৯ নভেম্বর ১৯৮৯ সালের সন্ধ্যায় পুবের উত্তাল জনতা পথে নেমেছিলেন , তাঁরা চাইলেন পরিবর্তন , বাক ও প্রেস স্বাধীনতা এবং অবশ্যই আর্থিক উন্নয়ন কিন্তু সেটা ঘটবে কি ভাবে ? দুই দেশের দুই নেতা , হেলমুট কোল ও হান্স মদরো যে আলোচনায় বসলেন ১৯শে ডিসেম্বর, ড্রেসডেনে , তাতে বোঝা গেলো এই দুজনের দুটি পথ দুটি দিকে বেঁকে যাবে । মদরো চাইলেন দুই জার্মানি রইবে দুই স্বতন্ত্র সার্বভৌম দেশ ; পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে পূবে ঘটবে রাজনৈতিক ও সামাজিক সংস্কার , রিফরম, দুই জার্মানি চলবে সমান্তরাল ভাবে রেলের দুটি লাইনের মতন; বড়ো ভাই পশ্চিম জার্মানির কাছে চাইলেন আর্থিক সাহায্য। হেলমুট কোল সে সব শুনতে রাজি নন । মদরোর এই ভাষ্যকে সম্পূর্ণ নাকচ করে জানালেন দুই জার্মানির আশু পুনর্মিলন তাঁর একমাত্র লক্ষ্য সম্পূর্ণ রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ইউনিয়ন। পরবর্তীকালে আধুনিক চিনের কায়দায় ‘ এক দেশ দুই ব্যবস্থা ‘ ( যেমন চিনের হংকং এ গাড়ি চলে রাস্তার বাঁ দিকে, সাংহাই বেজিঙ্গে ডান দিকে !) নয় । পরবর্তী ছ মাসের মধ্যে পশ্চিম জার্মানির ডয়েচে মার্কের বুলডোজার দেখিয়ে দেবে পুবের অর্থনৈতিক রাজনৈতিক রিফরম হেলমুট কোলের কাম্য নয়, তিনি চান এক জার্মানি , তাঁর নিজস্ব শর্তে । ইতিহাসের পরিহাস – যেখানে কোন দ্বিতীয় মতের স্থান ছিল না, সেই প্রাক কমিউনিস্ট দেশ চাইল আলাপ আলোচনা করে, আইন ও সংবিধান বদলে নিজস্ব গতিতে সমাজ ও অর্থ ব্যবস্থার সম্পূর্ণ সংস্কার । তখন মুক্ত চিন্তা ও বাক স্বাধীনতার ধ্বজাধারী পশ্চিম জার্মানি জানালে , ওসব ভুলে যান , রিফরম নয়, রি ইউনিফিকেশান ! মাই ওয়ে অর হাইওয়ে। ... ...
মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হল বঙ্গবন্ধু সহ মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়া চারশজনকে মুক্তিযোদ্ধা বলা যাবে না যেহেতু তাঁরা কেউ সরাসরি সম্মুখ সমরে লড়াই করে নাই! এই যুক্তি দিয়ে তাদেরকে মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী বলা হবে এখন থেকে, মুক্তিযোদ্ধা না। বঙ্গবন্ধুকে মুক্তিযোদ্ধা বললেই কী আর না বললেই কী? একই কথা খাটে তাজউদ্দীন আহমেদসহ বাকি শীর্ষ নেতাদের ক্ষেত্রে। প্রশ্নটা হচ্ছে এদের চেষ্টার! কী আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে যদি কোন ভাবে ছোট করা যায় এঁদেরকে। কোনভাবে যদি আরেকটু নামানো যায় তাঁদের অবস্থান থেকে। এরা যে সূত্র দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের বাপ মাকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বাতিল করছে সেই সূত্রে তো মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক আতাউল গণি ওসমানীকেও মুক্তিযোদ্ধা বলা যাবে না! তিনি যুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছেন, সম্মুখ যুদ্ধে লড়াই করেছেন? এখন দেখেন তো শুনতে কেমন লাগে যে যাকে সেনাপতি বানানো হল যুদ্ধের তিনিই যোদ্ধা না! দারুণ না? ... ...
সেকেলে ঔপনিবেশিকতার দাপট হয়তো লোপ পেয়েছে কিন্তু বিলকুল লোপাট হয়ে গেছে এমনটা কখনোই নয়। পণ্যবাদী ঔপনিবেশিকতার পর্ব পার হয়ে তার নব উত্তরণ ঘটেছে বর্জ্য ঔপনিবেশিকতাতে। শিল্পায়নের হাত ধরেই এসেছে বহু বিচিত্র বর্জ্যের সম্ভার যা বিপর্যয় ডেকে আনছে পৃথিবীর প্রাকৃতিক শৃঙ্খলায়, বিপন্ন হচ্ছে পৃথিবীর বাস্তুতন্ত্র। শুনতে খারাপ লাগলেও এটাই এখন বাস্তব সত্য যে দরিদ্র দেশগুলো এখন পুঁজিবাদী ধনতান্ত্রিক দেশগুলোর বর্জ্যের ভাগাড়। ... ...
