এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  আলোচনা  রাজনীতি

  • যন্তর মন্তর

    হীরেন সিংহরায়
    আলোচনা | রাজনীতি | ২৯ জুলাই ২০২৬ | ১৪৩২ বার পঠিত | রেটিং ৫ (৪ জন)

  • আধুনিক যুগের যে সকল কলা কৌশল দূরকে নিকট করেছে, তার কিছুরই ব্যবহার জানি না তা নয়। ইমেল চিনেছি চার দশক আগে, হোয়াটসঅ্যাপ বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকে পড়েছি বেশ কয়েক বছর। এই বাগাড়ম্বর শুনে বিন্দুমাত্র অভিভূত না হয়ে আমার জেড প্রজন্মের কন্যা বুঝিয়ে দিলো এতদিনেও আমি টেকনোলজি সাগরের উপকূলে নুড়িটুকু কুড়োতে শিখিনি কারণ আগে জানতে হয় নুড়ি কোনটা আর কোনটা জমে যাওয়া বালি। যেমন আমাদের সময়ে লালচে কাগজে আট দশটি শব্দ সাঁটা এক টেলিগ্রাম বয়ে আনতো খারাপ খবর– ফাদার এক্সপায়ারড, মাদার সিরিয়াস। আজকের টেলিগ্রাম দ্বিপাক্ষিক সংলাপের মাধ্যম। স্ন্যাপ মানে চট জলদি চ্যাট মানে গল্পগাছা, দুই মিলিয়ে স্নাপচ্যাট, যেমন এ বাড়ির জানলা থেকে পাশের বাড়ির সঙ্গে কথা বলা, ইনস্টাগ্রাম এই দুইয়ের সমন্বয় যেন, সেখানে তৈরি হয় রীল, তাকে এককথায় বলা যায় বিন্দুতে সিন্ধু, তিরিশ সেকেন্ডে অনেক কিছু বলা হয়ে যায়, একটা ঝলক, দুটো কথা, একটা ছবি, কবিতার চার লাইন। মায়ার সক্রিয় সহায়তায় গত দশ দিনে ঘুমন্ত সারের এক গ্রাম হতে অনেক দূরে যে মুখরিত জনারণ্যে সশরীরে নয় মনে মনে পৌঁছে গেছি যেখানে তার নাম যন্তর মন্তর; দিবস রজনী সেখানেই আটকে আছি। 

    আকাশের তারার গতি বিধি, অমাবস্যা পূর্ণিমা তিথি নির্ধারণের যন্ত্রপাতি টুলো পণ্ডিতের চৌকিতে আবদ্ধ না রেখে তাকে সাধারণ মানুষের পক্ষে বোধগম্য করার মানসে জয়পুরের মহারাজা জয় সিংহ একটি বিশাল আকারের অবজারভেটরি বানিয়েছিলেন দিল্লিতে, আজ থেকে তিনশো বছর আগে যেখানে এসে সাধারণ মানুষ বিনা ব্যয়ে আকাশের তারার গতিবিধি বুঝে উঠতে পারেন তিথির হদিশ রাখতে পারেন (চারিদিকে অনেক বাড়ি উঠে যাবার কারণে সেটি এখন আর সম্ভব নয়)। 

    আজ সেখানে সমবেত হাজার হাজার কিশোর কিশোরী তরুণ তরুণী তাদের হাসি গানে কৌতুকে একটা দমকা হাওয়ায় আমাদের ভাসিয়ে নিয়ে গেলেন কোনো অনির্দেশের উদ্দেশ্যে। এই জেনারেশন দিবারাত্র আইফোন, আইপ্যাডে নিবিষ্ট এমন অভিযোগ আমরা সর্বদা করে থাকি; যেমন অন্য ঘর থেকে রেডিওতে বুধবার রাত আটটায় বিনাকা গীতমালার গান শুনে বাবা বলতেন পড়াশোনা ফেলে ঐ লারে লাপ্পা গানই শোনো, তোমাদের কিসুই হবে না। 

    গত দশ দিন আমার দীর্ঘ দিনের সেই ধারণাকে বদলে দিয়েছে। এরা অন্য রকম। তাই বলে ভালো মন্দের বিচার? 

    শেক্সপিয়ার বলেননি, ভালো মন্দ বলে কিছু নেই, যে যেমন ভাবেন যেমন ভাবে নেবেন? * 

    যৌবন জলতরঙ্গ 



    দুশো বছরে তিনবার রাশিয়া প্রাশিয়া অস্ট্রিয়া ভাগ করে নিয়েছিল যে দেশ সেই পোল্যান্ড শুধু তার স্বাধীনতা নয়, হারিয়েছিল তার পতাকা, ভাষার ব্যবহার এমনকি দেশের নাম। ১৭৯৭ সালে লেখা তাদের জাতীয় সঙ্গীতটি প্রকাশ্যে গাইবার অধিকার মেলে ১৯১৮ সালে; যেটি শুরু হয় এক নির্মম নিরাশায়- 

    ‘পোল্যান্ড এখনো শেষ হয়ে যায়নি’ 

    যন্তর মন্তরের ছবি আমাকে জানিয়ে দিলো, যে দেশ ছেড়ে এসেছি, সেই আমার জন্মভূমি এখনো হারিয়ে যায়নি। দূর প্রবাসে এসে ইস্তক পরিচিতজনদের বলেছি, আমার দেশের দারিদ্র্যের অর্থনীতিক ব্যাখ্যা আমি দিতে পারি, পারি না বহু বছরের ধর্ম ও বর্ণভেদজনিত ঘৃণা এবং পারস্পরিক অসহনীয় সহাবস্থানের। তবু কি ব্যতিক্রম দেখিনি? দেখেছি। বারো বছর বয়েসে বীরভূমের দুবরাজপুর থেকে পদুমা গ্রামে ফিরছি বাসে। হেতমপুর পেরিয়ে হঠাৎ সে বাস থামল শাল নদীর ব্রিজের অনেকটা আগে এমন জায়গায় যাকে মা বলতেন ভুবনডাঙ্গা, একটা গাছ অবধি নেই, বহুদূর অবধি কোন গ্রাম জন মনিষ্যির চিহ্ন নেই। বাসের হেল্পারকে জিজ্ঞেস করলাম, এখানে দাঁড়ালেন কেন? তিনি বললেন, খোকা জানলার বাইরে তাকিয়ে দেখো; এরা উপুসি মানুষ, সুয্যি ডুবেছে, নমাজ পড়া শেষ না করে কিছু খেতে পারেবেন না। তাই বাস দাঁড়িয়েছে। ওদের পেন্নাম পর্ব শেষ হলে বাস ছাড়বে। 

