এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  আলোচনা  রাজনীতি

  • হর ঘর তেরঙ্গার নয়া নাটক

    এলেবেলে লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | রাজনীতি | ১৪ আগস্ট ২০২৬ | ২৩১ বার পঠিত | রেটিং ৪ (১ জন)
  • ১৯১৫ সালের ৯ এপ্রিল, হরিদ্বারের কুম্ভমেলায় প্রতিষ্ঠিত হয় ‘অখিল ভারতীয় হিন্দু মহাসভা’। গান্ধী হিন্দু-মুসলমানের ঐক্যবদ্ধ অসহযোগ-খিলাফত আন্দোলনের ডাক দিলেও অসহযোগের তীব্র বিরোধিতা করে কার্যত নিষ্ক্রিয় থাকে মহাসভা। চৌরিচৌরার হিংসার প্রেক্ষিতে গান্ধী আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেওয়ার পরে, ১৯২৩ সালে বিরাট হিন্দু পুনরুত্থান অভিযান শুরু করে তারা। সেই বছর আগস্ট মাসে পণ্ডিত মদনমোহন মালব্যের সভাপতিত্বে বারাণসী অধিবেশনে মহাসভা ‘শুদ্ধি’ কর্মসূচী গ্রহণ করে, ‘হিন্দু আত্মরক্ষা বাহিনী’ গড়ে তোলারও ডাক দেয়।

    অসহযোগ-খিলাফতের ব্যর্থতার পরে মুসলমান সমাজের আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনা এবং কংগ্রেসের সঙ্গে যোগসূত্র গড়ে তোলার জন্য, ১৯২৪-এর ২৪ মে লাহোরে অনুষ্ঠিত মুসলিম লিগের সভাপতির অভিভাষণে জিন্না বলেন: “...আমাদের ভুলে যাওয়া উচিত নয়, স্বরাজ অর্জনের এক অপরিহার্য শর্ত হল হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে রাজনৈতিক ঐক্য। ...আমি এই ক্থা বলতে চাই যে, যেদিন হিন্দু ও মুসলমানরা ঐক্যবদ্ধ হবে, সেদিনই ভারতবর্ষ ঔপনিবেশিক স্বায়ত্তশাসন পাবে।” [S. S. Pirzada (ed.), Foundation of Pakistan: All-India Muslim League Documents 1906-1947, Vol. I, Karachi, 1969, p. 577]

    পরের বছরে অর্থাৎ ১৯২৫ সালের বিজয়া দশমীর দিন, কেশব বলীরাম হেড়গেওয়ার-এর নেতৃত্বে একটি গোষ্ঠী হিন্দু মহাসভা থেকে বেরিয়ে এসে তৈরি করে ‘রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ’ (আরএসএস) নামে এক হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। সঙ্ঘের অন্যতম তাত্ত্বিক গুরু ও দ্বিতীয় সরসঙ্ঘচালক গোলওয়ালকর জিন্নার এই ঘোষণার সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুতে অবস্থান করে নির্দ্বিধায় উচ্চারণ করেন: “হিন্দুস্তানের অ-হিন্দু জনগণকে অবশ্যই হিন্দু সংস্কৃতি ও ভাষা গ্রহণ করতে হবে, হিন্দু ধর্মকে সম্মান ও শ্রদ্ধা করতে শিখতে হবে এবং হিন্দু জাতি ও সংস্কৃতির গৌরব ছাড়া অন্য কোনও ধারণাই পোষণ করতে হবে না।” [M. S. Golwalkar, We Or Our Nationhood Defined, Fourth Edition, Nagpur, 1947, pp. 55-56] এখানেই না থেমে তিনি আরও বলেন, “. . . in one word they must cease to be foreigners or may stay in the country wholly subordinated to the Hindu nation, claiming nothing, deserving no privileges, far less any preferential treatment – not even citizen’s rights।” [তদেব, পৃ. ৫৬] অর্থাৎ সোজা কথায়, কেবল হিন্দু ধর্মাবলম্বী ছাড়া অন্যদের কোনও কিছুই দাবি না করে, এমনকি নাগরিক অধিকারটুকুও বিসর্জন দিয়ে সম্পূর্ণত হিন্দু জাতির অধীনস্থ হয়ে এ দেশে থাকতে হবে।

