

করোনার দিনগুলি#৪৯
সেই মার্চ মাস থেকে একটানা রোগী দেখে যাচ্ছি, দেখেই যাচ্ছি। বাড়িতে মেয়েদের কাছাকাছি ঘেঁষতে পারিনা। মন মেজাজ অত্যন্ত খারাপ। তার উপর রোগীও যদি মশকরা করে.....
ঘন্টা খানেক আগেই মেডিকেল কলেজের এক সহপাঠী চিকিৎসক ফোন করেছিল, 'ভাইরে, যুদ্ধ শেষ, করোনা পজিটিভ হয়ে গেছি। হাসপাতালে ভর্তি হয়ে যাচ্ছি।'
ফোন পাওয়ার পর থেকেই মনটা আরো খিঁচড়ে গেছে। বুঝতে পারছি আমারও বিদায় নেওয়ার সময় ঘনিয়ে এসেছে। সরকারি চিকিৎসকরা তবু করোনা যোদ্ধার সম্মান পাবেন। আমাদের হাতে হ্যারিকেন।
সামনের জ্বরের রোগিণী বিশ্রী রকম কাশছেন। হতশ্রী মাস্কেও অজস্র ফুটো। ভাইরাস সেই ফুটো দিয়ে এরোসলে চেপে নাচতে নাচতে যাতায়াত করবে। সম্ভবত লকডাউনের একদম প্রথম থেকেই তিনি ওই মাস্ক ব্যবহার করছেন।
তাড়াতাড়ি ওষুধ পত্র লিখলাম। তারপর বললাম, 'যদি দু- তিন দিনে জ্বর না কমে, তাহলে করোনার পরীক্ষা করতে হবে। এ কদিন বাড়িতে আলাদা ঘরে থাকবেন, ভালো সার্জিক্যাল মাস্ক পরে থাকবেন। আলাদা বাথরুম ব্যবহার করবেন।'
ভদ্রমহিলা বললেন, ‘আমার করোনা হবে না ডাক্তার বাবু। আমি অ্যালবাম খেয়ে নিয়েছি।'
মাথাটা টং করে গরম হয়ে গেলো। বললাম, 'ডাক্তার বাবুর সাথে মশকরা করছেন! লজ্জা লাগে না!'
ভদ্রমহিলা আহত দৃষ্টিতে বললেন, 'মশকরা? কোথায় মশকরা করলাম?'
'অ্যালবাম কি খাওয়ার জিনিস? করোনা হলে অ্যালবামে ছবি হওয়ার সম্ভাবনা যথেষ্ট থাকে। তা বলে অ্যালবাম খেয়ে করোনা আটকাবেন?’
ভদ্রমহিলা বললেন, ‘আপনি ভুল বুঝেছেন ডাক্তার বাবু। ওই যে করোনার একটা ওষুধ আছে না.. কি যেন অ্যালবাম?'
রেগেমেগে বললাম, 'আপনি অ্যালবাম খান, বাবুলগাম খান, যা ইচ্ছে খান। দিন তিনেকের মধ্যে জ্বর না কমলে সোয়াব টেস্ট করতে হবে। ব্যাস... কথা শেষ।'
কিন্তু আমি কথা শেষ করতে চাইলেই কি কথা শেষ হয়। ভদ্রমহিলার চোখ দুটো ছল ছল করে উঠলো। বললেন, 'ডাক্তার বাবু, পাঁচ দিন আগে আমি একটা বিয়ে বাড়িতে গেছিলাম। ওখান থেকে কি করোনা হতে পারে?'
'এই মহামারীর মধ্যে আপনি বিয়ে খেতে গেছিলেন?'
'কী করব ডাক্তার বাবু। আমার বড় মামার শালার মেয়ের বিয়ে। এত নিকটাত্মীয়। আর এত করে বলল...’