    তারপর অনেক দশক কেটে গেল, সেই ছবিটি আমার মনের ফ্রেমে বাঁধানো আছে। আশ্বিন মাসের এক সূর্যাস্তে আদিগন্ত বিস্তৃত লালমাটির রুক্ষ ডাঙ্গায় রাস্তার ধারে মাদুর পেতে জনা কয়েক মানুষ প্রার্থনা করছেন। মাঝে মধ্যে ট্রাক চলে যায়। বাস ভর্তি মানুষ নিঃশব্দে তাঁদের অপেক্ষা করছেন। কেউ প্রতিবাদ করেননি, ‘আমার বাড়িতে কাজ আছে, খামোখা সময় নষ্ট, আর পারা যায় না এদের নিয়ে।’ 

    তখন হয়তো ঠিক কিছুই বুঝিনি আজ বুঝি আমি যে বাংলায় বড়ো হয়েছি যেখানে ভোট হতো ধর্ম নয়, দল দেখে। 

    এটাই আমার ভারত




    যন্তর মন্তরের পথে হিন্দু সাধু নমাজ পাঠরত মৌলবিকে পাখার বাতাস করছেন, পরস্পরের হাত ধরে হাঁটছেন বৌদ্ধ শিখ হিন্দু মুসলমান। ম্যাথু আর্নল্ড বলেছিলেন আবেগের সঙ্গে চিন্তা করাটা কঠিন; হয়তো চিন্তা নয়, অহেতুক আবেগের বন্যায় ভেসে যাই যখন দেখি জুনেদ ভোর থেকে রান্না সামলাচ্ছে, পরিবেশনে মহম্মদ, স্টেজে আউরঙ্গাবাদের(বর্তমানে সম্ভাজিনগর) এক দরিদ্র দলিত পরিবারের সন্তান পাবলিক রিলেশনসে মাস্টার্স করা অভিজিৎ দিপকে। 

    ক্লান্তি আমার 

    পরিবেশনে অক্লান্ত



    এঁদের কারো হাতে বা তাদের সঙ্গে একাসনে বসে শর্মা ঠাকুর দ্বিবেদি চট্টোপাধ্যায় সিং চৌধরি খেতে পারেন না, খেলে ধর্ম বিপন্ন, এমনিতেই হিন্দু ধর্ম খতরে মে হ্যায়। 
    যন্তর মন্তরের কোন নিয়ম নেই। কোন ধর্ম নেই। 
    দুশো বছর ধরে ইংরেজের সেনা বাহিনীতে ধর্মভেদে ভারতীয় সৈন্যদের জন্য আলাদা হেঁসেল ছিলো। সিঙ্গাপুরের পতনের পরে তাঁদের নিয়ে ১৯৪৩ সালে যখন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আই এন এ গড়লেন তিনি সেটা ঘুচিয়ে দিলেন। হিন্দু মুসলমান পার্সি খ্রিস্টান নয়, আমাদের একটাই হেঁসেল, সবাই খাবে পাশাপাশি বসে। 
    যন্তর মন্তরে একটাই হেঁসেল। হিন্দু না মুসলিম জিজ্ঞাসে কোন জন? 

    হেসে নাও 

    কুরুক্ষেত্রে প্রতিদিনের যুদ্ধের শেষে দুই যুযুধান পক্ষ শিবিরে ফিরে একত্রে বসে গল্প গুজব করতেন। সেদিন হয়তো তাঁদের অনেকে হারিয়েছেন প্রিয়জনকে, কিন্তু সন্ধ্যার সে আসরে শত্রু মিত্র বসতেন একসাথে। অর্কেস্ট্রা না হোক, বাঁশি বাজতো, গান গাইতেন কেউ।

    সেন্স অফ হিউমরকে ইংরেজ একটা বিশাল গুণবত্তা মনে করে। পরিস্থিতি যতোই বিপন্ন হোক না কেন, তাকে অবহেলা করার অস্ত্র আন্ডার স্টেটমেন্ট; প্লেনের চারটি এঞ্জিন কাজ করছে না জানিয়ে ক্যাপ্টেন বললেন, উই হ্যাভ জাস্ট এ বিট অফ বদার। যন্তর মন্তরের রীলে চলতে থাকে একটি ধারা বিবরণীতে, শুধু ঘটনাবলি, পোস্টার প্রদর্শন, চুটকি, নেতাদের প্রতি উচ্চারিত দুর্বিনীত ব্যঙ্গ আবার তার পাশে আছে কবিতা, চমৎকার শের শায়েরির তুফান (যাঁদের আগ্রহ আছে তাদের জন্য নির্দ্বিধায় সুপারিশ করতে পারি, ফিরিতে পাবেন উচ্চাঙ্গের হিন্দি উর্দু কবিতার লাইন):

    যেমন 

    কিসিনে হম সে পুছা, ক্যায়সে হো?
    হম নে কহা, জিন্দগি মে গম হ্যায় 
    গম মে দর্দ হ্যায় 
    দর্দ মে মজা হ্যায় 
    আউর মজে মে হম হ্যাঁয় 

    কেউ জিজ্ঞেস করল, কেমন আছো 
    বললাম, জীবনে বিষণ্ণতা আছে 
    বিষণ্ণতায় দুঃখ আছে 
    দুঃখের মধ্যেও মজা আছে 
    আর আমি সেই মজায় আছি

    এটি কি এই ছেলে মেয়েদের জীবন দর্শন? 

