এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ব্লগ

  • মে দিবসের ডাক -- মোদীমোহনমোহম্মদীয় মার্কিনি সাম্রাজ্যবাদ ভোগে যাক। 

    Partha Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ০১ মে ২০২৫ | ১২৫৮ বার পঠিত
  • এখানে আমেরিকায় মে দিবস পালিত হয়না। এখন ভারতেও আর সরকারিভাবে পালিত হয়না।

    ভারত-বাংলাদেশ এখন মার্কিনি মডেলের চামচা। যে মডেল শুধু ওয়ান পার্সেন্টকে খুশি রাখে, আর বাকী ৯৯ পার্সেন্টকে মেগা মেশিনের নাটবল্টুর মতো ব্যবহার করে, এবং দরকার ফুরিয়ে গেলেই ছুঁড়ে ফেলে দেয়।

    এসব কথা বিস্তারিতভাবে আমি আমার বই "আমেরিকা স্বপ্নপুরী না হত্যাপুরী?"তে লিখে রেখেছি। কিন্তু যেহেতু আমার সে বই এখনও পর্যন্ত এই দু বছরে সাড়ে পঁচাত্তর কপি বিক্কিরি হয়েছে, কারণ আমি সিপিএম নই বলে গণশক্তি সে বইয়ের রিভিউ প্রকাশ করতে রাজী হয়নি, তাই এই ফিরি ফোরামই আমার ফাইনাল ভরোসা।

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একসময়ে মধ্যবিত্তদের জন্যে, শ্রমিকদের জন্যে স্বর্গরাজ্য ছিল। লিবারাল ডেমোক্রেটিক প্রেসিডেন্ট রুজেভেল্ট অথবা কেনেডি-জনসনের সময়ে তো বটেই, গোঁড়া কেরেস্তান রিপাবলিকান আইজেনহাওয়ারের সময়েও আমেরিকায় প্রতি একশো জন খেটে খাওয়া পুরুষ ও নারীর মধ্যে চল্লিশ জন ছিল সংগঠিত শ্রমিক, অর্থাৎ লেবার ইউনিয়নের সদস্য।

    "দ্য আমেরিকান ড্রীম" কথাটার উৎপত্তি সেই সময়েই। মধ্যবিত্ত মানুষের নিজেদের বাড়ি, নিজেদের গাড়ি, ঋণহীন জীবন, সপ্তাহে চল্লিশ ঘন্টা কাজ, আর বাকী সময়টা ফ্রী। সাপ্তাহান্তিক দুটো দিন ছুটি। সরকার তোমার স্বাস্থ্য ও স্কুল শিক্ষার খরচ বহন করবে, যদি তুমি ইউনিয়ন সদস্য হও।

    হ্যাঁ, মার্কিনি পুঁজিবাদী মডেলেই সেসব সুখের দিন কাটিয়েছে আমজনতা। কমিউনিস্ট হতে হয়নি। ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে ব্যবধান নেমে এসেছিলো ন্যূনতম ১:৪০ রেশিওতে। অর্থাৎ, কোম্পানির মালিকের উপার্জন সাধারণ শ্রমিকের চল্লিশ গুণের বেশি নয়। আরো সহজ করে বললে, সাধারণ মার্কিনি ইউনিয়ন শ্রমিক যদি রোজগার করে ঘন্টায় পাঁচ ডলার, তার সিইও রোজগার করবে ঘন্টায় ২০০ ডলার। তার বেশি নয়।

    ইউনিয়ন শ্রমিককে -- সে ইলেক্ট্রিকাল ওয়ার্কার হোক, রাজমিস্ত্রি হোক, কর্নফিল্ডের চাষী হোক অথবা স্কুল টীচার -- কোনোভাবেই যখন তখন ছাঁটাই করে দেওয়া চলবে না। এমন কি, ছাঁটাই হয়ে গেলেও ইউনিয়ন ও সরকার তাকে বেকার ভাতা দিতে বাধ্য থাকবে।

    তারপর এলো ১৯৮০। ব্রিটেনে মার্গারেট থ্যাচার, এবং এই আমেরিকায় রোনাল্ড রেগান। শ্রমিক ইউনিয়নকে ভেঙেচুরে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো। মার্কিন পুঁজিবাদ ও ব্রিটিশ পুঁজিবাদ ঘোষণা করলো, মানুষ মানুষের জন্যে। অর্থাৎ, ইউ আর অন ইওর ওন। নিজের বেওস্তা নিজে করো। আরো সহজ বাংলায়, তুমি ভোগে যাও।

    আজ রেগান-থ্যাচারের পঁয়তাল্লিশ বছরের শুভলাভ অ্যানিভার্সারিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি একশো জন খেটে খাওয়া পুরুষ ও নারীর মধ্যে মাত্র ৯জন ইউনিয়ন মেম্বার। ভারতে আরো কম -- ৭জন।

