

আধুনিক যুগের যে সকল কলা কৌশল দূরকে নিকট করেছে, তার কিছুরই ব্যবহার জানি না তা নয়। ইমেল চিনেছি চার দশক আগে, হোয়াটসঅ্যাপ বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকে পড়েছি বেশ কয়েক বছর। এই বাগাড়ম্বর শুনে বিন্দুমাত্র অভিভূত না হয়ে আমার জেড প্রজন্মের কন্যা বুঝিয়ে দিলো এতদিনেও আমি টেকনোলজি সাগরের উপকূলে নুড়িটুকু কুড়োতে শিখিনি কারণ আগে জানতে হয় নুড়ি কোনটা আর কোনটা জমে যাওয়া বালি। যেমন আমাদের সময়ে লালচে কাগজে আট দশটি শব্দ সাঁটা এক টেলিগ্রাম বয়ে আনতো খারাপ খবর– ফাদার এক্সপায়ারড, মাদার সিরিয়াস। আজকের টেলিগ্রাম দ্বিপাক্ষিক সংলাপের মাধ্যম। স্ন্যাপ মানে চট জলদি চ্যাট মানে গল্পগাছা, দুই মিলিয়ে স্নাপচ্যাট, যেমন এ বাড়ির জানলা থেকে পাশের বাড়ির সঙ্গে কথা বলা, ইনস্টাগ্রাম এই দুইয়ের সমন্বয় যেন, সেখানে তৈরি হয় রীল, তাকে এককথায় বলা যায় বিন্দুতে সিন্ধু, তিরিশ সেকেন্ডে অনেক কিছু বলা হয়ে যায়, একটা ঝলক, দুটো কথা, একটা ছবি, কবিতার চার লাইন। মায়ার সক্রিয় সহায়তায় গত দশ দিনে ঘুমন্ত সারের এক গ্রাম হতে অনেক দূরে যে মুখরিত জনারণ্যে সশরীরে নয় মনে মনে পৌঁছে গেছি যেখানে তার নাম যন্তর মন্তর; দিবস রজনী সেখানেই আটকে আছি।
আকাশের তারার গতি বিধি, অমাবস্যা পূর্ণিমা তিথি নির্ধারণের যন্ত্রপাতি টুলো পণ্ডিতের চৌকিতে আবদ্ধ না রেখে তাকে সাধারণ মানুষের পক্ষে বোধগম্য করার মানসে জয়পুরের মহারাজা জয় সিংহ একটি বিশাল আকারের অবজারভেটরি বানিয়েছিলেন দিল্লিতে, আজ থেকে তিনশো বছর আগে যেখানে এসে সাধারণ মানুষ বিনা ব্যয়ে আকাশের তারার গতিবিধি বুঝে উঠতে পারেন তিথির হদিশ রাখতে পারেন (চারিদিকে অনেক বাড়ি উঠে যাবার কারণে সেটি এখন আর সম্ভব নয়)।
আজ সেখানে সমবেত হাজার হাজার কিশোর কিশোরী তরুণ তরুণী তাদের হাসি গানে কৌতুকে একটা দমকা হাওয়ায় আমাদের ভাসিয়ে নিয়ে গেলেন কোনো অনির্দেশের উদ্দেশ্যে। এই জেনারেশন দিবারাত্র আইফোন, আইপ্যাডে নিবিষ্ট এমন অভিযোগ আমরা সর্বদা করে থাকি; যেমন অন্য ঘর থেকে রেডিওতে বুধবার রাত আটটায় বিনাকা গীতমালার গান শুনে বাবা বলতেন পড়াশোনা ফেলে ঐ লারে লাপ্পা গানই শোনো, তোমাদের কিসুই হবে না।
