এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক

  • পুজোর ছুটিতে পুরোনো ঘড়িতে -২

    Aditi Dasgupta লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | ২৯ অক্টোবর ২০২৬ | ২১ বার পঠিত
  • ২
    এলাহাবাদ - ২

    ব্রিটিশ কোঠি ১৮৮৯সালের এক ঔপনিবেশিক বাংলো।আঠেরো বিঘা জমির উপর একদা নির্মিত হলেও সে জমির পরিসর বুঝি এখন কাঠার পরিমাপে এসে দাঁড়িয়েছে। এ বাড়ী তৈরীর মূল কারিগর বৃটিশ ইঞ্জিনিয়ার C.S.Elloy। পাথুরেঘাটার ঠাকুর পরিবারের প্রফুল্লনাথ ঠাকুর একদা এই বাড়ীর মালিক ছিলেন। বেঙ্গল স্কুল অফ আর্ট বা কোলকাতার অল ইন্ডিয়া মিউজিক কনফারেন্সের পেছনে তাঁর পৃষ্ঠপোষকতা সুবিদিত। Elloy এর নাম জড়িয়ে আছে দিল্লী হাওড়া রেলপথে আমাদের জানাচেনা পুরনো নৈনি সেতুর নির্মাণের সাথেও। যমুনার ওপারের নৈনিকে এপারের এলাহাবাদের সাথে জুড়েছে সে। সঙ্গমের ছবিতে সেও এসে পড়ে।১৮৬০এর এ সেতুকে সম্প্রতি আমরা ' পুরোনো' বলছি কেবল তার প্রাচীনত্বের কারনে নয়, নতুন যমুনা ব্রিজটি - শ্যামাপ্রসাদ সেতু- এসে গেছে বলে। সন্ধ্যা রাতে সে আলোয় ঝলমল করে।

    ব্রিটিশ কোঠির এখনকার মালিক থাকেন একই বাড়ির অন্য প্রান্তে,একটি গেট আছে তার, খোলাই। গেটে মস্ত মাধবীলতা গন্ধ ছড়াচ্ছে।সামনে একটি ঘেরা জায়গা, একদা হয়তো বাগান ছিল।এখন বিয়ে বাড়ী ভাড়া দেওয়া হয়। ব্যস্ত রাস্তার থেকে বোঝা যায়না।তবে ট্র্যাফিক পুলিশ লাইন এর থানার বিপরীতে কয়েক কদম এগোলে এই নিরিবিলি জায়গাটি মন্দ না। বুটিক বা লাক্সুরিয়াস বিশেষণ দেওয়া বাড়াবাড়ি। তবে আমাদের তেমন দরকার ও নেই। পৌঁছে এক কাপ চা পেলে হত। দিতে পারলেনা। তবে ঘরে কেটল, চা চিনি সব ছিল। বালিস চাদরে কার্পণ্য নেই। তবে সেগুলি পেতে গেলে আগে ঘরে ঢুকতে হত। ঘর দিতে দেরি করলে একটু। শান্ত দুই ভাই প্রশান্ত আর আমান। খাবার অনেক সময় বাইরে থেকে আনিয়ে দেয় ওরা। আমাদের অনলাইন অর্ডার অপশন ও খোলা। প্লেট চামচ সব ওরাই দিয়ে দেবে। তাই চিকেন ভাত বলা হলো, zomato তে।

    ঘরে গিয়ে স্নান করে বসে থাকি। খাবার আর আসেনা।রাস্তা গুলিয়েছে ডেলিভারি বয়।খাবার হাতে এলো বেশ দেরিতে,ভাতের পরিমাণ অস্বাভাবিক কম। দাম চড়া। দুপুরে টেনে ঘুম দিয়ে বিকেলে রওনা হলাম তাসকেনত স্ট্রীট এর দিকে।

