
ছাঁচনপুরের আত্মবিশ্বাসের কথাই যদি উঠলো তবে আর একটা আত্মবিশ্বাসের গল্প শোনাই। ঘটনাটা আমার ভৌগোলিক জীবনে অনেক দিক থেকেই খুব স্পেশাল। প্রথম ব্যাপার হচ্ছে সেই প্রথম আমি নিজের কলেজের সঙ্গে না গিয়ে অন্য কলেজের ছাত্রীদের সঙ্গে ফিল্ডে গিয়েছিলাম ফিল্ড এক্সপার্ট হয়ে। দ্বিতীয়ত এই যাওয়াটার সঙ্গে আমার শৈশবের আশাপূরণের একটা যোগসূত্র ছিল। ... ...

গল্প বদলে যাচ্ছিলো বাড়ির। বদলে যাচ্ছিলো বাড়ির সন্ধ্যা। মাটির কোলে, যদি কিছু মনে না করেন, এইসব দিনরাত্রি, ছায়াছন্দ, পূর্ণ দৈর্ঘ্য বাংলা ছায়াছবি, দ্যা বিল কসবি শো, মাটি ও মানুষ---আমরা বড়ঘরকে পেছনে ফেলে একটু একটু করে অভ্যস্ত হচ্ছিলাম সেই অবাক সাদাকালো বাকশে। মেঝেয় পাতা পাটিকে একলা করে আমাদের চায়ের আড্ডা সীমিত হয়ে আসছিলো ঘড়ির কাঁটা সাতটার ঘরে পৌঁছাতে না পৌঁছাতেই। ... ...

ইংল্যান্ডে টাং ইন চিক হিউমর কথাটা খুব চালু, তার বাংলা কি হতে পারে জানি না, তবে জার্মানিতে সেটি অমিল। প্রথমেই বলে রাখি, মানফ্রেড রোমেলের হাস্যরস কখনো অত্যন্ত শুষ্ক, কখনো ছুরির মত ধারালো। যে কোন পরিস্থিতিতেই অবহেলায় অফ দি কাফ মন্তব্য করেন, সে কৌতুক আপনার পছন্দ হোক বা নাই হোক; কোন পপুলারিটি পোলের ধার ধারেন না। মানফ্রেড একটু তোতলা ছিলেন, মাঝে মাঝে কথা জড়িয়ে যেতো, কিন্তু এই আপাত দুর্বলতাকে তিনি তাঁর ব্র্যান্ডে পরিণত করেন – ‘আমার নাম মানফ্রেড রোমেল, আমি তোতলা এবং কখনো ফিস ফিস করে কথা বলে থাকি’ এমন একটা প্রস্তাবনার পরে শ্রোতার প্রতিরোধ ভেঙ্গে যেতে বাধ্য! ... ...

আমাদের একান্ন উঠোনকে মাঝখানে রেখে চারপাশের ঘরগুলোর মধ্যে বড়ঘরই ছিল আমাদের অঘোষিত বৈঠকখানা। কেতাবিয়ানা ছিল না তাতে মোটেও। ঘরের মেঝেয় নেহাতই পাটি পেতে সকাল-সন্ধ্যায় চা মুড়ি খাওয়া অথবা জরুরি কোনো আলোচনার আটপৌরে আয়োজনে সে ঘরই ছিল আমাদের অব্যর্থ গন্তব্য। একখানা কালো রঙের নকশি কাঠের খাট, খুব সাধারণ একখানা টেবিলক্লথে ঢাকা টেবিল আর মাত্র একটা চেয়ার। সেই চেয়ার অবশ্য বাড়ির যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে একমাত্র দাদুর দখলে থাকতো দায়িত্বশীলতার একমাত্র বাহক হয়ে। ... ...


অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশন তখন অনেক দূরে, বিপদে পড়লে দমকল ভরসা, তারা বিপন্ন মানুষকে বড়জোর হাসপাতাল নয় বাড়ি পৌঁছে দেয়, গাড়ি সারায় না। ক্লেয়ারমন্ট অবাক হয়ে দেখলেন হেনরির গাড়ি দিব্যি পৌঁছুল নুটসফোর্ডে, বাড়ির সামনে কৌতূহলী জনতার ভিড়! হেনরির নিজের হাতে বানানো গাড়ি থেমে যায়নি। নতুন কিছু তিনি আবিষ্কার করেননি, যা পেয়েছেন তারই ওপরে খোদকারি করে বানালেন এমন গাড়ি যা চলে মসৃণ ভাবে। যে আমলে গাড়ি ছিল খাটারা, যার বিকট শব্দে পথচারী সন্ত্রস্ত হয়ে রাস্তা ছেড়ে দিতো সেই সময়ে হেনরির গাড়ি চলল, গাড়লের মতো না কেশে, লোককে জানান না দিয়ে! হেনরি আনলেন দশ হর্স পাওয়ার টু সিলিন্ডার সাইলেন্ট গাড়ি। ভবিষ্যতের রোলস-রয়েসের জন্ম হলো, সেদিন এপ্রিল ফুলস ডে, শুক্রবার, পয়লা এপ্রিল ১৯০৪। ... ...

ঝাড়বাগদায় ফিল্ড করার সময় আমরা ছিলাম মুকুটমণিপুর বাঁধ-এর কাছে। এই জায়গাটায় যতবার আসি, ততবারই নতুন করে ভালো লাগে, মন্দও লাগে। কংসাবতী নদীর ওপর তৈরি বিশাল জলাধারের নীলচে বিস্তার, দূরে মুকুটের মতো জেগে থাকা পরেশনাথ পাহাড়—সব মিলিয়ে যেন শান্ত সমুদ্রের ধারে এসে দাঁড়ানোর অনুভূতি হয়। কিন্তু এই সৌন্দর্যের আড়ালে লুকিয়ে আছে এক বাস্তবতা। গত শতকের পাঁচের দশকে জলাধার তৈরির সময় বিশাল বনভূমি, গ্রাম ও মানুষের বসতি জলের নীচে তলিয়ে গিয়েছিল। ... ...

বন দেবতা আর দেবীর থান দেখা হল, এবারে গাইড বাবুর নেতৃত্বে পাহাড়ে চড়ার পালা। আমরা সরু লাইন করে একে একে সেই বন্ধুর জঙ্গলের পথে পা বাড়ালাম। শাল, সেগুন, মহুয়া গাছগুলো আমার আন্দাজে তিন সাড়ে তিন ফুট দূরত্বে রয়েছে। মানে চারা যখন লাগানো হয়েছিল তখন ছয় সাড়ে ছয় ফুট দূরে দূরে হয়তো পোঁতা হয়েছিল। এখন গাছ বড় হয়ে গুঁড়ির বেড়গুলো বেড়ে গেছে, তাই কাছে মনে হচ্ছে। আর লম্বা গাছের মাঝে নিজে থেকেই ঝোপ ঝাড় লতানে গাছ গজিয়ে উঠে বনটাকে বেশ গহন করে তুলেছে। আর একটা জিনিস নতুন দেখলাম... ... ...

দেড় ট্রিলিয়ন ডলারের প্রাইভেট ক্রেডিটের বাজারে আজ নেমে এসেছে সঙ্কটের ছায়া। ফার্স্ট ব্র্যান্ডস, ট্রিকলর দেউলে হবার পরে গ্রিক ঋষি জেমি ডাইমন হঠাৎ ধ্যান নিদ্রা থেকে জেগে উঠে আবিষ্কার করেছেন এই সব লোন আরশোলার মতো নোংরা, ক্ষতিকর। আরও বিপদে পড়েছেন সেই সব নিবেশক যারা আপনার ধন হেজ ফাণ্ডকে দিয়ে সুখনিদ্রায় মগ্ন ছিলেন। তাঁরা জে পি মরগানের মন্তব্য শুনে আতঙ্কিত হয়ে ফান্ড ম্যানেজারকে ফোন করছেন, লাভ চাইনে, আমার জমা টাকাটা ফেরত দাও। প্রাইভেট ক্রেডিটের মুশকিল এইখানেই। ... ...