গত দশ দিন আমার দীর্ঘ দিনের সেই ধারণাকে বদলে দিয়েছে। এরা অন্য রকম। তাই বলে ভালো মন্দের বিচার?
শেক্সপিয়ার বলেননি, ভালো মন্দ বলে কিছু নেই, যে যেমন ভাবেন যেমন ভাবে নেবেন? *
যৌবন জলতরঙ্গ
দুশো বছরে তিনবার রাশিয়া প্রাশিয়া অস্ট্রিয়া ভাগ করে নিয়েছিল যে দেশ সেই পোল্যান্ড শুধু তার স্বাধীনতা নয়, হারিয়েছিল তার পতাকা, ভাষার ব্যবহার এমনকি দেশের নাম। ১৭৯৭ সালে লেখা তাদের জাতীয় সঙ্গীতটি প্রকাশ্যে গাইবার অধিকার মেলে ১৯১৮ সালে; যেটি শুরু হয় এক নির্মম নিরাশায়-
‘পোল্যান্ড এখনো শেষ হয়ে যায়নি’
যন্তর মন্তরের ছবি আমাকে জানিয়ে দিলো, যে দেশ ছেড়ে এসেছি, সেই আমার জন্মভূমি এখনো হারিয়ে যায়নি। দূর প্রবাসে এসে ইস্তক পরিচিতজনদের বলেছি, আমার দেশের দারিদ্র্যের অর্থনীতিক ব্যাখ্যা আমি দিতে পারি, পারি না বহু বছরের ধর্ম ও বর্ণভেদজনিত ঘৃণা এবং পারস্পরিক অসহনীয় সহাবস্থানের। তবু কি ব্যতিক্রম দেখিনি? দেখেছি। বারো বছর বয়েসে বীরভূমের দুবরাজপুর থেকে পদুমা গ্রামে ফিরছি বাসে। হেতমপুর পেরিয়ে হঠাৎ সে বাস থামল শাল নদীর ব্রিজের অনেকটা আগে এমন জায়গায় যাকে মা বলতেন ভুবনডাঙ্গা, একটা গাছ অবধি নেই, বহুদূর অবধি কোন গ্রাম জন মনিষ্যির চিহ্ন নেই। বাসের হেল্পারকে জিজ্ঞেস করলাম, এখানে দাঁড়ালেন কেন? তিনি বললেন, খোকা জানলার বাইরে তাকিয়ে দেখো; এরা উপুসি মানুষ, সুয্যি ডুবেছে, নমাজ পড়া শেষ না করে কিছু খেতে পারেবেন না। তাই বাস দাঁড়িয়েছে। ওদের পেন্নাম পর্ব শেষ হলে বাস ছাড়বে।
তারপর অনেক দশক কেটে গেল, সেই ছবিটি আমার মনের ফ্রেমে বাঁধানো আছে। আশ্বিন মাসের এক সূর্যাস্তে আদিগন্ত বিস্তৃত লালমাটির রুক্ষ ডাঙ্গায় রাস্তার ধারে মাদুর পেতে জনা কয়েক মানুষ প্রার্থনা করছেন। মাঝে মধ্যে ট্রাক চলে যায়। বাস ভর্তি মানুষ নিঃশব্দে তাঁদের অপেক্ষা করছেন। কেউ প্রতিবাদ করেননি, ‘আমার বাড়িতে কাজ আছে, খামোখা সময় নষ্ট, আর পারা যায় না এদের নিয়ে।’
তখন হয়তো ঠিক কিছুই বুঝিনি আজ বুঝি আমি যে বাংলায় বড়ো হয়েছি যেখানে ভোট হতো ধর্ম নয়, দল দেখে।

