
কেরানীগঞ্জের এক মাদ্রাসার দুইটা দেওয়াল উড়ে গেছে জাস্ট! শক্তিশালী বোমা বানাচ্ছিল সেখানে। ভাগ্যভাল যে কেউ মারা যায় নাই, চারজন আহত হয়েছে। বাংলাদেশের মিডিয়ার এখন সেই সাহস নাই যে প্রকাশ করবে যে মাদ্রাসায় বোমা ফুটেছে। প্রথম আলো এইটা প্রকাশ করার পরে আস্তেধিরে আরও কয়েকটা জায়গায় নিউজ হয়। এখন একবার ভাবুন এই সংবাদের তাৎপর্যটা। মাদ্রাসায় বোমা বানাচ্ছে কারা? কেন? তাদের উদ্দেশ কী? সুষ্ঠু তদন্ত হবে? গলায় আটকে যাওয়ার মত খবর না? অন্য কোথাও হলে না হয় লীগের ঘাড়ে ফেলে দেওয়া যেত দোষটা। এখন মাদ্রাসায় কে বোম বানাতে যাবে? এই খেলা বাংলাদেশ খেলে আসছে। যাকে বীরোচিত সম্বর্ধনা দেওয়া হল তার আমলেই হয়েছে। লীগের আমলে জঙ্গি ধরতে গেলেই বলা হয়েছে লীগের নাটক। তো সেই নাটকের অবস্থা এখন ক্যামন? ঢাকায় তালেবান নেতাদের ঘুরাঘুরি করতে দেখা গেছে প্রকাশ্যে। তারা মিটিং করছে, বিভিন্ন মাদ্রাসায় যাচ্ছে, নেতাদের সাথে দেখা করছে। এবং আমাদের ভাব দেখে মনে হচ্ছে এ তো হতেই পারে, খুব স্বাভাবিক ঘটনা! ... ...

এবার হাদির কথা কই। সে গণজাগরণ মঞ্চের বিপরীতে ইনকিলাব মঞ্চ বানিয়েছে। শাহবাগে দাঁড়িয়ে খুব অশ্লীল ভাষায় বক্তব্য দিয়ে জনপ্রিয় হয়েছে। কুৎসিত গালিগালাজ করে সে তার বক্তব্যে। সে মনে করে মুক্তিযুদ্ধ ভারতের চাল, সে মনে করে লীগ আর ভারত মিলে ষড়যন্ত্র করে পাকিস্তান থেকে আলাদা করেছে দেশ। সে মনে করে ভারত তার সীমান্ত সুরক্ষিত করতেই দুই পাকিস্তান ভাঙে। সে নিজেই তার এক সাক্ষাৎকারে বলেছে কাদের মোল্লার ফাঁসির পরে সে মেঝেতে গড়াগড়ি খেয়ে কান্না করেছে। কাদের মোল্লার মত নিষ্পাপ একজনকে ফাঁসি দেওয়ায় সে খুব কষ্ট পেয়েছিল! এই হল হাদি! যার জন্য রাষ্ট্র শোক দিবস ঘোষণা করেছে। যার জন্য বিক্ষুব্ধ জনতা ভারতের দালাল বলে প্রথম আলো ডেইলি স্টারে আগুন দিয়েছে! এই মহান নেতার নামে শাহবাগের নামকরণ করা হবে, কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে তাকে কবর দেওয়া হবে। আরেক আবরার কেস! ছাতামাতা লিখে লীগের পুলাপানের হাতে জীবন যায় আবরারের। ফলে এখন তার নামে রাস্তার নামকরণ করা হয়েছে! হাদির জানাজার জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটান পুলিশ দিক নির্দেশনা দিয়েছে। বুঝা যাচ্ছে বিশাল বড় জানাজা হবে। এগুলা দেখতে হবে বেঁচে থাকতে হলে! ... ...

