এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  স্মৃতিচারণ  স্মৃতিকথা

  • কিছুক্ষণ ৬ 

    হীরেন সিংহরায় লেখকের গ্রাহক হোন
    স্মৃতিচারণ | স্মৃতিকথা | ০৪ আগস্ট ২০২৩ | ১৭৭৬ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)

  • কিছুক্ষণ ৬

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় : কিছু কথা কিছু স্মৃতি



    এক

     
    • আপনি কবিতাও লেখেন ?
    • না, এই মানে একটু আধটু …
    • স্কুল কলেজে পড়ার সময় কবিতা লেখেনি এমন সব বাঙালি ছেলে বিরল। বেরিয়েছে কোথাও ?
    • আমার লেখা কে আর ছাপবে। মনে হয় ঠিক হচ্ছে না
    • আমি অবশ্য এসবের বিশেষ বুঝি না, গদ্যের লোক। আপনি একদিন আমাদের অফিসে আসুন, সুনীলকে দেখাবেন।
    • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়! তাঁকে অযথা বিব্রত করা হবে !
    • না, না ওসব ভাববেন না। আজকালকার ছেলে ছোকরাদের সঙ্গে তার খুব ওঠাবসা আছে। জানতে চায় এই আপনারা কি চিন্তা করছেন।

    সালটা ১৯৬৯, কাঁটাকলে ( সরকারি ঠিকানা ছাপান্ন নম্বর বি টি রোড) এম এ পড়ছি। সে বছর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে সেমেসটার প্রথা শুরু হয় : আমাদের আগের বছর অবধি একসঙ্গে আট পেপারের পরীক্ষা হতো। পাইকপাড়ায় থাকি, দ্বি চক্র যানে সিঁথির ভেতর দিয়ে আসা যাওয়া করি। একদিন আমার ওপরের দাদার বন্ধু শান্তিদা ( ভৌমিক) বাড়িতে এসেছেন, দাদার সঙ্গে গল্প গুজবের শেষে ডাকলেন “ শোনো, নিজের পড়াশোনায় ব্যাঘাত না করে তুমি আমার ভাগ্নিকে পড়াবে? ক্লাস টেনে পড়ে, কাছেই থাকে টালা পার্ক এভিনিউতে। সাইকেলে যেতে আসতে পনেরো মিনিট লাগবে না। আমার জামাইবাবুর নাম নিশ্চয় শুনেছ, নিখিল সরকার, শ্রী পান্থ। “

    শান্তিদার সৌজন্যে আমার প্রথম টিউশানি, মায়ের ভাঁড়ারে হাত সাফাই না করে প্রথম আইনি অর্থাগম ! প্রতি শনিবার দু ঘণ্টা চলে সেই পাঠাভ্যাস আর নিখিল বাবুর সঙ্গে দুটো কথা হয় - নিখিল বাবু আমাকে সর্বদা আপনি বলতেন, মীরা বউদি প্রথম দিন থেকেই তুমি বলেছেন। ভাষা ও ইতিহাসে তাঁর অসাধারণ দখল ছিল – অনেক ইংরেজি শব্দের সূত্র বা রুট চিনিয়েছিলেন। কোম্পানির আমল, পুরনো কলকাতার প্রামাণ্য চলন্ত অভিধান তিনি ( রাধা প্রসাদ গুপ্ত নিশ্চিত আরেক এনসাইক্লপিডিয়া বা উইকিপিডিয়া, তবে তাঁকে দেখি নি )। তাঁর বাড়িতে এমন সব সাহিত্যিক ও সাংবাদিকের সঙ্গে আলাপ হয়েছে যাঁদের দর্শন পাওয়াটাই ভাগ্যের কথা, আলাপ আলোচনা তো দূরের ব্যাপার। বাড়িওলা ছিলেন শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়, মাঝে মধ্যে সকালবেলা এসে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দুটো গল্প করে যেতেন। রমাপদ চৌধুরীর সঙ্গে পরিচয় হলো একদিন। নিখিল বাবু বললেন ইনি অর্থনীতিতে এম এ পড়ছেন, লেখার বাতিক আছে। রমাপদ বাবু তখন আনন্দবাজারের রবিবাসরীয় পাতার সম্পাদনা করেন। আলাপের পরেই বললেন ‘ স্কুল কলেজের কাগজে লিখেছেন কি? ‘ একুশ বছর বয়েসে অমন ব্যক্তিত্বের সামনে রীতিমত সঙ্কুচিত হয়ে বলেছিলাম ‘ ওই কলেজের পত্রিকায় প্রবন্ধ, যেমন ‘ আমার ন্যাকামো থামিয়ে দিয়ে বললেন, ‘ তা দেশ বিদেশের এমন কিছু বিষয় নিয়ে লিখুন না যাতে পাঠকের আগ্রহ আছে কিন্তু জানবার পরিশ্রম করতে সে বিমুখ ! ‘