    এই অঞ্চলে বড় রাস্তা গুলির সমকোণে ছোট রাস্তাগুলি পরস্পরের সমান্তরালে চলে গিয়েছে। তাসকেন্ত রোড এমন ই একটি ছোট রাস্তা যা স্ট্যানলি রোড কেটে গিয়ে পড়েছে চন্দ্রশেখর আজাদ পার্কের সামনে কমলা নেহরু রোডে। কমলা নেহরু রোড বেড় দিয়ে গেছে চন্দ্রশেখর আজাদ পার্ক - এলাহাবাদের হৃৎপিডকে। আমরা যে নন- ভেজ রেস্টুরেন্ট আগে বেছে রেখেছিলাম - জেপিআর ফ্যামিলি রেস্তোরাঁ -সেটা বন্ধ।তবে বিপরীতে জিম ডায়েট পরিবেষণকারী ডাম্বেল বেল খোলা। পাস্তা নুডলস সবই আছে। চিকেন নিলে আলাদা দাম ধরে।ভেজ অপশন এ মুগ ছোলা সয়াবিন ইত্যাদি।আমরা প্রথম পথে গেলাম।মেয়োনিজ আর চিজ এর পরিমাণ দেখে ঠিক জিম ডায়েট বলা যায় কিনা প্রশ্ন রয়ে গেলো। যাই হোক। অবিশ্বাসীর বড় কষ্ট।খামোকা মাথায় নিই কেন? আলাদা করে একটু নুন চেয়েছিলাম। সেই নুনের পাত্র পরে নিয়ে গেলো। নুন ফেলতে নেই। ভালো লাগলো।

    এরপর আমরা একটি টোটো ধরব আর ওই পথ দিয়েই আরও এগিয়ে যাব, গিয়ে পড়বো কমলা নেহরু রোডে। শেয়ার এর টোটো পেলাম, দশ টাকা মাথা পিছু।একটি মাত্র বোরখা ধরিণী তরুণী বসা,আশ্বাস দিলে পার্কের পথেই যাচ্ছে সে গাড়ি।সঠিক জায়গায় নামিয়েও দিলে।পাঁচ টাকা টিকিট কেটে এক নম্বর গেট দিয়ে ঢুকতে ঢুকতে দেখলাম সন্ধ্যে সাতটা তে লাইট এন্ড সাউন্ড শো আছে।বেশি দেরি নেই। তার টিকিট আলাদা- ৫০টাকা করে।

    একদা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সিপাহীদের আংশিক ডেরা কোম্পানি বাগ, পরবর্তীকালে ১৮৭০ এ প্রিন্স আলফ্রেড এর আগমনে নতুন করে সেজে ওঠা, নতুন নামে পরিচিত হওয়া রাজকীয় উদ্যান আলফ্রেড পার্ক এখন অমর শহীদ চন্দ্রশেখর আজাদ পার্ক। আয়তনে 54হেক্টর। ১৯৩১এর সাতাশে ফেব্রুয়ারি এখানেই নিজের মাথায় গুলি করে আত্মাহুতি দিয়েছিলেন চব্বিশ বছরের চন্দ্রশেখর তিওয়ারি। ব্রিটিশের কাছে ধরা দেবেন কেন? তিনি তো আজাদ! মূর্তিটি তাঁর সেখানেই দাঁড়িয়ে আছে।

    বহু মানুষ জগিং করছেন হাঁটছেন আলো আঁধারিতে,ছেলে মেয়েরা আড্ডা দিচ্ছে। গাছের ফাঁকে চাঁদ উঠেছে। লাইট এন্ড সাউন্ডের দর্শক খুব বেশি নেই, ছাপোষা গুটি কয় পরিবার ছাড়া। লাইট এন্ড সাউন্ড নাম হলেও বেশির ভাগটাই ভিডিও শো, তিন দিক ঘেরা খোলা জায়গায়।গ্যালারি করা আছে। প্রথমেই আলো পড়ল গিয়ে এক অশ্বত্থ গাছের উপরে,চন্দ্রশেখর আত্মাহুতি পিঠ। কিছুটা সে ইতিহাস বলেই এসে গেল নানান পৌরাণিক আখ্যান সহ কুম্ভ মেলার মাহাত্ম্য। ঐতিহাসিক ঢং এ পৌরাণিক আখ্যানের এই উপস্থাপনা অনেকটাই লম্বা ছিল। এলাহাবাদের বাকি ইতিহাস এলো অবশ্য তারপর। এলো চন্দ্রশেখর, ভগত সিং, সুখদেব, বিসমিল এর প্রসঙ্গ, কাকরি ষড়যন্ত্র মামলা চন্দ্রশেখরের আত্মাহুতি নেহরু গান্ধী ...।

