এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  অপর বাংলা

  • খালেদা জিয়া: একটি রাজনৈতিক অধ্যায়ের অবসান 

    বিপ্লব রহমান লেখকের গ্রাহক হোন
    অপর বাংলা | ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ | ৩৩৪ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)

  • দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত নানা অসুখে ভুগে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া অবশেষে মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর। লিভার সংক্রান্ত জটিলতা, কিডনি সংক্রান্ত জটিলতা, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, আথ্রাইটিস ও ইনফেকশনজনিত সমস্যাসহ বিভিন্ন জটিল ও দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছিলেন খালেদা জিয়া। গত ২৩ নভেম্বর থেকে তিনি বসুন্ধরায় এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।

    তার মৃত্যুতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকে ছায়া। 

    গৃহবধু থেকে প্রধানমন্ত্রী

    সাবেক সেনা প্রধান ও রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্ত্রী থেকে রাজনৈতিক নেত্রী হয়েছিলেন তিনি। জিয়ার মৃত্যুর পর নয়ের দশকে স্বৈরাচার এরশাদ সরকার বিরোধী আন্দোলনে বিএনপির হাল ধরেন খালেদা জিয়া। 

    ১৯৮৬ সালে ঐকমত্য ভেঙে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা (জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মুখে বর্তমানে দিল্লিতে পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী) এরশাদের প্রহসনের নির্বাচনে অংশ নিলেও খালেদা জিয়া নির্বাচন বর্জনের প্রশ্নে অটল থাকেন। এটিই তাকে 'আপোষহীন নেত্রীর' ইমেজ তৈরি করে। 

    ১৯৯০ সালের ৪ ডিসেম্বর এরশাদ সরকারের পতনের পর ১৯৯১ সালের নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় পান খালেদা জিয়া। তিনি হন বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী। এরপর আর পেছনে তাকাতে হয়নি তাকে। টানা বিএনপির নেতৃত্ব দিয়েছেন ৪১ বছর। 

    রাজনৈতিক জীবনে খালেদা জিয়া ভীষণভাবে সফল ছিলেন। তিনি কখনো কোনো নির্বাচনে পরাজিত হননি। ১৯৯১ থেকে ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনগুলোতে তিনি পাঁচটি পৃথক সংসদীয় আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০০৮ সালে তিনি যে তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, সেখানেই তিনি জয়লাভ করেছিলেন।
     
    গৃহবধূ থেকে রাজনীতিতে নাম লেখানো খালেদা জিয়ার চার দশকের রাজনৈতিক জীবনের বড় সময় কেটেছে রাজপথের আন্দোলনে। তিনি গ্রেপ্তার হয়েছেন, জেল খেটেছেন; তবে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাননি।

    প্রতিহিংসার শিকার

    সরকার ও বিরোধী দলে থাকার সময় জাতীয় সংসদের ভেতরে ও বাইরে বহুবছর তিনি প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী শেখ হাসিনার কুৎসিত ব্যক্তিগত আক্রমণের শিকার হয়েছেন। রাজনীতিতে এমন বিদ্বেষ ছড়ানোর অপসংস্কৃতি তৈরি করেছিল আওয়ামী লীগ। কিন্তু জবাবে খালেদা জিয়া ও তার অনুসারিরা কখনো পাল্টা ব্যক্তিগত আক্রমণ করেননি।

    ২০০৭-৮ সালে এক-এগারোর সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় তাকে ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং দীর্ঘদিন কারাবাস করতে হয়েছিল। 

    ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের সময় জেলখানায় তার চিকিৎসা অবহেলা হয়েছে বলে বিএনপি নেতাদের অভিযোগ। ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর খালেদা জিয়া ও তার পুত্র তারেক রহমান সব রাজনৈতিক মামলা থেকে বেকসুর খালাস পেয়েছেন। 

    দীর্ঘ ১৭ বছর ব্রিটেনে প্রবাস জীবন কাটিয়ে দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আশা করা যায়, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগমী ১৫ ফেব্রুয়ারি হতে যাওয়া জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সরকার গঠন করবে বিএনপি। আর প্রধানমন্ত্রী হবেন তারেক রহমান।  