নিকটাত্মীয়? আমি হাঁ হয়ে গেলাম।
ভদ্রমহিলা এবার প্রায় কেঁদে ফেললেন। 'যদি সত্যি করোনা হয়, মরে যাব না তো ডাক্তার বাবু?'
বললাম, 'করোনাতে যদি নাও মরেন, এতো প্রেশার- সুগার নিয়ে ঘন ঘন নিকটাত্মীয়ের বিয়ে খেয়ে বেরোলে অন্য রোগে মারা পড়বেন।'
করোনার দিনগুলি#৫০
শেষ তিন- চার দিন ধরে ফোন পাচ্ছি। লোকজন বেশ সংকোচের সাথে জিজ্ঞাসা করছেন, 'ডাক্তারবাবু আপনার কি কিছু হয়েছে?'
'কিছু হয়েছে মানে?'
'মানে শুনলাম... ইয়ে.... এখানে সবাই বলছে আপনার নাকি করোনা হয়েছে? আমি কিন্তু ঠিক বিশ্বাস করিনি।'
একটু রসিকতা করার ইচ্ছা থাকলেও এই গুজবের বাজারে সেসব আর করছি না। স্পষ্ট বলে দিচ্ছি, 'এখনো হয়নি। হলে নিশ্চয়ই খবর পাবেন।'
আমাদের শহর এখন গুজব আর আতংকের শহর। করোনা প্রতিরোধের জন্য যে যা পারছেন, করছেন। সকালে গরম জলে লেবু দিয়ে খাচ্ছেন। রসুনের রস খাচ্ছেন। কাঁচা হলুদ চিবিয়ে খাচ্ছেন। যাঁরা আর্থিক সচ্ছল তাঁরা ভিটামিন-সি, মাল্টিভিটামিন, ভিটামিন-ডি কিচ্ছু বাদ দিচ্ছেন না। একটা নামকরা কোম্পানির জিংক যুক্ত পাঁচমিশালী ভিটামিন ট্যাবলেট মার্কেট থেকে হাওয়া হয়ে গেছে।
অনেকেই বাজার-টাজার করে এনে আলু- পটল, মাছ- মাংস স্যানিটাইজ করছেন। সেটাও তবু মানা যায়। কিন্তু অনেকেরই স্যানিটাইজেশনের বিষয়টা প্রায় বাতিকের পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। তাঁরা অবসেসিভ-কম্পালসিভ ডিসঅর্ডার রোগীর মতো আচরণ করছেন।
অনেক রোগী খুপরিতে ঢুকে প্রথমেই স্যানিটাইজারের বোতল থেকে দু-চার ফোঁটা তরল বসার চেয়ার, আমার টেবিলে ছড়িয়ে দিচ্ছেন।
আজ এক ভদ্রমহিলা গঙ্গাজল এর মত আমার গায়ে কয়েক ফোঁটা স্যানিটাইজার ছিটিয়ে দিলেন। মানে চেয়ার-টেবিলের সাথে তিনি ডাক্তারকেও স্যানিটাইজ করে নিলেন।
ওদিকে রোগীর সংখ্যা রোজই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। অধিকাংশই জ্বরের রোগী। জ্বর আসলেই এখন অনেকে গন্ধ শুঁকছেন। একজন বললেন, 'ডাক্তারবাবু, খাবার-দাবারের গন্ধ পাচ্ছি না। কিন্তু ডেটলের গন্ধ, ডেনড্রাইটের গন্ধ এগুলো দিব্যি পাচ্ছি।'
একজন রোগী দুদিন আগেই দেখিয়ে গেছেন। জ্বর কমছে না। আবার এসেছেন। তার পুরোনো প্রেসক্রিপশন পুরো সাদা। আমি অবাক হয়ে বললাম, 'এ কি? আমি কোন ওষুধপত্র লিখিনি নাকি?'
