এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  স্কুলের খাতা

  • প্রসঙ্গ ; FOMO PARENTING -- উৎকন্ঠিত অভিভাবকতা

    Somnath mukhopadhyay লেখকের গ্রাহক হোন
    স্কুলের খাতা | ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ | ৩২৯ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • প্রসঙ্গ : FOMO PARENTING – উৎকন্ঠিত অভিভাবকতা

    বিকেল বেলা। খিড়কির দরজা খুলে সামনের চাতালে একটু হাঁটাহাঁটি করছি। হঠাৎ গোপালের সঙ্গে চোখাচোখি হয়ে গেল। গোপালকে আপনারা অনেকেই হয়তো চেনেন আমার সামান্য কিছু লেখালেখির সূত্রে। গোপাল অতি সুবোধ বালক। নিজের আনন্দে মজে থাকতে ভালোবাসে। গোপাল আমাকে দেখেই একগাল হেসে বলল – ”হাই দাদু! সকালে তোমাকে আজ দেখিনি কেন?” আমি বলি – “এখন তো দেখা হলো।” দু কদম এগিয়ে এসে কাছ থেকে গোপাল দর্শন করতেই হুঁশ ফেরে। আরে! এতো আমার চেনা পোশাকের গোপাল ঠাকুর নয় ! এযে নবকলেবরধারী ! আমি নতুন কোনো প্রশ্নের সামনে তাকে দাঁড় করানোর আগেই গোপাল গলগলিয়ে সব কথা বলে দেয় নির্দ্বিধায় – “ক্যারাটে শিখতে চললাম সুরেশ পল্লিতে। কালকেই এই ড্রেসটা কিনে এনেছি। আমাকে কেমন লাগছে বলতো?” একথা বলেই – হু হা ইয়াও, বলে হাত পা ছুঁড়ে মায়ের সঙ্গে চললো ক্যারাটে ক্লাবে।

    গোপাল তার মা বাবার ‘একলৌতা বেটা‘, হয়তো তাই তার ভবিষ্যৎ নিয়ে অভিভাবকদের অনেক অনেক স্বপ্ন। আমি গোপালের গমন পথের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে ভাবছিলাম গোপালের নানা বিদ্যায় পারঙ্গম হয়ে ওঠার বিপুল কর্মযজ্ঞের কথা – গোপাল গান শেখে, ছবি আঁকা শেখে, দাবা খেলা শেখে, আবৃত্তি শেখে। এসবের সঙ্গে যোগ হলো ক্যারাটে শেখা। একদিন ফাঁকা পেয়ে গোপালের মা কে জিজ্ঞেস করলাম এই ক্যারাটে শেখার প্রেক্ষাপট। খানিকটা উদ্বেগের সঙ্গেই সে বলে – “ওর অনেক বন্ধুতো আর‌ও কত কিছু শেখে। সেই তুলনায় গোপাল এখনও অনেক পিছিয়ে আছে। একালে কে আর পিছিয়ে রাখে নিজের ছেলেকে? তাইই…।” পাছে আবার আমার নতুন প্রশ্নের সামনে পড়তে হয়, তাই গোপালের মা গেট খুলে ভেতরে ঢুকে যায়। আমিও তেমনটাই করি।

    সন্তানকে সবদিক থেকে উপযুক্ত করে তুলতে অভিভাবকত্বের এই ধারাকে বলা হয় FOMO parenting বা উৎকন্ঠায় ভরা অভিভাবকতা – Fear Of Missing Out Parenting। নিজের নিজের সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত অভিভাবকদের মধ্যে একধরনের অনিশ্চয়তা সতত সক্রিয় থাকে। প্রতিযোগিতাপূর্ণ পরিবেশে কেবলমাত্র গুটিকয় বাড়তি দক্ষতার অভাবের কারণে তাঁদের সন্তান পাছে অন্যদের থেকে পিছিয়ে পড়ে, এই আতঙ্ক থেকেই ছেলেমেয়েদের সবসময় বিচিত্র ধরনের কাজকর্মের মধ্যে ডুবিয়ে রাখা। এখানে সন্তানদের ভালো লাগা মন্দ লাগার কোনো প্রশ্নই নেই। বাবা মায়ের ইচ্ছেকেই তাদের ইচ্ছে বলে মেনে নিতে হয়। এই প্রজন্মের শিশুরা জন্ম ইস্তক রোবোট,বাবা মায়ের সেট্ করে দেওয়া প্রোগ্রামিং অনুসারেই তাদের নড়া চড়া, ওঠা বসা, ভালো লাগা মন্দ লাগা।