    এ নির্বাচনে জামায়াত-এনসিপি ও অপরাপর  খুচরো দলগুলো বিরোধী দল হওয়ার সম্ভাবনা। নেতৃত্বহীনতায় দিশেহারা আওয়ামী লীগ ছিটকে পড়েছে নির্বাচন থেকে। তাদের রাজনৈতিক কার্যক্রমও নিষিদ্ধ। শীর্ষ থেকে মাঝারি সারির নেতারা বিদেশে পলাতক। দলের কার্যক্রম এখন বিচ্ছিন্ন ঝটিকা মিছিল, চোরাগোপ্তা হামলা ও ফেসবুকে সীমাবদ্ধ।   

    'অপোষহীন নেত্রীর' আপোষ

    তবে খালেদা জিয়া ও বিএনপির সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ভুল যুদ্ধাপরাধী জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে জোট গঠন করা। এতে জামায়াতই রাজনীতিতে পুনর্বাসন হয়েছে, আর বিএনপি ভুলের মাশুল দিয়েছে অন্তত ২৫ বছর।
     
    ১৯৯৯ সালে গঠিত চার দলীয় জোটের (বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় পার্টি-নাজিউর এবং ইসলামী ঐক্য জোট) অধীনে ২০০১ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে বিএনপি-- জামায়াত সরকার গঠন করে। খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হন এবং জামায়াতের দুইজন নেতা মন্ত্রিসভায় স্থান পান। এই মেয়াদ শেষে ২০০৬ সালে তারা ক্ষমতা ত্যাগ করে।

    যুদ্ধাপরাধী-রাজাকারের দল জামায়াতকে সংসদে বসানোয় এরপর আর কোনো জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে বিএনপি জয় পায়নি।  এদেশের মানুষ কখোনই একাত্তরের ঘাতক জামায়াত-শিবিরকে ক্ষমা করেনি।

    এছাড়া ১৯৯১ সালের নির্বাচনে বিএনপি এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় জামায়াতের সমর্থনে প্রথমবার খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সরকার গঠন করেছিলেন।

    ২০১২ সালে চার দলীয় জোট সম্প্রসারিত করে ১৮ দলীয় জোট এবং পরবর্তীতে ২০ দলীয় জোট গঠন করা হয়। তবে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে এই জোটটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। 
     
    এছাড়া আরেকটি রাজনৈতিক ভুল ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী শেখ মুজিবের হত্যা দিবসে ১৫ আগস্ট কেক কেটে খালেদা জিয়ার জন্মদিন পালন করা। অবশ্য পরে ওই অপসংস্কৃতি থেকেও সরে এসেছে বিএনপি।    

    বটম লাইনে

    দীর্ঘ রাজনৈতিক পথ চলায় বিএনপি তার ভুলগুলো অনেকটাই শুধরে নিয়েছে। আগেও যেমন বলা হয়েছে, বিএনপি সরকার গঠন করলে এটিই হবে পশ্চিমা বিশ্ব তো বটেই, দক্ষিণ এশিয়াসহ প্রতিবেশি ভারতের কাছে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য সরকার। সেক্ষেত্রে কাউন্টার প্রক্সি ওয়্যার খেলবে ব্যাকফুটে। বাংলাদেশের গণতন্ত্রের দিকে যাত্রা আরো সহজ হবে। 
    ____
    ছবি: নয়ের দশকে স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী গণঅভ্যুত্থানে খালেদা জিয়া,  ফাইল ফটো 
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • অপর বাংলা | ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ | ৩৩৪ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    মাংস - অরিন
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ni pa | 2405:201:4023:7229:1866:30b2:1c29:***:*** | ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৪:৩৬737435
  • এনার মন্ত্রীসভায় সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী মন্ত্রী ছিলো না? এখন বেঁচে থাকলে হাসনাত নাহিদ গ্যাং এর মেন্টর হয়ে যেত ওই জল্লাদ। 
  • Somenath Guha | ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৪:৫৭737436
  • বিএনপির সৌজন্যে ঘাতক বাহিনী জামাত বাংলাদেশের রাজনীতিতে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে। এটাই সবচেয়ে দুর্ভাগ্যজনক।
  • বিপ্লব রহমান | ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৭:৪০737440
  • @নীপা, 
     
