এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  ধারাবাহিক  অপর বাংলা  শনিবারবেলা

  • বালিকার ধারাপাত

    স্মৃতি ভদ্র
    ধারাবাহিক | অপর বাংলা | ০৩ অক্টোবর ২০২৬ | ১১০ বার পঠিত
  • অলংকরণ: রমিত



    দুপুরগুলো নীরব হবার সুযোগ পেতো না। ফেরিওয়ালার হাকডাক, ম্যাটিনি শোয়ের বিজ্ঞাপন কিংবা কোথাও নীচু লয়ে বেজে চলা অনুরোধের আসর গীতালি। সময় তখন দূর্বার অথচ প্রাঞ্জল। ফ্রকের বুকে কুচি পড়েছে সবে।

    দু’কামড়ার বাসা। উঠোনের কোণে প্রাচীন এক আমলকি গাছ। শেকল তোলা টিনের ফটক। আর গলি। গালভরা নাম তার সুকুমারের গলি। কারণ যদিও খুব ন্যায্য। গলির মাথায় সুকুমারের বিশাল মনোহারি দোকান। যে দোকানে চাল থেকে চা পাতা, তেল থেকে চিরুনি, তিব্বত স্নো থেকে কৌটায় ভরা ঝুড়িভাজা—সবকিছু পাওয়া যেতো একই ছাদের তলায়। আজ হয়তো সে দোকানকে ডিপার্টমেন্টাল স্টোর বলা হতো। কিন্তু সে সময়ে সাদামাটা মনোহারী দোকান নাম নিয়েই তা আমাদের সকল প্রয়োজন মেটাতো। তাই গলির নাম নিদ্বিধায় সবাই ডাকে সুকুমারের গলি।

    সে দোকান ডিঙালে চালের আড়ত। তারপরেই ছানামিষ্টির দোকান। দোকান বরাবার একটা রাস্তা একডালার তিনরাস্তা থেকে এসে থেমেছে।

    প্রতিদিন সকালে নুন জলের গার্গল শেষ করে যষ্টিমধু মুখে দিতেই কালিবাড়ি নাটমন্দিরে ঠাকুর জাগরণের কীর্তন ভেসে আসতো।

    উশখুশ। ফাঁকিবাজি। অমনোযোগী।

    হারমনিয়ামের রিডে ভুল আঙুল কিংবা কোমল ‘গা’ ভুলে শুদ্ধ ‘গা’ তে সুর মেলানো। বাবার মৃদূ ধমক। মায়ের চোখ রাঙানো।

    আহা…সময় যে ফুরিয়ে যায়…কীর্তন শেষে গুড়ের কদমা বিলানো হয়…

    না, ক্বচিৎ সে কদমা পাবার বিলাসি সময় দেখা দিলেও অধিকাংশ দিনই রেওয়াজ শেষ হবার আগেই কীর্তনের সুর ফুরিয়ে যেত।

    মন খারাপ। মাথা নীচু। চোখে জল টলমল।

    মা বুঝতে পারতো। পাটি পেড়ে বই খাতা নামিয়ে দিতে দিতেই অঙ্গীকারবদ্ধ সময় হাজির হতো,

    পড়া শেষ করে ছানামিষ্টির দোকানে যেও…ছানার জিলাপি রসে ডুবাবে তখন…

    ঝুমকো জবা বনের দুল
    উঠলো ফুটে বনের ফুল
    সবুজ পাতা ঘোমটা খোলে
    ঝুমকো জবা হাওয়ায় দোলে…

    দুলে দুলে পড়ি। বানান পড়ি। শুদ্ধ উচ্চারণ করি। একবার, দুবার, বারবার…

    হাতের লেখার রুলটানা খাতায় সে ছড়ার প্রথম চারলাইন লিখলে তবেই ছুটি।

    তবে কোনো কোনোদিন মায়েরও তাড়া থাকতো অফিসের ভাত রান্নার। তাই ছুটি সেসবদিন একটু আগেই উপস্থিত হতো।

    আর ছুটি মানেই ভোঁ দৌড়। একছুটে ছানা মিষ্টির দোকানে হাজির। ছানার জিলিপী তখন রসে ডুবসাঁতার কাটছে। আমাকে দেখে দোকানের কর্কর্মচারীরা কাজে ব্যস্ত থাকলেও ক্যাশবাক্স থেকে চাচা ঠিক উঠে আসতো। নিজে হাতে জলরঙা পলিথিনের ঠোঙায় ভরে দিতেন একটা ছানার জিলিপী আর অনেকটা রস। মাসকাবারি খাতায় শুধুমাত্র তার হিসেব উঠলেও সঙ্গে ত্রিকোণ আকৃতির নিমকির কিন্তু নাম নিশানাও থাকতো না।