    কয়েক বছর আগের কথা বলি। রাস্তায় হঠাৎ করেই দেখা হয় আমার পরিচিত এক মানুষের সঙ্গে। বললাম – “এই অসময়ে কোথা থেকে? ভদ্রলোক সামান্যতম বিব্রত বোধ না করেই জবাব দিলেন – “পূষণকে অ্যাবা…. এ দিয়ে এলাম। অঙ্কটাতো ভালো করে শিখতে হবে। এরপর ওর মা ওকে নিয়ে যাবে কম্পিউটার ক্লাসে। তারপর যাবে….।” ভদ্রলোককে মাঝপথে থামিয়ে আর্তনাদের কন্ঠে বলে ফেলি – তাহলে পূষণ বাড়ি ফিরবে কখন? একটু আরাম করবে কখন? ভদ্রলোক সামান্যতম বিচলিত না হয়ে উত্তর দিলেন – আরাম হারাম হ্যায়। আমি না গান্ধীজির কথা’। এটা বলেই তিনি হনহনিয়ে হাঁটা দিলেন। আমাদের সন্তান অন্যদের থেকে পিছিয়ে পড়বে প্রতিযোগিতার ময়দানে এটা কোনো অভিভাবক‌ই মেনে নিতে পারেন না, আর তাই প্রতিদিন তথাকথিত ‘অ্যাক্টিভিটির’ বহর বাড়িয়েই চলেছেন অভিভাবকরা।

    আপনাদের দশ বছরের সৃষ্টির ব্যস্ত রুটিনের কথা বলি। সৃষ্টিরা দিল্লির বাসিন্দা। সৃষ্টির মা কাবেরী দেবী মেয়ের ভবিষ্যৎ গড়ে দেবার দায়িত্ব পালন করছেন পরম নিষ্ঠার সঙ্গে। স্কুল ফেরতা সৃষ্টি প্রতিদিন বিকেলে সোজা চলে যায় জিমনেসিয়ামে। সেখানেই চলে ঘাম ঝরানো প্রশিক্ষণ। এরপরও আছে টেবিল টেনিস ও স্যুইমিং এর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা। প্রতিদিন এমন‌ই হাড়ভাঙা পরিশ্রমের কোনো না কোনো ‘এ্যাকটিভিতে‘ নিজেকে ব্যস্ত রাখতে বাধ্য হয় সৃষ্টি। ক্লান্ত দেহ মনে বাড়ি ফিরে হোম‌ওয়ার্ক কিংবা প্রজেক্টের কাজ শেষ করতে হয় সৃষ্টিকে। “গতবছর ইন্টার স্কুল স্যুইমিং কম্পিটিশনে একটুর জন্য কোয়ালিফাই করতে ব্যর্থ হয় সৃষ্টি। এরফলে সৃষ্টি ভীষণভাবে ভেঙে পড়ে, ডিপ্রেশনে চলে যায়। নিজে নিজেই ঠিক করে আর‌ও কঠোর অনুশীলনে নিজেকে ডুবিয়ে দেবার। আমরা জানি যে এটা একধরনের চাপ যা মাথায় নিয়ে ওকে চলতে হবে। এই অবস্থা থেকে ওকে বের করে আনতে চাইলেও আমরা পারছি না কেবলমাত্র অন্যদের থেকে পিছিয়ে পড়ার ভয় আর উৎকন্ঠায়।”-- সৃষ্টির মা কাবেরীর জবানবন্দি।