আমরা সকলে মিলে টোটোতে চড়ে রওনা দিয়েছি বনভৈরবীর থানের উদ্দেশে। গাইড ভদ্রলোকও সঙ্গে আছেন। পাশাপাশি বাইক নিয়ে চলেছে সেই নতুন পাওয়া বন্ধুরা। পাহাড়ের কোল ঘেঁসে পথ। জঙ্গলের একটা অদ্ভুত তীক্ষ্ণ কিন্তু অনুচ্চ গন্ধ আছে। বনপথে সেই সুবাস বাতাসে ভাসে। মাটির গন্ধ, বুনো লতার গন্ধ, গাছের বাকল, পাতা, ফুল, ফল সব মিলিয়ে কেমন একটা যে গন্ধ, কোন সুগন্ধীর বোতলে তা ধরা যায়না। ... ...

বিশ শতকের দুই মহাযুদ্ধের সবচেয়ে কম আলোচিত একটি দিক হলো — বেসরকারি পুঁজি সেখানে ঠিক কতটা ভূমিকা রেখেছিল। শুধু যুদ্ধের পরে পুনর্নির্মাণে টাকা ঢালার মাধ্যমে নয়, যুদ্ধ চলাকালীন তাদের টাকা ঢালার ব্যাপারটাও। এটা কোনো ষড়যন্ত্রের গল্প নয়। এটা নথিভুক্ত আর্থিক ইতিহাস — এবং এই ইতিহাস আগের তিনটি পর্বে বর্ণিত স্থাপত্যের সাথে অস্বস্তিকরভাবে মিলে যায়। বিশ শতকের শুরুতে রথসচাইল্ড পরিবার একশো বছর ধরে এমন এক আর্থিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছিল যা অনেকগুলি দেশ জুড়ে ছিল এবং অনেক দেশের সরকারের থেকেও সেই নেটওয়ার্ক বহুগুণে উন্নত ছিল। নাথান রথসচাইল্ডের সেই বিখ্যাত উক্তি, ইংল্যান্ডের সিংহাসনে কে বসল তাতে তার কিছু আসে যায় না, যদি ইংল্যান্ডের অর্থসরবরাহ তার নিয়ন্ত্রণে থাকে — এটা কোনো দম্ভোক্তি ছিল না। এটা ছিল ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু কোথায় সেটার একটি পদ্ধতিগত বিবরণ। ... ...

সেবার মানবাজারে থাকতে পারলে খুবই ভালো হত, কিন্তু আমাদের পুরো টীমকে রাখার মত অতগুলো ঘরওলা হোটেল পাওয়া গেলনা। তাই বাধ্য হয়ে মুকুটমণিপুরে থেকে যাতায়াত করতে হচ্ছিল। অসুবিধে খুব একটা হয়নি। হোটেল খুব সাজানো গোছানো, বেশ সুন্দর। পঞ্চাশ কিলোমিটারের মত দূরত্ব। আমাদের সঙ্গে বাস ছিল, রোজ সওয়া ঘন্টা যেতে, আর ঐরকমই ফিরতে। ফাঁকা পথের দুপাশে পাহাড় আর জঙ্গল। ... ...

বড় রোড। গাড়িটার স্পিড্ বারবার কমে যাচ্ছে। ব্রেক চিপে দাঁড়িয়ে পড়ছে। রাস্তায় জ্যাম আজ বেশি। বৃষ্টি হচ্ছে রাত থেকে। চারিদিকে জল কাদা। কাদামাখা বৃষ্টির জল সাদা সুমো গাড়িটা কালছে করে ফেলছে। গাড়িটা এবার বড় রাস্তা থেকে ছোট একটা রাস্তায় ঢোকার চেষ্টা করে চলেছে। রোডের মুখের অনেকগুলো গাড়ি পরপর আটকে আছে। ভিড় ওখানটায় খুব। হর্ণ বেজে চলেছে নানারকম। ... ...

