এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • হিংসা বনাম শ্রী রামের অহিংস ধর্মতত্ত্ব।

    লতিফুর রহমান প্রামানিক লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৮ মে ২০২৬ | ১৩৮ বার পঠিত
  • হিংসা বনাম শ্রী রামের অহিংস ধর্মতত্ত্ব।

    বিধানসভার নির্বাচনের মেহেদীর রঙ এখনো উঠেনি। কোথাও কোথাও শপথের প্রস্তুতি চলছে। যে কয়টি রাজ্যে নির্বাচন হয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনার ঝড় বইছে কোলকাতায়। স্বভাবতই তাই হওয়ার কথা। কখনো পশ্চিমবাংলায় সবচেয়ে ধর্মীয় উগ্রবাদী দল ভারতীয় জনতা পার্টি শাসন করতে পারবে তা হয়তো বহুকাল সেখানকার মানুষ কল্পনায় আনেনি। কিন্তু কোন ক্ষমতাই চিরন্তন নয়। বামদের দীর্ঘ শাসন মানুষ দেখেছে। একটা সময়ে মানুষ মুক্তি চেয়েছিলেন তাদের হাত থেকে। পরবর্তীতে তাই হয়েছে। সহনশীল বামফ্রন্টের মতো একই সমীকরণ নিয়ে ক্ষমতায় আসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পনের বছর পরে ভোটের হার নিয়ে সরে পড়ে গেছে। রাজনৈতিক এই উত্থান পতন স্বাভাবিক ব্যাপার মাত্র। ভোটারের ইচ্ছের উপরই ক্ষমতার সিদ্ধান্ত হয়। জনগনের এই ক্ষমতা আর ইচ্ছে কে সাধু জানাই। বাবরি মসজিদ ঘটনার সময়ে ভারতের হিন্দুত্ববাদকে স্পষ্টভাবে সামনে রেখে গুজরাটের ক্ষমতা শুধু নয় গোটা ভারতের ক্ষমতায় আবির্ভূত হয় বিজিপি। ধর্ম রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসাবে সব সময়, সব দেশেই চলে আসছে। যার সবচেয়ে বড় ব্যবহার করতে কাজে নেমে পড়ে ভারতীয় জনতা পার্টির নেতারা। যথাযথ ভাবে সফল ও হয়। ভারতের শাসন ক্ষমতায় মুসলিম রা সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ছিলো। সময়ের আবর্তে ভারতের শাসন ক্ষমতা আজ মুসলমানদের হাতে নেই। মানুষের ধর্মভয় কম নয়। বিশেষ করে ভারতীয় উপমহাদেশের মানুষ সবচেয়ে বেশি ধর্মের প্রতি দরদী ও ভীতু। যার ফলে রাজনৈতিক কিছু দল সেটাই পুজি করে ক্ষমতা কুক্ষিগত করার জন্য মরিয়া হয়ে যায়। প্রতিটি ধর্মে পরম সহিষ্ণু, মানবিকতা, অন্য ধর্মের প্রতি সম্মান দেখানো ও ঈশ্বর বা খোদার উপর বিশ্বাসই মুলকথা। বর্তমান ভারতীয় জনতা পার্টির কার্যক্রমের সাথে শ্রী রামের ধর্মের আদর্শ নিয়ে নিয়ে ব্যাপক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। ধর্মের ভিত্তিতে রাজনীতি আমি খুব দোষের বলছি না। কিন্তু ধর্ম কি সমাজের এসব অনাচার, হিংসা আর বিভাজনের কথা বলে?
