দেশে ইসলামি সম্মেলন বা ইসলামি জনসভা সব সময়ই রমরমা দশা ছিল। এখন তো পোয়া বারো! দৈনিক দুই একটা করে আছে, আর যে তারিখ গুলো সবার পছন্দের, যেমন বৃহস্পতিবার শুক্রবার রাত, ২৫ ডিসেম্বর, ৩১ ডিসেম্বর এগুলাতে পাঁচ সাতটা করে আমাদের ছোট জেলা সদরেই হচ্ছে, হবে। এই অদ্ভুত জিনিস দুনিয়ায় আর কই হয় আমার জানা নাই। এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডে সম্ভবত আমাদের দেশেই এই বস্তু অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজন করে প্রলাপ আর কে কোথায় শুনতে যায়?
এই জিনিস শুরু হয় আল্লার নামে শুরু করিলাম দিয়ে। এরপরে ধীরে ধীরে আল্লা বিদায় নেয়, টাকা পয়সা আলাপ এসে যায়। শীতের আগে আগে একটা কমিটি করা হয়। কোন একটা খাতায় আল্লার নামে শুরু করিলাম লিখে শুরু হয় আয়োজন। বাজেট কত, কত টাকা আছে, কত টাকা তুলতে হবে মানুষের কাছ থেকে তার একটা হিসাব করা হয়। কাজ ভাগ করে দেওয়া হয়। কেউ চাঁদা তোলার দায়িত্ব নেয়। কেউ অনুসাঙ্গিক যা দরকার তার পিছনে ছুটে। কর্তা ব্যক্তিরা ছুটে বক্তাকে ধরতে! কনসার্টের শিল্পীদের মতো করে আগেই বক্তাকে ধরতে হয়। হুজুর অমুক দিন সময় দিতে হবে! হুজুরের সেদিন সময় নাই। টাকা বাড়ায় দেওয়ার প্রস্তাব, যাতায়াতে হেলিকপ্টারের ব্যবস্থা ইত্যাদির পরেও যদি না আসে তাহলে তো কিছু করার নাই। তখন অন্য বক্তার দিকে দৌড়।
মোটামুটি মানের একটা ইসলামি সম্মেলনে দুই একজন সুপার স্টার মানের বক্তা লাগবে। একজন সুপার স্টার বাকিরা মাঝারি মানের হলেও চলবে। যদিও এইটা চাহিদার কথা বললাম, সুপার স্টারদের নিয়ে কনসার্ট না মানে ইসলামি জনসভা করতে পারে হাতে গোনা অল্প কিছু। বাকিরা মাঝারি মানের কয়েকজন দিয়েই কাজ চালিয়ে নেয়। সুপার স্টার বক্তা কারা? যাদের ইউটিউবে ভিউ বেশি! কাদের ভিউ বেশি? যে বেশি প্রলাপ বকতে পারে! একটা বিন্দু বাড়িয়ে বলছি না। ওয়াজ দিয়ে সার্চ দিয়ে দেখুন, তাজ্জব হয়ে যাবেন ধর্মের নামে এমন মিথ্যাচার করে যাচ্ছে কেউ আর তা মানুষ হা করে শুনছে, কোন প্রতিবাদ নাই, কোন প্রতিক্রিয়াই নাই আসলে। সবাই মুগ্ধ হয়ে শুনছে কাঁচা মিথ্যা কথা গুলো।
অনুষ্ঠানের লাইনআপ সেট হয়ে গেলে শুরু হয় সবাই মিলে টাকা জোগাড়ের আয়োজন। কেউ যাচ্ছে বড় বড় ব্যবসায়ীদের কাছে, কেউ যাচ্ছে বাড়ি বাড়ি, কেউ রাস্তায় দাঁড়িয়ে টাকা তুলছে। যদি মহা সড়কের আশেপাশে আয়োজন হয় তাহলে তো কথাই নেই। যত গাড়ি আছে তাদেরকে আটকান। যার যা ইচ্ছা দিয়ে যান বলে হাত পাতুন, সারাদিনে ভালোই টাকা উঠে। রীতিমত একটা উৎসব লাগে এই কাজে।
বাড়ি বাড়ি যারা তুলতে যায় তাদের একটু খাটনি বেশিই হয়। সবচেয়ে দুঃখজনক হচ্ছে এই কাজে লাগানো হয় বাচ্চাদের। হয়ত এতিমখানায় থাকে। এঁদেরকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয় বিভিন্ন এলাকায়। বাচ্চারা সহজে বাড়িঘরে ঢুকে যেতে পারে, গিয়ে মুখস্থ বলে অমুক মাদ্রাসা থেকে আসছি, আমাদের বার্ষিক ওয়াজ মাফিল আছে, দান করেন কিছু! আমি এগুলা দানের লোক না। দুইটা কারণে আটকে যাই, দান করি যখন যা পারি। একটা কারণ হচ্ছে এই বাচ্চারা। আমি যতবার ওদের দিকে তাকাই ততবার আমার বুক মুচড়ে উঠে। আমি জানি এই সব কারণেই ওরা বাচ্চাদের পাঠায়। কিন্তু একদম আমার ভাগ্নে, ভাইস্তাদের বয়সই, কচি মুখ, জোব্বা পরে, টুপি মাথায় এসে যখন বলে দান করেন কিছু তখন সব যুক্তি এলোমেলো হয়ে যায় আমার। টাকা তুলতে পারলে হয়ত মাদ্রাসায় ফিরে দুপুরের খাবার খাবে। হয়ত দুপুরে খাবার নাই, বাড়ি বাড়ি ঘুরতে ঘুরতে হুজুরের দয়া হলে কিছু খাওয়ায় দিলো, না হলে একেবারে সন্ধ্যায়! আমি এগুলা নিতে পারি না। এমন করে হাত পেতে কী আয়োজন করতে যাচ্ছে এরা? পেট মোটা এক বক্তা আসবে, ইচ্ছা মতো মিথ্যা কথা বলবে, বিধর্মীদের গালিগালাজ করবে, চরম অসম্মান করে যাবে দেশকে, ইতিহাসকে!