    গল্পটা কেবল সৃষ্টির মা কাবেরীর নয় । এই গল্পের পটভূমি সুবিস্তৃত প্রায় সব ঘরেই। প্রতিবেশীর সন্তানের থেকে যাতে তাঁর নয়নের মণি রাজকুমার বা রাজকন্যা কোনো ভাবেই সামান্য পিছিয়ে না পড়ে সেজন্য অভিভাবকরা সকলেই উদ্বেগাকুল। একালের প্রজ্ঞা, তুলসী, অনুরাধা, সোনালি কিংবা ঝুমা সবার‌ই এক হাল।সকলেই এক আশ্চর্য ফিয়ার সাইকোসিসে ভুগছেন।অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞেরা অভিভাবকদের এই যন্ত্রণাদায়ক আতঙ্কগ্রস্ত মানসিকতাকেই চিহ্নিত করেছেন FOMO Parenting বলে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিজেদের ছেলেমেয়েকে এভাবে সদা ব্যস্ত রাখার বিষয়টি শুধু যে তাঁরা নিজেদের ইচ্ছামতো করছেন তা কিন্তু নয়, সামাজিক মাধ্যমের প্রবল চাপ তাঁদের একরকম বাধ্য করছে ছেলেমেয়েকে এক বিস্ময়কর প্রতিভা হিসেবে বিকশিত করতে – যে বা যারা হয়ে উঠবে চৌকস, সর্ববিদ্যা পারঙ্গম। ভাবিষ্যতে কোনো কিছুই আর তাদের কাছে অজানা থাকবে না।

    এমন‌ই আরেক অভিভাবিকা হলেন জাগৃতি। নিজের ছেলেকে এখনও স্কুল থেকে নিতে যান তিনি। সেখানেই অভিভাবক অভিভাবিকাদের গুলতানির আসর থেকে উঠে আসা নানান চিন্তা, উপদেশ, পরামর্শ তাঁকে নতুন নতুন বিষয় নিয়ে ভাবতে বাধ্য করে। জাগৃতি যখন শোনে তাঁর বান্ধবী ভাবনার ছেলে অরবিন্দ ওয়েস্টার্ন মিউজিক শেখে কিংবা আশার মেয়ে নেহা ভারতনাট্যম শেখার সাথে সাথে লন টেনিস খেলা শিখছে তখন সে খানিকটা গুটিয়ে যায়। সে বুঝে উঠতে পারে না যে ছেলেকে এমন সব অ্যাক্টিভিটির মধ্যে জড়িয়ে রাখাটা কতটা জরুরি। এখান থেকেই তাঁর মনের মধ্যে টানাটানি শুরু হয়ে যায়। জাগৃতি বুঝতে পারেন না ছেলের ভবিষ্যত গড়তে ঠিক কত রকমের অ্যাক্টিভিটির সঙ্গে যুক্ত করে দেওয়াটা খুব জরুরি। তাঁর আশঙ্কা, ভবিষ্যতে ছেলে হয়তো এই ব্যাপারে তাঁদের দোষ দেবে। সন্তানকে সবদিক থেকে উপযুক্ত করে তোলার এই প্রবণতা নতুন নয়। বহুদিন থেকেই তার লালন পালন পরিপোষণ হচ্ছে অভিভাবক মহলে, তবে একালে এমন কর্মকাণ্ড নতুন গতি পেয়েছে ঘরে ঘরে। এমন‌ই অভিমত মনোবিদদের।