অবধারিত ভাবেই প্রশ্ন আসে এখন কী বুঝতেছে তাঁরা? মুক্তিযুদ্ধকে যে খেয়ে ফেলছে তাঁদের ক্যামন লাগে? জানি রুঢ় হয়ে যায় কিন্তু তবুও জিজ্ঞাস করলাম। তাঁর মেয়ে বলল দেখেন ওই যে একটা স্মৃতিস্তম্ভ, সরকার এইখানের এই ঘটনার স্মরণে বানায় দিছিল। আমারে কন তো এইটা কার কী ক্ষতি করছিল? এইটা কেন ভাঙল? এইটা কী দোষ করছে? এইটা চোখের সামনে ভাঙল, আমাদের খারাপ লাগে না? তিনি বললেন কয়েকদিন আগে কে জানি ওই স্মৃতিস্তম্ভের সামনে দিয়ে জোরে জোরে বলতেছিল এগুলা সব চোর ডাকাত ছিল তাই মারছে সবগুলাকে! তিনি শেষ করলেন এই বলে যে এত বছর বুকটা এই বড় বলে দুই হাত প্রসারিত করে দেখালেন, এই বড় ছিল, বড় করে ঘুরছি, এখন হাতটা ছোট করে বললেন এখন এই ছোট হয়ে গেছে, সাহস পাই না, ডর করে! এবং আমিও উনার কথার সাথেই একমত! এইটাই প্রকৃত চেহারা বাংলাদেশের। মুক্তিযোদ্ধারা মাথা নিচু করেই টিকে আছেন এই দেশে। এই লজ্জা রাখার জায়গা আছে? কত বড় আহাম্মক হলে এইটা সম্ভব? ফিরতি পথে অদ্ভুত এক অনুভূতি নিয়ে ফিরলাম। উনার বাড়ি যাওয়ার আগে আমিও সেই ভাঙা স্মৃতিসৌধ দেখে গেছি। এইটা যখন উদ্বোধন হয় তখন পত্রিকায় পড়েছিলাম। এর নাম দিছিল ‘সৌরজায়া স্মৃতিসৌধ’। কার এত রাগ এই সৌরজায়া স্মৃতিসৌধের উপরে? কেন? ... ...

দিনের কাজের শেষে ক্লিন ক্যাশ বুক সম্পূর্ণ করা একটি সাংবিধানিক কর্তব্য কিন্তু , জলপাইগুড়ি ব্রাঞ্চের ইতিহাসে সেদিন একটি দুর্ভাগ্যজনক রেকর্ড স্থাপিত হল । দুলালদার সৌম্য মুখে কোন বিরক্তির চিহ্ন নেই, বললেন , আজ আর নয় কাল সকাল সকাল অফিসে আসুন , আমি ঠিক করে দেব, আপনি দেখে নেবেন। আমাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেছিলেন , ট্রেনিঙের সময় সকলেই ভুল ভ্রান্তি করে , তবে আপনার ভুলগুলির কোন লজিক খুঁজে পাচ্ছিলাম না । মেঘনা মিলের ক্ষেত্রে আমি অঙ্কে গোলমাল করে ফেলায় তাদের ক্রেডিট লিমিট বা ড্রইং পাওয়ার নির্ধারিত মাত্রা ছাড়িয়ে যায় । নিমাই বাবু যখন ভুলটা ধরিয়ে দিলেন কদিন বাদে , প্রথম চিন্তা হল কাজ যাবে না তো ? আমার হৃদয় বিদারক স্বীকারোক্তি শুনে বললেন, এ হে , কী যে করেন! একটু দেখবেন তো ? ওদের নতুন ক্রেডিট লিমিট অবধি অ্যাডভাইজ করা হয়ে গেছে । আচ্ছা, মেঘনার প্রাণকেষ্ট বাবুকে একবার আমার নাম করে অফিসে আসতে বলুন তো। ওঁকে বলে সেটা সামলে নেওয়া যাবে । তবে বম্বেতে আমাদের বোর্ডকে জানিয়ে তাদের পারমিশন নেওয়ার ব্যাপারও আছে । সেটা একটু শক্ত, তবে দেখছি। ... ...

চালুক্যদের সময় এই ছোট গ্রামের মন্দিরগোষ্ঠীগুলি ব্যবহার হত রাজ অভিষেকের সময়। টলেমির ভূগোলে এর নাম আছে - পেট্রিগাল। জায়গাটা বাসে বাদামি থেকে আধঘন্টা দূরে। গ্রামে আছে মূলত বাসস্টপ আর বড় জায়গা জুড়ে এএসআই ঘেরা এই মন্দিরগুলো। মন্দিরগুলোকে মূলত দুভাগে ভাগ করা যায় - প্রথমদিকে তৈরি পুরোনো শিখর স্টাইল আর পরের দিকে তৈরী দ্রাবিড় বিমান ঘরানা। ... ...

