এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  আলোচনা  পরিবেশ

  • কিছু হায়দ্রাবাদী সমস্যা ( তৃতীয় পর্ব )

    Somnath mukhopadhyay লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | পরিবেশ | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৮ বার পঠিত
  • কিছু হায়দ্রাবাদী সমস্যা ( তৃতীয় পর্ব )
     
    রাস্তা দিয়ে চলমান গাড়ির মিছিলে বেশ কয়েকটি জলের ট্যাঙ্কার দেখে গাড়ির স্টিয়ারিং সামলানো বাপ্পা কে শহরের জল ছবির হাল জানতে সেই ব্যাপারে মামুলি কিছু প্রশ্ন করেছিলাম।বাপ্পা কোলকাতার ছেলে , সুতরাং সেই শহরের জল সরবরাহ ব্যবস্থার সঙ্গে সে বিলক্ষণ পরিচিত। এখানে জলের সমস্যা কেমন?-- এমন একটা সাদামাটা প্রশ্ন শুনে খানিকটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে সে যা বললো তার মর্মার্থ হলো – শীতের পর্ব পুরোপুরি মিটতে না মিটতেই যখন রাস্তায় জলের ট্যাঙ্কের গতায়াত শুরু হয়েছে তখন সামনের গরমকালে না জানি কোন্ সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে ! সামনে এগিয়ে আসতে থাকা গরমকাল এখন থেকেই হায়দ্রাবাদের অধিবাসীদের মনে একটা আতঙ্কের পটভূমি তৈরি করতে শুরু করেছে। সমস্যাটা শুধু হায়দ্রাবাদের একার নয়, গোটা রাজ্যের, গোটা তেলেঙ্গানার। 
     
    তেলেঙ্গানা দেশের অন্যতম ধান উৎপাদক রাজ্য। সবাই জানি যে ধান একটি আর্দ্র ফসল, অর্থাৎ ধান চাষের জন্য প্রচুর জলের প্রয়োজন। রাজ্যে জলের জোগানে ক্রমবর্ধমান ঘাটতি রাজ্যের কৃষি সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে একটা বড়ো বাধা হয়ে উঠতে চলেছে। একসময় আমাদের কোলকাতাকে বলা হতো দ্যা সিটি অফ প্যালেস বা রাজপ্রাসাদের নগরী। আজকের হায়দ্রাবাদকে পাশে দাঁড় করালে কোলকাতার সাবেক চেহারাটাকে নিতান্ত‌ই খাটো বলে মনে হবে। নিজামী হায়দ্রাবাদ থেকে এই সময়ের আধুনিক হায়দ্রাবাদের সাইবারাবাদ হয়ে ওঠার ফলে স্বাভাবিকভাবেই তার পরিবেশের ওপর একটা অনাকাঙ্ক্ষিত চাপ এসে পড়েছে। এক সমীক্ষা রিপোর্টে বলা হয়েছে যে গোটা রাজ্যের ৬৫% ভৌম জলের ভাণ্ডার আজ নিঃশেষ হয়ে গিয়েছে। কোনো এলাকার ভৌমজল ভান্ডারের ৭০% উজাড় হয়ে গেলে তাকে অত্যন্ত বিপজ্জনক বলে গণ্য করা হয়। দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো গোটা রাজ্যেই এই সংকটের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। গবেষকরা জানিয়েছেন , বর্তমানে যে হারে মাটির গভীরে থাকা ভৌম জল তুলে নেওয়া হচ্ছে তা যদি অব্যাহত থাকে তাহলে আগামী ২০৪৭ সাল নাগাদ ১৩৩% ভৌম জলতলের মাত্রা হ্রাস পাবে। অবশ্য ২০৩৪ সাল নাগাদ সমগ্র তেলেঙ্গানা রাজ্য জল শূন্যতার কারণে zero day পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে পারে। এই প্রেক্ষাপটে দ্রুত গতিতে কংক্রিটের নিবিড় মোড়কে বেড়ে ওঠা রাজ্যের রাজধানী শহর হায়দ্রাবাদের জল সংকট কতটা তীব্র হবে তা বোধহয় বুঝিয়ে বলার প্রয়োজন নেই। 
     