    ওটুকু ছিল আসলে বাড়তি স্নেহ।

    এরপর খুব গৎবাঁধা সময়।

    তেল চুপচুপে মাথায় দু’ঘটি জল ঢেলে ফেনাভাতের থালে তাড়াহুড়ো সময় বিসর্জন দিয়ে আবার ছুট। বুড়ো নানীর বাড়ি ছাড়িয়ে, কৃষ্ণা দিদিদের বাইরবাড়ি পাড় হয়ে মনীষা দিদিদের বাড়ি। সেই বাড়ি আরেকপাশে রনীদের ঘর। দু'বিনুনি করা রনী ছোটোখাটো হলেও হাবেভাবে বেশ দাদী দাদী ভাব,

    স্মৃতি এটা কর…এটা করিস না…এপাশ নয় ওদিক দিয়ে চল…

    বলা যায় ব্যাংকের গলি, আল্পনা আপার বাসা ছাড়িয়ে যতক্ষণে স্কুলে পৌঁছাতাম ততক্ষণে বেশ কয়েকবার রনীর ধমক খাওয়া হয়ে যেতো।

    স্কুলমাঠের দাঁড়িয়াবান্ধা সময় ফুরোতে না ফুরোতেই আবার যখন দফতরির বিরতিহীন ঘন্টা বেজে উঠতো, তখন বাড়ি ফেরার পথটুকু হয়ে উঠতো আমাদের অসমাপ্ত গল্পের সংক্ষিপ্ত পথ।

    গল্প ফুরাবার আগেই পথ শেষ!

    কত শেষ না হওয়া গল্প নিজের ভেতর রেখেই যখন ঘরে ফিরতাম তখন উঠোন জুড়ে ক্ষার জলে ধোয়া কাপড়গুলো বাতাসে ফুরফুরে হয়ে উড়তে শুরু করেছে। টাইমকলে জল এসে গিয়েছে ততক্ষণে।

    আর বাসা লাগোয়া ধুনারির দোকানে বেজে ওঠা রেডিওতে শুরু হয়ে গেছে দর্পন ও কুহক নাটক।

    খুব গড়পড়তা মধ্যবিত্ত দুপুর। কিন্তু সেসব দুপুরের এক অদ্ভুত ক্ষমতা ছিল। খুব সাধারণ কিছু নিয়েই তা হয়ে উঠতো সাধারণের অতিরিক্ত।

    দুপুরের পাত পড়লে ঘরের রেডিও’র নব ঘুরে ঘুরে গিয়ে ঠেকতো অনুরোধের আসর গীতালিতে।

    দুপুর মিইয়ে আসতো। পাড়াজুড়ে নেমে আসতো এক অদ্ভুত শান্তভাব। যেন দুপুরের থিতিয়ে আসা সময়ে পাড়াটাও যেন জিরিয়ে নিচ্ছে খানিক। তবে এই শান্ত সময়ের এতটুকু ব্যত্যয় না ঘটিয়ে বরং বেজে চলা অনুরোধের আসর উল্টো সঙ্গত দিতো,

    এবারের অনুরোধ এসেছে কুমিল্লার সালমা, দোলা, নারায়ণগঞ্জের রাকিব, নেত্রকোনার শাহিনার কাছ থেকে…শ্রোতারা শুনতে চেয়েছেন দু পয়সার আলতা চলচ্চিত্রের এমনো তো প্রেম হয় গানটি…কন্ঠে সৈয়দ আব্দুল হাদি…গীতিকার আমজাদ হোসেন…সুরকার আলাউদ্দিন আলি…আপনারা শুনছেন দু’পয়সা আলতা চলচ্চিত্রের গান…

    বাবার দুপুর টিফিনের বেলা ফুরায়, আশেপাশের বাড়ির উনুনের জ্বাল নিভে যায়, অলস দুপুরের গন্ধম আহবানে গলি লাগোয়া দোকানগুলোয় ঝিমুনি আসে তবুও চলতে থাকে অনুরোধের আসর।

    আপনারা শুনছেন আয়না ও অবশিষ্ট চলচ্চিত্রের গান…কথা সৈয়দ শামসুল হক…সুর সত্য সাহা…কন্ঠ ফেরদৌসী রহমান…কার ছায়া পড়েছে মনের আয়নাতে সেকি তুমি নও ওগো তুমি নও…

    ক্লান্ত দুপুরের রীতি মেনে মা যখন মেঝেয় পাটি পেতে একটু জিরিয়ে নেবার ঝলে তন্দ্রাচ্ছন্ন তখনও বেজে চলতো অনুরোধের আসর।

    এক পা…দু পা…আওয়াজ বাঁচিয়ে…দ্রুত…টিনের দরজার শেকল খুলে এক দৌঁড়…

    পথে মনোহারি দোকান, ধুনুরির দোকান, ক্রাউন স্টুডিও পেছনে ফেলে দম নিতাম পোস্ট অফিসের সামনে। লাল ডাকবাক্সে নিয়মিত কুশলের খবর আসতো তখন সকলের।