    “ ঈশ্বর নিজেও যে জাহাজ ডোবাতে পারেন না “ শিরোনাম দিয়ে টাইটানিক জাহাজের শেষ সন্ধ্যাটির কাহিনি লিখেছিলাম। এর পরে একটা দুটো। যতদূর মনে পড়ে কুড়ি টাকা পাওয়া যেতো ; লিখে আয় !আরেকটি অনিয়মিত আমদানির সূত্র। বর্ণ পরিচয় দ্বিতীয় ভাগ অবধি পড়া বিদ্যে নিয়ে মা সে লেখা খুব মন দিয়ে পড়তেন।

    এমন সময়ে কি বিপত্তি ! নিখিল বাবুর প্রশ্ন - কবিতা লিখি কিন!

    কয়েক শনিবার কেটে গেছে, তিনি কিছু বলছেন না। আমিও শান্তিতে আছি। একদিন কবি কৃষ্ণ ধর এসেছেন তাঁর সঙ্গে গল্প করতে করতে হঠাৎ আমার দিকে চেয়ে বললেন, ‘ আপনাকে বলা হয় নি। সুনীলের সাথে কথা হয়ে গেছে। সে রোজদিন তো আসে না তবে এই সামনের বুধবার আসবে। আপনার ক্লাসের শেষে বিকালবেলায় আমাদের অফিসে আসুন। আপনার লেখা তাকে দেখাবেন ‘।

    কৃষ্ণ ধর একটু অবাক হলেন কিন্তু কিছু বললেন না। মনে আছে সেদিন আমার সাইকেল ঠেলে ইন্দ্র বিশ্বাস রোড ধরে বেলগাছিয়া অবধি হেঁটে তাকে ট্রামে তুলে দিয়েছিলাম।

    মাথায় নানান চিন্তা ঘুরছে । সুনীল মানে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ? তাঁকে দেখাবো আমার কাঁচা প্রেমের কবিতা ? যার মাত্র সতেরো বছর বয়েসে লেখা কবিতা ‘ একটি চিঠি ‘ সাগরময় ঘোষ দেশ পত্রিকায় ছেপেছিলেন ? যিনি লিখেছেন, ‘ আমার যৌবনে তুমি স্পর্ধা এনে দিলে / তোমার দুচোখে তবু ভীরুতার হিম’। এই তো সেদিন চৌঠা এপ্রিল, শুক্কুরবার ওভারটুন হলে কৃত্তিবাসের সভায় যাকে প্রথম চাক্ষুষ করে এসেছি! তেত্রিশ বছরের দুঃখ উজাড় করে বলে গেলেন মাঝি নাদের আলী, আগমনী গাওয়া বোস্টুমি তাদের কথা রাখে নি। সুনীলদার সামনে বসে এই প্রথম তাঁর আবৃত্তি শোনা। তারপরে কত পূর্ণিমা অমাবস্যা কেটে গেলো কিন্তু সেদিন শোনা ‘ কেউ কথা রাখে নি ‘ মনে থেকে গেছে সারা জীবন।

