এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  আলোচনা  রাজনীতি

  • নির্বাচন কমিশনের অবিশ্বাস্য অনাচারের গল্প - ভবানীপুর

    বাংলা গবেষণা কেন্দ্র
    আলোচনা | রাজনীতি | ১১ এপ্রিল ২০২৬ | ৩৫০৭ বার পঠিত | রেটিং ৫ (৬ জন)


  • এটা ভবানীপুর কেন্দ্রে তথাকথিত নির্বাচন কমিশনের অবিশ্বাস্য অনাচারের গল্প। এবং একই সঙ্গে সেই অনাচার খুঁড়ে বার করার অভিযানেরও গল্প। গল্পের শেষে অনুসন্ধানের ফলাফলও থাকবে, কিন্তু তার আগে পুরোটা পড়বেন, কারণ যে পাহাড়গুলো আমাদের ডিঙোতে হয়েছে, সেই পাহাড়গুলো আকাশ থেকে পড়েনি, ইচ্ছে করে তৈরি করা হয়েছে, যাতে টপকানো না যায়। সেটা প্রতিটি মানুষের জানা দরকার।

    ভবানীপুর এবং আরও কয়েকটা কেন্দ্র নিয়ে আমরা কাজ শুরু করেছিলাম অনেকদিন আগে। অল্ট নিউজ এবং সবর ইনস্টিটিউট এই কেন্দ্র নিয়ে তাদের প্রাথমিক অনুসন্ধান ইতিমধ্যেই পেশ করেছে। আমাদের প্রাথমিক অনুসন্ধানও তাদের সঙ্গে মেলে। তার পরেও কেন আলাদা করে প্রকাশ করছি, এবং কেন এত দেরি হল, তার উত্তরও এই লেখাতেই পাবেন। উত্তর একটাই, আমরা শুধু প্রাথমিক অনুসন্ধান নয়, কাজটা সম্পূর্ণ নিখুঁত ভাবে করতে চেয়েছিলাম। এখন মোটামুটি ৯৯% নিখুঁতভাবে শেষ হয়েছে এই কাজ। এবং সেই কারণেই অল্ট নিউজ বা সবরের থেকে এর ফলাফল খানিকটা আলাদা। বিপদ ওঁরা বা আমাদের প্রাথমিক অনুসন্ধান যা আঁচ করেছিল, তার চেয়েও বেশি, লেখাটা পড়লেই বুঝতে পারবেন। কিন্তু তার আগে আমাদের পাহাড় ডিঙোনোর যাত্রাপথের গল্প।

    প্রথম পাহাড়
    সবাই জানেন, যে সারা দেশে কোথাও সিএসভি ফরম্যাটে মেশিন রিডেবল ভোটার-তালিকা দেওয়া হচ্ছেনা। দেওয়া হচ্ছে পিডিএফ, এবং তাও বুথ ভিত্তিক। কেন, তার কোনো ব্যাখ্যা নেই। এই পাহাড়টার কথা আমাদের জানাই ছিল। কিন্তু যেটা জানা ছিলনা, সেটা হল পিডিএফ নামানোই একটা পাহাড়। সারা পশ্চিমবঙ্গ এবং ভবানীপুরের সব পিডিএফ নামিয়ে নেব ঠিক করেছিলাম, নির্বাচন কমিশনের সরকারি ওয়েবসাইট ব্যবহার করে। আশা ছিল এক ক্লিকেই সব ডাউনলোড হবে। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে দেখা গেল, একবারে মাত্র ১০টির বেশি ফাইল নামানো যায়না না। এমনকি প্রতিবার নতুন ক্যাপচা টাইপ করতে হয়। শুধু তাই নয়, আমাদের আন্দাজ, ওয়েবসাইটের ভেতরে এমন কিছু লুকানো কোড আছে যা নজর রাখে কেউ বেশি ফাইল ডাউনলোড করছে কি না। সেই কোডটি গোপনে ব্রাউজারকে ব্লক করে দেয় এবং ক্র্যাশ করিয়ে দেয়। অন্তত তিনটি উইন্ডোজ পিসি (ক্রোম এবং এজ ব্রাউজার চলাকালীন) এমনভাবে ক্র্যাশ করে যে নতুন করে উইন্ডোজ ইনস্টল করতে হয়েছিল। প্রোফাইল বদলানো বা ব্রাউজার ডেটা এডিট করেও কোনো কাজ হয়নি। ​তার পরেও আমরা পিডিএফ নামাই। কী করে আর লিখলাম না, বলে দিলে সেই রাস্তাও হয়তো বন্ধ করে দেওয়া হবে।

