এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • বিপ্লব রহমান | unknown.*** | ৩১ মার্চ ২০১৩ ০২:৩৮77378
  • সংযুক্ত:

    সহব্লগার আসিফ মহিউদ্দীনের ফেবু নোট:
    ___
    ["১৯৭১ সালে উপমহাদেশে ইসলামের রক্ষক এবং সর্ববৃহৎ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ পাকিস্তানের অখণ্ডতা রক্ষার জন্য জামাত ইসলামির নেতৃত্বে দেশের প্রগতিশীল, মুক্তমনা, অসাম্প্রদায়িক বুদ্ধিজীবীদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছিল। এরপরে পাকিস্তান সরকার সেই তালিকা অনুসারে এদেশকে চিরতরে বুদ্ধি-প্রতিবন্ধী করে দেয়ার জন্য ১৪ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবী হত্যার সূচনা করে। পরাজয় জেনেও তারা এই কাজটি করে, কারণ তারা চাইছিল ধর্মান্ধতা, মৌলবাদ, সাম্প্রদায়িকতায় আচ্ছন্ন হয়ে এই দেশ একটি মিনি পাকিস্তানে পরিণত হোক। তাদের সেই চেষ্টা একেবারেই ব্যর্থ হয়েছিল তা বলা যায় না।

    ২০১৩ সালে আবারো সেই তালিকা দেখা যাচ্ছে। তালিকাটি তৈরি করে দিয়েছে ধর্মান্ধ মৌলবাদী গোষ্ঠী, এবং এই বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ সরকার। মুক্তমনা নাস্তিক অজ্ঞেয়বাদী সংশয়বাদীদের হত্যার যেন প্রতিযোগিতা শুরু হল, জামাত শিবির হিজবুত হুজি থেকে শুরু করে আওয়ামী লীগ বিএনপি পর্যন্ত এই প্রতিযোগিতায় নেমে গেছে, কে কার আগে তাদের হত্যা করতে পারে, কে কার আগে তাদের মুখ বন্ধ করতে পারে!

    ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হবার পরে জিয়াউর রহমানকে বন্দী করা হয়েছিল। কর্নেল তাহের এবং কয়েকজন বিপ্লবী অফিসার সেসময়ে জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করেন, এবং পুরষ্কার হিসেবে তাদের সবাইকে হত্যা করা হয়। সেই বিপ্লবে যারা অস্ত্র ধরেছিল, যারা সেই বিপ্লবের অন্যতম নায়ক ছিলেন, বিপ্লবের সুফল ঘরে তুলে তাদের প্রত্যেককেই নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করে জিয়া সরকার। কারণ সেই সকল বিপ্লবীরা জিয়া সরকারের জন্য ভয়ের কারণ ছিল।

    ২০১৩তে শাহবাগে জামাত শিবির বিরোধী বিপ্লব হয়ে গেছে। এই বিপ্লবে যারা সরকারের আনুগত্য প্রকাশ করেছে, তারা পরবর্তীতে ক্ষমতাশালী হয়ে উঠবে। এবং যারা সরকারের সাথে সমঝোতা করে নি এবং সুযোগ সুবিধা নেয় নি, তাদেরকে জিয়াউর রহমান স্টাইলেই হত্যা অথবা দমন করার সমস্ত পরিকল্পনা পাকাপোক্ত হয়ে গেছে।

    বিপ্লবের পরে বিপ্লবীদের হত্যা করা ইতিহাসে প্রচুর সংখ্যকবার দেখা গেছে। বিপ্লবীরা যেকোন ভ্রষ্ট রাজনীতির জন্যেই আতংকের, তাই তাদের গলা নামিয়ে দেয়ার মধ্যেই ক্ষমতাসীনদের মঙ্গল নিহিত। বেগম খালেদা জিয়া এবং গোলাম আজমদের আজ শ্রদ্ধা করতে ইচ্ছা হচ্ছে, কারণ তারা সরাসরিই ধর্মান্ধতা, মৌলবাদ, সাম্প্রদায়িকতার রাজনীতি করেন, সততার সাথেই অপরাজনীতি করেন। আওয়ামী লীগ সরকার তা করে প্রগতিশীলতার ছদ্মবেশে।

    ছদ্মবেশি আততায়ীর চাইতে প্রকাশ্য আততায়ী শ্রেয়।"]
    https://www.facebook.com/atheist.asif/posts/505508986163201
  • বিপ্লব রহমান | unknown.*** | ০৭ এপ্রিল ২০১৩ ০৭:৪১77379
  • সংযুক্ত:

    হেফাজত ইসলামের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আসিফ মহিউদ্দীনসহ চারজন "নাস্তিক ব্লগার"কে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। প্রতিবাদে চলছে সব প্রগতিশীল বাংলা ব্লগে অনির্দিষ্টকালের জন্য ব্ল্যাক আউট। তবে করপোরেট ব্লগ সাইট সামহোয়ারইনব্লগ ডটনেট, বিডিনিউজ, প্রথম আলোসহ কয়েকটি ব্লগ এই তালিকায় নেই। ওদিকে হেফাজতে ইসলাম ঢাকার মতিঝিলে সমাবেশ করেছে। সেখান থেকে তারা উত্থাপন করেছে "ধর্ম নিয়ে কটুক্তির দায়ে মৃত্যুদণ্ডের বিধান"সহ ১৩ দফা দাবি। শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চ, রুমী স্কোয়াড, '৭১ এর ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটিসহ কয়েকটি সংগঠন তাদের প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছে। হেফাজতীরা ঘোষণা করেছে হরতাল ও ঢাকা অবরোধের (৫ মে) কর্মসূচি।