    রাজ্যের মতো হায়দ্রাবাদের ভৌম জলের ভাণ্ডার‌ও প্রবল চাপের মুখে পড়েছে। তেলেঙ্গানার পাথুরে ভূপৃষ্ঠের মধ্য দিয়ে বৃষ্টির জল এমনিতেই সহজে প্রবেশ করতে পারে না ; তারপর নগরীর জাঁকজমকপূর্ণ বিকাশ করতে গিয়ে গোটা এলাকাই কংক্রিটের মোড়কে মুড়ে ফেলা হয়েছে। বৃষ্টির জল ঢুকবে কোথা দিয়ে? এর ফলে হায়দ্রাবাদের মানুষ জন গরমের সময় এগিয়ে আসছে দেখলে নানান আশঙ্কায় ত্রস্ত হয়ে ওঠে। শহরের ভেতরে মাটির নিচের জল নিঃশেষিত প্রায়। জল ব্যবসায়ীরা শহরের বাইরে থাকা এলাকা থেকে ট্যাঙ্কারে জল ভরে এনে শহরের আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের কাছে তা চড়া দামে বিক্রি করে। এতে করে নিত্যদিনের নানান ধরনের কাজের ব্যবহার্য্য জলের প্রয়োজন খানিকটা মিটলেও পানীয় জলের জন্য সেই জারিকেনে ভরা কোম্পানির জল‌ই ভরসা।
    বাপ্পার কথায় – কোলকাতার মানুষ জলের মূল্য বুঝতেই পারেনা। প্রচুর পরিমাণে জল নষ্ট করে প্রতিদিন। এখানে প্রতিদিন ঘর মোছা একধরনের বিলাসিতা। আমরা এখানে এসবের কথা ভাবতে পারিনা। আমাদের গরমের সময় মাসের বাজেট ফেল হয়ে যায় জল কেনার জন্য। 
     
    এভাবে চলতে থাকলে Day Zero যে খুব বেশি দিনের ব্যাপার হবে না তা বাপ্পার মতো প্রতিটি ভুক্তভোগী হায়দ্রাবাদবাসী বিলক্ষণ জানেন। ভৌম জলতলের অবস্থান অনুসারে হায়দ্রাবাদকে চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। ২০২৪– ২০২৫ সালে করা এক সমীক্ষা রিপোর্ট অনুযায়ী এই এলাকাগুলো হলো –
    ১, অতি আহৃত ভৌম জল এলাকা। শহরের একেবারে কেন্দ্রস্থলে থাকা গাচ্চিবৌলি, হাই টেক সিটি এলাকা এবং সারুরনগর সহ অন্যান্য শহুরে আবাসিক অঞ্চলে অতি উত্তোলনের ফলে ভৌম জলতলের অবস্থান সংকট সীমায় পৌঁছেছে। এই সব এলাকায় ভৌমজল ভান্ডারের প্রায় ১০০% ইতোমধ্যেই উত্তোলন করা হয়েছে। বিপুলসংখ্যক হাই রাইজ এ্যাপার্টমেন্ট এলাকার ঘন জনবসতিই এই অবস্থার জন্য দায়ী বলে মনে করা হচ্ছে। 
     
    ২.গভীর জলতল সীমা বিশিষ্ট অঞ্চল।এই এলাকার ভৌম জলতলের অবস্থান ভূপৃষ্ঠের ২০ মিটারের বেশি নীচে অবস্থিত। শেরিল্লিঙ্গমপল্লি ,সারুরনগর, মালকাজগিরি, কুকাটপল্লি,বাচুপল্লি এবং ডান্ডিগল – এসব এলাকার ভৌমজলসীমা অনেকটাই নীচে। অতি গরমের সময় এই সব অঞ্চলে জল পাওয়া সহজ নয়।
     
