এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • অনিন্দিতা | 103.87.***.*** | ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৯:৪৩96981
  • অর্থনৈতিক প্রগতির লক্ষণকে এখন বলা হচ্ছে K-shaped অর্থাৎ একটা দাঁড়ি উঠতে থাকবে আর অন্যটি পড়তে থাকবে। জনসংখ্যার কোন অংশ কোনদিকে তা সহজেই অনুমেয়। 

  • রঞ্জন | 122.162.***.*** | ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ ২০:২০96983
  • আমার ব্যক্তিগত মত (মানে যতটুকু তাড়াহুড়োয় বুঝেছি আর কি) এই  k শেপ বা     অন্য গ্রুপটি  v, w  L, -- দুটোর প্রেক্ষিত আলাদা। গোটা ইকনমির রিকভারি হবে ওই v, বা w  বা L গতিপথে। কিন্তু  দেশের সম্পত্তি বা জিডিপিতে কবজা হবে k শেপ এ।

    অর্থাৎ গোটা ইকনমি চুলোয় গেলেওঃ ধরুন   w    বা     L  আদানি/আম্বানিদের বৃদ্ধি হতেই থাকবে। ভারতের এভিয়েশনের হাঁড়ির হাল আর একটি পরিবারের একের পর এক এয়ারপোর্ট ম্যানেজমেন্ট অধিগ্রহণএর খেলটা দেখুন।

    তবে আসল কথাটা অমিতাভ বলেছেন শেষ প্যারায়।

    সমস্ত কুলীনদের লেখাপত্তরে টিভি টক এ এখন  'এ আই ' এর কথা। ওতেই নাকি দেশের ভবিষ্যৎ!

  • | ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ ২১:০৩96986
  • ইসে, ওয়ার্ক ফ্রম হোমের ফ্লিপ সাইড নিয়ে ওয়াল্ল স্ট্রীট জার্নাল লিখেছে আরো কেউ কেউ লিখেছে বটে। আমি নিজেও অফিস মিস করছি তাও বটে। কিন্তু এটা কিছু মানুষের জন্য আশীর্বাদ হয়েও আসতে পারে। আইটিতে অনেক মেয়ে বিয়ের পর বা সন্তানজন্মের আগেপরে চাকরি ছেড়ে দেয় বা সবদিক সামলাতে গিয়ে দিতে বাধ্য হয়। এদের অনেকেই চালিয়ে যেতে পারবে পাকাপাকি ও ফ্রহো হলে। আবার কলকাতায় আইটির একটাই হাব সেক্টর ৫ আর নিউটাউন মিলিয়ে। সেখানে চাকরি করতে যারা কোন্নগর বদ্যিবাটি ভদ্রেশ্বর শ্যামনগর ব্যারাকপুর থেকে আসে তাদের আড়াই থেকে ৪ ঘন্টা পর্যন্ত লাগে। ওফ্রহো পাকা হলে এদের দিনে ৫ থেকে ৮ ঘন্টা অবধি রাস্তায় কাটাতে হবে না। এছাড়াও এর জন্য কলকাতায় বাড়ি নিয়ে থাকতে হবে না বলে রোজগারের টাকার অংশ স্থানীয়ভাবে খরচ হবে। ফলে সেখানকার অর্থনীতি কিছুটা হলেও জোর পাবে।
  • Prativa Sarker | ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ ২১:০৪96987
  • তখন ?  নিজের হাত পা কামড়ে খাবে আর কী ! 

    যেন একটা অন্ধকার টানেলের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি এবং অন্তহীন যাত্রা। খাবলা অন্ধকার তুলে নিলে অন্ধকারই থাকবে।    

  • | ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ ২১:০৫96988
  • *তাদের এক একপিঠেই আড়াই থেকে চারঘন্টা লাগে
  • শ্রীরূপা বন্দ্যোপাধ্যায় | 2409:4060:210c:e2f3::263:***:*** | ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ ২১:২৫96989
  • দুর্দান্ত লেখা ! নিজেকে খাওয়া ছাড়া পুঁজিবাদের আর রাস্তা কোথায়? তাই তো খেয়ে চলেছে সে তার বিকাশ বন্ধ হওয়া ইস্তক। তা না হলে কেনই বা বৈষম্যের এই চেহারা, আর কেনই বা এমন বাজার সংকট !

  • Arijit | 106.5.***.*** | ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ ২৩:১৮96993
  • এরকম অযৌক্তিক বোকা বোকা লেখা খুব কম পড়েছি জীবনে।

  • শঙ্খ | 103.217.***.*** | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ ০০:৫২96994
  • অনেকগুলো জিনিস একসঙ্গে মেলাতে গিয়ে একটু তালগোল পাকিয়ে গেছে।

    প্রথমতঃ ওয়ার্ক ফ্রম হোম বা টেলিকমিউট আগেও ছিল, বেশ ভালো মাত্রাতেই ছিল তবে জায়গা বিশেষে। দুহাজার নয়ের কথাই বলতে পারি, আমাদের প্রজেক্ট আটলান্টায় চলছে, ওদিকে প্রোডাক্ট ওনার থাকেন ভার্জিনিয়ার হার্নডনে। মাসে একদুবার আসেন খুব দরকার থাকলে, নইলে কাজ চলে গোটুমিটিং বা স্কাইপ কলে। আমি নিজেই বাড়ির সঙ্গে কথা বলতাম স্কাইপে।