    অন্য দিকে, ১৯৩৭ সালে আহমেদাবাদের কর্ণাবতীতে অনুষ্ঠিত অখিল ভারতীয় হিন্দু মহাসভার ১৯তম অধিবেশনে উগ্র হিন্দুত্বের জিগির তুলে বিনায়ক দামোদর সাভারকর তাঁর সভাপতির ভাষণে খোলাখুলি বলেন: “…ভারতবর্ষে দুটি শত্রুভাবাপন্ন জাতি পাশাপাশি বাস করে। ...ভারতবর্ষকে আজ আর একক ও সমজাতীয় জাতি বলে বিবেচনা করা যায় না। বরং পক্ষান্তরে [এ দেশে] প্রধানত দুটি জাতি রয়েছে: হিন্দু ও মুসলমান।” [V. D. Savarkar, Hindu Rashtra Darshan: A Collection of the Presidential Speeches Delivered from the Hindu Mahasabha Platform, Bombay, 1949, p. 26] এর ঠিক দু’বছর পরে ১৯৩৯ সালে, কলকাতায় অনুষ্ঠিত হিন্দু মহাসভার অধিবেশনে সাভারকর তাঁর বাঞ্ছিত পতাকা সম্পর্কে স্পষ্ট ভাষায় জানান: “হিন্দু জাতির পতাকা হবে গেরুয়া পতাকা। বৈদিক যুগ থেকেই আমাদের জাতিগোষ্ঠী যে ভাবাবেগের জয়গান গেয়ে এসেছে, ওম, স্বস্তিক এবং তরবারি [অঙ্কিত] এই পতাকা সেই ভাবাবেগের কাছেই তার আবেদন জানাবে।” [তদেব, পৃ. ১০৬]

    বহু আলাপ-আলোচনার পরে, ১৯৪৭-এর ২২ জুলাই ভারতীয় সাংবিধানিক গণপরিষদে ভারতের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত রূপটি গৃহীত হয়। কিন্তু দেশটাকে হিন্দুরাষ্ট্রে পরিণত করার খোয়াবে মশগুল সাভারকর এই পতাকাকে খারিজ করে দেন। ওই বছরের ২৯ জুলাই, নিজের বক্তব্যের ধারাবাহিকতায় জাতীয় পতাকা হিসাবে ত্রিবর্ণরঞ্জিত পতাকাটিকে প্রত্যাখ্যানের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন: “সিন্ধু থেকে সমুদ্র পর্যন্ত বিস্তৃত অবিচ্ছিন্ন ও অবিভক্ত আমাদের মাতৃভূমি ও পুণ্যভূমি হিন্দুস্থানের জন্য একমাত্র ভাগোয়া [গেরুয়া পতাকা]— যার বুকে অঙ্কিত আমাদের জাতিসত্তার আপন উপস্থিতির প্রকাশে উদ্ভাসিত কুণ্ডলিনী ও কৃপাণ— ছাড়া আর অন্য কোনও কর্তৃত্বপূর্ণ পতাকা হতে পারে না। এটি কারও ফরমায়েশে গড়া নয়, বরং এটি আমাদের জাতীয় সত্তার বিবর্তনের সঙ্গে স্ববিকশিত। এই পতাকা আমাদের হিন্দু-ইতিহাসের সমগ্র দৃশ্যপটকে প্রতিফলিত করে। লক্ষ লক্ষ হিন্দু প্রকৃতপক্ষে এরই পূজারি। ইতিমধ্যেই হিমালয়ের সুউচ্চ শৃঙ্গ থেকে দক্ষিণের সমুদ্র অবধি এটি উড্ডীন। অন্যান্য দলীয় পতাকাগুলিকে বরদাস্ত করা যেতে পারে। [সেই কারণে] এদের কয়েকটিকে এমনকি কিছুটা সম্মানও করা যেতে পারে। কিন্তু কোনও অবস্থাতেই হিন্দুরাজত্বের জাতীয় আদর্শ হিসাবে এই হিন্দু-অনুসারী ধ্বজা, এই ভাগোয়া পতাকা ছাড়া আর অন্য কোনও পতাকাকে আনুগত্যের সঙ্গে অভিবাদন জানানো যায় না।” [‘It Is Dharma Chakra and Not Ashok Chakra’; S. S. Savarkar (ed.), Historic Statements by Savarkar, Bombay, 1967, p. 127]

    বলা বাহুল্য, জাতীয় পতাকা সম্পর্কে এহেন বৈরী মনোভাব কেবল সাভারকরই পোষণ করতেন না। দেশ স্বাধীন হওয়ার ঠিক আগে ১৯৪৭-এর জুলাই মাসে, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সাপ্তাহিক ইংরেজি মুখপত্র ‘অর্গাইনাইজার’-এর আত্মপ্রকাশ ঘটে। পত্রিকাটির একাধিক প্রতিবেদন ও সম্পাদকীয় নিবন্ধে জাতীয় পতাকা সম্পর্কে একই মনোভাব প্রকাশিত হয়। ১৭ জুলাই ‘অর্গানাইজার’-এর তৃতীয় সংখ্যায় স্বাধীন ভারতের জাতীয় পতাকা হিসাবে গৃহীত তেরঙা পতাকার ঘোর বিরোধিতা করে ‘National Flag’ শিরোনামে একটি সম্পাদকীয় প্রকাশিত হয়। সেখানে ভাগোয়া ঝাণ্ডার পক্ষে মতপ্রকাশ করে লেখা হয়: “আমরা মোটেও একমত নই যে, পতাকাটি ‘ভারতের সমস্ত দল ও সম্প্রদায়ের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে’। এটা নিছক বোকামি। পতাকা [একটি] জাতির প্রতিনিধিত্ব করে এবং হিন্দুস্থানে কেবল একটি জাতি আছে, হিন্দু জাতি, যার ৫ হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে বিস্তৃত একটি অবিচ্ছিন্ন ইতিহাস রয়েছে। পতাকাকে অতি অবশ্যই সেই জাতি এবং শুধুমাত্র সেই জাতিরই প্রতীক হতে হবে। আমরা সমস্ত সম্প্রদায়ের আকাঙ্ক্ষা ও ইচ্ছাপূরণের জন্য একটি পতাকা বেছে নিতে পারি না।” পত্রিকাটির একই সংখ্যায় ‘Partition Not Inevitable’ শীর্ষক নিবন্ধে মহাসভার আরেক তাত্ত্বিক শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় তেরঙাকে অসম্মান করে এবং ‘নিরবচ্ছিন্ন ৫ হাজার বছরের ইতিহাস’-এর ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সভ্যতার অবিচ্ছেদ্য প্রতিনিধি হিসাবে ভাগোয়ার পক্ষে জোরালো সওয়াল করে জানান, ‘পতাকাটি সমস্ত সম্প্রদায়ের কাছে গ্রহণযোগ্য হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই’।