মোট এই চারটিই গুহা। এবার পাহাড় থেকে নেমে উল্টোদিকে যেতে যেতে ভাবছিলাম এই হ্রদের নাম অগস্ত্য হওয়াই স্বাভাবিক। কারণ জায়গার নাম বাতাপী। বাতাপী আর ইল্বল সেই দুই রাক্ষস ভাই ছিল। বাতাপী ছাগল হয়ে যেত আর ইল্বল পথিকদের তার মাংস রান্না করে খাওয়াত। খাওয়া শেষ হয়ে গেলে বাতাপীর নাম ধরে ডাকলেই বাতাপী বেরিয়ে আসত পথিকদের পেট চিরে। একদিন অগস্ত্য যাচ্ছিলেন সে রাস্তায় [সম্ভবত বিন্ধ্য পেরিয়ে অগস্ত্য যাত্রায়]। বাতাপীকে খেয়ে হজম করে ফেললেন। দুই ভাইয়ের গল্পের ঐখানেই ইতি। ... ...


নির্বাচনের হাওয়া নিয়ে লিখে শেষ করি। বাতাসে লীগ আর জামাত এক হয়ে মাঠে নামবে এমন একটা খবর ছড়ানো হয়েছে। আমি শুনে হাসলাম। এই মুহূর্তে এই দেশে যারাই লীগের নাম নিচ্ছে তারা হচ্ছে কট্টর আওয়ামীলীগ পন্থি। এরা মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা, বঙ্গবন্ধু প্রশ্নে আপোষ করতে রাজি না দেখেই চরম বৈরি সময়েও লীগের নাম নিয়ে যাচ্ছে। এদেরকে কীভাবে জামাতের সাথে এক করবেন? শেখ হাসিনা ঘোষণা দিলেও তো এরা জামাতের সাথে যাবে না! তবে ভিন্ন একটা খেলাও শুরু হয়েছে। পলাতক লীগের কর্মীদের সাথে যোগাযোগ করছে দুই পক্ষ থেকেই। নানা আজাইরা মামলা খেয়ে বসে আছে এমন কর্মীদের লোভ দেখানো হচ্ছে তোমরা এলাকায় আস, নির্বাচন কর আমাদের, মোটর সাইকেল দেওয়া হবে, খরচ দেওয়া হবে। প্রশাসন কোন ঝামেলা করবে না। তোমরা আস। আমার ধারণা এই টোপ অনেকেই খাবে। দলে দলে ফিরে আসার সম্ভাবনা আছে। এতে দুই পক্ষেরই লাভ। এরা দিনের পর দিন বাহিরে থাকতে থাকতে ক্লান্ত। একবার এলাকায় তাদের অবস্থান স্বাভাবিক করে নিতে পারলে এরপরে আর বিপদ হবে না। ... ...

বিজাপুরের সেনার প্রধান সম্পদই ছিল বিরাট আকারের সব কামান। তুরস্ক থেকে অটোমান সাম্রাজ্যের অফিসাররা এসে এখানে কামান বানাতেন , সেনাকে শেখাতেন কিভাবে ব্যবহার করতে হয়। ... ...

হরিহর আর বুক্ক রায় বলে দুই ভাই বানিয়েছিলেন এই বিজয়নগর সাম্রাজ্য। ~১৫০০ সালে কৃষ্ণদেবরায়ের আমলে সেটা শীর্ষে পৌঁছয়। তার কিছুদিন আগেই ভাস্কো দ্য গামা নেমেছেন কালিকুটে। ডমিংগো পেজের মত পর্তুগিজ, অন্যান্য ইতালিয়ান পর্যটকরা বিজয়নগরের কথা লিখে গেছেন। তাদের লেখায় বিজয়নগর রোমের চেয়েও বড় শহর ছিল। ... ...


ত্রয়ী হয়সালা মন্দির - বেলুর , হালেবিদু , সোমনাথপুরা ... ...