এটাই আমার ভারত
যন্তর মন্তরের পথে হিন্দু সাধু নমাজ পাঠরত মৌলবিকে পাখার বাতাস করছেন, পরস্পরের হাত ধরে হাঁটছেন বৌদ্ধ শিখ হিন্দু মুসলমান। ম্যাথু আর্নল্ড বলেছিলেন আবেগের সঙ্গে চিন্তা করাটা কঠিন; হয়তো চিন্তা নয়, অহেতুক আবেগের বন্যায় ভেসে যাই যখন দেখি জুনেদ ভোর থেকে রান্না সামলাচ্ছে, পরিবেশনে মহম্মদ, স্টেজে আউরঙ্গাবাদের(বর্তমানে সম্ভাজিনগর) এক দরিদ্র দলিত পরিবারের সন্তান পাবলিক রিলেশনসে মাস্টার্স করা অভিজিৎ দিপকে।

ক্লান্তি আমার

পরিবেশনে অক্লান্ত
এঁদের কারো হাতে বা তাদের সঙ্গে একাসনে বসে শর্মা ঠাকুর দ্বিবেদি চট্টোপাধ্যায় সিং চৌধরি খেতে পারেন না, খেলে ধর্ম বিপন্ন, এমনিতেই হিন্দু ধর্ম খতরে মে হ্যায়।
যন্তর মন্তরের কোন নিয়ম নেই। কোন ধর্ম নেই।
দুশো বছর ধরে ইংরেজের সেনা বাহিনীতে ধর্মভেদে ভারতীয় সৈন্যদের জন্য আলাদা হেঁসেল ছিলো। সিঙ্গাপুরের পতনের পরে তাঁদের নিয়ে ১৯৪৩ সালে যখন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আই এন এ গড়লেন তিনি সেটা ঘুচিয়ে দিলেন। হিন্দু মুসলমান পার্সি খ্রিস্টান নয়, আমাদের একটাই হেঁসেল, সবাই খাবে পাশাপাশি বসে।
যন্তর মন্তরে একটাই হেঁসেল। হিন্দু না মুসলিম জিজ্ঞাসে কোন জন?
হেসে নাও
কুরুক্ষেত্রে প্রতিদিনের যুদ্ধের শেষে দুই যুযুধান পক্ষ শিবিরে ফিরে একত্রে বসে গল্প গুজব করতেন। সেদিন হয়তো তাঁদের অনেকে হারিয়েছেন প্রিয়জনকে, কিন্তু সন্ধ্যার সে আসরে শত্রু মিত্র বসতেন একসাথে। অর্কেস্ট্রা না হোক, বাঁশি বাজতো, গান গাইতেন কেউ।
সেন্স অফ হিউমরকে ইংরেজ একটা বিশাল গুণবত্তা মনে করে। পরিস্থিতি যতোই বিপন্ন হোক না কেন, তাকে অবহেলা করার অস্ত্র আন্ডার স্টেটমেন্ট; প্লেনের চারটি এঞ্জিন কাজ করছে না জানিয়ে ক্যাপ্টেন বললেন, উই হ্যাভ জাস্ট এ বিট অফ বদার। যন্তর মন্তরের রীলে চলতে থাকে একটি ধারা বিবরণীতে, শুধু ঘটনাবলি, পোস্টার প্রদর্শন, চুটকি, নেতাদের প্রতি উচ্চারিত দুর্বিনীত ব্যঙ্গ আবার তার পাশে আছে কবিতা, চমৎকার শের শায়েরির তুফান (যাঁদের আগ্রহ আছে তাদের জন্য নির্দ্বিধায় সুপারিশ করতে পারি, ফিরিতে পাবেন উচ্চাঙ্গের হিন্দি উর্দু কবিতার লাইন):
যেমন
কিসিনে হম সে পুছা, ক্যায়সে হো?
হম নে কহা, জিন্দগি মে গম হ্যায়
গম মে দর্দ হ্যায়
দর্দ মে মজা হ্যায়
আউর মজে মে হম হ্যাঁয়
কেউ জিজ্ঞেস করল, কেমন আছো
বললাম, জীবনে বিষণ্ণতা আছে
বিষণ্ণতায় দুঃখ আছে
দুঃখের মধ্যেও মজা আছে
আর আমি সেই মজায় আছি
এটি কি এই ছেলে মেয়েদের জীবন দর্শন?