দ্বিতীয় কারণটা অদ্ভুত। আমার আব্বা বিমান বাহিনী থেকে অবসর নেওয়ার পরে যখন বাড়িতে বসে ছিল তখন এখানকার একটা মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসেবে যোগ দেয়। আব্বার লক্ষ ছিল সময় কাটানো। কিন্তু যেহেতু মাদ্রাসার শিক্ষক তাই আব্বাকেও যেতে হত কালেকশনে!( টাকা তোলাকে সবাই কালেকশন বলে) আব্বা ওয়াজের জন্য কালেকশনে গেছিল কি না মনে নাই। কিন্তু বাৎসরিক খরচ তোলার জন্যও বাড়ি বাড়ি যেতে হত শিক্ষকদের। আব্বার মতো চিন্তা করা আমাদের পক্ষে অসম্ভব। এইটাকে আব্বা কোন সমস্যাই মনে করত না। সারাদিন ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানোর কাজ করে যেত। কই কই যেত, মাদ্রাসার জন্য টাকা তুলত। আমাদের নানী বাড়ি, মানে উনার শ্বশুর বাড়ির এলাকাতেও যেতে উনি দ্বিধা করত না। এইটা নানা কুৎসিত রূপ নিয়ে আমাদের কানে আসত। আমাদের খুব খারাপ লাগত। আরে, কেন আপনের বাড়ি বাড়ি গিয়ে টাকা তুলতে হবে। মানুষ নানা কথা বলে! আব্বা তো আব্বাই, ধুর, মানুষের কথা দিয়ে কী হবে? মাদ্রাসার বাচ্চাদের সারা বছরের খরচ যতদূর তুলতে পারলে এই বাচ্চাদের জন্যই তো ভালো। আব্বা হিসাব দিত কত বাচ্চা এতিম, তাদের পিছনে কত খরচ ইত্যাদি। তখন বুঝতাম না। এখন বুঝি, আব্বা যা করছে এইটা সাধারণ কোন কাজ না। একজন অফিসার লেবেলের মানুষ বাড়ি বাড়ি গিয়ে মাদ্রাসার জন্য টাকা চাচ্ছে, ধান নিচ্ছে, চাল নিচ্ছে এইটা কেমনে সম্ভব? আমার পক্ষে সম্ভব? সম্ভবত না। অথচ আব্বা এগুলাকে পাত্তাই দিত না। শরীর অসুস্থ হয়ে যাওয়ায় আব্বা এই কাজ বন্ধ করে দেয়। কোনদিন বেতন পেয়েছে এমন শুনি নাই। খুব যে দুর্বল মাদ্রাসা ছিল তাও না। কিন্তু তবুও সব শিক্ষকদের বেতন দিতে পারত না তারা। তবে এখন এই মাদ্রাসা বিশাল বড়। জেলার অন্যতম বড় মাদ্রাসা এইটা এখন। আমি যতবার এই প্রতিষ্ঠানটা দেখি ততবার চিন্তা করি এর জন্য আমার বাপ কী পরিশ্রমটাই না করেছে! যাই হোক, এই কারণেও আমি সাহায্য করি এঁদেরকে। কে জানে এঁদের পিছনে হয়ত আব্বার মতো শিক্ষক দাঁড়িয়ে আছে। যে আসলে এঁদের ভালোর জন্য আর কিছু না পেরে হেঁটে হেঁটে টাকা সংগ্রহ করছে!