    দ্বিতীয় পাহাড়
    পিডিএফ তো নামানো হল। কিন্তু দেখা গেল, সেগুলোর অবস্থা মোটেই সুবিধের নয়। সরাসরি স্ক্যান করে টেক্সট-ফাইলে রূপান্তর করা তো একেবারেই অসম্ভব। ভোটার তথ্যগুলো চৌকো চৌকো বাক্সের ভেতর সাজানো ছিল, যেখানে একেকজন ভোটারের জন্য কয়েক লাইনের তথ্য। সোজা লাইন, কোথাও ছিলনা। এরও কোনো কারণ নেই। তাই আমাদের এমন একটি ওসিআর (OCR) টুল ব্যবহার করতে হয়েছে যা প্রতিটি পিডিএফ-কে ওই ছোট ছোট ব্লকে টুকরো করবে এবং তথ্যগুলোকে টেক্সটে টুকরো করবে। ২-৩ লক্ষ এন্ট্রির জন্য মানুষের পক্ষে এই কাজ করা অসম্ভব, তাই একটি প্রোগ্রামের প্রয়োজন ছিল। ​সেই প্রোগ্রামটা আমাদের ধরে বসে লিখতে হয়েছে, অনেকবার চেষ্টার পর জিনিসটায় সাফল্য আসে। এই কুস্তির কোনো কারণ ছিলনা, কিন্তু নির্বাচন কমিশন, ইচ্ছে করেই ফরম্যাটটা এমন বানিয়েছে, যাতে কাজটা কঠিন হয়।

    তৃতীয় পাহাড়
    ওসিআর করা হল আর সব মিটে গেল এমন না। অক্ষরগুলো দেখ গেল এমন করে সাজানো, যাতে প্রোগ্রাম চট করে চিনতে না পারে। রেজোলিউশন এবং ওসিআর সেটিংস নিয়ে অনেক নাড়াচাড়া করার পরেও দেখ গেল এলোমেলোভাবে ভুল স্ক্যান আসছিল, অদ্ভুত সব চিহ্ন চলে আসছিল, অথবা অক্ষর ও সংখ্যা বাদ যাচ্ছিল। ভোটার কার্ড নম্বর (EPIC), নাম, সম্পর্কের নাম, বয়স ইত্যাদি অন্তত ৯৫% নির্ভুলতায় আনার জন্য আমাদের একটি 'হিউরিস্টিক প্যাটার্ন ম্যাচিং', সংশোধন এবং প্রেডিকশন অ্যালগরিদম তৈরি করতে হয়েছিল। ​

    চতুর্থ পাহাড়
    শুধু ভবানীপুর না, সারা পশ্চিমবঙ্গের প্রাথমিক খসড় ভোটার তালিকা আমরা এইভাবে স্ক্যান করে ফেলি। তার ফলাফলও প্রকাশ করি। অন্য কেউ পড়ুক বা না পড়ুক, আমাদের আন্দাজ, নির্বাচন কমিশন ঠিকই পড়েছিল সেসব, এবং তারা অ্যাডজুডিকেশন তালিকা প্রকাশ করার সময় এবার নতুন একটা চাল চালল। নতুন তালিকায় এল নামের উপর অ্যাডজুডিকেশন এবং ডিলিট স্ট্যাম্প। এই স্ট্যাম্পগুলো নামের ওপর এমনভাবে পড়েছিল যে আসল নাম বোঝাই যাচ্ছিল না। চোখেই অনেক সময় বোঝা যাচ্ছিলনা, প্রোগ্রাম পড়বে কীকরে। অনেক প্রচেষ্টার পরেও প্রচুর নাম একেবারে অস্পষ্ট বা 'গার্বেজ' হিসেবে আসছিল। ​এর উপরেই আমাদের প্রাথমিক অনুসন্ধান হয়, তবে সেটা নিখুঁত হবার ধারেকাছেও ছিলনা। আড়াল থেকে নিশ্চয়ই কমিশন হাসছিল। তালিকা থেকে যদি নামই বার না করতে পারি, পরবর্তী বিশ্লেষণ হবে কীকরে?

    তবে বেহুলার এই বাসরঘরেও ছিদ্র ছিল। কপালজোরে এপিক (EPIC) নম্বরগুলো অক্ষত ছিল। ওটার উপর স্ট্যাম্প মারার কথা কমিশন ভাবেনি। এইটা কাজে লাগিয়ে আমাদের যে কায়দাটা করতে হয়, তা একটু টেকনিকাল, কিন্তু বলা দরকার। কাজটার দুটো ধাপঃ
    ১। সংক্ষেপে বলতে গেলে—প্রথমে পিডিএফ গুলোতে কালার সেপারেশন করতে হয়েছে, ব্যাকগ্রাউন্ডের সব পিক্সেল মুছতে হয়েছে এবং একটি কোনাকুনি স্ট্যাম্প চিহ্নিত করতে হয়েছে। এরপর সেটিকে বারবার ঘুরিয়ে (Rotate) এমন একটি কোণে আনতে হয়েছে যাতে ওসিআর সেটি পড়তে পারে। কাজটা কঠিন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত করতে পারা গেছে। ভবানীপুরের জন্য আমরা প্রায় ১৪,৩৭০টি অ্যাডজুডিকেশন রেকর্ড করেছি, যা দেশের অন্যান্য গবেষকদের তথ্যের সাথে মিলে যায়।
    ২। এতেও সব নাম নিখুঁতভাবে পড়া যাচ্ছিল, তা নয়।। কিন্তু আগেই বললাম, এপিক নম্বর গুলো অক্ষত ছিল। সেটা থেকে নামগুলো খুঁজে বার করার দরকার। এর জন্য আমরা সাহায্য নিলাম খসড়া তালিকার। পুরো খসড়া তালিকার পিডিএফ নামিয়ে আমাদের সিএসভি বানাতে হল। আমাদের প্রোগ্রাম অ্যাডজুডিকেশন তালিকা থেকে পড়ল এপিক। সেই এপিককে মিলিয়ে দেখল খসড়া-তালিকার সঙ্গে। তারপর মিলে যাওয়া এপিক দিয়ে খসড়া তালিকা থেকে বার করল নাম। এইভাবে চতুর্থ পাহাড়টা আমরা ডিঙোতে পারলাম, কয়েকদিন আগে।