    শুধু তা-ই নয়, ওই মুখপত্রের ৩১ জুলাই সংখ্যার ‘Hindusthan’ প্রতিবেদন এবং ১৪ আগস্ট ‘Whither’ শিরোনামের সম্পাদকীয়তেও একই দাবি পেশ করা হয়। এমনকি ওই বছরের ১৪ আগস্ট প্রকাশিত ‘Mystery behind the Bhagwa Dhawaj’ প্রতিবেদনে লালকেল্লায় গেরুয়া পতাকা তোলার দাবি করে এবং তেরঙা পতাকার চূড়ান্ত বিরোধিতা করে লেখা হয়: “...একমাত্র ভাগোয়া রঙের পতাকারই হিন্দুস্তানের জাতীয় পতাকা হওয়া উচিত। যাঁরা ক্ষমতায় এসেছেন ...তাঁরা হয়তো আমাদের হাতে ত্রিবর্ণরঞ্জিত পতাকা তুলে দেবেন, কিন্তু হিন্দুরা কোনও দিনই তাকে সম্মান করবে না এবং নিজেদের বলে মেনে নেবে না।” হিন্দুরা কেন এই পতাকাকে সম্মান করবে না কিংবা নিজেদের বলে মেনে নেবে না, সে বিষয়ে এক অদ্ভুত যুক্তি পেশ করে প্রতিবেদনটিতে আরও লেখা হয়: “তিন শব্দটি অশুভ। [এই কারণে] ত্রিবর্ণবিশিষ্ট পতাকাটি নিশ্চিতভাবেই অত্যন্ত খারাপ মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব ফেলবে এবং দেশের জন্য ক্ষতিকারক হবে।”

    এমনকি স্বাধীনতা লাভের পরেও সঙ্ঘ তাদের জাতীয় পতাকাকে অস্বীকার করার ঐতিহ্য অটুট রাখে। এ প্রসঙ্গে গোলওয়ালকর লেখেন: “...আমাদের নেতারা আমাদের দেশের জন্য একটি নতুন পতাকা বেছে নিয়েছেন। তাঁরা এই কাজ করলেন কেন? এটি নিছকই অনুকরণ মাত্র। …আমরা একটি প্রাচীন ও মহান জাতি, যার গৌরবময় অতীত রয়েছে। তাহলে কি আমাদের নিজস্ব কোনও পতাকা ছিল না? এত হাজার বছর ধরে আমাদের কি কোনও জাতীয় প্রতীক ছিল না? নিঃসন্দেহে ছিল। তাহলে আমাদের মনে এই নিদারুণ শূন্যতা কেন?” [‘Drifting and Drifting’; M. S. Golwalkar, Bunch of Thoughts, Fourth impression, Bangalore, 1968, pp. 226-27]

    যে হিন্দু মহাসভা কিংবা রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের সদস্যেরা সারা জীবন ভারতে ব্রিটিশ শাসনের শেষ দিন পর্যন্ত ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে নিশ্চুপ থেকেছে, দেশের প্রত্যেকটি স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রতিটি অধ্যায়ের সরাসরি বিরোধিতা করে এসেছে, জন্মলগ্ন থেকেই দেশের মানুষকে সুচতুরভাবে হিন্দু-মুসলমানের বিদ্বেষ বিষে জর্জরিত করেছে, এই সেদিন পর্যন্ত জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত অবমাননা করেছে— আজ তারাই সহসা দেশপ্রেমের ঠিকাদারি নিতে চাইছে একচেটিয়া ভাবে!
     

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • আলোচনা | ১৪ আগস্ট ২০২৬ | ২৩১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ১৪ আগস্ট ২০২৬ ১৯:১৪742246
  • অনেক ধন্যবাদ সব রেফারেন্সগুলো এক জায়গায় এনে দেবার জন্য।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় প্রতিক্রিয়া দিন