আলাপ চলে গেছে অন্য দিকে। ওয়াজ মাহফিলের সময় যতই এগিয়ে আসে ততই নানা ব্যস্ততা বাড়তে থাকে। ইসলামি বক্তার পাশাপশি রাজনৈতিক নেতাদেরও দাওয়াত দেওয়া হয়। বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, আসেন, টাকা দেন! সব মিলিয়ে যা হয় তা হয় হচ্ছে মিথ্যার এক ধারাবাহিক বিবরণী! মাইক লাগিয়ে রাতের বেলা উচ্চস্বরে মিথ্যাচার করে যায়! কী হয় তার নমুনা দিচ্ছে আজকের অভিজ্ঞতা থেকে। আজকে এমন এক জায়াগায় যাওয়া হয়েছিল দেখেই লিখতে বসেছি!
শহরের অদূরে বিশাল ইসলামি জনসভা। আয়োজন যে মাদ্রাসা তার সাথে আমাদের যোগসূত্র হচ্ছে এর মালিক পক্ষের একজন আমাদের পরিচিত বড় ভাই। আমি হুট করেই দাওয়াত পেলাম। বলল অমুক যাইতে বলছে, চল যাই, খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থা আছে। খাওয়ার সাথে তো কোন ধর্ম নাই! কালীপূজার প্রসাদ খাওয়া লোক আমি! বললাম, চলুন তাহলে যাওয়া যাক! যেখানে ওয়াজ হচ্ছে তার এক কিলোমিটার দূরে থাকতেই মাইকের আওয়াজ পেতে থাকলাম। জবরদস্ত এক বক্তা তখন মিথ্যাচারের দায়িত্ব নিয়েছে। আগে এরা একটু ভয়ডর করত। এখন খুল্লমখুল্লা চলছে। চিৎকার করে বলছে বাঁচার রাস্তা একটাই খেলাফত খেলাফত! কোরানের আইন কায়েম করতে পারলেই শান্তি! আমি বুঝলাম হইছে কাম! এই রাতের বেলা একটু গরুর গোস্ত আর খিচুরি খাওয়ার জন্য এখন এইসব শুনতে হব না কি! পরে মনে হল, আচ্ছা, শুনতে থাকি, এও এক অভিজ্ঞতা। এদের সাথে আমার বহুদিন কোন যোগাযোগ নাই। অনেকেই বিনোদনের জন্য ইউটিউবে এদের বক্তব্য দেখে। আমি ওইটাও করি নাই। না করলেও কত কী যে শোনা লাগে, দেখা লাগে তার কোন ইয়াত্তা নাই। তো এই মহান বক্তার কথা শুনতে শুনতে এগিয়ে যেতে থাকলাম। তিনি বিরাট গরম বক্তা! ভারতকে হুশিয়ারি দিলেন, এরপরে আমেরিকা ট্রাম্প সবাইকে সাবধান করে দিলেন। বললেন, কারো দরকার নাই, আল্লা সাথে থাকলেই চলবে! তিনি হুমকি দেওয়ার পরে সবাইকে ইতিহাস পড়ানর দায়িত্ব নিলেন। ভারতবর্ষের ইতিহাস না কি মুসলিমরা আসার পরেই শুরু এমন তথ্য দিলেন। হিন্দু হচ্ছে নুহ নবীর ছেলে হিন্দের বংশ। হিন্দ থেকে হিন্দু! আগে শুনছিলাম সিন্ধু নদী থেকে হিন্দু শব্দটা আসছে, এ আরেক গল্প শোনাল। এরপরে সব বাদ দিয়ে টান দিয়ে চলে আসল মুসলমানদের আগমনের গল্পে! বুঝলাম না! মাঝে কী হল? মধ্যে খানের ইতিহাস কই গেল? মুসলিমদের পরে ইংরেজ শাসনের গল্পও শুরু করলেন। সন তারিখের মায়েরে খালাম্মা ডাকায় দিতে থাকল। এর মধ্যেই সর্বনাশ হয়ে গেল! আয়োজনের মূল বক্তা এসে গেছে! তিনি বলছেন, কেবল শুরু করছি কিন্তু কিছু করার নাই, আরেকদিন সময় পেলে কথা হবে ইনশাল্লাহ! এইটা কেমন কথা? তিনি মূল বক্তা না? পার্শ্ব চরিত্রের এত গরম? মূল বক্তা তো আগুন ধরায় দিবে মনে হচ্ছে! এর মধ্যে যে বড় ভাই আয়োজক তিনি আমাদের ডাক দিয়ে খেতে বসায় দিলেন। গরু, মুরগি খিচুরি খেয়ে আমার মনে হল এবার এই অত্যাচার থেকে নিস্তার পাওয়া উচিত। আমি বিদায় নিয়ে