    *আমেরিকায় কোম্পানির সিইও অর্থাৎ মালিক সেই কোম্পানির সাধারণ শ্রমিকের উপার্জনের এক হাজার গুণ রোজগার করে। অর্থাৎ, আমার ছাত্রছাত্রীরা হিসেব কষে বের করেছিল -- ডিজনি বা আমাজন বা টেসলা বা ফোর্ডের একজন মালিক মাত্র এক ঘন্টায় যা রোজগার করে, একজন সাধারণ শ্রমিকের সেই পরিমাণ উপার্জন করতে লেগে যাবে চার থেকে ছয় মাস।*

    ভারতে কতদিন লাগবে, তার অঙ্ক আবিষ্কার হয়নি এখনো।

    তা, আমার ওই সাড়ে অষ্টাশি কপি বিক্কিরি হওয়া বইটাতে অন্য কিছু অঙ্ক আমি দিয়েছি। তার একটা হলো, সারা পৃথিবীর ভোগবাদী, ধনী দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে শোচনীয় অবস্থা কোন দেশের? অর্থনৈতিক বৈষম্যের কথা তো এক্ষুণি বললাম। এবারে যোগ করুন স্বাস্থ্য (কোভিডে সারা পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু -- বারো লক্ষ মানুষ ভোগে গেছে এই আমেরিকায়), শিক্ষা (একশো জনের মধ্যে মাত্র চল্লিশ জন কলেজে যায় এই আমেরিকায়), সারা পৃথিবীর টোটাল বন্দী সংখ্যার এক চতুর্থাংশ এই আমেরিকায় -- কিন্তু তাকে বলা হচ্ছে ল্যান্ড অফ দ্য ফ্রী -- ভানু জহরের হাস্যকৌতুকের থেকেও মজা, টিন প্রেগনেন্সি, ড্রাগ ব্যবহার, পর্নোগ্রাফি, ওবেসিটি, জাঙ্ক ফুড, রাস্তাঘাটে মলে সিনেমা হলে স্কুলে বন্দুকবাজি, পুলিশি নির্যাতন ইত্যাদি ইত্যাদি ভালো ভালো জিনিস -- সবকিছুতেই আমেরিকা সারা পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে।


    মানে, পিছিয়ে।

    ব্যাংকে আপনার টাকা রাখলে সুদ পাবেন ০.৫% .হ্যাঁ, ঠিক শুনেছেন, ০.৫%. কিন্তু আপনি সেই একই ব্যাংক থেকে গাড়ি বা বাড়ি কেনার জন্যে লোন চাইতে গেলে আপনাকে দিতে হবে ১২ থেকে ২০ পার্সেন্ট। এদেশে কেউ কোনো প্রশ্ন করেনা। যারা প্রশ্ন করতো, তাদের ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

    তাদের নাম ছিল শ্রমিক ইউনিয়ন।

    ভারতে ও বাংলাদেশে মোদীমোহম্মদমোহন মডেল এই আজকের আমেরিকার মডেলের অতি বাধ্য ছাত্র। অনুগত, প্রশ্নহীন শিষ্য।

    ও হ্যাঁ, বলতে ভুলে গেছি, মে দিবসের ইতিহাস কিন্তু আসলে মার্কিনি ইতিহাস। শিকাগো বলে একটা ভীষণ শীতের জায়গায় এই দারুণ উষ্ণ ইতিহাসের শুরু -- পুলিশের বন্দুকের গুলিতে। গরম রক্ত ঝরেছিল মার্কিনি শ্রমিকদের সেই ঐতিহাসিক দিনে।

    মার্কিনি মিডিয়া মানুষকে ভুলিয়ে দিয়েছে। যদি আমার ওই বইটা পড়তেন, মিডিয়ার দরকার হতোনা। বইটারও আরো গোটা পঞ্চাশ বিক্কিরি হতো।

    যাক সে দীর্ঘশ্বাসের কথা।
    ____________
    মে দিবস, ২০২৫
    নিউ ইয়র্ক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ব্লগ | ০১ মে ২০২৫ | ১২৫৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • r2h | ০১ মে ২০২৫ ২১:২২731011
  • প্রথম বাক্যটাই মিসলিডিং।
    মে দিবস পালিত হয় না মানে শ্রমিক দিবস পালিত হয় না তা না- আমেরিকায় লেবার ডে সেপ্টেম্বরর মাসের প্রথম সোমবার।