    আউর মজে মে হম হ্যাঁয় 

    মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন
     



    সারাদিন লাঠি ডাণ্ডা পুলিশের চড় থাপ্পড় প্রহার হজম করে হাতে পায়ে ব্যান্ডেজ লাগিয়েও যন্তর মন্তরের তরুণ বাহিনী দিনের শেষে মেতে উঠেছেন সেই মজায়, গানে, বাজনায় নাচে – কিস বাত কি হ্যায় গম? এ এক উৎসব, কোথাও লুডো খেলা হচ্ছে, হাই জাম্প; যেন একটা অন্তহীন খুশির মধ্যে ছুটছেন তাঁরা। সন্ধ্যা গড়ালে থর মরু থেকে ধেয়ে আসা খোলা হাওয়া লাগিয়ে পালে তাঁরা ডুবতে রাজি আছেন! ডানি লে রুঝ, প্যারিস ছাত্র অভ্যুথানের নেতা ডানিয়েল কোন -বেনডিটকে দেখেছি কিন্তু ১৯৬৮ সালের প্যারিস কমিউন বা প্রাগের বসন্ত দেখিনি। তখন ইনস্টাগ্রাম ছিল না। তবে আমার নাতি নাতনিদের বলতে পারব মোবাইলের পর্দায় যন্তর মন্তর ২০২৬ দেখেছি। **

    জয় করে আর কিসের ভয়? 

    কাঁদানে গ্যাস পুলিসের একটি ভীতিপ্রদ অস্ত্র বলে জানি যার কাজ সমবেত বিক্ষুদ্ধ জনতাকে লণ্ডভণ্ড করা। পাটনায় এক বিক্ষোভকারী খুঁজছে সেটা, পুলিসকে জিজ্ঞেস করছে, টিয়ার গ্যাসকা বেওস্থা নহি হ্যায়? জনতার ওপরে ওয়াটার ক্যাননের প্রয়োগ হয়ে থাকে একই উদ্দেশ্যে। পাটনায় এক ভয়শূন্য প্রতিবাদী পুলিসকে আকুল অনুরোধ জানাচ্ছে, জল কামান চালু কর দিজিয়ে। আমাদের বড্ড গরম লাগছে, আপনাদের লাগছে না? বি বি সি সেই জল কামানের ঝর ঝর বরিষণের মধ্যে জনতার উল্লাসকে বলেছে দি রেন ডান্স। 

    চোখে টিয়ার গ্যাস, ঠোঁটে হাসি

    পাটনায় রেন ড্যান্স

    ব্যারিকেড নিয়ে উধাও, পাটনা

     নারী যখন গাড়ি থামান 



    মহারাষ্ট্রে সাতাশ বছরের রিয়া আহির পুলিসের ভ্যানের সামনে দাঁড়িয়ে। বলছে যেতে হলে আমাকে কুচলে দিয়ে যাও। ভ্যান থেমে গেছে। পরে সাক্ষাৎকারে সে বলল, বাবা জানতে চেয়েছে বাসের বনেটের ক্ষতি হয়নি তো? হলে তার খরচ আমাদের দিতে হবে। 



    সারি সারি পুলিশকে হাততালি দিয়ে বিদায় দিয়েছেন তাঁরা, কখনো তাদের সামনে হাঁটু গেঁড়ে বসে পড়ে সম্মান জানিয়েছেন। 

    যন্তর মন্তরে লাঠালাঠি করে দিনের শেষে ক্লান্ত পুলিসকে হাওয়া করছে কিশোর কিশোরী। জল, খাবার নিয়ে আসছে তাঁদের জন্যে। 

    অসুস্থ পুলিসকে কোলে করে আনছেন এক সবল প্রতিবাদী। 

    পুলিশ যখন কোলে

    চিত্ত যেথা ভয় শূন্য

    পুলিশ যখন হেসে ফেলছে




    আরেক গাল বাড়িয়ে দেওয়ার মতন সরল সুরে একটি মেয়ে জিজ্ঞেস করছে পুলিসকে, আজকে আমাদের আবার মারবে না? 

    এক যুবক পুলিসের ব্যারিকেডের পাশে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করছে, আমাকে দুটো ঘা দেবে? বিশে জুলাই আসতে পারিনি। লাঠির বাড়ি খাওয়া বাকি আছে। বন্ধুদের কাছে মুখ দেখানো যাচ্ছে না। 
    শিখ তরুণ পুলিসকে বলছে দৌড়ে পালানোর প্র্যাকটিস করে আজ ট্রেনিঙের জুতোও পরে এসেছি, আজ আমাদের তাড়া করবেন তো? 

    পুলিস হতবাক। ক্ষমতার প্রতিভূ তাঁরা, জানেন লাঠি দেখালে লোক পালিয়ে যায় ভয়ে; এরা বলে লাঠি মারো, ধাওয়া করো আমাদের। 

    আমাদের জেড প্রজন্মের কন্যা বাড়িতে এলে বারোটার আগে ঘুম থেকে ওঠে না, কুটোটি কাটে না। যন্তর মন্তরে কেউ কাউকে বলে না কিন্তু মায়ার প্রজন্ম ঝাঁট দেয় উৎসবের চত্বর। 

    কভু দেখি নাই কভু শুনি নাই এমন তরণী বাওয়া।

    একটি মেয়ে তার বন্ধুকে বলছে আমাদের মধ্যে কেউ কাউকে বিয়ে করার আগে জানতে চাইবে বিশে জুলাই ২০২৬ তুমি কি যন্তর মন্তরে ছিলে? 

    মুম্বাইয়ের এক দম্পতি সদ্য এসে পৌঁছেছেন। ভদ্রলোক বললেন, তাঁর ছেলে লন্ডনে থাকে, সে বলেছে বাবা তুমি একবার যন্তর মন্তরে গিয়ে আমার হয়ে দুটো ডাণ্ডার বাড়ি খেয়ে এসো। 

    ছেলে বলেছে, “আমার হয়ে দুটো ডাণ্ডার বাড়ি খেয়ে এসো”

    গান্ধীও উপস্থিত, সোনমও




    এক বয়স্কা মুসলিম মহিলা এক তরুণীকে জড়িয়ে ধরে বললেন, মা দুনিয়াটা তোমাদের ভরসায় রেখে গেলাম, ঠিকমত দেখা শোনা কোরো, ঔর হিন্দু মুসলিম কি ভাইচারা সম্ভালকে রখনা। 

    আগামী যুগের তরুণ সারথি, কালের যাত্রার ধ্বনি কি শুনি তোমাদের রথচক্রে আজ? 

