এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ব্লগ

  • বইমেলা নোটবই

    Subhadeep Gangopadhyay লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ | ২৭৯২ বার পঠিত
  • উপক্রমনিকাঃ গুরু এবং শুরু

    ষাট সত্তরের দশকের হিন্দি ছবিতে কুম্ভ মেলা অর্থাৎ “কুম কে মেলে”-এর একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ থাকত। ওই ভাইয়ো অর বহেনোরা (মিত্রো নয় কিন্তু) কুম-কে মেলে’তে হারিয়ে যেত আর সিনেমার শেষে ফের দেখা হয়ে যেত, হ্যাপ্পি এন্ডিং আর কি। আর এই আলাদা আর এক হওয়া নিয়েই মোটামুটি ঘন্টা তিনেক পার হয়ে যেত আর কি। তা আজকাল হিন্দি ছবির নায়ক নায়িকারা কুম্ভ মেলায় যায় না, তাদের যাওয়ার জন্য ইওরোপ আম্রিগা আছে আর আমাদের কাছে ওই হারিয়ে পাওয়ার জন্য কিঞ্চিৎ উল্টোপাল্টা সংস্করণ হয়ে টিকে আছে বইমেলা। বইমেলায় দিব্যি বছর তিনেক আগে শেষ দেখা হওয়া বন্ধুর সাথে দেখা হয়ে যায়, বছর দশেক আগের মত দিব্যি ঠেকবাজি করে কেটে যায় ঘন্টা দুয়েক তারপর…… নাহ ব্যক্তিগত গপ্পগুলো থাক আজকে বরং গুরুর গপ্প বলতে এসেছি সেটাই বলি।
    আমাদের গুরুর এ বছর বইমেলার শুরুটা ২০০ নম্বর স্টলে, বইমেলার আগেই অনেককে, গ্রুপে, ফেসবুকে,সাইটে হেঁকে ডেকে জানানো হয়ে গেছিল আমরা এবার ২০০ তে। কিন্তু হলে হবে কি? প্রথমদিন গিয়েই দেখা গেল স্টল একদম গলির ভেতর তার ওপরে স্টলের গড়ন অনেকটা ঠিক, নাহ প্যাঁচার মত হলে অসুবিধে ছিল না, গুরুর লোগোই তো প্যাঁচা। সমস্যা হল স্টলের গলি বড়ই অন্ধকার। প্যাঁচা অন্ধকারে দেখতে পেলেও পাঠকরা পায় কিনা সে নিয়ে অনেকেরই সন্দেহ। অতএব কর্তৃপক্ষ ইলেকট্রিক মিস্তিরির দারস্থ হলেন। এখানে বলে রাখি কর্তৃপক্ষ হলেন, আদি অকৃত্রিম ইপ্সিতা পাল ওরফে গুরুমা ওরফে পাই আর এই তাকে কর্তৃপক্ষের কেতাব প্রদান করেছেন গুরুচণ্ডা৯’র সিইও স্বয়ং সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়। তা যেটা বলছিলাম, আমাদের কর্তৃপক্ষের কাজ করানোর একটা ধরন আছে, ধরুন যাকে দিয়ে কাজটা করাতে হবে তিনি রেগেমেগে বলছেন
    -না দিদি, আজ রাত হয়ে গেছে আজ আর হবে না
    পাই উত্তর দেবে, কিন্তু আমাদের গলিটা বড্ড অন্ধকার হয়ে গেছে, একটু আলো যদি লাগিয়ে দেন
    -দিদি বল্লাম তো আজ অনেক দেরী হয়ে গেছে কালকের আগে হবে না
    সেতো আপনি ঠিকই বলেছেন, কিন্তু কি জানেন একটু যদি আমাদের স্টলের সামনে আলোটা……
    এরকম ষোল-সতেরোবার চলার পর সে বেচারা নিজের কমিউনিকেশন স্কিল, কলকাতা বইমেলা এবং মানবজাতির ভবিষ্যৎ ইত্যাদি সব কিছুর সম্পর্কে বীতশ্রদ্ধ হয়ে শেষ পর্যন্ত কাজটা করে দেয়। অর্থাৎ গুরুর স্টলের সামনেটা আলোকিত হওয়া ছাড়া উপায় ছিল না। এবং যথারীতি এখানেই শেষ না, অতঃপর কর্তৃপক্ষ তার অভ্যাসমত ডেকারেটর, ইলেক্ট্রিশিয়ানের মত গিল্ডকেও ম্যানেজ করে ফেললেন এবং গুরু গলি থেকে চলে গেল বড় রাস্তায়, স্টল ২০৪ এ তে। এরপরে কি হল মানে গুরুর স্টলে কি হল আর কি হল না জানতে হলে আপনাকে একটু কষ্ট করে পড়তে হবে এর পরের পর্ব।