    সেই রাত্রির মত সফরে ইতি টেনে ফিরে গেলাম ডেরায়। প্রশান্ত কে খাবারে র কথা বললাম।রুটি পনির। পনির বলতে প্রচুর গ্রেভিতে ব্লেড দিয়ে কাটা সামান্য পনিরের টুকরো। যাক গে।বোঝা হয়ে গেল।পরদিন আমরা একটা ভালো জায়গায় ভারী খাবার খেয়ে সারাদিন চরে বেড়াবো। কারি লিভস কে বেছে রাখলাম প্রথম পছন্দে। এটিও সেই তাসকেন্ত রোডের শাখাটিই,একটু বেশি এগিয়ে। উত্তর ভারত ও উত্তরা খণ্ডে এদের শাখা থাকলেও এলাহাবাদে আর কোনো শাখা আছে কিনা বলতে পারবোনা।

    অটো চালক আজ অন্য প্যাসেঞ্জার থাকায় একটু ঘুরে অন্য রাস্তা পত্রকার রোড দিয়ে তাস্কেন্ত রোডে ঢুকলো উল্টো দিক দিয়ে। কারি লিভসএ মশলা দোসা আর কফি খেয়ে রওনা হলাম এলাহাবাদ মিউজিয়াম। মশলা দোসা সুস্বাদু তবে ১৭০টাকায় পরিবেশ আর আবহের দামটিও ধরা আছে। সিভিল লাইন্স এলাকায় সুলভ ও পরিচ্ছন্ন স্ট্রীট ফুড এর ছড়াছড়ি। এখান থেকে টোটো নেবে ৫০টাকা,রিজার্ভ এ।

    আজাদ পার্কের ২নম্বর গেট দিয়ে আজ ঢুকতে হবে।মিউজিয়াম এ। টিকিট আলাদা। ঢোকার মুখে স্যুভেনির এর দোকানে চিপস, চাবির রিং, চকচকে মূর্তি ইত্যাদি থাকলেও মিউজিয়াম এর মূর্তির রেপ্লিকা বা ছবি কিছু পেলামনা। সিকিউরিটি ব্যাগ জমা নিল,জলের বোতল নিতে দিলো। সেন্ট্র্যালি AC মিউজিয়াম দেখতে মোটামুটি ঘণ্টা তিন লেগেই যায়।পরিচ্ছন্ন ওয়াশরুম, মাঝে মাঝে বসবার জায়গা রয়েছে। সোমবার বন্ধ থাকে। টিকিটের মূল্য ৫০টাকা, তবে ৮বছর পর্যন্ত শিশু ও দিব্যাঙ্গ মানুষজনের জন্য কোনও প্রবেশমূল্য নেই। ৮থেকে ১৮ দের জন্য ২০টাকা।

