওম শান্তি! 
    পেট্রাপোল বাদই দিলাম। ওটা আপনি দেখে নিয়েন।
     
    সিলেট বর্ডারটা বোধহয় আপনার হেড অফিসের সবচেয়ে কাছে হবে। ওদিকেই যান বরং। শান্তি কমিটির কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে শান্তিরক্ষী বাহিনিকে নির্বিবাদে পথ দেখিয়ে নিয়ে আসুন স্যার। তারপর "কাজে নামার " আগে শেরপুরে আপনার হেড আপিসে সবাই মিলে একটা ভুরিভোজ করা যাবে। laugh
     
  • aranya | 2601:84:4600:5410:700e:d2fb:dee4:***:*** | ০৩ ডিসেম্বর ২০২৪ ০০:০৭539871
  • 'সংসদে দাঁড়িয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া বলেছিলেন শেখ হাসিনা নিজেই ভ্যানেটি ব্যাগে করে গ্রেনেড নিয়ে গেছিলেন'
    - এটা ভাল বলেছিলেন :-)
  • aranya | 2601:84:4600:5410:700e:d2fb:dee4:***:*** | ০৩ ডিসেম্বর ২০২৪ ০০:১৪539872
  • বিজয়ের মাস শুরু হল এরকম একটা রায় দিয়ে :-(
     
    এসবই প্রত্যাশিত, তাও খুবই শকিং। সন্ত্রাসীদের মুক্তি দেওয়া হচ্ছে 
  • কিংবদন্তি | ০৩ ডিসেম্বর ২০২৪ ০০:২৫539873
  • মনমাঝি, বুঝলাম না, শান্তিরক্ষীকে আমি কবে আসতে বললাম! আর যারা আসতে চাচ্ছে তারা ওই পর্যন্তই, ঠেঙ্গানি খেয়ে ওইখানেই কাইত হয়ে যেতে হবে। না, আমাদের সীমান্ত রক্ষীদের কাছে না, ভারতের সীমান্ত রক্ষীরাই এই কাজ করে দিবে, চিন্তা কইরেন না। 
    দেশের পরিস্থিতি নিয়ে নানা মত আছে, দ্বিমত আছে, গলা ছেড়ে কান্না করছি দৈনিকের অধঃপতন দেখে। কিন্তু এইটা ভাবার কোন কারণ নাই ভারতীয় বুট আমাদের মাটিতে নামবে আর আমি তাকে সমর্থন দিয়ে যাব। আমার সার্বভৌমত্ব প্রশ্নে কোনদিন একবিন্দু ছাড় দিব না। 
    এইদিক থেকে প্রতিনিয়ত ভুল করেই যাচ্ছে, কেউ অস্বীকার করতে পারবে না, আমি তো পারবই না। ভূ রাজনীতি কে কাকে কী দিয়ে খেলছে জানি না। কিন্তু আমাদের নোবেল ম্যান সরকারের ব্যাপারটা এখন পর্যন্ত আমার বোধগম্য হয় নাই। সব কিছু বাদ দিয়ে এখন কেন ভারতের পিছনে উঠে পড়ে লাগতে হবে? দেশে করার মতো কাজ কম পড়ছে? সরকার গঠনের আগেই সাত বোন নিয়ে মন্তব্য, মুরগির গলা নিয়ে মন্তব্য, হুট করেই পাকিস্তানের সাথে মাখামাখি, পাকিস্তান থেকে জাহাজ আসা শুরু এগুলা যে দিকে আমাদেরকে নিয়ে যাচ্ছে তা শুভ কিছু আনবে না, এইটা পরিষ্কার। ইউনুস সাহেব বা যারা ইউনুস সাহেবকে চালাচ্ছেন তারা কী মনে করে এই খেলা খেলছেন তা সামনে হয়ত পরিষ্কার হবে, আপাতত অপেক্ষা। 
     
    আর মমতার কথা শুনে খুশি হওয়ার কিছু নাই। ভারতীয় সব নেতারাই এখন বাংলাদেশ পরিস্থিতকে নিজেদের পক্ষে নেওয়ার খেলায় নামছে। বিজেপি একলাই শুধু এর গুড় খাবে? না, সবাইই এখন এইটাকে ক্যাশ করতে চাচ্ছে। ওগুলা ভারতের রাজনীতির অংশ, এর সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক খুব কমই আছে। 
     
    আরেকটা কথা, সিলেট নাম শেরপুর দিয়েই সীমান্ত আছে, পোর্টও আছে, চিন্তা কইরেন না এত! 
  • মনমাঝি | ০৩ ডিসেম্বর ২০২৪ ০০:৩৫539875
  • ও,তাহলে তো আরও ভাল! এই বয়সে ১০০ কিলো বাইক চালানো খুবই টায়ারিং হবে আপনার জন্য। wink
  • Sk | 2001:67c:2628:647:11::***:*** | ০৩ ডিসেম্বর ২০২৪ ০১:০১539876
  • ভারত আবার কি করবে? আপনাদের বাছুর আপনারা বুঝে লিন। আমরা পপকর্ন খাইতে খাইতে দেখি। laugh
  • Haranath Bhattacharya | ০৩ ডিসেম্বর ২০২৪ ১২:৫৭539893
  • ভারতের সুবিধা হইল। সব বাণিজ্য তো ভারতের মধ্য দিয়া।সরকারের ট্যাক্স আদায় হইব।যারা চোরাগোপ্তা ভারতে ঢুকবে তাদের দিয়া কম মজুরিতে এক জেনারেশন কাজ করানো যাবে।রাজনৈতিক পার্টিগুলান তাদের দিয়া বোমা বানাইবে।কমবয়সী মাইয়াগুলান এদিক ওদিক পাছার হইয়া যাইতে পারে।
  • :-)) | 2405:8100:8000:5ca1::4ce:***:*** | ০৩ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৩:২৩539894
  • মনমাঝির দেখি বিয়াপ্পক পুটকি জ্বলছে। এ মাল মোনয় হরিদাসি নিকে খোচাত। যা ভাই নিজের দেশে ডিমের প্রোডাকশান বাড়া চাল ডাল ফলা তাপ্পর এসে লাফাস।
  • PRABIRJIT SARKAR | ০৫ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৪:৪৮539952
  • পিনাকী এক গিরগিটি। জাল ওষুধের কারবার করত। প্যারিসে রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়েছে। এই বিপ্লবের এক বিশাল তাত্বিক নেতা। বিশদে জানতে
    এই লিঙ্ক
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খেলতে খেলতে প্রতিক্রিয়া দিন