    দুহাজার বারোতে সপ্তাহে একদিন করে ওফ্রোহো ছিল একদম নিয়ম করে। ফোর-টেন মডেল, যেখানে সপ্তাহে চারদিন দশ ঘন্টা করে কাজ আর তিনদিন উইকেন্ড তখনই বেশ পপুলার মডেল। আমার এক রুমি ছিল, চারদিন নিউ ইয়র্কে কাজ, বেস্পতিবারে বিকেলে চলে যেত নিজের বাড়ি উইলমিংটনে, ডেলাওয়ারে। আবার সোমবার সকালে সিধে অফিসে। অনেকেই এই মোডে কাজ করত।

    তারপর এলো হারিকেন স্যান্ডি, ডাউনটাউনের আর আমাদের হাতে হ্যারিকেন ধরিয়ে গেলো। বেশ কয়েকমাস কমপ্লিট ওফ্রোহো। তারপর মিড্টাউনের অফিসে কয়েকমাস কাজ করতে হয়, তার একটা রোস্টার ছিল, সপ্তাহে এক দু দিন অফিস, কে কবে যাবে। একটাও ডেলিভারি মিস হয়নি।

    এখনও যে ওফ্রোহো হচ্ছে, তাতে উল্টে দেখা গেছে লোকের প্রোডাকটিভিটি বেড়ে গেছে। অবশ্যই বার্ন আউট আছে, থাকাটাই স্বাভাবিক, কিন্তু সত্যের খাতিরে বলতে হবে, অপশান দিলে লোকে ওফ্রোহোটাই নেবে। আমাদের যেমন ক্লায়েন্ট ক্লজে আটকে গিয়ে অফিসে গিয়ে সিকিওর ওডিসি থেকেই কেবলমাত্র কাজ করতে হচ্ছে, বাকি প্রজেক্টে ওফ্রোহো অ্যালাউড, তাতে অনেকে আমাদের প্রজেক্ট ছেড়ে ঐসব প্রজেক্টে যেতে চাইছে। উপায় থাকলে আমিও তাই করতুম। এই চাহিদা বহুদিন ধরে ইন্ডিয়ার আইটি কোম্পানিতে ছিল, আছে, কাজেই এটাকে কোম্পানির চাপিয়ে দেওয়া বললে সত্যের অপলাপ অইব, কিন্তু কোন প্রোজেক্টই এই পিওসি টি করতে রাজি ছিলেন না, এখন ঠ্যাকারে পড়ে করতে বাধ্য হয়েছেন, এবং দেখেছেন এতে লাভ অনেক বেশি এবং ফিজিবলও, কাজেই দিস উইল বি নিউ নর্ম। ব্যস এটুকুই।

    হ্যাঁ আরেকটা জিনিস হয়েছে, আইটি বাদেও অন্য কর্মক্ষেত্রে হয়ত ওফ্রোহো নিয়ে কর্তৃপক্ষ একদমই ভাবতেন না, কিন্তু এখন আর পরের মুখে ঝাল খেতে হচ্ছে না, কোলাবরেশান টুল এখন ঘর ঘর কি কাহানিয়া। য়ামার, টিমস, শেয়ার পয়েন্ট, স্ল্যাক, ওয়ানড্রাইভ এখন আর শুধু আইটির ভাইটির কাপ অফ টী না, বহু জায়গাতেই এসব চলছে।

    এবং এর সঙ্গে হাতে কলমে কাজের কোন বিরোধ বা সদ্ভাব আগেও ছিলো না, এখনো নেই। ইন্টার বা ইন্ট্রা হোয়াইট আর ব্লু কালার জবে অসাম্য আগেও ছিল, আছে, ভবিষ্যতেও থাকারই কথা, কিন্তু ওফ্রোহো তাতে আলাদা করে কোন মাত্রা যোগ করে না। এটি একান্ত ভাবেই হোয়াইট কালারের শ্রমিকদের কাজের একটি পদ্ধতিমাত্র। ঠিক যেমন হোয়াইট কালার জবের লোকেরা আগে বেশির ভাগ ডেস্কটপে কাজ করতেন, এখন ল্যাপটপে করেন, এবারে অসাম্য বাড়াতে ঐ ল্যাপটপের যা ভূমিকা, ওফ্রোহো এরও তাই।

