এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুত্ববাদীরা ২: সংস্কৃতি

    বই পুরুষ লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৮ অক্টোবর ২০২৬ | ১২ বার পঠিত
  • এর আগে সংস্কৃতি বা আচার অনুষ্ঠান ভিত্তিক সমাজ ও সামাজিক বৈষম্য থেকে কিভাবে মার্কসীয় অর্থনীতিতে উত্তরন সম্ভব? সেই বিষয়ে "পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুত্ববাদীরা" নামক নিবন্ধে আলোচনা করেছিলাম। সেখান থেকে স্বাভাবিক ভাবেই কয়েকটি প্রশ্ন উঠে আসে। যেমন ভারতের মত বহুল-সংস্কৃতি ও ভাষাভাষির দেশে কি আদৌ শ্রেণী সংগ্রাম সম্ভব? কারন একটি শ্রেণীকে সংঘবদ্ধ হতে গেলে ভাষা একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। ভাষার মাধ্যমে মত বিনিময় না হলে, সেই সমাজভুক্ত মানুষের সবার বা একটা বৃহৎ অংশের মানুষের, স্বার্থ যে এক, সেটা প্রমান হবে কী করে? আর সমাজের একটা বৃহৎ অংশের মানুষের স্বার্থ যদি এক না হয়, তাহলে শ্রেণী গঠন হবে কী করে? এবং এই সংগঠিত হওয়ার পিছনে সংস্কৃতির কী অবদান?

    একটি শ্রেণী সংগঠিত হতে গেলে সবসময় যে ভাষার প্রয়োজন আছে, সেরকমটা নয়। কিন্তু শ্রেণীস্বার্থ এক হতে হবে। যেমন একজন বাঙালি শ্রমিক ও একজন বিহারী শ্রমিক যদি একই কারখানায় একই বেতনে একই কাজ করে, তাহলে ধরে নেওয়া যেতে পারে যে এই দুজনের শ্রেণীস্বার্থ এক। সুতরাং ধরে নেওয়া যায় কারখানা মালিকের সব সিদ্ধান্তই এদের উপর সমানভাবে ক্রিয়াশীল। সেই দিক থেকে, অর্থাৎ অর্থনৈতিক স্বার্থের দিক থেকে এরা সংগঠিত হতে পারে। তার জন্য একই ভাষা ও সংস্কৃতি আবশ্যক নয়। আবশ্যক হল একই অর্থনৈতিক স্বার্থ। যেহেতু ভারতের মত দেশে বিভিন্ন ভাষাভাষির দ্বন্দ্বের একটা পূর্ব ইতিহাস আছে। তাই প্রশ্ন হল, অতীতের এই দ্বন্দ্ব বা ভেদাভেদ ভুলে বর্তমান অর্থনৈতিক সমস্যা সমাধানের জন্য বিভিন্ন ভাষাভাষির মানুষ এক জায়গায় সংগঠিত হবে কি না?

    সংস্কৃতিগত সমস্যা: যদি শুধু আমাদের পশ্চিমবঙ্গের কথা ধরি, তাহলে পশ্চিমবঙ্গের বাঙালি ভূমিপুত্রদের মধ্যেই বিভিন্ন ধরনের সংস্কৃতি আছে। শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়। সারা পৃথিবীজুড়েই তাই। যেমন আমার এক বন্ধুর কাছে এবং অনেক বয়ঃজ্যেষ্ঠ মানুষের কাছে শুনেছি পূর্ববঙ্গের সামাজিক রীতি নীতি ও সংস্কৃতির কথা। যার সাথে পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতির কোন মিল নেই। ওদেশের গোপালগঞ্জে দূর্গা পুজোতে নাকি ঢাক বাজত না। পুজোর সাত দিন আগে থেকে নাগ্রা বাজত। এবং ঐ অঞ্চলের হিন্দুদের আমিষ খাদ্যের মধ্যে প্রধান খাবার ছিল শোল, ল্যাঠা, সিঙি, কৈ, বোয়াল, মাগুর, ইলিশ, পুটি, মোরোলা মাছ। মাংসের মধ্যে ছিল হাঁস, কচ্ছপ, পায়রা। হিন্দুরা মুরগি খেত না। মুসলমানদের মধ্যে এই মাছগুলো সহ মুরগি, পায়রার মাংস খাওয়ার রীতি ছিল। কোরবানি ছাড়া গরু খাওয়ার চল ছিল না। আর হিন্দু মুসলিম উভয়েই ছাগল খেত, কিন্তু খুব কম। হিন্দুদের অনুষ্ঠানে কোন মাংস খাওয়ানোর চল ছিল না। অনুষ্ঠানের জন্য মূল মাছগুলি ছিল ইলিশ, কৈ, সিঙি, শোল। আর অনুষ্ঠানের রীতি ছিল, যত পরিমান চাল লাগবে ঠিক তত পরিমান সবজি লাগবে। অর্থাৎ অনুষ্ঠানে দশ মন চাল ব্যবহৃত হলে দশ মন সবজি ব্যবহৃত হবে। এবং পাঁচমিশালী সবজি দিয়ে খুব স্পেশাল একটা তরকারি করা হত, যাকে বলা হত নাবড়া। এদেশে ওটাকে অনেকে বলে লাবড়া। এবং বিয়েতে নিজেদের বংশের আত্মীয় ছাড়া অন্য কাউকে বিশেষ নেমতন্ন করা হত না। কিন্তু কেউ মারা গেলে তার শ্রদ্ধানুষ্ঠানে, যাকে ওদেশে বলা হত "খরচ"। সেই খরচে কয়েক গ্রাম লোক নেমতন্ন করা হত। অর্থাৎ পূর্ববঙ্গের ঐ অঞ্চলের লোকেরা বিবাহের চেয়ে মৃত্যুকে বেশি উৎযাপন করত। এবং কেউ মারা গেলে তার জন্য একটা ছোট করে আত্মার শান্তিকামনা অনুষ্ঠান করা হত। আর খরচ বা মৎসমূখী অনুষ্ঠান সেই সময় করা হত যখন ভালো মাছ পাওয়া যেত।