    মূল পর্বঃ জয় গুরু-এনজয় গুরু
    অতঃপর গুরুর বিক্রিবাটা শুরু হল। তবে শুধু বিক্রিই নয় সাথে আরও অনেক কিছু শুরু হল। যেমন এরপর ক্রমশ পারমিতাদি মারিয়া কোয়েলের চেয়ে একটু ছোট সাইজের একটা প্যাঁচা নিয়ে হাজির হবে। প্রতিভাদি পাউরুটি মাংস খাওয়াবে, সঞ্জীব খাওয়াবে ঘুঘনি, পিনাকিদা সবাইকে টি শার্ট পরাতে থাকবে, আর সবাই বুঝে যাবে গুরু সকলের খাওয়া পরার সমস্যা সমাধানে বদ্ধপরিকর, আরে সামাজিক দায়িত্ব বলেও তো একটা কথা আছে রে ভাই।
    গুরুচণ্ডা৯ প্রকাশিত অনুষ্ঠান প্রচারে বিঘ্ন ঘটায় দুঃখিত বইয়ে আছে আরবান মিথের কথা। এ শহরের অলিগলিতে মিথের জন্ম হয়, স্কুল পড়ুয়া কিশোরের খুঁজে না পাওয়া নায়িকার পানু কবে যেন মিথ হয়ে যায়, মিথ হয়ে যায় বিপ্লব না করতে পারা এক ব্যর্থ নকশাল পুরোহিত, যে আজও চে-র ছবির নীচে দুটো ফুল রেখে দেয় রোজ। কিন্তু সে বইতে লেখা নেই বইমেলার ধুলো মেখে বা না মেখেও অজস্র মিথের জন্ম হয়। ময়দানের বইমেলার ধুলোর মত ওড়ে সেসব মিথ আর তার চরিত্ররা কিংবদন্তী হয়ে ওঠে। যেমন ধরুন গুরুচণ্ডা৯র জনৈকা চণ্ডালিনীর “ক্রাশ”। তার ক্রাশে থাকা না থাকা, আসা বা না আসা এ বইমেলায় যে নতুন আরবান মিথের জন্ম দিল, তার কথা গুরুর কোন বইতেই নেই , পরের বইমেলায় বের হলেও হতে পারে, উৎসাহী পাঠক অপেক্ষায় থাকুন।
    কিছুটা অপেক্ষা তো করতেই হয়, এক বছরের অপেক্ষা পরের বইমেলার জন্য। বইমেলার শেষে পরিযায়ী পাখিরা উড়ে যাবে তাদের বাসায়। ক্যলকেসিয়ানরা থেকে যাবে শহরে। তাই কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে অচল সিকিকে আবার গুরুর স্টলে সই বিলোতে দেখার জন্য। কবি সায়ন কর ভৌমিককে আবার গুরুর স্টলে দেখার জন্য কদ্দিন অপেক্ষা করতে হবে তা অবশ্য বলা মুস্কিল। তার আবার সব বইমেলায় আসা হয়ে ওঠে না। তবে তিনিই সম্ভবত পৃথিবীর প্রথম কবি যিনি কবিতা পড়তে মঞ্চে ওঠার কিছুক্ষন বাদেই ফ্লেক্স খুলতে মইয়ে উঠেছিলেন।