    এরই পরিপ্রেক্ষিতে সহব্লগার, তরুণ বাম রাজনৈতিক কর্মী ফিরোজ আহমেদ লিখেছেন চিন্তাশীল নোট:
    _______
    সাইবার জগত থেকে হেফাজত: সমীকরণ সহজ নয়

    ["...আওয়ামী লীগ ধোঁয়াশা ছুপা রুস্তমের রাজনীতি করছে, সে গাছেরটা খেতে চায়, তলেরটাও কুড়িয়ে নেয়ার তালে আছে। বিএনপি তলারটাকে পায়ে মাড়িয়ে নষ্ট করে গাছেরটা খেতে চায়। লীগ একদিকে তাই শাহবাগকে ঘুরিয়ে দিয়েছে হেফাজতের দিকে; দলও সম্পূর্ণ তাই চায়, আস্তিক-নাস্তিকের সংঘাতে তার বড় লাভ। অন্যদিকে লীগ হেফাজতকেও বেশ খানিকটা নিজের হেফাজতে নিতে চায়, প্রমাণ করতে উদগ্রিব নিজেই সত্যিকারের ইসলাম-পসন্দ। সত্যি বলতে কি, ব্লগারদের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিকতম মামলাটি সংবিধানের সাম্প্রদায়িক পঞ্চদশ সংশোধনীরই প্রথম আইনী বাস্তবায়নের উদ্যোগ।

    অন্য আর একটি সহযোগী পক্ষ, কার্যত এরাও বিএনপিরই পক্ষভুক্ত, দেখাতে চাইছেন হেফাজতের সদস্যরা সব গরিব মানুষ। কিন্তু গরিব মানুষেরা কিভাবে ব্যবহৃত হতে পারেন নিজেদের স্বার্থেরই বিরুদ্ধে– মাদ্রাসাকেন্দ্রিক ক্ষমতার বলয় কিভাবে কার্যকর থাকে, সেটা যারা বোঝেন, তাদের কাছে অজ্ঞাত থাকার কথা নয়। ভিন্ন আরও একটি সহযোগী পক্ষও আছেন, যারা সচেতন কিংবা অসচেতনভাবে আওয়ামী রাজনীতির তলেরটা খাওয়ার কর্মসূচির সহযোগিতা করছেন শাহবাগকে ধর্মীয় শক্তিগুলোর দিকে ঘুরিয়ে দিয়ে। মাওলানা শফির ‘রাজনৈতিক’ শক্তি অনেকটাই কৃত্রিম, তাকে তৈরি করা হয়েছে, ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে বড়ও করা হয়েছে, অন্যদিকে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের মাঝে তাদের একটা বাস্তব ‘অরাজনৈতিক’ ধর্মীয় প্রভাব আছে। এই অরাজনৈতিক প্রভাবটির জন্ম হতে পেরেছে, কারণ ৪২ বছর ধরে শাসকেরা কোটি কোটি শিশুর জন্য শিক্ষার ব্যবস্থা করেননি, এরা প্রত্যেকেই এই মওদুদ বাহিনীর রাজনৈতিক সুফলভোগী। লাগাতার আক্রান্ত হলে এই অরাজনৈতিক প্রভাব দ্রুতই রাজনৈতিক হয়ে উঠে শাহবাগকে নাস্তিক-আস্তিক লড়াইয়ের কুঠুরিতেই বিভক্ত করতে আরও সহায়তা করবে, জামায়াতে ইসলামীর লক্ষ্যও এই মূহুর্তে তাই। হেফাজতে ইসলামের প্রচারিত দাবিগুলোই বরং আলোচনায় নিয়ে এসে সেগুলোর অন্তঃসারশূন্যতা এবং অকার্যকারিতা দেখিয়ে দেয়ার প্রচারমূলক কৌশলই হতে পারে বর্তমান সময়ে যথাযথ উদ্যোগ। জামায়াত অন্যদের আড়ালে আশ্রয় নেয়ার যে কৌশল গ্রহণ করেছে, তাকে সেই কৌশলে ধারাবাহিক সহায়তা করাটা আত্মঘাতী হতে পারে। এর আগেও জামায়াত বায়তুল মোকাররম মসজিদকে কেন্দ্র করে একই ধরনের কায়দায় মাঠে নেমেছিলো, সেটা ব্যর্থ হয়েছে। এবার তুলনামূলক একটা সাফল্য জামায়াত পেয়ে গিয়েছে। শাহবাগের মঞ্চ-নেতৃত্ব আর শাহবাগের চেতনা দুইয়ের মাঝে কখনো কখনো যে গড়মিল দেখা যায়, তার কারণ এইভাবে কখনো কখনো শাসকদের প্রয়োজনে ব্যবহৃত হওয়া। আস্তিকতা-নাস্তিকতার বিভাজনের জাল সরিয়ে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও জামায়াত শিবির নিষিদ্ধ করাই এই মূহুর্তে সবচে জরুরি কাজ।..."]

    http://bangla.bdnews24.com/opinion_bn/article610721.bdnews
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল মতামত দিন