আউর মজে মে হম হ্যাঁয়





মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন
সারাদিন লাঠি ডাণ্ডা পুলিশের চড় থাপ্পড় প্রহার হজম করে হাতে পায়ে ব্যান্ডেজ লাগিয়েও যন্তর মন্তরের তরুণ বাহিনী দিনের শেষে মেতে উঠেছেন সেই মজায়, গানে, বাজনায় নাচে – কিস বাত কি হ্যায় গম? এ এক উৎসব, কোথাও লুডো খেলা হচ্ছে, হাই জাম্প; যেন একটা অন্তহীন খুশির মধ্যে ছুটছেন তাঁরা। সন্ধ্যা গড়ালে থর মরু থেকে ধেয়ে আসা খোলা হাওয়া লাগিয়ে পালে তাঁরা ডুবতে রাজি আছেন! ডানি লে রুঝ, প্যারিস ছাত্র অভ্যুথানের নেতা ডানিয়েল কোন -বেনডিটকে দেখেছি কিন্তু ১৯৬৮ সালের প্যারিস কমিউন বা প্রাগের বসন্ত দেখিনি। তখন ইনস্টাগ্রাম ছিল না। তবে আমার নাতি নাতনিদের বলতে পারব মোবাইলের পর্দায় যন্তর মন্তর ২০২৬ দেখেছি। **
জয় করে আর কিসের ভয়?
কাঁদানে গ্যাস পুলিসের একটি ভীতিপ্রদ অস্ত্র বলে জানি যার কাজ সমবেত বিক্ষুদ্ধ জনতাকে লণ্ডভণ্ড করা। পাটনায় এক বিক্ষোভকারী খুঁজছে সেটা, পুলিসকে জিজ্ঞেস করছে, টিয়ার গ্যাসকা বেওস্থা নহি হ্যায়? জনতার ওপরে ওয়াটার ক্যাননের প্রয়োগ হয়ে থাকে একই উদ্দেশ্যে। পাটনায় এক ভয়শূন্য প্রতিবাদী পুলিসকে আকুল অনুরোধ জানাচ্ছে, জল কামান চালু কর দিজিয়ে। আমাদের বড্ড গরম লাগছে, আপনাদের লাগছে না? বি বি সি সেই জল কামানের ঝর ঝর বরিষণের মধ্যে জনতার উল্লাসকে বলেছে দি রেন ডান্স।

চোখে টিয়ার গ্যাস, ঠোঁটে হাসি

পাটনায় রেন ড্যান্স

ব্যারিকেড নিয়ে উধাও, পাটনা

নারী যখন গাড়ি থামান
মহারাষ্ট্রে সাতাশ বছরের রিয়া আহির পুলিসের ভ্যানের সামনে দাঁড়িয়ে। বলছে যেতে হলে আমাকে কুচলে দিয়ে যাও। ভ্যান থেমে গেছে। পরে সাক্ষাৎকারে সে বলল, বাবা জানতে চেয়েছে বাসের বনেটের ক্ষতি হয়নি তো? হলে তার খরচ আমাদের দিতে হবে।
সারি সারি পুলিশকে হাততালি দিয়ে বিদায় দিয়েছেন তাঁরা, কখনো তাদের সামনে হাঁটু গেঁড়ে বসে পড়ে সম্মান জানিয়েছেন।
যন্তর মন্তরে লাঠালাঠি করে দিনের শেষে ক্লান্ত পুলিসকে হাওয়া করছে কিশোর কিশোরী। জল, খাবার নিয়ে আসছে তাঁদের জন্যে।
অসুস্থ পুলিসকে কোলে করে আনছেন এক সবল প্রতিবাদী।