    পঞ্চম পাহাড়।
    এ তো শুধু নামের তালিকা বার করা। কিন্তু আমাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল ডেমোগ্রাফিক বিশ্লেষণ, যা থেকে বোঝা যায়, পুরো এসআইআর প্রক্রিয়ায় কোনো পক্ষপাত আছে কিনা। যেহেতু, তালিকায় শুধু নাম আছে, ধর্ম বা ভাষা নেই, ফলে কোনো প্রোগ্রামের পক্ষে নাম পড়ে এই বিশ্লেষণ করা সম্ভব না। আমরা প্রাথমিক ভাবে হিন্দু-মুসলিম জনসংখ্যার বিশ্লেষণই করব ঠিক করেছিলাম। এটা হয়ে দাঁড়াল বিরাট চ্যালেঞ্জ। অ-মুসলিম নাম যেহেতু অগণিত, তাই আমরা পরিচিত সকল মুসলিম নামের একটি লাইব্রেরি তৈরির চেষ্টা করলাম। এর জন্য আমরা জেমিনি (Gemini), চ্যাটজিপিটি (ChatGPT) এবং পশ্চিমবঙ্গ ও মুসলিম নাম সম্পর্কে অভিজ্ঞ সমাজকর্মীদের সাহায্য নিলাম। কিন্তু এটিও সম্পূর্ণ ছিল না। তাই আমরা ৪-৫টি নির্বাচনী এলাকার সিএসভি ফাইল ম্যানুয়ালি স্ক্যান করে সব মুসলিম নাম সংগ্রহ করে একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করলাম। তবে সমস্যা সেখানেই শেষ হয়নি। এমন অনেক নাম আছে যা মুসলিম এবং অ-মুসলিম ভারতীয়দের মধ্যে সাধারণ (Common), যেমন—সাহিল, পারভীন ইত্যাদি। আমাদের লিস্ট ব্যবহার করেও আমরা দ্বিধায় পড়ছিলাম যে কোন নামটিকে কোন শ্রেণিতে রাখব। এর একমাত্র সমাধান ছিল ডেটার ভেতরেই তথ্য খোঁজা। সেখানে নাম, পদবি এবং সাথে 'রিলেশন নেম' (পিতা/স্বামীর নাম) ও পদবি ছিল। ​আমরা এই সব তথ্য একত্রিত করলাম এবং একটি 'ডুয়াল নেম' লাইব্রেরি তৈরি করলাম। যদি কোনো নামে এমন শব্দ পাওয়া যায় যা উভয় সম্প্রদায়ের হতে পারে, তখন আমরা সেই ব্যক্তির নামের অন্যান্য অংশ এবং সম্পর্কের নাম ও পদবি মিলিয়ে দেখি। এই অ্যালগরিদমটি এখন ভবানীপুরের মতো এলাকায় ৯৯%-এর বেশি নির্ভুল ফলাফল দিচ্ছে। ​

    এই হল আমাদের পাহাড় ডিঙোনোর যাত্রাপথ। যাত্রার শেষে আমরা কী পেলাম? সেই বিশ্লেষণ নিচে দেওয়া হলঃ