    রামের বাণীতে জাতি-ভেদ বা উঁচু-নিচুর ভেদাভেদ ছিল না। তিনি শবরীর এঁটো ফল খেয়েছিলেন এবং পক্ষীরাজ জটায়ুকে পিতার মর্যাদা দিয়েছিলেন। তাঁর কাছে ভক্তি এবং ভালোবাসাই ছিল শ্রেষ্ঠ।
    ​বাণী: "ভক্তি এবং পবিত্র হৃদয়ের কাছেই ঈশ্বর ধরা দেন, কোনো বাহ্যিক আড়ম্বরে নয়।"
    ​তিনি এমন এক শাসনের বাণী প্রচার করেছেন যেখানে প্রজারা হবে সুখী, নির্ভীক এবং নিরাপদ। একজন শাসকের প্রধান কাজ হলো নিজের প্রজাদের সেবা করা।
    ​সারকথা
    ​শ্রী রামের মূল বাণী হলো— "সত্য বলো, ধর্মের পথে চলো এবং সকল প্রাণীর প্রতি দয়ালু হও।" তাঁর জীবনই ছিল তাঁর সবচেয়ে বড় বাণী, যা আজও মানুষকে সঠিক পথ চলতে অনুপ্রাণিত করে।
    রামের জীবন দর্শনে কোনো সংকীর্ণতা ছিল না। তিনি বিভিন্ন বনবাসী জাতি (যেমন: নিষাদরাজ গুহক), বানর এবং ভল্লুকদের সঙ্গে মৈত্রী স্থাপন করেছিলেন। এটি বর্তমানে আমাদের শেখায় যে, ভিন্ন মত বা ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের প্রতি ঘৃণা নয়, বরং শ্রদ্ধাশীল হওয়া উচিত।
    ​দিলীপ বাবু সোজাসাপটা বলেই দিলেন যে, সংখ্যালঘুদের দায় দায়িত্ব আমাদের নেই। কথাটা ভেবে দেখতে হবে। শাসক যখন এসব কথা বলে অথচ মুখে জয় শ্রী রাম বলে ফেনা তুলে চলছে তারাই এসব বলে। এই অস্থিরতা তৈরি ভবিষ্যতের ভারতীয় রাজনৈতিক ইতিহাসের কালো অধ্যায় হিসাবে জারী থাকবে।
    মুসলমানদের উপর হামলা হচ্ছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের লোকজন আক্রান্ত হচ্ছে। এই অস্থিরতা প্রকট হতে থাকলে আগামী নির্বাচনে মোদীকে মুল্য দিতে হতে পারে। কিন্তু রামের শিক্ষা কি সেটাই ছিলো?
    ​যদিও রাম যুদ্ধ করেছিলেন, কিন্তু তাঁর উদ্দেশ্য ছিল অধর্মের বিনাশ এবং শান্তি প্রতিষ্ঠা। তিনি অকারণে রক্তপাতে বিশ্বাসী ছিলেন না। তিনি শিখিয়েছেন যে, ক্রোধ সম্বরণ করে শান্তির পথে চলাই হলো প্রকৃত আধ্যাত্মিকতা।
    ​রাম শিখিয়েছেন যে ঈশ্বর বা পরমাত্মাকে পাওয়ার জন্য কোনো আভিজাত্যের প্রয়োজন নেই। বনের সাধারণ নারী শবরীর ভক্তিতে তিনি মুগ্ধ হয়েছিলেন। এটি প্রমাণ করে যে:
    ​"ঈশ্বর কোনো জাতি বা ধর্মের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নন, তিনি কেবল পবিত্র হৃদয়ের ভক্তি গ্রহণ করেন।"
    ​রামচন্দ্রের মতে, সত্যের চেয়ে বড় কোনো ধর্ম নেই। তিনি বলেছিলেন:
    ​"নান্তি সত্যৎ পরো ধর্মঃ" (সত্যের চেয়ে শ্রেষ্ঠ কোনো ধর্ম নেই)।
    অর্থাৎ আপনি যে ধর্মই পালন করুন না কেন, যদি আপনার আচরণে সত্য না থাকে, তবে সেই ধর্ম অর্থহীন।
    রামায়ণে দেখা যায়, শ্রী রাম তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের সুখ-শান্তি বিসর্জন দিয়েছিলেন কেবল প্রজাদের মনে স্বস্তি দেওয়ার জন্য। তাঁর মতে:
    ​বাণী: "একজন আদর্শ রাজার হৃদয়ে প্রজাদের স্থান সবার উপরে। প্রজাদের সুখেই রাজার সুখ এবং প্রজাদের হিতসাধনই রাজার একমাত্র ব্রত হওয়া উচিত।"