    সুনীলদা লেখা দেখে পড়ছিলেন। শক্তি চট্টোপাধ্যায় উঠলেন শূন্য হাতে। তাঁকে একটু বিভ্রান্ত মনে হলো, লাইন ভুলে যাচ্ছিলেন। যেখানে শক্তি চট্টোপাধ্যায় একটু থেমে যান, ওভারটুন হলের সেই সন্ধ্যায় শুধু কবিতার জন্য বেঁচে থাকা বাঙালি জনতা তাঁকে পরের পর লাইন ধরিয়ে দেয়, শক্তি বলেন। শেষে

    আধেক লীন হৃদয়ে দূরগামী

    এই অবধি জানিয়ে দিয়ে জনতা স্তব্ধ, রুদ্ধশ্বাস। প্রম্পটিং শেষ - একটু থেমে শক্তি বললেন

    ব্যথার মাঝে ঘুমিয়ে পড়ি আমি
    সহসা শুনি রাতের কড়া নাড়া
    অবনী, বাড়ি আছো ?

    বাঙালি হয়ে জন্মেছি। জন্মাতে চাই বার বার। বাংলা কবিতা আমার উত্তরাধিকার। কবিতা আমার শয়নে স্বপনে, আমার নিঃশ্বাসে , তবে কলমে কতখানি সে বিষয়ে নিজেরই যথেষ্ট সন্দেহ রয়ে গেছে।

    আমার দুটো দুর্বল প্রেমের কবিতা পড়ে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের সময় নষ্ট হবে জানি, বাংলা সাহিত্যেরও। আমার সঙ্গে বৃথা কালক্ষেপ না করতে হলে সুনীলদা আরও দুটো লাইন লিখে ফেলতে পারতেন। কিন্তু নিখিল বাবু যে বলে রেখেছেন!

    অগত্যা!

    সাদা ফুলস্ক্যাপ কাগজের পাতায় নয়, লিখতাম পাড়ার আনন্দ ভাণ্ডার থেকে কেনা এক্সারসাইজ বুকে। সেখানে অন্তত লাইনগুলো সোজা থাকতো। সেই একটা খাতা হাতে নিয়ে প্রফুল্ল সরকার স্ট্রিটের অফিসে গেছি। নিখিল বাবু ব্যস্ত ছিলেন তবু তৎক্ষণাৎ সুনীলদার কাছে নিয়ে গেলেন। পরিচয় করিয়ে দিয়ে বললেন এঁর কথা আপনাকে বলেছিলাম, একটু দেখুন তো পড়ে কেমন লেখে!

    সুনীলদা তাঁর ছোট টেবিলের উলটো দিকে বসতে বললেন। তাঁর পাশেই সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়, আগে আলাপ হয়েছিল। আমাদের বরানগরের, গঙ্গার পাড়ের মানুষ, একই কলেজে পড়েছেন, তার ওপরে মোহন বাগান। আত্মার আত্মীয় !

    সামনে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়!