    এ মিউজিয়াম এর সলতে পাকানো শুরু হয়েছিল সেই ১৮৬৩ তে যখন রাজস্ব দপ্তর উত্তর পশ্চিম অঞ্চলের সরকার কে অনুরোধ করলে একটি গ্রন্থাগার ও একটি সংগ্রহ শালা তৈরি করতে। বিশিষ্ট প্রাচ্যবিদ স্যার উইলিয়াম মুইর আর বিজয় নগরের মহারাজা ভার পেলেন এ কাজের।১৮৭৮ এ এর উদ্বোধন ও হয়ে গেলো।কিন্তু ১৮৮১তেই কোনও অজ্ঞাত কারনে সে কাজ বন্ধ হয়ে গেল!। তারপর গঙ্গা যমুনা দিয়ে বয়ে গেল কত জল।জওহরলাল যখন এলাহাবাদ মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন এর প্রেসিডেন্ট, সেই ১৯২৩-২৪ সালে, আবার শুরু হল সেই উদ্যোগ।কার্যকরী ভূমিকায় ছিলেন পণ্ডিত বৃজমোহন ব্যাস।১৯৩১সে শুরু হলো নতুন পথ চলা, এলাহাবাদ নগর পালিকার বাড়িটিতে।। ১৯৪৭এর ডিসেম্বরে এখনকার নতুন লাল ইটের বাড়িটির ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন হলো নেহরুর হাত ধরে।. ১৯৫৪তে সে জাদুঘর খুলে দেওয়া হলো সর্ব সাধারণের জন্য।১৯৮৬ তে সংস্কৃতি মন্ত্রক এর দায়িত্ব নিলে। দেখতে যাওয়ার আগে মুঠো ফোনটি খুলে একটি ভার্চুয়াল ট্যুর করে নিলে সুবিধা।

    সিন্ধু সভ্যতার বেশ কিছু নিদর্শন এখানে রয়েছে।হয়তো সেই ব্রিটিশ আমলেই তারা এসেছে। পরে আসার কথাতো নয়। প্রাগ ইতিহাস, প্রায় ইতিহাস,ইতিহাস, প্রাচীন মধ্য আধুনিক - সব যুগের ঠাঁই এখানে। টেরাকোটা গ্যালারি তে পুতুল, গয়না, বাসন পত্র, বিশালাকৃতির শস্য পাত্র। দোয়াব আর মধ্য ভারতের বিস্তৃত অঞ্চল থেকে প্রাপ্ত মূর্তিগুলি, মন্দিরের অংশ। অশোক স্তম্ভের উপরের পদ্ম টি এখানে। স্তম্ভটি, আগেই বলেছি, আকবর ফোর্ট।গান্ধী গ্যালারি তে কাজ চলছিল। দেখা হয়নি। ফারসিতে লেখা নেহরুর বিয়ের আমন্ত্রণ পত্র, প্রধান মন্ত্রী হিসেবে প্রাপ্ত বিবিধ চোখ ধাঁধানো ও চোখ জুড়ানো দেশি বিদেশি উপহারে শোভিত নেহরু গ্যালারি।

    এরপর আমরা যাবো ছবি দেখতে।বেঙ্গল স্কুল অফ আর্ট এর বহু ছবি এখানে।, অবনীন্দ্র নাথ গগনেন্দ্র নাথ এবং নতুন ধারায় রবীন্দ্র নাথ।যামিনী রায় এর বেণী শৃঙ্গার দেখব,দেখব অসিত হালদারের ছবির বুকে কবিতা। নিকোলাস রোয়েরিখ এর হিম হিম ছবি গুলি - কখনো হিমালয়, কখনো বা নভোগ্রাদের নীল ছায়ায় অর্থোডক্স রাশিয়ান চার্চ, পুত্র স্ভেতস্লাভ এর আঁকা হিমালয়, বাবার পোর্ট্রেট, জার্মান সন্ন্যাসী অনাগরিকা গোবিন্দার অদ্ভুত মন টানা ছবি --- ওয়েস্টার্ন আর্ট গ্যালারিতে।বাকিদের কথা আর বলা হলোনা। ছবির মাথার উপর স্পট লাইটগুলি জ্বলছিলনা,ঘরের টিউব লাইট এর প্রতিবিম্ব ছবির উপর পড়ে বাধার সৃষ্টি করছিল। মিনিয়েচার ছবির গ্যালারি কিন্তু আলাদা।