    ব্রিটিশরা যে দিনটাকে যে দিন হিসেবে পালন করে, আমেরিকানরা সেটা অন্যরকম ভাবে অন্য দিনে করতে চাইবে তাও ধরেই নেওয়া যায়।
    উনবিংশ শতক থেকেই তো বোধয় এই ব্যবস্থা।
  • কৌতূহলী | ০১ মে ২০২৫ ২২:৫৮731013
  • হমম বুঝলাম। আমেরিকার বাস্তবতা কিছুই জানি না, তাই পক্ষে বিপক্ষে মন্তব্য করার যোগ্যতা নেই। আপনার কিছু বই পড়েছি, এটা পড়িনি, পড়ার ইচ্ছে রইল। কিন্তু একটা বই সাড়ে পঁচাত্তর কপি বা সাড়ে অষ্টআশি কপি বিক্রি হয় কী করে? মানে বাকি আধখানার রহস্যটা ঠিক বুঝলাম না। 
  • ধর্মযোগ | ০৮ মে ২০২৫ ০৮:১০731162
  • কেন সাড়ে পঁচাত্তর কপি হবেনা, ধরুন একটা কপির কিছু পাতা পাছা মুছতে ব্যবহৃত হলে সেটাকে তো আর পুরো এক কপি বলে চালান যায়না। আমাদের পার্থদা যেখানে থাকেন সেখানে হাগুর পর কিন্ত ছুচু করা যায়না।
     
    যাই হোক উনি এতো মাস পরে এখানে এক কপি লেখা নিয়ে এয়েছেন, এসেই আমি, আমার, এসব শুরু করেছেন। যদিও এই লেখা কিন্তু পুরানো, মানে বহু আগেই অন্যত্র বেরিয়ে গেছে। কিন্তু সেখানে যারা পড়ে আছে তারা সৰাই ধামাধরা লোক। মাঝে মাঝে তাই পাপী মন দেখতে চায় যদি সার্কেলটা একটু বাড়িয়ে নেওয়া যায়।
    আরো একটা কথা পাঠ্য দা সম্পর্কে জানবেন, উনি অর্থনীতি খুব একটা ভালো বোঝেন না, তবে সে প্রসঙ্গে যাবোনা, কারন এই লেখার স্কলার ভ্যালু বিচার না করাই ভালো। আসলে এক্টিভিজম দিয়ে অর্থনীতি হয়না, জার্নেলিজম দিয়েও হয়না, কার্বন্ডেলের বায়োলজি দিয়ে তো একেবারেই হয়না। হ্যাঁ ব্যক্তিগত ফিনান্স টা অবশ্যয় উনি বোঝেন, না হলে এই চুলের দেশে গাড়ি বাড়ি বাগিয়ে বসতে পারতেননা, আর্লি রিটায়ারমেন্ট নিয়ে এক্টিভিজম করতে পারতেননা, পারতেননা বছরে দু বার করে দেশে গিয়ে রাজনীতি করতে।
     
    এইসব পড়ে আবার ভাববেননা আমী ওনার ওপর হিংসা করছি, তবে লোককে জ্ঞান দেওয়ার আগে ওনার নিজের অর্থনৈতিক অবস্থান আরেকটু পরিষ্কার করলে ভালো হয়।
  • ধর্ম-বিয়োগ | ২৫ মে ২০২৫ ০৮:০২731653
  • আজ নিউইয়র্কের বাংলা বইমেলায় আমাদের পার্থ দা গেসলেন আর সাথে ছিলেন পার্থবাবুর খুব প্রিয় একজন লেখিকা "তাসলিমা নাসরিন", কি দাদাবাবু ঠিক বললাম তো ;-)
  • ধর্মযোগ | ২৫ মে ২০২৫ ২২:৫৩731673
  • "কাল শনিবার নিউ ইয়র্কে বঙ্গবন্ধু বইমেলায় আমন্ত্রণ পেয়ে কয়েক ঘন্টা কাটালাম। সেখানে বাংলাদেশের ৯৯.৯% মানুষ। আর অখ্যাত আমি। আর বিখ্যাত তসলিমা নাসরীন।" .......পার্থ উবাচ।
     
    একটা খেদ, একটা জ্বালা, যে এত বই লিখে, দিনে এত ঘণ্টা সময় নেটে ব্যয় করেও পার্থ আজও "অখ্যাত" কিন্তু কেন?
     
    তাসলিমাকে নিয়ে পার্থবাবু এমনিতে কিছু লেখেননা, কারন তাসলিমা মুসলমানদের একদম গোড়া থেকে ধরে টান দেন। নিজে মুসলিম সমাজে জন্মানোয় ওই গলা উঁচিয়ে বলা "আপনি কজন মুসলমানকে চেনেন" এটা বলে তাকে থামিয়ে দেওয়া যায়না। ঠিক যে কারণে শুধু পার্থবাবুনন, সেক্যুলার বাঙালি সমাজ তাসলিমা এবং তার মত যারা সত্যিকারের মুক্তমনা মুসলিম (এক্স-মুসলিম to be specific) তাদের কাউকেই প্রচারের আলোয় দেখতে চাননা।
     