    একটু ভুল হলো,  সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরী কখনোই মন্ত্রী ছিলেন না। তবে তিনি ১৯৭৯, ১৯৮৬, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০] ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে ছয় মেয়াদের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। 
     
    ১৯৭১ এ মানবতা বিরোধী অপরাধে সাকা চৌধুরীকে ফাঁসিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। 
     
    বেঁচে থাকলে তিনি জামায়াত-এনসিপির বড় তাত্ত্বিক গুরু হতেন, সন্দেহ নেই। 
     
    আপনাকে ধন্যবাদ। 
  • বিপ্লব রহমান | ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৭:৫১737441
  • @সোমনাথ গুহ, 
     
    "বিএনপির সৌজন্যে ঘাতক বাহিনী জামাত বাংলাদেশের রাজনীতিতে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে। এটাই সবচেয়ে দুর্ভাগ্যজনক।" 
     
    সেটি আংশিক সত্য। কিন্তু এ জন্য আওয়ামী লীগও সমানভাবে দায়ী। 
     
    ১৯৭১ এর পর আওয়ামী লীগ সরকার ঘাতক জামায়াতকে সাধারণ ক্ষমার আওতায় দায়মুক্তি দেয়। পরে বিএনপি সরকার জোট করে ও মন্ত্রীত্ব দিয়ে জামায়াতকে পুনর্বাসন করে। 
     
    এছাড়া নয়ের দশকে স্বৈরাচার এরশাদ সরকার বিরোধী আন্দোলনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি উভয়ই জামায়াতের সাথে মিলেমিশে আন্দোলন করে,  যা ঘাতক বাহিনীকে রাজনৈতিক বৈধতা দেয়। 
     
    অর্থাৎ বাংলাদেশের বড় দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি গত পাঁচ দশকে দুধ-কলা দিয়ে কাল সাপ পুষেছে। 
     
    আগ্রহের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। 
  • বিপ্লব রহমান | ০৩ জানুয়ারি ২০২৬ ১২:২৭737571
  • @নীপা, 
     
    আপনার আগ্রহের জন্য আবারও ধন্যবাদ। 
    তেমন সম্ভাবনা একেবারেই নেই। 
     
    কারণ লন্ডনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও জামায়াতের আমির শফিকুর রহমানের নির্বাচনি আলোচনা ভেস্তে গেছে। 
     
    এ কারণে দৃশ্যতঃ বিএনপি নির্বাচনে 'একলা চল নীতি নিয়েছে'। আর জামায়াত জোট বেঁধেছে এনসিপি ও ইসলামী দলগুলোর সাথে। 
     
    এর আগে জামায়াতের সাথে নির্বাচন ও আন্দোলনের জোট গড়ে বিএনপি প্রায় ২০ বছর ভুলের মাশুল দিয়েছে জনসমর্থন হারিয়ে, এ লেখায় তা আগেই উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্লেষণ বলছে, বিএনপি এখন অতীত থেকে অনেকটাই শিক্ষা নিয়েছে। 
    বিনয়ের সাথে জানাই, নিজে প্রায় তিন দশক পেশাগত সাংবাদিকতায় জড়িত। পর্যবেক্ষণ বলছে, ভারত--বাংলাদেশ সাম্প্রতিক শীতল সম্পর্ককে কেন্দ্র অধিকাংশ ভারতীয় মিডিয়া এখন অতিরঞ্জিত সংবাদ ও বাংলাদেশ বিরোধী বিদ্বেষ প্রচারে ব্যস্ত রয়েছে। 
     
    এ পর্যায়ে বাংলাদেশের স্পর্শকাতর বিষয়গুলো সম্পর্কে জানতে এপারেরই শীর্ষ স্থানীয় মিডিয়া ও আন্তর্জাতিক মিডিয়া অনুসরণ করা ভাল হবে। শুভেচ্ছা 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। চটপট মতামত দিন