    মনে রাখি 

    আজ যারা আসীন সিংহাসনে 
    কাল তাঁরা থাকবেন না 
    ভাড়াটে তাঁরা, এ বাড়ি চিরদিনের নয় 
    সবার রক্ত মিশে আছে এই মাটিতে 
    হিন্দুস্তান কারো বাপের নয় 

    জো আজ সাহিব-এ-মসনদ হ্যাঁয় 
    ওহ কল নাহি হোঙ্গে, 
    কিরায়েদার হ্যাঁয়, জাতী মকান থোড়ি হ্যায় 
    সবকা খুন হ্যায় শামিল ইস মিট্টিমে 
    কিসিকে বাপ কা হিন্দুস্তান থোড়ি হ্যায় 

    রহত ইন্দোরি (১৯৫০-২০২০) 

    *There is nothing either good or bad 
    But thinking makes it so 

    Hamlet Act II Scene 2 

    **Daniel Cohn-Bendit, Dany the Red - জার্মান ইহুদি, ১৯৬৮ সালের প্যারিস ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতা. ফ্রাঙ্কফুর্টে গোয়েথেস্ত্রাসেতে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার উলটো দিকে একটি বইয়ের দোকান চালাতেন কিছুদিন; আমার জার্মানি বইয়েতে তার সঙ্গে সাক্ষাতের গল্প আছে।
     


    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক।
  • আলোচনা | ২৯ জুলাই ২০২৬ | ১৪৩২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • অরিন | ২৯ জুলাই ২০২৬ ০১:১১741999
  • বাহ, অপূর্ব।
  • Debanjan | ২৯ জুলাই ২০২৬ ০৬:৪৪742000
  • অসম্ভব সুন্দর হিরেনদা l ড্যানিয়েল কোন বেন্ডিটের নাম পড়েছি, লন্ডনের বিখ্যাত বামপন্থী তারিক আলীর লেখায় l এর সম্বন্ধে আরো জানলে ভালো লাগতো l
  • Ranjan Roy | ২৯ জুলাই ২০২৬ ০৯:২৯742001
  • 60 এর দশকের শেষে প্যারিসে Renault কারখানার মজুর এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র দ্য গল সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামে l বিশাল আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে এবং রাস্তায় बैरिकेड्स তৈরি হয় l
    আন্দোলনের সমর্থনে পথে নামलेन सार्त्र ও অন্যান্য बुद्धिजीवी l
     
    কিন্তু আন্দোলনের মুখ ছিলেন ড্যানিয়েল कोहन bendit. উনি তারিখ আলীর মতই Trotsky पंथी ছাত্র নেতা ছিলেন l
    সেই সময় জার্মানীতে একই রকম ছাত্র আন্দোলন হয়েছিল l তার নেতৃত্বে रूडी dushchek.
     
    এবার দাদা বিস্তারিত বলবেন l
  • প্রদীপ দাশগুপ্ত | ২৯ জুলাই ২০২৬ ১০:০৬742002
  • অনবদ্য। মানসিকভাবে মিছিলে তো ছিলামই বরাবর, আপনার লেখা পড়ে মনের জোর আরো বাড়ল।
  • উত্তম ভট্টাচার্য | ২৯ জুলাই ২০২৬ ১১:৩৯742003
  • লেখক কে অনেক অনেক অভিনন্দন ও ধন্যবাদ। সুন্দর ভাবে দিল্লির যন্তর মন্তরের, দিন- পঞ্জি বর্ণনা এখানে। এ যেন মহাভারত সঞ্জয় এর কুরুক্ষেত্র এর যুদ্ধের একদিনের আলেখ্য বর্ণনা। লেখক বর্ণনা করেছেন, নিজের গ্রাম ছেড়ে শহরে আসার যাত্রা পথ ধরে, আজকের ছেলে মেয়েদের নৈরাজ্য, নৈরাশ্য হতে আলোর সন্ধানে যাত্রা। এখানে কোনো ধর্ম ভেদ নেই, আছে একই লক্ষ্যে পৌঁছাতে সমবেত সংগ্রাম এর নিদর্শন। ভয় অতিক্রম করে মুখোমুখি বুঝে নেবার সংগ্রাম। বড়ই আশাব্যঞ্জক দিনলিপি।
     
    শুধু আতংক ফিরে আসে, পশ্চিমবঙ্গে নকশাল আন্দোলন ও নকশাল দমন ইতিহাস মনে এলে। "মুক্তি র মন্দির এ কত প্রাণ হল বলিদান, তারা কি ফিরিবে আর?" কিছু যৌবন আত্মাহুতি দেয়, আর কিছু "চতুরজন" দই খায়। যুগে যুগে এক গল্প। এক ইতিহাস।
    "ভারতবর্ষ, হিন্দু মুসলমান এর মিলিত দেশ" কিন্তু দুরাত্ম জন তাকে অস্বীকার করে। দেশে ভাই বোন এর রক্ত বন্যা বহে যায়, অগনিত উদ্বাস্তু পথে নামে। নিরন্ন বাস্তু সারা হয়। আমাদের ভাই -বোন এর রক্ত রাঙ্গানো ২০ শে জুলাই, ২০২৬ এর ইতিহাস তৈরী হয়।
     