    এই ব্যখ্যাটা দিলাম এটা বোঝানোর জন্য যে একই ভাষাভাষির মধ্যেও সংস্কৃতি কতটা আলাদা হতে পারে। পূর্ববঙ্গের সেইসব লোকেরা পরবর্তীকালে এদেশে এসে এদেশের রীতি নীতিকে মেনে নিয়েছে। এবং তাদের পূর্ববঙ্গীয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অবসান ঘটেছে। বর্তমানে সেই সব লোকের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বলতে বাড়ির ভেতর খাদ্য সংস্কৃতি ছাড়া অন্যকিছু নেই। কালের নিয়মে লাউপাতা কৈ মাছ ভাতে হয়ে উঠল ফুলকো লুচি, ছোলার ডাল, পোলাও আর খাসির মাংস। যা ওদেশের ঐ অঞ্চলের কোন খাদ্য সংস্কৃতিই নয়। অনেকদিন আগে পশ্চিমবঙ্গেই ঐ বন্ধুটির পরিবার বাড়িতে হাঁস কেটে মাংস রান্না করে খেয়েছিল। কারন তখন ঐ অঞ্চলে হাঁসের মাংসের কোন দোকান ছিল না। তখন ঐ অঞ্চলে তথাকথিত সনাতনী বাঙালি হিন্দু সমাজের মধ্যে শোরগোল পড়ে গেছিল যে সরস্বতী ঠাকুরের বাহন কেউ কিভাবে কাটতে পারে! এখন ঐ এলাকায় অনেক হাঁসের দোকান হয়ে গেছে, মূলত পূর্ববঙ্গের লোকেরা খায়।
    পূর্ববঙ্গের ঐ অঞ্চলের বাঙালিদের প্রধান উৎসব দূর্গা পুজো ছিল না। এবং তারা আদিবাসী বা ট্রাইবও ছিল না। ঐ অঞ্চলের বাঙালিদের প্রধান উৎসব ছিল কুমীর পুজো। যার সাথে মধুমতী নদীর তীরের "নদের চাঁদের" উপকথা জড়িয়ে আছে। প্রায় একমাস ধরে নদের চাঁদের গান হত। তারপর কুমীর পুজো হত। নদের চাঁদের উপকথা এরকম ছিল,

    একজন লোক ছিল। সে একদিন দুই ঘটি জল নিয়ে তার বউকে ডেকে বলল "দেখবে আমি কুমীর হতে পারি"। তার বউ ভাবল সে মজা করছে, বলল "হওত দেখি"। সে তখন তার বউকে বলল এই এক ঘটি জল আমি আমার গায়ে ঢাললে আমি কুমীর হয়ে যাবো। তখন তুমি আরেক ঘটি জল আমার গায়ের উপর ঢেলে দেবে, তাহলে আমি আবার মানুষ হয়ে যাবো। যখন সে তার গায়ে জল ঢেলে কুমীর হয়ে গেল। তার বউ তাই দেখে ভয়ে দৌড় লাগাল। আর দৌড়াতে গিয়ে আরেক ঘটি জল তার পায়ে লেগে পড়ে যায়। ফলে ঐ লোকটা আর মানুষ হতে পারে না। কুমীর হয়ে মধুমতী নদীতে চলে যায়। তারপর তার মা তার জন্য রান্না করে নদীর পাড়ে বসে গান গাইত, আর সে তার মায়ের গান শুনে নদীর পাড়ে উঠে আসত।