বার্লিন নামক একটি কাঁটাতার ঘেরা দ্বীপ থেকে পাওয়া বারো ঘণ্টার ভিসায় ‘ওপাড়া ‘ ( পূর্ব বার্লিন) ঘুরে এসেছি মাঝে সাঝে, পারগামন মিউজিয়ামে বাবিলনের গেট , নেফারতিতির মুখোশ , হাতির পিঠে চড়ে জাহাঙ্গীরের বাঘ শিকারের আঁকা ছবি দেখেছি , এমনকি অত্যন্ত সস্তায় – তিন মার্কে- ব্রেখটের তিন পয়সার পালা ( দ্রাই গ্রশেন ওপার )। অন্যের কথা বলতে পারি না তবে আমার বলতে দ্বিধা নেই , ভৌগোলিক বিচারে সামান্য দূরত্বে বাস করলেও ঠাণ্ডা লড়াইয়ের সেই দিনগুলিতে পুবের বিষয়ে আমার জ্ঞান ও কৌতূহল ছিল সীমিত । তাই ঝড়ের রাতে জানলা খুলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘরের ভেতরে কোনো মাতাল হাওয়া বয়ে যেতে দেখলাম না । সাতাশে জুনের কথা কতজনের মনে আছে জানি না। এমনকি ৯ই নভেম্বর ১৯৮৯ কে আজ যেমন যুগান্তকারী দিন বলে মনে করা হয় সেই সময় অকুস্থলের নিকটে থেকেও থেকে আমার তা মনে হয় নি – এসব ঘটছে দূরে কোথাও, যা ছুঁয়ে যায় নি আমাকে । আমি বিদেশি, নিজের দেশেও আমার ছিন্নমূল হবার কোন কাহিনি নেই , আমার কাছে ঢাকা বিক্রমপুর কোন স্থানের নাম , যে নাম বহন করে না কোনো বেদনা । পঁয়তাল্লিশ বছর বাদে বিভক্ত জার্মানির জুড়ে যাওয়াটা কি তাহলে একটা ফুট নোট মাত্র ? ... ...
"ইতিহাসের এই ধারাবাহিকতার উজ্জ্বল ব্যতিক্রম শাহবাগ। বিদ্যমান রাজনীতির দুই মেরুতে ছিল আওয়ামীলীগ আর বিএনপি। একদল ক্ষমতায় এসেছে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ম্যান্ডেট নিয়ে। আরেকদল জোটে নিয়েছিল যুদ্ধাপরাধী দল জামায়াতকে। ক্ষমতায় তখন আওয়ামীলীগ তবু এই অভূতপূর্ব গণআন্দোলন হয়েছিল। অভূতপূর্ব ও নজিরবিহীন। সরাসরি সরকার বিরোধী না হয়েও এত বিপুল স্কেলে কোনো আন্দোলন এই ভূখণ্ডে কখনোই হয়নি। সরকারবিরোধীতা না, ক্ষমতা থেকে কাউকে নামানো বা ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্নও না, কেবল সুতীব্র দেশপ্রেম জ্বালানি হয়ে যে এত বড় গণবিস্ফোরণের জন্ম দিতে পারে, শাহবাগ তার অনন্য উদাহরণ। শাহবাগ টানা সতেরোদিন লাখো মানুষের অবস্থান ধরে রেখেছিল, এখন তো সরকার, পুলিশ, মব সবই আপনাদের, পারবেন সাতদিন কোনো ইস্যুতে এই অবস্থান ধরে রাখতে? পারবেন না। তাই শাহবাগকে আপনারা ভয় পাচ্ছেন। তবে আপনারা শাহবাগকে যতোটা ভয় পাচ্ছেন ততোটা ভয় পাওয়া ঠিক হচ্ছে না। আপনাদের উচিত আরো বেশি ভয় পাওয়া। শাহবাগ আপনাদের ভাবনার চেয়ে বেশি শক্তিশালী। সরকারবিরোধীতা না করেও যে শাহবাগ জনস্রোত তৈরি করতে পারে, ক্ষমতার বিরোধিতায় নামলে সেই শাহবাগ জোয়ার তৈরি করবে। অনুমান করছি শাহবাগের ডাক আপনারা শোনা শুরু করেছেন, ঠিকই শুনছেন। আপনাদের সাথে আবার দেখা হবে। সে পর্যন্ত ভালো থাকুন। জয় বাংলা।" - ইমরান এইচ সরকার। ... ...