    একটা টিনের দোচালা, নেহাতই সাদামাটা একটা ঘর। তাতে কড়ে গুনে মানুষ মাত্র চারজন। কেউ হলুদ খামে সিল লাগায়, কেউ চিঠি বাছাই করে, কেউবা লাল ডাকবাক্সের তালা খোলে। তবে সকলেই বেশ আয়েসি ভঙ্গিতে ধীরেসুস্থে এসব কাজ করে। এসবের মধ্যে একজনই চেয়ার টেবিলে অসং্খ্য কাগজপত্রের ভেতর হাবুডুবু খায়। এই কাগজে কিছু লেখে তো ওই কাগজে কিছু পড়ে। নাকের ডগায় চশমা বসিয়ে সারাক্ষণ চোখ নিবন্ধ টেবিলের এলোমেলো নানা কাগজে।

    পোস্ট মাস্টার। অল্প কিছুদিন আগেই বদলি হয়ে এসেছে নতুন শহরে। পোস্ট অফিসের পেছনের ফ্যামিলি কোয়ার্টার। সেখানেই তাঁর পরিবার থাকতো। না সেখানে আমার বয়সী কেউ ছিল না। একটা বাচ্চা ছিল সে অবশ্য নেহাতই শিশু। তবে আমার সেই কোয়ার্টারে প্রবেশের কারণ সেই শিশুও নয়, বরং একজন সদ্য তরুণী মা।

    আর সেই তরুণী মায়ের সঙ্গে সখ্যতার অজুহাতও ছিল খুব অদ্ভুত।

    সাগুর পাপড়!

    কাঁঠাল পাতার বুকে সেদ্ধ সাগুতে রঙ মিশিয়ে আঁকা হতো আল্পনা। সেই আল্পনা রোদে শুকোলে কাঁঠাল পাতার বুক থেকে উঠে আসতো কোনো নিশানা রেখেই।

    এরপর গরম তেলে দিলেই সেই রঙ বেঙরের সাগুর আল্পনা ফুলেফেঁপে পাপড় হয়ে উঠতো। তাতে চিনি ছিটিয়ে দিলেই বিকেলের কুড়মুড়ে সময় হাজির।

    ঝিম ধরা নীরব দুপুরে ছোট্ট শিশুটি ঘুমিয়ে পড়লেই তরুণী মা শান বাঁধানো উঠোনে বসে যেতো সাগুর আল্পনা নিয়ে। আর পাশে গিয়ে বসতাম আমি। এ গল্প ও গল্প কত গল্প!

    তার বাড়ির গল্প, স্কুলের গল্প, কলেজে না পড়তে পারার আক্ষেপ, করোতোয়া নদীতে সারাদিন ঝাপিয়ে বেরানোর গল্প, সেমাই পিঠার গল্প—কত কত গল্প।

    আবার সে গল্প হুট করে ফুরিয়ে যেতো কোনো ফেরিওয়ালার হাকে,

    লেইসফিতা….লেইসফিতা…

    পোস্ট অফিসের কোয়ার্টারের সীমানা ঘেঁষে খানিকটা অব্যবহৃত ফাঁকা জায়গা, একটা ইমারতের ভগ্নাংশ আর লেবুগাছের ঝাড়। সেখানেই এসে দাঁড়াতো ফেরিওয়ালা।

    তরুণী মায়ের চুলের ফিতা লাগবে, ক’গাছা চুড়ি আর কুমকুম। সেসবের দরদামে যখন তরুণী মা আচমকা সুগৃহিণী তখন দিনের গা থেকে নীরব দুপুর খসে পড়তো হুট করে।

    আমি এগিয়ে যেতাম লেবুগাছের ঝাড়ের দিকে।

    একটা নয় দুটো নয় গুনে গুনে ছয়খানা লেবু গাছ। যার তলায় টুকরো টুকরো অন্ধকার জমা থাকলেও সবুজ পাতার গায়ে আটকে থাকতো শেষবেলার মিহি রোদের জ্যামিতিক নকশা।

    হাত বাড়ালেই এলাচি লেবু। কিন্তু লেবু নয়, আগ্রহের সবটুকু একাগ্রতা থাকতো লেবুফুলের দিকে। ডাল নুইয়ে কাছে আনলেও লুকিয়ে থাকা কাঁটাগুলো যখন আকস্মিক দূরত্ব তৈরী করতো তখন হাতের আঙুলে লেগে থাকা সুঘ্রাণ জানিয়ে দিতো পাওয়া আর না পাওয়ার মধ্যে ব্যবধান আদতে খুব দীঘত নয়।


    চলবে...


    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক।
  • ধারাবাহিক | ০৩ অক্টোবর ২০২৬ | ১১০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • শ্রীমতী রীনা | ০৩ অক্টোবর ২০২৬ ১১:২৫742938
  • লেইসফিতা….লেইসফিতা…সুঘ্রাণ জানিয়ে
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঠিক অথবা ভুল প্রতিক্রিয়া দিন।