    আমাদের ফলাফলের সঙ্গে অল্ট নিউজ ও সবর ইনস্টিটিউটের ফলাফল মোটের উপর একমত হলেও কিছু উল্লেখযোগ্য পার্থক্য আছে, যদিও, তিনটি বিশ্লেষণের মূল বার্তা মোটের উপর একই দিকে ইঙ্গিত করে, এবং, সেটি এই যে, বিচারাধীন তালিকায় মুসলিম ভোটারদের অনুপাত তাদের মোট জনসংখ্যার মুসলিম ভিত্তির তুলনায় অস্বাভাবিক রকম বেশি। এই তফাতের কারণ পদ্ধতিগত। শুধু স্ক্যানিং বা ওসিআরের টেকনোলজি নয়, নামভিত্তিক শ্রেণিবিভাগের পদ্ধতিতেও তিন দলের মধ্যে কিছু মূলগত পার্থক্য আছে। অল্ট নিউজ়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী ওঁরা এআই-ভিত্তিক শ্রেণিবিভাগ ব্যবহার করেছেন, যেখানে প্রথম নাম ও পদবি একসঙ্গে বিশ্লেষণ করা হয়েছে, এর সম্ভাব্য কারণ বাংলায় হিন্দু প্রথম নামের সঙ্গে মুসলিম পদবি বা উল্টোটা থাকা অস্বাভাবিক নয়। ওঁদের রিপোর্ট করা কনফিডেন্স স্কোর অনুযায়ী, গোটা অ্যাডজুডিকেটেড তালিকা দেখলে তার ৯৩.৯% “হাই-কনফিডেন্স”, এবং শুধু মুসলিম সাবসেটের ক্ষেত্রে সেটা ৯৭.৩%। আমাদের পদ্ধতির সাথে অল্ট-নিউজ়ের মূল পার্থক্য দুটি, এক, আমাদের শ্রেণিবিভাগের পদ্ধতিতে এ-আই টুলস ব্যবহার করা হয়নি - যেটা অবশ্য এই প্রতিবেদনের প্রথম অংশ পড়লেই পরিষ্কার হয়ে যায়। এ-আই টুলস সর্বগ্রাসী এবং জনপ্রিয় এ নিয়ে সন্দেহ নেই, কিন্তু এ-আই ঠিক কী উপায়ে কাকে কোন শ্রেণিভুক্ত করেছে সেই অ্যালগোরিদম স্বচ্ছ হয় না, যাকে বলে “ব্ল্যাক-বক্স” বা “ক্লোজ়ড বক্স”, নিজের ইচ্ছেমতন রদবদল করা অসাধ্য না হলেও দুঃসাধ্য, এবং, সে কোথাও ভুল করলেও কেন ভুল বোঝার উপায় নেই, কারণ এ-আই ব্যাখ্যাতীত, এক্সপ্লেইনেবল নয়। আমাদের পদ্ধতি নিতান্ত গায়ে-গতরে খেটে, তালিকার পর তালিকা ধরে দুইদিকের ভ্রান্তি বারংবার ঠিক করে, একাধিক মানুষের অমানুষিক শ্রমের ফসল, এবং, এই পদ্ধতি “ওপেন বক্স”। আর, দুই, এটি অপেক্ষাকৃত ছোটো তফাত, দ্ব্যর্থক নামের ক্ষেত্রে আমরা শুধু সেই নামের উপর নির্ভর না করে ভোটার তালিকার মধ্যে থাকা সেই ব্যক্তির আত্মীয় বা সম্পর্কের নাম ও পদবিও একসঙ্গে বিবেচনা করেছি।

    ফলাফল মোটের উপর এই - আমাদের বিশ্লেষণে ১৪,৩৭৪টি এন্ট্রির মধ্যে ৮,০১৯ জন মুসলিম, অর্থাৎ ৫৫.৭৯%। আর, অল্ট নিউজ ভবানীপুরের অ্যাডজুডিকেশন তালিকায় ১৫,৬১৮টি এন্ট্রি পেয়েছে এবং তাদের মধ্যে মুসলিম ভোটারের সংখ্যা - ৮,০৮৩, অর্থাৎ অনুপাত ৫১.৮%।
    মুসলিম ভোটার ভিত্তির পরিমাপ-ও কিছু আলাদা। আমাদের বিশ্লেষণে মোট ১,৬৩,০৩২ মোট রেকর্ডের মধ্যে ৩৮,৫১০ জন মুসলিম - ২৩.৬২%। অল্ট নিউজ়ের ক্ষেত্রে ১,৬১,০৮৩-জন ভোটারের মধ্যে ৩৫,২১৬ জন মুসলিম - ২১.৯%। আর, সবর ইনস্টিটিউটের রিপোর্টে পাচ্ছি, বিচারাধীনদের মধ্যে মুসলিম শতাংশ ৫৬.৬৫%, আর শেষ সেন্সাস অনুযায়ী মুসলিম ভোটার-ভিত্তি ২০%।

    সব মিলিয়ে চিত্রটা এই, যে, মুসলমান ভোটাররা মোট ভোটারের মাত্র ২৩.৬২% হলেও, বিচারাধীন তালিকায় মুসলমানের অংশ ৫৫.৭৯%। এটা পদ্ধতিগত একটা পক্ষপাতকে সূচিত করে বলে মনে করা যায়। এবং ৫৫.৭৯% সংখ্যাটা রক্ষণশীল হিসেবে। বহু নামকে নিখুঁতভাবে মুসলমান নাম হিসেবে চিহ্নিত না করা গেলে আমরা সেগুলোকে হিন্দু নাম ধরে নিয়েছি। ফলে সংখ্যাটা আরও কিছুটা বাড়া উচিত। প্রসঙ্গত অল্ট নিউজের প্রতিবেদনে এই শতাংশটা ৫১.৮%। আমাদেরও প্রাথমিক অনুসন্ধানে এইরকমই এসেছিল। পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণের পর দেখা গেল শতাংশের বৃদ্ধি হয়েছে ৪%। এই জন্যই, লেখার শুরুতেই বলা হয়েছিল, প্রাথমিক অনুসন্ধানে বিপদটা ঠিকই চিহ্নিত করা গিয়েছিল, কিন্তু যা আন্দাজ করা গিয়েছিল, বিপদটা তার চেয়েও বেশি।