    এদেশে আগে পূর্ববঙ্গের ঐ অঞ্চলের লোকেরা দূর্গা পুজোর কিছুদিন পর কুমীর পুজো করত। এখন আর কুমীর পুজো হয় না। এখন শুধু দূর্গা পুজো হয়। ..... এদেশে বাঙালির দূর্গা পুজোয় এবং বিবাহ অনুষ্ঠানে পরম্পরাগতভাবে উত্তর ভারতীয় বা উত্তর প্রদেশের সংস্কৃতির প্রভাব আছে। যে উত্তর ভারতীয় সংস্কৃতি মড়োয়ারি বা গুজরাটি সমাজে কম প্রভাব বিস্তার করেছে। এবং যে উত্তর ভারতের সংস্কৃতি পূর্ববঙ্গের সংস্কৃতিতে ছিল না। কিন্তু শিল্প থেকে শুরু করে সংস্কৃতি, কোন কিছুতে কি পূর্ববঙ্গীয় বৈচিত্রপূর্ণ সংস্কৃতির কোন ছাপ আছে? শুধু পূর্ববঙ্গ নয়। পশ্চিমবঙ্গের উত্তর বঙ্গের সেই পোলিয়া সমাজ। যারা টমেটো খায় না। কিন্তু নাল বেগুন খায়। তাদের কোন ছাপ আছে? যারা দূর্গা পুজো থেকে শুরু করে বর্তমান চাপিয়ে দেওয়া বাঙালি সংস্কৃতিকে তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি বলে মনে করে। পশ্চিমবঙ্গে তাদের সংখ্যা কত হবে? খুব বেশি হলে 45% - 55%। সুতরাং পশ্চিমবঙ্গে 45% বা তার বেশি সংখ্যক মানুষ আছে, দূর্গা পুজো মূলগতভাবে যাদের সংস্কৃতি ছিল না। কিন্তু বর্তমানে হয়ে গেছে। আর যাদের ভেতর থেকে দূর্গা পুজো সমাজে ছড়িয়েছে, তাদের সংখ্যা 10% - 15% এর বেশি নয়। সুতরাং বাঙালি সমাজ সংস্কৃতিগতভাবে নিজেরাই সংগঠিত নয়। এবং সেটা হওয়া সম্ভবও নয়। বাঙলার বৈচিত্রপূর্ণ সংস্কৃতির জন্য। তাহলে এমতবস্থায় সংস্কৃতিগতভাবে কিভাবে বাঙালি সমাজ এক হবে? .... অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গে এমন অনেক অঞ্চল আছে যেখানে সংস্কৃতি তথাকথিত বাঙালিদের মত নয় বরং অনেক বেশি বিহারীদের মত। তার মধ্যে একটি হল উত্তরবঙ্গের ঘাটোয়াল সম্প্রদায়। এবং তারা প্রত্যেকেই বাংলার ভূমিপুত্র আদিবাসী। বাংলার বেশিরভাগ আদিবাসীরা আগে শাখা সিঁদুর পরত না। এখন পরে। তাদের মধ্যে এখনো অনেক ছেলে মেয়েরা নিজেরা নিজেদের পছন্দ করে, বিয়ে না করেই একসঙ্গে থাকে, সংসার করে। যখন তাদের ছেলে মেয়েরা বড় হয়ে যায়, সেই ছেলে মেয়ে বৃদ্ধ মা বাবার বিয়ে দেয়। এরকম বিয়ে আমি নিজে দেখেছি, সাঁওতাল সম্প্রদায়ের কাছে গিয়ে, এই পশ্চিমবঙ্গে। এবং সেই বিয়ের সাথে বাঙালি বিয়ের কোন মিল নেই।

    ভাষাগত ঐক্য ও সমাধান: বৈচিত্রপূর্ণ সংস্কৃতি ও বৈচিত্রপূর্ণ ভাষা সত্ত্বেও পূর্ব ও পশ্চিম বঙ্গের লোকেরা এবং বিভিন্ন জাতি উপজাতির লোকেরা বাংলা বোঝে ও বাংলায় কথা বলতে পারে। ভারতীয় সংবিধান অনুসারেও রাজ্যগুলিকে ভাগ করা হয়েছে ভাষাগত দিক থেকে। ..... কিন্তু ভাষাগত ভাবেও বাঙালির সেই ঐক্য দেখা যায় না। তার একটা অন্যতম কারন হল, বাঙালিদের এই বিভিন্ন উপজাতির মধ্যে কোন মতবিনিময় বা ডায়লগ নেই। আছে একদিক থেকে চাপিয়ে দেওয়ার একটা প্রবণতা। আমাদের বাংলার চেয়ে উত্তর ভারতে ও অন্যান্য অনেক রাজ্যে বর্ণব্যবস্থা জনিত সমস্যা, উচ্চ নিচ ভেদাভেদ অনেক বেশি। সেই তুলনায় আমাদের পশ্চিমবঙ্গে কম। তবুও বাঙালি সমাজ সংগঠিত নয়। কারন বাঙালি উপজাতিগুলোর মধ্যে কোন dialogue নেই। যেটা ভাষার মূল কাজ। ..... যদি আমার পায়ের সমস্যা থাকে, আর আমি প্রচন্ড জোরে দৌড়াতে চাই, খুব স্বাভাবিক হোঁচট খাব। জোরে দৌড়াতে গেলে আগে পায়ের সমস্যাটা ঠিক করতে হবে।