    পাখির ঘরটি আমার কাছে নতুন, নতুন স্বাধীনতা সংগ্রামের ছবি অডিও ভিডিও সমৃদ্ধ সংগ্রহ।বাংলা কে বিশেষ মর্যাদায় তুলে ধরা হয়েছে দেখে ভালো লাগলো। সিধু কানু, তিতু মীর, মাতঙ্গিনী, বটুকেশ্বর, প্রফুল্ল চাকী,ক্ষুদিরাম কেউই বুঝি বাদ পড়েননি। রয়েছে কাকোরি, মিরাট ষড়যন্ত্র, ইন্ডিয়ান সোশ্যালিস্ট রিপাবলিকান অ্যাসোসিয়েশন এর ইতিহাস। রামপ্রসাদ বিসমীল, ভগৎ সিং, চন্দ্রশেখর আজাদ রয়েছেন। চাপেকারদের পাশে সভারকর ও ঠাঁই পেয়েছেন। আর আছেন নেতাজি। স্বাধীনতার চল্লিশ বছরে মুক্তির সংগ্রামে ভারত শীর্ষক এক বই বার করেছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ইংরেজি অনুবাদে নামটি ছিল: India 's Struggle for Freedom. তা সেই মস্ত বড় বইখানাতে কত আনামা, অনুচ্চারিত সংগ্রাম ও সংগ্রামী র নাম ঠাঁই পেয়েছিল! ছোট ছোট করে হলেও তাঁদের কথা জানতে পেরেছিল ছোটরা। ছবিও ছিল। এই মিউজিয়াম দেখতে দেখতে সেই বইটির কথা মনে পড়ল।

    রাসবিহারী আর বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ওরফে চট্টর কাজ ছড়িয়ে ছিল দেশের সীমা অতিক্রম করে। হায়দ্রাবাদ বাসী ডক্টর অঘোরনাথ চট্টোপাধ্যায়এর তিন পুত্র কন্যা বীরেন্দ্র হারীন্দ্র আর সরোজিনী। সরোজিনী সবার বড়।সরোজিনীর ভাই বীরেন্দ্র সোভিয়েতে গিয়েছিলেন ভারতের আন্দোলনের সপক্ষে কমিউনিস্ট সমর্থন সংগ্রহ করতে, জার্মান কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য ছিলেন তিনি।কিন্তু 1937এ স্ট্যালিনের জমানায় বহু মানুষের সাথে তাঁরও বিচার ও মৃত্যুদণ্ড হয়। কবি সরোজিনী র রাজনৈতিক পথটি ছিল একটু আলাদা। বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী হারীন্দ্র সুগায়ক, সু কবি -১৯৫১র লোক সভা ভোটে বাম সমর্থিত নির্দল প্রার্থী হিসেবে জয়ী হন বিজয়াড়া কেন্দ্র থেকে। হিন্দি আর বাংলা সিনেমায় আমরা তাকে দেখব পরে,কখনও ক্ষুব্ধ বৃদ্ধ পিতামহ শিবনাথ শর্মা( গল্প হলেও সত্যির হিন্দী রূপ -বাবর্চি), গুপি বাঘার দুষ্টু বৈজ্ঞানিক, আবার কখনও ফেলুদার সিধু জ্যাঠা রূপে। আবার হিন্দি ছবিতে প্রথম ইংরেজি লিরিক্স তারই সৃষ্টি। জুলি ছবিতে প্রীতি সাগরের কণ্ঠে "My heart is beating" এ আজও বুক ধক ধক করে!

    ইতিহাস ঘুরে ঘুরে কত কথাই না বলে চলে! জানা কথা, পুরনো কথা,তবু গুটিকয় বন্ধু পেলে বসে বসে জাবর কাটতে ইচ্ছে করে।




     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
    ২
  • ধারাবাহিক | ২৯ অক্টোবর ২০২৬ | ২১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ক্যাবাত বা দুচ্ছাই মতামত দিন।