    আমরা নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য উন্মোচন করার ঝুঁকি নিতে চাই না, তাই পাবলিক ফোরামে নাম, বুথ নম্বর, এপিক নম্বর, বয়স, আত্মীয়-সম্পর্ক অথবা ধর্মের শ্রেণিবিভাগ সংক্রান্ত কোনো তথ্য প্রকাশ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

    তবুও কারও কৌতূহল থাকলে, অথবা আমাদের পদ্ধতি সম্পর্কে একাডেমিক আগ্রহ থাকলে, এই ইমেলে যোগাযোগ করুনঃ bgkvoter2026@gmail.com। আমাদের এই যাত্রাপথ অত্যন্ত কঠিন ছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা সফল হয়েছি বলেই আমাদের ধারণা। আমাদের জনবল-অর্থবল সবই সীমিত, তাই, কোথাও কোনো খুঁত পেলে বা এই কাজে আমাদের সাহায্য করতে চাইলে জানাতে দ্বিধাবোধ করবেন না।


    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক।
  • আলোচনা | ১১ এপ্রিল ২০২৬ | ৩৫০৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Debanjan Banerjee | 2401:*:*:*:*:*:*:* | ১১ এপ্রিল ২০২৬ ২২:৫১739858
  • অসাধারণ কাজ হয়েছে l এতো খাটছেন আপনারা পর্দার আড়াল থেকে মানুষের অধিকার রক্ষা করতে, খুবই ভালো লাগছে l আচ্ছা নির্বাচনের এতো নিরাশার মধ্যেও আপনাদের এই কাজটাই কি বাঙালীর কিছুটা আশার আলো দেখাবে ?
  • Raju Paul | 2401:*:*:*:*:*:*:* | ১২ এপ্রিল ২০২৬ ০৮:০০739863
  • অসাধারন
  • হীরক সেনগুপ্ত | 2405:*:*:*:*:*:*:* | ১২ এপ্রিল ২০২৬ ০৮:০৮739864
  • বাংলাকে ও বাঙালিকে বাঁচাতে এই প্রচেষ্টা প্রশংসনীয়। SIR নামক একটি সিস্টেমকে কাজে লাগিয়ে বাঙালিদের বাংলা থেকে বিতাড়িত করতে যে চেষ্টা গত পাঁচবছর নয় 2016 সালের পর থেকেই প্রথমে হিন্দু মুসলিম নামক পেন্ডুলাম ঝোলানো, তারপর খুবই চতুর ভাবে মোহন -ইস্ট এর মাধ্যমে ঘটি বাঙ্গাল এর দিয়ে এপার ওপার বলে বাঙালিদের মধ্যে এক মারাত্মক বিভাজন যা কিনা খেলার মাঠে দেখা গেছে দর্শকদের আচরণের মধ্যদিয়ে, এই ভাবে বাংলায় কথা মানে বাংলাদেশি, এই ধরনের নানা পদ্ধতিতে আজ এই ভাবে এত হিন্দু বাঙালি ও বাঙালিভাষী দের নাম কাটার তালিকায়।
    এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ময়দানে রাজনীতি দূরে রেখে নামতেই হবে, তারই প্রতিফলন আপনাদের এই বিশ্লেষণ।ধন্যবাদ।
  • Sumanta Ghosh | 45.*.*.* | ১২ এপ্রিল ২০২৬ ০৮:০৯739865
  • দুর্দান্ত কাজ | কোনোভাবে সাহায্য করতে পারলে বাধিত হব
  • সব্যসাচী | 49.*.*.* | ১২ এপ্রিল ২০২৬ ০৮:৩৪739866
  • অনেক খেটে কাজটা করেছেন। এতে মেধা ও সময়, দুটোই লেগেছে। এসব করতে ফান্ড পাচ্ছেন কোথা থেকে?
  • পলাশ রায় | 117.*.*.* | ১২ এপ্রিল ২০২৬ ০৮:৪১739867
  • অসাধারণ কাজ!!
  • মোয়াল্লেম নাইয়া | | 2409:*:*:*:*:*:*:* | ১২ এপ্রিল ২০২৬ ০৮:৪৩739868
  • খালি চোখে খুব সহজেই আমরা এটা লক্ষ্য করেছি। আপনাদের বিশ্লেষণ যথাযথ। আমার বুথে হিন্দু মুসলমান দুই সম্প্রদায়ের গরীব সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের বসবাস। কিন্তু সেখানে একচেটিয়া মুসলমানরাই ডিলিট হয়েছেন। অথচ একটাও হিন্দু নাম ডিলিট হয়নি। এটা যে ইচ্ছাকৃত এবং ডেমোগ্রাফিকে চেঞ্জ করার ষড়যন্ত্র তা বোঝা যায়।
  • সুজয় মজুমদার | 2401:*:*:*:*:*:*:* | ১২ এপ্রিল ২০২৬ ০৮:৪৫739869
  • আপনাদের কাজ প্রশংসা যোগ্য, আশাকরি আপনাদের থেকে khub শীঘ্রই সারা বাংলার একটা রূপরেখা পাবো