উনি বিব্রত মুখে জানালেন, 'হ্যাঁ লিখেছিলেন। কিন্তু বাড়ি গিয়ে প্রেসক্রিপশন স্যানিটাইজ করতেই সব লেখা উবে গেছে।'
যারা এসময় মারা যাচ্ছেন তাদের মৃত্যু সত্যিই ভয়াবহ। খুব খারাপ রোগীকেও কেউ হাসপাতালে ভর্তি করছেন না। বাড়িতে প্রায় বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছেন। মারা যাওয়ার পর তাঁদের বাড়ি গিয়ে দেখছি, দু- চারজন বাড়ির লোক ছাড়া আর কেউ নেই। কেউ প্রাণখুলে কাঁদছেন না। দু- তিনজন মিলে মৃতদেহ নিয়ে শ্মশানে রওনা দিচ্ছেন।
মধ্যমগ্রামের এখন সব পাড়াতেই করোনা রোগী। রোগীর সংখ্যা আরো অনেক বাড়তো যদি সকলকে পরীক্ষা করানো যেত। করোনা রোগী ধরা পড়লেই জলের শ্রাদ্ধ করে রাস্তা স্যানিটাইজ করা হচ্ছে। বাঁশ দিয়ে রোগীর বাড়ি বা রাস্তা ঘিরে করোনা মহামারী আটকানোর চেষ্টা হচ্ছে।
এসব অবৈজ্ঞানিক কাজকর্ম ও প্যানিক সৃষ্টির জন্য সবচেয়ে বেশি দায় মিডিয়ার। আমাদের মত পাতি ডাক্তাররা হাজার চিৎকার করলেও সাধারণ মানুষ শোনেন না। মিডিয়ার সেই ক্ষমতা ছিল। কিন্তু তারা সেই ক্ষমতার অপব্যবহার করে মানুষকে আরো বেশী ভীত করে তুলেছে। দুর্ভাগ্যজনক মৃত্যুগুলিকে বারবার হাইলাইট করা হচ্ছে। ভয়ে অনেকেই বাস্তব বুদ্ধিও হারিয়ে ফেলছেন।
অথচ করোনাকে যতটা ভয়ঙ্কর ভাবে দেখানো হচ্ছে, আজ স্পষ্ট বুঝতে পারছি এই রোগ ততটা ভয়ঙ্কর নয়। সুস্থ সবল ব্যক্তিরা তো বটেই, বেশ বয়স্ক সুগার- প্রেসারে আক্রান্ত ব্যক্তিরাও দিব্যি সুস্থ হয়ে উঠছেন। রোজই আমার একাধিক রোগীর রিপোর্ট পজিটিভ আসছে। গোনা ছেড়ে দিয়েছি। প্রায় সকলেই বাড়িতে আইসোলেশনে থাকছেন এবং সুস্থ হয়ে উঠছেন।
আরেকটি নতুন গুজব- ফ্লু ভ্যাকসিন নাকি করোনা প্রতিরোধ করতে পারে। প্রচুর মানুষ ফ্লু ভ্যাকসিন নিতে চাইছেন। ভ্যাকসিনের কোম্পানি থেকেও লোক আসছেন আমার কাছে। কি বিচিত্র পরিস্থিতি।
আমার প্রায় সমবয়সী এক মাস্টার মশাইয়ের জ্বর কমছে না। যেই বললাম, 'এবার তাহলে করোনার জন্য সোয়াব টেস্ট করান'। অমনি মাস্টার মশাই চোখমুখ উল্টে অজ্ঞান হয়ে গেলেন। ওনাকে চিত করে শুইয়ে পা উপরে তুলে জ্ঞান ফেরানো হলো।
ওনার করোনা ধরা পড়েছে। হোম আইসোলেশনে আছেন। প্রায় রাতেই ফোন করেন। বলেন, 'দাদা, দিব্যি আছি। জ্বর কমে গেছে। মিথ্যে মিথ্যে ভয় পাচ্ছিলাম।