    মানুষের জীবনে যত বেশি করে বিচ্ছিন্নতা বাড়ছে ততই যেন ছেলে মেয়েদের মনের মতো গড়ে পিটে নেবার জন্য অভিভাবকদের ছোটাছুটি বাড়ছে। একালে Jack হয়ে উঠতে হবে সকলকেই যাতে কাজের বাজারে পিছিয়ে পড়তে না হয়। একালে এসে সকলেই চাইছেন তাঁদের সন্তানরা Jack of all trades হয়ে উঠুক। সব ক্ষেত্রেই তারা হয়ে উঠুক সত্যিকারের চ্যাম্পিয়ন। এখানেই সমস্যার শুরু। এক ধরনের শূন্যতা বোধের তাড়নায় অভিভাবকদের মধ্যে জন্ম নিচ্ছে FOMO Parenting । তাঁরা মনে করছেন কেবলমাত্র ভালো পড়াশোনা করলেই হবে না, সন্তানকে সবকিছুতেই সেরা হয়ে উঠতে হবে। অমুকের ছেলে বা তমুকের মেয়ে যদি পড়াশোনায় ভালো হবার সাথেসাথে নাচ, গান, সাঁতার, দাবা খেলা এসবেও দক্ষ, কুশলী হয়ে ওঠে, তাহলে আমার ছেলে বা মেয়ে কেন পারবে না? তাকে পারতেই হবে। অনেক ক্ষেত্রে আবার ছেলে মেয়েরা নিজেরাই ঠিক করছে কোন বিষয়ের তালিম নেবে।

    আমার খুব পরিচিত এক পরিবারের একমাত্র সন্তানটি তবলায় তালিম নিতে নিতে ঠিক করলো, এসবে হবে না, ড্রাম বাজানো শিখতে হবে। ছেলের জন্মদিনে বাবা বেশ কিছু অর্থ বিনিয়োগ করে ছেলেকে ড্রাম সেট্ উপহার দিলেন। নতুন মাস্টারমশাই এলেন ড্রাম বাজানো শেখানোর জন্য। সবকিছুর পেছনেই লেগে র‌ইলেন অভিভাবকরা কেননা তাঁরা ছেলেকে শিবামণি হিসেবে দেখতে চান সবাইকে ছাপিয়ে। শেষটুকু আর বলছি না। সবাইকে টপকে যেতে হবে – এই দর্শন এখন তাড়িয়ে ফিরছে অভিভাবকদের। সার্কাসের ট্রাপিজের খেলার মতো একটা ছেড়ে আরেকটাকে ধরতে গিয়ে সবটাই কেমন গোলমেলে হয়ে যাচ্ছে। সফলতা কি তাহলে পাচ্ছে না কেউ? পাচ্ছে, তবে শতাংশের হিসেবে তা হয়তো উল্লেখ করার মতো যথেষ্ট নয়। ছেলেমেয়েরা অধিকাংশ সময়ই Jack হয়েই ইনিংস শেষ করছে বা করতে বাধ্য হচ্ছে, Master হ‌ওয়া আর তাদের হলো না। এ যেন সেই পুরনো প্রবচনের কথা মনে করিয়ে দেয় – সাত মণ তেল পুড়িলো, কিন্তু রাধা নাচিলেন না। অভিভাবকরা এমন লোকসান মেনে নিতে বাধ্য হচ্ছেন এক রাশ ব্যথা নিয়ে।

    বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে এমন একটা অবস্থার জন্য অনেকখানি দায়ি অতি সক্রিয় সমাজ মাধ্যম। এখানে নিরন্তর এক স্বপ্নঘোর পরিণতির ছবি আঁকা হচ্ছে যা দেখে উন্মন হয়ে উঠছে নবীন প্রজন্মের শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা। এ যেন সেই মায়া হরিণের পেছনে ছোটা – তোরা যে যা বলিস ভাই, আমার সোনার হরিণ চাই। এ এক মোহগ্রস্ততা।

    অভিভাবকরা মনে করছেন যেন তেন প্রকারে ছেলেমেয়েদের বহুমুখী প্রতিভার বিকাশ ঘটাতে, আর তা করতে গিয়ে বাড়তি চাপের বোঝা কাঁধে তুলে নিচ্ছেন তারা। সেই চাপ প্রকারান্তরে গিয়ে পড়ছে সন্তানের ওপর। এরফলে এক মানসিক দ্বন্দ্বের শিকার হচ্ছেন সকলেই। এমনটা কখনোই কাম্য নয় কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে এটাই ঘটছে। এ যেন নাকের বদলে নরুন পাওয়া। এই ছোটাছুটি পরিশ্রমের ছাপ পড়ছে শরীর স্বাস্থ্যে।