  • dc | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ১২ এপ্রিল ২০২৬ ১০:০৮739870
  • দুর্দান্ত, দৃষ্টান্তমূলক কাজ হয়েছে। ডেটা অ্যাকুইজিশান, ডেটা ক্লিনিং, অ্যানালিসিস আর রিপোর্ট, যার মধ্যে প্রথম দুটো ধাপ, আপনারা যেমন লিখেছেন, একেকটা পাহাড় ডিঙানোর মতো! আমার মতে পুরো ব্যপারটা যদি আপনারা কোন একটা পাবলিক নলেজ রিপোজিটরিতে রেখে দিতে পারেন আর য়ুটুব ভিডিও করে রাখেন তো আরও অনেকে উপকৃত হবেন। স্যার তো সব রাজ্যেই হচ্ছে, আর সব রাজ্যেই ইসি শাসক দলের সুবিধামতো ভোটার ক্যাটেগোরি বাদ দিচ্ছে, কাজেই প্রত্যেক রাজ্যের বা যাওয়া ভোটারদের নিয়ে এরকম ডেমোগ্রাফিক অ্যানালিসিস হওয়া উচিত মনে হয়।
  • Arun Das | 2409:*:*:*:*:*:*:* | ১২ এপ্রিল ২০২৬ ১০:৩১739872
  • ভাববেন না!!!!! জ্ঞানেশ কুমার ও মনোজ আগরয়াল
    এরজন্য ভবিষ্যত আপনার থেকে কৈফিয়ত আদায় করে নেবে!
    যতই বিজেপি আইন তৈরী করে যাক যে, রিটায়ারের পর ECI এর অধিকারিকদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি পদক্ষেপ করা যাবে না!
  • উত্তান বন্দ্যোপাধ্যায় | 45.*.*.* | ১২ এপ্রিল ২০২৬ ১০:৫৭739875
  • অসাধারণ কাজ নিঃসন্দেহে। এ নিয়ে কোন কথা হবে না। এককালে আমি রাশিবিজ্ঞানের ছাত্র ছিলাম তাই আমি এই ব্যাপারটি কিছুটা বুঝতে পারছি। 'কিছুটা বুঝতে পারছি' এ কারণেই বলছি যে কম্তপিউটার প্রোগ্রামিং বা আইটি জ্ঞান আমার খুবই কম। নাহলে আরেকটু ভাল করে বুঝতে পারতাম। তবুও আমার একটা কথা ছিল,একটু ভাবতে অনুরোধ করছি। ডিমোগ্রাফিক প্যাটার্ন একটা স্পেস(space) ধরে নেওয়া যাক। আরেকটা কনসেপ্ট আছে - ভোটারদের মানসিকতা। কোন বিধানসভা ইলেকশনে ভোটারদের প্রবণতা যা তা ঠিক একবছর বা দুবছর পরে পার্লামেন্টারি ইলেকশনে ওই বিধানসভা কেন্দ্রেই ভোটারদের প্যাটার্ন বদলে যায়,এমনও হয়। তাই ভোটিং প্যাটার্ন বা ভোট আমি কাকে দেবো এটা আপনি বা কেউ যখন আন্দাজ করবেন সেটা কিন্তু প্যারামেট্রিক নয়, নন-প্যারামেট্রিক। তাই প্রশ্ন, ডিমোগ্রাফি উল্টোপাল্টা করে দিলেও কি তা এই তথ্যদুষ্কৃতিদের পক্ষে যাবেই এমনটা কি জোর করে বলতে পারি?
  • dc | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ১২ এপ্রিল ২০২৬ ১১:১৬739876
  • আমার মনে হয়, বিজেপি আর অন্য রিজিওনাল পার্টিগুলো (যারা ক্ষমতায় আছে), সবার কাছেই হাই কোয়ালিটি হাই গ্র‌্যানুলারিটির ডেমোগ্রাফিক আর ভোটার ডেটা আছে। তো বিজেপি দেখেছে কিছু কিছু ক্যাটেগোরির থেকে তারা কম ভোট পায়, যেমন মুসলমানরা, খুব লো ইনকাম বা রুরাল এরিয়ার ভোটাররা বিজেপিকে কম ভোট দেন, মানে এগুলো লং টার্ম ট্রেন্ড। কাজেই ঐ ডেমোগ্রাফিকগুলো যদি উল্টোপাল্টা করে দেওয়া হয়, তাহলে বিজেপি কিছু ভোট হারাবে, কিন্তু অন্য পার্টি অনেক বেশী রেশিওতে ভোট হারাবে। ফলে ওভারল বিজেপির লাভ হবে।
  • বিপুল রায় | 115.*.*.* | ১২ এপ্রিল ২০২৬ ১১:২২739877
  • এটা বিরাট বড় ক্রিমিনাল অফেন্স। এদের আগাম আইনি সুরক্ষা দেওয়ার কারণটা আর অস্পষ্ট না। ফ্যাসিস্ট মোদি-শা'র সাথে তাদের হিমলার, গোয়েরিংদের উপযুক্ত প্রাপ্য জনগণ পাইয়ে দেবে।
  • Debasis Bhattacharya | ১২ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:১০739880
  • খুবই জরুরি এবং অভিনন্দনযোগ্য কাজ। শুধু একটা কথা।
     