আমি যথাযথ সুরক্ষা নিয়ে নির্ভয়েই রোগী দেখছি। জানি হয়তো করোনা আক্রান্ত হতে পারি। কিন্তু ভাগ্য খুব খারাপ না হলে মরবো না। আমার ভয় না পাওয়ার একটাই কারন, শেষ কয়েক মাস আমি টিভি দেখিনা।
মধ্যমগ্রামে যেভাবে রোগ ছড়াচ্ছে, তাতে বলাই যায় আমরা মহামারীর পিকের কাছাকাছি আছি। আর কিছুদিন বাদে করোনার প্রকোপ আস্তে আস্তে কমতে শুরু করবে।
ভয় না পেয়ে সতর্ক থাকুন। নাক- মুখ আপাতত একটা সার্জিক্যাল মাস্কের আড়ালে থাকুক। রাস্তাঘাটে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখুন।
আর নিজের পাড়ার করোনা আক্রান্ত মানুষগুলির, লক ডাউনে কাজ হারানো নিরন্ন মানুষগুলির পাশে থাকুন।
মানবিকতার কাছে পরাজিত হোক মহামারী।
মৌমিতা | ০২ আগস্ট ২০২০ ২২:২৩95866খুব ভালো লাগলো ডাক্তার বাবু আপনার কোরোনা র রোজনামচা পড়তে। যেখানে আপনার মত ডাক্তার বাবুরা নেই, সেখানে এই দিনগুলো যে কি কঠিন। বাড়িতে বৃদ্ধ বাবা মা, কোনো দরকার হলে কোথায় যাবো, ভর্তি হতে হলে কি হবে ভাবলেও ভয় লাগে।
সাবধানে থাকবেন, ভালো থাকবেন। শুধু আপনাদের উপস্থিতি ই অনেক বল ভরসা যোগায়।
মৌমিতা | ০২ আগস্ট ২০২০ ২২:২৩95865খুব ভালো লাগলো ডাক্তার বাবু আপনার কোরোনা র রোজনামচা পড়তে। যেখানে আপনার মত ডাক্তার বাবুরা নেই, সেখানে এই দিনগুলো যে কি কঠিন। বাড়িতে বৃদ্ধ বাবা মা, কোনো দরকার হলে কোথায় যাবো, ভর্তি হতে হলে কি হবে ভাবলেও ভয় লাগে।
সাবধানে থাকবেন, ভালো থাকবেন। শুধু আপনাদের উপস্থিতি ই অনেক বল ভরসা যোগায়।
মৌমিতা | ০২ আগস্ট ২০২০ ২২:২৩95867খুব ভালো লাগলো ডাক্তার বাবু আপনার কোরোনা র রোজনামচা পড়তে। যেখানে আপনার মত ডাক্তার বাবুরা নেই, সেখানে এই দিনগুলো যে কি কঠিন। বাড়িতে বৃদ্ধ বাবা মা, কোনো দরকার হলে কোথায় যাবো, ভর্তি হতে হলে কি হবে ভাবলেও ভয় লাগে।
সাবধানে থাকবেন, ভালো থাকবেন। শুধু আপনাদের উপস্থিতি ই অনেক বল ভরসা যোগায়।
মৌমিতা | ০২ আগস্ট ২০২০ ২২:২৩95868খুব ভালো লাগলো ডাক্তার বাবু আপনার কোরোনা র রোজনামচা পড়তে। যেখানে আপনার মত ডাক্তার বাবুরা নেই, সেখানে এই দিনগুলো যে কি কঠিন। বাড়িতে বৃদ্ধ বাবা মা, কোনো দরকার হলে কোথায় যাবো, ভর্তি হতে হলে কি হবে ভাবলেও ভয় লাগে।
সাবধানে থাকবেন, ভালো থাকবেন। শুধু আপনাদের উপস্থিতি ই অনেক বল ভরসা যোগায়।