    একইভাবে ওফ্রোহো র মোদ্দা কথাটা "কর্মীদের উপস্থিতি ছাড়াই কাজ চলবে" একেবারেই ভ্রান্ত ধারণা। ওফ্রোহো তে কর্মীদের উপস্থিতি ভীষণ ভাবে দরকার। সেসব মনিটরিং করার, বোঝার অনেক উপায় আছে। প্রোজেক্ট ম্যানেজমেন্টের ধারণা এখন অনেক পাল্টেছে, আইটিতে বেশির ভাগ প্রোজেক্ট এখন ক্লায়েন্ট নিজেই ম্যানেজ করে, হ্যাঁ সাত সমুদ্দুর তেরো নদীর পাড়ে বসেই। কিন্তু সে সব লিখতে গেলে অনেক হ্যাজ। আর এই একই ক্থা প্রযোজ্য এআই বা আরপিএ নিয়েও। এসবের ফলে কর্মী সংকোচন হবে কি হবে না, সেসব পরের কথা, অন্য অলোচনার বিষয়বস্তু, এসবের সঙ্গে ওফ্রোহো গোলালে চলবে না।
  • দূর্বা | 142.12.***.*** | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ ২২:৫৬97026
  • WFH এর ভালমন্দ দুদিকই আছে। আপাতত মহামারীর মধ্যে অফিস যেতে না হওয়ায় চাকরি আর প্রাণ দুটোই খানিক রক্ষা পেয়েছে অস্বীকার করার উপায় নেই।
    একটা পরিবারে স্বামী স্ত্রী দুজনেই বাড়ি থেকে কাজ করলে আর তাদের বাচ্চকেও বাড়ি থেকেই স্কুল করতে হলে সবার আলাদা কমপিউটার লাগে। আলাদা ঘর, আলাদা বসার জন্য চেয়ার টেবিল সব লাগে। সবাই এক সঙ্গে video conferencing করলে internet bandwidth কমে যায়। দিনভোর বাড়ি থেকে কাজ করলে বাড়ির বিদ্যুতের খরচা বাড়ে। এখন অবধি এই পুরো ব্যবস্থার জন্য বাড়তি খরচ নিজেদেরই বহন করতে হচ্ছে।
    সবচেয়ে খারাপ ব্যাপার এখন আর কেউ বাড়ি যেতে হবে বলে কাজ গোটাতে হবে এটা ভাবা বন্ধ করে দিয়েছে। সবসময়ই বাড়িতে পাওয়া যাচ্ছে তাই কাজও এসে যাচ্ছে। আর মানুষের সঙ্গ, স্পর্শ ইত্যাদির অভাব যে মনের ওপর কী চাপ তৈরি করে, সেতো আরও এক বড় প্রসঙ্গ।

    মোট কথা অফিসে গিয়ে সময়মত কাজ সেরে ফিরে আসতে পারাটা অনেক ভাল ছিল।
  • r2h | 73.106.***.*** | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ ২৩:১১97027
  • ১৯৬০-এ লুরুতে ২৮০টা মত জলাভূমি ছিল, এখন ৮০-টার কমে দাঁড়িয়েছে, নদীগুলো নর্দমা, পাহাড় টাহাড় কেটে সমান করে দিয়েছে। সব চকচকে শহরেরই তো হরেদরে এক দশা।

    এইবার পরিযায়ী কর্মীরা যদি লকডাউনের বাজারে বাড়ি ফেরে (ভাড়া বাড়ি ছাড়া, মুভিং লজিস্টিকসের পরামর্শ চেয়ে অনেক পোস্ট দেখি ফেবু গ্রুপগুলিতে), তাহলে কী হতে পারে সেটা ইন্টারেস্টিং।

    এবং গ্রাম, ছোট শহরের লোকজন সেসব জায়গায় যায়, ফেরে, থাকে, এবং বড় শহরের হুড়যুদ্ধের থেকে সরে সেসব জায়গার সমস্যা ও সুবিধে, সুখ দুঃখ এইসবের একটু কাছাকাছি আসে, তাহলে কী হবে সেটাও ইন্টারেস্টিং। নিজের বাড়ি বসে কাজ করার সুযোগ পেলে সেসব হতে পারে। এমনিতেও সারাক্ষন আপিসের লোকের সঙ্গে না থেকে এমনি বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে থাকা ভালো, তবে আমাদের যেহেতু আপিসেই সব সময় চলে যায় তাই ঐসবের জন্যে সময় থাকে না।

    সব কিছুরই ভালো মন্দ আছে। দেখা যাক কী হয়।

    বাজার নিয়ে হাহাকারটা কমতে দেখলে ভালো লাগতো। বাজার এবং টাকা - এই দুই ছাড়া মানবজাতির হাতে হারিকেন, এইটা পরিতাপের বিষয়।
  • মৌলিক | 2409:4066:21b:4173::1942:***:*** | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ ২২:৪৪97071
  • সুন্দর আলোচনা

  • Azaad | 223.223.***.*** | ০১ অক্টোবর ২০২০ ১১:৩২97885
  • Amra bodh hy Big Data Economy  concept ta ekhno bujh tey চাইছি না কি পারছি না , উৎপাদন , শ্রম ( ডাটা miners ) এবং তার পনোঁয়ণ প্রক্রিয়া তে বড় পরিবর্তন চলছে , পুঁজিবাদ নতুন রূপ e r oo তীব্র হবে 

  • | ০১ অক্টোবর ২০২০ ১৫:৫১97898
  • তুলি

  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। দ্বিধা না করে প্রতিক্রিয়া দিন