এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • রানি ও কলতান - ১৯

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ১০ মার্চ ২০২৫ | ১২৪ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • (১৯)

    কলতানকে দেখতে পেয়ে সহদেব এগিয়ে এল।
    --- ' বাবু আপনি কখন এলেন ? '
    ---' এই কিছুক্ষণ আগে। আমাকে একটু সুরেশজির কাছে নিয়ে চল ...'
    ---' আচ্ছা চলুন বাবু ... দেখুন উনি কথা বলতে পারেন কিনা। শরীর ভাল না ... '
    --- ' দেখা যাক ... না পারলে কথা হবে না ... আর কি ... '

    সহজেই সুরেশজির সঙ্গেও দেখা হওয়ার ব্যবস্থা হল। সহদেব নীচে চলে গেল।
    সুরেশ পত্নী মহামায়া দেবীকে দেখে অল্প শিক্ষিত সরলমনা ভালমানুষ ধরণের মহিলা বলে মনে হল। স্থূলকায় চেহারা। চোখে চশমা। সুরেশবাবুও তাই। মোটাসোটা থলথলে চেহারা। ফর্সা রঙ। বয়স খুব বেশি না। কিন্তু স্থূল হবার কারণে বেশ বয়স্ক দেখায়। কলতান শুনেছে তার একটা ছোটখাট সেরিব্রাল অ্যাটাক হয়ে গেছে। কিডনি সমস্যা তো আছেই। ছেলে মেয়ে কেউ বোধহয় এখানে থাকে না। বিছানায় তাকিয়া হেলান দিয়ে বসে ছিলেন। তিনি নানারকম রোগে আক্রান্ত। মুখে শারীরিক অস্বস্তির এবং ক্লান্তির ছাপ স্পষ্ট।
    মহামায়া দেবী বললেন, ' উনি বিমার আছেন। বেশি কথা বলতে পারবেন না ... '
    কলতান ব্যস্ত ভঙ্গীতে বলল, ' না না ... আমি এমনি দেখা করতে এলাম। বেশি কথা আর কি বলব ... আমি জানি উনি অসুস্থ ... '
    কলতান বলল, ' সুরেশজি আপনি জানেন তো আপনাদের বাগানের মালির মেয়ের একটা দুর্ঘটনা হয়েছে ... '
    --- ' হাঁ ... উও তো হ্যায় ... খুব পরেসান আছি ফিলহাল ওটা নিয়ে। আপ কেয়া পুলিশওয়ালেকি তরফসে আয়া ? '
    কথার সুর শুনে মনে হল পুলিশ টুলিশ নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করার অভ্যাস তার আছে ... দীর্ঘ দিনের ব্যবসায়ী বংশ পরম্পরায়। পুলিশ ঘাঁটায় রপ্ত না হলে চলবে কি করে।
    সুরেশজি মৃদুস্বরে সামান্য হাঁফাতে হাঁফাতে কথা বলছেন।
    তিনি আবার বললেন, ' থানার ওই অফিসারটা ... সবইয়াসাচি, না কি যেন নাম ... কুছ কামকা আদমি নেহি। একদম বেকার ... '
    --- ' কেন এ কথা বলছেন কেন ? '
    --- ' এছাড়া কি বলব ? এতদিনে একটা লোককে অ্যারেস্ট করতে পারল না ... '
    --- ' হমম্ ... তা ঠিক। আমারও একই মত ... আচ্ছা আপনি যদি ওই অফিসারের জায়গায় থাকতেন তা হলে কাকে অ্যারেস্ট করতেন দাদা ? '
    সুরেশজির কাছ থেকে এটার কোন উত্তর পাওয়া গেল না। তিনি তাকিয়ায় কাত হয়ে আধশোয়া হয়ে থিতু হলেন এবং মাথা নীচু করে কি ভাবতে লাগলেন। সুরেশবাবু বোধহয় একটানা বেশিক্ষণ সোজা বসে থাকতে পারেন না।