মৌমিতা | ০২ আগস্ট ২০২০ ২২:২৩95869খুব ভালো লাগলো ডাক্তার বাবু আপনার কোরোনা র রোজনামচা পড়তে। যেখানে আপনার মত ডাক্তার বাবুরা নেই, সেখানে এই দিনগুলো যে কি কঠিন। বাড়িতে বৃদ্ধ বাবা মা, কোনো দরকার হলে কোথায় যাবো, ভর্তি হতে হলে কি হবে ভাবলেও ভয় লাগে।
সাবধানে থাকবেন, ভালো থাকবেন। শুধু আপনাদের উপস্থিতি ই অনেক বল ভরসা যোগায়।
মৌমিতা | ০২ আগস্ট ২০২০ ২২:২৫95870খুব দুঃখিত এতবার পোস্ট হয়ে গেল। আগে কোনোদিন লিখিনি। delete করতে পারলাম না
"এসব অবৈজ্ঞানিক কাজকর্ম ও প্যানিক সৃষ্টির জন্য সবচেয়ে বেশি দায় মিডিয়ার। আমাদের মত পাতি ডাক্তাররা হাজার চিৎকার করলেও সাধারণ মানুষ শোনেন না। মিডিয়ার সেই ক্ষমতা ছিল। কিন্তু তারা সেই ক্ষমতার অপব্যবহার করে মানুষকে আরো বেশী ভীত করে তুলেছে। দুর্ভাগ্যজনক মৃত্যুগুলিকে বারবার হাইলাইট করা হচ্ছে। ভয়ে অনেকেই বাস্তব বুদ্ধিও হারিয়ে ফেলছেন।"
নিজে মিডিয়ায় আছি বলে জেনে খারাপ লাগল। অবশ্যই মিডিয়ার দায় আছে।
এপারে আবার প্রায় বিপরীত চিত্র। দিনরাত মিডিয়ায় করোনা মোকাবেলায় নানা সচেতনমূলক অনুষ্ঠান প্রচার, ফিলার, হেলথকেয়ার প্রোগ্রাম, টক শো ইত্যাদিতেও যেন কাজ হচ্ছে না। স্বাস্থ্যবিধি না মানলে মৃত্যুঝুঁকি আছে-- শিক্ষিতজনেরাও এইটুকু যেন মানতে চাইছেন না।
লকডাউন শিথিলতার সাথে সাথে যেন দেশ স্বাধীন হয়েছে এমন উৎসবমুখর পরিবেশে অধিকাংশই মাস্ক ছাড়া বেরিয়ে পড়েছেন। মোড়ে মোড়ে জমে উঠেছে চায়ের দোকান, চানাচুর, ঝালমুড়ি, ডাবওয়ালা। গলিতে আবারও ফিরে এসেছে টোকাইদের আড্ডা।
কোথাও সামাজিক দূরত্ব বা নূন্যতম স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার দায় নেই। ঈদে গাদাগাদি করেই বাস-লঞ্চে চেপে বাড়ি ফিরেছেন কর্মজীবী মানুষ। ছুটি শেষে আবারও একই রকম গাদাগাদি করে ঢাকায় ফিরেছেন। ট্রেনেই যা কিছু স্বাস্থ্যবিধি মানার চেষ্টা আছে।
ওদিকে প্রতিদিন বাড়ছে করোনায় মৃত্যু ও সংক্রমণ। সরকারি হিসাবেই প্রাণহানির সংখ্যা তিন হাজার ছাড়িয়েছে, বেসরকারি হিসাবে প্রায় দ্বিগুণ।...
#
এই ধারাবাহিকটির জন্য মনে মনে অপেক্ষা করি। গুরুচণ্ডালী থেকে মহামারীর এই অমূল্য দলিলটি বই আকারে মুদ্রিত হবে আশারাখি। আগেভাগেই এক কপি বুকিং দিয়ে রাখলাম। :)
ছাগলছানা | ১২ আগস্ট ২০২০ ১০:১৮96185