    এই দুর্দশাটার কতটা সরকারি অদক্ষতা অপদার্থতা অনান্তরিকতার ফল, কতটা দরিদ্র মুসলমান জনতার অসচেতন অগোছালো জীবনযাত্রার ফল, আর কতটাই বা কর্তৃপক্ষের তরফে সচেতনভাবে কলকাঠি নাড়ার ফল --- তার একটা আলোচনা থাকলে ভাল হত।
     
    হয়ত নিশ্চিত সিদ্ধান্ত নেবার মত তথ্য হাতে থাকবে না। তবু, সম্ভাব্যতার একটা বিশ্লেষণ থাকলে ভাল হত।
  • Ashutosh Chakraverty | ১২ এপ্রিল ২০২৬ ১৭:৫৩739889
  • দূর্ধর্ষ কাজটি করতে কী অপরিসীম অনুসন্ধিৎসা, পরিশ্রম বুদ্ধি এবং জ্ঞানের প্রয়োজন হয়েছে তা ভক্তিতে অন্ধ বিরূপ মন্তব্যকারীরা বুঝতেই পারছেন না। তবে জ্ঞানের ঈশ্বর নামাঙ্কিত আপনাদের প্রতিপক্ষ নিশ্চিত ভাবে বুঝতে পারছেন বাংলা ও বাঙালির সাথে লড়া বড় কঠিন।
    ভক্ত বাঙালি গোমূর্খদের সাহচর্যের ফলপ্রসূ ভ্রম নিশ্চয়ই এতদিনে চারদিকের সমীক্ষা ও সত্য উদঘাটনের ফলে ভেঙেছে।
    আরেকটি কথা অর্বাচিন মন্তব্যের উত্তরে বলা যায়, বিশ্লেষণে ডিলিটেড ভোটারদের মধ্যে কেবল কত সংখ্যক এবং কত শতক মুসলমান ভোটার আছে ও জনসংখ্যার অনুপাতে পার্থক্য কত তাই বের করা হয়েছে। কারা এর মধ্যে অনুপ্রবেশকারী বা সঠিক নাগরিক তা OhMeatএর বিবেচনার বিষয়।
  • a | 14.*.*.* | ১২ এপ্রিল ২০২৬ ১৮:১২739891
  • আচ্ছা ডাটা ক্লিন করার পন্চম পাহাড়টার জন্যে নির্বাচন কমিশনকে দায়ী করটা ঠিক হল কি? ওটা তো একেবারেই আপনাদের প্রয়োজনের জন্যে বানানো ফিচার।
     
    কারণ যে পাহাড়গুলো আমাদের ডিঙোতে হয়েছে, সেই পাহাড়গুলো আকাশ থেকে পড়েনি, ইচ্ছে করে তৈরি করা হয়েছে, যাতে টপকানো না যায় -- ১-৪ নিঃসন্দেহে অপ্রয়োজন্যীয় আর নিঃসন্দেহে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বে পড়ে, পন্চমটা নয়।
  • অমিতাভ | 2405:*:*:*:*:*:*:* | ১২ এপ্রিল ২০২৬ ২১:৩৫739897
  • দারুন কাজ করেছেন।
  • অমিতাভ ঘোষ, সল্টলেক, বিধান নগর | 2401:*:*:*:*:*:*:* | ১২ এপ্রিল ২০২৬ ২১:৫৬739898
  • যেভাবে বিশ্লেষণ করলে তাতে বুঝতেই পারছি কি অমানুষিক পরিশ্রম করতে হয়েছে শুধু ভবানীপুর কেন্দ্রের ভোটারদের সরলীকরণ করে রিডেবেল ফরম্যাট বানানোর জন্য। অনেক ধন্যবাদ তোমাদের, বিশেষ করে, এই নির্বাচনের পরেও বাংলার ভোটার তালিকার কিছুটা হয়তো একদম সঠিক ফরম্যাটে পাওয়ার যাবে এরপর থেকে। গুরুচণ্ডালী টিমকে হৃদয়ের অন্তর থেকে প্রচুর প্রচুর শ্রদ্ধা ভালোবাসা এবং অভিনন্দন জানালাম। সবাই ভালো থেকো।
  • প্যালারাম | ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ০১:৪২739914
  • @a | 14.2.***.*** | ১২ এপ্রিল ২০২৬ ১৮:১২739891
     