    কলতান চুপচাপ অপেক্ষা করতে লাগল। মহামায়া দেবী খাটের পায়ের দিকে একটা চেয়ারে বসে আছেন স্বামীর দিকে তাকিয়ে।
    সুরেশজি হঠাৎ বিড়বিড় করে কি যেন বললেন।
    কলতান বলল, ' কিছু বললেন সুরেশজি ? '
    সুরেশজি মুখ তুলে কলতানের দিকে একবার তাকিয়ে আবার মাথা নামিয়ে নিলেন। মহামায়া দেবী ঈষৎ চঞ্চল হয়ে বললেন, ' ক্যা হুয়া ? '
    সুরেশজি মাথা না তুলেই অস্পষ্ট স্বরে
    বললেন, ' লাইফ বরবাদ হোতে যা রহা হ্যায় বিলকুল ... ছ্যাঃ ... '
    --- ' কেন সুরেশজি কি হল ... কোন প্রবলেম ? '
    সুরেশ শ্রীবাস্তব কথাটার সরাসরি কোন উত্তর দিলেন না।
    বললেন, ' এক বাত ম্যায় মেরা শোচকা হিসাবসে কহ্ সকতা। মেয়েটার সঙ্গে লাস্ট কাকে দেখা গেছে পহলে উও পাতা করনেকা কোসিস কিজিয়ে ... বাকি সব জলদি সমঝমে আ যায়েগা ... '
    কলতান সুরেশ শ্রীবাস্তবের বিচক্ষণতা দেখে মুগ্ধ হল। এটা হল কোন খুনের তদন্তে বুনিয়াদি পদক্ষেপ, যাকে বলে বেসিক স্টেপ .... ' লাস্ট সিন টুগেদার '। গায়েব হওয়ার আগে পর্যন্ত ভিকটিমকে কার সঙ্গে শেষ দেখা গেছে। এটা হল খুনের তদন্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
    এ তত্ত্ব কলতানের অজানা নেই। সেই বলতে পারবে ভিকটিম তার সঙ্গছাড়া হবার পর কোথায় গিয়েছিল।
    কলতান এবার তার কাজে তৎপর হল। সে এই সুযোগে বলল, ' আপনি এ ব্যাপারে আমাকে কোন সাহায্য করতে পারেন ? '
    --- ' কি ব্যাপারে ? '
    --- ' রানির সঙ্গে শেষ কাকে দেখা গেছে ... কোন আইডিয়া দিতে পারেন ? '
    --- ' এটা কি বললেন ! আমি বিমার আদমী .... ঘর থেকে বেরোতে পারি না ... আমি এসবের আইডিয়া কোথা থেকে দেব ? আপনি প্রকাশের সঙ্গে কথা বলেছেন, ইসকা বারিমে ? '
    --- ' হ্যাঁ তা বলেছি। কিন্তু প্রকাশজি তো ওই দিন ডানকুনিতে ছিলেন না ... উনি তো তাই বললেন ...'
    এইখানে বোধহয় সাময়িকভাবে সুরেশ শ্রীবাস্তবের ফোকাস নড়ে গেল।
    তিনি বললেন, ' কে বলল ডানকুনিতে ছিল না ... বিকেলে আমাকে খাতা দিয়ে গেল ... '
    --- ' কিসের খাতা ? '
    --- ' ও ... আমাদের ব্যবসার ডেইলি হিসাবের খাতা ... '
    --- ' ও আচ্ছা আচ্ছা ... আপনার ঠিক ঠিক মনে আছে তো ? '
    এই সময়ে মহামায়া দেবী তার স্বামীর মস্তিষ্কের আলগা ঢিলেঢালা অবস্থা সামাল দিতে অতি দ্রুত হাল ধরলেন।
    --- ' আরে ... কিতনা সারা দিন বিত গ্যয়া ... তুমকো ইতনা ইয়াদ থোড়ি হ্যায় ... অ্যায়সা কিঁউ বোল রহে হো ... '
    সুরেশজির মস্তিষ্কের আলগা বাঁধন চুঁইয়ে তার অর্ধাঙ্গিনীর সতর্কবার্তা ভিতরে পৌঁছল না।
    তিনি জেদ ধরে থাকলেন, ' নেহি নেহি ... মেরা ইয়াদ্দাজ ইতনি কমজোর নেহি ... তুম জারা চুপ ব্যয়ঠো না ... মেরা সাফ ইয়াদ হ্যায়, প্রকাশ উসদিন দুপহেরকো হিসাব কা পরচা লে কে আয়া থা ... সমঝে ? '