    ​শাসক বা বিচারকের আসনে বসে স্বজনপ্রীতি বা পক্ষপাতিত্ব করা অধর্ম। রামের শাসনব্যবস্থায় ধনী-দরিদ্র এবং উচ্চ-নীচ নির্বিশেষে সবার জন্য আইন ছিল সমান।
    ​রাজা কখনোই আইনের ঊর্ধ্বে নন। শাসককে হতে হবে পাহাড়ের মতো অটল এবং আয়নার মতো স্বচ্ছ।
    কিছু কিছু যায়গায় মসজিদে হামলার ঘটনা হয়েছে। খোদ ভারতীয় হিন্দুদের কাছেই সেটা অন্যায় অবিচারের কথা শোনা যাচ্ছে। মুসলিম মেয়েদের হিজাব পরতে নিষেধ করা হচ্ছে। সেটা কোন ভাবেই মেনে নেওয়ার মতো নয়।
    অথবা ভারত ঘোষণা করুক ভারত হিন্দু রাস্ট্র। বহুদলীয় গণতন্ত্রের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে দুনিয়ার বহু দেশ ভারতের গণতান্ত্রিক চর্চা কে সম্মান করে অনুসরণ করে। কিন্তু বর্তমানে নির্বাচনের পরে জাহানাহানি আর অশান্তির আগুনে পুড়ছে ভারত তাহলে তো ভারতের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা কে ব্যাহত করবে।
    ​একজন শাসকের অধীনে দেশের মানুষ যেন নির্ভয়ে ঘুমাতে পারে, সেটাই সুশাসনের লক্ষণ।
    ​রামচন্দ্র বলেছেন "যে রাজ্যে নারী, শিশু এবং বৃদ্ধরা নিরাপদ নয়, সেই রাজ্যের শাসকের পতন অনিবার্য।"
    ​কৃষক, শ্রমিক এবং ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা করাকে তিনি শাসকের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব বলে গণ্য করতেন।
    ​রাজা রাজ্যের মালিক নন, বরং তিনি রাজ্যের একজন 'ট্রাস্টি' বা সেবক মাত্র।
    ​রামরাজ্যের বৈশিষ্ট্য (সংক্ষেপে):
    ​রামচন্দ্র যে শাসনের কথা বলেছেন, সেখানে কোনো বৈষম্য, রোগ-শোক বা দারিদ্র্য ছিল না। তাঁর মতে, শাসকের চরিত্র যদি কলঙ্কমুক্ত থাকে, তবে পুরো জাতি সেই আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়।
    ​যথা রাজা তথা প্রজা — অর্থাৎ, রাজা যেমন হবেন, প্রজারাও ঠিক তেমন আচরণ করবে। তাই শাসককে সর্বাগ্রে নিজের চরিত্র ও নৈতিকতা ঠিক রাখার উপদেশ দিয়েছেন তিনি।
    গান্ধীজির জীবনে 'রাম নাম' ছিল পরম শক্তি। তাঁর মতে:
    ​"রাম কেবল দশরথের পুত্র নন, রাম হলেন আত্মার অন্তরে বিরাজমান এক শক্তি।"
    ​তিনি বলতেন, 'রামরাজ্য' মানে এমন এক সমাজ যেখানে ক্ষুদ্রতম ব্যক্তিরও ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার আছে।
    রামায়ণে বর্ণিত 'রামরাজ্য' ছিল শোষণমুক্ত এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজ। বিজেপি এই 'রামরাজ্য' শব্দটিকে সুশাসন এবং উন্নয়নের (সুরাজ) সমার্থক হিসেবে ব্যবহার করে।
    যে ধর্মের দোহাই দিয়ে বা শ্রী রামের যে আদর্শের ভিত্তিতে রাস্ট্র শাসনের কথা শাসক দলের মুখে শুনতে পারছি তার কি প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে?
    এই প্রশ্নের উত্তর আজ না হোক ভবিষ্যতে ভারতীয় জনগণের কাছে দিতেই হবে। একটি বাসযোগ্য ভারত সবাই চাই যেখানে থাকবে না কোন বৈষম্য হিংসা হানাহানি বা জাতপাতের বিচার আচার।

     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভ্যাবাচ্যাকা না খেয়ে প্রতিক্রিয়া দিন