    কথা প্রসঙ্গে তাসলিমা একবার বলেছিলেন, যে কোরানের একটা শব্দকেও যে প্রশ্নকরে সে মুসলিম নয়, আর যে কোরানকে চোখ বুজে মেনে নেয় সে কখনোই প্রগতিশীল হতে পারেনা, হওয়ার ভান করতে পারে মাত্র।
     
    পার্থবাবু এবং তার সাঙ্গপাঙ্গ এই প্রগ্রতিশীল হওয়ার ভান করেন, কোরান ভিত্তিক আলোচনা বা তার সংস্কারের পথে যেতে চাননা, কারন সেক্ষেত্রে "প্রগতিশীল" এবং "মুসলমান" এই দুটো যে একেবারে ওক্সিমোরণ তা প্রমাণ হয়ে যাবার ভয় থেকে যায়।
  • ধর্ম-বিয়োগ | ৩১ মে ২০২৫ ১১:৪৪731795
  • পার্থবাবু আমি জানি আপনি কিছু না লিখলেও গুরুতে মাঝেমাঝে চোখ বুলিয়ে যান। এটা আপনি দুদিন আগে যে সেই "বিখ্যাত আর আখ্যাতর" গল্প লিখেছিলেন নিউ ইয়র্কে বঙ্গবন্ধু বইমেলায়, সেই তাসলিমা নাসরিনের লেখা, দেখুন যদি পড়ে হজম করতে পারেন। তাসলিমা কিন্তু আপানার থেকেও অনেক বেশী মুসলমানকে চেনেন। আপনি দুদিন আগেও লিখতেন "বাংলদেশে হিন্দুরা ব্যাপক ভালো আছে", আপনি কিন্তু জানতেন আপনি মিথ্যে প্রোপাগান্ডা লিখছেন, যেমিথ্যের বেসাতি তাসলিমা কিন্তু করেননি। আর করেননি বলেই তিনি বিখ্যাত আর আপনি অখ্যাত।
     
    "আজ দেখা হলো গোপাল সান্যাল, পিনাকি তালুকদার, স্বীকৃতি বড়ুয়া, আর শিতাংশু গুহ'র সঙ্গে। সঙ্গে তাঁদের স্ত্রী সন্তানও ছিল। ঘণ্টা তিনেক আড্ডা হলো, বাঙালি খাবার খাওয়া হলো নিউইয়র্কের রুমা আর অসীমের রুমা'স কিচেন নামের রেস্তোরাঁয়। এঁরা ধর্মীয় সংখ্যালঘু হিসেবে দেশে অবহেলিত হয়েছেন, অত্যাচারিত হয়েছেন, নিরাপত্তাহীনতায় ভুগেছেন, কেউ কেউ নির্যাতিত হয়েছেন। অগত্যা দেশত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন। কেউ কেউ সোজা আমেরিকায় এসেছেন, কেউ কেউ ভারত হয়ে এসেছেন আমেরিকায়। এক যুগ, দু'যুগ পার হয়ে গেছে আমেরিকায়, এখানেই শেকড় গেড়েছেন, কিন্তু এখনও তাঁদের শয়নে স্বপনে মননে চেতনে বাংলাদেশ, এখনও দেশের দুরবস্থার খবর পেয়ে তাঁরা অস্থির হন, দুশ্চিন্তায় ঘুমোতে পারেন না। ওই দেশে কখনও আর ফিরবেন না জেনেও দেশের ভাল চান, দেশ ভাল থাকলেই তাঁরা ভাল থাকেন।
    অপ্রিয় সত্য এই যে, নিউইয়র্কের বাংলা সংস্কৃতিকে টিকিয়ে রাখছেন যে সংস্কৃতিপ্রেমী বাঙালিরা, তাঁদের বেশির ভাগই বাঙালি হিন্দু -বৌদ্ধ- খ্রিস্টান। মুসলমানদের বেশির ভাগই ব্যস্ত থাকেন মসজিদ মাদ্রাসা আর ধর্ম কর্ম নিয়ে। আজ মানুষগুলোর দেশপ্রেম আমাকে মুগ্ধ করেছে, একই সঙ্গে দেশটির ওপর রাগও হয়েছে। হবে না কেন, দেশটি তো এখন দেশের শত্রুদের মাথায় তুলে নাচছে!"
  • ধর্ম-বিয়োগ | ০৩ জুন ২০২৫ ০৯:২৭731854
  • পার্থ উবাচ (হ্যাঁ উনি গুরুর লেখা পড়েন বৈকি), "তসলিমা নাসরীন এবং তাঁর একসময়ের জীবনসঙ্গী রুদ্র (যিনি আজ মৃত) বাংলাদেশে তাঁদের কাজকর্মের ও লেখালেখির মাধ্যমে প্রকৃতপক্ষে জামাত ও অন্য চরমপন্থী ইসলামীদেরই আরো শক্তিশালী করেছেন, এবং যেসব সোশ্যাল রিফর্মার দীর্ঘকাল ধরে সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে নারীস্বাধীনতা ও প্রগতিশীলতার পক্ষে কাজ করেছেন, তাঁদের মারাত্মক ক্ষতি করেছেন। এছাড়া, তাঁর প্রায় অলীক গল্পকে সত্যি বলে বর্ণনা করে লেখা "লজ্জা" নামক উপন্যাস পশ্চিম বাংলায় আরএসএস ও বিজেপি বিশ্ব হিন্দুর মতো ভয়ঙ্কর ফ্যাসিস্ট পার্টিগুলোকে পালে বাতাস দিয়েছে। বাংলাদেশে গিয়ে আমি নিজের চোখে দেখে এসেছি, লজ্জায় তিনি যেসব গল্প করেছেন, তা শুধুই গল্প। ট্রুথ নয়। ফিকশন। প্রায় বানানো গল্প।"