    অকল্পনীয় ভাবে দিগন্ত এ উঠে এসেছে এক আশার আলো, এক আলোর রৌপ্য দিশা। সুপ্রিম কোর্টের অভিভাবক সুলভ রক্ষা কবজ এবং যুযুধানমান দলের দিক হতে সুপ্রিম কোর্টের আদেশ কে মানত্যা দেওয়া। সৌভাগ্য। লেখক এবং প্রকাশককে আবার ও অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।
  • অরিন | ২৯ জুলাই ২০২৬ ১১:৪১742004
  • রঞ্জনবাবু, ড্যানিয়েল কন-বেনডিট ("লাল ড্যানি") র প্রসঙ্গটি তুলে ভাল কথা মনে করালেন। এই দিল্লির ছাত্রদের আন্দোলনের সঙ্গে ২২ মার্চ ১৯৬৮ তে প্যারিস ছাত্র আন্দোলনের একটা মিল পাওয়া যায় যে সেই আন্দোলনের মতই এও স্বতঃস্ফুর্ত, শিক্ষা ব্যবস্থার বিশেষ করে ইউনিভারসিটিতে অপ্রতুল জায়গা, অব্যবস্থা, অথরিটির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ| তবে সে আন্দোলন যেমন সাধারণ মানুষকে নিয়ে পরে এক ফ্রানস জোড়া আন্দোলনের রূপ নেয়, আজকের পোড়া ভারতে সে হবার সম্ভাবনা দেখি না। তবে সব কিছু বলা যায় না কি হতে পারে।
    তবে ড্যানিয়েল কন-বেনডিট ট্রটস্কি পন্থী ছিলেন এটা জানা ছিল না,আমার মনে হয় নি, বরং ধারণা ছিল তিনি নেহাতই anarchist | ড্যানিয়েল আর গ্যাবরিয়েল কন-বেনডিট দের যৌথভাবে লেখা একটি বই আছে, আপনি বিলক্ষণ পড়েছেন, তাই আর আলাদা করে লিঙ্ক দিলাম না ("Obsolete Communism"), তাতে লেনিন ট্রটস্কি নিয়ে একটা গোটা চ্যাপটার রয়েছে, চার নম্বর অধ্যায়ে ট্রটস্কি নিয়ে লেখা আছে | সেখানে তিনি ট্রটস্কির সমালোচনা করেছেন। Ukraine এর নেস্টর মাখনো আরেকজন অ্যানারকিস্ট, যার সূত্রে Makhnovite আন্দোলনের কথাম যার হোতা ছিলেন তুলে বলেছেন যে বিপ্লব (স্বতঃস্ফুর্ত বিপ্লব?) কেন্দ্রীভূত হবার দরকার নেই, ট্রটস্কির ধারণার বিপ্রতীপ, তাই নয় কি? আপনার কি মনে হয়? অবশ্য তারিক আলি আর লাল ড্যানির প্রচুর মিলও ছিল, উভয়েই ছাত্র নেতৃত্ব থেকে উঠে এসেছিলেন, ক্যারিশমা, সাম্রাজ্যবাদ-বিরোধী, ইত্যাদি।
  • হীরেন সিংহরায় | ২৯ জুলাই ২০২৬ ১৪:৪১742005
  • পোলিশ আশকেনাজি পরিবারের সন্তান ডানিয়েল কোন-বেনডিট, তাঁর বাবা এরিখ ও মা হ্যারতা দুজনেই আইনজ্ঞ, বার্লিনে ওকালতি করতেন। এরিখ কোন বেনডিটের সবচেয়ে বিখ্যাত কেস হান্স লিটেনের পক্ষে দাঁড়ানো ( ১৯৩১ সালে আইনজ্ঞ হান্স লিটেন রাস্তায় ঘাটে নাৎসি পার্টির গুণ্ডামির বিরুদ্ধে আদালতে মামলা তোলেন এবং আডলফ হিটলারকে সাক্ষীর কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছিলেন ) ইহুদি নিধন শুরু হলে কোন-বেনডিটরা ফ্রান্সে চলে আসেন। ইললিগাল ইমিগ্রানট, তাঁদের কোন দেশের নাগরিকত্ব ছিল না, স্টেটলেস ডানিয়েলের ( জন্ম ১৯৪৫ ) সাত বছর বয়েসে মা হ্যারতা ফ্রাঙ্কফুর্ট চলে আসেন, ১৯৫৯ সালে জার্মান পাসপোর্ট পান ফ্রাঙ্কফুর্টের কাছেই এপেনহাইমে স্কুলে গেছেন, তারপরে ফ্রান্সে পড়াশোনা , ননতের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ে ছাত্র আন্দোলনে জড়িয়ে পরেন, তাঁর লাল চুল ও বাম পন্থার জন্য দ্রুত ডানি ল্য রুঝ নামে পরিচিত হন, শ্রমিকরা তাঁদের দাবি দাওয়া নিয়ে সে আন্দোলনে যোগ দেন, এক কোটি শ্রমিক ধর্মঘট করেছিলেন ( ফ্রান্সের ইতিহাসে বৃহত্তম) কিন্তু প্রেসিডেন্ট শারল দ্য গল প্রতিরোধ ভাঙ্গেন, মূলত শ্রমিকদের মাইনে বাড়িয়ে মাত্র ছ সপ্তাহের মধ্যে আন্দোলন শেষ, ডানিয়েল ফ্রান্স থেকে বহিষ্কৃত ফ্রাঙ্কফুর্টে নানান জন সেবা মূলক কাজ করতেন, আমাদের স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া ফ্রাঙ্কফুর্টের উলটো দিকে কার্ল মার্ক্স বুখ হানডলুং নামে একটি বইয়ের দোকান চালাতেন। তখন আমার সুযোগ হয়েছিল আলাপ করার, মাথার চুল কমে এসেছে, তাঁকে ততটা রেড মনে হয় নি ! পরে তিনি ফ্রাঙ্কফুর্টের ডেপুটি মেয়র হন, নিজেদের স্টেটলেস ইমিগ্রানট অভিজ্ঞতা ( মাত্র কয়েক বছর আগে প্রকাশিত বই সুভেনির দাঁ আপাত্রিদ – স্টেটলেসের স্মৃতি, ২০২০ তার বিস্তারিত বিবরণ ) কখনো ভোলেন নি, ফ্রাঙ্কফুর্ট তথা হেসেন রাজ্যে আসা অনেক সহজ হয়ে যায় পরে ইউরোপীয় পার্লামেন্টে আসেন আমাদের এস আই আরের মতন ফরাসি নাগরিত্বের প্রথম আবেদন করেন ১৯৫৫ সালে, সেটি পেয়েছেন ২০১৫ সালে। ভাই গাব্রিয়েলের সঙ্গে লেখা লিঙ্কসরাডিকালিজমুস -গেভালটকুর গেগেন ডি আলটারসক্রাঙ্কহাইট ডেস কমিউনিজমুস - বামপন্থী উগ্রবাদ - বার্ধক্যরোগে আক্রান্ত কমিউনিজমের কঠিন চিকিৎসা। ইংরেজিতে তার নাম অবসোলিট কমিউনিজম, সে বই এবং ডানি ডা রেডের রাজনৈতিক চিন্তা নিয়ে রঞ্জন এবং অরিন তার বিষয়ে ব্যাপক লিখেছেন এখানে।