    আত্মপ্রকাশ ও সোনালি দুঃখ একসঙ্গে ভিড় করে এলো।

    আমার স্মৃতিতে পুজোর সঙ্গে আদ্যোপান্ত জড়িয়ে আছে বিভিন্ন পত্রিকার পুজো সংখ্যা আর তার ঘ্রাণ। পদুমার গ্রামের বাড়িতে যাবার সময়ে দেশ আনন্দবাজারের জাবদা পূজা বার্ষিকী নিয়ে গেছি – ট্রেনেও পাতা ওলটাই নি ! পড়বো পদুমা গিয়ে। মনে আছে রোদ্দুরে পিঠ দিয়ে ছাতে বসে শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের তুঙ্গভদ্রার তীরে পড়া ! বর্ধমানবাসী জ্যাঠতুত দিদির ছেলেরা সঙ্গে আনতো জলসা উলটোরথ বা অন্য কিছু। বদলা বদলি করে পড়া হতো। তিন বছর আগে এমনি পুজোয় দেশ পত্রিকায় সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস ‘ আত্মপ্রকাশ ‘ পড়েছি। ঘোরানো দরোজা দিয়ে বহু চরিত্রের আসা যাওয়া চলতে থাকে। গল্পটা ঠিক কি ছিল আজ একেবারেই মনে নেই। মনীষা বা নূর জাহান সেখানে কেন দেখা দিলেন বুঝিনি। আচ্ছন্ন হয়েছিলাম তার স্টাইলে- হঠাৎ শুরু হয়ে যায় ‘সকালবেলা পরিতোষ এসে বলল ‘ এ সব আপনারা কী আরম্ভ করেছেন ? ‘ আর ভাষার চমকে। এতো আমাদের চেনা উত্তর কলকাতার মুখের ভাষা, পথের ভাষা, প্রতিদিনের ভাষা, বরানগরের চার নম্বর বাস স্ট্যান্ডের চায়ের দোকানের ভাষা, গোপাল লাল ঠাকুর রোডের প্রভাসদার ভাষা। বিক্ষিপ্ত কিছু লাইন। একেক দিন অন্য রকম। প্রায় সিকি শতাব্দী বাদে যখন নিজের জীবনে টালমাটাল চলছে একজন চিঠি লিখে কেমন আছি জানতে চেয়েছিলেন। উত্তরে লিখেছিলাম ( সে আমলে চিঠি লেখার চল ছিল ) ‘ এমনি করে দিন টিন কেটে যায় আর কি ‘। একটি বাক্যের গভীর গোপনে সঞ্চিত ছিল অন্তহীন আক্ষেপ ও দুঃখের ভার।

    সেবার ছুটির পরে কলেজ খুললে অর্থনীতির অধ্যাপক সুব্রত ঘটক এই উপন্যাস নিয়ে বললেন, ‘ সুনীল অমন আত্মপ্রকাশ না করলেও পারত !’ আমাদের মতন সুসভ্য সুবোধ অর্থনীতির ছাত্রদের ওপরে সুনীলদার আপত্তিকর মন্তব্য পড়ে স্থিতধী সুব্রত ঘটক পর্যন্ত বেজায় খাপ্পা হয়েছিলেন ( “ যদি কেউ ইকনমিকসে এম এ পড়ে এবং ভালো ছাত্রও হয় সে হঠাৎ চাপা অহংকারী হয়ে যায় “ অথবা “ ইকনমিকস পড়লে বোধহয় সবই পারে। ওর গলায় ইকনমিকসের ছাত্রসুলভ গাম্ভীর্য। পৃথিবীর উপকার করার জন্য জন্মেছে তো !” )। বহুদিন বাদে সুনীলদাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম “ আমাদেরই এমন একহাত নিলেন কেন ? ডাক্তারি বা ওকালতির ছাত্র ধরতে পারলেন না তারা তো সবই পারে! “ স্বভাবসুলভ হাসিটি হেসে বলেছিলেন, “ ওরে বাবা, এতদিন রাগ পুষে রেখেছো ?”

    দিদির জ্যেষ্ঠ পুত্র অরু (অরুণ সরকার ) আমার চেয়ে বয়েসে বড়ো কিন্তু সম্পর্কে আমি মামা ! নাম ধরে ডাকি। অরু বললে সুনীল গাঙ্গুলির আরেকটা লেখা বেরিয়েছে জলসায়, এনেছি, পড়িস। পূজোয় বলির সময় খুব মন খারাপ হয়ে যেতো। সেই বিষণ্ণ মন নিয়ে নবমীর বিকেল বেলা এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেলি সোনালি দুঃখ, ত্রিস্তান আর ইসোলদের উপাখ্যান। এই অজানা সেলটিক লোকগাথা মন ছুঁয়ে গিয়েছিল। একমাত্র কোন কবি পারেন সে গীতি শোনাতে। তার রেশটুকু আজও থেকে গেছে। হাতের কাছে বইটা পেয়েও সোনালি দুঃখ আর পড়িনি। ত্রিস্তান ইসোলদে নামক হলিউডি ছবিটি দেখা দেয় বছর পনেরো আগে, দেখি নি। এক আশ্বিনের বিকেলে বীরভূমের গ্রামের দিগন্ত বিস্তৃত মাঠের মুখোমুখি বসে দু চোখ ভিজিয়ে দেওয়া পাওয়া ও হারানো ভালোবাসার যে রাগিণী শুনেছিলাম সেটি বাজে মাত্র একবার।