    FOMO Parenting এর ফলে অভিভাবকদের খরচের বহর‌ও বেশ কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। এমনিতেই অসরকারি স্কুলগুলোতে পঠনপাঠনের খরচ আকাশ ছোঁয়া, তার ওপর এমন আশঙ্কিত অভিভাবকত্বের দায় মেটাতে হাত উপুড় করে খরচ করতে হচ্ছে। “আমাদের দুই ছেলে। বড়ো জন রোবোটিক্সের একটা কোর্স করছে, আর ছোটো ছেলের পছন্দ দাবা খেলা। এই বাবদ প্রতি মাসে আমাদের বাড়তি ২২০০০ টাকা খরচ করতে হয়। এছাড়াও তাদের দুজনের ক্রিকেট কোচিং সেন্টারের খরচ মেটাতে হয়। তাও নেহাৎ কম নয়।” – এমনটাই জানিয়েছেন শ্রীমতী মায়ারা খান্না, গুরুগ্রামের এক অভিভাবিকা।

    খুব চেনা বিষয়কে এড়িয়ে একটু ভিন্ন পথের পথিক হতে চাইলে খরচের বহর আরও বেড়ে যায় স্বাভাবিক নিয়মেই। অভিভাবক অনিল জৈনের ১১ আর ৭ বছর বয়সি দুই মেয়ে ঘোড়ায় চড়া শিখছে। তার খরচ সামলাতে হচ্ছে তাঁকে। আসলে এর মধ্যেও সামাজিক গরিমার এক স্তরায়ন ভাবনা নিহিত আছে। অভিভাবক মহলে ছেলে বা মেয়ে দাবা খেলা শিখছে বললে যে অনুভব হবে স্নুকার বা লন টেনিস শিখছে বললে তার প্রাইড ভ্যালু অনেক অনেক বেশি। এই মোহের তাড়নাতেও ছুটে চলেছেন কেউ কেউ। এই শ্রেণির সংখ্যা কিন্তু বেড়ে চলেছে।

    এখনকার এই প্রবণতার সঙ্গে আমাদের সময়ের তুলনা করা বৃথা। স্কুল থেকে ফিরে জামা প্যান্ট ছেড়েই মাঠে গিয়ে বন্ধুরা সবাই মিলে হৈচৈ করে ফুটবল, ক্রিকেট, কবাডি, গাদি বা দাড়িয়াবান্ধা খেলা। ওতেই ছিল অপার আনন্দ। এজন্য আমাদের অভিভাবকদের বাড়তি কিছু খরচ করতে হয় নি। সত্যি কথা বলতে কি তাঁদের তেমন সামর্থ্য‌ও ছিলো না। আমরা আমাদের মতো করেই বেড়ে উঠেছি। আসলে ঐ সময় আমাদের অভিভাবকরা বোধহয় আশঙ্কিত অভিভাবকত্বের দায় মেটাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন নি, হামলে পড়েন নি আমাদের কেউকেটা করে গড়ে তুলতে। আক্ষেপ করে লাভ নেই। সেই সোনালি রুপালি দিনগুলো আমাদের ছেড়ে চলে গেছে অনেক আগেই। কি পাইনি তার হিসাব মেলাতে মন মোর নহে আজ রাজি।
     