    পার্থবাবু বাংলাদেশে ঘুরতে গেছেন মানে পাতি ভিজিটর, তাসলিমা কিন্তু সে দেশে জন্মেছেন, বড় হয়েছেন, শিক্ষা পেয়েছেন, কিন্তু যেহেতু পার্থ বলেছেন সুতরাং সেটাই ঠিক, কোন যুক্তি নেই, দরকার নেই কোন প্রমাণের। এই হচ্ছে প্রাক্তন আরএসএসের লজিক, বুইলেন কিনা :-)

    এবার আপনি যদি বলেন আপনি আমেরিকাতে ঘুরতে এসে বলেন অনেকে কিছু দেখেছেন যা পার্থবাবুর বলা কথার সাথে মিলছে না, উনি কিন্তু খেঁকিয়ে উঠে ওনার চল্লিশ না পঞ্চাশ বছর আমেরিকা থাকার প্রামাণ্য অভিজ্ঞতা আপনাকে শুনিয়ে দেবেন। আপনি ভিজিটর, আর পার্থ naturalized সিটিজেন, আপনার আওকাত কি ওনাকে প্রশ্ন করার, এটাও প্রাক্তন আরএসএসের লজিক, বুইলেন কিনা :-)

    এরপর পার্থবাবু বলছেন তাসলিমা চরমপন্থী ইসলামীদেরই আরো শক্তিশালী করেছেন। মানে একথা শুনে বাঁদরেও হাসবে, কারন তাসলিমার লেখার সাহিত্য মূল্য যাই হোক কিন্তু সেটা ইসলামিক মৌলবাদের একেবারে গোড়ায় গিয়ে আঘাত করে, ধরে ধরে কোরানের কালমার সমালোচনাও করেছেন, কিন্তু সেসব বুঝতে গেলে আপনাকে কার্বন্ডেল থেকে প্লান্ট বাইলজিতে পিএইচডি করতে হবে, আছে আপনার ওসব ?

    ইসলামে নারীস্বাধীনতা ও প্রগতিশীলতার পক্ষে বলতে পার্থ বাবু ঠিক বোঝেন ? কোরানের সংস্কার না করে ইসলামে সেটা আদেও সম্ভব? আসলে উনি নিজে উগ্র ইসলামের বিপক্ষে সাময়িক লিপসার্ভিস ছাড়া আর কিছু দেননা, বলেন ওসব ওদের ব্যাপার। অর্থাৎ কেন ইসলামে একজন বিদ্যাসাগর বা রামমোহন এলেননা ওসবে গূঢ় আলোচনায় ঢোকা ওনার কম্ম নয়, উনি তেল মাখিয়ে দরদী সাজাতে চান। কিন্তু তাসলিমা কিন্তু বেশ খারাপ লোক, বানিয়ে গল্প লিখেন ইত্যাদি ইত্যাদি......ও হ্যাঁ ওনার আরো বড় অভিযোগ তাসলিমা কে কেন "উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা" আশ্রয় দিয়েছে ? আসলে যা মানে হয় এটাই ওনার তাসলিমাকে অপছন্দের আসল কারন। কলকাতায় যে কেন তাসলিমা থাকতে পারলেননা তা নিয়ে পার্থবাবু কিন্তু একদম চুপ। হনুমান কি আর সব সময় গাছে থাকেরে ?
  • দীপ | ০৩ জুন ২০২৫ ১০:১১731855
  • হুম, সবাই মিথ্যাবাদী। তসলিমা, হুমায়ূন আজাদ, শাহরিয়ার কবির, ইমতিয়াজ মাহমুদ; সবাই মিথ্যাবাদী।
    সত্য একমাত্র পাঁঠার নাচ!
     