বন পাহাড়,পশু পাখির সঙ্গে তাদের আত্মিক যোগাযোগ নেই, ভালোবাসা নেই। তাই পর্যটকদের জন্য কোন ব্যবস্থাপনা দূরস্থান, পথ ঘাট থেকে শুরু করে হাসপাতালের শৌচাগার পর্যন্ত ভয়াবহ অপরিচ্ছন্ন। আমাদের মাঝারি দামী হোটেলের ফিল্টারের জলটুকু অবধি দূষিত ছিল। অবশ্য ভারতবর্ষে এ জিনিস তেমন অস্বাভাবিক নয়। ... ...

প্রযুক্তি দানবরা এখন ভূ-রাজনীতিতে এমন প্রভাব বিস্তার করছে যা প্রথাগত রাষ্ট্র বা ডিপ স্টেট খেলোয়াড়দের সমতুল্য। তাদের কনটেন্ট মডারেশনের সিদ্ধান্ত ঠিক করে দেয় কোটি কোটি মানুষ যুদ্ধ, নির্বাচন বা জনস্বাস্থ্য সংকট নিয়ে কী তথ্য দেখবে। তাদের অ্যালগরিদমের পছন্দ নির্ধারণ করে কোন রাজনৈতিক বার্তাটি ছড়িয়ে যাবে আর কোনটি চেপে রাখা হবে। ফেসবুক বা গুগলের একটি মাত্র নীতি পরিবর্তন কয়েক ঘণ্টার মধ্যে শত শত দেশের কোটি কোটি মানুষকে প্রভাবিত করে—যার জন্য কোনো আইনি বিতর্ক, জনমত যাচাই বা গণতান্ত্রিক ম্যান্ডেটের প্রয়োজন হয় না। এই কোম্পানিগুলো আসলে সরকারের কাজই করছে। কিন্তু তাদের কোনো সরকারি দায়বদ্ধতা নেই। ... ...

বহু বছর আগে ঝরিয়ার বাড়ির চিলে কোঠায় সঞ্চিত বাঁধানো মাসিক বসুমতীতে রিও দে ঝানেইরোর দুটি চমকপ্রদ সাদা কালো ছবি দেখেছিলাম- জল থেকে জেগে ওঠা কোণাকৃতি একটি পাহাড় এবং তার ঠিক উলটোদিকে প্রায় আকাশে দাঁড়িয়ে দু হাত বাড়ানো যিশুর মূর্তি- এক সরলরেখায়। পর্তুগিজ নাবিকেরা সেই পাহাড়ের নাম দিয়েছিলেন পাঁও দে আজুকার, চিনির রুটি, ইংরেজিতে যার হুবহু অনুবাদ সুগার লোফ, কিন্তু তার সঙ্গে ইংরেজ কোন বুদ্ধিবলে দেওঘরের ত্রিকূটের থেকেও ছোট এই সুগার লোফকে মাউনটেন আখ্যা দিয়েছে বুঝে ওঠা ভার। কলা গাছের মোচার মতো দেখতে এই মনোলিথের আকারের কোন রুটিও তো আজ অবধি কোথাও দেখিনি। তবে এ নাম এলো কোথা হতে? ... ...

