এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • দেবাশিস মিত্র | 2409:*:*:*:*:*:*:* | ০৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৪:১৮736413
  • প্রকৃত অর্থে একজন কর্মযোগী, গৃহী সন্ন্যাসী মহান ব্যক্তি
  • কাজল মুখার্জী | 2409:*:*:*:*:*:*:* | ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৯:০৯736711
  • আমাদের সুপরিচিত বলাই সুমিত নাম নিয়ে গুরুচন্ডালি-তে এই লেখাটা লিখে আমাদের লজ্জার থেকে রক্ষা করেছে। তার জন্য বলাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
     
    বাঙালি মনন সারা বিশ্বের ভাবনার আলো ছায়ায় সমৃদ্ধ হয়ে উঠলেও, বাড়ির পাশে পড়শির কোনো বৃত্তান্তই কোনোদিনই তাকে কৌতূহলী করে তোলেনি। এই বঙ্গভুমিতে হিন্দু উচ্চবর্ণীয় শিক্ষিত এক সমাজের মধ্যে হিন্দু মধ্যবিত্ত সমাজ তার চর্চাকে সীমাবদ্ধ রেখেছে। বাঙলাভাষী মুসলিম, দলিত, বাঙলার আদিবাসী সমাজের সংস্কৃতি, রাজনীতির কোনো সংবাদ তার কাছে এসে পৌছায়নি। বাঙলায় বহু যুগ ধরে যে অন্য ভাষার মানুষ থাকে, তাদের যাপিত জীবনচর্চা সম্পর্কে বাঙালি শিক্ষিত সমাজ ছ্যুৎমার্গী নির্লিপ্ত থেকেছে চিরদিন।
     
    এই মানসিকতার প্রতিফলন ঘটেছে বাঙালি মধ্যবিত্ত সমাজের বামপন্থী রাজনৈতিক ভাবনাতে। নিজস্ব নির্মিত এক বামপন্থার সংজ্ঞার বাইরে রাজনীতির অন্যান্য ধারা সম্পর্কে উদাসীন শুধু থাকেনি, এই ধারাগুলিকে সন্দেহ করেছে, নিন্দা করেছে।
     
    বলাইকে এই জন্যই ধন্যবাদ যে অশোক সাকসেরিয়া সম্পর্কে লিখে আমাদের দেওয়াল তোলা ভাবনাকে ভাঙার চেষ্টা করেছে।
     
    ভোগী, বিলাসী জীবনের প্রতি তীব্র আকর্ষণ আত্মসুখী পুঁজিবাদী মতাদর্শের ভিত্তিভূমি হয়ে দাঁড়িয়েছে, তা নিজেকে উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বলতর করে তুলতে নিজের ঢাক পিটিয়ে যাবার নিরন্তর প্রয়াসের মধ্যে শোষণ ভিত্তিক অসাম্য সমাজের ভাবনার যে অঙ্কুর ক্রমশঃ বৃহৎ থেকে বৃহত্তর হয়ে বিকৃত আত্মকামকে পুষ্ট করে তোলে।
     
    জীবন যাপনে এই ভোগ, বিলাস, আত্মপ্রচারকে প্রতিরোধ করার চর্চাও যে এক অবশ্য প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক কার্যক্রম, অশোক সাকসেরিয়ার সম্পর্কে লিখতে গিয়ে বলাই এই জরুরী কথাটা আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছে।
     
    মাড়োয়ারি বা অন্য সমাজের প্রতি আমাদের এক অহেতুক ঘৃণা, হিন্দি সাহিত্য, অন্য ভাষার সাহিত্যের প্রতি তাচ্ছিল্যবোধ, সমস্ত কিছুই প্রশ্নের সম্মুখীন হয় বলাইয়ের এই লেখায়। আমাদের সঙ্কীর্ণ বাম ভাবনার বদ্ধ চেতনায় নিয়ে এসেছে খোলামেলা হাওয়ার উচ্ছলতা।
  • সুমিত চক্রবর্তী | 2401:*:*:*:*:*:*:* | ১০ জানুয়ারি ২০২৬ ২০:০৬737792
  • কাজল মুখার্জীকে ধন্যবাদ তাঁর মন্তব্যের জন্য। কাজলদা লিখেছেন, "জীবন যাপনে এই ভোগ, বিলাস, আত্মপ্রচারকে প্রতিরোধ করার চর্চাও যে এক অবশ্য প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক কার্যক্রম, অশোক সাকসেরিয়ার সম্পর্কে লিখতে গিয়ে বলাই এই জরুরী কথাটা আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছে।" বস্তুত, জীবনচর্যার কারণেই সম্ভবত অশোকজি আমার মতো অনেকের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিলেন।