    **সমভাবনার কিছু লেখা। পড়ে দেখুন।
    https://thedoctorsdialogue.com/six-pocket-syndrome/
     
    ttps://thedoctorsdialogue.com/snowplow-syndrome/
     
    https://thedoctorsdialogue.com/education-society-expectatiob-and/
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • স্কুলের খাতা | ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ | ৩২৯ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    মাংস - অরিন
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • অরিন | ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ২৩:৩৬736755
  • কি সাংঘাতিক! 
    আমি হেলিকপ্টার পেরেন্টিং বলে একটি বিষয় জানতাম, মানে অতি সক্রিয় অভিভাবকত্ব, FOMIO র কথা এই প্রথম জানলাম। বাচ্চাদের ওপর এর একটি মানসিক প্রভাব পড়ে নিশ্চয়ই। এ নিয়ে কী কাজ হয়েছে?
  • Somnath mukhopadhyay | ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ২৩:৫৩736757
  • প্রথম প্রতিক্রিয়া জানানোর জন্য ধন্যবাদ জানাই অরিন বাবুকে। পেরেন্টিং নিয়ে এইটি বোধহয় আমার চতুর্থ লেখা গুরুর পাতায়। এখন সন্তানদের নিয়ে হরেক রকমের পরীক্ষা নিরীক্ষায় মজে রয়েছেন অভিভাবকরা। এই ধারায় FOMO PARENTING হয়তো অন্যতম সংযোজন। মনোবিদরা নিয়ত পরিবর্তনশীল অভিভাবকত্বের সীমারেখা নিয়ে কাজ করে চলেছেন।আমরা গুরুর চেলারা এখানে শুরু করলাম। ভালো থাকবেন।
  • অরিন | ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫ ০০:২৭736758
  • বাচ্চাদের ফ্রি প্লে র সময় কেড়ে নেওয়াতে বেচারাদের মানসিক ক্ষতি হচ্ছে, এটা মা বাবাদের বোঝা উচিত। এবং এই hyperscheduling এর প্রভাব কতটা বা আপনি এই নিয়ে কিছু দেখেছেন কিনা জানবার জন‍্য লিখেছিলাম। ভারতে এখন ADHD র হার দেড় থেকে ২৮ শতাংশ, এর পেছনে শিশুকাল থেকে hyperscheduling এর প্রভাব যে নেই কে বলতে পারে? তবে যে ব্যাপারটি আপনি লিখেছেন মূলত শহরাঞ্চলের সমস্যা, তাই কি?
     