    তসলিমাকে নিয়ে পার্থবাবু এর আগেও অনেক বিষোদ্গার করেছেন। খুব স্বাভাবিক, তসলিমা সরাসরি ইসলামী মৌলবাদের বিরুদ্ধে লেখালেখি করেন; বাংলাদেশের প্রকৃত অবস্থা তুলে ধরেন।
     
    তবে একটা কথা বলতে হয়। শুধু পার্থবাবুর নয়, পশ্চিমবঙ্গের অনেক মহাবিপ্লবীর তসলিমাকে নিয়ে চর্মরোগ আছে। তসলিমার সত্যকথা তাঁরা একেবারেই সহ্য করতে পারেননা! তাঁরা সারা পৃথিবীর সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন, কিন্তু বাংলাদেশ নিয়ে কিছুই বুঝতে পারেননা!
  • দীপ | ০৩ জুন ২০২৫ ১০:২২731856
  • "ঢাকায় এসে আরো ভালো করে বুঝতে পারি লজ্জা উপন্যাসটি শুধুই উপন্যাস। বাস্তবের সাথে তার বর্ণনার কোনো সম্পর্কই নেই। বরং তার পিছনে স্বার্থান্বেষী মহলের ইন্ধন ছিল খুব বেশি। গুজব রটিয়ে দাঙ্গা বাধানো যায়। মিথ্যাভিত্তিক উপন্যাস লিখে কোটিপতি সেলিব্রিটি হওয়া যায়। এবং দুই ভাবেই সমাজের শেষ ধ্বংসও করা যায়।"
     
    মহাপণ্ডিতের আরেকটি লেখা।
    দিনের পর দিন এইভাবে কাঁচা মিথ্যা লিখেছেন।
     
    তসলিমাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ায় মাতব্বরের রাগ হয়েছে!
  • :-: | ০৩ জুন ২০২৫ ২০:১৮731869
  • অন্য ধর্মের সমলোচনা করতে পারলেও, ইসলামের সমালোচনা এবং "লিবারেল" বামপন্থা (কমুনিস্ট ইনক্লুডেড) একসাথে খাপ খায়না, ওই টপিকে প্রশ্ন করলে এদের কেউই খুব স্বাচ্ছন্দ বোধ করেননা। এখানে লিবারেল কথাটি একেবারেই ফেসভ্যলুতে নেওয়া যাবেনা ওটি একটি সেলফ এডেড মেটাফোর মাত্র। পার্থ বাবু আপাতত একজন পাঁড় বামপন্থী এবং জীবনের মধ্যেখানে এসে অতি ডান থেকে কনভার্টেড, তাই ওনার দেখানর তাগিদটাও অনেকে বেশী।
     
    মুসলমান বলতে উনি ঠিক কি বোঝেন ? উগ্র ইসলাম বলতে উনি কি বোঝেন ? অনুগ্র মুসলমান বলতেই বা উনি কি বোঝেন? কোরান সম্পর্কে ওনার বক্তব্যে কি ?(বইটা আদেও উনি পুরোটা পড়েছেন কি!!)
     
    এসব প্রশ্নের উত্তর উনি দেবেননা, তাই ওনাকে এতখানি পাত্তা দেওয়ার কিছু আছে কি?
  • দীপ | ০৩ জুন ২০২৫ ২০:৫৬731870
  • পার্থবাবু প্রথমে আর এস এসের ল্যাজ ধরে ঝুলতেন। এরপর ল্যাজ ছেড়ে চটিতে আশ্রয় নিয়েছেন। দরকার পড়লে আবার জার্সি বদল করবেন। তবে দাদার ব্যাটিং থামবে না!
     
    দাদা সবজায়গায় জ্ঞানবিতরণ করতে ছুটে আসেন। তাই দাদাকে নিয়ে মাঝেমাঝেই আলোচনা হয়।
  • পলাশ বর্মন | ০৩ জুন ২০২৫ ২০:৫৯731871
  • আপনি যদি শ্রমিক ইউনিয়নের পতনকে কেবলমাত্র রেগান-থ্যাচারের ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখেন, তবে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ও পছন্দকে আপনি কোন জায়গায় রাখেন? শ্রমিক শ্রেণির নিজের সিদ্ধান্ত কি আপনি অস্বীকার করছেন?
     
    মানে, এরকম তো নয় যে শ্রমিকরা মূর্খ আর তারা না বুঝে খোলা বাজারকে ভোট দিয়ে এনেছে। নাকি সেটাই আপনাদের প্রতিপাদ্য??
  • :-: | ০৪ জুন ২০২৫ ০১:০৬731873
  • পার্থবাবু কে জিজ্ঞেস করুন "মুসলমান" কে ? পার্থ বাবুর ​​​​​​​নিজে ​​​​​​​কি ​​​​​​​কোরান ​​​​​​​পড়েছেন ? কোরানে যে অমুসলিম বিদ্বেষ সংক্রান্ত আয়াত গুলো লেখা আছে সেগুলো কি সঠিক এবং এখনো প্রযোজ্য ? যে ব্যক্তি সে জন্মসূত্রে যাই হোক যদি বলেন কোরানের ওই কাফের সংক্রান্ত আয়াত গুলো ভুল এবং পরিত্যাজ্য, তিনি কি মুসলিম ? অর্থাৎ তার সেই "বৃহত্তর মডারেট" মুসলিম সমাজকি তাকে মুসলিম বলে মেনে নেবে ? এটা বলার জন্য তার ​​​​​​​কি প্রাণসংশয় ​​​​​​​হতে ​​​​​​​পারে ?
     