    প্রসঙ্গত, আমার দীর্ঘ ইউরোপীয় প্রবাসে কেবল একজন ত্রিস্তানকে পেয়েছি। সে আমার এককালীন সহকর্মী পুত্রবৎ ক্রিস ওয়াডসওয়ারথ এবং ফ্লোরাঁসের ছেলে, জেনিভায় থাকে । আমাদের দ্রাক্ষাখেত যার হেপাজতে আছে রাইন নদীর কূলের সেই রালফ লেওনহার্ডের বউয়ের নাম ইসোলদে ! হয়তো এই দুটি নামের সঙ্গে গাঁথা হয়ে আছে কোন সংস্কার, কোন সংশয় - এই নামের মানুষ ভালোবাসা পাবে, হারাবে, তাই ? দুঃখের অধিকার কি শুধু ত্রিস্তান আর ইসোলদের ?

    সুনীলদার সঙ্গে সেই আমার প্রথম সাক্ষাৎ। পরের তিরিশ বছরে কয়েক বার দেখা হবে, কাটবে অনেক সময়। তাই প্রথম দিনের বিড়ম্বনার কাহিনি আজ তোলা থাক। এটুকু বলা যথেষ্ট তিনি খুব মন দিয়ে আমার লেখা পড়লেন। দু চারটে শব্দকে বদলে দেবার উপদেশ, ক্রিয়াপদের পুনরাবৃত্তি এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিলেন। তারপর হঠাৎ অত্যন্ত সহজ ভাবে প্রায় মেঠো ভঙ্গিতে সুনীলদা বললেন, ‘ হীরেন, ঠিক হচ্ছে না, বুঝলে? আচ্ছা, চা খাবে তো ? চা আনাই ? “

    পাশের টেবিলে বসে সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় কোনমতে হাসি থামানোর চেষ্টা করছেন তখন।

    ক্রমশ:

    পুঃ যতদূর মনে পড়ে ‘ সোনালি দুঃখ’ শারদীয় জলসায় বেরিয়েছিল – সেটা কি ঠিক ? এই বয়েসে স্মৃতি বড়ো প্রবঞ্চনা করে।
     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • স্মৃতিচারণ | ০৪ আগস্ট ২০২৩ | ১৭৭৬ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    নো  - albert banerjee
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • jsl | 208.*.*.* | ০৪ আগস্ট ২০২৩ ২০:৫১522102
  • আহ, হীরেনবাবুর কলম কিবোর্ডটি জাদুকরী। এমন প্রসাদগুণ বিরল ও ঈর্ষনীয়।
  • aranya | 2601:*:*:*:*:*:*:* | ০৪ আগস্ট ২০২৩ ২০:৫৮522104
  • বড় ভাল
  • Tapan Kumar SenGupta | ০৪ আগস্ট ২০২৩ ২৩:২৬522109
  • মন টানে...আরও পড়ি।
  • Ranjan Roy | ১২ আগস্ট ২০২৩ ০১:২২522349
  • ফাটাফাটি!
  • Samaresh Mukherjee | ০৬ অক্টোবর ২০২৩ ২৩:১৩524353
  • নাই বা হোলো প্রথম কবিতাটি সুনীলদার মতে - "ঠিক হচ্ছে না, বুঝলে?" - তবু, এতোদিন পরে, সেই ঠিক না হ‌ওয়া কবিতা‌র প্রেক্ষিতে কিছুক্ষণের স্মৃতি‌চারণ‌টি‌‌ও লাগলো গদ‍্যকবিতার মতো। খাসা!
     
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। সুচিন্তিত মতামত দিন