    ৩. উঁচু এলাকা/ পাথুরে এলাকা - এমন অঞ্চলে প্রাকৃতিক কারণেই ভৌম জলের জোগান সীমিত। উঁচু পাথুরে এলাকায় বৃষ্টির জল গড়িয়ে নেমে আসে, উপরন্তু কঠিন অপ্রবেশ্য শিলাস্তর জল সঞ্চয়ের জন্য অনুপযোগী। এর ফলে এই অঞ্চলগুলোতে নিঃশেষিত জল ভাণ্ডার বর্ষার জলে সেভাবে পরিপূরিত হয় না। গাচ্চিবৌলী, হাই টেক সিটি এবং কোন্ডাপুর - এর পরিস্থিতি এ রকম । এই সব এলাকায় ২০০– ৩০০ ফিট নীচে জলস্তরের অবস্থান। ফলে বোর‌ওয়েলের মাধ্যমে জল তুলে এনে প্রয়োজন মেটাতে হয়। এর থেকে কম গভীরতায় জল পাওয়া যায় না।
     
     
    সমস্যা বাড়ছে। পৃথিবীর জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে আঞ্চলিক বৃষ্টিপাতের বন্টনে বিরাট পরিবর্তন ঘটতে চলেছে।এই পরিবর্তনের প্রতিফল ভুগতে হবে হায়দ্রাবাদ সহ পৃথিবীর অনেক কংক্রিটের ভিড়ে ঠাসা জনপদকে। সাধারণ প্রবণতা থেকে দেখা গেছে যে হায়দ্রাবাদের–
     
    উত্তর প্রান্তীয় অংশে সাধারণ ভৌম জলতলের অবস্থান ভূপৃষ্ঠের ৪ – ৬ মিটারের মধ্যে।
     
    দক্ষিণ প্রান্তের অঞ্চলে ভৌম জলতলের অবস্থান ভূপৃষ্ঠের ২– ৪ মিটারের মধ্যে।
     
    সুতরাং একথা বুঝতে পারা যাচ্ছে যে নগরীর দক্ষিণের অঞ্চলগুলোতে জলতলের অবস্থান কিছুটা হলেও অনুকূল। 
     
    জলের কথা আলোচনা করতে বসলে কেবলমাত্র জলের জোগান প্রসঙ্গে আলোচনা করলে বোধহয় সবটা বলা হয় না, জলের গুণগত মান নিয়েও আমাদের দুচার কথা বলতেই হয়। এ ক্ষেত্রেও কিন্তু হায়দ্রাবাদের অবস্থান খুব নিরাপদ হয়তো নয়। জলবাহিত রোগের আঁতুরঘর হয়ে উঠেছে এই উদীয়মান নগরী। সমীক্ষা সূত্রে জানা গেছে যে এই মুহূর্তে দেশের প্রতি পাঁচজন টাইফয়েড আক্রান্ত রোগীর মধ্যে একজন অবশ্যই হায়দ্রাবাদের বাসিন্দা। এর পেছনের কারণগুলো খুঁজে পেতে খুব বেশি গবেষণার দরকার নেই।
     