যারা জানেন না তাঁদের জন্য জানিয়ে রাখি বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি আমার খালাত বোন। খালাত বোন বললে যেমন মনে হয় তেমন না কিন্তু আমাদের সম্পর্ক। জ্যোতির বড় হওয়া আমাদের উঠানে। খালা তখন আমাদের বাড়িতেই থাকে। আমাদের সাথে খেলতে খেলতেই জ্যোতি আজকের তারকা। আক্ষরিক অর্থেই আমাদের কোলেপিঠে করেই ওর বেড়ে উঠা। বাড়িতে মেয়ে শিশু আর না থাকায় জ্যোতির বড় হওয়াটা হয় আমাদের সাথে ক্রিকেট খেলে। আমাদেরও একটা বল বয় দরকার ছিল, বল মেরে কারো বাড়িতে পাঠিয়ে দিছি, জ্যোতি দৌড়… বলার আগেই জ্যোতি তুফান বেগে ছুটে যেত। সবার শেষ ব্যাট দিতাম, ওইটার জন্যই বসে থাকত। লাস্ট ব্যাটার হিসেবে ওকে বলা হত তুই শুধু দাঁড়ায় থাকবি, উইকেট পড়তে দিবি না। ও দাঁত চেপে দাঁড়ায় থাকত। পায়ে বল লাগলেও একটু উশ আস করে আবার দাঁড়ায় থাকত। ব্যথায় যদি কান্না করে তাহলে তো আর আমরা ওকে খেলায় নিব না, তাই ব্যথা চেপে দাঁড়ায় থাকত। এই হল ওর শুরু। এরপরে বিকেএসপিতে ক্যাম্প, এরপরে ধীরে ধীরে শুধু ওর উত্থান। জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়া, এশিয়া কাপের ফাইনালে জ্যোতির দারুণ সেই ইনিংস, যাতে ভর করে প্রথম কোন বড় টুর্নামেন্ট জেতার স্বাদ পায় বাংলাদেশ। এর আগে পরে এখন পর্যন্ত নারী পুরুষ দল মিলিয়ে আর কোন কাপ জিততে পারে নাই। এরপরে অধিনায়কত্ব। প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়া, প্রথম বিশ্বকাপেই নজরকারা পারফর্ম করা, এরপরে বিশ্বকাপ স্কোয়াডে সুযোগ পাওয়া। দেশের মাটিতে সিরিজ জেতা পাকিস্তানের সাথে, ভারতের সাথে সমতায় সিরিজ শেষ করা, দক্ষিণ আফ্রিকায় গিয়ে তাদেরকে হারানো, ওয়েস্ট ইন্ডিজকে তাদের মাটিতে হারানো এমন কত কত অর্জন। সবগুলার পিছনে জ্যোতির অবদান অস্বীকার করার সুযোগ নাই। এমন করে জ্যোতি নিজেকে নিয়ে গেছে আলাদা উচ্চতায়। এবার ওর তারকা খ্যাতির বিপরীত চিত্র দেখার সুযোগ আসছে। দেখছে কত কুৎসিত হতে পারে দুর্বল বুদ্ধিমত্তার মানুষের হাতে প্রযুক্তি থাকলে কী করতে পারে তারা! ... ...

নির্বাচন নিয়ে নতুন যে তামাশা শুরু হয়েছে তা এক কথায় অনবদ্য! জামাত জোর গলায় গণভোট চাচ্ছে জাতীয় নির্বাচনের আগে। বিষয় হচ্ছে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য। সংবিধান পরিবর্তন করে জুলাই সনদের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করতে হবে। এই নিয়ে হ্যাঁ না ভোট। আমি প্রথমে এইটা নিয়ে খুব একটা ভাবি নাই। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে এইটা একটা মস্ত সুযোগ লীগের জন্য। এরা যে বিপুল আগ্রহ নিয়ে গণভোট চাচ্ছে তার কারণ হচ্ছে তারা ধরেই নিয়েছে হ্যাঁ জিতবে। আচ্ছা, যদি না জিতে? এই ভোটে তো কোন প্রার্থী নাই। তাই মানুষের ভোট দিতে সমস্যা কই? লীগের যা জনপ্রিয়তা আছে, সেই সাথে বর্তমান সরকারের যে সুপার ব্যর্থতা, তাতে না জিতে তো খুব স্বাভাবিক। তখন কী হবে? এর উত্তর একটা হচ্ছে তারা হ্যাঁ না ভোটকে সুষ্ঠু ভাবে হতে দিবে না। ওইটাকে কারুকাজ করে হ্যাঁ পাস করাবে। দুই নাম্বার হচ্ছে তারা এইটা নিয়ে ভাবেই নাই। এতে যে লীগের জনপ্রিয়তা প্রমানের একটা পথ তৈরি হবে তা সম্ভবত বুঝতে উঠতে পারেনি। আচ্ছা, লীগ কি বুঝতে পারছে এইটা একটা সুযোগ তাদের জন্য? তাদের তো দেখি না গণভোটের পক্ষে কথা বলতে। আমার মনে হয় বলয়া উচিত। ... ...