কয়েকদিন ধরে বেশ কয়েকটা কুৎসিত ঘটনা ঘটে গেল। এইটা আকাশ থেকে হুট করে আসে নাই। একটু পিছন ফিরে দেখেন, এই কয় মাসে কী পরিমাণ নারীদেরকে হেনস্তা করা হয়েছে। আমি নিজেই লেখছি কতবার যে সারা দেশে নারীর জন্য রেড এলার্ট জারি হয়েছে। পোশাক নিয়ে কথা বলছে, কেউ কেন সিগারেট খাচ্ছে বলে অপমান করছে, কেউ হেনস্তা হচ্ছে বোরকা পরে নাই কেন দেখে, কেউ জীবন নিয়ে পালিয়ে বাঁচছে কারণ ওই সময়ে তিনি কেন সেখান গেছেন! সমতা বজায় রেখে, কোন বৈষম্য না রেখে সকল ধর্মের, সকল বয়সই নারীকেই হেনস্তা করে যাচ্ছে একটা বিশাল সংখ্যার মানুষ। এগুলা যখন হচ্ছিল, এগুলা যখন বাড়ছিল তখন প্রশাসন, সরকার মহাশয় চুপচাপ দেখেছে, কোথাও কোন পদক্ষেপ নেয়নি। উল্টা শাহবাগে যাকে আটক করে রাখা হয়েছিল সেখান থেকে তৌহিদি জনতা তাকে ছাড়িয়ে এনেছে, ফুলের মালা গলায় দিয়ে বীরোচিত সংবর্ধনা দিয়েছে, বুকে তুলে দিয়েছে কোরান শরীফ! ধর্ষক ছাড়া পায়, ফুলের মালা গলায় দিয়ে ইভ টিজার মুক্তি পায় যে সমাজে সে সমাজে ধর্ষণ বেড়ে গেলে যে আশ্চর্য হবে তাকে দেখে আশ্চর্য হওয়া জায়েজ আছে না? কঠিন আইন করেই লাভ কী যদি আপনি বদমায়েশ গুলোকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করার ব্যবস্থা করে দেন! ... ...
২০১৬ সালে ৫ বছরের বাচ্চা একটা মেয়েকে ধর্ষণ করে এক নরপশু। যখন শিশুটিকে পাওয়া যায় তখন তার অবস্থা ছিল আশঙ্কাজনক, গায়ে ছিল সিগারেটের ছ্যাকার চিহ্ন, প্রজনন অঙ্গ ক্ষতবিক্ষত। ধর্ষক ধরা পড়ে, শাস্তি হয় যাবজ্জীবন জেলের। সেই ধর্ষক জামিনে মুক্তি পেয়ে ধর্ষিতার বাবার সামনে দিয়েই গাড়ি করে বাড়ি ফিরেছে। একই গ্রামে বাড়ি, তাই চোখের সামনেই দেখা যাচ্ছি এমন কুৎসিত প্রাণীটাকে, আসেপাশেই থাকছে এখন। শিশুটি শারীরিক ভাবে এখনও সুস্থ না, সারাদিন বাড়িতেই থাকে, ঘর থেকে বের হয় না। ধর্ষিতা সেই শিশুর বাবা অবাক হয়ে প্রশ্ন করছে 'বিচার তো পাইছিলাম, তাইলে এমন হইল ক্যানে? জনক জানে না এই প্রশ্ন করা বারণ! ... ...