    সমস্যা একটাই, কাজলদার মন্তব্য পড়ে কারো মনে হতে পারে, "সুমিত চক্রবর্তী" ছদ্মনামে আমি এখানে লিখেছি। বস্তুত, "সুমিত চক্রবর্তী" আমার ভালো নাম, "বলাই" ডাকনাম। "বলাই" এবং "সুমিত চক্রবর্তী" দুটি নামেই আমি লিখেছি। তবে নানা কারণে, পরিচিত জন, বন্ধু, বন্ধুস্থানীয় ব্যক্তি এবং "মিত্রবৎ গুরুজন" ডাকনামেই আমাকে চেনেন। তাঁদের অনেকেই আমার "সুমিত চক্রবর্তী" নামের সঙ্গে পরিচিত নন।
  • সঞ্জয় ভারতী | 2409:*:*:*:*:*:*:* | ১৪ মার্চ ২০২৬ ২২:০৮739177
  • অশোক সেকসরিয়া চলে যাওয়ার প্রায় একযুগ পরে ওনার পরিচিতিমূলক 'স্মৃতিচারণা' পড়ে বলাই ( সুমিত চক্রবর্তী )-এর প্রতি আমার মনে কৃতজ্ঞতার ভাব জেগে উঠছে। পরিচিতিজ্ঞাপক লেখাটিতে ওনার ব্যক্তিত্ব এবং যাপন সুন্দর ভাবে ফুটে উঠেছে। এই পরিচিতির পরিপূরক হিসেবে কিছু কথা আমারও বলতে ইচ্ছে করছে।

    ১৯৮৮ সালে পরিচয়ের পর থেকে ২০১৪ সালে মৃত্যু পর্যন্ত ২৬ বছর ধরে ওনাকে যেভাবে দেখেছি, চিনেছি, কিছু খন্ড-চিত্র এবং কিছু কল্প-চিত্রের মাধ্যমে সেটা বলতে চাই।

    অশোকজির বয়স তখন ১৩-১৪ বছর। ক্রিকেট প্রেমী অশোকজি ছোটবেলায় টেবিল টেনিস খেলতেন। একবার টেবিল টেনিসের জুনিয়র ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপে অংশগ্রহণ করেছিলেন। খেলা হাওড়ায় হয়েছিল। ঐ চ্যাম্পিয়নশিপের একটি খেলায় আম্পায়ার ওনাকে একবার পক্ষপাতিত্ব করেছিলেন। তখন প্রতিযোগি ছেলেটি যেভাবে অশোকজির দিকে তাকিয়েছিল, সেই তাকানো তিনি আজীবন ভুলতে পারেননি। অশোকজি বলতেন, "ওর সেই তাকানো আজ‌ও আমাকে তাড়িয়ে বেড়ায়।" বলা হয়তো অপ্রাসঙ্গিক হবে না ---সেই খেলায় অশোকজি জিতেছিলেন।

    আর একটা ঘটনার কথা মনে পড়ছে, ক্লাস টেনের পরীক্ষা দিয়ে অশোকজির মনে হয়েছিল, অঙ্কে পাশ করতে পারবেন না। অনেক খোঁজ খবর নিয়ে জানলেন, অঙ্কের খাতা কোন পরীক্ষকের কাছে গেছে। দু তিনজন সহপাঠী মিলে সেই পরীক্ষকের বাড়ি চলে গেলেন, অঙ্কে পাশ করিয়ে দেবার জন্য তদবির করতে। পরীক্ষক ওনাদের ঘরে বসিয়ে, কে কোথায় থাকে, বাবার নাম কি এসব জিজ্ঞেস করেন। তখন অশোকজি ভয় পেয়ে যান, যদি বাবাকে বলে দেয়! তদবির কাকুতি মিনতিতে বদলে যায়, বাবাকে যেন বলে না দেন! পরীক্ষায় অবশ্য পাশ করে গেছিলেন।

    এবার দুই একটি কল্প-চিত্র কথা: আজ যদি কাউকে অশোকজির পরিচয় দিতে হয়, তখন কি বলব ভাবতে গিয়ে একটা কল্প-চিত্র আমার মনে ভেসে ওঠে--- অশোকজির ঘরের পাশে, রাস্তায় বা মাঠে একদল ছেলে ক্রিকেট খেলছে। তাঁদের বল অশোকজির ঘরে ঢুকে পড়ছে, হয়তো জানলার কাঁচ ভেঙে দিয়েছে। কোনো অভিযোগ না করে অশোকজি বল কুড়িয়ে ফেরত পাঠাচ্ছেন এবং মন দিয়ে ওঁদের খেলা দেখছেন। অশোকজিকে যাঁরা চিনতেন, তাঁরা জানেন, এই কল্প-ঘটনা অত্যন্ত বিশ্বাসযোগ্যভাবে তাঁর পরিচয় প্রকাশ করে।

    অন্য কল্প-চিত্র কোভিডকে ঘিরে। উনি চলে গেছেন ২০১৪ সালে। কোভিডের প্রাদুর্ভাব ২০২০ সালে। মাঝে মাঝেই ভাবি, কোভিডের সময় অশোকজি থাকলে কি হতো! মাস্ক পড়া, মুহুর্মুহু স্যানিটাইজার ব্যবহার করা ছাড়াও এই সময় মানুষ মানুষের বাড়ি যেত না। মানুষ মানুষকে বলত না, আমাদের বাড়িতে এসো। দৈবাৎ কেউ 'ঘনিষ্ঠ' বন্ধুর বাড়ি চলে গেলে ঘরে ঢুকতে দেয়নি, বাইরে দাঁড়িয়ে কথা বলে চলে আসতে হয়েছে। অশোক সেকসরিয়া, যাঁর ঘরের দরজা ভেজানো অব্দি কখনো হয়নি, মানুষের এই আচরণকে তিনি কিভাবে দেখতেন? বিপন্ন মানুষের এই 'কোভিডিয়েন্ট' রূপ তাঁকে কতটা ব্যথিত করত? তখন মনে হল 'কোভিডিয়েন্ট' শব্দটা অশোকজি‌ই যেন আমাদের দিলেন। এটা বলা বাহুল্য মাত্র, অশোকজি কোভিডিয়েন্ট হতেন না।