    অনাবশ্যক তথ্য-
    কোন অজ্ঞাত কারণে মধ্যযুগে, যখন স্পেন থেকে বিতাড়িত ইহুদি রাইন নদী ধরে উত্তর পূর্বে আসছে, হিব্রু বাইবেল বেত্তা রাব্বিরা জার্মানির নাম দেন বলেন আশকেনাজ তা থেকে এসেছে আশকেনাজি।
    ইহুদি পুরুত গোষ্ঠীর নাম মূলত কোহেন, তার অজস্র অপভ্রংশ আছে, Kohn Kahn Cohn ইত্যাদি
     
  • MANJIRA | ২৯ জুলাই ২০২৬ ১৭:২৯742006
  • হীরেনদার লেখাটি এই সময়কালের একটি নিতান্তই জরুরী অথচ অত্যন্ত সুখপাঠ্য একটি দলিল হয়ে থাকবে। ।
  • Ranjan Roy | ২৯ জুলাই ২০২৬ ১৮:০৬742007
  • মনে হচ্ছে 1968 সালের কোলকাতার বামেদের সঙ্গ করে অনেক ভুল ভাল জেনেছি l
    তখন বিদেশী বই दुर्लभ ছিল l
     
    অনেক গুলো ভুল ধারণার একটা: কমিউনিস্ট পার্টির नेतृत्व ছাড়া সব spontaneous আন্দোলন
    হয় নৈরাজ্য বাদী নয় Trotsky पंथी l
    মনে হচ্ছে ড্যানিয়েল ও জার্মান ছাত্র নেতা Rudi দুজনেই নৈরাজ্য বাদী l
     
    তখন কেউ Bakunin পড়তো না l কী দরকার? মার্কস স্বয়ং খারিজ করে গেছেন তো!
     
    এখন state নিয়ে Bakunin এর লেখা পড়লে মনে হয় অনেক পয়েন্টে উনি ঠিক, মার্কস ভুল l
    আসলে মুক্ত বুদ্ধির চর্চা বাম শিবিরে সন্দেহের চোখে দেখা হত l
    মোহিত সেন, এম এন রায়ের লোকদের পার্টি ছাড়তে হয়
    দ্বিতীয় ভুল তথ্য: চিনে जन्म नियंत्रण হয় না l হতে পারে না l ওসব বুর্জোয়া অপপ্রচার l
    তিন, Gulag আসলে মার্কিন অপপ্রচার l
    चार, চিনে বিরাট দুর্ভিক্ষ, লক্ষ লক্ষ লোকের মৃত্যু l
    এর জন্যে Great Leap Forward আন্দোলনের কোন দায়িত্ব নেই l
     
    পাঁচ, स्टालिन এর রাশিয়া প্রথম আরব इजरायल যুদ্ধে इजराइल के অস্ত্র সাহায্য করে নি!
  • শ্যামলেন্দু বিশ্বাস | ২৯ জুলাই ২০২৬ ১৯:১৪742008
  • তারিক আলির লেখা বই "দি স্ট্রিট ফাইটিং ইয়ার্স "।বিষয়, ষাট -সত্তর দশকের নানা দেশের স্বতঃসফূর্ত গণ -আন্দোলন। অনবদ্য লেখা। বইটির চক্ষুদান হওয়ায় তার থেকে দু -চার্ লাইন উল্লেখ করার সুযোগ হারালাম .
  • Debanjan Banerjee | ২৯ জুলাই ২০২৬ ১৯:২৯742009
  • অনেক ধন্যবাদ হিরেনদা ও অরিনল্যান ও রঞ্জনবাবুকেও l হিরেনদা গত বছর আপনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর পশ্চিম জার্মানী নিয়ে একটা লেখা খুব সম্ভবত মজলিশী আড্ডা নাম ছিল সেখানে বাদের মেইনহফ নামক চরমপন্থী গোষ্ঠীর উল্লেখ করেন l এদের সঙ্গেও কি কোন বেন্ডিতের কোন কানেকশন ছিল ? তারিক আলী মনে হয় এরম কিচু বলেছেন
  • Sara Man | ২৯ জুলাই ২০২৬ ২২:৩০742012
  • লেখাটা খুব ভালো লাগলো হীরেনদা, অন্তর থেকে লেখা। আপনার অন্য সিরিজের লেখাগুলোও পড়ি, তবে ব্যাঙ্ক, ইকোনমিক্স, খটোমটো লাগে, একটু ভেবলে যাই, তাই কিছু আর বলতে পারিনা।
  • হীরেন সিংহরায় | ২৯ জুলাই ২০২৬ ২২:৫৪742013
  • সকলে অনেক ধন্যবাদ।
     
    দেবাঞ্জন

    আমি যখন জার্মানি পৌঁছুই, উগ্র বামপন্থী, সশস্ত্র সংগ্রামে বিশ্বাসী আরবান গেরিলা বাদের মাইনহোফ গ্রুপ বা লাল বাহিনী(রোটে আরমে ফ্র্যাকতশিওন) সারা দেশে ত্রাস সঞ্চার করেছেন। এরা যুদ্ধোত্তর পশ্চিম জার্মানির ফ্যাসিস্ট সরকারের অবসান চেয়েছিলেন ; সেটা কোন-বেনডিটের ভাবনা থেকে অনেক দূরের থিওরি এবং সকলেই প্রাণ দিয়েছিলেন ( মানফ্রেড রোমেল পর্বটা দেখুন)। মনে রাখা ভালো মার্চ ১৯৬৮ তে প্যারিসে যে ছাত্র আন্দোলনে কোন বেনডিট নেতৃত্ব দিয়েছেন (তাঁর ইহুদি ব্যাকগ্রাউনড এবং জার্মান পাসপোর্ট নিয়ে ফরাসি ছাত্র আন্দোলনে ভিড়ে যাওয়াকে ব্যঙ্গ করা হলে তিনি একটি স্লোগান দেন, আমরা সবাই জার্মান ইহুদি ( নু সম তু দে জুই আলমা) এবং যেখানে ফ্রান্সের ইতিহাসে সবচেয়ে বড়ো ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্ট্রাইক হল – কিন্তু ছ সপ্তাহের মধ্যে সব শেষ? তেইশ বছরের কোন বেনডিট কি সমঝোতা করেছিলেন শারল দ্য গলের সঙ্গে ? তাঁকে কোনমতেই উগ্রপন্থীর তকমা দিয়ে বাদের মাইনহফের দলে ফেলা যায় না।
  • হীরেন সিংহরায় | ২৯ জুলাই ২০২৬ ২৩:০০742014
  • শ্যামলেন্দু
     