    পেপার 
     
  • Somnath mukhopadhyay | ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫ ০৭:২৩736761
  • সমস্যার‌ও এখন শ্রেণি চরিত্র প্রকাশ পাচ্ছে। শহুরে অভিভাবকরা সন্তানের ভবিষ্যৎ নির্মিতির বিষয়ে অতি তৎপর,অতি সচেতন। অন্যদিকে গ্রামের সাধারণ থেকে অতি সাধারণ পরিবারের অভিভাবকরা রুটি রুজির লড়াইয়ের জন্য এতোটাই ব্যস্ত থাকেন যে সন্তানদের ওপর নজরদারি করার সুযোগ তাঁরা পাননা। পরিসংখ্যান বলছে বিগত পাঁচ বছরে সারা দেশে প্রায় ৬৬ লক্ষ পড়ুয়া স্কুল ছেড়েছে বহুবিধ কারণে যার অর্থ এদের ওপর কোনো রকম অভিভাবকত্বের চাপ নেই।আর তাই হেলিকপ্টার পেরেন্টিং,স্নো প্লাউ পেরেন্টি্ং বা ফোমো প্যারেন্টিং এখনও পর্যন্ত নিতান্তই শহর , শহরতলির অভিভাবকদের সমস্যা হিসেবে আটকে আছে। তবে সেখানে এটা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। বেশ কয়েকবছর আগে আমার জেলা সদরের এক স্কুলে হর্স রাইডিং শেখানোর আয়োজন দেখেছিলাম ফেলো কড়ির শর্তে। এ জগত মায়াময় শুধু নয় মোহময়‌ও বটে।
    চলুক আলোচনা।
  • সৌমেন রায় | 2409:40e1:10f2:f5cf:8000::***:*** | ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫ ১০:২৮736765
  • বিষয়গুলি অল্পসল্প পরিচিত হলেও তাদের নাম ও মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ পড়ে জানছি অনেক। ব্যক্তিগত হলেও কিছু প্রাসঙ্গিক কথা মনে পড়ছে। আজ থেকে 25 বছর আগে পারেন্টিংয়ের কিচ্ছু জানতাম না। বুকে জড়িয়ে ছিল একটা বুনো গন্ধ আর সামান্য বোধশক্তি।তার জোরেই শহরের বাসিন্দা হয়েও অবাকাস, ক্লাসিক্যাল সং, ক্রিকেট কোচিং ,বিষয়ভিত্তিক টিউশন ইত্যাদি থেকে সন্তানকে আগলে রেখেছিলেন যাতে সে মনের আনন্দে খেলতে পায়, গল্পের বই পড়তে পারে। অনেক সামাজিক ও পারিবারিক চাপ সহ্য করতে হয়েছিল। ব্যর্থতার সমূহ সম্ভাবনা ছিল। এ যাত্রা রথি সারথির ভরসা আর বিশ্বাসের অমর্যাদা করেনি।এখন অবশ্য সময় আরো পাল্টে গেছে।এখন সামলাতে পারতাম কিনা জানিনা 
  • Somnath mukhopadhyay | ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫ ১২:২৫736770
  • সেদিন গিয়েছে চলে কুড়ি কুড়ি বছরের পার। একটি শিশু হলো ছোট্ট একটা চারাগাছের মতো। অভিজ্ঞ মালিরা জানেন কখন গাছে জল দিতে হবে সার দিতে হবে। শুরুর সময়ে তাই গাছকে আলো বাতাস ভোরের শিশিরের সঙ্গে স‌ইয়ে নেওয়া হয় যাতে পাকাপোক্ত হয়ে গাছ সত্যিকারের ফলদায়ী, ফুলদায়ী হয়। এখন বীজ বপনের পর থেকেই সার জল কীটনাশক প্রয়োগ করা হচ্ছে। তাই আয়োজনের আড়ালে চারাগাছ আর ডালপালা মেলে ধরতে পারে না।
    সব‌ই তেনার লীলা রায় মশাই। আমরা নিমিত্ত মাত্র।
  • শর্মিষ্ঠা লাহিড়ী। | 2405:201:8016:d5:c036:262b:6111:***:*** | ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ ০০:৩১736780
  • সত্যিই আজকাল কত নতুন শব্দ, নতুন ভাবনা নতুন তাড়নার সাথে পরিচিত হয়ে উঠতে হচ্ছে। এতে আমাদের শব্দ কোন সমৃদ্ধ হচ্ছে কিনা জানি না কিন্তু জীবনযাপন খুব জটিল থেকে জটিলতর হয়ে  উঠছে। ছোট সুখ, চাওয়া পাওয়ার ব্যাপ্তি এখন বহু দূর ব্যপী। যাক আমাদের সময়টাই সহজ ছিল না বলে সময়ের ঘাড়েই এর বিবেচনার ভার ছেড়ে দিলাম।
  • Ritabrata Gupta | 103.68.***.*** | ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ ০৮:৩৮736781
  • আমরাও লেখাপড়া করেছি। আমাদের শিক্ষকরা অবশ্য আমাদের মানুষ করার দায়িত্ব নিয়েছিলেন। আমরা তাই মোটামুটি মানুষ হতে পেরেছি। গ্ল্যাডিয়েটর নই আমরা ! আর বাড়ির লোকেরাও চাইতেন না তা। তাঁরা শিক্ষকদের হাতে তুলে দিয়ে নিশ্চিন্ত ছিলেন। আজ পঞ্চাশোর্ধ আমার জীবনটি সম্পূর্ণ শিক্ষকদের দ্বারা তৈরি। তাঁরা খুব খারাপ কিছু করেছিলেন বলে মনে হয় না ! জানিনা এই প্রজন্মের গ্লাডিয়েটরদের কি হবে !
  • Somnath mukhopadhyay | ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৬:৪১736791
  • @ শর্মিষ্ঠা দেবীকে বলি জানা আর শেখার তো শেষ নেই। আজকাল কেউই অল্পে খুশি হ‌ইনা। ছোটোবেলা থেকেই সেই খুড়োর আশ্চর্য কলের মতো কিছু বাছাই করা স্বপ্ন চোখের সামনে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। তারপর কেবলই ছুটিয়ে নিয়ে যাওয়া। অসম্ভব কে সম্ভব করতে গিয়ে নাকাল হচ্ছে সবাই। তবে তাতে ছোটার শেষ নেই। অভিভাবকত্বের এতো কায়দা কি আগে জানতাম!! 
     