    বৃহত্তর মডারেট মুসলমানেরা কি কোনদিন এইধরনের লোকেদের সমর্থনে এগিয়ে এসেছেন ? যদি না আসেন তাহলে তারা কিসের মডারেট ? ভদ্র শিক্ষিত হাওয়া মানেই মডারেট হওয়া নয়, মডারেট হতে গেলে আপনাকে বিষ বৃক্ষের গোড়ায় জল দেওয়া বন্ধ করতে হবে যেমন তাসলিমা করেছেন, যাকে আবার পার্থ বাবুর বিশেষ অপছন্দ।
     
    পার্থবাবু তার সিমীত যেকোটি ভিডিওতে এই উগ্র ইসলামের বিরুদ্ধে বলেন সেগুলোই রিচ/কমেন্ট এত কম হয় কেনো, সে নিয়ে উনি ভেবে দেখেছেন ? উনি যদি ইসলামের সংস্কার নিয়ে কথা বলেন ওনার নিজের বিশাল ভক্তকূল কি একইরকম থাকবে ? সেই রামধাক্কা উনি কি এই অবসর জীবনে সামলাতে পারবেন !!!
  • ধর্ম-বিয়োগ | ০৪ জুন ২০২৫ ০৯:২১731874
  • পার্থ বাবু দেখুনতো এই ধরনের মডারেট মুসলিম আপনার চলবে কিনা ? আসরা নোমানি কিন্তু একজন মুসলিম, পশ্চাৎদেশে দম থাকলে আপনার টাইম লাইনে একবার পোস্ট করে দেখবেন নাকি এনার বক্তব্য !!! ইয়ে আপনি যেখানে ​​​​​​​থাকেন ​​​​​​​উনি ​​​​​​​একদম ​​​​​​​সেই ​​​​​​​পশ্চিমের ​​​​​​​গল্প করছেন, ​​​​​​​যেখানে ​​​​​​​কোন ​​​​​​​বিজেপি ​​​​​​​নেই, কিন্তু উগ্র ইসলাম রয়েছে
     
  • বকধার্মিক | ০৪ জুন ২০২৫ ২৩:১৭731888
  • গুরুর এফেক্ট প্রচুর, পার্থদ্বা সব কিছু পড়ছেন, সময়মত রিয়াক্টও করছেন ........... তবে কেন জানিনা এখানে নয় ........... পার্থদ্বা এটা কিন্তু থ্রেট নয় জাস্ট একটা পর্যবেক্ষণ মাত্র
    তবে আসরা নোমানি আর ড্যানিয়েল পার্ল কে উনি নিতে পারবেন না কারন ওখানে কোন আরএসএস বিজেপি নেই laugh
     
    উনি যে সীমিত সমলোচনা করেন ইসলামের, তার মূল উপপাদ্য হচ্ছে সবই উগ্র হিন্দুত্ববাদের রিয়াকশন ---- যেটা পুরোটাই ঢপের চপ, কারন ইসলামিক উগ্রপন্থার প্রকোপ সারা পৃথিবী জুড়ে, আর উগ্র হিন্দুত্ব ---- তার কাছে নেহাত শিশু, এটা প্রপাগান্ডিস্ট পার্থদ্বা কিন্তু ভাল মতই জানেন cheeky
     
    কিন্তু ওই যে "সাড়ে অষ্টাশি কপি" বই বিক্কিরির একটা ব্যাপার আছে, মানে প্রফিট না ঊঠুক ছপারতো একটা খরচা আছে !!! এরপর ব্রুকলিনের বাড়ি, গাড়ি, বছরে দুবার করে দেশে যাতায়াত, সবতো আর ডিপ স্টেট দেবে না।
     
     
  • :-: | ০৮ জুন ২০২৫ ০৫:৩০731924
  • আজকে আমরা আলোচনা করবো "হিন্দু ও মুসলিম উগ্রপন্থী, ধর্মান্ধ ও মৌলবাদী"!!! না তার মানে এই নয় যে অন্য কোন ধর্মে উগ্রপন্থী বা ধর্মান্ধ হয় না, কিন্তু আমার ফ্রেন্ডলিস্টে ওই ধর্মের লোক না থাকলে আমার লেখা খাবে কে ? সুতরাং বাকিরা না হয় রইলো পড়ে ......