পূর্ব ইউরোপে হাইওয়ে ছিল , হাইওয়ে রবারি ছিল না নরওয়ের প্রত্যন্ত শহর কিরকেনেস থেকে রাশিয়ান সীমান্ত পার হয়ে চমৎকার রাস্তায় তিনশো কিলোমিটার গাড়ি চালিয়ে মুরমান্সক পৌঁছেছি পথে কোন কর দিতে হয় নি । ১৯৯২ সালে বার্লিন থেকে প্রথম পোল্যান্ড প্রবেশের পরও নয়। পশ্চিম ইউরোপে মোটরওয়ে ব্যবহারের জন্য টোল ছিল তবে অত্যন্ত সীমিত। কিন্তু এবার খেলা বদলে গেল। বার্লিন দেওয়াল ভেঙ্গে পড়ার কয়েক বছরের মধ্যে পূর্ব ইউরোপের পথে পথে যে দিনে ডাকাতি শুরু হলো তার গুরু অস্ট্রিয়া (এবং খানিকটা সুইজারল্যান্ড ) । তারাই প্রথম ভিনিয়েত (Vignette) নামক একটি খুড়োর কল আবিষ্কার করে । আপনি যদি হাবসবুরগ রাজাদের পুণ্য ভূমিতে স্বতশ্চলশকট যোগে পরিক্রমা করতে চান প্রথমেই সম্রাটের দরবারে অগ্রিম কর প্রদান করবেন। যেই আপনি অস্ট্রিয়া ঢুকলেন, পয়লা পেট্রোল স্টেশনে ভিনিয়েত নামক স্টিকারটি কিনে আপনার উইন্ডশিল্ডে লাগিয়ে প্রমাণ করবেন আপনার গাড়ি ইললিগাল ইমিগ্র্যানট নয় ! ফ্রান্স স্পেন পর্তুগাল ইতালির রাজপথ ব্যবহার করলে আমরা যে অর্থ দিয়েছি সেটা আপন ইচ্ছায় ; তাড়াতাড়ি কোথাও পৌঁছুতে চাই , অতএব জেনেশুনে টোল করেছি দান। আমরা সকলেই জানি অটোরুট বা অটোস্ত্রাদায় না উঠেও প্যারিস থেকে মার্সেই অথবা রোম থেকে নেপলস যাওয়া যায় । দের আয়ে পর দুরুস্ত আয়ে এই বাক্যটি স্মরণ করে একবার ফরাসি অটো রুটকে দূরে রেখে গোরু ছাগল , থলি হাতে বাজার থেকে ফেরা মহিলাদের পাশ কাটিয়ে ধীর মন্থর গতিতে উত্তর পশ্চিম ফ্রান্সের লে তুকে হতে রোদিকাকে চারশ কিলোমিটার দূরে দক্ষিণের নানত অবধি পৌঁছে দিয়েছি ছ ঘণ্টায়; ফরাসি সরকারের খাজানায় একটি ফ্রাঁ জমা না দিয়ে । ... ...
অবিশ্বাস্য রকমের অরাজকতা চলছে দেশে। বেশ কিছু ধর্ষণের ঘটনা ঘটে গেছে কিন্তু বিচারের কোন খবর নাই। ডাকাতি হচ্ছে নিয়ম করে। এই লেখা যখন লিখছি তখন ফেসবুকে একটা খবর দেখলাম ঢাকার ধানমন্ডিতে ডাকাতি চলছে! মসজিদ থেকে মাইক দিয়ে বলা হচ্ছে কেউ যেন ঘর থেকে বের না হয়, ডাকাতরা প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে ঘুরাফেরা করছে! প্রতি রিফ্রেশে একটা না একটা দুর্ঘটনার খবর দেখা যায়! ধানমন্ডির খবর দেখে লিখতে লিখতে দেখে ঠাকুরগাঁও সদরে অশেষ সরকার নামে একজনের বাড়িতে আগুন দিয়েছে! গতকাল ঈশ্বর ডাক্তার নামের একজনের বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে! এখন দেখলাম রাত তিনটায় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে! কবি ইমতিয়াজ মাহমুদ দেখলাম লিখেছে এত রাতে যে সংবাদিকেরা এই সংবাদ সম্মেলন কাভার করতে যাবেন তারা যেন মোবাইল মানিব্যাগ ঘড়ি সাবধানে রাখেন! এত রাইতে ঢাকা শহরে যা খুশি তাই হতে পারে! প্রসঙ্গত বলে রাখি, অনেকেই এই উপদেষ্টার পদত্যাগ চাচ্ছিল দেশের আইন শৃঙ্খলার অবনতির জন্য। হয়ত সেই ব্যাপারেই কিছু বলবেন। তবে আমার কাছে অবাক লাগছে মানুষ এইটা এই উপদেষ্টার দায় দেখছে দেখে! এর দায় সরকারকে দিচ্ছে না! এইটা যে এই উপদেষ্টার সমস্যা না, সরকারটাই যে একটা অথর্ব তা কেন বুঝছে না মানুষ? সরকারকে কেন আমি দায়ী বলছি? বলছি কারণ ঢাকা সহ সারাদেশে হুট করেই আইন শৃঙ্খলার অবনতি এমনে এমনেই হয়নি। যতগুলো শীর্ষ সন্ত্রাসিকে সরকার মুক্তি দিয়েছে তার প্রভাব পড়বে না? সুব্রত বাইন, পিচ্চি হান্নান সহ আরও যতগুলো টপ টেরর জেলে বন্দি ছিল তাদের মুক্তি দিয়ে এখন কইতেছেন এমন কেন হচ্ছে! যত জঙ্গি মুক্তি পেয়েছে, শীর্ষ সন্ত্রাসী মুক্তি পেয়েছে তার দায় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার? কে তাদের মুক্তি দিয়েছে? আইন মন্ত্রণালয়ের দায় নাই? ইউনুস সাহেবের দায় নাই? সেনাবাহিনী এখনও আগের মতই রাস্তায় আছে, তারপরেও কেন এমন হচ্ছে? এই প্রশ্নের উত্তর কে দিবে? ... ...
সময়ের সদ্ব্যবহার ও টাইম ব্যাংক। ... ...