    স্মৃতি থেকে যায়
    স্মৃতিগুলো থেকে যাবে, এদিক ওদিক আড্ডায় ক্রমশ উঠে আসবে বইমেলার স্মৃতিগুলো। একসাথে স্টল সামলানো শ্রেয়া, মারিয়া, রৌহিনদা বা আরও যারা যারা বাদ চলে গেল সবাই অপেক্ষায় থাকবে পরের বছরের। বইমেলার খুচরো আড্ডাগুলো রেফারেন্স হিসেবে আসবে আরও কিছুদিন। আর এই করে করেই চলে আসবে আর একটা বইমেলা। শুধু কয়েকটা মুখ ভোলা একটু কঠিন হবে। বইমেলায় প্লাস্টিক বিছিয়ে যারা হস্তশিল্প বিক্রি করেন, যেতে আসতে চোখে পরেছে নিশ্চয় আপনাদের। এবার তারা ছিলেন না। এবার জায়গা কম। তবে বইয়ের সাথে একেবারে সম্পর্কহীন দামী স্টলগুলো অবশ্য ছিল। ওনারা ছিলেন না। ঝাঁ চকচকে উন্নয়নের মডেলে ওদের ছেঁটে দেওয়াই তো সবচেয়ে সোজা। বইমেলার দ্বিতীয় দিনেই জিনিসপত্র গুছিয়ে ঘরে ফেরা ক্লান্ত মুখগুলো যেন চাবুক লাগাচ্ছে। এক শতাব্দি আগে এক জার্মান বুড়ো একটা কথা বলেছিলেন, “শ্রেণী”। কথাটা আজও বড্ড প্রাসঙ্গিক।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ব্লগ | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ | ২৭৯২ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    পত্তাদকাল - %%
    আরও পড়ুন
    বাদামি - %%
    আরও পড়ুন
    বিজাপুর - %%
    আরও পড়ুন
    হামপি - %%
    আরও পড়ুন
    মাংস - অরিন
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • রুকু | unkwn.***.*** | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০৪:৫৭64200
  • চণ্ডা৯নির ক্রাশ সম্পর্কিত আর্বান মিথ xD
  • রৌহিন | unkwn.***.*** | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০৬:১১64201
  • শ্রেণী
  • কল্লোল | unkwn.***.*** | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০৩:১২64202
  • ফি বছর বইমেলায় যাই একটাই কারনে - আমাদের দোল-দুগ্গোৎসব যাই বলো সে তো এই একটাই। বচ্ছরান্তে দেখা হয় এমন অনেকের সাথে যাদের সাথে এই একবারই দেখা হচ্ছে আজ ৪২ বছর ধরে। তারা অনেকেই কলকাতার বাইরে থাকেন, অবশ্যি কলকাতাতে থাকেন এমনও আছেন।
    ৩০/৩৫ বছর আগে ময়দানের মেলায় মাঠে বসে গান ও লাফালাফি খুব কষে হতো। মনে আছে একবার শ্রাবন্তীকে(সুরভিত অ্যান্টিসেপ্টিক ক্রিম বোরোলিন) ধরে বনমালী তুমি পরজনমে হইয়ো রাধা গাওয়ানো হয়েছিলো।
    অরুণদা(চক্রবর্তি) নেচে নেচে গাইতেন - ঠিক ঠিক বাউল জানে পাখীর ঠিকানা। মণিদারা ছোট্ট পরম, গাবু আর সায়ককে নিতে গাইলো পড়াশোনায় জলাঞ্জলি, আর ঠিক তারপর মণিদা আর বাপি গাইলো সদ্য তৈরী কারা, পৃথিবী। পবন গাইলো, নদী ভরা ঢেউ। আমরা মাটিতে বসে কৃষক রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তির দাবীতে হৈচৈ করছিলাম। বসেছিলাম কালাদারে নিয়া - মানুষকে যে ভালোবাসে / বড় ভালো ভাগ্য তার.....
    এবার বহুদিন পর বিট্টু আর তার বন্ধুদের (মহীন এখন ও বন্ধুরা) সাথে গাইলাম। বইমেলা - এই তো বইমেলা।
  • pi | unkwn.***.*** | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০৫:২৮64203
  • ঃ)))
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। হাত মক্সো করতে মতামত দিন