    এদিক মুশকিলটা এইখানে যে "উগ্রপন্থী, ধর্মান্ধ ও মৌলবাদী" এই বিশেষণ গুলোকে নিয়ে কাঁটা ছেড়া করার আগে জানতে হবে হিন্দু বা মুসলিম বলতে আমরা ঠিক কি বুঝবো। অর্থাৎ given a person can we put him/her in a set "Muslim" (or Hindu) or not. এইটা না করতে পারলে তারপরের বিশেষণ গুলো নিয়ে আর এগোন যাবেনা।

    তাহলে যে প্রশ্নটা আগে করা দরকার "মুসলিম" কে ? (তিনি উগ্র না অনুগ্র সে প্রশ্ন তারপর)। যেটা আরো বড় প্রশ্ন আমি নিজেকে মুসলিম বললেই সেটা যথেষ্ট নাকি আমার আশপাশের সমাজকে বিশেষত মুসলিম সমাজকে আমাকে "মুসলিম" বলে মানতে হবে।

    যে কোন সেমিটিক ধর্মের সাথে সেই ধর্মের কিতাবের সম্পর্ক খুব গভীর, তাই এখানে এটাও জানা প্রয়োজন "একজন মুসলিম এবং কোরানে বিশ্বাসের" সাথে সম্পর্ক ঠিক কি ? কোরান কি একটি সম্পূর্ণ লাইফস্টাইলের কথা বলে ? তাকি একজন "মুসলিমের" মেনে চলা একান্ত কর্তব্য ?

    ভাই পার্থ তোমাকে কিন্তু কাদাজলে নামানো হচ্ছে, ধর্ম নিয়ে বিশেষত সেমিটিক ধর্ম নিয়ে তোমার জ্ঞান প্লান্ট বায়োলজির থেকে অনেক কম। একটু ভেবে এগিও ;-)
  • Ss | ১২ জুন ২০২৫ ২১:৫৩731978
  • একটি বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছে এবং তাও গুজরাটে, মৃতের সংখ্যা ২০০+, সুতরাং পার্থদা তার সেই লম্বা ছিপিটি নিয়ে মাছ ধরতে নেমে পড়েছেন, বেশ কয়েকটি প্রশ্ন ছিল যেগুলোর উত্তর এখনি চাই,

    ১. যেদিন হামাস ইজরায়েলে ঢুকে ১২০০+ নিরীহ লোককে খুন করেছিল, তারপর প্রায় তিনদিন ধরে পার্থবাবু নিজের পেছনে আঙ্গুল ঢুকিয়ে মিষ্টি গন্ধ শুঁকছিলেন। একটা পোস্ট ও করেননি, কেন ?
    ২. প্রায় তিনদিন পর একটা পোস্ট করেছিলেন ওই মানুষ মারা খারাপ জাতীয় লেখা লিখে, এবং ওনার লিস্টের ঝাড়পোছ করা লোকজনও থাকতে না পেরে ওনাকে এন্টিসেমইটিক বলেছিল, শুনে যথারীতি ভিক্টিম কার্ড খেলে দিয়েছিলেন, এবং গল্প শেষ। এখন উনি গাজা নিয়ে লেখেন ওই ১২০০+ লোকের কথা উনি ভুলে গেছেন কারণ ওনার প্রোপাগান্ডায় ওদের কোন সুবিধে হবে না।

    আমরা এখনো জানিনা প্লেনক্রাস টি নেহাতই দুর্ঘটনা না অন্তর্ঘাত। কিন্তু প্রোপাগান্ডিস্ট দাদা কিভাবে খেলবেন সেটা কিন্তু আমরা জানি,
    ১. দুর্ঘটনা হলে সব দোষ বেসরকারীকরণ এবং পুঁজিবাদের ওপর চালিয়ে দেবেন
    ২. অন্তর্ঘাত হলে মোদী এবং গুজরাট সরকারের সিকিউরিটি ফেলিওর বলে। তারপর মোদী, শাহ, শাসকশ্রেণী, ধর্ম অর্থাৎ সেই পুরান গরু রচনা তো আছেই, মানে ওনার ডক্টরেট তো প্রায় ওটাতেই।

    মানকিদা থুড়ি পার্থদা যদি কোন এঙ্গেল মিস করে যাই যোগ করে দেবেন। যেহেতু আমরা আপনার লিস্টের ঝাড়পোছ করা লোক নই, তাই এখানে না পারলে ওই ওখানে দিয়ে দেবেন।
     
    পুনশ্চ: যদি এই লেখা পড়ে আপনার মনে হয় আপনি খুব বিশাল বিশাল থ্রেটের ভয় পাচ্ছেন, তাহলে সময় সুযোগ করে একজন মানসিক চিকিৎসক দেখিয়ে নেবেন, কারন এই পোস্টে থ্রেট নেই, আছে আপনার ঝোপ বুঝে কোপ মারার এক নিদারুন গল্প।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে মতামত দিন