    অশোক সেকসরিয়া গল্প খুব অল্পই লিখেছেন। তাঁর লেখা বহু পঠিত‌ও নয়। কিন্তু হিন্দি সাহিত্যের রসিক পাঠকরা বলেন, তাঁর লেখা কয়েকটি ছোট গল্প শ্রেষ্ঠ হিন্দি ছোট গল্পের মধ্যে গন্য হবে। গল্পের চরিত্রের মনোজগতে পাঠককে তিনি নিয়ে যান। নিচে ওনার দুটো ছোটোগল্পের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি দেওয়া হলো।

    হিন্দি সাহিত্যে ক্রিড়া জগতের উপর লেখা তেমন নেই। 'দুখ‌ওয়া কাসে কহুঁ মোর সজনী' ক্রিড়া জগতের উপর অশোকজির লেখা একটি অসামান্য ছোটগল্প। খেলোয়াড়দের মনোজগত, তাঁদের অসহায় অবস্থা, 'সর্বজ্ঞ' সাংবাদিকের রিপোর্ট পড়ে অজ্ঞ নির্বাচকদের 'বিশেষজ্ঞ' হয়ে ওঠা, অজ্ঞতা এবং ক্ষমতার বিচিত্র মেলবন্ধন, ক্রিড়া জগতের এই বিচিত্রতার সঙ্গে এই গল্পে পাঠক পরিচিত হন। আবার চালু উচ্চাশাকে অতিক্রম করে মানবিক আনন্দের মধ্যে খেলোয়াড়দের উত্তরণে সাফল্যের আরেক রকম ছবি এখানে আমরা দেখি। অনেক সময় একটি মাত্র বাক্যের ইঙ্গিতে এসব ফুটে উঠেছে। 'দুখ‌ওয়া কাসে কহুঁ মোর সজনী' ছিল তাঁর নিজের লেখা সবচেয়ে প্রিয় ছোটো গল্প। এই গল্পের হকি প্লেয়ার আনোয়ারকে দেখে কলকাতা ময়দানের মহৎ ফুটবলার তুলসীদাস বলরামের কথা মনে পড়ে যায়, যিনি গোল করে মাথা নিচু করে ফিরতেন।

    'এক থা রামু' গল্পে একটি ঘেও পথ কুকুরের সঙ্গে পর্যায়ক্রমে বিরক্তি -সহানুভূতি-সাহচর্য-নির্লিপ্তি এবং বেদনার মধ্যে দিয়ে গল্পের মুখ্য চরিত্রের সম্পর্ক বদলে যেতে থাকে। তবে শুরু থেকেই কুকুরটির প্রতি তাঁর দরদকে আমরা চিনতে পারি, যখন তিনি বলেন, রোজ অফিসে এসে প্রথমেই দেখতে যেতাম কুকুরটা বেঁচে আছে কিনা। যখন দেখলেন, সেরে উঠছে, তখন রোজ তার জন্য বিস্কুট আর পাউরুটি কেনা শুরু করলেন। একটা পর্যায়ে, যেদিন রাতে কুকুরটা তাঁর শোয়ার ঘরের দরজা ধাক্কালো, সেদিন থেকে কুকুরটা 'রামু' হয়ে উঠলো আর সম্ভবত সেই সময় থেকে রামু আর তিনি পরস্পরের আশ্রয়‌ও হয়ে উঠলেন। অবয়ব হীন সভ্যতা পথ কুকুরকে শুধুই আবর্জনা মনে করে। হয়তো সে কারণেই রামু একদিন হারিয়ে যায়। আবার এই হারিয়ে যাওয়া নিয়ে তাঁর আচরণকে মনস্তত্ত্বের পরিভাষায় 'ডিনায়াল' বলে মনে হয়, যখন দেখি, রামুর হারিয়ে যাওয়া নিয়ে আরো গভীরে গিয়ে তিনি খোঁজ করতে চাইছেন না।

    ওনার গল্পের পটভূমি প্রধানত কলকাতা শহর। অশোকজির লেখা গল্প পড়লে বাঙালি পাঠক কলকাতায় জন্ম হ‌ওয়া এবং বেড়ে ওঠা একজন মারোয়ারির চোখ দিয়ে কলকাতাকে দেখবেন, চিনবেন। সেদিক দিয়েও অশোকজির গল্প বাংলায় অনুবাদ হ‌ওয়া জরুরি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ক্যাবাত বা দুচ্ছাই মতামত দিন