    ইন্টারনেট আর্কাইভে তারিক আলির স্ট্রিট ফাইটিং ইয়ারস পড়া যায়। বিনি পয়সায় !
  • Debanjan | ৩০ জুলাই ২০২৬ ১১:০৮742018
  • অনেক কিছুই নতুন শিখছি হিরেনদা l দুনিয়া দেখবার চোখটা নতুন করে তৈরী হচ্ছে l যেখানে ফ্রান্সের ইতিহাসে সবচেয়ে বড়ো ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্ট্রাইক হল – কিন্তু ছ সপ্তাহের মধ্যে সব শেষ? তেইশ বছরের কোন বেনডিট কি সমঝোতা করেছিলেন শারল দ্য গলের সঙ্গে ? খুবই গুরুত্বপূর্ণ দুটি প্রশ্ন আপনি তুলেছেন দাদা l স্বয়ং তারিক আলীও এই দুই প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর দিতে পারেননি তার বইতে l ইতিহাসই হয়তো উত্তর দেবে যবে আবার ওই উত্তাল সময়ের ইতিহাস লেখা হবে l "উগ্র বামপন্থী, সশস্ত্র সংগ্রামে বিশ্বাসী আরবান গেরিলা বাদের মাইনহোফ গ্রুপ বা লাল বাহিনী(রোটে আরমে ফ্র্যাকতশিওন) সারা দেশে ত্রাস সঞ্চার করেছেন। এরা যুদ্ধোত্তর পশ্চিম জার্মানির ফ্যাসিস্ট সরকারের অবসান চেয়েছিলেন" হিরেনদা এই ব্যাপারটা নিয়েও আরো লিখুন প্লিজ l আমাদের পরিচিত ইতিহাস বলে যে বার্লিন বাঙ্কারে ফুয়েরারের আত্মহত্যার সাথে সাথেই পশ্চিম জার্মানী তে ফ্যাসিস্ট সরকারের শেষ l তাহলে যুদ্ধোত্তর পশ্চিম জার্মানির ফ্যাসিস্ট সরকার এর অবসানের কি প্রয়োজন ? যুদ্ধোত্তর পশ্চিম জার্মানিতে কি ভোটের মাধ্যমে পরিবর্তন করা যেতোনা ?
  • মানস ভট্টাচার্য | ৩০ জুলাই ২০২৬ ১১:৪৬742019
  • অ পূ র্ব !
    ভেবেছিলাম কপি পেস্ট করে আমার ফেবুর পাতায় দিই। কিন্ত নিয়মে আটকাচ্ছে।
    মানস ভট্টাচার্য
  • হীরেন সিংহরায় | ৩০ জুলাই ২০২৬ ১১:৫৯742020
  • রঞ্জন

    আমার সঙ্গে তোমার অভিজ্ঞতা খুবই মিলে যায়, আমরা একই কালের, এবং কিছুদিনের জন্য একই পাড়ার ! প্রসঙ্গটা উঠলো বলে আজ সর্ব সমক্ষে স্বীকার করি – অবাক হইয়ো না, ১৯৭৭ সালে যখন জার্মানি গেলাম, বাম শিক্ষায় জেনে এসেছি পূর্ব জার্মানি বা জার্মান গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের পার ক্যাপিটা ইনকাম ব্রিটেনের চেয়ে বেশি। ভুলটা ভেঙ্গে ছিল পূর্ব বার্লিনের পারগামন মিউজিয়ামে, যেখানে চা বা কফি কোনটাই পাওয়া গেল না। আমার জার্মানি বইতে আমার শ্রমিক কৃষকের স্বর্গ হতে বিদায়ের কাহিনী লিখেছি।

    ১৯৯৬ সালে আমার ভাইঝির বিয়ের নিমন্ত্রণ করতে গেছি কলকাতায় আমার অর্থনীতির প্রাক্তন অধ্যাপককে ; তিনি সি পি আইয়ের বরিষ্ঠ ইডিওলগ এবং কবি। আমাকে জিজ্ঞেস করলেন পূর্ব ইউরোপে সত্যি কি এসব ঘটছে ? আমি পালটা প্রশ্ন করেছিলাম, ‘ আপনি তো পোল্যান্ড রাশিয়া বুলগারিয়া চেক ঘুরে এসেছেন, আপনার কি সত্যিকার অর্থনীতির দুরবস্থা চোখে পড়ে নি ? তাঁর উত্তর আজও মনে আছে। দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে তিনি বলেছিলেন, হীরেন আমি তো বিশ্বাস করবো বলেই তো গিয়েছিলাম।

    গত বছর লন্ডনের এক আড্ডায় আমার অনুজ প্রতিম কাঁটাকলের প্রাক্তন ছাত্র একঃ দুর্ধর্ষ অর্থনীতিক আমাকে বলল, দাদা আপনাকে কি বলব ১৯৯১ সালে যখন সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে পড়ছে, আমাদের দাদারা বলেছিলেন, ওসব মার্কিনী প্রোপাগানডা।
     
  • হীরেন সিংহরায় | ৩০ জুলাই ২০২৬ ১২:১৮742021
  • দেবাঞ্জন
    বাদের মাইনহোফ গ্রুপের কাগজপত্রে ফেডারাল রিপাবলিককে ফ্যাসিস্ট স্টেট বলা হয়েছে, এটা আমার স্টেটমেন্ট নয়, সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য হবে না। তবে কাছ এবং দূর থেকে যা দেখেছি তা একদিন বলার ও লেখার ইচ্ছে আছে ; প্রায় পঞ্চাশ বছর দেশটাকে চিনি, জার্মানিকে আমার দ্বিতীয় জন্মভূমি মনে করি। তবু আজ বলি এটি কোন আগ মার্কা গণতন্ত্র নয়। এই এপ্রিল মাসে মিউনিকে একটি ওয়াকিং টুরে গাইডকে জিজ্ঞেস করেছি, ফরেন পলিসির ব্যাপারে জার্মান সরকার কি সার্বভৌম ? তিনি একপাশে ডেকে বললেন, এটা এই টুরের বিষয় নয়। তেমনই গুরুর পাতায় আমিও আর গভীরে যাচ্ছি না। এখন।
     