    সুরেশপত্নী আর একবার আকুল প্রয়াস করলেন তার মানসিকভাবে অব্যবস্থিত স্বামীকে থামাবার। কিন্তু তার সব চেষ্টাই বৃথা গেল। সুরেশজি নিজের বক্তব্যে অনড় রইলেন। এমনকি এও বললেন, ' ঠিক হ্যায় ... পরচা লে কে আও না ... মিলাকে দেখতা হুঁ ... '
    কলতান বলল, ' না না .... সুরেশজি, ঠিক আছে ঠিক আছে ... তার দরকার নেই। আপনার মুখের কথাই যথেষ্ট। আপনি অসুস্থ মানুষ, আপনাকে আর বিরক্ত করব না। আপনাকে শুধু আর একটা কথা জিজ্ঞাসা করব ... '
    --- ' কেয়া ? '
    --- ' প্রকাশজির মিসেস এখানে থাকেন না কেন ?'
    --- ' কি জানি ... ওদের ব্যাপার ঠিক জানি না। বলে যে, ওর পিতাজির নাকি ক্যান্সার হয়েছে ... ইস লিয়ে ... আমি ওদের ব্যাপার ঠিক বুঝতে পারি না ... '
    --- ' আচ্ছা আচ্ছা ... ওদের পার্সোনাল ব্যাপার আর কি ... '
    --- ' ঠিক ঠিক ... '
    --- ' সুরেশজি, আর একটা কথা শুধু জিজ্ঞাসা করব আপনাকে ... '
    কলতান দেখল মহামায়া তার স্বামীর রক্ষক হয়ে তার দিকে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে।
    কলতান বলল, ' প্রকাশজির শ্বশুরবাড়ি কোথায় ? '
    সুরেশজি কিছু বলার আগে মহামায়াদেবী প্রায় ঝাঁপিয়ে পড়লেন, ' ওসব আমরা ঠিক জানিনা। আমাদের ওসবে দরকার কি ? প্রকাশকেই জিজ্ঞাসা করুন না আপনি ... '
    কিন্তু এবারও তার চেষ্টাটা মাঠে মারা গেল। তার আক্কেলজ্ঞানশূন্য স্বামী বলে উঠলেন, ' না জানার কি আছে ... ওর শ্বশুরবাড়ি ভবানীপুরে। শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী রোডে। ওর শ্বশুর গিরিধারিলালের সঙ্গে আমার খুব দোস্তি ছিল ... '
    --- ' অ্যাড্রেসটা একটু দিতে পারবেন ? '
    এখানে মহামায়াদেবী আবার সুরেশের ঢাল হয়ে দাঁড়ালেন।
    --- ' না না ... আমরা ওদের আড্রেস কোথায় পাব ? প্রকাশের শ্বশুরবাড়ির আড্রেস বাগেরা আমরা জানব কি করে ? মাফ কিজিয়ে ওসব আমাদের কাছে নেই ... '
    কলতান উঠে দাঁড়িয়ে হাতজোড় করে বলল, ' আচ্ছা নমস্কার। আপনারা অনেক সাহায্য করলেন। এতেই হবে আপাতত। সুরেশজি আপনি অসুস্থ মানুষ ... আপনাকে বিরক্ত করার জন্য অত্যন্ত দুঃখিত ... আসি ... আবার পরে দেখা হবে ... '

    কলতান নীচে নেমে সহদেবের ঘরের দিকে যেতে যেতে ঠিক করে নিল, এখন সহদেব, মানু এবং তিন্নির সঙ্গে আর একদফা কথা বলে বাড়ি ফিরে যাবে এবং তমাল ঘোষের ল্যাব রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করবে। ওটা পেলে তৈরি হয়ে যাবে তার ফাইনাল রাউন্ডে নামার অস্ত্র। আর তিন চার দিনের ব্যাপার। এখন দেখা যাক সহদেব আর মান্ডবী কি বলে। আর তিন্নিই বা কি বলে।

    ( ক্রমশ )

    *****
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে মতামত দিন