    @ ঋতব্রত বাবু!  মুশকিল কোথায় জানেন? এ কালে মানুষ হবার কথা আর কেউ বলেনা। আর বিশ্বাস? সেটা যে একালে ক্রমশই উদ্বায়ী পদার্থ হয়ে উঠেছে। গ্লাডিয়েটরদের নিজের সঙ্গে নিজেকেই লড়তে হবে না তো? সেও কিন্তু এক লড়াই!
    ভালো থাকবেন সবাই 
     
  • দিয়ালী চট্টরাজ | 2409:40e0:2c:fc51:b495:e53e:a03f:***:*** | ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৫:১৩737114
  • যথার্থ 
  • DrSouravM | 2401:4900:122a:f597:ec75:a4cc:c71b:***:*** | ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৫:২৩737164
  • I believe personally every kid should concentrate on two to three things. 1. academics as in our socio economic system this is lifeline no matter how much we say academic knowledge is not everything- if one has to live a good productive life he has to get to the top.
    2. Definitely self defence- being in combat sports for past 7 years I understood only a few sports amongst those are actually beneficial in self defence and fitness- Boxing, Muay Thai, MMA. 
    To be honest Karate, kung-fu, tai-chi, aikido etc are neither uselful as self defence nor as physical fitness building tool. Bodybuilding in gym is the wordt cause that doesnt teach fighting and those bodies are like feathers on a peacock.
    Wrestling is a great physical combat sport but can't deal with multiple attackers.
    3. Any other soft art if the child likes- like singing, dancing, painting etc- though personally I am not interested in being in soft arts.
     
    Other things should come as an option mostly as a playtime or game like swimming, cricket, tennis, badminton etc. these should be played as playtime or leisure like we all do occasionally. Yes, if the kid loves to learn it as a sportsman then definitely to go for it, but not as a compulsive learning.
  • সৌম্যজিত রক্ষিত | 2409:4060:209f:353c::2140:***:*** | ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৫:১১737225
  • বড়োদিনের বিলম্বিত প্রণাম নেবেন দাদা ☺️
  • সৌম্যজিত রক্ষিত | 2409:4060:209f:353c::2140:***:*** | ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৫:১২737226
  • বড়োদিনের বিলম্বিত প্রণাম নেবেন দাদা ☺️
  • ভরত | 2409:4060:209f:353c::2140:***:*** | ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৬:২৪737229
  • FOMO parenting সত্যিই "সাংঘাতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা" ছাড়া আর কিছুই নয়। শিশুরা যে বয়সে খেলাধুলা করবে, নিজের চারপাশটাকে চিনবে, সেই সময়ে রীতিমতো তাদের হাতে গোলাবারুদ কার্তুজ ধরিয়ে দিয়ে একটা নামহীন যুদ্ধে নামিয়ে দেওয়া হয়। ভগবানের কৃপায় আমি দেবতুল্য মা, বাবা, আর আপনার মতো গুরু পেয়েছি, তাই আমাকে এই FOMO-মায়ায় জড়াতে হয়নি। অথচ মজার ব্যাপার, এত চাপ, এত প্রতিদ্বন্দ্বিতা, এত কড়াকড়ি ছাড়াই আগেকার দিনে মাত্র ১৬ বছর বয়সে মার্কণ্ড-রা দর্শন লিখে ফেলতেন, আর আকবর-রা রাজ্যপাট সামলাতেন!
  • Somnath mukhopadhyay | ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ২১:৪৭737247
  • এ তো মতামত নয় ,ভরতের আত্মদর্শন। সেকাল ছিল অন্য স্বপ্নে মোড়া। সেসব ভরত কবেই হারিয়ে গেছে। এখন সবাই দশ দিকেতে ধায়। নাইকো সে গুরু, ভরত হেন চেলা,হায়!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে মতামত দিন