দুই সমস্যার সমাধান করল দু'জন। অমিত জানাল সামনে বড় শহর তেজপুর আসছে। সেখানে কিছু পোশাক কিনে নেওয়া যেতে পারে; কন্যা রাজী। আমাদের ছবি আর পরিচয় পত্র হোয়াটসঅ্যাপ করে ওর পরিচিতকে পাঠিয়ে দিল বিপুল, সে আমাদের আই এল পি বানিয়ে রাখবে। তাহলে আর কী? চালাও পানসি বেলঘরিয়া; থুড়ি, চালাও বাস ভালুকপং। অপূর্বকে সব জানিয়ে আমাদের ট্রাভেলার গাড়ি ফের ছুটে চলল অরুণাচলের দিকে। ... ...

টুকরো টুকরো আশ কথা পাশ কথা। আগে যখন হাতে লেখা হত, পেন আর নোটবুক , তখন একে ডায়েরি বলত, ইদানিং বোধহয় যা ইচ্ছে তাই বলে! ... ...

আমি বিশ্বাস করি পৃথিবীর সূত্র একটাই। শান্তিতে থাকা। শর্ত একটাই আপনার শান্তি যেন অন্যের অশান্তি না হয়ে যায়। ব্যাস, এখন আপনি যা ইচ্ছা করেন আর শান্তিতে থাকেন। একটাই জীবন, যতভাবে শান্তিতে থাকা যায় সেই চেষ্টাই হওয়া উচিত প্রধান চেষ্টা। শুধু শর্তটা মনে রাখলেই চলবে। ... ...

রবীন্দ্রনাথ_এবং_শেক্সপিয়ার হলেন দুই ভাষার দুই প্রথিতযশা সাহিত্যিক। শেক্সপিয়ারের নাটক এবং সনেট ও রবীন্দ্রনাথের গান, প্রবন্ধ, উপন্যাস এবং ছোটোগল্প তাঁদের স্ব স্ব ভাষার এক পরম সম্পদ; অনুবাদ করে নিলে অন্যভাষার সম্পদও বটে। তবুও তাঁদের মহাপ্রয়ানের পরে ঠিক সেই মাপের কাউকে আমরা পেলাম না। না পুরুষদের মধ্যে। না নারীদের মধ্যে। অনেকে কাছাকাছি গেছিলেন, যেমন #ঝা_পল_সার্ত্রের কথা বলতে পারি। যিনি নাটক, প্রবন্ধ, গান লিখতেন এবং পলিটিক্সেও দারুণভাবে অংশগ্রহণ করতেন। ‘Existentialism’ নামে একটি দর্শনকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। হয়ত necessary & sufficient condition তৈরি হয় নি। একথা বলাই বাহুল্য যে উক্ত দুজনের কণামাত্র পেলেই আমাদের মানব জীবন সার্থক হয়ে যায়। এখন নানা জায়গাতেই আজকাল বিতর্ক সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে নানান বিষয়ে। সেই রকমই এই কাল্পনিক বিতর্ক সভাটি একজন অ-নারী এবং ‘আনাড়ি’ ও ‘দূর্বল’ পুরুষের নিবেদন ... ...

"শস্য নেই। যা আছে তা যৎসামান্য। শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি।" সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ লালসালু উপন্যাসে লিখেছিলেন। অত বছর আগে লেখা এখন পর্যন্ত আমাদের দেশের জন্য শতভাগ প্রযোজ্য এই কথা গুলো। প্রতিটা শব্দ এখনকার জন্য প্রযোজ্য। আমরা এই সমাজেই বাস করছি। ... ...

১৯৭৭ সালে ঢাকার এক পুরাতন বইয়ের দোকানে ইংরেজি বই খুঁজতে খুঁজতে দেখা হয়ে যায় সেবার আরেক কিংবদন্তি শেখ আব্দুল হাকিমের সাথে। তিনি ধরে নিয়ে জান সেবার অফিসে, কাজীদার সাথে দেখা করাতে। কাজীদার নামে মাসুদ রানা দিয়ে শুরু। এরপরে কাজীদার আরেক ছদ্মনাম শামসুদ্দিন নওয়াব নামে জুলভার্নের অনুবাদ। এবং এরপরে ক্যানেথ অ্যান্ডারসনের শিকার কাহিনী নিয়ে বই জঙ্গল, যা প্রকাশ নিজের নামে রকিব হাসান। রবার্ট আর্থারের লেখা থ্রি ইনভেস্টিগেটরস সিরিজের বই পড়ে তাঁর মনে হল ছোটদের জন্য এই বই বের করা যায়। জন্ম হল প্রথম আলো জরিপে শিশু কিশোরদের পড়া সবচেয়ে জনপ্রিয় সিরিজ তিন গোয়েন্দা। লিখলেন প্রথম বই তিন গোয়েন্দা। ... ...