    তার জন্য শুধু সাবঅল্টার্ন স্টাডি করলে হবে না। সাবঅল্টার্নদের মূলধারায় জায়গা দিতে হবে। যেটা পশ্চিমবঙ্গে হয় নি। যারা ভাষা ও সংস্কৃতির জগতে এই সাবঅল্টার্ন সংস্কৃতিকে তুলে ধরে, তারা আজ পর্যন্ত কেউ সাবঅল্টার্ন সমাজ ও সংস্কৃতিকে খুব raw বা কাঁচাভাবে তুলে ধরতে পেরেছে বলে মনে হয় না। বরং কোলকাতার তথাকথিত ভদ্রবিত্তের শুচিতার মোড়কে মুড়ে উপস্থাপন করা হয় বলেই মনে হয়। ..... আজকে আমি দুটো সিনেমা দেখেছি। দুটোই বাণিজ্যিক উদ্ভট অ্যাকশন গোছের সিনেমা। একটা হল তামিল সিনেমা "জেলার ২"। আরেকটা বাংলা সিনেমা "বহুরূপী"। এই দুটো সিনেমার মধ্যেও "জেলার ২" বেশি উদ্ভট, আজগুবি ও তৃতীয় শ্রেণীর। কিন্তু সেই আজগুবি সিনেমার মধ্যেই দক্ষিণ ভারতীয় কালচার। বিশেষত ট্রাইবাল কালচারকে অসাধারনভাবে তুলে ধরেছে। সিনেমার প্লট ট্রাইব কেন্দ্রিক ছিল না। তবুও তুলে ধরেছে। এবং সবথেকে ভাল লেগেছে, একটা উদ্ভট অ্যাকশন সিনেমার মধ্যে তুলে ধরেছে। এটা অনেক বেশি কঠিন কাজ। এর অর্থ ওটাই তামিলদের দৃষ্টিভঙ্গি। যে জায়গায় আমরা পৌছাতে পারিনি। অন্যদিকে "বহুরূপী" বাংলার ট্রাইব কেন্দ্রিক সিনেমা। প্লট খুব ভালো না হলেও জঘণ্য নয়। যদিও তৃতীয় শ্রেণীর অ্যাকশন বাণিজ্যিক সিনেমা। তবুও সিনেমার মধ্যে কন্টেন্ট ছিল। কিন্তু বাংলার ট্রাইবাল কালচারকে একেবারেই তুলে ধরতে পারেনি। এবং এর আগেও বাংলা সিনেমায় যে বাংলার ট্রাইবকে এবং ট্রাইবাল সংস্কৃতিকে অসাধারনভাবে তুলে ধরা হয়েছে, সেটাও দেখিনি। এমনকি বিশ্ববরেণ্য পরিচালকরাও পারেনি। অর্থাৎ বাঙালিদের দৃষ্টিভঙ্গি ডেভলপই করেনি। এই ডেভলপমেন্ট ছাড়া বাঙালি জাতিসত্তার জন্য লড়াই অসম্ভব। এটাই আগের কাজ, বাঙলা ভাষাভাষির সমস্ত মানুষের মধ্যে একটা dialogue তৈরি করা। যেটা গোবলয়েও আছে কিন্তু আমাদের মধ্যে নেই। সেজন্য গোবলয়েও আর্টিকেল 15 এর মত সিনেমা তৈরি হয়। কিন্তু বাংলায় হয় না। আর দক্ষিণে তো তৃতীয় শ্রেণীর সিনেমাগুলোকেও অসাধারন আঞ্চলিক ছাপ দেয়। তার মধ্যে জঙ্গল- দ্য ব্যাটেল গ্রাউন্ড, পান্ডব- দ্য পাঞ্চ, কান্তারা ১ উল্লেখযোগ্য। ..... বাংলার নিজের বিভিন্ন আঞ্চলিক বিষয়, যেগুলো বাবু কোলকাতার বিষয় নয়। বাঙালি সেগুলো যদি মূলধারায় না নিয়ে আসতে পারে, তাহলে অর্থনৈতিক শ্রেণী সংগ্রাম ছাড়া বাঙালির অধিকারের লড়াইয়ের জন্য অন্য কোন উপাদান থাকবে না।

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। দ্বিধা না করে মতামত দিন।