চলে আসছি। শুনতেছি মাইকে মূল বক্তা, যিনি শরিয়তপুর থেকে আসছেন দেখেই না কি আল্লাই জানে, তার নাম শরিয়তপুরি! নামের শানে নজুল জানা হল না। শুনতে থাকলাম তিনি আসলেই আগুন ধরায় দিচ্ছেন মঞ্চে। ওয়াজ যারা করে তারা একটা অদ্ভুত সুরে কথা বলে। মঞ্চে উঠেই এই সুরে কথা বলা শুরু করে। স্বাভাবিক ভাবে কথা বলতে পারে না ওরা। কিছু একটা বলে আর সাথে সাথে বলে উঠে, চিল্লায় কন ঠিক কি না! কথা বলেন ঠিক কি না! ভাবলাম এইটা একদিন দিয়ে ভালো, মানুষকে কথা বলতে বলতেছে! চিল্লায় কেন বলতে হব এইটা বুঝি নাই।
জাকির নায়েকের আগমনের পরে একটা ধারা তৈরি হইছে তা হচ্ছে ইংরেজি বলা! বক্তারা স্মার্ট ভাব আনার জন্য মাঝে মধ্যেই ভুলভাল ইংরেজি বলে। ইংরেজি বলে একটা শব্দ পরে ওইটাকে আবার বাংলা বলে! এই চলতে থাকে, মানুষ ভাবে, বাপরে, কত্ত জানে হুজুর! এদিকে হুজুর গল্প বলে যাচ্ছে নীল আমস্ট্রং চাঁদে গিয়ে আজান শুনে আসছে! পৃথিবীতে এসে এক মসজিদে এই আজান শুনে মসজিদের ইমামকে জিজ্ঞাস করছে এইটা কোন গান? ইমাম কইছে এইটা গান না, এইটা আজান! নীল বেচারা এমন কাণ্ড দেখে আর থাকতে পারে নাই, তখনই কলেমা পরে মুসলমান হয়ে গেছে! আরেক বাটপার আছে, চোখ বন্ধও করে না মিথ্যা কথা বলতে, হাসতে হাসতে বলে যায় সে অক্সফোর্ডের সেরা শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন কয়েকবার, ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগে খেলেছেন! কেন বলেন? আল্লাই জানে আর ওই জানে। এমন করে মিথ্যা বলে আবার একেই ভাড়া করে নিয়ে যায় মানুষ।
চিন্তা করে দেখলাম এইটা সামনে আরও বাড়বে। কয়েকটা সূত্র মাথায় রেখে ওয়াজ করা শুরু করে দিব না কি? আওয়ামীলীগকে গালি দিতে হবে এখন। ভারতকে গালি দিয়ে ধুইয়ে দিতে হবে। আর বলতে হবে চিল্লায় কন ঠিক কি না! একটু পরে পরে বলতে হবে কোরান শরীফে সব আছে না নাই? অমুকটা আছে না নাই? অমুক ঘটনা যে ঘটছে এইটা আছে না নাই? আছে না নাই আর জোরে কন ঠিক কি না এমন কিছু সূত্র মনে রেখে ওয়াজের সিজনে ভালো কামাই করা যাব। আর একবার হিট হয়ে গেলে কথাই নাই! আজকে যে ওয়াজের কথা লিখলাম তার এক বক্তাকে হেলিকপ্টার অফার করেছিল আয়োজকেরা। তিনি শরীরে জুত পাচ্ছেন না, তাই আসতে পারলেন না! জেমসও গাড়ি দিয়া আসে গো! কই আছি আমরা! আল্লা ব্যবসাকে করেছে হালাল আর মানুষ সবচেয়ে বড় ব্যবসা বানিয়েছে ধর্মকে! কোন লস নাই, লাভই লাভ শুধু! চটপটে মিথ্যা কথা বলতে পারলেই হল! চোখ খুলে না পারলে বন্ধ করে সংখ্যালঘুদেরকে গালি দিয়ে যেতে পারলেই চলবে এই ব্যবসা। আর আজাইরা অলৌকিক গল্প! অমুকে স্বপ্ন দেখছে বলে শুরু করেন, এরপরে মন মতো একটা মিথ্যা কথা। এখন স্বপ্নের সত্য মিথ্যা কী দিয়া প্রমাণ করবেন? ওয়াজের নামে এই অত্যাচার কবে বন্ধ হবে কে জানে। সম্ভবত কিয়ামত পর্যন্ত চলবে এই কাণ্ড। এই ভূখণ্ড মারা খেয়ে গেছে, এ থেকে আর উত্তরণ নাই!
পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।