পুলিশ যখন কোলে

চিত্ত যেথা ভয় শূন্য

পুলিশ যখন হেসে ফেলছে
আরেক গাল বাড়িয়ে দেওয়ার মতন সরল সুরে একটি মেয়ে জিজ্ঞেস করছে পুলিসকে, আজকে আমাদের আবার মারবে না?
এক যুবক পুলিসের ব্যারিকেডের পাশে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করছে, আমাকে দুটো ঘা দেবে? বিশে জুলাই আসতে পারিনি। লাঠির বাড়ি খাওয়া বাকি আছে। বন্ধুদের কাছে মুখ দেখানো যাচ্ছে না।
শিখ তরুণ পুলিসকে বলছে দৌড়ে পালানোর প্র্যাকটিস করে আজ ট্রেনিঙের জুতোও পরে এসেছি, আজ আমাদের তাড়া করবেন তো?
পুলিস হতবাক। ক্ষমতার প্রতিভূ তাঁরা, জানেন লাঠি দেখালে লোক পালিয়ে যায় ভয়ে; এরা বলে লাঠি মারো, ধাওয়া করো আমাদের।
আমাদের জেড প্রজন্মের কন্যা বাড়িতে এলে বারোটার আগে ঘুম থেকে ওঠে না, কুটোটি কাটে না। যন্তর মন্তরে কেউ কাউকে বলে না কিন্তু মায়ার প্রজন্ম ঝাঁট দেয় উৎসবের চত্বর।
কভু দেখি নাই কভু শুনি নাই এমন তরণী বাওয়া।
একটি মেয়ে তার বন্ধুকে বলছে আমাদের মধ্যে কেউ কাউকে বিয়ে করার আগে জানতে চাইবে বিশে জুলাই ২০২৬ তুমি কি যন্তর মন্তরে ছিলে?
মুম্বাইয়ের এক দম্পতি সদ্য এসে পৌঁছেছেন। ভদ্রলোক বললেন, তাঁর ছেলে লন্ডনে থাকে, সে বলেছে বাবা তুমি একবার যন্তর মন্তরে গিয়ে আমার হয়ে দুটো ডাণ্ডার বাড়ি খেয়ে এসো।

ছেলে বলেছে, “আমার হয়ে দুটো ডাণ্ডার বাড়ি খেয়ে এসো”


গান্ধীও উপস্থিত, সোনমও
এক বয়স্কা মুসলিম মহিলা এক তরুণীকে জড়িয়ে ধরে বললেন, মা দুনিয়াটা তোমাদের ভরসায় রেখে গেলাম, ঠিকমত দেখা শোনা কোরো, ঔর হিন্দু মুসলিম কি ভাইচারা সম্ভালকে রখনা।
আগামী যুগের তরুণ সারথি, কালের যাত্রার ধ্বনি কি শুনি তোমাদের রথচক্রে আজ?
মনে রাখি
আজ যারা আসীন সিংহাসনে
কাল তাঁরা থাকবেন না
ভাড়াটে তাঁরা, এ বাড়ি চিরদিনের নয়
সবার রক্ত মিশে আছে এই মাটিতে
হিন্দুস্তান কারো বাপের নয়
জো আজ সাহিব-এ-মসনদ হ্যাঁয়
ওহ কল নাহি হোঙ্গে,
কিরায়েদার হ্যাঁয়, জাতী মকান থোড়ি হ্যায়
সবকা খুন হ্যায় শামিল ইস মিট্টিমে
কিসিকে বাপ কা হিন্দুস্তান থোড়ি হ্যায়
রহত ইন্দোরি (১৯৫০-২০২০)
*There is nothing either good or bad
But thinking makes it so
Hamlet Act II Scene 2
**Daniel Cohn-Bendit, Dany the Red - জার্মান ইহুদি, ১৯৬৮ সালের প্যারিস ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতা. ফ্রাঙ্কফুর্টে গোয়েথেস্ত্রাসেতে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার উলটো দিকে একটি বইয়ের দোকান চালাতেন কিছুদিন; আমার জার্মানি বইয়েতে তার সঙ্গে সাক্ষাতের গল্প আছে।
অরিন | ২৯ জুলাই ২০২৬ ০১:১১741999
Debanjan | ২৯ জুলাই ২০২৬ ০৬:৪৪742000
প্রদীপ দাশগুপ্ত | ২৯ জুলাই ২০২৬ ১০:০৬742002
উত্তম ভট্টাচার্য | ২৯ জুলাই ২০২৬ ১১:৩৯742003
MANJIRA | ২৯ জুলাই ২০২৬ ১৭:২৯742006
শ্যামলেন্দু বিশ্বাস | ২৯ জুলাই ২০২৬ ১৯:১৪742008
Debanjan Banerjee | ২৯ জুলাই ২০২৬ ১৯:২৯742009
Debanjan | ৩০ জুলাই ২০২৬ ১১:০৮742018
মানস ভট্টাচার্য | ৩০ জুলাই ২০২৬ ১১:৪৬742019
রবীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়;কাঁটাকল ৭২-৭৪ শিক্ষা বর্ষ | ০১ আগস্ট ২০২৬ ১৫:১৭742042
জয় | ০১ আগস্ট ২০২৬ ২২:০৫742057