ব্রেটন উডস ব্যবস্থা এবং পেট্রোডলারের বিন্যাস, যা আমরা একটু পরে আলোচনা করব, সেগুলো ছিল অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে এই খেলার কাঠামো পরিবর্তনের এক একটি চেষ্টা — যাতে সহযোগিতার জন্য উৎসাহ এবং দলত্যাগের জন্য ক্ষতি বা ব্যয়ের ব্যবস্থা করা যায়। তারা আংশিকভাবে সফল হয়েছিল। কিন্তু সেগুলো তৈরি করা হয়েছিল এমন এক পৃথিবীর জন্য যেখানে আমেরিকান আধিপত্য ছিল নিরঙ্কুশ, বাণিজ্যিক ধরণ ছিল সরল এবং আদর্শগত বিভাজন ছিল স্পষ্ট। কিন্তু সেই পৃথিবী এখন মুছে যাচ্ছে। ... ...

যেমন ১৯৯২ সালের বার্সেলোনা অলিম্পিক: ব্রিটিশ অ্যাথলিট ডেরেক রেডমন্ড দৌড়ুচ্ছিলেন চারশ মিটার সেমি ফাইনালে, দুশো মিটারের মাথায় হ্যামস্ট্রিং ছিঁড়ে যায়। তবু থামলেন না, ফিনিশ লাইনে তাঁকে পৌঁছুতে হবেই, কোনমতে এক পায়ের ভরে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চললেন, মেডিকাল সাপোর্ট ছুটে এলে তিনি তাঁদের নিরস্ত করেন। এমন সময় সিকিউরিটির রক্ত চক্ষু উপেক্ষা করে তাঁর বাবা জিম রেডমণ্ড ছেলের পাশে দাঁড়ালেন, ছেলেকে ধরে ধরে হাঁটিয়ে নিয়ে চললেন, চারশ মিটারের রেসের শেষ টেপ পার হলে স্টেডিয়ামের সব মানুষ উঠে দাঁড়িয়ে তাঁদের সম্বর্ধনা জানান। অলিম্পিকের ইতিহাসে সেটি এক আইকনিক মুহূর্ত। জানতাম না রিওতেও এমনি কিছু অপেক্ষা করে আছে। ... ...

মিদুবান্দাকে পিছনে রেখে সেই বেহাল পথে নেচে নেচে বাস চললো পরের গন্তব্যে। কিছুটা পরে পাকা রাস্তা। চার পাঁচ কিলোমিটার যাওয়ার পরে, আবার বাঁদিকে লাল ধুলোয় ঢাকা পথ, তবে আগের বারের থেকে ঢাল কম, অনেকটা সোজা। একটু পরেই পাহাড়ের কোল ঘেঁষে হাঁটা শুরু হল। এখানে পাহাড়ের গা রুক্ষ, গাছপালা কম, আর বিশাল বিশাল বোল্ডার। আচ্ছা সামনে নদী আছে তাহলে। বোলপুরের কাছে মামা ভাগ্নে পাহাড়ের মতো বড় বড় পাথর রয়েছে ছড়িয়ে। ওমা সৌরভ কই? ... ...

এতদিন পর্যন্ত কোন অচেনা অজানা কারবারে কষ্টার্জিত অর্থ বিনিয়োগ করতে যে আম জনতা ইতস্তত করছিলেন তাঁরাও ভেঞ্চার ক্যাপিটালিস্টের খাতায় নাম লেখালেন; রোজ সকালে বিকেলে ডাউ জোনস/ নাসডাক ইনডেক্সের ডলার সাইন দেখা শুরু করলেন। নিতান্ত তথ্যের খাতিরে বলা ভালো ১৯২৯ সালের গ্রেট ডিপ্রেশন বা ওয়াল স্ট্রিট ক্র্যাশের সময়ে মাত্র ৭ শতাংশ আমেরিকান সরাসরি শেয়ার কিনেছিলেন, তাতেই সেই মহা সঙ্কট। ১৯৯৪ সালে চল্লিশ শতাংশ আমেরিকান শেয়ার বাজারে সরাসরি খেলছেন, মাত্র সাত বছরের ভেতরে তাদের সংখ্যা বেড়ে হল ষাট শতাংশ বা আট কোটি। ... ...