    চল্লিশ বছর আগে যখন প্রথম পাকিস্তান যাই মনে আছে সে আমলে টি ভির প্রোগ্রাম হঠাৎ থেমে গেলে বা সম্প্রচার কেটে গেলে স্ক্রিনে একটা লেখা ফুটে উঠতো - ইন্তেজার ফরমাতে হ্যাঁয় ! অতএব রহু ধৈর্যম!
  • রবীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়;কাঁটাকল ৭২-৭৪ শিক্ষা বর্ষ | ০১ আগস্ট ২০২৬ ১৫:১৭742042
  • দীর্ঘ নিবন্ধ। ধৈর্য্য ধরে পড়লাম। অনেকে মতামত দিয়েছেন। কিছু পড়েছি। হীরেন সিংঘ রায় কে শ্রদ্ধা করি। তবু আমার ভিন্ন মত। অনেক রাজনীতি আছে - শাসক দল; বিরোধী দল।
    উত্তম এর সঙ্গে অনেকটা সহমত। সিদ্ধার্থ শংকর রায় এর জমানায় কলকাতা কেন্দ্রীক উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় যে অপূরণীয় ক্ষতি সাধিত হয়েছিল, তার খেসারত গোটা জীবন ধরে দিতে হলো। এটা কোন ব্যতিক্রমী অভিজ্ঞতা নয়। তাই আমার ভিন্নমত।
  • হীরেন সিংহরায় | ০১ আগস্ট ২০২৬ ১৮:৪৪742050
  • পড়ার ও মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ। অর্ধ শতাব্দী প্রবাসে আছি, দেশের বিষয়ে অনেক কিছুই জানি না। সেই মূর্খতা সত্ত্বেও দূর হতে যে প্রতিবাদ দেখেছি, যা মনকে নাড়া দিয়েছে, তারই একটি খণ্ড চিত্র আমার এই লেখা। এখানে কোন দল বা নীতির কথা নেই। রাহত ইন্দোরির লাইন দুটি শুধু হিন্দুস্তান নয়, যে কোন স্তান বা ল্যান্ডের প্রতি প্রযোজ্য। বেমিসাল ভালো লেগেছে এদের প্রতিবাদের ভাষা যেখানে ধর্ম ও বর্ণভেদ নির্বাসিত।
  • জয় | ০১ আগস্ট ২০২৬ ২২:০৫742057
  • হীরেনদা অশেষ ধন‍্যবাদ। অপেক্ষায় ছিলাম। চারপাশে এত নিরাশার মধ‍্যে আপনার লেখা মন ভালো করে দেয়। অসম্ভব মন ভালো করে দেওয়া গল্প (আদৌ গল্প নয়) উঠে আসছে। উড়িষ‍্যার তিনটি বাচ্চা ছেলে এ ট্রাক ও ট্রাক হিচহাইক করে তিন দিন উজিয়ে যন্তর মন্তরে এসেছিল। বাড়িতে বলে এসেছিল কোন এক মন্দির দর্শনে যাচ্ছে। জুলাইএর যন্তর মন্তরের মত বড় মন্দির ওরা আর কোথায় পাবে?
     
    আরো শুনছি পরিবার শাসকদলের সমর্থক বিজেপি-আরএসএস মতাদর্শী তেমন বাড়ির বাচ্চারাও সামিল হয়েছে। ভয় কমছে। সোস‍্যাল মিডিয়ায় অন‍্য মতের অন‍্য ভয়েসের একটা জায়গা হচ্ছে। মন্দির মসজিদের বাইরে, ধুরন্ধর-পাকিস্তানের বাইরে যে জীবনটা আছে সেটার বোধ হচ্ছে। সেই জীবনটা আরশোলার জীবনের মতো হওয়া উচিত নয় সেটা বলতে বাঁধছে না।
  • Ranjan Roy | ০২ আগস্ট ২০২৬ ২১:৫৮742078
  •  
    @ রবীন্দ্রনাথ কাঁটাকল
    • উত্তম এর সঙ্গে অনেকটা সহমত। সিদ্ধার্থ শংকর রায় এর জমানায় কলকাতা কেন্দ্রীক উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় যে অপূরণীয় ক্ষতি সাধিত হয়েছিল, তার খেসারত গোটা জীবন ধরে দিতে হলো। এটা কোন ব্যতিক্রমী অভিজ্ঞতা নয়। তাই আমার ভিন্নমত।
     
    ---আমার মনে হয় কোথাও আপনার বুঝতে ভুল হচ্ছে। বাম চিন্তার একদেশদর্শিতা বা অজ্ঞানতা নিয়ে কথা বললে সিদ্ধার্থ রায়ের 'কালো দিন' এর সমর্থক বলে ধরে নিচ্ছেন কেন?
    আমি ও হীরেনদা এই ধরণের বাই-পোলার রাজনীতির বিরুদ্ধে।
     
    সিদ্ধার্থ রায় এবং এমার্জেন্সির কালো দিন কিছু কম দেখি নি। আমাদের বাড়ি আক্রান্ত হয়েছে, কেউ জেলে গেছে।
     
    আমরা সবরকম টোটালিটেরিয়ান মতাদর্শের বিরুদ্ধে।
    বহুদলীয় রাজনীতি, মত প্রকাশের অধিকার ও লৈঙ্গিক সাম্যের পক্ষে। পরিবেশ সচেতনতার ও স্টেক হোল্ডারদের বক্তব্য শোনার পক্ষে। অবশ্যই সবরকম রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে।
     
    এখনও আমার অনেক বাঙালি বাম বন্ধুরা উত্তর কোরিয়াকে অ-কম্যুনিস্ট বলতে চান না।
    যেমন গেরুয়া পরলেই সন্ন্যাসী হয় না। তেমনই লাল পতাকা টাঙালেই সাম্যবাদী হয় না।
    কথার বদলে কাজ দিয়ে বিচার করার পক্ষে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ক্যাবাত বা দুচ্ছাই মতামত দিন