    ভৌম জল ভান্ডার নিঃশেষ করার সাথে সাথে আমরা আমাদের পৃষ্ঠীয় জলের উৎসগুলোকে নষ্ট করে ফেলেছি। অথচ হায়দ্রাবাদের জলের জোগান অনেকটাই নির্ভর করে শহরের বিভিন্ন জলাশয়ে সঞ্চিত জলের ওপর। নিজামের শাসনকাল থেকেই এই ব্যবস্থা নগরীর মানুষের তৃষ্ণা নিবারণ করে আসছে। অতি সম্প্রতি ইন্দোরের মর্মান্তিক ঘটনার পর জোরকদমে খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে, যে ছয়টি জায়গা থেকে হায়দ্রাবাদের মানুষদের জন্য প্রায় ৮০% জল সরবরাহ করা হয় – ওসমানসাগর , হিমায়তসাগর, শিঙ্গুর, মঞ্জীরা, আক্কামপল্লি ( কৃষ্ণা ), এবং শ্রীপুর ইয়েল্লামপল্লি (গোদাবরী ) – তার চারটির জলেই বিপুল পরিমাণ কলিফর্ম ব্যাক্টেরিয়ার উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে যা যেকোনো সময় বড়ো রকমের বিপর্যয় ঘটাতে পারে। এই উৎসগুলো থেকে প্রতিদিন ৬০০ মিলিয়ন গ্যালন জল হায়দ্রাবাদে সরবরাহ করা হয়। সমীক্ষা রিপোর্টে বলা হয়েছে যে মঞ্জীরা ও শিঙ্গুরের জল অপেক্ষাকৃত ভাবে পরিষ্কার হলেও বাকি চারটি উৎসের জল বিভিন্ন ধরনের দূষণের শিকার। সরকারি আধিকারিকরা আশঙ্কা করেছেন যে হঠাৎ করে ইন্দোরের মতো গণ ডায়েরিয়ার সংক্রমণ ঘটতে পারে হায়দ্রাবাদে। নগরীর জল সরবরাহ ব্যবস্থা অনেকটাই সাবেকি ধরনের, ফলে যেকোনো সময় সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে। এমন‌ই সব আশঙ্কা নিয়ত তাড়া করে ফেরে হায়দ্রাবাদের অধিবাসীদের।
     
     
    তাহলে আধুনিকতার ছোঁয়া পেতে আমরা কী কী হারালাম? আসলে লাভালাভের এই স্থূল হিসেব নিকেষ করা একালে ক্রমশই জরুরি হয়ে পড়েছে। যে পঞ্চভূতের কথা দিয়ে এই আলোচনা শুরু করেছিলাম সেই পঞ্চভূতের আজ রীতিমতো সঙ্গিন অবস্থা। এই সত্য কেবলমাত্র হায়দ্রাবাদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য তা কখনোই নয়। ভারতের যে কোনো শহরের ক্ষেত্রেই আমরা পঞ্চভূতের এমন বিড়ম্বিত পরিণতি লক্ষ করবো।গভীরতর আশঙ্কার ক্ষেত্রটি বোধহয় এখানেই নিহিত রয়েছে। আমরা সবক্ষেত্রেই প্রকৃতির বেঁধে দেওয়া নিয়মকানুন অস্বীকার করে নিজেদের আধিপত্য জাহির করতে চাইছি। সংঘাতের সূত্রপাত এখানেই। আমরা জেনে শুনেও এই হলাহল পান করছি খানিক তাৎক্ষণিক লাভের আশায়। আমরা বোধহয় স্বখাত সলিলে ডুবে যাচ্ছি। দোষের বোঝা কার কাঁধে চাপাবো?
     
     
    তথ্যসূত্র 
     ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস সহ অন্যান্য সর্বভারতীয় সংবাদপত্রের দক্ষিণী সস্করণ। 
     
     
                ** ( আগামী সংখ্যায় সমাপ্য। )
     
    পূর্ববর্তী দুই পর্বের আলোচনায় হায়দ্রাবাদের বিপন্ন মুসী নদী ও দূষিত বায়ুর কথা বলা হয়েছে। হায়দ্রাবাদের কথা শুধুমাত্র হায়দ্রাবাদের কথা এমনটা কখনোই নয়।পড়লেই তা বোধহয় টের পাওয়া যাবে।
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • আলোচনা | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ক্যাবাত বা দুচ্ছাই প্রতিক্রিয়া দিন