    ঠিকই। কিন্তু ঐটে পাহাড় কেন, ঢিপি হওয়ারও কথা নয়। বিজেপির লোগো নিজেদের নোটিশে লাগিয়ে, সোশ্যাল মিডিয়ায় বখাটে ছোঁড়াদের কায়দায় হুমকি দিয়ে এই কমিশন নিজের সম্পর্কে যা প্রমাণ করেছে, যা কিনা সকলেই বুঝতে পারছে, তা ডেটা দিয়ে প্রমাণ করা শক্ত ছিল না। যে প্রোগ্রাম ডেটা রিড করছে, তা-ই ডেটা টেক্সট রিডেবল ফর্মেও দিতে পারতো, আর তার থেকে যে কোনো স্বতন্ত্র দল এই নিরপেক্ষ পরীক্ষা করতেই পারতো, সহজে। যদি বছরের পর বছর ঘেন্নার চাষ না হত বিজেপির তরফে, যদি ডেমোগ্রাফির বদলে যাওয়া নিয়ে ত্যানা না প্যাঁচানো হত, তাহলে এই বনের মোষ তাড়ানোর দরকারও হত না। কেউ যেচে এই অ্যানালিসিস করতোও না। কিন্তু বিদ্বেষচাষী দলটির ছায়ায় গা জুড়িয়ে এই কমিশনই ওটাকে পাহাড়ে পরিণত করেছে।
     
    Foreshadowing : দায় যে কমিশনের, সেটা ডিলিটেড আর বিচারাধীন লিস্ট নিয়ে পাঁচ মিনিট ঘাঁটলেই বোঝা যায়। সে লেখা যখন লেখা হবে, তখন ডিটেলে পাবেন, আপাতত এটুকু বলে রাখি, জল ইচ্ছাকৃতভাবেই ঘোলা করা হয়েছে, এ নিয়ে কোনো সন্দেহ মনে রাখবেন না।
  • ki bipad | 2a09:*:*:*:*:*:*:* | ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:১২739921
  • কি বিপদ, আমি শুধু বলছি পম্চম পাহাড় বলে যাকে চিন্হিত করেছেন, "কিন্তু আমাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল ডেমোগ্রাফিক বিশ্লেষণ, যা থেকে বোঝা যায়, পুরো এসআইআর প্রক্রিয়ায় কোনো পক্ষপাত আছে কিনা। যেহেতু, তালিকায় শুধু নাম আছে, ধর্ম বা ভাষা নেই, ফলে কোনো প্রোগ্রামের পক্ষে নাম পড়ে এই বিশ্লেষণ করা সম্ভব না। " এইখানে তো কমিশন শুধু তালিকা দিয়েই সঠিক কাজ করেছে। এই তালিকায় ধর্ম থাকলেই বরন্চ আশ্চর্জের বিষয় হত।
     
    আপনাদের বাকি দাবিদাওয়া নিয়ে আমার খুব কিছু বক্তব্য নেই।
  • Animesh Tripathy | 2401:*:*:*:*:*:*:* | ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:২৮739922
  • আপনাদের পরিশ্রম সার্থক হবে যদি কেন্দ্রের পার্টি হারে। আর নির্যাতন কমিশন এর গালে থাপ্পড় পর্বে .
  • প্রশ্ন | 2401:*:*:*:*:*:*:* | ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ০৭:২২740336
  • কাল যা যা নাম উঠেছে, বেশিরভাগ দ: কোলকাতার। কোন কোন কেন্দ্রের, বাংলা গবেষণা কেন্দ্র জানাতে পারেন? এই কেন্দ্রগুলোই আগে বেছে নেওয়া হল কেন?
     
    তবে, মোটের উপর ট্রাইবুনালে ৩৫ লাখ।
    তার মধ্যে ১৬০০ র নাম উঠল, যাদের ডিলিশনে নাম ছিল, তার প্রায় ৯৯% ইনক্লুডেড, মানে জাস্ট সবাই বৈধ ভোটার, যাদের নেই করে রাখা হল!
     

    যাহোক, অনেক বেশি হইচই হওয়া উচিত ছিল কেবল. 04% এর কেস সলভ হওয়া নিয়ে। এই গতিতে পরের নির্বাচনেও সব শেষ হবেনা! আর তাও নাকি আবার স্পিডি ট্রায়াল চলছে! এই লোকজন এদ্দিন কী কী সুবিধে থেকে এইসব মানুষ বঞ্চিত হবেন, কে জানে! ক্রিমিনাল অফেন্স এটা।
  • Jayanta Chatterjee | 2409:*:*:*:*:*:*:* | ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ১০:৫৪740348
  • আপনাদের জন্যে কোনো প্রসংসাই যথেষ্ট নয় - অসাধারণ কাজ করে চলেছেন আপনারা |
    শুধু একটাই ভয় গতবার এই এলাকা গুলো থেকেই সবথেকে বেশি বিজেপি বিরোধী লিড ছিলো -এই বিপুল পরিমান বাদ দেবার পরে -সেই লিড টা কি থাকবে না কি এবারে বিজেপি জিতে যাবে ?
     
    এটাই চিন্তা হছে .
  • Prabhas Sen | ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ২২:২৬740373
  • আমাদের দুর্ভাগ্য যে দেশের মাথায় দুজন অতি ক্রূর ও ঘোর সাম্প্রদায়িক মানুষ বসে আছে। গান্ধীজির হত্যাকারী এই দলটির স্বাধীনতার যুদ্ধে কোনও অবদান ই ছিল না। এদের রাম আসলে নাথুরাম !
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

SIR
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। চটপট মতামত দিন